একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে অতিরিক্ত টাকা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয়ের সহকারি প্রধান শিক্ষক মিনহাজ উদ্দিনের বিরুদ্ধে।
শিক্ষাবোর্ড থেকে তিন বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য সব মিলিয়ে সর্বোচ্চ ২ হাজার ১৪০ টাকা নির্ধারণ করে দিলেও এই বিদ্যালয়ে অতিরিক্ত আরও ২ হাজার ৫’শত টাকা নেয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছে দরিদ্র শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগন।
তবে সহকারি প্রধান শিক্ষক মিনহাজ উদ্দিনের দাবি, ভালো ফলের জন্য কোচিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ জন্য শিক্ষার্থী প্রতি ফরম পূরণের সময় শিক্ষাবোর্ড নির্ধারিত টাকার অতিরিক্ত ২ হাজার ৫’শত টাকা কোচিং ফি বাবদ নেয়া হয়েছে। এছাড়া কোন বেতন নেওয়া হয়নি।
জানা গেছে, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নে অবস্থিত মগড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০২৪ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ফরমপূরণ করেছে মোট ১০৪ জন শিক্ষার্থী। এবছর এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের জন্য প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে কত টাকা নেওয়া যাবে সেটি নির্ধারণ করে দিয়েছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের প্রতি শিক্ষার্থীর জন্য বোর্ড ফি ১ হাজার ৬২৫ টাকা ও কেন্দ্র-ফি ৫১৫ টাকাসহ মোট ২ হাজার ১৪০ টাকা। বাণিজ্য বিভাগ ও মানবিক বিভাগের প্রতি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বোর্ড ফি ১ হাজার ৫৩৫ টাকা ও কেন্দ্র-ফি ৪৮৫ টাকাসহ মোট ২ হাজার ২০ টাকা হারে নির্ধারণ করে গত ১৭ অক্টোবর একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে ফরম পূরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ওই বিজ্ঞপ্তিতে কোনোভাবেই অতিরিক্ত ফি নেওয়া যাবে না উল্লেখ করা হলেও মগড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে ৪ হাজার ৭০০ টাকা রশিদ ছাড়াই নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে একাধিক শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগন।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা জানায়, ৫ হাজার ৩০০ টাকা দিয়ে এসএসসি ফরম পূরণ করতে হয়েছে। মেয়ে বাড়ি গিয়ে জানিয়েছে, এ টাকা না দিলে নাকি ফরম পূরণ করতে দেওয়া হবে না। তাই কি করমু ডাবল টাকা দিয়ে ফরমপূরণ করতে বাধ্য হয়েছি। এভাবে কি সন্তাদের লেখাপড়া করানো সম্ভব?
তারা আরও জানায়, ফরম পুরণের সময় দুই বছরের বেতন বাবদ ৬০০ ও ৩ মাসের কোচিং ফি বাবদ ২৫০০ টাকা আগে পরিশোধ করতে হয়েছে। এরপর ফরমপূরণের টাকা নিছে।
মো.রফিকুল ইসলাম নামের এক অভিভাবক জানান, আমার সাথে বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির ছোট ভাইয়ের সাথে সখ্যতা থাকায় ৩ হাজার ১’শত টাকা দিয়ে মেয়ের ফরমপূরণ করেছি।
তিনি আরও জানান, আমাদের এলাকায় বেশিরভাগ লোক কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন। তাদের জন্য ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা দিয়ে ফরমপূরণ করা খুবই কষ্টের ব্যাপার।
সরেজমিনে দেখা যায়, স্কুলের নবম শ্রেনীর দুই শিক্ষার্থীকে দিয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক মিনহাজ উদ্দিন তার নিজের রুম পরিষ্কার করাচ্ছেন।
বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের স্কুলে গত দুই বছর যাবত আয়া নেই। তাই শিক্ষার্থীদের দিয়ে বিদ্যালয়ের মাঠ ক্লাসরুম আর অফিস পরিষ্কার করানো হয়।
বিদ্যালয়ের একাধিক সুত্র জানায়, প্রধান শিক্ষক শরিফুল ইসলাম গত কয়েক বছর যাবত শারিরীকভাবে অসুস্থ থাকায় সহকারি প্রধান শিক্ষক মিনহাজ উদ্দিন ও অফিস সহকারী আমীর হোসেন মিলে বিদ্যালয়ে নানা অনিয়ম ও শিক্ষক, শিক্ষার্থীদের সাথে খারাপ আচরণ করে আসছেন। তারা দুজনেই স্থানীয় হওয়ায় বিদ্যালয়ে অন্য শিক্ষকরা প্রতিবাদ করতে সাহস পায়না।
