একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের বর্ধিত সভা সোমবার(২২ নভেম্বর) সকালে উপজেলা হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন।
দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের আহ্বায়ক এস.এম. এহসানুল হক সুমনের সভাপতিত্বে বর্ধিত সভায় বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি রেজাউর রহমান চঞ্চল, সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন মানিক, দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, সাধারণ সম্পাদক শিবলী সাদিক, সহ-সভাপতি এস প্রতাপ মুকুল প্রমুখ।
বর্ধিত সভায় দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক আমিনুর রহমান খান বাপ্পীর ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী রোববার(২১ নভেম্বর) নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালন করা হয়েছে।কর্মসূচির মধ্যে ছিল- কোরআন খতম, দোয়া মাহফিল, কবর জিয়ারত, আলোচনা সভা ও গণভোজ।
রবিবার(২১ নভেম্বর) সকালে প্রয়াত বাপ্পীর পরিবারের পক্ষ থেকে কলেজপাড়া এলাকায় শহীদ বাপ্পী স্মৃতিস্তম্ভে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এরপর আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে শোক র্যালি নিয়ে কেন্দ্রীয় গোরস্থানে গিয়ে বাপ্পীর কবর জিয়ারত করা হয়।
শহরের কলেজপাড়া পানির ট্যাঙ্ক এলাকায় আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল-৩(ঘাটাইল) আসনের সংসদ সদস্য ও বাপ্পীর বাবা আতাউর রহমান খান, সাবেক সংসদ সদস্য ও বাপ্পীর ছোট ভাই আমানুর রহমান খান রানা, টাঙ্গাইল সদর
উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আব্বাস আলী, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইসতিয়াক আহমেদ রাজিব, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামীম আল মামুন, সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাকিল কবির সোহেল, জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান লিটন, সদর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউর রহমান প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালে ২১ নভেম্বর কলেজপাড়া এলাকায় জেলা ছাত্রলীগের তৎকালীন যুগ্ম-সম্পাদক আমিনুর রহমান খান বাপ্পীকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা।
একতার কণ্ঠঃ আজ রবিবার (২১ নভেম্বর) টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক আমিনুর রহমান খান বাপ্পীর ১৮তম মৃত্যুবার্ষিকী ।মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শহীদ আমিনুর রহমান খান বাপ্পী স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে নানা কর্মসূচি গ্রহন করা হয়েছে।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- টাঙ্গাইল শহরের কলেজপাড়ায় শহীদ বাপ্পী স্মৃতিস্তম্ভে পুস্পার্ঘ অর্পন, আলোচনা সভা, কবর জিয়ারত, মোনাজাত, গণভোজ ইত্যাদি।
প্রকাশ, ২০০৩ সালের ২১ নভেম্বর শহরের কলেজপাড়ায় নিজ বাড়ির কাছে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-সম্পাদক আমিনুর রহমান খান বাপ্পী। এ সময় বাপ্পীর সঙ্গী আবদুল মতিন নামে এক ব্যক্তিও নিহত হন।
নিহত আমিনুর রহমান খান বাপ্পী সাবেক এমপি রানার বড় ভাই এবং টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের বর্তমান এমপি আতাউর রহমান খানের ছেলে।
একতার কণ্ঠঃ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবিতে গণ-অনশন কর্মসূচি পালন করেছে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি।
শনিবার (২০ নভেম্বর) কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শহরে সোনার বাংলা কমিউনিটি সেন্টারের সামনে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আয়োজনে ওই গণ-অনশন অনুষ্ঠিত হয়। গণ-অনশনে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির শিশু বিষয়ক সম্পাদক সাবেক এমপি আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী।
জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হাসানুজ্জামীল শাহীনের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানুর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন যুগ্ম আহবায়ক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, কাজী শফিকুল ইসলাম লিটন, দেওয়ান শফিকুল ইসলাম, অমল ব্যানার্জী, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক আশরাফ পাহেলী, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ, শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহীন আকন্দ, শ্রমিকদলের সাধারণ সম্পাদক মনিরুল হক মনির, স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি তরিকুল ইসলাম ঝলক, মহিলা দলের সভাপতি নিলুফার ইয়াসমিন, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দুর্জয় হোড় শুভ, সদস্য সচিব আবদুল বাতেন প্রমুখ।
এ সময় বিএনপির অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
একাতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে নির্বাচনের ৮দিন পর একটি বিদ্যালয়ের ছাদে সিল মারা ৫২৭ টি ব্যালট পেপার উদ্ধার হয়েছে। শনিবার(২০ নভেম্বর) সকালে উপজেলার ডুবাইল ইউনিয়নের সেহরাতৈল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদ থেকে সিল মারা তালগাছ প্রতীকের ওই ব্যালট পেপারগুলো উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, গত ১১ নভেম্বর উপজেলার ডুবাইল ইউনিয়নে দ্বিতীয় ধাপে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডে তালগাছ প্রতীকের নারী সদস্য পদের প্রার্থী বিউটি আক্তার ৩০০ ভোটের ব্যবধানে হেরে যান। নির্বাচনের ৮ দিন পর সকালে এ ইউনিয়নের সেহরাতৈল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদে শিশু শিক্ষার্থীরা খেলতে গিয়ে ব্যালট পেপারগুলো দেখতে পায়। তারা বিষয়টি শিক্ষকদের জানায়। পরে শিক্ষকরা স্থানীয়দের অবগত করলে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এরপর তালগাছ প্রতীকের প্রার্থী বিউটি আক্তার ঘটনাস্থলে উপস্থিত আসেন। ব্যালট পেপার দেখে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন। এই সংরক্ষিত ওয়ার্ডে নারী সদস্য পদে মাইক প্রতীকের প্রার্থী রাশেদা বেগম ১৮শ’ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।
বিউটি আক্তার বলেন, ‘আমি নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলাম। নির্বাচনে আমাকে ৩০০ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত দেখানো হয়। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার ৮দিন পর আমার নিজ কেন্দ্রের বিদ্যালয়ের ছাদে তালগাছ প্রতীকের সিল মারা ৫২৭টি ব্যালট পেপার পাওয়া গেছে। এই ব্যালট পেপারগুলো একত্রিত করলে আমি দুই শতাধিক ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হতাম। নির্বাচনে ফেল করাতেই আমার প্রতীকের সিল মারা ব্যালট পেপার বিদ্যালয়ের ছাদে রেখে দেয়। পরে ভোট গণনা করে আমাকে ফেল দেখানো হয়। বিষয়টি নিয়ে তিনি আদালতে আইনগত ব্যবস্থায় যাবো। ব্যালট পেপারগুলো আমার কাছে এনে রেখেছি।
উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল বাতেন বলেন, ‘বিষয়টি আমি জানি না। তবে মোবাইলে শুনেছি। প্রার্থী ট্রাইবুনালে অভিযোগ করে আইনগত ব্যবস্থা চাইতে পারেন।
এ ব্যাপারে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল হাসান বলেন কে বা কারা ব্যালট পেপারগুলো বিদ্যালয়ের ছাদে রেখে গেছেন, সেটা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। নির্বাচন শেষ করে সংশ্লিষ্ট প্রিজাইডিং কর্মকর্তা সিলগালা করে ফলাফল ঘোষণা করে এসেছেন। তখন কোন প্রার্থীর অভিযোগ ছিল না।
দেলদুয়ার থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন বলেন অফিসিয়ালি অভিযোগ বা কোন নির্দেশনা পেলে বিষয়টি আমরা তদন্ত করবো।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) প্রক্টরের পদত্যাগ দাবিতে ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়ে বৃহস্পতিবার(১৮ নভেম্বর) সকালে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।
