/ হোম / কালিহাতী
এলেঙ্গা পৌর নির্বাচন; প্রতিদ্বন্দ্বি মেয়র প্রার্থী আ’লীগ-২ বিএনপি-২ - Ekotar Kantho

এলেঙ্গা পৌর নির্বাচন; প্রতিদ্বন্দ্বি মেয়র প্রার্থী আ’লীগ-২ বিএনপি-২

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির ৪ প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন।

নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আওয়ামীলীগের দলীয় মনোনীত প্রার্থী ও বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ দুই বিএনপি নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

রবিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে প্রার্থীরা রিটার্নিং অফিসারের কাছে তাদের নিজ নিজ মনোনয়নপত্র জমা দেন।

মনোনয়নপত্র জমাদানকারীরা হলেন, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নৌকা প্রতীকে বর্তমান মেয়র নূর এ আলম সিদ্দিকী, সদ্য ঘোষিত এলেঙ্গা পৌর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রেজিনা আখতার, কালিহাতী উপজেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক মেয়র শাফী খান ও পৌর বিএনপির সদস্য এসএম সফিকুল ইসলাম তালুকদার।

এছাড়াও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে তিনটি সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১৪ জন এবং নয়টি সাধারণ ওয়ার্ডে ৩৪ জন কাউন্সিলর পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

এলেঙ্গা পৌরসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয় দল থেকে দুই জন করে প্রার্থী হওয়ায় দল দুটির তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বিভক্ত হয়ে পড়েছে।

তারা বিদ্রোহী প্রার্থীকে বুঝিয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের বিষয়ে আশাবাদী স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা।

তবে এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল জানান, দলীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক এ সরকারের অধীনে কোন নির্বাচনে অংশ নেবেনা বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা। এলেঙ্গা পৌরসভায়ও মেয়র পদে দলীয় সিদ্ধান্তে তাদের কেউ প্রার্থী হয়নি। দুই জন বিএনপি নেতা তাদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তেই প্রার্থী হয়েছেন।

এ বিষয়ে নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল হাসান জানান, এ পৌরসভা নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ২৭ ফেব্রুয়ারি। ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। আগামি ১৬ মার্চ ইলেকট্রিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোটগ্রহন হবে।

তিনি আরো জানান, বর্তমানে এলেঙ্গা পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা ৩০ হাজার ৪৬৭ জন।

উল্লেখ্য, কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা ইউনিয়ন এবং আশপাশের কিছু এলাকা নিয়ে ২০১১ সালে এলেঙ্গা পৌরসভা গঠিত হয়। উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার ও প্রসিদ্ধ ব্যবসা কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এই পৌরসভার ২০১৩ সালে প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০২:৩৪:এএম ৩ বছর আগে
কালিহাতীতে নির্মাণাধীন রাস্তায় বালুবাহী যান চলাচল বন্ধের দাবীতে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

কালিহাতীতে নির্মাণাধীন রাস্তায় বালুবাহী যান চলাচল বন্ধের দাবীতে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার পৌলীতে নির্মাণাধীন রাস্তায় বালুবাহী ট্রাক ও অন্যান্য ভারী যানবাহন চলাচল বন্ধের দাবীতে মানববন্ধন করেছে পৌলী ও স্বরূপপুর গ্রামের জনসাধারণ।

বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে পৌলী (উত্তর) ঘোষপাড়া এলাকায় স্থানীয়রা এ মানবনন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। মানববন্ধনে পৌলী-স্বরূপপুর-বড় বাশালিয়া গ্রামের ৩ শতাধিক জনসাধারণ অংশ নেয়।

