একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলে রাতে পলিথিন বোঝাই কাভার্ডভ্যান জব্দ করার পর টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।
সোমবার (২৫ মার্চ) রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু মহাসড়কের সদর উপজেলার তারটিয়া এলাকা থেকে নিষিদ্ধ পলিথিনবাহী কাভার্ড ভ্যান জব্দ করেন সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বেলাল হোসেন। পরে কতিপয় সাংবাদিকদের মাধ্যমে দেনদরবার শেষে মঙ্গলবার দুপুরে জব্দ করা কাভার্ডভ্যানটি ছেড়ে দেওয়া হয়।
পরিবেশের জন্য ভয়াবহ হুমকি নিষিদ্ধ পলিথিন আটকের পর অবৈধ সুবিধা নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতারা। আর সচেতন মহলের মধ্যে বইছে সমালোচনার ঝড়। এ কাজে সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে তিন গণমাধ্যম কর্মীর বিরুদ্ধেও। এসআই ট্রাক জব্দের বিষয়টি স্বীকার করলেও অন্য সকল অভিযুক্তরা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থানা পুলিশের সদস্যরা জানান, সোমবার দিবারগত রাতে মধুপুর ট্রান্সপোর্টের নামের নিষিদ্ধ পলিথিনবাহী কাভার্ডভ্যান ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের তারটিয়া এলাকায় পৌঁছলে টাঙ্গাইল সদর থানার এসআই মো. বেল্লাল হোসেনের টহল দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই কাভার্ডভ্যানটি আটক করে। পরে কাভার্ড ভ্যানে নিষিদ্ধ পলিথিন থাকায় তা জব্দ করে ভোর রাতেই থানায় নিয়ে আসে। এরপর থেকেই শুরু হয় তদবির। এ কাজে যোগ দেন দুই মিশ্র টেলিভিশনের প্রতিনিধিসহ তিন গণমাধ্যমকর্মী।তিনি জানান, শহরের ছয়আনী বাজারের আনোয়ার হোসেন পলিথিন ব্যবসায়ী এবং কালিহাতীর দুই সংবাদকর্মী ও টাঙ্গাইলের এক গণমাধ্যমকর্মী নিষিদ্ধ পলিথিনবাহী কাভার্ড ভ্যানটির মালামালসহ ছাড়িয়ে নিতে ভোর রাতেই থানায় উপস্থিত হন। পরে দেনদরবার শেষে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে তা মালামালসহ মঙ্গলবার দুপুরে ছাড়িয়ে নিতে সক্ষম হন।জানা গেছে, এ ঘটনায় পুলিশ ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা নেয়। বাকি ১ লাখ ২০ হাজার টাকার মধ্যে জেলার এক মিশ্র টেলিভিশনের গণমাধ্যমকর্মী ঢাকার অফিসের টিমের কথা বলে ৮০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। অন্য দুইজন পেয়েছে বাকী টাকা। টাকার এই অসম ভাগাভাগি নিয়েও মনোমালিন্য হয় তাদের মধ্যে।
এদিকে ট্রাকটি ছাড়িয়ে নেওয়ার পর থানা পুলিশের ভেতর থেকেই ঘটনাটি জানাজানি হয় সর্বত্র। জানাজানির পর বইতে থাকে ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড়।
পরিবেশবাদী সংগঠন বেলার সাবেক কর্মকর্তা ও পরিবেশ কর্মী সোমনাথ লাহিড়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পরিবেশের জন্য মরণঘাতী এ পলিথিন উচ্চ আদালতে উৎপাদন, পরিবহন ও বাজারজাত করণ এবং ব্যবহারে নিষিদ্ধ পণ্য। নিষিদ্ধ পণ্য জব্দের পর তা ধ্বংস না করে ছেড়ে দেয়া অতীব গর্হিত কাজ। এ কাজের মাধ্যমে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা চরমভাবে অবজ্ঞা করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানাই।
এ বিষয়ে মধুপুর ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির ম্যানেজার মো. কায়ছার বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছু জানি না। তবে আমাদের গাড়িতে এ ধরনের মালামাল বহন করা হয় না।
