একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের ঐতিহ্যবাহী সরকারি কুমুদিনী কলেজে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধ কর্ণারের উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেন ওই কর্ণারের উদ্বোধন করেন।
এ উপলক্ষে সরকারি কুমুদিনী কলেজের শিক্ষক মিলনায়তনে অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আবদুল মান্নানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপাধ্যক্ষ প্রফেসর আলীম আল রাজী, শিক্ষক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
এ সময় কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরের অতিরিক্ত দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন প্রফেসর ড. এআরএম সোলাইমান। বৃহস্পতিবার(২৯ জুলাই) সকালে তিনি বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ও মওলানা ভাসানীর মাজারে পুস্পস্তবক অর্পণ ও মোনাজাত শেষে তিনি দায়িত্ব গ্রহন করেন।
এ সময় বিশ্ববিদ্যায়ের বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ শাহীন উদ্দিন, সকল অনুষদের ডিন, চেয়ারম্যান, হল প্রভোস্ট, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশ, গত ২৮ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক অফিস আদেশে পরবর্তী ভাইস-চ্যান্সেলর নিয়োগ ও নবনিযুক্ত ভাইস-চ্যান্সেলর কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ-২০০১ এর ১০(৩) ধারা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এআরএম সোলাইমানকে নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত ভাইস-চ্যান্সেলরের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
একতার কণ্ঠঃ করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায়, বুধবার (৩০ জুন) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলছে না। দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ইবতেদায়ি ও কওমি মাদ্রাসায় চলমান ছুটি আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে ।
মঙ্গলবার (২৯ জুন) শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘সারা দেশে করোনা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। লকডাউনও কার্যকর হয়েছে। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তার বিবেচনায় এবং কোভিড ১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির সঙ্গে পরামর্শক্রমে এই ছুটি বৃদ্ধি করা হয়েছে। সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী ছুটি ছিল ৩০ জুন পর্যন্ত ।’
করোনা সংক্রমণের কারণে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ক্লাস চলতে থাকে অনলাইনে। পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন বিটিভি ও সংসদ টিভিতে নেয়া হয় ক্লাস।
তবে শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশই শিক্ষণের এই প্রক্রিয়া থেকে দূরে রয়েছে বলে নানা জরিপে উঠে এসেছে। বিশেষ করে গ্রাম এলাকায় ও নিম্ন আয়ের মানুষদের সন্তানরা আদৌ পড়ালেখার মধ্যে আছে কি না, এ নিয়ে আছে প্রশ্ন। জরিপে জানা যায়, প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থী মারাত্মক সমস্যায় পড়েছে।
এছাড়া, প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে এসএসসি ও এপ্রিলে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হলেও এ বছর করোনার কারণে এ দুটি গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষা এখনও নেয়া সম্ভব হয়নি। গত বছর এসএসসি পরীক্ষা নেয়া গেলেও এইচএসসিতে শিক্ষার্থীদের অটোপাস দেয় সরকার। পরীক্ষার নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ায়, শিক্ষার্থী-অভিভাবক-শিক্ষকরা পরীক্ষা নিয়ে উদ্বেগে আছেন।
এ পরিস্থিতিতে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, শুরুতে জানিয়েছিলেন এ বছর অটোপাস দেওয়ার ইচ্ছা সরকারের নেই। কিছুদিন আগে মন্ত্রী জানান, পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হলে বিকল্প পদ্ধতিতে মূল্যায়নের চেষ্টা করছে সরকার।
এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের সব শিক্ষার্থীকে করোনা ভাইরাসের টিকা দেয়ার পরই বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়ার জন্য সরকারকে সুপারিশ করবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।
একতার কণ্ঠঃ অবিলম্বে সব পরীক্ষা কার্যক্রম চালুর দাবিতে মানববন্ধন করেছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।মঙ্গলবার (২৯ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ মানবন্ধন হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন,টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শাহীন হাওলাদার, ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের মনির আহমেদ ও রসায়ন বিভাগের আহমেদ ইমতিয়াজসহ বিভিন্ন বিভাগের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী।
বক্তারা বলেন, ইউজিসির ঘোষণা অনুযায়ী অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা নেওয়া হলেও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে সে ধরনের কোনো কার্যক্রম নেই। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন আমাদের নিয়ে কোনো চিন্তা-ভাবনাই করছে না, আমাদের অনিশ্চয়তার মাঝে ফেলে দিয়েছে। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সব পরীক্ষা কার্যক্রম চালু করার জোড় দাবি জানাই।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সরকারি মাওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজের নতুন অধ্যক্ষ হিসেবে যোগদান করেছেন অধ্যাপক শহীদুজ্জামান মিয়া। তিনি শনিবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন । এসময় কলেজের শিক্ষক শিক্ষিকা, ছাত্রসংসদের নেতৃবৃন্দ ও কর্মচারীরা তাকে ফুল দিয়ে অভিনন্দন জানান।
এর আগে তিনি সরকারি টঙ্গি কলেজ, সরকারি সা’দত কলেজ, সরকারি এমএম আলী কলেজ ও বিএমটিটিআই এর উপাধ্যক্ষ এবং আইসিটির প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্বপালন করেন।
শহীদুজ্জামান মিয়া ১৯৬৭ সালে ভ‚ঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের ভাদুরীর চর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ইসলামিক ইউনিভার্সি থেকে হিসাববিজ্ঞানে ১৯৮৮ সালে বিবিএ এবং ১৯৯১ সালে এমবিএ পাশ করেন। পরে ১৪ তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে হিসাববিজ্ঞানের প্রভাষক হিসেবে চাকরি জীবন শুরু করেন।
তার পিতা মৃত হাজী মোহাম্মদ আলী ও মাতা লতিফা বেগম। তারা দুই বোন তিন ভাই। স্ত্রী সহযোগী অধ্যাপক ফৌজিয়া ইয়াছমীন বর্তমানে ডিজি অফিসে বিশেষ দায়িত্বে কর্মরত আছেন। তাদের এক ছেলে এবং এক মেয়ে।
দায়িত্বগ্রহণের পর শহীদুজ্জামান মিয়া মতবিনিময় সভায় বলেন, মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ১৯৫৭ সালের ১ জুলাই কলেজটি প্রতিষ্ঠাতা করেন। ১৯৭৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি জাতিক জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান জাতীয়করন করেন। কলেজটির সুনাম রয়েছে। সকলের সহযোগিতা নিয়ে শিক্ষার মান উন্নয়নসহ কলেজটিকে সব দিকে এগিয়ে নিতে চাই।
একতার কণ্ঠঃ করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকায় পরীক্ষা নিতে না পেরে এবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স প্রথম বর্ষের ৩ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থীকে অটোপাস দেওয়া হয়েছে। বুধবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের শর্তসাপেক্ষে দ্বিতীয় বর্ষে প্রমােশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কোভিড-১৯ মহামারির কারণে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। যেসব শিক্ষার্থী ২০২০ সালে অনার্স ১ম বর্ষ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ফরম পূরণ করেছেন তাদের সবাইকে শর্তসাপেক্ষে ২য় বর্ষে প্রমােশন দিয়ে ক্লাস করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়, ২০২০ সালে অনার্স প্রথম বর্ষ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ফরম পূরণ করেছেন সর্বমােট ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৮৩৫ জন শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে নিয়মিত শিক্ষার্থী ২ লাখ ৯৭ হাজার ৬২৬ জন আর অনিয়মিত শিক্ষার্থী ১৯ হাজার ৫০ জন। এরা সবাই অর্থাৎ ৩ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী অটোপাস পেয়ে দ্বিতীয় বর্ষে উত্তীর্ণ হলেন। এর বাইরে প্রথম বর্ষের পরীক্ষার জন্য আবেদন করা মানােন্নয়ন পরীক্ষার্থী ছিলেন ১ লাখ ৫১ হাজার ১৫৯ জন। তাদের অটোপাস প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা হয়েছে। পরে যখন আবার প্রথম বর্ষের লিখিত পরীক্ষা হবে তখন তারা মানোন্নয়ন পরীক্ষা দেবেন।