মানবন্ধন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন- এলেঙ্গা পৌরসভার প্যানেল মেয়র ও পৌলী মন্দির কমিটির সভাপতি সুকুমার ঘোষ, মন্দির কমিটির উপদেষ্টা রবীন্দ্র সূত্রধর, ক্ষিতিশ ঘোষ, সাংগঠনিক সম্পাদক দুলাল ঘোষ, পৌলী মসজিদ কমিটির দাতা সদস্য জামাল মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক আ: বাছেদ, বড় বাশালিয়া গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক, পৌলী গ্রামের শফিক, নাজিম প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, এলেঙ্গা পৌরসভার পৌলী-স্বরূপপুর রাস্তাটি এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবী। দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে রাস্তাটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। একটি প্রভাবশালী মহল নির্মাণাধীন রাস্তার উপর দিয়ে ট্রাকে বালু ভর্তি করে বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করছে। এতে নির্মাণাধীন রাস্তাটি বিপুল ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ কারণে এলাকাবাসী রাস্তার নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত বালুবাহী ট্রাক চলাচল বন্ধের দাবী জানান।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স হালিম ট্রেডার্সের সত্বাধিকারী আব্দুল হালিম সরকার বলেন, রাস্তায় সবেমাত্র সাববেইস কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এ রাস্তার উপর দিয়ে কোনভাবেই বালুবাহী ট্রাক বা ভারী যানবাহন চললে চলমান কাজের ক্ষতি হবে।

এলেঙ্গা পৌরসভার মেয়র নূর-এ-আলম সিদ্দিকী জানান, নির্মাণাধীন রাস্তায় বালুবাহী ট্রাক ও ভারী যানবাহন চলাচল করলে রাস্তার ক্ষতি হবে। ফলে পৌরসভার পক্ষ থেকে নির্মাণকাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত বালুবাহী ট্রাক ও ভারী যানবাহন চলাচলে নিষেধ দেওয়া হয়েছে।

কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) নাজমুল হুসেইন জানান, নির্মাণাধীন রাস্তার উপর দিয়ে বালুবাহী ট্রাক চলাচলে রাস্তার ক্ষতি হলে নিলামকৃত বালু বিকল্প রাস্তা দিয়ে অপসারণ করতে হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০২:২৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে রেল লাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার (১২ ফেব্রুয়ারী) দুপুরে কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের জোকারচর এলাকায় ঢাকা-উত্তরবঙ্গ রেল লাইনের পাশ থেকে এই লাশ উদ্ধার করা হয়।

তার বয়স আনুমানিক (৩৫) বছর। নিহত ওই যুবকের নাম পরিচয় এখনো শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ।

টাঙ্গাইল রেলওয়ের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (এএসআই) ফজলুল হক জানান, রবিবার দুপুরে কালিহাতী উপজেলার জোকারচর এলাকায় ঢাকা- উত্তরবঙ্গ রেললাইনের পাশে এক যুবকের লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে নিহতের লাশ উদ্ধার করে।

তিনি আরো জানান, নিহতের নাম পরিচয় এখনো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। নিহতের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০১:০৭:এএম ৩ বছর আগে
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব টোলপ্লাজায় গাড়ি চাপায় অজ্ঞাত যুবক নিহত - Ekotar Kantho

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব টোলপ্লাজায় গাড়ি চাপায় অজ্ঞাত যুবক নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব টোলপ্লাজার ওজন স্কেলের ২০০ গজ দূরে ঢাকাগামী লেনে অজ্ঞাত এক যুবক গাড়ি চাপায় নিহত হয়েছেন। খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানা পুলিশ।

বুধবার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাত ১ টা ১০ মিনিটের দিকে ওজন স্কেলের পাশে এ ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ শফিকুল ইসলাম এ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বুধবার রাতে সেতু পূর্ব টোলপ্লাজার ওজন স্কেলের ২০০ গজ দূরে অজ্ঞাত এক যুবক রাস্তা পার হচ্ছিলেন। পরে সে ঢাকাগামী লেনে পৌঁছলে অজ্ঞাত গাড়ি চাপায় থেতলে ঘটনাস্থলে মারা যায়।

তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে অজ্ঞাত যুবকটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। যুবকটির পরিচয় শনাক্তের জন্য পুলিশ কাজ করছে। নাম-পরিচয় শনাক্তের পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে যুবকটির মরদেহ তার স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০২:২৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কাভার্ডভ্যান ও অটোরিক্সার সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কাভার্ডভ্যান ও অটোরিক্সার সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সড়ক দূর্ঘটনায় হালিম মিয়া ( ৬০) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছে। এই ঘটানায় আহত হয়েছে আরো একজন । বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) সফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত হালিম মিয়া কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের জোকারচর এলাকার বাসিন্দা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়,মঙ্গলবার ( ৭ ফেব্রুয়ারি) সকা‌লে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব মহাসড়‌কের উপজেলার জোকারচর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় কাভার্ডভ্যান ও অটোরিক্সার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় । এতে ঘটনাস্থলেই হালিম মিয়া নিহত হয়।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ( ওসি) সফিকুল ইসলাম জানান, ব্যাটারী চালিত অটোরিক্সা যোগে বঙ্গবন্ধু সেতু গোলচত্ত্বরের দিকে যাচ্ছিলেন হা‌লিম। এসময় অটোরিক্সাটি জোকারচর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ঢাকাগামী একটি কাভার্ডভ্যানের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে ওই বৃদ্ধ নিহত হয়।

