একতার কণ্ঠঃ মহান বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে ‘বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ, টাঙ্গাইল জেলা ইউনিট’-এর বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের পক্ষ থেকে ‘মোনালিসা ওমেন’স স্পোর্টস একাডেমী’র নারী ফুটবলারদের ‘শীতউপহার’ প্রদান করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৪ডিসেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ-এর অস্থায়ী কার্যালয়ে টাঙ্গাইলের প্রান্তিক পর্যায় থেকে উঠে আসা উদীয়মান নারী খেলোয়াড়দের ক্রীড়াক্ষেত্রে উৎসাহ অনুপ্রেরণা যোগাতে ‘শীতউপহার’ প্রদান অনুষ্ঠানে বীরমুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের অভিভাবক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক যুগ্ম-সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব সাঈদ মোঃ লুৎফুল্লাহ ও ঢাকা মহানগর উত্তর এর ৫০নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আকতারুজ্জামান।
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ, টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি হাজী মুহাঃ সাজ্জাদুর রহমান খোশনবীশ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন মোনালিসা ওমেন’স স্পোর্টস একাডেমীর কর্ণধার কামরুন্নাহার খান মুন্নি, বাংলাদেশ প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সমাজের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক এবিএম আসাদুজ্জামান, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ-এর কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য ইঞ্জিঃ মিজান, টাঙ্গাইল জেলা শাখার সহ-সভাপতি মোকাম্মেল হক খান রিচার্ড, যুগ্মসাধারণ সম্পাদক সজীব খন্দকার, শাহরিয়ার আনোয়ার রাজীব, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ্ জনি, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক আমিনুর রহমান মিল্টন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আহ্বায়ক আব্দুল আলীম, বাসাইল উপজেলার আহ্বায়ক শামীমা খান সিমা, শহর শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ ইমদাদুল হক, সদস্য শিউলি খান সনিসহ টাঙ্গাইলের বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হামলা, দোকানপাট ও ইউনিয়ন পরিষদ ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এতে গ্রাম পুলিশের সদস্যসহ বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার পাচটিকড়ির এলাকার লোকেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এই ঘটনা ঘটে। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
লোকেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ ফজল হক বলেন, নৌকার প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শরিফ হোসেনসহ কয়েকজন ইউনিয়ন পরিষদের সামনে বসেছিল। এসময় স্বতন্ত্র আনারস প্রতীকের প্রার্থীর লাঠি সোটা নিয়ে একটি মিছিল পরিষদের সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। পরে হঠাৎ করেই মিছিলে থাকা লোকজন চেয়ারম্যানের ও পরিষদে হামলা চালায়। এছাড়া পাশের বেশ কিছু দোকানপাটও ভাঙচুর করা হয়। পরে পরিষদের সামনে থাকা মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। এসময় তাদের বাঁধা দিলে গ্রাম পুলিশদের উপর হামলা করে এবং ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। এতে গ্রাম পুলিশ ফারুক আহত হয়।
তিনি আরো বলেন, ঘটনার সাথে সাথে পুলিশ ও প্রশাসনকে জানানো হলেও কোন ব্যবস্থা নেয়নি।
হামলায় আহত গ্রাম পুলিশ সদস্য ফারুক জানায়, পরিষদে হামলা ঠেকাতে গিয়ে আহত হই। তবে এতো বড় ঘটনা তবুও কোন প্রশাসন আসেনি।

লোকেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও নৌকার প্রার্থী মোহাম্মদ শরিফ হোসেন বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী শহিদুল হক মিলনের লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে মিছিল করে পরিষদে হামলা করে। এতে গ্রাম পুলিশসহ কয়েকজন আহত হয়েছে। এছাড়া একটি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দিয়েছে এবং আরো দুইটি সাইকেল ভাঙচুর করেছে। এঘটনায় বারবার ফোন করলেও থানার পুলিশ রিসিভ করেননি।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আজহারুল ইসলাম বলেন, স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী এবং আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়েছে। সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তিনি জানান, আরও সংঘর্ষের ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। বর্তমান সরকার বেআইনীভাবে ক্ষমতায় থেকে বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার জন্য আইন দেখাচ্ছেন। তিনি বলেন বেগম খালেদা জিয়া ৭১ সালে পাক সেনাদের হাতে গ্রেফতার হয়ে কারাগারে ছিলেন। তাই বেগম খালেদা জিয়া দেশের প্রথম নারী মুক্তিযোদ্ধা।
