/ হোম / রাজনীতি
টাঙ্গাইলে প্রথম নারী উপজেলা চেয়ারম্যান হচ্ছেন নার্গিস বেগম - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রথম নারী উপজেলা চেয়ারম্যান হচ্ছেন নার্গিস বেগম

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভুঞাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় বিজয়ী হতে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোছা. নার্গিস বেগম।টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলার মধ্যে এবারই প্রথম কোনো নারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হচ্ছেন।

সোমবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে যাচাই বাছাই শেষে একমাত্র প্রার্থী নার্গিস বেগমের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন উপ-নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এ এইচ এম কামরুল হাসান।

শনিবার মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত নার্গিস বেগম ছাড়া আর কেউ মনোনয়নপত্র জমা দেননি।

নার্গিস বেগম ভুঞাপুর উপজেলা পরিষদের প্রয়াত চেয়ারম্যান আব্দুল হালিমের স্ত্রী। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ৩০ জুলাই আব্দুল হালিম মৃত্যুবরণ করেন। পরে নির্বাচন কমিশন চেয়ারম্যান পদ শূন্য ঘোষণা করে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। আগামী ২ নভেম্বর নির্বাচনে ভোট গ্রহণের কথা।

নার্গিস বেগম ভুঞাপুর উপজেলার মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং লোকমান ফকির ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক।

রিটার্নিং কর্মকর্তা এ এইচ এম কামরুল হাসান জানান, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৭ অক্টোবর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। ওই দিন একমাত্র প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার না করলে পরদিন তাকে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. অক্টোবর ২০২১ ০১:১৩:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আ’লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের নামে মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আ’লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের নামে মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের নামে মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ছাত্রলীগ। সোমবার(১১ অক্টোবর) দুপুরে দাইন্যা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের ব্যানারে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে ঘন্টাব্যাপী ওই  মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

এতে বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মাহমুদ, সহ-সভাপতি আরিফুর রহমান বাচ্চু ও এম এ মতিন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান আতিক, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদি নয়ন, দাইন্যা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম রুবেল ও  সাধারণ সম্পাদক খায়রুল ইসলাম প্রমুখ।

উল্লেখ্য, দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লাভলু মিয়া লাবু গত ৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে তিন কোটি টাকার মানহানির মামলা করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. অক্টোবর ২০২১ ০১:১৬:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আ. লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আ. লীগের মনোনয়ন পেলেন যারা

একতার কণ্ঠঃ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ঢাকা, সিলেট ও রাজশাহী বিভাগের আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করা হয়েছে। রবিবার (১০ অক্টোবর) দলটির দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তালিকা ঘোষণা করা হয়।‌‌

আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঢাকা বিভাগের ৮টি জেলা এবং সিলেট বিভাগ এবং রাজশাহী বিভাগের একটি ইউপির প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে।

টাঙ্গাইলের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মনোনীত প্রার্থীদের নামের তালিকা নিম্নে দেওয়া হলো-

টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলার বীরতারাতে আহাম্মদ আল ফরিদ, বানিয়াজানে রফিকুল ইসলাম তালুকদার, যদুনাথপুরে মীর ফিরোজ আহমেদ, পাইস্কাতে মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান, ধোপাখালীতে আকবর হোসেন, মুশুদ্দিতে আবুল কায়ছার, বলিভদ্রে রফিকুল ইসলাম তালুকদার।

সখীপুর উপজেলার যাদবপুরে এ, কে, এম আতিকুর রহমান, বহরিয়াতে গোলাম কিবরিয়া, বহেরাতৈলতে ওয়াদুদ হোসেন, কাকড়াজানে তারিকুল ইসলাম।

দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়াতে মাসুদুল হাসান তালুকদার, দেউলীতে দে. তাহ্ মিনা, পাথরাইলে রামপ্রসাদ সরকার, লাউহাটিতে হাবিবুর রহমান, দেলদুয়ারে মাসুদ-উজ্জামান খান, ডুবাইলে ইলিয়াছ মিয়া, এলাসিনে বেলায়েত হোসেন, ফাজিলহাটিতে শওকত আলী আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. অক্টোবর ২০২১ ০১:৩১:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নির্বাচনী প্রচারণার মাঠে আ.লীগ নেতার মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নির্বাচনী প্রচারণার মাঠে আ.লীগ নেতার মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে নির্বাচনী প্রচারণার মাঠে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে আওয়ামী লীগ নেতা নূরুল ইসলাম নূরু’র (৫৭) মৃত্যু হয়েছে।বৃহস্পতিবার(৭ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে টাঙ্গাইলের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন তিনি। নূরুল ইসলাম নূরু উপজেলার বাশকাইলের মৃত ওয়াহেদ আলীর ছেলে।  তিনি নগদাশিমলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন।

শুক্রবার (৮  অক্টোবর) সকাল ১০টায় বাইশকাইল পূর্বপাড়া কেন্দ্রীয় ঈদ গাঁ মাঠে নূরুল ইসলাম নূরু’র জানাজা নামাজ শেষে সামাজিক কবরস্থানে লাশ দাফন করা হয়। মরহুমের জানাজা নামাজে হাজারো মানুষের ঢল নামে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে তিনি দীর্ঘদিন ধরে দিন-রাত জনসেবা ও গণসংযোগ নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন।বৃহস্পতিবার জোহর নামাজ আদায় করে থানাব্রীজ সংলগ্ম চা স্টলে স্থানীয়দের সাথে নির্বাচনী আলোচনা করেন তিনি। বিকাল ৪টার দিকে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে পাশেই নিজস্ব মালিকানায় পরিচালিত আলিফ ডিজিটাল ক্লিনিকে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা করে তাকে টাঙ্গাইলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে স্থানান্তর করেন। সন্ধ্যায় উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রাত ৮টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির সেখানে যান।  তিনি বলেন,নুরুল ইসলাম  একজন সৎ ও ভালো মনের মানুষ ছিলেন। তার মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাচ্ছি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অক্টোবর ২০২১ ০১:৩৩:এএম ৫ বছর আগে
বাসাইল উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদককে অব্যাহতি - Ekotar Kantho

বাসাইল উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদককে অব্যাহতি

একতার কণ্ঠঃ দুইটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলনে গোলযোগ সৃষ্টির অভিযোগ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মতিয়ার রহমান গাউসকে তাঁর পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।সেই সঙ্গে দলের প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদককে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের যৌথ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) মতিয়ার রহমানকে অব্যাহতির কথা জানানো হয়েছে।

মঙ্গলবার স্বাক্ষরিত এই চিঠি মতিয়ার রহমানের কাছে পাঠানো হয়েছে। তবে মতিয়ার রহমান বুধবার দুপুরে জানিয়েছেন তিনি এখনো চিঠি হাতে পাননি। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চিঠির কপি দেখেছেন।

জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান এবং সাধারণ সম্পাদক সাংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, ২১ সেপ্টেম্বর মতিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে বাসাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের পক্ষে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শামছুল আলম জেলা নেতাদের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। সেখানে মতিয়ার রহমানের বিরুদ্ধে দুইটি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সম্মেলনে গোলযোগ সৃষ্টির অভিযোগ আনা হয়। এ বিষয়ে গত রোববার (২৬ সেপ্টেম্বর) টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী পরিষদের সভায় বিষয়টি উত্থাপন করা হয়। এ নিয়ে আলোচনা পর্যালোচনার পর ‘নেতাদের নীতিগত সিদ্ধান্তে’ মতিয়ার রহমান গাউসকে সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করার সিদ্ধান্ত হয়।

মতিয়ার রহমান জানান, তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়নি। পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া সম্পূর্ণ অগঠনতান্ত্রিক। তিনি কেন্দ্রীয় নেতাদের বিষয়টি লিখিতভাবে জানাবেন বলেও জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মতিয়ার রহমান গাউস চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছিলেন। কিন্তু উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি কাজী অলিদ ইসলাম বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। কাজী অলিদকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে শামছুল আলকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. সেপ্টেম্বর ২০২১ ১০:৫৫:পিএম ৫ বছর আগে
আ’লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদকের নামের হসপিটাল সিলগালা, ক্ষুব্ধ জেলাবাসি - Ekotar Kantho