২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হয়েছিল মোট ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৮৭৬ জন শিক্ষার্থী।
প্রমােশন পাওয়ার শর্তগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রধান শর্ত হচ্ছে- পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এসব শিক্ষার্থীদেরকে অবশ্যই ১ম বর্ষের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। কেউ যদি এই পরীক্ষায় অংশ না নেয় বা পরীক্ষায় অংশ নিয়ে রেগুলেশন অনুযায়ী ‘নট প্রমােটেড’ হয় সেক্ষেত্রে তার শর্তসাপেক্ষে দেওয়া প্রমােশন বাতিল বলে গণ্য হবে। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট nu.ac.bd এ পাওয়া যাবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
একতার কণ্ঠঃ মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর স্মৃতি বিজরিত নানা প্রজাতির গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি ও সমাবেশ করেছে বিভিন্ন সংগঠন। বুধবার(৯ জুন) দুপুরে বৃষ্টি উপেক্ষা করে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(মাভাবিপ্রবি) ভিসি প্রফেসর ড. মো. আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে গাছ কাটা সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভূমি সমস্যা সমাধান না করার অভিযোগ তুলে ওই মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মানববন্ধনে অংশ নেয়- মওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশন, মওলানা ভাসানী অনুসারী পরিষদ, খোদা-ই-খেদমতগার, মওলানা ভাসানী আদর্শ অনুশীলন পরিষদ, মওলানা ভাসানী মুরিদানও অনুসারী সংঘ, মওলানা ভাসানী স্মৃতি সংসদ, মওলানা ভাসানী স্মৃতি পরিষদ, মওলানা ভাসানী পরিষদ, মওলানা ভাসানী আদর্শ কলেজ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হাই স্কুল, ইসলামী
বিশ্ববিদ্যালয় সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্বদ্যিালয় সরকারি শিশু স্কুল, রাণী দীনমনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্বদ্যিালয় সূচী শিল্প স্কুল, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় তালিমাতে কোরআন ও সুন্নাহ।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (মাভাবিপ্রবি) ভিসি প্রফেসর ড. মো. আলাউদ্দিন অনিয়মতান্ত্রিকভাবে মওলানা ভাসানীর প্রতিষ্ঠিত অন্যান্য ৭টি প্রতিষ্ঠানের ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা মূল্যের ৫১টি গাছ কেটে বিক্রি করেছেন। আরও গাছ কাটার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন।
বক্তারা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট করে এসব গাছ কাটা বন্ধের দাবি জানান। যেসব গাছ কাটা হয়েছে সেগুলো বিক্রির টাকা সরকারের কোষাগারে জমা দেওয়ার দাবি করেন। নতুন করে আর কোন গাছ কেটে যেন স্থানীয় পরিবেশ নষ্ট না করতে পারে এজন্য সরকারের হস্তক্ষেপও কামনা করেন বক্তারা।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, ভাসানী পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা বুলবুল খান মাহবুব, টাঙ্গাইল জেলা সিপিবি’র সভাপতি অধ্যক্ষ আবদুর রাজ্জাক, সাধারণ সম্পাদক ওয়াহেদুজ্জামান মতি, ভাসানী ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হক সানু,
ইসলামিক বিবি শিশু স্কুলের প্রধান শিক্ষক আফরোজা বেগম, রাণী দীণমনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামিমা ইসলাম, মওলানা ভাসানী আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন, ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয় বালক হাই স্কুলের সহকারী শিক্ষক