ছাত্রলীগের প্রতিবাদ সমাবেশটি জননেতা আব্দুল মান্নান হল থেকে শুরু হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২য় গেট থেকে ১ম গেট হয়ে সম্পূর্ণ ক্যাম্পাস প্রদক্ষিন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে শেষ হয়।
ছাত্রলীগ নেতারা প্রতিবাদ সমাবেশে অভিযোগ করেন যে, গতকাল গণ অধিকার পরিষদ কর্তৃক মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর আক্রমণ চালানো হয়। এতে ৭ জন শিক্ষার্থী ও ১ জন ছাত্রলীগ কর্মী গুরুতর আহত হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় ছাত্রলীগ কর্মীকে বাঁচাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাম্বুলেন্সে যোগাযোগ করার পরও প্রায় ৪০ মিনিট পরে অ্যাম্বুলেন্স আসে। ফলে তার অবস্থার আরও অবনতি হয়। পরে তাকে টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তারা আরও অভিযোগ করেন যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর তার নিজ কক্ষে বসে থাকলেও তিনি ছাত্রদের বাঁচাতে এগিয়ে আসেননি। পুলিশ লাঠিচার্জ করার পরও তিনি কোন শিক্ষার্থীর খোঁজ খবর রাখেননি। তার কাজই শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও ক্যাম্পাসের নিরাপত্তার বিষয়ে খেয়াল রাখা। তিনি তা না করায় প্রক্টর হিসেবে ব্যর্থ হয়েছেন। তাই তাকে পদত্যাগ করতে ৭২ ঘন্টার আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে। প্রক্টর পদত্যাগ না করলে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ৭২ ঘন্টা পরে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
এই ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নিবিড় পাল বলেন, ” গতকাল আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে যে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছিল, আমাদের সাথে গন অধিকার পরিষদের ধাওয়া ও পাল্টা ধাওয়া সৃষ্টি হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ কর্মীরা যে আহত হয়েছিল, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি একবারের জন্যেও আমাদের খোঁজ খবর নেননি। প্রক্টর স্যার আমাদের নিরাপত্তা দিতে সম্পূর্ণরুপে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি ঘটনাস্থলে আসেন নি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী রানা বাপ্পি দেখার জন্য হাসপাতালে তিনি যাননি। আমরা এমন প্রক্টর চাইনা। সে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা ৭২ ঘন্টার মধ্যে তার পদত্যাগ দাবি জানাচ্ছি। ”
ছাত্রলীগ নেতা মানিল শীল বলেন, ” নুরুল হক নুরু সামনে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে ইস্যু হতে চায়, বার বার সংবাদ মাধ্যমে আসতে চায় তারই প্রমান দিয়েছে। তার প্রতিবাদে আমরা ছাত্রলীগ মাঠে আছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে যে কোন অপশক্তির বিরুদ্ধে আমরা মাভাবিপ্রবি ছত্রলীগ সবসময় সোচ্চার। ”
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতা নাজিম রুপক বলেন, “মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী সাহেবের ৪৫ তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দল মত নির্বিশেষে সকল রাজনৈতিক সংগঠন ও সাধারণ জনগণ মাজারস্থলে ফুল দিতে আসেন। সে সময় অবৈধ ও লাইসেন্সবিহীন সংগঠন নুরু আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নামে কুরুচিপূর্ণ ও দেশবিরোধী স্লোগান দেওয়ায় মাভাবিপ্রবি ছাত্রলীগ তা প্রতিহত করে।সে সময় নুরু বাহিনী আমাদের এক ছোট ভাইকে মেরে গুরুতর আহত করে।আমরা মাভাবিপ্রবি ছাত্রলীগ নুরু ও তার সংগঠনকে টাংগাইল তথা সারাদেশে ছাত্রলীগের আদর্শিক কর্মী সকল অবস্থায় প্রতিহত করব।”
এই ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মীর মোঃ মোজাম্মেল হক বলেন, ” আমার এই ব্যাপারে কিছু জানা নেই।
একতার কণ্ঠঃ মওলানা ভাসানীর মাজারে শ্রদ্ধা জানাতে এসে হামলার শিকার হওয়ার পৌনে তিন ঘণ্টা পর পুলিশি নিরাপত্তায় টাঙ্গাইল ছেড়েছেন গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়া এবং সংগঠনটির সদস্য সচিব ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর।