আ’লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদকের নামের হসপিটাল সিলগালা, ক্ষুব্ধ জেলাবাসি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে লাইসেন্স ব্যতিতই চলছে প্রায় দুই শতাধিক বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। নানা প্রক্রিয়ায় বিপুল সংখ্যক ওই ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার চলমান থাকলেও লাইসেন্স নবায়ন না থাকার অজুহাতেই সিলগালা করা হয়েছে আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক শামসুল হকের নামকরণের হসপিটালটি।

জাতীয় নেতার নামে গড়ে উঠা শামসুল হক মেমোরিয়াল হসপিটালটি সিলগালা করার ঘটনায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরাসহ সাধারণ মানুষ। আওয়ামীলীগ কে বিতর্কিত করতেই ও অদৃশ্য কোন মহলের প্ররোচনায় জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক এর নামের হসপিটালটি সিলগালা করেছে এমন অভিযোগ স্থানীয় নেতাকর্মীদের। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জেলার সাধারণ মানুষও।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জেলায় ৩৫০টিরও বেশি রয়েছে ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এর মধ্যে বৈধ কাগজ পত্র রয়েছে ৮৯টির আর প্রক্রিয়াধীন রয়েছে ৫৮টির।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক শামসুল হকের নামে পরিচালিত হচ্ছে এই হসপিটাল। এখানে বিনা পয়সা গরীব রোগীদের চিকিৎসা দেয়াসহ খুব অল্প টাকায় নানা ধরণের জটিল অপারেশন করে থাকেন হসপিটাল কর্তৃপক্ষ। এতে অন্যান্য ক্লিনিকের ব্যবসা নষ্ট হচ্ছে। এ ক্ষোভেই ওই ক্লিনিক মালিকরা ষড়যন্ত্র করে হসপিটালটি বন্ধ করিয়েছেন। জেলায় অবৈধভাবে অসংখ্য ক্লিনিক পরিচালিত হলেও লাইসেন্স নবায়ন না থাকার মত কারণে আওয়ামীলীগের মহান নেতা শামসুল হকের নামে প্রতিষ্ঠিত এ হসপিটালটি সিলগালা করার ঘটনাটি রহস্যজনক বলে দাবি করেছেন তারা। দ্রুত হসপিটালটি খুলে দেয়ার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনাও করেছেন তারা।

১৩ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুল মালেক তপু’র অভিযোগ , মহান নেতার নামে প্রতিষ্ঠিত হসপিটালটিকে বিতর্কিত করাসহ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের ইতিহাস ঐতিহ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করা চেষ্টা চলছে। যে হসপিটালটি প্রতিষ্ঠান লগ্ন থেকে লাইসেন্সসহ সকল প্রকার বৈধতা নিয়ে গরীব অসহায় মানুষের সেবা চালিয়ে যাচ্ছে, করোনা এই দূর্যোগে সেই প্রতিষ্ঠানটির লাইসেন্স নবায়ন করতে না পারার বিষয়টি সিলগালা করার মত অপরাধ ? জেলায় যেখানে অবৈধভাবে চলছে প্রায় দুই শতাধিক ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এই বিপুল সংখ্যক ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার যদি অবৈধভাবে চলতে পারে সেখানে মহান নেতার নামে প্রতিষ্ঠিত শামসুল হক মেমোরিয়াল হসপিটালটির অপরাধ কি ? এটি সিলগালা করার বিষয়টি কি রহস্যজনক নয় ? আমার ধারণা জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের জামায়াত শিবিরের কতিপয় কর্মকর্তা কর্মচারি বর্তমান সরকারকে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলতে হসপিটালটি সিলগালা করার মত ঘটনাটি ঘটিয়েছেন। ঘটনাটি তদন্তে জেলা প্রশাসনের উচ্চতর কমিটি হস্তক্ষেপ ও জড়িতদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।