তিনজন গণমাধ্যম কর্মীর একজন বলেন, ভোর রাতে এক গণমাধ্যমকর্মীর সাথে প্রাইভেটকারযোগে মহাসড়কে চা খেতে গিয়েছিলাম। তখন ট্রাক জব্দের কথা জানতে পেরে এসআই বেলালকে অবহিত করলে তিনি অস্বীকার করেন। যে তিন লাখ টাকা লেনদেনের কথা হচ্ছে, আমি এ বিষয়সহ কোন কিছুই জানি না।
সদর থানার উপপরির্দশ (এসআই) মো. বেল্লাল হোসেন জানান, পলিথিনের ট্রাকটি আটক করে থানায় নিয়ে এসেছি। পরে আর কিছু জানি না। সব জানে ওসি স্যার। ওসির সাথে আপনারা কথা বলেন। এটা নিয়ে খুবই প্যারায় আছি।
সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. লোকমান হোসেন জানান, এধরণের কোন ট্রাক আটক বা জব্দ করা হয়নি। তবে রাতে মাটিবাহী একটি ট্রাক আটক করা হয়েছিল। থানায় চর্তুদিকে সিসি ক্যামেরা লাগানো আছে। থানায় আনার পর সেই ট্রাক ছাড়ার সুযোগ নেই। হয়ত ভুলভাবে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শরফুদ্দীন জানান, সুর্নিদিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে জুয়ার আসরে অভিযান চালিয়ে ১০ জুয়াড়িকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (২৩ মার্চ) রাতে উপজেলার বল্লা ইউনিয়নের রামপুর সাতবিলের মাঝখানে হিজলতলা থেকে তাদের আটক করা হয়। রবিবার (২৪ মার্চ) দুপুরে আটককৃত জুয়াড়িদের আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
আটককৃতরা হলেন, উপজেলার কালোহা পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত রবি মিয়ার ছেলে ইউনুস আলী (৪৮),কোকডোহরা পশ্চিম পাড়া গ্রামের জয়নাল মিয়ার ছেলে বাবু মিয়া (৩৫), হাসড়া মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে মো: আনোয়ার হোসেন (৩৯), উতরাইল দক্ষিণ পাড়া গ্রামের মৃত আঃ মান্নানের ছেলে মোঃ রমজান মিয়া (৪৫), রামপুর মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে মো: আজিবর রহমান (৪২),কাজিবাড়ি মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত আনোয়ার হোসেনের ছেলে আরফান মিয়া (৪৫), কুকরাইল গ্রামের শামছুল আলমের ছেলে শাহ আলম (২৮), রামপুর মালিপাড়া গ্রামের মৃত কিতাব আলীর ছেলে মোঃ হাসেম (৫০), বানকিনা পশ্চিম পাড়া গ্রামের জামাল মিয়ার ছেলে লোকমান মিয়া (৩০) ও রামপুর গ্রামের মৃত নজির হোসেনের ছেলে কবির হোসেন (৪২)।
এলাকাবাসী জানায়, এরা প্রতিদিন বল্লা ইউনিয়নের রামপুর সাতবিলের মাঝখানে হিজলতলা এলাকায় হাজার হাজার টাকার জুয়ার আসর বসায়। এলাকার কতিপয় অর্থলোভী প্রভাবশালী লোকদের ম্যানেজ করে জুয়াড়ুরা সারা বছর লাখ লাখ টাকার জুয়া খেলে থাকে।
কালিহাতী থানার এসআই আলামিন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি, উপজেলার বল্লা ইউনিয়নের রামপুর সাতবিলের মাঝখানে হিজলতলায় বসে প্রকাশ্যে তাসের মাধ্যমে টাকা দিয়ে জুয়া খেলা চলছিল। পরে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান স্যারের নির্দেশে সেখানে অভিযান চালিয়ে ১০ জুয়াড়ুকে আটক করা হয়।
তিনি আরও জানান, এসময় তাঁদের কাছ থেকে তাস ও নগদ ১৭ হাজার ১৫০ টাকা উদ্ধারপূর্বক জব্দ করা হয়েছে। রবিবার আটককৃত জুয়াড়িদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরে উপলক্ষে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে যানজট নিরসন কল্পে গৃহিত ট্রাফিক পুলিশিং ব্যবস্থা সংক্রান্ত সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২০ মার্চ) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের উদ্যোগে পুলিশ লাইনস্ মাল্টিপারপাস শেডে এ সভার আয়োজন করা হয়।
পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সারের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. শরফুদ্দীন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী সিনথিয়া খান, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ, ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক মো. রফিকুল ইসলাম সরকার ও মো. দেলোয়ার হোসেন, জেলা বাস মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি মো. ইকবাল হোসেন, মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড় মনি প্রমুখ।
সভায় ঈদের আগে ও পরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে গণপরিবহন এবং যাত্রীদের ভোগান্তি ছাড়া নির্বিঘ্নে চলাচলের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
এ সময় জেলা পুলিশের কর্মকর্তা, পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠন, ফায়ার সার্ভিস, বিবিএ কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের কালিহাতী উপজেলায় ট্রাকের ধাক্কায় মো. সেলিম হোসেন নামে এক মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
রবিবার (১৭ মার্চ) বিকেলে উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার এলেঙ্গা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মোটরসাইকেল আরোহী সেলিম হোসেন জেলার গোপালপুর উপজেলা সদরের মাদারজানি এলাকার জব্বার খলিফার ছেলে। সে গাজীপুর জেলার শফিপুর আনসার একাডেমিতে কর্মরত ছিলেন।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) পলাশ জানান, বিকেলে গোপালপুর থেকে মোটরসাইকেল যোগে সেলিম হোসেন টাঙ্গাইল যাচ্ছিলেন। পথে উপজেলার এলেঙ্গা এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে একটি ট্রাক মোটরসাইকেলটিকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়।
তিনি আরও জানান, ঘটনার পরপরই ট্রাকটি স্থানীয় লোকজন আটক করলেও চালক পালিয়ে যায়। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ জুয়া, মাদক ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের নিরাপদ আস্তানায় পরিণত হয়েছে টাঙ্গাইলের কালিহাতীর এলেঙ্গায় অবস্থিত বঙ্গবন্ধু ব্রিজ রিসোর্ট। উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার এলেঙ্গায় অবস্থিত এ রিসোর্টের কিছু কর্মকর্তার যোগসাজশে প্রশাসনের নাকের ডগায় দীর্ঘদিন ধরে চলছে এসব অপকর্ম।
অবশেষে বহস্পতিবার (১৪ মার্চ) রাত ১২ টায় এই রিসোর্টের বিথিকা কটেজ থেকে নগদ ৩ লক্ষ ৩০ হাজার ৫’শত ২০ টাকাসহ ১৪ জন জুয়াড়িকে আটক করেছে পুলিশ।
কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শুক্রবার (১৫ মার্চ) সকালে আটককৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
আটককৃতরা হলেন- কালিহাতী উপজেলার সরাতৈল গ্রামের আবুল কালামের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৪৫), ফটিক মিয়ার ছেলে রফিকুল ইসলাম (৫০), কোরবান আলীর ছেলে রুবেল মিয়া (৩০), জোকারচর গ্রামের মৃত ফরমান আলীর ছেলে আসাদুজ্জামান (৪৪), মৃত নুর ইসলামের ছেলে ফজলু সরকার (৩৮), মৃত আইন উদ্দিনের ছেলে সাবেক ইউপি সদস্য সুলতান মাহমুদ ( ৫০), গোহালিয়াবাড়ী গ্রামের গ্রামের আবু সাঈদের ছেলে জুলহাস (৩৪), মজিবুর রহমানের ছেলে লোকমান মিয়া (৩৮), মাছুহাটা গ্রামের জহিরুল ইসলামের ছেলে আলমগীর হোসেন (৫৭), সল্লা গ্রামের সোনা মিয়ার ছেলে হাবিবুর রহমান (৪৭) ভূঞাপুর উপজেলার নলুয়া গ্রামের মৃত হাছেন আলীর ছেলে মো. সুজন মিয়া (২৪), সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার দুখিয়াবাড়ী গ্রামের ছবের আলী প্রামানিকের ছেলে মো. আব্দুল আলীম ( ৩৬ ), সারটিয়া গ্রামের আফজাল হোসেনের ছেলে মনিরুল ইসলাম ( ৩৮), সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার মাঝাইল গ্রামের মৃত মুসা শেখের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৩৩)।
পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে সাবেক ইউপি সদস্য সুলতান মাহমুদ ও আসাদুজ্জামানের নেতৃত্বে এলেঙ্গা বঙ্গবন্ধু ব্রিজ রিসোর্টে (বিরতি রিসোর্ট ) জুয়ার আসর চলে আসতেছিল। বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালিহাতী থানার এসআই সাজ্জাদ হোসাইনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ এলেঙ্গা বঙ্গবন্ধু ব্রিজ রিসোর্টের বীথিকা কটেজে অভিযান চালায়। এ সময় জুয়ার আসর থেকে ১৪ জন জুয়াড়িকে আটক করা হয়। পাশাপাশি জুয়া খেলার কাজে ব্যবহৃত নগদ ৩ লক্ষ ৩০ হাজার ৫’শত ২০ টাকা ও ১৫টি মোবাইল সেটসহ জুয়া খেলার বিভিন্ন সরাঞ্জম জব্দ করা হয়। শুক্রবার সকালে কালিহাতী থানার এসআই রাজীব বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।
কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ফারুক জানান, আটককৃতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বালুর নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় অজ্ঞাত যুবকের (২৫) অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১১ মার্চ) দুপুরে উপজেলার সল্লা ইউনিয়নের মীরহামজানি এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কালিহাতী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনির হোসেন।
তিনি জানান, উপজেলার মীরহামজানি এলাকায় স্থানীয় লোকজন বালুর নিচে চাপা দেওয়া অবস্থায় অজ্ঞাত যুবকের মাথা দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই মরদেহটি উদ্ধার করে।
তিনি আরও জানান, পরে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় ৬-৭ দিন আগে ওই যুবককে হত্যা করে বালু চাপা দিয়ে রাখে দুর্বৃত্তরা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার ও সংরক্ষণ অধিদপ্তরের আওতায় ভেজালরোধে তদারকিমূলক অভিযান চালিয়ে মুড়ির মোড়কে মেয়াদ ও মূল্য উল্লেখ না করা, আয়োডিন বিহীন ইন্ডাসট্রিয়াল লবণ ও মাত্রাতিরিক্ত ফিটকিরি ব্যবহার করা এবং নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মুড়ি তৈরি করায় সুশীল শংকর মদক নামে এক মুড়ি ব্যবসায়ীকে ২৫ হাজার জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (৪ মার্চ) দুপুরে উপজেলার নারান্দিয়া এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করেন- জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ের সহাকারী পরিচালক শিকদার শাহীনুর আলম। অভিযানে সহায়তা করেন- টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন কার্যালয়ের প্রতিনিধি জেলা স্যানিটারী পরিদর্শক মো. আনোয়ারুর ইসলাম।