সুত্র আরও জানায়, এবারের মোট এসএসসি পরিক্ষার্থী সংখ্যা ১০৫জন। এর মধ্যে অনিয়মিত পরিক্ষার্থীর সংখ্যা রয়েছে ৭ থেকে ৮জন। শুধু নিয়মিত পরিক্ষার্থীরাই কোচিং ফি বাবদ টাকা জমা দিয়েছে।
মগড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. মেনহাজ উদ্দিন বলেন, ছাত্রীদের ভালো ফলের জন্য কোচিং এর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ জন্য শিক্ষার্থী প্রতি ফরম পূরণের সময় শিক্ষাবোর্ড নির্ধারিত টাকার অতিরিক্ত ২ হাজার ৫’শত টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। সরকারিভাবে কোচিং নিষিদ্ধ হলেও কিভাবে তারা সেটি করাচ্ছেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ভালো ফলাফলের জন্য বেসরকারি স্কুল গুলো কোচিং এর আয়োজন করে থাকে।
তিনি আরও বলেন, সরকার নির্ধারিত টাকার বাহিরে অতিরিক্ত টাকা শুধু আমরাই নিচ্ছি না,অনেক বিদ্যালয়ই নিচ্ছে।
বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. ফজলুল হক এর মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান-বিন-মুহাম্মাদ আলী বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রেবেকা সুলতানা জানান, বিষয়টি সম্পর্কে সুস্পষ্ট তথ্য প্রমান পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ উপজেলা পর্যায়ে একজন ইউএনওকে রাষ্ট্রের অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে হয়। দাপ্তরিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয়, বিভিন্ন জাতীয় দিবস পালন, জাতীয় দুর্যোগ মোকাবিলায় সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া থেকে শুরু করে সরকারি প্রটোকল তো আছেই।
এসব দায়িত্ব পালন করে চাইলেও যে একজন ইউএনও সাধারণত সহজেই বাড়তি সময় বের করতে পারেন না। কিন্তু এদিক দিয়ে ব্যতিক্রম টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ( ইউএনও) শাহাদাত হুসেইন।
তিনি শিক্ষা ক্ষেত্রে নানামুখী ব্যাতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করে অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যাপকভাবে প্রশংসিত ও আলোচিত হচ্ছেন।
কালিহাতীতে যোগদানের পর থেকেই নিষ্ঠার সহিত প্রশাসনিক দায়িত্বপালনের পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও খেলাধুলা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে তাঁর কর্মকাণ্ডগুলো ফলপ্রসূ হতে শুরু করেছে।
শিক্ষা নিয়ে তাঁর ব্যতিক্রমী উদ্যোগসমূহের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে– আকস্মিক স্কুল পরিদর্শন, বিতর্ক প্রতিযোগীতা আয়োজন, স্কুলে স্বল্প সময়ের ক্লাস, দিক-নির্দেশনা প্রদানসহ শিক্ষক-শিক্ষার্থী সকলকে উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম।
এছাড়া যখনই যে স্কুলে যান সেখানে তিনি বিভিন্ন বিষয়ে ছোট ছোট প্রতিযোগিতা আয়োজন করে শিক্ষার্থীদেরকে তাৎক্ষণিক পুরস্কার প্রদান করেন।

সম্প্রতি তিনি উপজেলার সাতুটিয়া ও সাকরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন এবং সেখানে শিক্ষার্থীদের মাঝে কুইজ প্রতিযোগীতা ও পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভূক্ত বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করেন। প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের জন্য পুরস্কার হিসেবে ‘পরিবেশ বান্ধব স্কুল ব্যাগ’ উপহার দেন। তিনি পর্যায়ক্রমে এক হাজার শিক্ষার্থীকে স্কুল ব্যাগ ও কলম উপহার দিবেন বলে জানা গেছে।
এছাড়া যুক্তিতেই মুক্তি স্লোগানকে প্রতিবাদ্য হিসেবে সামনে রেখে ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে আন্তঃকলেজ বিতর্ক প্রতিযোগিতা। মাধ্যমিক পর্যায়েও এ প্রতিযোগীতার আয়োজন করা হবে।