তিনি আরো জানান, এ ঘটনায় আহত একজনকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০৫:১০:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পুলিশের জালে ধরা পরলো দুই মাদক ব্যবসায়ী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পুলিশের জালে ধরা পরলো দুই মাদক ব্যবসায়ী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ছদ্মবেশ ধারণ করে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে কালিহাতী পৌর এলাকার সিলিমপুর চাটিপাড়া আক্তার হোসেনের মার্কেটের সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলো- ঘাটাইল উপজেলার জামালপুর গ্রামের মনিরুল ইসলাম মনির (৩৫) ও গোপালপুর উপজেলার কামাক্ষাবাড়ি গ্রামের সুমন ভূঁইয়া (৩২)।

কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, মাদক সমাজের জন্য ভয়ংকর অভিশাপ। সমাজ তথা দেশকে মাদক থেকে রক্ষার জন্য আমরা কঠোর পুলিশি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছি।

তিনি জানান, তারই ধারাবাহিকতায় দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এস আই মিন্টু চন্দ্র ঘোষ ও সঙ্গীয় ফোর্স লুঙ্গি-গামছা পরে ছদ্মবেশ ধারণ করে কালিহাতী পৌর এলাকার সিলিমপুর চাটিপাড়া আক্তার হোসেনের মার্কেটের সামনে থেকে ১৫০ পিস ইয়াবাসহ ওই মাদক ব্যবসায়ীদের আটক করেন।

তিনি আরো জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০১:৫৬:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আ’লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক শামসুল হকের ১০৫তম জন্মবার্ষিকী পালিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আ’লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক শামসুল হকের ১০৫তম জন্মবার্ষিকী পালিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে নানা আয়োজনে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক ও ভাষা সৈনিক শামসুল হকের ১০৫তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে।

এদিকে শামসুল হকের আমেরিকা প্রবাসী দুই মেয়ে প্রায় ৭০ বছর পর প্রথমবারের মত টাঙ্গাইলের কালিহাতি উপজেলার কদিমহামজানি যোকারচর কবরস্থানে বাবার কবর জিয়ারত ও পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। ১৯৫৩ সালে ভাষা আন্দোলনের পর কারাবন্দি শামসুল হকের স্ত্রী আফিয়া খাতুন দুই শিশু কন্যা নিয়ে দেশ ত্যাগ করেন।

বুধবার (১ ফেব্রুয়ার)দুপুরে শামসুল হকের দুই মেয়ে হারবার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক ড. শাহিন ফাতেমা দিল ও নাসার এ্যাস্ট্রোফিজিসিয়েস্ট ড. শায়েকা দিল ভার্টিলেক তাদের আত্মীয়-স্বজন এবং স্থানীয় লোকজন নিয়ে কবর জিয়ারত করেন। তারা বাবার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্যদিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

এর আগে তারা শহরের জেলা সদরে অবস্থিত শামসুল হক তোরণে পুস্পস্তবক অর্পন এবং এলেঙ্গায় অবস্থিত শামসুল হক মহাবিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। তারা সেখানে বাবার জন্মদিনের কেক কেটে দিবসটি উদযাপন করেন।

এসময় শামসুল হক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ডাঃ সাইফুল ইসলাম স্বপন ও সাধরন সম্পাদক আবুল কালাম মোস্তফা লাবু, কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আনোয়ার মোল্লা, দেলদুয়ার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এম শিবলী সাদিকসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গতঃ ২০০৭ সালের ২৩ জুন “নিঁখোজের ৪২ বছর পর আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক শামসুল হকের মৃত্যুর রহস্য উদঘাটন ও কবরের সন্ধান লাভ” শিরোনামে সংবাদ মাধ্যমে প্রতিবেদন প্রচারিত হয়। সংবাদটি সেসময় দেশের রাজনীতিতে সাড়া ফেলে। এর পর থেকেই প্রতিবছর শামসুল হকের মৃত্যুবার্ষিকী ও জন্মবার্ষিকী নিয়মিত পালন করা হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০১:৩১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ, শাশুড়ি রিমান্ডে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ, শাশুড়ি রিমান্ডে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে খাদিজা আক্তার (২২) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগে হালিমন বেগম নামে এক শাশুড়িকে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।