শিকদার শাহীনুর আলম বলেন, প্রস্তুতকৃত মুড়ির প্যাকেটের মোড়কে মেয়াদ ও মূল্য উল্লেখ না করা, আয়োডিন বিহীন ইন্ডাসট্রিয়াল লবণ ও মাত্রাতিরিক্ত ফিটকারী ব্যবহার করা, নোংরা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে যত্রতত্রভাবে মুড়ি তৈরি করায় নারান্দিয়া এলাকায় ভেজালরোধে অভিযান চালিয়ে শিব শংকর মুড়ি মিলের এক মুড়ি ব্যবসায়ীকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালীহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পোস্টমাস্টারের বিরুদ্ধে বেশ কয়েকজন গ্রাহকের মুনাফার প্রায় লাখ টাকা কম দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। মুনাফার টাকা কম দেওয়ার বিষয়ে গোবিন্দ সুত্রধর ও লিপি সাহা নামের ওই পোস্ট অফিসের দুই গ্রাহক ডেপুটি পোস্টমাস্টার জেনারেল বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
এরআগে বর্তমান পোস্টমাস্টার শাহাজাহান আলী পোস্টম্যান পদে থাকা অবস্থায় স্থানীয় মহাদেব কর্মকারের শ্যালক ও পোস্ট অফিসের এক গ্রাহকের সাথে এমন প্রতারণায় লিপ্ত হন। পরবর্তীতে তৎকালীন পোস্টমাস্টার ও স্থানীয়দের সহায়তায় বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ারও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এমন প্রতারণায় জড়িত পোস্টমাস্টার শাহজাহান আলীর কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা।
অভিযোগের বিভাগীয় তদন্ত শুরু হলেও এলেঙ্গার পোস্টমাস্টার শাহজাহান আলী মুনাফার টাকা আত্মসাতের কথা অস্বীকার করছেন।
পোস্টমাস্টারের প্রতারণার শিকার গ্রাহকরা হলেন-গোবিন্দ সুত্রধর, এসবি হিসাব নম্বর- ৪১৪৫৩৮, মুনাফা কম দেওয়ার পরিমাণ ১০ হাজার টাকা। লিপি সাহা, এসবি হিসাব নম্বর-৫০৪১৩৯, মুনাফা কম দেওয়ার পরিমাণ ৪ হাজার ৫৮০ টাকা, নরেশ, এসবি হিসাব নম্বর-৪০৫৮৮৫, মুনাফা কম দেওয়ার পরিমাণ ১০ হাজার টাকা, অর্চনা রাণী, মুনাফা কম দেওয়ার পরিমাণ ১৫ হাজার টাকা হলেও তার এসবি হিসাব নম্বরটি পাওয়া যায়নি।
এছাড়াও সুবল চন্দ্র রায়, এফডি হিসাব নম্বর-৩৩১৫৭৭, মুনাফা কম দেওয়ার পরিমাণ ১৫ হাজার টাকা, জোসনা, এফডি হিসাব নম্বর-৪১৯৮১০. মুনাফা কম দেওয়ার পরিমাণ ১৫ হাজার টাকা, শিল্পী, এফডি হিসাব নম্বর-৪২২৭০০, মুনাফা কম দেওয়ার পরিমাণ ১০ হাজার টাকা, নরেশ, এফডি হিসাব নম্বর-৩৬৯৬২৮, মুনাফা কম দেওয়ার পরিমাণ ১০ হাজার টাকা।
সরেজমিন পোস্ট অফিসের মুনাফা বিতরণ বইয়ের পাতায় একেক একেক গ্রাহকের স্বাক্ষর ভিন্ন রকম থাকলেও বিতরণকৃত টাকা নেওয়ার লেখা এক হাতে লেখা হয়েছে।
জানা যায়, চলতি বছরের ১৪ জুন এলেঙ্গা পোস্ট অফিসে পোস্টমাস্টার পদে যোগদান করেন শাহজাহান আলী। এরআগেও তিনি এলেঙ্গা পোস্ট অফিসের পোস্টম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কালিহাতী উপজেলার মাইজবাড়ী গ্রামে বাড়ি হওয়ায় এলেঙ্গা পোস্ট অফিসের পোস্টমাস্টার শাহজাহান কারো তোয়াক্কা করেন না। অফিসে যোগদান করার পর থেকেই যা খুশি তাই করছেন তিনি। গ্রাহক ও অফিস স্টাফদের সাথে করছেন রীতিমত অসৌজন্য মূলক আচরণ। জেলা ও বিভাগীয় অফিসের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে উনার সখ্যতা থাকায় রীতিমত তিনি এই অফিসে অনিয়মকে নিয়ম বানিয়ে ফেলেছেন। হরহামেশায় তার বিরুদ্ধে শোনা যাচ্ছে গ্রাহককে মুনাফার টাকা কম দেওয়ার অভিযোগ। এর ফলে গ্রাহকের আস্থা হারিয়ে ফেলেছে এলেঙ্গা পোস্ট অফিস। সরকারি অফিসটি রক্ষায় পোস্টমাস্টার শাহজাহান আলীর কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন স্থানীয়রা।