বুধবার(২২ ডিসেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল জেলা সদর মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার দাবিতে মহাসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে এই মুর্হুতেই চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানো দরকার। আমরা বারবার বলেছি এটা মানবিক কারণে তাঁকে বিদেশে যেতে বাঁধা দিবেন না। কিন্ত তারা সে কথা শুনলেন না। যদি এই কারণে তাঁর মৃত্যু হয় তার দায়দায়িত্ব সরকারকেই বহন করতে হবে। তিনি বলেন, এই সরকার অর্থনীতিকে ধ্বংস করেছে, চুরি করে লুটপাট করে দেশের টাকা বিদেশে পাঠাচ্ছে।
বিএনপির ৩৫ লক্ষ নেতাকর্মীকে মিথ্যা মামলা দিয়ে নির্যাতন করে গুম হত্যার মাধ্যমে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। এ থেকে পরিত্রানের জন্য দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

জেলা বিএনপির আহবায়ক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি এডভোকেট আহমেদ আযম খানের সভাপতিত্বে অন্যান্যে মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিএনপির সহ-সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) মাহমুদুল হাসান, ঢাকা বিভাগীয় বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, বিএনপির পল্লী উন্নয়ন সম্পাদক এডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী, শিশু বিষযক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী, যুবদলের কেন্দ্রী সাধারণ সম্পাদক সুলতালন সালাহউদ্দিন টুকু, নির্বাহী কমিটির সদস্য স্বপন ফকির, ওবায়দুল হক নাসির ও টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল প্রমুখ।
সমাবেশ পরিচালনা করেন জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীতি প্রার্থীসহ ৪ জনের মনোনয়ন পত্র বাতিল করা করেছে। সোমবার(২০ ডিসেম্বর) রিটানিং কর্মকতা তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। এরা হলেন, আওয়ামী লীগের প্রার্থী খান আহমেদ শুভ, বাংলাদেশ বৈরাবরি পার্টির পীর সৈয়দ আলমগীর হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল ইসলাম ও আরজু মিয়া।
এর আগে এ নির্বাচনে ৭ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলো।
নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ঋণ খেলাপির দায়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী খান আহমেদ শুভ, এছাড়া ১ শতাংশ ভোটার তালিকায় গড়মিল থাকায় বাংলাদেশ বৈরাবরি পার্টির প্রার্থী পীর সৈয়দ আলমগীর হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল ইসলাম ও আরজু মিয়ার মনোনয়ন পত্র বাতিল করা হয়।
এ ব্যাপারে নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল হাসান বলেন, যাচাই বাছাই শেষে ওই ৪ জনের মনোনয়পত্র বাতিল করা হয়েছে। যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে তারা আপিল করার সুযোগ পাবেন।
তিনি আরো জানান, যাদের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে তারা হলেন, জাতীয় পার্টির জহিরুল ইসলাম জহির, বাংলাদেশ ওয়ার্কাস পার্টির গোলাম নওজেব চৌধুরী, বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির রুপা রায় চৌধুরী। এই উপনির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে ময়মনসিং আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা শাহেদুন্নবী চৌধুরী।
উল্লেখ, গত ১৬ নভেম্বর এ আসনের সংসদ সদস্য একাব্বর হোসেন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। ৩০ নভেম্বর এই আসনটি শূণ্য ঘোষণা করে নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৫ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাই ২০ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৭ ডিসেম্বর। আগামী ১৬ জানুয়ারি এই আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও হুগড়া ইউনিয়নের দুইবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান মো. তোফাজ্জল হোসেন খান তোফাকে হত্যার উদ্দেশ্যে সর্বহারা বাংলা ভাই কর্তৃক পরিচালিত আক্রমন করার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
সোমবার (২০ ডিসেম্বর)সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে হুগড়া ইউনিয়ন বাসীর আয়োজনে ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। পরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করেন হুগড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মোঃ তোফাজ্জল হোসেন খান।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল সদর থানা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আমিরুল ইসলাম খান, সাধারণ সম্পাদক ও হুগড়া ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থী তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. হযরত আলী, হুগড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম হোসেন গোলাপ, সাধারণ সম্পাদক জাফর আহম্মেদ প্রমুখ।
