একতার কণ্ঠঃ ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত, ছাত্রদের মারধরসহ কলেজে প্রবেশে বাধা দেওয়ায় টাঙ্গাইল শহরের অবস্থিত মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান আদর্শ মহাবিদ্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়ে বহিরাগতরা।বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে হামলায় ভবনের জানালার কাঁচ, চেয়ার-টেবিল ভাংচুর ও প্রহরীকে মারধর করে তারা।
শিক্ষকদের অভিযোগ, করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘদিন কলেজ বন্ধ ছিলো। ১২ সেপ্টেম্বর চালু হওয়ার পর সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী কলেজ ড্রেস ব্যতিত চলছে শিক্ষাকার্যক্রম। এর ফলে ড্রেস ছাড়াই কলেজে আসছে ছাত্র-ছাত্রীরা। এই সুযোগ নিয়ে কলেজে বহিরাগতদের উপদ্রব বেড়েছে। তারা কলেজ প্রাঙ্গণে ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করা, এমনকি ছাত্রদের মারধরও করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক কলেজ শিক্ষক জানান, সকালে কলেজের বাণিজ্য বিভাগ প্রথম বর্ষের এক ছাত্রকে মারধর করে বহিরাগতরা। ঘটনাটি জানাজানি হলে মারধরের শিকার ওই ছাত্রকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অধ্যক্ষের কক্ষে ডেকে আনা হয়। ওই ছাত্রকে মারধরের ঘটনায় জড়িত কলেজের প্রাক্তন ছাত্র বায়েজিদ বোস্তামী উপস্থিত হয় অধ্যক্ষের কক্ষে। তিনি বিষয়টি মীমাংসা হয়েছে বলে জানান। ফলে তাকে অধ্যক্ষের কক্ষ থেকে বাইরে যাওয়ার অনুরোধ করেন শিক্ষকরা। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি বহিরাগতদের নিয়ে হামলা-ভাঙচুর চালায়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কলেজ অধ্যক্ষ পুলিশে খবর দেন। এরই মধ্যে কলেজ ত্যাগ করে হামলাকারীরা।
উপাধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম উজ্জ্বল বলেন, হামলার বিষয়টি জেলা প্রশাসক ও কলেজ পরিচালনা পর্ষদ সভাপতি ড. আতাউল গণিকে জানানো হয়েছে।
কলেজ অধ্যক্ষ মো. আব্দুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় জড়িত প্রাক্তন ছাত্র বায়েজিতের নাম উল্লেখসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে লৌহজং নদীতে গোসল করতে গিয়ে সেতু থেকে লাফ দিয়ে নবম শ্রেণির ছাত্র শান্ত খানের(১৬) মৃত্যু হয়েছে। শান্ত মির্জাপুর উপজেলার উয়ার্শী ইউনিয়নের নতুন কহেলা গ্রামের শফিনুর রহমান খানের ছেলে। সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুুরি দল নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে। সে ধামরাই উপজেলার রাজাপুর কহেলা বাহারাম মল্লিক উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শান্ত খান তার চার সহপাঠি একই এলাকার আলিফ, আনাম, বিবেক ও নাদিমের সাথে পাশ্ববর্তী চর রাজাপুর এলাকায় একটি সেতুর নিকট গোসল করতে যায়। এক পর্যায়ে সকল বন্ধুরা মিলে সেতু থেকে লাফিয়ে পানিতে পড়ে গোসল করার সিদ্ধান্ত নেয়। প্রথমে শান্ত খান সেতু থেকে লাফিয়ে পানিতে পড়ে। এ সময় সে হাত দিয়ে কিছু একটা ইশারা করে পানিতে তলিয়ে যায়।
এমন দৃশ্য দেখে অন্য বন্ধুরা সেতু থেকে লাফ না দিয়ে নদীর স্রোতের ভাটিতে তাকে খুজতে থাকে। পরে স্বজনদের জানালে তারা স্থানীয় ফায়ার সার্ভিসকে বিষয়টি অবগত করেন। মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুুরিদল ঘটনাস্থলে গিয়ে বিকেলে শান্তর মরদেহ উদ্ধার করে। এসময় নদীর দুই পারে শত শত মানুষের ভিড় জমে।
একতার কণ্ঠঃ ২০২৩ সাল থেকে পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) এবং অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষা থাকবে না বলে জানিয়েছে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে সোমবার( ১৩ সেপ্টেম্বর) জাতীয় শিক্ষাক্রম রূপরেখা উপস্থাপনের পর সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি।
