/ হোম / কালিহাতী
টাঙ্গাইলে প্রাইভেটকার মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রাইভেটকার মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে অটো ভ্যানকে ওভারটেক করতে গিয়ে প্রাইভেটকার মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত হয়েছে।

শনিবার (৫ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার কালিহাতী-বল্লা আঞ্চলিক সড়কের কালিহাতী পৌর এলাকার কামার্থীতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন,মোটরসাইকেল চালক উপজেলার বীরবাসিন্দা ইউনিয়নের বীর বাসিন্দা গ্রামের দেলোয়ারের ছেলে জাকির (২৮) ও একই গ্রামের আরফান আলীর ছেলে আসাদুজ্জামান (২০)।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুরে উপজেলার কালিহাতী-বল্লা আঞ্চলিক সড়কের চারান এলাকা থেকে মোটরসাইকেলটি কালিহাতী বাসস্ট্যান্ডের দিকে যাচ্ছিল।একই সময় প্রাইভেটকারটি কালিহাতী বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে চারানের দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে কামার্থী এলাকায় পৌঁছলে মোটরসাইকেলটি একটি অটোভ্যানকে ওভারটেক করতে গিয়ে প্রাইভেটকারের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এসময় মোটরসাইকেলের চালক জাকির ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের আরোহী আসাদুজ্জামান গুরুত্বর আহত হলে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে সেখানে তার অবস্থার আরো অবনতি ঘটলে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনিও মারা যান।

কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, এঘটনায় মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারটি পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।

তিনি আরও জানান,এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. অগাস্ট ২০২৩ ০৯:৪৭:পিএম ৩ বছর আগে
কালিহাতীতে বালুবাহী ট্রাকে ভেস্তে যাচ্ছে কোটি টাকার উন্নয়ন - Ekotar Kantho

কালিহাতীতে বালুবাহী ট্রাকে ভেস্তে যাচ্ছে কোটি টাকার উন্নয়ন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীর পৌলী গ্রামে নির্মাণাধীন একটি পাকা সড়ক নির্মাণ শেষ না হতেই স্থানীয় বালু ব্যবসায়ীরা সড়কটি ব্যবহার করে বালু বিক্রি করায় ভেস্তে যাচ্ছে সরকারের কোটি টাকার উন্নয়নের এ প্রকল্প।

বালু ব্যবসায়ীরা অতান্ত প্রভাবশালী হওয়ায় ও স্থানীয় কাউন্সিলর এই ব্যবসার সাথে জড়িত থাকায় কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেনা।

সরেজমিনে দেখা যায়, বঙ্গবন্ধু সেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার পৌলি হতে পৌলি দক্ষিন পাড়া পর্যন্ত পৌরসভার অর্থায়নে সড়কটি পাকা করণ করা হচ্ছে। এই সড়কের (সাবেক মেম্বার আব্দুল বারেকের বাড়ির সামনে) দুই পাশের পতিত জমিতে বলগেট দিয়ে বালু ফেলা হচ্ছে। এই বালু আনলোড করে ওই জমিতে ফেলার জন্য লোহার মোটা পাইপ ব্যবহার করা হচ্ছে।

ওই লোহার পাইপগুলো সড়কের উপর দিয়েই নেওয়া হয়েছে। এছাড়া জমাকৃত বালু একস্থান থেকে অন্যস্থানে নেওয়ার জন্য রাস্তার উপর দুটি স্যালো মেশিন বসানো হয়েছে। স্তুপকৃত বালু বিক্রি হওয়ার পর পরিবহনের জন্য ড্রামট্রাক লাইন দিয়ে দাড়িয়ে আছে। ভেকু মেশিন দিয়ে অপেক্ষামান ট্রাকগুলোতে বালু তুলে দিচ্ছে। এই বালু ভর্তি ট্রাক চলাচলের ফলে কোটি টাকার নির্মাণাধীন সড়কটি বিভিন্ন জায়গায় ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। এছাড়া দিনরাত ট্রাক চলাচলের ফলে সড়কের বালু উড়ে গিয়ে পার্শবর্তী বাড়িতে গিয়ে পড়ছে।