সোমবার দুপুরে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতের রুপন কুমার দাস এ রায় দেন। হালিমন বেগম কালিহাতী উপজেলার কোকডহরা ইউনিয়নের কুটুরিয়া গ্রামের আমির আলীর স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাড়ে চার বছর আগে হালিমন বেগমের ছেলে সৌদি প্রবাসী আবু হানিফের সাথে পার্শ্ববর্তী বলদী গ্রামের আব্দুল খালেকের মেয়ে খাদিজার বিয়ে হয়। তাদের ঘরে আড়াই বছরের এক ছেলে সন্তানও রয়েছে। খাদিজাকে তার শাশুড়ি বিভিন্নভাবে অত্যাচার করতেন। হত্যার দুই দিন আগে শাশুড়ির খাদিজার স্বর্ণের চেন হারানো নিয়ে নিয়ে ঝগড়া হয়। গত বছরের ২৯ মে সকালে খাদিজা আক্তার রোববার সকালে স্ট্রোক করেছে বলে খাদিজাকে হাসপাতালে নিয়ে যান তার শাশুড়ি। বিষয়টি নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হলে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ। পরে ওই দিন কালিহাতী থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়।

গত বছরের ২৫ নভেম্বর ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা রিপোর্ট পাওয়ার পর নিহত খাদিজা আক্তারের ভাই শফিকুল ইসলাম বাদি হয়ে কালিহাতী থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় শাশুড়ি বাছিরন বেগমকে প্রধান আসামি করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কালিহাতী থানার এসআই আলামিন বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে শাশুড়ি পলাতক ছিলেন। রোববার সন্ধ্যায় বিশেষ গাড়ি করে রাজশাহী থেকে কুমিল্লা যাওয়ার পথে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব পাশ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার দুপুরে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আদালতে পাঠালে বিচারক দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

তিনি আরও বলেন, এ মামলায় খাদিজার ননদ কমলা বেগম ও প্রতিবেশি মনা বেগম গ্রেপ্তারের পর জামিনে মুক্ত রয়েছেন। এছাড়াও শ্বশুর আমির আলী ও প্রতিবেশি রফিকুল ইসলাম পলাতক রয়েছে। অপর আসামি প্রতিবেশি মোন্নাব কারাগারে রয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. জানুয়ারী ২০২৩ ০৬:০৭:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কথিত জ্বীনের বাদশাসহ গ্রেপ্তার ৫ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কথিত জ্বীনের বাদশাসহ গ্রেপ্তার ৫

একতার কণ্ঠঃ বন রক্ষীদের কাছ থেকে কাঠ বোঝাই গাড়ি ও গুলি ছিনতাইয়ের ঘটনায় তিন বনদস্যুকে আটক করেছে র‌্যাব। একইসঙ্গে কথিত জ্বীনের বাদশাসহ দুই প্রতারককে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার (৩০ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব-১৪ সিপিসি-৩ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের জানান, গত ২৫ জানুয়ারি গভীর রাতে টাঙ্গাইলের মধুপুর বনাঞ্চলের অরণখোলা এলাকায় গজারী গাছ কেটে তা পাচার করছে বলে গোপন সংবাদ পান বন কর্মকর্তা হামিদুল ইসলাম। এরপর বন রক্ষীদের নিয়ে তিনি ঘটনাস্থলে পৌছে বাঁধা দিলে ২৫/৩০ জন বনদস্যু তাদের বেদম মারপিট করে। এ সময় বনকর্মকর্তার কাছে থাকা রাইফেলের চার রাউন্ড গুলি ছিনতাই করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ওইদিন মধুপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।

পাঁচদিন পর র‌্যাব সদস্যরা টাঙ্গাইল ও গাজিপুরের বিভিন্ন স্থান থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। তবে ছিনতাই হওয়া গুলি এখনও উদ্ধার করা যায়নি।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার ভুটিয়া গ্রামের কুরবান আলীর ছেলে শাহাদত আলী (৩৫), একই এলাকার ছোরহাব ভূইয়ার ছেলে মালেক (৪২) ও একই এলাকার আব্দুল কদ্দুসের ছেলে মো: সাইদুল ইসলাম (৩০)।