দীপু মনি বলেন, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির চূড়ান্ত পরীক্ষার ফল মিলে হবে এইচএসসির ফল। এছাড়া দশম শ্রেণি পর্যন্ত বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য বিভাজন থাকবে না। তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত বার্ষিক পরীক্ষাও হবে না।
পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) এবং অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষাও থাকবে না বলে জানান মন্ত্রী।
এছাড়া শুধু ১০ শ্রেণির পাঠ্যক্রমে হবে পাবলিক পরীক্ষা হবে বলে জানান তিনি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসস্থ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. আফজাল হোসেন সোমবার(১৩ সেপ্টেম্বর) ভোরে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী, সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ কিডনীজনিত রোগে ভুগছিলেন। সম্প্রতি অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার ভোরে তার মৃত্যু হয়।
মরহুমের মরদেহ সোমবার বিকাল ৪ টার দিকে তার পৈত্রিক নিবাস টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চারাবাড়ি গ্রামে আনা হয়। পরে বাদ আছর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জানাজা নামাজ শেষে চারাবাড়ি সামাজিক গোরস্থানে দাফন করা হয়।
প্রধান শিক্ষক মো. আফজাল হোসেনের মৃত্যুতে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে ভাইস-চ্যান্সেলর (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হাই স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
তিনি মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা করে শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।
একতার কণ্ঠঃ যমুনা, ধলেশ্বরী, ঝিনাই নদীর পানি কমায় টাঙ্গাইলের কয়েকটি উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। তবে নিন্মাঞ্চল হওয়ায় বাসাইল উপজেলার বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত আছে। এ উপজেলার অধিকাংশ এলাকা এখনও বন্যার পানিতে তলিয়ে আছে। এদিকে,পানি কমতে থাকায় এ উপজেলায় নদী ভাঙ্গন আবারো তীব্র আকার ধারন করেছে। বন্যা কবলিত এলাকার গ্রামীণ কাঁচা-পাকা সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় উপজেলার প্রায় প্রতিটি গ্রামের মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বানভাসি মানুষগুলো গবাদিপশু নিয়ে পড়েছেন মহাবিপাকে।
পানিতে নিমজ্জিত হয়ে গেছে বীজতলা, রোপা আমন ধান ও সবজি খেত। ভেসে গেছে পুকুরের মাছ। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কালভার্ট। ভেঙ্গে গেছে রাস্তা-ঘাট। বানভাসিদের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পারাপারের জন্য নৌকা কিংবা কলাগাছের ভেলাই একমাত্র ভরসা। শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে বেশ কিছু এলাকায়।
উপজেলার বন্যাকবলিত এলাকার মধ্যে বেশি দুর্ভোগের শিকার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের আদাজান, কোদালিয়াপাড়া, যৌতুকি,জিকাতলী পাড়া, মটেশ্বর, তারাবাড়ি, সৈদামপুর পুর্বপৌলী, সিঙ্গারডাক, কালাচান পাড়াসহ ইউনিয়নের বেশিরভাগ গ্রাম। হাবলা ইউনিয়নের টেংগুরিয়াপাড়া, ছয়শত, জীবনেশ্বর, থুপিয়া, গুল্লা, বয়রা। ফুলকী ইউনিয়নের ফুলকী দক্ষিণপাড়া, বালিয়া, খাটরা, নিড়াইল, করোটিয়াপাড়া, ময়থা। কাশিল ইউনিয়নের ফুলবাড়ি, বাঘিল, স্থলবল্লা। কাউলজানী ইউনিয়নের বাদিয়াজান, সুন্না, বার্থা, গিলাবাড়ি, ডুমনীবাড়ি, কাঙ্গগাগলীছেও, এবং বাসাইল সদর ইউনিয়নের মিরিকপুর, রাশড়া, ইশ্বরগঞ্জ, হান্দুলী। এসব এলাকার মানুষের নৌকা ছাড়া যাতায়াতের কোন উপায় নেই।
বন্যা দুর্গত এলাকার কমলা রানী বলেন, গরু-বাছুর, হাস-মুরগী নিয়ে আমরা অনেক কষ্টে আছি। সবচেয়ে বেশি চিন্তা শিশু বাচ্চাদের নিয়ে। সব সময়ই আতংকে দিন কাটছে।
অসহায় ভূক্তভোগীরা জানান, করোনার ধকল না কাটতেই বন্যার জলে বন্ধি আমরা। কামাই-রোজি একবারে বন্ধ। অনেকেরই ঘরে চুলা জ্বলছে না। করোনার লকডাউন, আবার বন্যার পানি । জীবন আর চলে না।
কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মামুন অর রশিদ জানান আমার ইউনিয়নে প্রায় প্রতিটি গ্রামের মানুষ পানি বন্ধি হয়ে পড়েছে। পাকা কাঁচা রাস্তাগুলো তলিয়ে গেছে। কালর্ভাট ভেঙ্গে গেছে। রাস্তা ভেঙ্গে অনেকে জায়গায় বড়বড় খাদের সৃষ্টি হয়েছে। নৌকা ছাড়া চলাই যায় না।
বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনজুর হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ হতে আমরা বন্যা দুর্গত এলাকায় গিয়ে ত্রান পৌছে দিচ্ছি। ৩৩৩ নম্বরে কল দিলেও আমাদের পক্ষ হতে খাদ্য সামগ্রী প্রদান করা হয়।ত্রাণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা উপজেলা প্রশাসনের রয়েছে।
বাসাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম বলেন, ভৌগলিক ভাবে বাসাইল একটি নীচু এলাকা। তাই প্রতি বছরই বন্যার সঙ্গে যুদ্ধ করেই বাঁচতে হয়। এবারও উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নেই মানুষ পানি বন্ধি হয়ে পড়েছে। রাস্তা ঘাট ভেঙ্গে গ্রামীণ অবকাঠামোগত ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। পানি-বন্ধি সহায়তার জন্য ত্রাণ কার্যক্রম চলছে। এলাকায় আরও পর্যাপ্ত ত্রাণসহযোগিতার জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
একতার কণ্ঠঃ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার পর করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়লে আবার বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মহাখালীর তিতুমীর সরকারি কলেজে বিডিএস প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আর আমাদের দেশ এক নয়। করোনা সংক্রমণ হলে অবশ্যই শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করবে আমরাও সেই ধরনের পরামর্শ দেব।
তিনি বলেন, ১৮ বছরের কম বয়সীদের টিকা দিতে এখনও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকে অনুমতি আসেনি। অনুমতি দিলে শিশুদের টিকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। শিশুদের করোনা আক্রান্তের হার কম।
জাহিদ মালেক বলেন, এ মাসে দুই কোটি টিকা পাওয়া যাবে। গণটিকা কার্যক্রম চলমান প্রক্রিয়া। প্রতি সপ্তাহে ৫০ লাখ ডোজ করে টিকা আসবে আগামী তিন মাসে। কোভ্যাক্স থেকে ১০ কোটি টিকা কেনা হবে।
যেখানে যেখানে সম্ভব সেখানে ফাইজার টিকা দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সন্তোষে মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটি।বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
এসময় ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান হাসরত খান ভাসানী, যুগ্ম-মহাসচিব মো. আলাউদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ ডা. আব্দুল করিম, প্রধান শিক্ষক (অব.) নুরু, বীর মুক্তিযোদ্ধা সিদ্দিক হোসেন, বিপ্লবী ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটির আহবায়ক মো. শামীম আল মামুন ও সদস্য সচিব শফিকুল ইসলামসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলে যমুনাসহ প্রধান নদীগুলোর পানি কমতে শুরু করায় জেলার বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে যে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ, শ্রেনীকক্ষ আর রাস্তাঘাট পানির নীচে সেসব শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফেরা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
ফলে দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকার পর তা খোলার সিদ্ধান্ত হলেও স্কুলে যাবার আনন্দ থেকে বঞ্চিত হতে পারে পানিবন্দি এসব বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিশুরা।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের অয়নাপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গিয়ে দেখা যায় স্কুলের মাঠে এখনো পানি প্রবাহিত হচ্ছে। স্কুলে যাতায়াতের রাস্তাটি পানির নীচে। আর বিদ্যালয়ের তিনটি ভবনের মধ্যে দুটির শ্রেনীকক্ষে পানি ঢুকেছে। ব্রেঞ্চগুলো বলতে গেলে পানির নীচে রয়েছে। সদর উপজেলার চর গালা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবস্থা একই অবস্থা। এ বিদ্যালয়ের মাঠে এখনো হাটু পানি রয়েছে। পশ্চিম দিকে একটি ভবনের প্রায় অর্ধেকটা রয়েছে পানির নীচে।