স্থানীয়রা জানায়, এই এলাকার কাউন্সিলর সুকুমার ঘোষের যোগসাজসে প্রভাবশালী কিছু লোক বলগেট দিয়ে বালু এনে বিক্রি করছে। এলাকায় বলগেটের বালু আনলোড করায় নদীর পাড়ে দুইটি বাড়ির কিছু অংশ নদীতে ধসে পড়েছে। এছাড়াও দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে হওয়া কোটি টাকায় নবনির্মিত এই সড়কটি ব্যবহার করে দিনে-রাতে বালুবাহী ট্রাক চলাচল করায় ছাত্র-ছাত্রীসহ এলাকাবাসীর চলাচলে চরম বিঘ্ন ঘটছে। এছাড়াও বালুবাহী ট্রাক চলাচলের কারণে ধুলোবালি গিয়ে বসত-বাড়িতে পড়ায় বসবাস করা অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ট্রাকের হাইড্রলিক হর্ণের বিকট শব্দে ঘুম থেকে শিশুরা আচমকা চমকে উঠছে। তারা ওই সড়কটি রক্ষার্থে বালু ব্যবসা বন্ধের জোর দাবি জানায়।

বালু ব্যবসায়ী মো. সাইফুল ইসলাম জানান, এলাকার কিছু যুবকরা মিলে সিরাজগঞ্জ থেকে বালু কিনে এনে বিক্রি করছি। নদী থেকে বালু তুলেতো বিক্রি করছি না। তবে নির্মাণাধীন সড়ক ব্যবহার করায় সড়কের যে ক্ষতি হচ্ছে সে বিষয়ে তিনি কোন মন্তব্য করেন নি।

এলেঙ্গা পৌরসভার কাউন্সিলর সুকুমার ঘোষ অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, তিনি কাউন্সিলর হওয়ার পর পৌলি নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করেছেন। ফলে বিকল্প হিসেবে স্থানীয় ড্রাম ট্রাক ব্যবসায়ীরা সিরাজগঞ্জ থেকে বলগেট দিয়ে বালু এনে বিক্রি করছে। সড়কটি ব্যবহার করার জন্য বালু ব্যবসায়ীরা পৌরসভায় একটি দরখাস্ত দিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, বালু আনলোড করার সময় দু-একটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে সেটা আমি জানি। ওই ক্ষতিগ্রস্থ বাড়িগুলো মেরামত করার জন্য ব্যবসায়ীদের বলা হয়েছে। তবে তিনি বালু ব্যবসায় জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেন।

এ প্রসঙ্গে এলেঙ্গা পৌরসভার মেয়র নুর-এ আলম সিদ্দিকী জানান, নবনির্মিত সড়কটি ব্যবহারের জন্য বালু ব্যবসায়ীরা কোন দরখাস্ত পৌরসভায় দেয়নি। দক্ষিন পৌলিবাসীর দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে সড়কটি পাকাকরণ করা হচ্ছে। সড়কের কোন প্রকার ক্ষয়-ক্ষতি পৌর কর্তৃপক্ষ বরদাস্ত করবেনা।

কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইএনও) মো.নাজমুল হুসেইন জানান, বলগেট দিয়ে বালু আনায় আইনগত কোন বাধা নেই। তবে সড়ক ব্যবহারে কোন প্রকার বেরিক্যাড দেওয়া যাবেনা। বেরিক্যাড দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. অগাস্ট ২০২৩ ০২:০১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্র নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্র নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নাঈম মিয়া নামের এক কলেজ ছাত্র নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছে মোটরসাইকেল আরোহী অপর এক কলেজ ছাত্র।

বৃহস্পতিবার(২৭ জুলাই) দুপুরে বঙ্গবন্ধু সেতু- ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের এলেঙ্গা পৌরসভার চরভাবলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. নাঈম মিয়া (১৭) টাঙ্গাইল পৌরসভার বেড়াবুচনা এলাকার মো. করিম মিয়ার ছেলে। সে টাঙ্গাইল মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।

বঙ্গবন্ধু সেতু পুর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মো. সফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে নাঈমসহ তিন বন্ধু মোটরসাইকেল যোগে টাঙ্গাইল থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর উদ্দেশ্যে রওনা হয়। তারা মহাসড়কের চরভাবলা এলাকায় পৌঁছালে, উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকা গামী একটি অজ্ঞাত যাত্রীবাহী বাস মোটরসাইকেলটিকে চাপা দেয়। এত ঘটনাস্থলেই নাঈমের মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা মোটরসাইকেলের অপর আরোহী মো. সাগরকে(১৭) গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। মোটরসাইকেলের অপর আরোহী বিপ্লবকে (১৭) অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে কলেজ ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