ভুক্তভোগী গোবিন্দ সুত্রধরের অভিযোগ , প্রায় ১০ থেকে ১২ বছর আগে এলেঙ্গা পোস্ট অফিসে আমি সঞ্চয়ী বইটি খুলি। এরপর থেকেই বইটিতে লেনদেন চালিয়ে আসছি। এখন প্রয়োজন পরায় মুনাফার টাকা উত্তোলন করতে যাই। পোস্টমাস্টার শাহাজাহান আলী আমার মুনাফা ৭ হাজার ১৫৩ টাকা হয়েছে বলে জানায়। আমি সেই টাকাই নিজ হাতে লিখে উত্তোলন করি। হঠাৎ সন্দেহ হওয়ায় আমার বই নিয়ে টাঙ্গাইল অফিসে যাই এবং জানতে পারি আমি মুনাফা বাবদ পাবো ১৭ হাজার ১৫৩ টাকা। টাকা কম দেওয়ার কারণে আমি পোস্টমাস্টারের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছি।
তিনি আরও জানায়, টাঙ্গাইল অফিস থেকে তদন্তে এসেছিল। আমি আমার বাকি টাকা ফেরত পাওয়াসহ প্রতারক পোস্টমাস্টারের কঠোর বিচার দাবি করেছি।
ভুক্তভোগী লিপি সাহা জানায়, আমি ১৪ হাজার টাকা মুনাফা পাবো, সেখানে আমাকে দেওয়া হয়েছে ৯ হাজার ৪২০টাকা। এ সময় মুনাফার টাকা কম দেওয়ার বিষয়টি বুঝতে না পারলেও বিভিন্ন জনের সাথে এমন প্রতারণা করা হয়েছে খবর জানতে পেরে আমি টাঙ্গাইল অফিসে যোগাযোগ করি। ওই অফিসের মাধ্যমেই টাকা কম পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে লিখিত অভিযোগ করেছি।
তিনি আরও বলেন, আমি আমার অবশিষ্ট টাকা ফেরত পাওয়াসহ প্রতারক পোস্টমাস্টারের শাস্তি দাবি করেছি।
এলেঙ্গা পোস্ট অফিসের পোস্টমাস্টার শাহজাহান আলী মুনাফার টাকা কম দেয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।
তদন্তকারী কর্মকর্তা ও টাঙ্গাইল পোস্ট অফিস পরিদর্শক গোলাম মোস্তফা বলেন, অভিযোগের তদন্ত চলছে।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের ডেপুটি পোস্টমাস্টার জেনারেল মো. মোরশেদ আলম জানান, এলেঙ্গা পোস্ট অফিসের পোস্টমাস্টার শাহজাহান আলীর বিরুদ্ধে গ্রাহকে মুনাফার টাকা কম দেওয়ার অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের তদন্ত চলছে।
তিনি আরও জানান, তদন্তে প্রায় ২০ থেকে ২২ কর্মদিবস সময় লাগে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী প্রেসক্লাবের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে প্রেসক্লাব কার্যালয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
এ নির্বাচনে দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার টাঙ্গাইল প্রতিনিধি রঞ্জন কৃষ্ণ পন্ডিত সভাপতি ও দৈনিক মানব কন্ঠ পত্রিকার কালিহাতী উপজেলা প্রতিনিধি মোল্লা মুশফিকুর রহমান মিল্টন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহম্মেদ।
এতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. নাসির উদ্দিন।
কমিটিতে নির্বাচিত অন্যান্যরা হলেন, সহ-সভাপতি পদে ডেইলি অবজারভার পত্রিকার কালিহাতী প্রতিনিধি কামরুল হাসান মিয়া ও দৈনিক যায়যায়দিন পত্রিকার প্রতিনিধি রাইসুল ইসলাম লিটল।
সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে দৈনিক আজকের দর্পন পত্রিকার কালিহাতী প্রতিনিধি আব্দুল লতিফ তালুকদার ও দৈনিক ভোরের পাতা পত্রিকার টাঙ্গাইল প্রতিনিধি আব্দুস সাত্তার।
কোষাধ্যক্ষ পদে আনন্দ টিভির প্রতিনিধি মেহেদী হাসান চৌধুরী মৃদুল, দপ্তর ও পাঠাগার সম্পাদক পদে মানব দৈনিক জমিন পত্রিকার প্রতিনিধি শাহীন আলম, ক্রীড়া-সম্পাদক পদে দৈনিক বাংলাদেশের আলো পত্রিকার প্রতিনিধি নুর-নবী রবিন, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক পদে দৈনিক খোলা কাগজ পত্রিকার প্রতিনিধি শামীম আল মামুন।
এছাড়া কার্যকরী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছেন, দৈনিক ভোরের কাগজ পত্রিকার প্রতিনিধি আবুল কালাম আজাদ, দৈনিক আলোকিত প্রতিদিন পত্রিকার প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান মতিন, দৈনিক সমকাল পত্রিকার প্রতিনিধি মীর আনোয়ার হোসের, দৈনিক যুগধারা পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি এডভোকেট হুমায়ূন কবির, দৈনিক অপরাধ কন্ঠ পত্রিকার প্রতিনিধি গৌরাঙ্গ চন্দ্র বিশ্বাস ।