টাঙ্গাইল শহর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আসাদুজ্জামান খান শাকিব বলেন, মহান নেতার নামে প্রতিষ্ঠিত শামসুল হক মেমোরিয়াল হসপিটালটি ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ অঞ্চলের গরীব অসহায় মানুষকে বিনা পয়সা সেবা দিয়ে আসছে। এছাড়াও মহান নেতার নাম উজ্জল করতে এই হসপিটালে হয়ে আসছে অল্প টাকায় নানা ধরণের অপারেশন। জেলায় অসংখ্য ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার অবৈধভাবে পরিচালিত হলেও প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই লাইসেন্সসহ সকল প্রকার বৈধতা নিয়েই পরিচালিত হয়ে আসছিল এ হসপিটালটি। সম্প্রতি জানতে পারলাম লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও দায়িত্বরত ডাক্তার না থাকায় হসপিটালকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করাসহ সিলগালা করা হয়েছে। এ অপরাধে হসপিটালটির জরিমানা বিষয়টি মেনে নেয়া গেলেও সিলগালা করার বিষয়টি আমি মানতে পারছিনা। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ কারো প্ররোচনায় এটি করছেন কিনা এ নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ আমি। মহান নেতার নামে প্রতিষ্ঠিত হসপিটাল সিলাগালা করাটা কতটা যৌক্তিযুক্ত সে বিষয়টি দেখতে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

সরকারি এম এম আলী কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি ও আওয়ামীলীগ নেতা বিপ্লব আরেফিন খান বলেন, অভিযানের দিন আমি হসপিটালে উপস্থিত ছিলাম। মহান নেতার নামে প্রতিষ্ঠিত এ হসপিটালটিতে বিনা পয়সায় চিকিৎসাসহ অল্প টাকায় নানা ধরণের অপারেশনের সুবিধা পায় সাধারণ মানুষ, এ বিষয়টি আমি ভ্রাম্যামান আদালত কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছিলাম। হসপিটালটি সিলগালা না করে ত্রুটি সংশোধনের জন্য আমি সময় দেয়ার জন্যও অনুরোধ করেছিলাম, কিন্তু কর্তৃপক্ষ আমিসহ স্থানীয় অন্যান্যদের অনুরোধ না রেখে হসপিটালটি সিলগালা করেছেন।

তিনি বলেন, যে অপরাধে মহান নেতা শামসুল হকের নামে প্রতিষ্ঠিত হসপিটালটি সিলগালা করা হয়েছে, তার থেকে অনেক বেশি অপরাধ নিয়ে এই শহরেই চলছে অসংখ্য ক্লিনিক। অবৈধ ওই ক্লিনিক গুলো সচল রেখে শামসুল হক মেমোরিয়াল হসপিটাল সিলগালা করাটি খুবই দুঃখজনক। এছাড়াও ওই দিনের পরিচালিত অভিযানে আরো কয়েকটি ক্লিনিককে সময় দেয়া হলেও সিলগালা করা হয় শামসুল হক মেমোরিয়াল হসপিটারটি। দ্রুত প্রতিটি অবৈধ ক্লিনিককে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

শামসুল হক মেমোরিয়াল হসপিটাল সূত্রে জানা গেছে, ২০০৭ সালে লাইসেন্সসহ সকল প্রকার সরকারি নির্দেশনা মেনে টাঙ্গাইল পৌর শহরের থানাপাড়া শান্তি কুঞ্জের মোড়ে যাত্রা শুরু করে শামসুল হক মেমোরিয়াল হসপিটাল। ১৯১৬; ৪২২২ রেজিস্ট্রেশনকৃত ১০ শষ্যার এই হাসপাতালে দায়িত্ব পালন করছেন তিনজন চিকিৎসক, একজন মেডিকেল এসিস্ট্যান্ট, চারজন নার্স, একজন ল্যাব টেকনেসিয়ানসহ তিনজন আয়া।

শামসুল হক মেমোরিয়াল হসপিটাল এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ডা. মো. সাইফুল ইসলাম স্বপন বলেন, ২০২০সালের জুন পর্যন্তÍ লাইসেন্স নবায়ন ফি জমা দেয়া আছে। কিন্তু বৈশ্বিক মহামারি করোনার কারণে সংশ্লিষ্ট অফিস কার্যক্রম এখনও আমি নবায়নের কাগজ হাতে পাননি। এর ফলে চলতি বছরের নবায়নও করা যায়নি। দ্রুতই চলতি বছরের নবায়ন করা হবে। আবেদন ও নবায়ন ফি জমা দেয়ার বিষয়টি জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ অবগত ছিল। এরপরও নবায়নের জন্য সাতদিনের সময় চেয়েছিলাম। কিন্তু আমাকে সে সময়টুকু না দিয়ে হসপিটালের অপারেশন থিয়েটার, কেবিন, ওয়ার্ড সিলগালা করা হয়েছে। এরপরও হসপিটাল ভবনের ৪র্থ তলায় একজন স্টাফ সন্তান নিয়ে থাকেন তাকেও সেখান থেকে নামিয়ে দেয়া হয়েছে। যদিও ৪র্থ তলাটি হসপিটালের কোন অংশ না।

দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা ক্লিনিক মালিক সমিতির সভাপতি লায়ন এম শিবলী সাদিক বলেন,পরিচালিত অভিযানের বিষয়ে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ আমাদের কিছুই অবগত করেননি। লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও দায়িত্বরত ডাক্তার না থাকার অপরাধে মহান নেতার নামে প্রতিষ্ঠিত শামসুল হক মেমোরিয়াল হসপিটালের জরিমানা করার বিষয়টি ঠিক ছিল। তবে সিলগালা না করে বৈধ কাগজ পত্র করার সময় দেয়াটাই যৌক্তিক ছিল বলে মনে করেন তিনি।

এ বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান বলেন , লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও দায়িত্বরত ডাক্তার না থাকায় শামসুল হক মেমোরিয়াল হসপিটালকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করাসহ সিলগালা করার নির্দেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক। সেটি শুধুই ভ্রাম্যমান আদালতের বিষয়। ওই নির্দেশের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য বিভাগের কিছুই করার নেই। এরপরও হসপিটাল কর্তৃপক্ষ আমার কাছে এসেছিলেন আমি তাদের কাগজপত্র ঠিক করে আসতে বলেছি। কাগজপত্র ঠিক হলেই হসপিটাল চালু করার অনুমতি দেয়া হবে। এছাড়াও জেলায় অবৈধভাবে যে সকল ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে সেগুলোতেও ধারাবাহিকভাবে অভিযান পরিচালিত হবে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট রানুয়ারা খাতুনের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়। লাইসেন্সের মেয়াদ উত্তীর্ণ, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও দায়িত্বরত ডাক্তার না থাকায় শহরের শামসুল হক মেমোরিয়াল হসপিটালকে ১৫ হাজার টাকা ও সোনার বাংলা ক্লিনিক মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে দুটি ক্লিনিকই সিলগালা করা হয়। এ ছাড়াও ফাতেমা ক্লিনিক ও রোকেয়া আইকেয়ার সেন্টারকে ১৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করে বৈধ কাগজ পত্র করার জন্য সাত দিনের সময় দেয়া হয়েছিল।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:৩৭:এএম ৫ বছর আগে
মেধাবী তরুণদের আওয়ামীলীগের পতাকাতলে নিয়ে আসতে হবে..কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

মেধাবী তরুণদের আওয়ামীলীগের পতাকাতলে নিয়ে আসতে হবে..কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, তৃণমূলের কর্মীরা দলের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে। সামাজিক সম্মানটুকু ছাড়া আর কোন সুযোগ সুবিধা তারা পান না। কাজেই, তৃণমূলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নির্বাচন হবে, প্রার্থী মনোনয়ন করা হবে। আওয়ামী লীগ একটি সুশৃঙ্খলিত একটি রাজনৈতিক দল। নতুন প্রজন্মের মেধাবী তরুণদের আওয়ামীলীগের পতাকাতলে নিয়ে আসতে হবে। এই মেধাবীরা আগামী দিনে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আগামী নির্বাচনের আগে জেলার সম্মেলন শেষ করতে হবে। ।

রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে  জেলা সদরে অবস্থিত টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী ওই সব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, যত দ্রুত সম্ভব ইউনিয়ন থেকে শুরু করে টাঙ্গাইল জেলা কমিটির সম্মেলন শেষ করা হবে। দলকে সুশৃংখল এবং ঐক্যবদ্ধ করে নতুন ও শিক্ষিত তরুণ সমাজকে নেতৃত্বে আনা হবে। শিক্ষিত মানুষ দ্বারা দলকে পরিচালনা করতে হবে। তারা র্নিমোহ জাতির বিবেক হিসেবে কাজ করবে। শুধু ধর্ম নিরপেক্ষতা বললেই মানবতাবাদী হবে না। সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে জাতিকে মানবিক চেতনায় উদ্ধুদ্ব করতে হবে।