তিনি আরও জানান, পরে আইনী প্রক্রিয়া শেষে নিহত কলেজ ছাত্র নাঈমের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. জুলাই ২০২৩ ০১:৪৬:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বজ্রপাতে প্রাণ হারাল আ’লীগ নেতা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বজ্রপাতে প্রাণ হারাল আ’লীগ নেতা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বজ্রপাতে রমজান আলী (৫২) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।
(more…)

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. জুলাই ২০২৩ ০৮:৪৬:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫টিতেই ডুবেছে নৌকা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৬টি ইউনিয়নের মধ্যে ৫টিতেই ডুবেছে নৌকা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ছয়টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পাঁচটিতেই নৌকার ভরাডুবি হয়েছে। এসব ইউনিয়নে জয় পেয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। মাত্র একটি ইউনিয়নে জয় পেয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী।

সোমবার (১৭ জুলাই) টাঙ্গাইলের সখিপুরে চারটি ইউপিতে এবং কালিহাতীতে দু’টি ইউপিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

সখিপুর উপজেলার চারটি ইউনিয়নেই চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের কাছে হেরেছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা।

কালিয়া ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো: জামাল হোসেন এবং নৌকা প্রতীক নিয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন দেলোয়ার হোসেন সাথী।

বড়চওনা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো: আজহারুল ইসলাম বিজয়ী হয়েছেন। সেখানে তার কাছের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েছেন আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল হালিম সরকার।

হাতীবন্ধা ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী রনি আহমেদকে হারিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থী রবিন খান।

হতেয়া-রাজাবাড়ি ইউনিয়নে বিজয়ী হয়েছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মো: হুমায়ন খান। সেখানে দ্বিতীয় হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী বীরমুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দিন।

একই দিন কালিহাতী উপজেলার বীরবাসিন্দা ও পারখী ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এরমধ্যে বীর বাসিন্দা ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থী আব্দুল খালেককে হারিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সোরহাব আলী এবং পারখী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান তোতা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. জুলাই ২০২৩ ০৩:০৬:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রবাসীর স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রবাসীর স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার সহদেবপুর ইউনিয়নের আকুয়া গ্রামের এক প্রবাসীর স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৭ জুলাই) রাতে এ মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে।

নিহত গৃহবধু বিথি আক্তার (১৭) উপজেলার লুহুরিয়া গ্রামের মনিরুজ্জামান বাজেলের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

স্থানীয়রা জানায়, ৭ মাস পুর্বে উপজেলার লুহুরিয়া গ্রামের মনিরুজ্জামান বাজেলের মেয়ে বিথি আক্তারের সাথে একই উপজেলার সহদেবপুর ইউনিয়নের আকুয়া গ্রামের আব্দুল্লাহ আনসারীর বড় ছেলে সিঙ্গাপুর প্রবাসী সুমন আনসারীর সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের ৩ মাস পর সুমন প্রবাসে চলে যান। তারপর থেকেই সৎ শ্বাশুড়ি শাহিনা আক্তার যৌতুকের জন্য নানা অত্যাচার শুরু করে।

তারা আরও জানায় , রবিবার (১৬ জুলাই ) দুপুরে ওই প্রবাসীর স্ত্রী শ্বশুরকে স্থানীয় হাট থেকে শশা কিনে আনতে বলেন। ছেলের বউয়ের কথামত শ্বশুর শশা কিনে আনলে শ্বাশুড়ি ওই শশা বাড়ির বাহিরে ফেলে দেয়। স্বামীকে নানা ধরনের বকাঝকা করতে থাকে। ছেলের বউ শ্বশুরের পক্ষ নিয়ে কথা বললে শ্বাশুড়ির মনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। সবাই মিলে রাতের খাবার শেষে শ্বাশুড়ি প্রবাসীর স্ত্রীকে একগ্লাস দুধ খেতে দেয়। শ্বাশুড়ির দেওয়া দুধ খেয়ে প্রবাসীর স্ত্রী ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন।

সোমবার (১৭ জুলাই ) সকালে বিথি ঘুম থেকে না উঠলে তার শ্বাশুড়ি তাকে ডাকা-ডাকি করে। তাতেও না উঠলে বিথির বাবার বাড়িতে ফোন দেওয়া হয়। ফোনপেয়ে তার বাবার বাড়ির লোকজন এসে দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে। পরে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