এই দীর্ঘ সময় কাগমারি পুলিশ ফাঁড়িতে পুলিশি হেফাজতে থাকার পর বুধবার (১৭ নভেম্বর) বিকাল সোয়া ৩টার দিকে তারা তাদের সফরসঙ্গী ও দলীয় নেতাকর্মী নিয়ে বের হন।
এর আগে ডা. জাফরুল্লাহ একই মাজারে ফুল দিয়ে ভিপি নুরের সঙ্গে দেখা করতে এসে একত্রে পুলিশ ফাঁড়ি থেকে বের হন। পরে যাওয়ার সময় টাঙ্গাইল সদর থানায় পুলিশি হেফাজতে থাকা ড. রেজা কিবরিয়াকে নিয়ে তারা ঢাকার দিকে রওনা হন।
এদিকে হামলার পর মাজার ও বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করে। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়। পুলিশের চেষ্টায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
ভিপি নুরুল হক নুর বলেন, ‘আমরা মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার মাজারে শ্রদ্ধা জানাতে এলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা অতর্কিতভাবে আমাদের ওপর হামলা চালায়। এসময় আমার সহযোদ্ধারা আমাকে নিরাপত্তা দিয়ে মাজারের পাশে থাকা একটি পুলিশভ্যানে তোলেন। এরপরও মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা লাঠিশোটা নিয়ে পুলিশের সামনেই পুনরায় হামলা করে।’
নুর বলেন, ‘একপর্যায়ে নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ আমাদের সেখান থেকে টাঙ্গাইলের কাগমারি পুলিশ ফাঁড়িতে হেফাজতে নেয়। আর ড. রেজা কিবরিয়াকে টাঙ্গাইল সদর থানায় নেওয়া হয়। হামলার ঘটনায় আমাদের অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।’
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নিবির পাল বলেন, ‘ড. রেজা ও ভিপি নুর সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছিল। এসময় ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ করায় তারা আমাদের ওপর হামলা করে। এতে ছাত্রলীগের চার সদস্য আহত হয়েছেন।’
টাঙ্গাইলের অতিরক্তি পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সরোয়ার হোসেন জানান, ‘গণঅধিকার পরিষদের নেতারা মওলানা ভাসানীর মাজারে কাছাকাছি পৌঁছার পর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালান। পরে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে ড. কিবরিয়া ও ভিপি নুরসহ গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের পুলিশি নিরাপত্তায় ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে তারা চলে গেছেন।’
একতার কণ্ঠঃ হলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতার গড়মিলের অভিযোগ এনে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্যে মো. হাছান ইমাম খাঁনের বৈধতা নিয়ে করা রিট উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করেছেন হাইকোর্ট। বুধবার (১৬ নভেম্বর) বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এ তথ্য নিশ্চত করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশ গুপ্ত।
আদালতে রিট আবেদনটি দায়ের করেন স্থানীয় বাসিন্দা মোখলেছুর রহমান।
হাছান খাঁনের হলফনমায় শিক্ষাগত যোগ্যতায় গড়মিল আছে উল্লেখ করে তিনি ২৫ জুলাই স্পিকার বরাবরে চিঠি দেন। চিঠিতে বিতর্কের বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য নির্বাচন কমিশনে পাঠানোর অনুরোধ করেছেন।
কিন্তু সেটি না হওয়ায় তিনি ওই চিঠি নিষ্পতিতে চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সন্তোষে মওলানা ভাসানীর মাজারে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন জানাতে এসে হামলার শিকার হয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়া এবং সংগঠনটির সদস্য সচিব ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর। এক পর্যায়ে রেজা কিবরায়া ও নুরুল হক নূরসহ নেতাকর্মীরা পুলিশ ভ্যানে আশ্রয় নেয়। এ ঘটনায় ৫ থেকে ৬ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার (১৭ নভেম্বর) দুপরে বিশ্বিবদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা তাদের ওপর এ হামলা করে বলে অভিযোগ করেন সংগঠনটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শাকিলুজ্জামান।