প্রোগ্রামটিকে ঘিরে উপজেলায় ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া লেখাপড়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের শারীরিক গঠন ঠিক রাখা ও মাদকমুক্ত রাখতে ফুটবল ও ব্যাডমিন্টন টূর্ণামেন্ট চলমান রয়েছে। তার উদ্যোগেই উপজেলা পরিষদের সামনে উন্মুক্ত ব্যাডমিন্টন কোট তৈরী করা হচ্ছে। সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। খুব শীঘ্রই শিশু-কিশোরদের বিনোদনের জন্য পৌরসভার পাশে উপজেলা পরিষদের খালি জায়গায় মিনি পার্ক নির্মাণ করা হবে বলে জানা গেছে।
ইউএনও শাহাদাত হুসেইন একের পর এক স্কুলে আকস্মিক পরিদর্শন, স্বল্প সময়ের ক্লাস, দিক-নির্দেশনা প্রদান, প্রতিযোগিতার আয়োজন ও পুরস্কার প্রদানের কারণে এখন প্রতিটি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে অধীর আগ্রহ পরিলক্ষিত হচ্ছে! তারা অপেক্ষা করতে থাকেন কবে, কখন ইউএনও তাদের স্কুলে আসবেন! শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ নিয়ে বেশ আলোচনা ও উৎসাহ পরিলক্ষিত হচ্ছে।
তাছাড়া তাঁর সার্বিক কার্যক্রম, নিয়মিত পরিদর্শন ও মনিটরিংয়ের ফলে শিক্ষকদের মধ্যেও এখন ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার একটি সুন্দর ও স্বাভাবিক পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে।
এ বিষয়ে সরকারী শামসুল হক কলেজের অধ্যক্ষ আনোয়ারুল কবীর বলেন, একজন প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা যদি মনে করে তার দাপ্তরিক কাজের বাহিরে একটি উপজেলাকে সমৃদ্ধশালী করবে, তাহলে তার অবস্থান থেকে সম্ভব যদি সদিচ্ছা থাকে। তবে বর্তমান ইউএনও একজন শিক্ষাবান্ধব ব্যাক্তিত্ব। এরমধ্যে তার উদ্যোগ এবং চলমান কাজগুলো প্রশংসা কুড়াচ্ছে। শিক্ষা নিয়ে তিনি অত্যন্ত গভীর ও আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, বাস্তবতার প্রেক্ষিতে আমাদের শিক্ষার্থীদেরকে একটি ভালো অবস্থানে নিয়ে আসতে এবং সার্বিক শিক্ষার মান উন্নয়নে তাঁর উদ্যোগেগুলো ব্যতিক্রমী। তিনি প্রতিটি বিষয় অত্যন্ত নিখুঁত ও সুন্দরভাবে করছেন। অচিরেই কালিহাতীবাসী এর সুফল দেখতে পাবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহাদাত হুসেইন জানান, সকলকে সাথে নিয়ে শিক্ষা ক্ষেত্রে ও নানামুখী সৃজনশীল কাজ করতে চাই। এ জন্য সবার সহযোগিতা আহ্বান করেন তিনি। শিক্ষার্থীদের মানোন্নয়নে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিতর্ক প্রতিযোগীতার আয়োজন,আকস্মিক স্কুল পরিদর্শনসহ সেখানে ছোট ছোট কুইজ প্রতিযোগীতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দেয়ার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে তাদের জন্য পুরস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।
তিনি আরও বলেন, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে তাঁর এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। সকলের সহযোগিতার মাধ্যমেই আমাদের আগামী প্রজন্মের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
একতার কণ্ঠঃ বিবেকানন্দ হাই স্কুল এন্ড কলেজে নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অন্ষ্ঠুানের আয়োজন করা হয়েছে। বরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের)।
বুধবার (১৫ নভেম্বর) সকালে বিবেকানন্দ হাই স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রেবেকা সুলতানা, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ, সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মুজিবুল আহ্সান, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও প্রতিষ্ঠানের শিক্ষানুরাগী সদস্য আকরাম হোসেন কিসলু, গভর্নিংবডি সদস্য ও টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ আব্দুর রহিম, সিরাজুল ইসলাম লিজু বাউলা প্রমূখ।
নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে আয়োজিত সভায় সভাপতিত্ব করেন বিবেকানন্দ হাই স্কুল এন্ড কলেজের গভর্নিংবডি সভাপতি রওশন আরা খান।
অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে এর অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন একাদশ শ্রেণীর ইনচার্জ আবু দাউদ ও দ্বাদশ শ্রেণীর ইনচার্জ রুনা লায়লা।
এ সময় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ বিবেকানন্দ হাই স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক, শিক্ষিকা, অভিভাবক ও ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই ফুল দিয়ে একাদশ শ্রেণীর নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করেন দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা। মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন টাঙ্গাইলের আলোচিত বাউল শিল্পী সিরাজুল ইসলাম লিজু বাউলা। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও গান ও নাচ পরিবেশন করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের “মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শক্তিশালীকরণ” প্রকল্পের আওতায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নবনির্মিত ১০ তলা বিশিষ্ট প্রশাসনিক ভবন, ১২ তলা বিশিষ্ট একাডেমিক-কাম-রিসার্স ভবন, ৫৫০ জন ছাত্রের জন্য ৬ তলা বিশিষ্ট শেখ রাসেল হল, ৭০০ জন ছাত্রীর জন্য দশ তলা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল, সিনিয়র শিক্ষক ও কর্মকর্তাগণের জন্য ৫ তলা পর্যন্ত আবাসিক ভবন এবং ৫ তলা পর্যন্ত মাল্টিপারপাস ভবন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এছাড়াও শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-টাঙ্গাইল এর কার্যক্রম,ধনুয়া-এলেঙ্গা এবং বঙ্গবন্ধুসেতুর পশ্চিম পাড়-সলকা গ্যাস সঞ্চালন পাইপলাইনেরও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বুধবার(১৪ নভেম্বর) সকালে ভিডিও কনফারেন্সে’র মাধ্যমে এসব প্রকল্প উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এই উপলক্ষ্যে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস, শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
এসব অনুষ্ঠানে স্থানীয় সংসদ সদস্যবৃন্দ,স্থানীয় জনপ্রতিনিধি,চিকিৎসক,শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ লায়ন ফেরদৌস আলম ফিরোজ উচ্চ বিদ্যালয় ও লায়ন ফেরদৌস আলম ফিরোজ কলেজের প্রতিষ্ঠাতা লায়ন ফেরদৌস আলম ফিরোজ ও কালিহাতী-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারীর বিরুদ্ধে মিথ্যাচার, কুৎসা রটনা, অপপ্রচার ও মানহানিকর বক্তব্যের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোজহারুল ইসলাম তালুদারের কুশপুত্তলিকা দাহ করে তাকে অবাঞ্চিত ঘোষনা করেছে দুইটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা।
মঙ্গলবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের গান্ধিনা ফিরোজ নগরে প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানদ্বয়ের শিক্ষার্থীরা গান্ধিনা বাজারে এ প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করে।
এসময় শিক্ষার্থীদের সাথে প্রতিবাদ সমাবেশে যোগ দেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক কর্মচারী ও স্থানীয়রা।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, লায়ন ফেরদৌস আলম ফিরোজ কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান কবির, প্রভাষক আবু কাউসার, লায়ন ফেরদৌস আলম ফিরোজ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামান জামাল প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোজহারুল ইসলাম তালুকদারের মিথ্যাচার, কুৎসা রটনা, অপপ্রচার ও মানহানিকর বক্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানান। শেষে মোজহারুল ইসলাম তালুকদারের কুশপুত্তলিকা দাহ করে তাকে কালিহাতীর নাগবাড়ি ইউনিয়নে অবাঞ্চিত ঘোষনা করে দুইটি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।