তারা আরও জানায়, মৃত্যুর পর রাতেই নিহতের বাবার সাথে মীমাংসার জন্য ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সহিদুল ইসলাম, মেম্বার হযরত আলী, আতোয়ার রহমান, মাহমুদুল হক,মিন্টু মিয়া ও ওহাব আলীসহ একাধিক মাতব্বর মিলে দফায়-দফায় বৈঠক করেন। মীমাংসা না হওয়ায় একপর্যায়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের দাদি হোসনেয়ারা ও ফুপু মর্জিনা আক্তার জানান, বিয়ের সময় যৌতুক হিসেবে সোনার গহনা দেওয়ার কথা ছিল। সেই গহনা দিতে একটু সময় লাগায় তার সৎ শ্বাশুড়ি দুধের সাথে বিষ মিশিয়ে বিথিকে মেরে ফেলেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, ঘটনার পরপরই তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে এ ঘটনা ঘটতো না। তাকে উদ্ধার করতে দরজা ভাঙ্গার প্রয়োজন হলে শ্বাশুড়ি বাঁধা দিয়ে বলে, এটা অনেক দামি দরজা এটা ভাঙা যাবে না। অন্যকোন উপায়ে তাকে বের করার কথা বলে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য সহিদুল ইসলাম গভীররাতে দফায়-দফায় বিষয়টি নিয়ে সমঝোতা বৈঠকের কথা স্বীকার করেন।

এ বিষয়ে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, খবর পেয়ে মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) দুপুরে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

তিনি আরও জানান, এ ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. জুলাই ২০২৩ ০২:১৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ১১ বোতল বিদেশি মদসহ গ্রেপ্তার ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ১১ বোতল বিদেশি মদসহ গ্রেপ্তার ১

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ১১ বোতল বিদেশি মদসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৫ জুলাই) দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উপজেলার এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীবাহী একটি বাসে তল্লাশি চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

আটককৃত জাইদুল ইসলাম (২৭) কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার চরবামান এলাকার আব্দুল ছাত্তারের ছেলে। সে মদগুলো নিয়ে টাঙ্গাইলের করটিয়ার উদ্দেশ্য যাচ্ছিলো।

টাঙ্গাইল ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট মুশফিকুর রহমান জানান, বাংলাদেশ ট্রাভেলস নামের একটি যাত্রীবাহী বাস কুড়িগ্রাম থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিলো। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে বাসটিতে তল্লাশি চালিয়ে ১১ বোতল বিদেশি মদ জব্দ করা হয়। সেই সাথে জাইদুল ইসলামকে আটক করে কালিহাতী থানায় প্রেরণ করা হয়েছে। এ বিষয়ে থানায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. জুলাই ২০২৩ ০৩:৫৫:এএম ৩ বছর আগে
কালিহাতীর দুই ইউপি নির্বাচনে হামলা-মামলা, সুষ্ঠু নির্বাচনের শংকা - Ekotar Kantho

কালিহাতীর দুই ইউপি নির্বাচনে হামলা-মামলা, সুষ্ঠু নির্বাচনের শংকা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার বীরবাসিন্দা এবং পারখী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আগামী ১৭ জুলাই সোমবার। এ নির্বাচনে নৌকার গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে বিদ্রোহী প্রার্থীরা।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একাধিক মারামারির ঘটনা ঘটেছে। বহিষ্কার করা হয়েছে বিদ্রোহী ৩ চেয়ারম্যান প্রার্থীকে।

এদিকে স্থানীয় আওয়ামী লীগে অদৃশ্য বিভক্তি দেখা দিয়েছে। নির্বাচন কমিশন অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে বদ্ধ পরিকর। প্রার্থীরা শেষ সময়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ভোট পেতে দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে অনেকের শংকাও রয়েছে।

জানা যায়- ২০১১ সালে বীরবসিান্দ ইউনিয়ন ভেঙে পারখী নামের নতুন একটি ইউনিয়ন গঠিত হয়। এবার নির্বাচনে বীরবাসিন্দা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন আব্দুল খালেক (নৌকা)। তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। এ ইউনিয়নে আরো ৩ জন প্রার্থী রয়েছেন। তারা হলেন- আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সেলিম শিকদার (আনারস) ও বর্তমান চেয়ারম্যান ছোহরাব আলী (মোটরসাইকেল সাইকেল) এবং মিতু আক্তার (চশমা)।