মানববন্ধনে চেয়ারম্যান প্রার্থী তোফা বলেন, নৌকার প্রতীক দিয়ে নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগকালে অপর চেয়ারম্যান প্রতিদ্বন্দ্বি তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমন করে এবং আমার সাথে থাকা কর্মীদের উপর হামলা করে। তাদের হামলায় তিনজন কর্মী আহত হয়। তিনি এবিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দায়ের করছেন। তিনি নিরাপত্তাহীনতায় দিন যাপন করছেন।
এরপর তিনি প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন। এসময় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীসহ হুগড়া ইউনিয়নের সমর্থীতরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে পদে চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মী সমর্থকদের উপর হামলা ও নির্যাতন করার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে নৌকা প্রার্থীর বিরুদ্ধে।
রবিবার (১৯ ডিসেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়। হুগড়া ইউনিয়নবাসীর ব্যানারে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ওই ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. নূর এ আলম তুহিন। তিনি জানান, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অপর নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা নিজে নেতৃত্ব দিয়ে তার কর্মী সমর্থকদের উপর বিভিন্ন সময় হামলা, নির্যাতন করছেন। তার হামলার শিকার হয়ে অন্তত আটজন গুরুতর আহত হয়েছেন। মৈশা গ্রামের তোফাজ্জলকে বেধড়ক পিটিয়ে হাত-পা ভেঙে দেয়া হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তিনি এখন ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হামলার শিকার হয়ে আরেকজনের মাথার খুলি ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে পড়েছিল। তাকেও ঢাকায় চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। তিনি এখন চোখে দেখতে পান না এবং তার স্মৃতিশক্তি নষ্ট হয়ে গেছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৫ ডিসেম্বর চরহুগড়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছয় বছরের শিশুপুত্রকে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়। এতে তার মাথা ফেটে যায়। এছাড়াও আরো অনেককে নানাভাবে হুমকি দেয়া হচ্ছে। এভাবে ভোটারদের মধ্যে ভয়-ভীতি সৃষ্টি করা হচ্ছে।
এসব অভিযোগ জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য টাঙ্গাইল সদর মডেল থানায় ও নির্বাচন অফিসে লিখিত আবেদন করা হয়েছে বলে জানান মো. নূর এ আলম তুহিন। একই সাথে নির্বাচনকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার জন্য পরিবেশ সৃষ্টি করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ারও সহায়তা চেয়েছেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হুগড়া ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোর্শেদ আলম দুলাল, শেরপুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ (অবঃ) আব্দুর রাজ্জাক, সরকারি এম এম আলী কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক শামসুল হুদা, টাঙ্গাইল জেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও হাবিব কাদের উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামীম আল মামুন জুয়েল, টাঙ্গাইল পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মির্জা রনি আহম্মেদ রিংকু, ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মৈশা গ্রামের তোফাজ্জলের মা নূর জাহানসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
একতার কণ্ঠঃ বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্যে দিয়ে টাঙ্গাইলে বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। স্বাধীনতার ৫০ বছরের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে শহর জুড়ে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর) সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে ৫০ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিনের কর্মসূচী। পরে জেলা সদরে অবস্থিত “শহীদ বেদীতে” ফুল দিয়ে ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদের প্রতি শ্রদ্ধ জানান জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি।
এরপর জেলা পুলিশের পক্ষে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষে সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক সংগঠন ও সর্বস্তরের জনগণ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয় শহরের জেলা সদর রোড়ে অবস্থিত শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানের শহীদ বেদীতেও।
সকাল ৮টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এ সময় বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে অংশগ্রহণকারী এবং বিজয়ীদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়েছে।