উল্লেখ্য,গত রবিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোজহারুল ইসলাম তালুকদার স্থানীয় সংসদ সদস্য হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারী ও লায়ন ফেরদৌস আলম ফিরোজের বিরুদ্ধে নানা ধরনের দূর্নীতির বিষয়ে বক্তব্য দেন।
সেই বক্তব্যের জেরে লায়ন ফেরদৌস আলম ফিরোজ কলেজ ও উচ্চ বিদ্যালয়ের সকল ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক ও সংসদ সদস্য মোহাম্মদ হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারী এবংলায়ন ফেরদৌস আলম ফিরোজের সমর্থকরা এর প্রতিবাদ জানায়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ছিলিমপুর ইউনিয়নে ১৯৫২ সালে বরুহা উচ্চ বিদ্যালয়টি স্থাপিত হলেও এতদিন ছিল উন্নয়ন বঞ্চিত। সম্প্রতি নতুন পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির দায়িত্ব নেন শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ রৌফ। দায়িত্ব নিয়েই তিনি বিদ্যালয়টির উন্নয়নে ব্যাপক প্রচেষ্টা শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার (১২ নভেম্বর) দুপুরে বিদ্যালয়টির সর্বাধুনিক ৪তলা একাডেমিক ভবনের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন।
এছাড়া বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পৃথক টয়লেট নির্মাণের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয় উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে।
ভবনের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠান উপলক্ষে রবিবার সকাল থেকেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে উপস্থিত ছিল বিপুল সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
পরে বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের উদ্যোগে বিদ্যালয় মাঠে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন এমপি।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ছানোয়ার হোসেন এমপি বলেন, যে কোন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে নিয়মানুবর্তিতা। জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে হলে নিয়মানুবর্তিতার কোন বিকল্প নেই। এই বিদ্যালয়ে ইতিমধ্যে শেখ রাসেল ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। রবিবার ৪তলা একাডেমিক ভবনের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হলো। আশা করি, এই বিদ্যালয় থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা ভালো ফলাফল করে জাতীয় পর্যায়ে নেতৃত্ব দেবে।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ রৌফ’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ফারুক হোসেন মানিক, সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা নবীন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার, ছিলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুজায়েত হোসেন মোল্লা প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশরাফ হোসেন।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা নাসরিন আক্তার।

অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিসহ ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজন করে
উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ছিলিমপুর ইউনিয়নের বরুহা উচ্চ বিদ্যালয়টি ১৯৫২ সালে ডা. আব্দুর রহমান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে মেধা যাচাইয়ে বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে অংশ নেন- জেলার ভূঞাপুর, গোপালপুর, ঘাটাইল ও কালিহাতী উপজেলার ১৩০টি সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রথম শ্রেণি থেকে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত ১ হাজার ২৬০ জন শিক্ষার্থী। এই বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পেরে ব্যাপক উচ্ছ্বসিত হাজারো শিক্ষার্থী।