এদিকে পারখী ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান তালুকদার তোতা (নৌকা)। তিনি কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি। এ ইউনিয়নে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী তালুকদার (মোটর সাইকেল)। এছাড়া কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রার্থী হয়েছেন আব্দুস সবুর শামীম (গামছা)।

এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বীরবাসিন্দা ইউনিয়নে একাধিক মারামারি ও অফিস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন এবং লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। এলাকায় বিরাজ করছে থমথমে অবস্থা।

স্বতন্ত্র প্রার্থী ছোহরাব আলীর বলেন, আমার নির্বাচনের প্রধান সমন্বয়ক আরিফুর রহমান লিটনকে (৫০) কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে নৌকা প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা। কস্তুরীপাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লিটন এখন ঢাকায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এছাড়াও নির্বাচনী অফিস ও গাড়ী ভাংচুর করে প্রচারনায় বাঁধা দেওয়া হচ্ছে। বুধবার সন্ধ্যায় ইউনিয়নের কস্তুরীপাড়া জামে মসজিদের সামনে ও বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজাফৈর বাজার এলাকায় এ ঘটনা দুটি ঘটে।

ছোহরাব আলী আরো বলেন, আমি নির্বাচন অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছি। তিনি আমাকে নিরেপেক্ষ নির্বাচনের আশ্বাস দিয়েছেন।

এছাড়া একই ইউনিয়নে বৃহস্পতিবার রাতে সিংনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক শরীফ আহমেদ রাজুসহ ৫ জনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করা হয়েছে।

আহতরা বলেন, হামলাকারীরা বর্তমান চেয়ারম্যান ছোহরাব হোসেনের লোকজন।

কালিহাতী থানার এসআই ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আলামিন বলেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। রাতেই রকিবুল ইসলাম সুমন বাদী হয়ে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ছোহরাব হোসেনকে প্রধান আসামী করে ৪৩ জনের নামে মামলা দায়ের করেছেন। হেলাল উদ্দীন নামের এক আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযান অব্যাহত আছে।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোজাহারুল ইসলাম তালুকদার বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে নির্বাচন করায় ৩ চেয়ারম্যান প্রার্থীকে দল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। সেইসাথে চূড়ান্ত বহিষ্কারের জন্য কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। তারা হলেন বীরবাসিন্দা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ছোহরাব আলী, একই ইউনিয়নের উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি সেলিম সিকদার ও পারখী ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি লিয়াকত আলী তালুকদার। তাদেরকে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারক ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল খালেক ও অ্যাডভোকেট আজিজুর রহমান তালুকদার তোতা বলেন, যতই ষড়যন্ত্র হোক উন্নয়নের স্বার্থে জনগণ নৌকাকেই ভোট দিয়ে বিজয়ী করবে।

কালিহাতী উপজেলা নির্বাচন ও ইউপি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মিসবাহ উদ্দীন আহমেদ বলেন, বীরবাসিন্দা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা একে অপরের বিরুদ্ধে ৪ টি অভিযোগ দিয়েছেন। সেগুলো আমরা তদন্ত করছি। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য আমরা সকল পদক্ষেপ নিয়েছি। ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা কালিহাতীতে এসে বৃহস্পতিবার মতবিনিময় করেছেন। সেখানে পুলিশ প্রশাসন ও প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে কোন প্রকার শংকা নেই। বীরবাসিন্দা ইউনিয়নে মোট ভোটার ১৬ হাজার ৭০৫ এবং পারখী ইউনিয়নে ১৬ হাজার ৫৮৪ জন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. জুলাই ২০২৩ ০৩:৩৯:এএম ৩ বছর আগে
কালিহাতীতে ইউপি নির্বাচনী সহিংসতায় প্রধান শিক্ষককে কুপিয়ে আহত - Ekotar Kantho

কালিহাতীতে ইউপি নির্বাচনী সহিংসতায় প্রধান শিক্ষককে কুপিয়ে আহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর সমর্থক এক প্রধান শিক্ষককে কুপিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে নৌকা পার্থীর কর্মী সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এ ছাড়াও ওই স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারনা অফিস ও গাড়ী ভাংচুর করে প্রচারনায় বাঁধা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

বুধবার (১২ জুলাই ) সন্ধ্যায় উপজেলার বীরবাসিন্দা ইউনিয়নের কস্তুরী পাড়া জামে মসজিদের সামনে ও বৃহস্পতিবার (১৩ জুলাই ) দুপুরে রাজাফৈর বাজার এলাকায় এ ঘটনা দুটি ঘটে।