মামুনুর রহমান, মওলানা ভাসানী মুরিদান অনুসারী সংঘের সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ আজাদ, মানবাধিকার কর্মী আবদুল গনি আলরুহি, ভাসানী স্মৃতি সংসদের সাধারণ সম্পাদক এনায়েত করিম, ভাসানী অনুসারী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শোভা খানসুর প্রমুখ ।
একতার কণ্ঠঃ স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে টাঙ্গাইলে বৃষ্টিতে ভিজে সমাবেশ করেছে সাধারন শিক্ষার্থীরা রবিবার( ৩০ মে) দুপুরে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এ সমাবেশ ও গণস্বাক্ষর গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়।
শিক্ষার্থী রিসা হায়দারের নেতৃত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখে, ইভানা জামান খান ঐশী,নওরীন নুসরাত,তাওহিদা ইসলাম স্বপ্নীল,ইফতি হাসান প্রমুখ।
সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, তাদের দাবী একটাই, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা চাই। দেশে সব কিছু খোলা থাকলেও শুধুম মাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ। সমাবেশে শিক্ষার্থীরা আরো বলেন ‘শিক্ষা একটি জাতির মস্তিষ্কের খোরাক। অবিলম্বে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার জোর দাবি জানান তারা। অন্যথায়, সারা দেশের সাধারন শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবেন।
একতার কণ্ঠঃ চাকুরী স্থায়ী করণের দাবীতে টাঙ্গাইলের সন্তোষে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে এডহক ভিত্তিতে নিয়োগ প্রাপ্ত তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারীবৃন্দ। সোমবার( ২৪ মে) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হয়।
এ অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন মোঃআব্দুল্লাহ আল মামুন ও এস এম মাহফুজুর রহমান। এ সময় বক্তাগণ বলেন, দীর্ঘ ২২ মাস যাবৎ এডহক ভিত্তিতে চাকুরীতে কর্মরত আছি। বিভিন্ন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কাছে আমাদের চাকুরী স্থায়ী করণের দাবী জানিয়ে আসলেও বিশ্ববিদ্যলয় প্রশাসন বারবার আমাদের শুধু আশস্থ করেছেন, কিন্তু উল্লেখ্যযোগ্য কোন পদক্ষেপ নেন নি। তাই অনেকটা বাধ্য হয়েই এই অবস্থান কর্মসূচি নিয়েছি।
উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন অফিসের জনবলের চাহিদার উপর ভিত্তিকরে বিভিন্ন পদে এডহক ভিত্তিতে ২২ জনকে নিয়োগ দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
একতার কণ্ঠঃ স্বাস্থ্যবিধি মেনে মে মাসের মধ্যে অবিলম্বে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার( ২৪ মে) সকালে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
শিক্ষার্থী রিসা হায়দার সহ মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন নাফিস আরা রাফি, সানজিদা ইসলাম মীম, ইভানা জামান খান ঐশী, বজলুর রহমান, কাওছার আহমেদ, ফাতেমা রহমান বিথি, মো. ফাহাদুল ইসলাম প্রমুখ।
মানববন্ধনে রিসা হায়দার বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ বলেই শিক্ষার্থীরা মাদক সহ বিভিন্ন অনৈতিক কাজে লিপ্ত হচ্ছে। উপরের চেয়ারে যারা বসে আছে আমাদের নিয়ে তারা ভাবছে না ।সরকারের কাছে আমার অনুরোধ দ্রুত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হোক।অন্ধকার থেকে আমাদের আলোর পথে নিয়ে আসা হোক।
ইভানা জামান খান ঐশী বলেন, বার বার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার কথা বললেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হচ্ছেনা। আমরা কি মূর্খ আমরা কি নিজেদের স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতন না, আমরা কি স্বাস্থ্য বিধি মানবো না। সব চলতে পারে কিন্তু শিক্ষা নিয়ে কেন এতো তালবাহানা । আমাদের নিয়ে কারো কোন মাথা ব্যথা নেই ।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, দেশে আজ সব কিছু চালু, শুধু বন্ধ দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ‘শিক্ষা একটি জাতির মস্তিষ্কের খোরাক। এভাবে আর কত দিন বসে থাকব। মে মাসের মধ্যে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার জোর দাবি জানান তারা।
অন্যথায়, সারা দেশের শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলার ঘোষণা বক্তারা।