এ সময় স্থানীয় বেশ কয়েকজন লোকের সাথে কথা হয়। তারা জানান, বন্যার পানি নেমে না গেলে ছোট ছোট শিশুদের স্কুলে পাঠানো ঠিক হবেনা। কারন মাঠে এখনো পানি রয়েছে। আগামী ১২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পানি নেমে যাবে কিনা তার কোন নিশ্চয়তা নেই।
সদর উপজেলার ১৩ নং মগড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠেও পানি জমে রয়েছে। সেখানে অবস্থিত মগড়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের মুল ভবনের সামনে জাল দিয়ে মাছ ধরার কাজে ব্যস্ত দেখা যায় স্থানীয়দের। বিদ্যালয়ের পুরো মাঠটি পানির নিচে রয়েছে।
এদিকে কালিহাতি উপজেলার দশকিয়া ইউনিয়নের ১৪ নং সরকারী হাতিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, স্কুলের মাঠ থেকে পানি নেমে গেলেও কাদায় পরিপুর্ন হয়ে রয়েছে।
এ স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা শাহনাজ পারভিন বলেন, স্কুলের মাঠ থেকে বন্যার পানি নেমে গেছে। কিন্ত এখানকার বেশির ভাগ শিক্ষার্থীরা নদী পার হয়ে স্কুলে আসে। এছাড়াও স্কুলে আসার যে রাস্তাটি রয়েছে তা এখনো পানি নিচে রয়েছে। তার পরেও স্কুল খোলার সকল প্রস্তুতি নিয়ে তারা। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও শতভাগ আশা করছে স্কুল কতৃপক্ষ।
এসব স্কুলের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, পানির মধ্যেই ক্লাসে ফিরতে আগ্রহী। এতদিন পর স্কুলে যাবার জন্যে পুরো প্রস্তুতি রয়েছে তাদের। সপ্তম শ্রেনীর ছাত্র রাজন জানায়, অনেকদিন ধরে স্কুলের বন্ধুদের সাথে দেখা হয়না। তাই যত কষ্ট হোক ১২ সেপ্টেম্বর থেকে তা স্কুলে যাবে। জানা গেছে, জেলার চরাঞ্চল ও নীচু এলাকার অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চিত্র প্রায় একই রকম।
টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সুত্রে জানা গেছে, জেলার তিনশ’ ৬৬ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। এরমধ্যে ৩৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শ্রেনীকক্ষে এখনো পানি রয়েছে। অপরদিকে ৮৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। কিছু কিছু বিদ্যালয়ের পানি নেমে গেলেও রাস্তাঘাট ও বসতবাড়িতে এখনো পানি থাকার কারনে শিক্ষার্থীদের একটা অংশ ক্লাসে না ফেরার শংশয় রয়েছে।
এ ব্যাপারে সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী আহসান জানান, সরকারী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার সকল প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। বন্যা কবলিত স্কুলগুলো নিয়েও কাজ করা হচ্ছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন ও স্থানীয় ব্যাক্তিদের নিয়ে সমস্যা সমধানের চেষ্টা করা হবে। অর্থাৎ যে কোন উপায়ে ১২ সেপ্টেম্বর শতভাগ স্কুল খোলার নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হবে বলেও জানান তিনি।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাজাহান আনসারী জানান, বন্যা কবলিত স্কুলগুলোর পানি নামতে শুরু করেছে। ১২ সেপ্টেম্বর থেকে যাতে সবগুলো স্কুল খোলা যায় তার জন্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে সারা দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে সশরীরে পাঠদান শুরু হবে। তবে করোনা মহামারী এখনও শেষ না হওয়ায় স্বাস্থ্যবিধি পালনে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার।
রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে সব স্কুল-কলেজগুলো খোলার প্রস্তুতি নিতে ১৯ দফা নির্দেশনা দিয়ে আদেশ জারি করা হয়েছে।
১৯ দফা নির্দেশনা
*শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রবেশ মুখসহ অন্যান্য স্থানে কোডিড-১৯ অতিমারি সম্পর্কিত স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে করণীয় বিষয়গুলো ব্যানার বা অন্য কোনো উপায়ে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করতে হবে;
*শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রবেশ পথে সব শিক্ষক-কর্মচারী শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের তাপমাত্রা পরিমাপক যন্ত্রের মাধ্যমে নিয়মিত তাপমাত্রা মাপা ও তা পর্যবেক্ষণ করার ব্যবস্থা করতে হবে;
*শিক্ষার্থীদের ভিড় এড়ানোর জন্য প্রতিষ্ঠানের সবগুলো প্রবেশমুখ ব্যবহার করার ব্যবস্থা করা। যদি কেবল একটি প্রবেশমুখ থাকে সেক্ষেত্রে একাধিক প্রবেশমুখের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করতে হবে;
*প্রতিষ্ঠান খোলার প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের আনন্দঘন পরিবেশে শ্রেণি কার্যক্রমে স্বাগত জানানোর ব্যবস্থা করতে হবে। প্রতিষ্ঠান খোলার প্রথম দিন শিক্ষার্থীরা কিভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রতিষ্ঠানে অবস্থান করবে এবং বাসা থেকে যাওয়া-আসা করবে সে বিষয়ে শিক্ষণীয় ও উদ্বুদ্ধকারী ব্রিফিং দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের দেওয়া ভিডিও প্রদর্শনের ব্যবস্থা করতে হবে;
*প্রতিষ্ঠানের একটি কক্ষ প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থাসহ আইসোলেশন কক্ষ হিসেবে প্রস্তুত রাখতে হবে:
*প্রতিষ্ঠানের সব ভবনের কক্ষ, বারান্দা, সিঁড়ি, ছাদ এবং আঙ্গিনা যথাযথভাবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার ব্যবস্থা করতে হবে;
*প্রতিষ্ঠানের সব ওয়াশরুম নিয়মিত সঠিকভাবে পরিষ্কার রাখা এবং পর্যাপ্ত পানির ব্যবস্থা করতে হবে;
*প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মচারী এবং অভিভাবক প্রবেশের সময় সরকার দেওয়া স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে প্রতিপালনের ব্যবস্থা করতে হবে।
*প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীর সঠিকভাবে মাস্ক (সম্ভব হলে কাপড়ের মাস্ক) পরিধান করার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে;
*প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন স্থানে সাবান বা হ্যান্ডওয়াশ দ্বারা হাত ধোয়ার এমন ব্যবস্থা করা যাতে শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ঢোকার আগে সবাই সাবান দিয়ে হাত ধুঁতে পারে;
*শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের বসার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। এক্ষেত্রে পারস্পারিক ৩ (তিন) ফুট শারীরিক দুরত্ব বজায় রাখার ব্যবস্থা করতে হবে;
*শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের খেলার মাঠ, ড্রেন ও বাগান যথাযথভাবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা এবং কোথাও পানি জমে না থাকে তা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করতে হবে;
*প্রতিষ্ঠানসমূহে শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির সংখ্যা নিরুপণ করতে হবে;
*প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করতে হবে;
*স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে প্রতিপালন করা হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ ও বাস্তবায়নের জন্য প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করতে হবে। প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে আনন্দঘন শিখন কার্যক্রমের মাধ্যমে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালিত করতে হবে;
*প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত মেরামত, বৈদ্যুতিক মেরামত এবং পানি সংযোগজনিত মেরামত সম্পন্ন করতে হবে;
*প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটি ও অভিভাবকদের সাথে সভা করে এতদসংক্রান্ত বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
করোনার কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ থেকে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটি চলছে। সরকারের সর্বশেষ ঘোষণা অনুযায়ী, ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছুটি আছে। প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে খুলে দেওয়ার কথা রয়েছে। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে ছুটি আর বাড়ছে না।