এ ঘটনায় গুরুতর আহত আরিফুর রহমান লিটন (৫০) কস্তুরী পাড়া গ্রামের মজিবর সিকদারের ছেলে। তিনি কস্তুরী পাড়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসাবে কর্মরত রয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার বীরবাসিন্দা ইউপি নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী সোহরাব হোসেনের (মটরসাইকেল প্রতীক) প্রধান নির্বাচনী সমন্বয়ক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন আরিফুর রহমান লিটন। তিনি বুধবার স্থানীয় কস্তুরী পাড়া বাজার এলাকায় দিনব্যাপী নির্বাচনী প্রচারনায় অংশ নেন। এক পর্যায়ে মাগরিবের নামাজের সময় হলে পাশের একটি মসজিদে নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হয়ে তিনি বাজারের আবুখার ওষুধের দোকানের সামনে আসলে পূর্ব থেকে উৎপেতে থাকা ১০ থেকে ১৫ জন সন্ত্রাসী তাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এ সময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে।

এ বিষয়ে প্রত্যক্ষদর্শী মো. হান্নান, আকরব হোসেন, আব্দুল হাই বলেন, আমরা বাজারে নির্বাচনী প্রচারনা চালাচ্ছিলাম। অতর্কিত ভাবে বাজারের উত্তর দিক থেকে এসে অজ্ঞাত ১০/১৫ জন নৌকার সমর্থকরা লিটন মাষ্টারের মাথায় কোপ দিলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তাকে এলোপাথারি কুপিয়ে ও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে। এ সময় তারা বলেন, শালা নৌকার বিরুদ্ধে নির্বাচন করার পরিনতি। তার ডাক চিকৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।

অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার দুপুরে মাইক নিয়ে একটি ব্যটারি চালিত অটোরিকশা যোগে মোটরসাইকেল প্রতিকের প্রচারনা চালানোকালে কয়েকজন সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে গাড়ি ও মাইক ভাংচুর করে।

স্বতন্ত্রপ্রার্থী সোহরাব আলী বলেন, এ ঘটনায় আমি জেলা নির্বাচন অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছি। তিনি আমাকে নিরেপেক্ষ নির্বাচনের আশ্বাস দিয়েছেন।

বীরবাসিন্দা ইউনিয়নের নৌকা প্রতিকের প্রার্থী মো. আব্দুল খালেক মুঠোফোনে বলেন, ‘আমি নির্বাচনী প্রচারনায় ব্যস্ত রয়েছি, লিটন মাষ্টারের উপর হামলার বিষয়ে আমি পরে কথা বলবো’।

এ বিষয়ে জানতে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমানকে বার বার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনটি।

এ প্রসঙ্গে কালিহাতী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. শরিফুল হক বলেন, সামনে আমাদের জাতীয় নির্বাচন। আমরা যে কোন নির্বাচনী সহিংসতাকে খুব গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। তবে এ বিষয়ে এখনো কেউ কোন প্রকার লিখিত অভিযোগ করেননি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৪. জুলাই ২০২৩ ০৩:২৮:এএম ৩ বছর আগে
২৬ বছরে বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মাণ ব্যয়ের প্রায় দ্বিগুণ টোল আদায় - Ekotar Kantho

২৬ বছরে বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মাণ ব্যয়ের প্রায় দ্বিগুণ টোল আদায়

একতার কণ্ঠঃ প্রমত্তা যমুনা নদীতে নির্মিত বঙ্গবন্ধু সেতু উদ্বোধনের পর থেকে গত ২৬ বছরে ৭ হাজার ৮৭৯ কোটি ২৯ লাখ ৭১ হাজার ৫০০ টাকা টোল আদায় হয়েছে।

১৯৯৮ সালের জুন মাস থেকে চলতি বছরের জুন মাস পর্যন্ত যানবাহন পারাপার থেকে এ টোল আদায় করা হয়- যা সেতু নির্মাণে বিনিয়োগের প্রায় দ্বিগুণ। বঙ্গবন্ধু সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, প্রথমে এ সেতুর নাম ছিল ‘যমুনা বহুমুখী সেতু’। পরে এর নামকরণ করা হয় ‘বঙ্গবন্ধু সেতু’। এ সেতু ১৯৯৮ সালের ২৩ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেন। এর নির্মাণ ব্যয় হয়েছিল ৩ হাজার ৭৪৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা।