মন্ত্রী আরো বলেন, আগামীতে বিএনপি নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে আন্দোলনের নামে জ্বালাও পোড়াও করতে চাইবে। তাদেরকে রাজনৈতিকভাবেই প্রতিহত করার জন্য নেতাকর্মীদের মোকাবেলা করার প্রস্তুত থাকতে হবে। অতীতেও আমরা টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগ স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রাম করেছি, আগামীতেও বিএনপি জামাতের আন্দোলন প্রতিহত করতে হবে। বিএনপির মতো আওয়ামী লীগ কোনদিন চোরাগলি পথে ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতায় আসেনি। আওয়ামী লীগ সবসময় সহজ-সরল পথে হেঁটে, গণতান্ত্রিকভাবে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় এসেছে। সরকার গঠন করেছে, দেশ পরিচালনা করেছে এবং এখনও করছে।

স্থানীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ড. আব্দুর রাজ্জাক আরও বলেন, স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি এখনো তৎপর। তারা এখনো নানান ষড়যন্ত্র করছে। তারা এখনো এই বাংলাদেশকে পাকিস্তানের একটি অঙ্গরাজ্যে পরিণত করার চেষ্টা করছে। তাদের প্রতিহত করতে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। যারা আজও পর্দার অন্তরাল থেকে নীল কুটির, লাল কুটির ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসতে চায়। তাদের বিরুদ্ধে আমাদের সচেতন থাকতে হবে।

বর্ধিত সভায় সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন্নাহার চাঁপা, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের এমপি, ছানোয়ার হোসেন এমপি, হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী এমপি, তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, আহসানুল ইসলাম টিটু এমপি, আতাউর রহমান খান এমপিসহ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যকরী কমিটির নেতৃবৃন্দ।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০১:১৩:এএম ৫ বছর আগে
সাবেক পৌর মেয়র মুক্তির জামিন আবেদন আবারও নামঞ্জুর - Ekotar Kantho

সাবেক পৌর মেয়র মুক্তির জামিন আবেদন আবারও নামঞ্জুর

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আসামি সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন আবেদন বৃহস্পতিবার( ২৩ সেপ্টেম্বর)  সকালে আবার নামঞ্জুর করেছেন আদালত। এ নিয়ে ১৫ বারের মতো তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করলেন আদালত।

সহিদুর রহমান সাবেক সাংসদ আমানুর রহমান খানের ভাই ও টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের আওয়ামী লীগের সাংসদ আতাউর রহমান খানের ছেলে। ৯ মাস ধরে তিনি কারাগারে রয়েছেন। গত ১৮ আগস্ট সকালে অসুস্থ হওয়ার পর তাঁকে জেলা কারাগার থেকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এস আকবর খান জানান, টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বৃহস্পতিবার ছিল ফারুক হত্যা মামলার ধার্য তারিখ। রাষ্ট্রপক্ষ মামলার সাক্ষী পুলিশের কনস্টেবল হারুন অর রশিদকে হাজির করে। কিন্তু মামলার অন্যতম আসামি সহিদুর রহমান হাসপাতালে থাকায় তাঁকে হাজির করা হয়নি। তাই সাক্ষ্য গ্রহণও হয়নি।

সহিদুরের আইনজীবীরা তাঁর জামিন আবেদন করেছিলেন। তাঁরা যেকোনো শর্তে সহিদুরের জামিন প্রার্থনা করেন। শুনানি শেষে আদালতের বিচারক মাসুদ পারভেজ আবেদন নামঞ্জুর করেন। আগামী ১১ অক্টোবর এই মামলার সাক্ষী গ্রহণের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বুকের ব্যথা নিয়ে সহিদুর হাসপাতালে ভর্তি হন। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য সাত সদস্যবিশিষ্ট মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। তাঁর হৃদ্‌যন্ত্রে কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। তবে থাইরয়েড ও কিডনিতে কিছু সমস্যা পাওয়া যায়। হাসপাতালে থাকতেই তিনি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন। তিন দিন আগে তিনি করোনামুক্ত হন। কোমরে ব্যথার জন্য হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পর দীর্ঘ ছয় বছর পলাতক থেকে গত ২ ডিসেম্বর সহিদুর টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন মুক্তি। আদালত তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। তার পর থেকে তিনি টাঙ্গাইল জেলা কারা হেফাজতে রয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:২৪:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃকেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য এডভোকেট মামুনুর রশিদ বলেছেন, আন্দোলনের হুমকি দিয়ে বিএনপি লম্ফজম্ফ করছে। তারা  ডিসেম্বর থেকে সরকার বিরোধী আন্দোলন শুরু করবে। নেত্রী হুকুম দিলে সামনের ডিসেম্বর কেন, কোন ডিসেম্বরেই বিএনপি মাঠে নামতে পারবে না। তাদের জ্বালাও পোড়াও নাশকতা প্রতিরোধে যুবলীগই যথেষ্ট। তারা কোন দিনই রাজপথে বের হতে পারবে না। বুধবার(২২ সেপ্টেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু অডিটরিয়ামে জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে  তিনি ওই কথা বলেন।