অপরদিকে,সকাল ১১টায় মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দিনব্যাপী ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, মসজিদ-মন্দিরে বিশেষ মোনাজাত ও প্রার্থনা, জেলখানা, হাসপাতাল, এতিমখানায় উন্নতমানের খাবার পরিবেশন, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শন, আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের উপনির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী খান আহমেদ শুভ। তিনি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একুশে পদকপ্রাপ্ত বীরমুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুকের একমাত্র ছেলে ও দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিবিসিআই’র পরিচালক। ফজলুর রহমান খান ফারুক আওয়ামীলীগের পক্ষে এই আসনে ১৯৭১ সালে নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়ী হন।
বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. সাহিদুল নবী চৌধুরীর কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি। এ সময় জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এইচ এম কামরুল হাসান, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা উপস্থিত ছিলেন। পরে তিনি মির্জাপুর উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়েও মনোনয়নপত্র জমা দেন।
নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগের খান আহমেদ শুভ ছাড়াও জাতীয় পার্টির জহিরুল ইসলাম জহির, বাংলাদেশ কংগ্রেস পার্টির রুপা রায় চৌধুরী, বাংলাদেশ বৈরাবরি পার্টি থেকে পীর সৈয়দ আলমগীর হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী নুরুল ইসলাম ও আরজু মিয়া মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পর থেকে খান আহমেদ শুভ ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ভোট প্রার্থনা করছেন। চায়ের দোকান, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্লাব, হাটবাজারে নির্বাচন বিষয় নিয়ে আলোচনা চলছে। নির্বাচিত হতে নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। সকাল থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত ভোট প্রার্থনা করছেন। সরকার দলীয় প্রার্থী বর্তমান সরকারের উন্নয়নচিত্র তুলে ধরছেন ভোটারদের মাঝে।
স্থানীয় ভোটার রাশেদ হাসান বলেন, যে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে পারবে ও যাকে বিপদে পাশে পাওয়া যাবে এমন ব্যক্তিকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন। অপর ভোটার সফল বনিক বলেন, মির্জাপুরের অদূরে রাজধানী। যিনি মির্জাপুরকে রাজধানীর আদলে সাজাতে পারবেন, তাকে দলমত নির্বিশেষে ভোট দেবেন।
খান আহমেদ শুভ বলেন, ‘জনগণের সেবা ও দেশের উন্নয়নে নিজেকে সম্পৃক্ত করতে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। দেশের চলমান উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে নৌকা প্রতীকের পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী নৌকাকে বিজয়ী করতে দলীয় নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। আওয়ামীলীগ থেকে তাকে মনোনীত করায় খান আহমেদ শুভ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
প্রসঙ্গত, গত ১৬ নভেম্বর এই আসনের সংসদ সদস্য একাব্বর হোসেন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ৩০ নভেম্বর এই আসন শূণ্য ঘোষণা করে নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৫ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র বাছাই ২০ ডিসেম্বর, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৭ ডিসেম্বর। আগামী ১৬ জানুয়ারি ভোটগ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ ওয়ালটন গ্রুপের অর্থায়নে টাঙ্গাইলে জেলা সদর পানির ট্যাংকের বধ্যভূমির পাশে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিকেন্দ্রের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে।বুধবার (১৫ ডিসেম্বর) সকালে নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আমিনুল ইসলাম, টাঙ্গাইল পৌরভার মেয়র এস. এম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়্যারম্যান শাহজাহান আনছারী প্রমুখ।
জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি জানান, এই স্মৃতি কেন্দ্রে বঙ্গবন্ধু ও টাঙ্গাইলের সকল মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, অডিও-ভিডিও, যুদ্ধকালীন ছবি ও দেশি-বিদেশি পত্রিকা সংরক্ষণ করা হবে। এই ভবণের চতুর্থ তলায় কনফারেন্স রুম থাকবে।
তিনি আরো জানান, ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ ও ৫২ এর ভাষা আন্দোলনকে সম্মান জানিয়ে চারতলা এই স্মৃতি কেন্দ্রে চারটি স্তম্ভে চার জাতীয় নেতা এবং মাঝখানে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল থাকবে। বঙ্গবন্ধু ও টাঙ্গাইলের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে দেশি-বিদেশি পর্যটক ও শিক্ষার্থীরা ধারণা পাবে।