সেতু নির্মাণকালে ২৫ বছরে বিনিয়োগের টাকা তুলে আনার লক্ষ্যমাত্রা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের ৭ বছর আগেই এর নির্মাণ ব্যয় উঠে আসে। রাজধানী ঢাকার সঙ্গে উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের সড়কপথে যোগাযোগের জন্য ১৯৯৪ সালে যমুনা নদীর ওপর এ সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়।

সেতুটি যমুনা নদীর পূর্ব তীরে টাঙ্গাইলের কালিহাতী(যদিও কাগজে-কলমে ভূঞাপুর) এবং পশ্চিম তীরে সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করে। ১৯৯৮ সালের ২৩ জুন উদ্বোধনের পর যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।

বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মাণের পর এবারের ঈদুল আজহায় ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ যানবাহন পারাপার হয়েছে। ২৭ জুন রাত ১২টা থেকে ২৮ জুন রাত ১২টা পর্যন্ত ৫৫ হাজার ৪৮৮টি গাড়ি সেতু পারাপারের বিপরীতে সর্বোচ্চ ৩ কোটি ৫৮ লাখ ৪০ হাজার ২০০ টাকা টোল আদায় হয়। এর আগে ২০২১ সালের ১৩ মে ২৪ ঘণ্টায় ৫২ হাজার ৭৫৩টি যানবাহন পারাপারের বিপরীতে টোল আদায় হয় ২ কোটি ৯৯ লাখ ১৮ হাজার ২৪০ টাকা।

বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের(বাসেক) বঙ্গবন্ধু সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল জানান, ১৯৯৮ সালের জুন মাসে ৯৮ লাখ টাকা টোল আদায় হয়। ১৯৯৮-৯৯ অর্থবছরে ৬১ কোটি ২৭ লাখ, ১৯৯৯-২০০০ অর্থবছরে ৬৬ কোটি ৯৪ লাখ, ২০০০-০১ অর্থবছরে ৮২ কোটি ৮৪ লাখ, ২০০১-০২ অর্থবছরে ৯৩ কোটি ৫৮ লাখ, ২০০২-০৩ অর্থবছরে ১০৮ কোটি ৭২ লাখ, ২০০৩-০৪ অর্থবছরে ১৩১ কোটি ৮ লাখ, ২০০৪-০৫ অর্থবছরে ১৫২ কোটি, ২০০৫-০৬ অর্থবছরে ১৯৭ কোটি ৯৭ লাখ, ২০০৬-০৭ অর্থবছরে ১৭৩ কোটি ৭৬ লাখ, ২০০৭-০৮ অর্থবছরে ২০১ কোটি ৯৬ লাখ, ২০০৮-০৯ অর্থবছরে ২১৪ কোটি ৪২ লাখ, ২০০৯-১০ অর্থবছরে ২৪২ কোটি ৯৯ লাখ, ২০১০-১১ অর্থবছরে ২৬৭ কোটি ১০ লাখ, ২০১১-১২ অর্থবছরে ৩০৬ কোটি ২৩ লাখ, ২০১২-১৩ অর্থবছরে ৩২৭ কোটি ৯৮ লাখ, ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৩২৫ কোটি ৩৮ লাখ, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৩৫১ কোটি ১৪ লাখ, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৪০৪ কোটি ৮৮ লাখ, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ৪৮৬ কোটি ৫২ লাখ, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৫৪৩ কোটি ৮০ লাখ, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৫৭৫ কোটি ৩৪ লাখ, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৫৬০ কোটি ২৮ লাখ, ২০-২১ অর্থবছরে ৬৫৪ কোটি ৮২ লাখ, ২১-২২ অর্থবছরে ৭০৪ কোটি ৫৫ লাখ এবং ২০২২-২৩ অর্থবছরে ৬৮০ কোটি ৭৫ লাখ ৭১ হাজার ৫০০ টাকা টোল আদায় করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়ক দিয়ে উত্তরবঙ্গের ২৩টি জেলার যানবাহন চলাচল করে। স্বাভাবিকভাবে প্রতিদিন ১৮-২০ হাজার যানবাহন সেতু দিয়ে পারাপার হয়। ঈদসহ বিভিন্ন উৎসবের ছুটিতে পরিবহনের সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়ে যায়।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. জুলাই ২০২৩ ০৯:৪৫:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নারী-শিশু সহ নিহত ৫  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নারী-শিশু সহ নিহত ৫ 