তিনি বলেন, দুপুরে ১২টার দিকে মওলানা ভাসানীর মাজারের কাছাকাছি পৌঁছালে ছাত্রলীগের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী দলীয় স্লোগান দিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালান। এতে আমাদের আহ্বায়ক ড. রেজা কিবরিয়া ও সদস্য সচিব নুরুল হক নুরসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, কয়েক দফায় দেশীয় অস্ত্র ও ইটপাটকেলসহ আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়। প্রায় ৪০ মিনিট পর আমাদের নেতাদের পুলিশের গাড়িতে করে বের করে নেওয়ার সময় ফের হামলা চালানো হয়।

এ ঘটনার পর থেকে ভাসানীর মাজার এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা স্লোগান দিয়ে সংগঠিত মাজার এলাকায় অবস্থান নিয়েছেন। তারা কিবরিয়াও নুরবিরোধী নানা স্লোগান দেন।
মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নিবির পাল বলেন, ড. রেজা ও ভিপি নুর সরকার ও প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে স্লোগান দিচ্ছিলো। ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে তার প্রতিবাদ করায় তারা আমাদের উপর হামলা করেন। এতে ছাত্রলীগের চার সদস্য আহত হয়। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। ছাত্রলীগ সব সময় সান্তির প্রতীক।
হামলার বিষয়ে টাঙ্গাইলের অতিরক্তি পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সরওয়ার হোসেন বলেন, গণঅধিকার পরিষদের নেতারা মওলানা ভাসানীর মাজারে কাছাকাছি পৌঁছার পর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালান। এক পর্যায়ে ড. কিবরিয়া ও নুরসহ গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের পুলিশি নিরাপত্তায় ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এ ঘটনায় ছাত্রলীগের বেশ কয়েক জন আহত হয়েছেন। তবে অপর পক্ষের কেউ আহত হয়েছেন কি না তা তিনি বলতে পারেননি।
একতার কণ্ঠঃ আজ বুধবার(১৭ নভেম্বর) আফ্রো-এশিয়া-লাতিন আমেরিকার মেহনতি মানুষের মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী । ১৯৭৬ সালের এইদিনে তৎকালীন পিজি হাসপাতালে (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন তিনি।
মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী অধিকারবঞ্চিত অবহেলিত মেহনতি মানুষের অধিকার ও স্বার্থরক্ষায় আজীবন নিরবচ্ছিন্নভাবে সংগ্রাম করে গেছেন। জাতীয় সংকটের প্রতিটি ক্ষণে জনগণের পাশে থেকে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলতে তিনি জনগণকে উদ্বুদ্ধ করেছেন।
তার মৃত্যু দিবস উপলক্ষে দেশের অধিকাংশ রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন দিবসটি পালনে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। টাঙ্গাইলের সন্তোষে তার কবর জিয়ারত, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ মাহফিল এবং রাজধানী ঢাকা সহ বিভিন্ন স্থানে আলোচনার সভার আয়োজন করেছে বিভিন্ন সংগঠন।
এদিন রাজধানী ঢাকা, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ভক্ত, অনুরাগীরা মজলুম জননেতা ভাসানীর সন্তোষের মাজারে শ্রদ্ধা জানাবেন। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, ওয়ার্কার্স পার্টি, জাগপা, ন্যাপ সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন পুস্পস্তবক অর্পণ করবে। করোনা ভাইরাসের প্রভাব শিথিল হলেও বাড়তি সতর্কতা হিসেবে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই কর্মসূচি পালন করা হবে।
মওলানা ভাসানীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের সংসদ সদস্য একাব্বর হোসেন মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) দুপুর ১টার দিকে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর।মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ঝর্ণা হোসেন,এক ছেলে ও দুই কন্যা সন্তান সহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