একতার কণ্ঠঃ মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ২৯ মে পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।
শনিবার (১৫ মে) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির কারণে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও অভিভাবকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সার্বিক নিরাপত্তার বিবেচনায় এবং কোভিড ১৯ সংক্রান্ত জাতীয় পরামর্শক কমিটির সঙ্গে পরামর্শক্রমে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ২৯ মে পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে।
এই সময়ে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন।
গত বছর ৮ মার্চ দেশে করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর ওই বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। দফায় দফায় তা বড়িয়ে আগামী ২৯ মে পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করা হলো।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ করোনার কারণে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা কীভাবে হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। এরইমধ্যে পরীক্ষার্থীরা অটোপাসের দাবি তুলেছেন। তবে এবার অটোপাসের সুযোগ নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। জুন-জুলাইয়ে পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও করোনার কারণে তা এক-দুমাস পেছাতে পারে। সে ক্ষেত্রে কীভাবে পরীক্ষা হবে সে বিষয়ে কাজ করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ।
করোনার কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ বন্ধ হয়ে যায় সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এরপর পার হয়েছে প্রায় ১৪ মাস। এ পরিস্থিতিতে গত বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অটোপাস দেওয়া হয়। তবে চলতি বছরের এসএসসি-এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
এ প্রসঙ্গে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এসএসসি-এইচএসসির জন্য সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করে দিয়েছি আমরা। জুন-জুলাইয়ে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল। তবে সেটি হয়তো দু-এক মাস পিছিয়ে যেতে পারে। কিন্তু পরীক্ষা হবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘গতবার এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের যেভাবে পাস করানো হয়েছে, তাকে অটোপাস বলা অন্যায়। এর কারণ পরীক্ষার সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েছিল তারা। এবারের এসএসসি কিংবা এইচএসসির বিষয়টি ভিন্ন। তারা ক্লাসে যেতে পারেনি। এজন্য সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে হলেও এবার পরীক্ষায় বসতেই হবে শিক্ষার্থীদের।’
এর আগে ৬০ দিন ক্লাস শেষে এসএসসি এবং ৮০ দিন ক্লাস করিয়ে এইচএসসি নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু করোনার কারণে সে পরিকল্পনা ভেস্তে যেতে বসেছে।এ পরিস্থিতিতে এসএসএসি পরীক্ষার্থীদের একাংশ অটোপাসের দাবি তুলেছেন। তাদের যুক্তি, করোনার কারণে ১৪ মাস স্কুল বন্ধ। ফলে তারা পড়ালেখা করতে পারেনি। এ অবস্থায় সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করলেও শেষ করা যাবে না।
তবে সরকারের দায়িত্বশীলরা বলছেন, যারা অটোপাস পেয়েছে, তারা প্রস্তুতি নিতে পেরেছিল। সব ক্লাস করেছিল। টেস্ট পরীক্ষাও দিতে পেরেছিল তারা। কিন্তু এ বছর পরীক্ষার্থীরা কোনো ক্লাস করতে পারেনি। সে জন্য অটোপাস তাদেরই ক্ষতির কারণ হবে। তাই শিক্ষার্থীদের স্বার্থেই চলতি বছর অটোপাস দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ গোলাম ফারুক এ প্রসঙ্গে গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘পরীক্ষা নেওয়া না নেওয়া করোনা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে। তবে এ বছর অটোপাস দেওয়া হবে না। শিক্ষার্থীরা কোনো ক্লাস করতে পারেনি। এবার পরীক্ষা তাদের দিতেই হবে। করোনা দীর্ঘায়িত হলে সে ক্ষেত্রে কী পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়া যায়, সে বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছি।’