শুক্রবার (২৭ অক্টোবর) বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন করেন- সামাজিক সেবামূলক সংগঠন ‘প্রতিভা ছাত্র সংগঠন’। ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও ভূঞাপুর পাইলট উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে এ বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা শুরু হয় সকাল ১০ টায় এবং বেলা ১২ টায় শেষ হয়।
বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়া চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী মোছা: রওশনরা খাতুন বলেন, আমি এবারই প্রথম এই বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছি। বৃত্তি পাওয়াটা বড় কথা নয়, অংশ গ্রহণ করাটাই সবচেয়ে বড় বিষয়। আশা করছি পরীক্ষা ভালো হলে সফলতা অর্জন করতে পারব। আয়োজনকদের ধন্যবাদ।
৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী সুমাইয়া খাতুন, মর্জিনা আক্তার, রুবেল মিয়া ও তৌহিদ হাসান বলেন, আমরা এবারই বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছি। করোনার কারণে এরআগে অংশ নিতে পারেনি। প্রতিভা ছাত্র সংগঠন বৃত্তি পরীক্ষার আয়োজন বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ভাল লাগছে। প্রতি বছরই সংগঠনটি এমন আয়োজন করুক এমনটাই প্রত্যাশা।
এসময় পরীক্ষার হল পরিদর্শন করেন- ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মহীউদ্দিন, ভূঞাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মনিরুজ্জামান বাবু, ভূঞাপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহ আলম প্রামাণিক, ফলদা শরিফুননেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সন্তোষ কুমার দত্ত প্রমুখ।
প্রতিভা ছাত্র সংগঠনের সভাপতি মো: রেজওয়ানুল করিম রানা বলেন, প্রতিভা ছাত্র সংগঠনের উদ্যোগে বৃত্তি পরীক্ষা শুরু হয় ২০১৯ সালে। করোনার প্রকোপ কাটিয়ে দুই বছর পর ফের পরীক্ষার আয়োজন করা হয়। এবার ভূঞাপুরসহ পাশ্ববর্তী তিন উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিশুসহ ১ হাজার ২৬০ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়েছে।
কর্মসূচির মধ্যে ছিল- জাতীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলন, পায়রা-বেলুন ও ফেস্টুন উড়ানো, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ও মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর মাজারে পুস্পস্তবক অর্পণ, আনন্দ শোভাযাত্রা, আলোচনা সভা, কেক কাটা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল ইত্যাদি।
বৃহস্পতিবার সকালে প্রশাসনিক ভবনে পতাকা উত্তোলন শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ডক্টর মো. ফরহাদ হোসেন রিজেন্ট বোর্ড সদস্য, ডিন ও রেজিস্ট্রারকে নিয়ে পায়রা- বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। পরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুর্যাল ও মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজারে পুস্পস্তবক অর্পণ করা হয়।
সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে একটি আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়। আনন্দ শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ডক্টর মো. ফরহাদ হোসেন নেতৃত্ব দেন। আনন্দ শোভাযাত্রাটি ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ১২তলা একাডেমিক ভবনের সামনে কেক কাটা অনুষ্ঠানে মিলিত হয়।
এছাড়া বাদ যোহর কেন্দ্রীয় মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল এবং বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