উল্লেখ্য, কালিহাতী প্রেসক্লাবের নির্বাচনে ৩৬ জন সদস্যের সবাই ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে এসএসসি পরীক্ষায় নকল সরাবরাহের সময় হাতে নাতে ধরা পড়ায় দুইজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) এলেঙ্গা পৌরসভা এলাকায় পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রের বাইরে থেকে নকল সরবরাহের চেষ্টাকালে আল আমিনকে ২১ দিন ও মহির উদ্দিনকে ৭ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক।
এ প্রসঙ্গে মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক জানান, এলেঙ্গা পৌরসভা এলাকায় পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রের বাইরে থেকে নকল সরবরাহের চেষ্টাকালে ওই দুইজন ব্যক্তিকে নকল সহ হাতেনাতে ধরা হয়। পরে তাদের নিকট নকল সরবরাহের উপকরণ পাওয়া যায় এবং তারা অপরাধ স্বীকার করেন। এসময় একজনকে ২১ দিন এবং অপরজনকে ৭ দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, পরীক্ষায় যে কোনও ধরনের বিশৃঙ্খলা এবং অসদোপায় প্রতিরোধ ও কেন্দ্রের ভেতর এবং বাইরের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রশাসন সচেষ্ট আছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সিফাত মিয়া (২৮) নামে এক রং মিস্ত্রির মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারী) সকালে উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রং মিস্ত্রি সিফাত উপজেলার নরদহি চরপাড়া গ্রামের মো. সিদ্দিক হোসেনের ছেলে।
এ বিষয়ে কালিহাতী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোবারক হোসেন জানান, সকালে এলেঙ্গা বাজার এলাকায় চান মাহমুদের পাঁচতালা ভবনের রং এর কাজ করছিলেন সিফাত। এসময় ভবনের পাশে থাকা ১১ হাজার ভোল্টের তারে জড়িয়ে নিচে পড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
তিনি আরও জানান, এসময় সিফাতের শরীর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে নিখোঁজের ১৭ দিন পর মকবুল হোসেন নামে এক প্রবাসীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কালিহাতী উপজেলার পারখী এলাকার একটি বিলে পুঁতে রাখা অবস্থায় প্রবাসীর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত মকবুল হোসেন কালিহাতী উপজেলার পারখী এলাকার কিসলু মিয়ার ছেলে।
এ বিষয়ে কালিহাতী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মনিরুজ্জামান শেখ জানান, প্রবাসী মকবুল গত আড়াই মাস আগে দেশে আসেন। দেশে আসার পর মকবুলকে তার নিজ বাড়িতে থাকতে না দেওয়ায় শ্বশুরবাড়ি সখীপুরে বসবাস শুরু করেন। গত ২৬ জানুয়ারি মকবুল বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে তাকে খুঁঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।
তিনি আরও জানান, খুঁজে না পেয়ে তার শ্বশুরবাড়ি থেকে সখীপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। সোমবার দুপুরে স্থানীয় লোকজন পারখী এলাকার একটি বিলে পুঁতে রাখা অবস্থায় এক ব্যক্তির মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করার পর স্বজনরা মকবুল হোসেনকে সনাক্ত করে।
তিনি জানান, পুলিশ মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।