মৃত একাব্বর হোসেনের স্ত্রী ঝর্ণা হোসেন জানান, তার স্বামী (একাব্বর হোসেন) দীর্ঘদিন ধরে কিডনিসহ বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছিলেন। গত ১৬ অক্টোবর তিনি ব্রেনস্ট্রোক করেন। পরে তাকে সিএমএইচএ ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার দুপুরে তিনি মারা যান। বুধবার (১৭ নভেম্বর) বাদ জোহর মির্জাপুর এসকে পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করার কথা রয়েছে।
একাব্বর হোসেন এমপির মৃত্যুতে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সাবেক সাংসদ ফজলুর রহমান খান ফারুক, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম এমপি, মির্জাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর শরীফ মাহমুদ, টাঙ্গাইল জেলা চেম্বার অব অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি লি: এর সভাপতি খান আহমেদ শুভ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
প্রকাশ, ১৯৫৬ সালের ১২ জুলাই মির্জাপুর উপজেলার পোষ্টাকামুরী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন একাব্বর হোসেন। তার বাবার নাম ওয়াজউদ্দিন এবং মায়ের রোজিনা বেগম। তিনি ১৯৭৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) থেকে বিএসএস সন্মান এবং ১৯৭৮ সালে এমএসএস ডিগ্রি অর্জন করেন।
তিনি ছাত্র জীবন থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত হন। ১৯৭৩ সালে সরকারি তিতুমীর কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৬ সালে ঢাবির মহসীন হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৭৮ সালে একই হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯০ সালে তিনি মির্জাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এরপর তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থী হিসেবে টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের এমপি নির্বাচিত হন। এরপর ২০০৮, ২০১৪ ও ২০১৮ সালে নবম, দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন পেয়ে এমপি নির্বাচিত হন।
এছাড়া তিনি জাতীয় সংসদে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং ভূমি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-৪ আসনের মো. হাসান ইমাম খানের সংসদ সদস্যপদ বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে।
শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে তথ্য গোপন করার অভিযোগে স্থানীয় ভোটার মো. মোখলেছুর রহমান হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাস গুপ্ত।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাস গুপ্ত বলেন, রিট আবেদনের বিষয়ে মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি মামনুন রহমান ও বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের বেঞ্চে এ বিষয়ে শুনানি হতে পারে।
রিটকারীর আইনজীবী মো. বুরহান খান বলেন, এর আগে হলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতায় গরমিল আছে উল্লেখ করে গত ২৫ জুলাই স্পিকার বরাবরে মোখলেছুর রহমান চিঠি দেন। চিঠিতে বিতর্কের বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য নির্বাচন কমিশনে পাঠানোর অনুরোধ করেন।কিন্তু সেটি নিষ্পত্তি না করায় এবার তিনি হাইকোর্টে রিট করেছেন। রিট আবেদনে ওই আবেদন নিষ্পত্তিতে নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, হাসান ইমাম খান টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনের সংসদ সদস্য। এ আসনের সাবেক সদস্য আবদুল লতিফ সিদ্দিকী হজ ও তাবলিগ জামাত নিয়ে কটূক্তি করায় ২০১৪ সালে মন্ত্রিসভা থেকে অপসারিত হন ও দল থেকে বহিষ্কৃত হন। তিনি সংসদ থেকে পদত্যাগ করার পর উপ-নির্বাচনে হাসান ইমাম খান নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ২০১৮ সালে একাদশ সংসদ নির্বাচনেও দলীয় মনোনয়ন পেয়ে দ্বিতীয়বারের মতো তিনি নির্বাচিত হন।
সংবাদ সূত্র- জাগো নিউজ, আমাদের সময়.কম