জেলা যুবলীগের সভাপতি রেজাউর রহমান চঞ্চলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলাম এমপি। জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন মানিকের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম জোয়ার্দার, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জহির উদ্দিন খসরু, সহসম্পাদক হিমেলুর রহমান হিমেল, কার্যনির্বাহী সদস্য মেহেরুল হাসান সোহেল, সদস্য মাহমুদুল হাসান, মনিরুল ইসলাম কবির ও জহিরুল হক জাকির প্রমুখ

সভায় জেলার যুবলীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

যুবলীগের বর্ধিত সভাকে কেন্দ্র করে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক, আঞ্চলিক সড়ক এবং শহরের গুরত্বপূর্ণ সড়কগুলো ব্যানার, ফেসটুন ও বিলবোর্ডে ছেয়ে গেছে। বর্ধিত সভায় নেতাকর্মীতের মাঝে উৎসবের আমেজ দেখা গেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. সেপ্টেম্বর ২০২১ ১১:১৩:পিএম ৫ বছর আগে
সরকারি এম এম আলী কলেজের সাবেক জিএস বাদশার স্মরণে শোক সভা - Ekotar Kantho

সরকারি এম এম আলী কলেজের সাবেক জিএস বাদশার স্মরণে শোক সভা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার এলাসিনে সরকারি এম এম আলী কলেজ(কাগমারী) ছাত্র সংসদের সাবেক সাধারন সম্পাদক(জিএস) রুহুল আমিন বাদশার স্মরণে শোকসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে । এলাসিন তারেক যোগেন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি ১৯৮৭ ব্যাচের বন্ধুদের উদ্যেগে ওই শোক সভা আয়োজন করা হয় ।

শনিবার( ১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এলাসিন তারেক যোগেন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ে শোক সভা ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন, মরহুম রুহুল আমিনের বাদশার সহকর্মী সরকারি এম এম আলী কলেজের সাবেক ভিপি ও  জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক এড. ফরহাদ ইকবাল, দেলদুয়ার উপজেলা বিএনপির সভপতি মোঃআব্দুল আজিজ চানখাঁ, এলাসিন ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম কিবরিয়া, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল সাবেক ডেপুটি কমান্ডার মোঃ ফরহাদ হোসেন সহ বাদশার বন্ধু, বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষিকা ও এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

শোক  সভা শেষে মরহুম বাদশার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৩:৪৬:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ভাসানীর ছোট ছেলে আবু বকর খান ভাসানীর ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভাসানীর ছোট ছেলে আবু বকর খান ভাসানীর ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

একতার কন্ঠঃ মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর ছোট ছেলে আবুবকর খান ভাসানীর ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী আবুবকর ভাসানী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালন করা হয়েছে।

শনিবার(১৮ সেপ্টেম্বর) সকালে টাঙ্গাইলের সন্তোষে মওলানা ভাসানী ও আবুবকর খান ভাসানীর মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ, দোয়া মাহফিল, ওরশ মোবারক, স্মরণসভা ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।

টাঙ্গাইলের সন্তোষস্থ ঐতিহাসিক দরবার হলে দিনব্যাপী ওরশ মোবারক ও স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। স্মরণসভায় ন্যাপ-ভাসানী ও খোদা-ই-খেদমতগারের সভাপতি হাসরত খান ভাসানী সভাপতিত্ব করেন।