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পৃথক তিনটি সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ৫ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ১২জন।

শুক্রবার(৭ জুলাই )বিকেলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের রাবনা বাইপাস এলাকায় কাভার্ড ভ্যান পিকআপ সংঘর্ষে তিনজন এবং বঙ্গবন্ধু সেতু এলাকায় অজ্ঞাত এক নারী ও বাসাইলে এক শিশু নিহত হয়েছে।

নিহতদের মধ্যে তিনজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। এরা হচ্ছেন জেলার গোপালপুর উপজেলার হযরত আলীর ছেলে শাহ আলম (৪০), সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার গোয়াকড়া গ্রামের হামিদ মিয়ার ছেলে শাহান শাহ (২৫) এবং নুরজাহান (৪৫)। এরা সবাই পিকআপ ভ্যানের যাত্রী।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের পুলিশ বক্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতিকুর মিয়া জানায়, শুক্রবার বিকেলে সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকায় কর্মস্থলে যাওয়ার উদ্দেশ্য স্বামীর সাথে একটি পিকআপে করে রওনা হোন। পিকআপ ভ্যানটি ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের রাবনা বাইপাস এলাকায় পৌছালে একই দিক থেকে আসা একটি কাভার্ড ভ্যান তাদের গাড়িটির উপরে পেছন থেকে তুলে দেয়। এতে পিক-আপে থাকা প্রায় ১৫ জন যাত্রী আহত হয়।

তিনি আরও জানান,পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজনের মৃত্যু হয়।

অন্যদিকে, একই মহাসড়কে বঙ্গবন্ধু সেতু এলাকায় অজ্ঞাত বাস চাপায় এক নারী ও বাসাইলে মোটরসাইকলে চাপায় ফারজানা (৩) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. জুলাই ২০২৩ ০৫:১২:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলের মুঠোফোন ব্যবসায়ীর মৃত্যু নিয়ে রহস্য - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের মুঠোফোন ব্যবসায়ীর মৃত্যু নিয়ে রহস্য

একতার কণ্ঠঃ বগুড়ার শেরপুরের গাড়ীদহ বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে রবিবার (২ জুলাই ) রাতে মো. সাদ্দাম হোসেন নামের এক মুঠোফোন ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

তিনি টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের সাদুল্লাপুর গ্রামের দুলাল হোসেনের ছেলে। সাদ্দামের মৃত্যুকে ঘিরে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পরিবারের দাবি, বন্ধুরা সাদ্দামকে হত্যার পর মহাসড়কের পাশে লাশ ফেলে যায়। হত্যার বিষয়টি ধামাচাপা দিতে দুর্ঘটনা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে তার বন্ধুরা। পুলিশেরও ধারণা সাদ্দামকে হত্যার পর লাশ ফেলে দেওয়া হয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সাদ্দাম রবিবার বিকালে এলেঙ্গা রাজাবাড়ী এলাকার বন্ধু রাব্বি, অমিত, লিসান, বাপ্পীসহ ছয় বন্ধু ঈদ পরবর্তী ঘুরতে বের হয়। রাতে পরিবারের সদস্যরা খবর পান সাদ্দাম অসুস্থ। তার কিছুক্ষণ পর খবর পান সাদ্দাম সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছে।

স্ত্রী রুপা বেগম বলেন, আমি সাদ্দামকে ফোন দেয়ার পর সে আমাকে বলে ‘আমি রাব্বি ও লিসানদের সঙ্গে ঘুরতে আসছি। ওরা আমাকে মেরে ফেলবে। তুমি আমাকে বাঁচাও।’ তারপর ওরা ফোন নিয়ে নেয়। এরপর বার বার ফোন দিয়েও সাদ্দামের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। ঘটনার পর থেকে রাব্বি, বাপ্পীর ফোন নম্বর বন্ধ।

শেরপুর হাইওয়ে পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ আব্দুল ওয়াদুদ জানান, গাড়ীদহ বাসস্ট্যান্ডে ফ্লাইওভারের নিচে বিবস্ত্র অবস্থায় যুবকটিকে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা।

তিনি আরও জানান, তখন তিনি আল্লাহ অল্লাহ করতেছিলেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ওই যুবককে শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়েছে নাকি পরিকল্পিত হত্যা সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বাবু কুমার সাহা জানান, তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. জুলাই ২০২৩ ০২:১৮:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।