একই দিনে কথিত জ্বীনের বাদশাসহ দুই প্রতারককে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। এ চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ধর্মীয় অনুভুতিকে কাজে লাগিয়ে কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। র‌্যাব-১৪ এবং র‌্যাব-৮ এর যৌথ অভিযানে কথিত জ্বীনের বাদশা ও তার সহযোগীকে ভোলা জেলার বোরহান উদ্দিন থানার চকঢোষ গ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো, একই জেলার চকঢোষ গ্রামের আবুল কাশেম মাতাব্বরের ছেলে মো. আকবর আলী ও জলির মাতব্বরের ছেলে মো. মিরাজ হোসেন।

র‌্যাব -১৪ এর ৩নং সিপিসি কমান্ডার রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের সংবাদ সম্মেলনে আরও জানান, টাঙ্গাইলের কালিহাতি উপজেলার ছিলিমপুর গ্রামের এক প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করে কথিত জ্বিনের বাদশা আকবর আলী। ধর্মীয় নানা প্রভোলন দেখিয়ে নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে সাত লাখ টাকার বেশী হাতিয়ে নেয়। এ ঘটনায় ওই প্রবাসীর স্ত্রী বাদি হয়ে কাালিহাতী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এর প্রেক্ষিতে র‌্যাব সদস্যরা প্রতারক চক্রকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. জানুয়ারী ২০২৩ ০২:৩১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ক্ষমা পেলেন বিদ্রোহী নির্বাচন করা চার উপজেলা চেয়ারম্যান - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ক্ষমা পেলেন বিদ্রোহী নির্বাচন করা চার উপজেলা চেয়ারম্যান

একতার কণ্ঠঃ দল থেকে অব্যহতি প্রাপ্ত টাঙ্গাইলের তিন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক একজন চেয়ারম্যানকে ক্ষমা ঘোষনা করেছে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ।

বুধবার (২৫ জানুয়ারি) রাতে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের স্বাক্ষরিত পৃথক চিঠিতে তাদের ক্ষমার বিষয়টি জানানো হয়। ভবিষ্যতে দলের স্বার্থ পরিপন্থি ও শৃংখলা ভঙ্গ না করার শর্তে তারা এ ক্ষমা পেয়েছেন।

ক্ষমাপ্রাপ্তরা হলেন- জেলা আওয়ামী আওয়ামী লীগের সাবেক উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং দেলদুয়ার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান মারুফ, কালিহাতী উপজেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনছার আলী বিকম, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম এবং বাসাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম।

জানা যায়, ২০১৯ সালের ৩১ মার্চ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়াম্যান পদে প্রতিদ্বন্দিতা করেন তারা। দুএকজনকে স্থানীয় সংসদ সদস্য সরাসরি মদদ ও সহয়োগিতা করেন। এরমধ্যে অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম ছাড়া অপর তিন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতাপুর্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীকে পরাজিত করে তারা বিজয়ী হন। এঘটনায় দলের মধ্যে তৈরী হয় ব্যাপক গ্রুপিং এবং অন্তদ্বন্দ। বিরোধ ছড়িয়ে পড়ে উপজেলা থেকে ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে। স্থানীয় আওয়ামী লীগের মূলস্রোতে ধাক্কা লাগে। ফলে তাদেরকে দল থেকে বহিস্কারের দাবি উঠে। পরবর্তীতে ২০২১ সালের ফেব্রয়ারীতে জেলা আওয়ামী লীগের সভায় ঢাকা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম এমপি, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কৃষিমন্ত্রী মন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দে সিদ্ধান্তক্রমে দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে শৃংখলা ভঙ্গ করায় ওই চারজনকে দলের সকল পদ ও দলীয় কাযক্রম থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়।