প্রকাশ, আবুবকর খান ভাসানী ১৯৪৭ সালের ২৪ এপ্রিল আসামের ধুবড়ী জেলার দক্ষিণ শালমারা থানার আমতলী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী ও হামিদা খানম ভাসানীর কণিষ্ঠ পুত্র।

১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর পিতা মওলানা ভাসানীর মৃত্যুর পর তিনি তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী সুফী জীবনযাপনের দিকে ঝুঁঁকে পরেন। তিনি টাঙ্গাইলের চরাঞ্চলে ‘চোরমারা আন্দোলন’ করে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।

২০১২ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর তিনি ইন্তেকাল করেন। ১৯ সেপ্টেম্বর সন্তোষে পিতার কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:১৩:এএম ৫ বছর আগে
সুযোগ সন্ধানীদের কোনভাবেই দলীয় কমিটিতে জায়গা দেওয়া যাবেনা :: কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

সুযোগ সন্ধানীদের কোনভাবেই দলীয় কমিটিতে জায়গা দেওয়া যাবেনা :: কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার কৃষিমন্ত্রী ডক্টর মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, দীর্ঘ দেড় বছরে ধরে চলা মহামারী করোনার প্রকোপে আওয়ামী লীগের অনেক জেলা, উপজেলা, পৌর, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড কমিটির সম্মেলন শেষ করা যায়নি।

বর্তমানে অনেক কমিটি মেয়াদোত্তীর্ণ। এখন করোনার সংক্রমণ অনেকটা কমে এসেছে- স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ শুরু করার পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

তিনি বলেন, কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন করে দলকে আরও সুসংগঠিত করতে হবে। একইসাথে ছাত্রলীগ, যুবলীগ, কৃষকলীগসহ দলের সহযোগী সংগঠনকেও আরও সুসংগঠিত করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, দলের নতুন কমিটিতে তৃণমূলের পরীক্ষিত-নিবেদিত ও দু:সময়ে যারা পাশে ছিল- সেসব ত্যাগী কর্মীদেরকে দলে জায়গা করে দিতে হবে। অসৎ, সুযোগ সন্ধানী ও সুদিনের মৌমাছির মতো যারা দলে ভিড়েছে- তাদেরকে কোনভাবেই নতুন কমিটিতে স্থান দেওয়া হবে না।

এছাড়াও কমিটিতে স্থান দিতে পারিবারের সদস্যদের রাজনৈতিক আদর্শ বিবেচনায় আনতে হবে। বৃহস্পতিবার(১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের বিশেষ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মধুপুর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত বিশেষ বর্ধিত সভায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে ড. রাজ্জাক বলেন, সামনে ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন। এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীরা যাতে বিজয়ী হতে পারে- সেলক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

সবাইকে দলের শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে। যারা আওয়ামী লীগ করেও নৌকার প্রার্থীদের হারানোর চেষ্টায় বিদ্রোহী প্রার্থী হবেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকুক বা না থাকুক দেশের রাজনীতিতে সবসময়ই অত্যন্ত শক্তিশালী ও গুরুত্বপূর্ণ দল। আওয়ামীলীগ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে জাতীয় স্বার্থে যে কোন ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। আওয়ামী লীগ জাতীয় স্বার্থে কখনও কোনদিন নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে না।

বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম মেম্বার ডক্টর আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেন, আন্দোলন-সংগ্রামের নামে গাড়িতে, বাড়িতে, রাস্তায় নিরপরাধ মানুষকে পুড়িয়ে মারার আগুন সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যমূলক কর্মকান্ড থেকে আপনারা বিরত থাকুন।

আগামী ২০২৩ সালে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন, নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুন। দেশের জনগণ আপনাদেরকে ভোটে বিজয়ী করলে আমরা আপনাদেরকে স্বাগত জানাব।

কিন্তু আন্দোলন-সংগ্রামের নামে সন্ত্রাস-নৈরাজ্যমূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটানোর দিবাস্বপ্ন ভুলে যান, বিএনপির সে শক্তি নেই।

মধুপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফিউদ্দিনের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান আবু, পৌর মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান প্রমুখ। বিশেষ বর্ধিত সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:৫৬:এএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।