প্রকাশ, মুক্তিযোদ্ধাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসন ও ওয়ালটনের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এর আগে গত ৮ মার্চ এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার ছয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পাঁচ বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ ১৮ নেতা-কর্মীকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ।সোমবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে তাদের বহিষ্কার করা হয়। বিষয়টি ভূঞাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক তাহেরুল ইসলাম তোতা নিশ্চিত করেছেন।
বহিষ্কৃতরা হলেন, অর্জুনা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও স্বতন্ত্রপ্রার্থী আইয়ুব আলী মোল্লা; সহ-সভাপতি মো. আব্দুর রহমান; উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য ও স্বতন্ত্রপ্রার্থী আনোয়ার হোসেন তালুকদার জিন্নাহ; গাবসারা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহ আলম আকন্দ শাপলা; আওয়ামীলীগ নেতা নজরুল ইসলাম; ছানোয়ার হোসেন তালুকদার ফিরোজ; উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যকরী কমিটির সদস্য ও স্বতন্ত্রপ্রার্থী আমিনুল ইসলাম (আমিন); ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মো. জহিরুল ইসলাম; মো. আমিন মন্ডল; জয়নাল আবেদীন; যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. রফিকুল ইসলাম রফিক; নিকরাইল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী মাসুদুল হক মাসুদ; সহ-সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান পাভেল; জুরান আলী মন্ডল; কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মো. মোন্নাফ আলী; ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মো. শরিফুল ইসলাম তালুকদার; বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক মো. ফজল হক ও কার্যকরী কমিটির সদস্য মো. রফিকুল।
বহিস্কার প্রসঙ্গে তাহেরুল ইসলাম তোতা জানান, দলের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়া ও বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় উল্লেখিত ১৮ নেতা-কর্মীকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, আগামী ২৬ ডিসেম্বর টাঙ্গাইলে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল যথাযথ মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করা হয়েছে।মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জেলা সদরে অবস্থিত “শহীদ বেদীতে” প্রথমে জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
এরপর জেলা পুলিশের পক্ষে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষে সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রানুয়ারা খাতুন শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
পরে জেলা সদর রোডে অবস্থিত শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
শেষে শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। এ সময় জেলা প্রশাসক কার্যালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে এক ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যানসহ আট চেয়ারম্যান ও ১৯ ইউপি সদস্য প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বাতিল করেছেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার। রোববার (১২ ডিসেম্বর) যাচাই বাছাইয়ের নির্ধারিত দিনে তাদের মনোনয়ন পত্র বাতিল হলেও সোমবার(১৩ ডিসেম্বর) বিকেলে জানানো হয়।
মনোনয়ন বাতিল হওয়া চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন ফুলকী ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম বাবুল,মনিরুজ্জামান মিয়া,আতিকুর রহমান,ইসহাক আলী,দেওয়ান জহিরুল ইসলাম,কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের এবিএম মাসুদুল আলম বিপ্লব, হাবলা ইউনিয়নের তরিকুল ইসলাম রতন, কাউলজানি ইউনিয়নের আবু হানিফ মিয়া।
এছাড়াও চারটি ইউনিয়নের সংরক্ষিত আসনের ৭ জন এবং সদস্য ১২ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
বাসাইল উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, মনোনয়ন বাতিল হওয়া চেয়ারম্যানদের স্থানীয় সরকার ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আইন ২০১০ এর বিধি ৪৮ এর উপধারা ১(ড) অনুযায়ী চারজন এবং সম্পদ বিবরনের রশিদ না থাকায় দুই জন ও দলীয় প্যাডে মনোনয়ন প্রাপ্তির স্বীকৃতিপত্র না থাকায় একজন, ঋণ খেলাপীর অভিযোগে এক জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
উপজেলা নির্বাচন অফিসার মনি শংকর রায় বলেন, বাতিল হওয়া প্রার্থীরা বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন।
উল্লেখ্য, ১৮ ডিসেম্বর আপিল নিষ্পত্তি এবং ১৯ ডিসেম্বর প্রার্থীতা প্রত্যাহার ও ২০ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে।
আগামী ৫ জানুয়ারি ভোট অনুষ্ঠিত হবে।