একতার কণ্ঠঃ ১২ সেপ্টেম্বর থেকে প্রাথমিক,মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) চাঁদপুরে এক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ১২ সেপ্টেম্বর থেকে স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়া হতে পারে। তবে আগামী ৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলাসংক্রান্ত বিষয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় মিটিংয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ ও তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে দেশের সব মেডিকেল কলেজ খুলবে।
উল্লেখ্য, গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি থাকায় শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় নিয়ে সরকার ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে। পরে কয়েক দফা চেষ্টা করেও এই মহামারির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো আর খোলা সম্ভব হয়নি। দীর্ঘ দিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রয়েছে।চলমান এই ছুটি আরেক দফা বাড়ানো হয়েছে। সে অনুযায়ী, আগামী ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলমান ছুটি অব্যাহত থাকবে।
সম্প্রতি সচিব সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্রুত সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার নির্দেশ দেন। এর পর থেকেই জোরেশোরে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন সংশ্লিষ্টরা।
সংবাদ সূত্রঃ যুগান্তর অনলাইন
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সন্তোষে অবস্থিত মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ জননী জাহানারা ইমামের ম্যুরাল উদ্বোধন করা হয়েছে।বুধবার(১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জননী জাহানারা ইমাম হলের সামনে ম্যুরালের উদ্বোধন করেন, ভাইস-চ্যান্সেলর (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. এআরএম সোলাইমান।
এ সময় শহীদ জননী জাহানারা ইমাম হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. রোকেয়া বেগম, ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. সাজ্জাদ ওয়াহিদ, লাইফ সায়েন্স অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. মাহবুবুল হক,
বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. আনোয়ার হোসেন, বিজনেস স্টাডিস অনুষদের ডিন ড. সৈয়দ মওদুদ-উল-হক, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. মো. নাজমুস সাদেকীন, রেজিস্ট্রার ড. মোহা. তৌহিদুল ইসলাম, হাউজ টিউটর, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। ম্যুরাল উদ্বোধন শেষে মোনাজাত করা হয়।
একতার কন্ঠঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৬ তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার(৩০ আগস্ট) রাত ৮ টা ৩০ মিনিটে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বাঙালি জাতীয়তাবাদ, মুক্তিযুুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ উজ্জীবিত শিক্ষক সমাজের উদ্যোগে এক অনলাইন আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জননেতা ফজলুর রহমান খান ফারুক।
অনুষ্ঠানের সভাপতত্বি করেন, এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স এন্ড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. এ এস এম সাইফুল্লাহ এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রক্টর অধ্যাপক ড. মীর মোঃ মোজাম্মেল হক।
আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. কাজী নজিবুল্লাহ হিরু, সংস্কৃতি ও নাগরিক অধিকার কর্মী মাহমুদ সেলিম, শিক্ষক, গবেষক ও নাট্যকার অধ্যাপক ড. রতন সিদ্দিকী এবং মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যলয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ সিরাজুল ইসলাম।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মাসুদার রহমান।