ক্ষমাপ্রাপ্তির চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে আওয়ামী লীগের স্বার্থ আদর্শ শৃংখলা, তথা গঠনতন্ত্র ও ঘোষনাপত্র পরিপন্থি সমপৃক্ততার জন্য ইতিপুর্বে ওই চারজনকে দল থেকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছিল। তারা ক্ষমা চেয়ে আবেদন করেছন। দোষ স্বীকার করে তারা ভবিষ্যতে এ ধরণের কর্মকান্ডে আর যুক্ত না হওয়ার লিখিত অঙ্গিকার করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৭ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সিদ্ধান্ত অনুসারে তাদের ক্ষমা করা হয়েছে। তবে ভবিষ্যতে এ ধরণের সংগঠন রিরোধী কর্মকান্ডে লিপ্ত হলে তা ক্ষমার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।

দেলদুয়ার উপজেলা পরিসদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান মারুফ জানান, ছাত্রলীগের মধ্য দিয়ে আমার রাজনৈতিক হাতেখড়ি। প্রাণের সংগঠন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি থেকে জেলা আওয়ামী লীগে স্থান পেয়েছিলাম। সারাজীবন বঙ্গবন্ধুর আদর্শে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে রাজনীতি করে যেতে চাই। দলের আদর্শ নীতি মেনেই ভবিষ্যতে পথ চলবো। আমাকে ক্ষমা করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

কাজী অলিদ ইসলাম জানান, ক্ষমা চেয়ে দলের কাছে আবেদন করেছিলাম। অব্যাহতি প্রত্যাহার করে ক্ষমা করেছে। আমি কৃতজ্ঞ ও খুশি।

অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম জানান, সারাজীবন দলের জন্য কাজ করেছি। গত উপজেলা নির্বাচনে কর্মীদের অনুরোধ আর আমার আবেগে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আমি অনুতপ্ত। শেখ হাসিনা উন্নয়নের ধারা অব্যাহত ও দলীয় শৃংখলা বজায় রাখতে আর কখনো দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে যাবো না।

ক্ষমাপ্রাপ্তদের অনুসারিরা বিষয়টিকে ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখছেন। তবে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকার অনুরোধ করেছেন। যাতে তারা ভবিষতে আর কোন ধরনের বিশৃংখলা ঘটানোর সাহস না পায়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. জানুয়ারী ২০২৩ ০২:১৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মেয়ের খুনি বাবা, জানা গেল ৭ বছর পর - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মেয়ের খুনি বাবা, জানা গেল ৭ বছর পর

একতার কণ্ঠঃ নিজের পছন্দের ছেলেকে বিয়ে করেছিলেন টাঙ্গাইলের কালিহাতীর পারুল আক্তার। তাঁর বাবা সেই বিয়ে মেনে নেননি। ঢাকা জেলার আশুলিয়া এলাকায় এসে একটি পোশাক কারখানায় চাকরি শুরু করেন পারুল ও তাঁর স্বামী নাছির উদ্দিন ওরফে বাবু। দুজন যা বেতন পেতেন, তা দিয়ে তাঁদের সংসার খুব ভালোভাবে চলত না। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মাঝেমধ্যেই ঝগড়া হতো। বিয়ের তিন বছর পর ঝগড়া করে স্ত্রীকে বাসায় রেখে বেরিয়ে যান নাছির। পারুল তাঁর বাবাকে ফোন করে পারিবারিক অশান্তির কথা বলেন।

মেয়ের প্রতি ক্ষুব্ধ বাবা মেয়েকে বাড়ি ফিরতে বলেন। বাবার কথায় স্বামীর সংসার ছেড়ে গ্রামে চলে যান পারুল। এবার ক্ষুব্ধ বাবা নিজের ও পরিবারের অসম্মান করায় মেয়েকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পারুলের বাবা আ. কুদ্দুস খাঁ মেয়েকে ভালো ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার কথা বলে টাঙ্গাইল থেকে জয়পুরহাটে নিয়ে যান। পরিকল্পনা অনুযায়ী, কুদ্দুসের সঙ্গে তাঁর বন্ধু মোকাদ্দেছ ওরফে মোকা মণ্ডলও যান।

সেখানে যাওয়ার পর জয়পুরহাটের পাঁচবিবি এলাকায় একটি নদীর পাশে নির্জন জায়গায় রাতের অন্ধকারে পারুলকে তাঁর বাবা ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। পরে মোকাদ্দেছের সহযোগিতায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাস রোধ করে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেন।

২০ জানুয়ারি আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে মেয়ে হত্যার এমন লোমহর্ষক, বর্বরোচিত বিবরণ তুলে ধরেন আ. কুদ্দুছ খাঁ। তিনি এখন কারাগারে। তাঁর দেওয়া জবানবন্দি আজ রোববার পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হয়। এ সংবাদ সম্মেলন হয় ধানমন্ডিতে পিবিআইয়ের প্রধান কার্যালয়ে।

পিবিআই প্রধান অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক বনজ কুমার মজুমদার বলেন, পারুল সব ভাইবোনের মধ্যে মেধাবী ছিলেন। স্কুলে তাঁর রোল নম্বর ছিল ২। দেখতেও ছিলেন সুন্দরী। বাবা কুদ্দুসের স্বপ্ন ছিল মেয়েকে শিক্ষিত করবেন। কিন্তু নবম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় পালিয়ে বিয়ে করায় বাবা ক্ষুব্ধ হন।

বনজ মজুমদার বলেন, তখন থেকেই কুদ্দুসের পরিকল্পনা ছিল মেয়ে তাঁকে যে অসম্মান করেছে, তাতে তার বেঁচে থাকার অধিকার নেই। মেয়ের বিয়ের তিন বছর পর সেই সুযোগ পেয়ে তিনি তাঁর বন্ধুর সহযোগিতায় মেয়েকে হত্যা করেন। কুদ্দুসের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মোকাদ্দেছকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

সংবাদ সম্মেলনে বনজ কুমার মজুমদার বলেন, মেয়েকে হত্যার পর কুদ্দুসের মধ্যে আরেকটা বিষয় কাজ করছিল যে তাঁর মেয়ের এই পরিণতির জন্য নাছির দায়ী। তাঁকেও শাস্তি দিতে হবে। তাই মেয়ের জামাইকে ফাঁসাতে একের পর এক মামলা করেছেন তিনি। রহস্য উদ্ঘাটন করতে না পারায় থানা–পুলিশ, সিআইডি ও পিবিআই পুলিশ প্রতিবেদন দেন। মেয়ের বাবাও বারবার নারাজি দেন।

পিবিআই জানায়, পারুলের বাবা শুরুতে অপহরণ ও গুমের মামলা করলেও সর্বশেষ তিনি আশুলিয়া থানায় হত্যা মামলা করেন। সেই মামলার তদন্ত আবার পিবিআইকে দেওয়া হয়। তদন্তে নেমে ২০১২ সালে মেয়ের বাবার করা সাধারণ ডায়রিতে দেওয়া একটি ফোন নম্বরের সূত্র ধরে এ হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করা হয়।

পিবিআই জানায়, মেয়েকে হত্যার পর নাছিরকে শাস্তি দিতে দীর্ঘ সাত বছর ধরে তিনি মামলা চালিয়েছেন। এর জন্য তিনি নিজের জমিও বিক্রি করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. জানুয়ারী ২০২৩ ০২:৪৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ব্যাংকে রামদা নিয়ে ডাকাতি প্রস্তুতিকালে যুবক আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ব্যাংকে রামদা নিয়ে ডাকাতি প্রস্তুতিকালে যুবক আটক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ডাচ বাংলা ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকে রামদা নিয়ে ডাকাতি প্রস্তুতিকালে স্থানীয় জনতা এক যুবককে উত্তম মধ্যম দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন। এসময় তার কাছ থেকে একটি রামদা, হাতুড় উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার (২০ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকে এ ঘটনা ঘটে।

আটককৃত যুবকের নাম মেহেদি হাসান। সে সখিপুর উপজেলার গোহাইলবাড়ী গ্রামের মৃত নাজমুল হাসানের ছেলে।

ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকের এলেঙ্গা শাখার দায়িত্বে থাকা মনিরুল ইসলাম রনি জানান, আমি ক্যাশে বসে দায়িত্ব পালন করছিলাম। হুট করে দেখি মুখোশ পড়া এক যুবক প্রবেশ করে বড় রামদা নিয়ে টাকা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করেন। তখন আমি ক্যাশের ড্রয়ার বের করে আত্মরক্ষার চেষ্টা করি এবং ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার করলে আশে পাশের লোকজন এগিয়ে আসলে সে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে জনতা তাকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সহকারী পুলিশ সুপার (কালিহাতী সার্কেল) শরীফুল হক জানান, এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংক ডাকাতি প্রস্তুতিকারী যুবককে আটক করে পুলিশি হেফাজতে নেয়া হয়েছে । আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. জানুয়ারী ২০২৩ ১২:৫৩:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।