কর্মসূচি পালনকালে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ডক্টর এআরএম সোলাইমান, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ডক্টর মো. সিরাজুল ইসলাম, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, হল প্রভোস্ট, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।
প্রকাশ, ১৯৯৯ সালের ১২ অক্টোবর তৎকালীন ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাংগাইলের সখীপুরে সাপের কামড়ে মো. জোবায়ের (১২) নামে ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার আড়াই পাড়া হামের মোড় সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে।
নিহত শিশু জোবায়ের উপজেলার আড়াই পাড়া গ্রামের মো. আনোয়ার হোসেনের ছেলে। সে স্থানীয় ডাবাইল হাফেজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র ছিল।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে জোবায়ের বাড়ির পাশের একটি পুকুরে বরশি দিয়ে মাছ ধরতে গেলে বিষাক্ত সাপ তাকে দংশন করে। তার চিৎকারে আশে পাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে। পরে তার পায়ে ডোর বেধে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জোবায়েরকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে নিহতের লাশ বাড়িতে আনা হলে নিহতের স্বজনেরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
একতার কণ্ঠঃ বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডের ব্যানার খুলে ফেলার অভিযোগ উঠেছে মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগসহ আওয়ামীপন্থী শিক্ষকরা। বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকার বিরোধীদের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও অভিযোগ তাদের।
গত ২৪ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কর্মীসভা উপলক্ষে নানা ধরণের ব্যানার ফেস্টুন লাগায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। পাশাপাশি বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডের ব্যানার লাগায় ছাত্রলীগ নেতা মানিক শীল।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নির্দেশে গত ৪ অক্টোবর (বুধবার) থেকে ছাত্রলীগের লাগানো সকল ব্যানার খোলা শুরু করে নিরাপত্তা শাখায় কর্মরত কর্মচারীরা। ছাত্রলীগ নেতা মানিক শীল সরকারের উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডের ব্যানার গুলো না খোলার জন্য অনুরোধ করলেও তা উপেক্ষা করেই ব্যানার গুলো খুলে ফেলা হয়।
ছাত্রলীগ নেতা মানিক শীলের অভিযোগ, বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডের ব্যানার ছেঁড়ার ঘটনায় আমাদের ছাত্রলীগের নেতাকর্মীসহ যারা আওয়ামীপন্থী আছেন সবাই ক্ষুব্ধ। উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডের ব্যানারে আমার ব্যক্তিগত কোন ছবি নেই। ছাত্রলীগের সাধারন কর্মী হিসেবে আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডের প্রচারণা চালাচ্ছি। যা বিভিন্ন সরকারী অফিস বা দপ্তরেও প্রচারণা চালানো হচ্ছে। তবে তারা আবার ব্যানার লাগিয়ে দিতে চেয়েছেন। ইতোমধ্যেই নাকি বড় বড় করে ব্যানার বানাতে দেয়া হয়েছে বলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তিনি জানতে পেরেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক নিবিড় পালের অভিযোগ, ১২ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের অজুহাতে আর বিশ্ববিদ্যায়ল কর্তৃপক্ষের নির্দেশেই বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডের ব্যানার গুলো খুলে ফেলা হয়েছে। তবে এটা খুবই দুঃখজনক। বর্তমান সরকারের উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডগুলো ওই ব্যানারের মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষার্থীরা জানতে পারতো। এতে সরকারের ভাবমুর্তি বৃদ্ধি পেত। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ব্যানার গুলো পুনরায় টাঙিয়ে দেয়ার কথা বললেও এখনও তা বাস্তবায়ন হয়নি।
বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের মিটিং হচ্ছে বলে ফোন কেটে দেন এস্টেট শাখার পরিচালক প্রফেসর ড. মো. মুছা মিয়া।
প্রক্টর প্রফেসর ড. মীর মো. মোজাম্মেল হক বলেন, মোবাইলে কোন বক্তব্য দিব না। প্রয়োজন থাকলে ক্যাম্পাসে আসেন।
মোবাইলে বক্তব্য দিতে রাজি হননি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. ফরহাদ হোসেন।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন জানান, সরকারের উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডের ব্যানার খুলে ফেলার বিষয়টি ঠিক করেননি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কর্মীসভা উপলক্ষে ব্যানার গুলো যেহেতু টাঙানো হয়েছিল, কর্তৃপক্ষ ব্যানার গুলো সরিয়ে নেয়ার জন্য ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে বলতো তারা দায়িত্ব নিয়ে খুলে ঠিক করেননি। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জবাবদিহি করতে হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক এমপি’র পাঁচ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পতিত জমিতে হচ্ছে ড্রাগন ফল চাষ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পড়ে থাকা পতিত জমিতে লাগানো ড্রাগন ফল থেকে প্রতি মৌসুমে আয় হচ্ছে লাখ লাখ টাকা। লাভের সেই টাকা ব্যয় হচ্ছে নিজ উদ্যোগে নির্মিত এতিমখানায়। এতে সুরক্ষিত হয়েছে এতিমখানাসহ শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ।
একান্ত সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক এমপি আলহাজ্ব মো. আবুল কাশেম।
সরেজমিনে দেখা গেছে, দেলদুয়ার উপজেলায় দেউলি ইউনিয়নের আলালপুর গ্রামে পাশাপাশি কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। বোরহানুল উলুম আহমাদিয়া ইয়াছিনিয়া ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসা, সুফিয়া কাশেম বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, আবুল কাশেম ট্রাষ্ট মসজিদ, আল জামিয়াতুল কাছেমিয়া ও জামেরুন্নেছা এতিমখানা, কমিউনিটি ক্লিনিক, পোস্ট অফিস ও সামাজিক কবরস্থান। প্রায় ১৮ একর জমির উপর গড়ে উঠা প্রতিষ্ঠানগুলো ১০ একর পতিত জমিতে চাষ করা হয়েছে ড্রাগন ফল।
বাগানের কৃষক মো. আব্দুল কাদের বলেন, ১০ একর জমির উপর এই ড্রাগন বাগান করা হয়েছে। বাগানে ড্রাগনের চারা রয়েছে পনের হাজার। আমাদের বাগানে লাল, গোলাপী, বেগুনী, হলুদ ও সাদা জাতের ফল রয়েছে।
তিনি বলেন, এখন ড্রাগন ফলের মৌসুম। তবে আমাদের বাগানে ফল বেশি বড় হচ্ছে না। কেজিতে ধরছে পাঁচ ছয়টা।

তিনি আরও বলেন, ড্রাগন ফল বাজারজাত করতে কোন কষ্ট হয় না। আমরা স্থানীয় পাইকারীদের কাছে বিক্রি করে থাকি। এছাড়াও নিজস্ব খরচে ঢাকায় পৌছিয়ে দিলে পাইকারীরা ন্যয্যমুল্যে দিয়ে থাকেন। প্রতিদিন প্রায় ৬শ থেকে ৮শ কেজি ড্রাগন ফল উত্তোলন করা যায়। তবে আমরা তা না করে মাসে মাসে উত্তোলন করছি। মাঝে মাঝে স্থানীয় পাইকারদের দাবির কারণে এর আগেও উত্তোলন করে বিক্রি করি। স্থানীয় পাইকারদের কাছে প্রতি কেজি দুই থেকে আড়াইশ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে আমাদের ড্রাগন ফল।
বোরহানুল উলুম আহমাদিয়া ইয়াছিনিয়া ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী কবিরসহ কয়েক জন জানায়, ড্রাগন ফলের বাগানে সজ্জিত আমাদের বিদ্যাপিঠ। এই বাগান দেখে শুধু আমরাই আনন্দ পাইনা, বিভিন্ন এলাকা থেকেও বাগানগুলো দেখতে মানুষ আসছেন। এছাড়াও আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি অনেক জায়গায় থাকায় পর্যাপ্ত আলো বাতাস পাওয়া যায়। শিক্ষা ব্যবস্থাও ভালো বলে জানান তারা।
আল জামিয়াতুল কাছেমিয়া ও জামেরুন্নেছা এতিমখানার মুহতামিম হাফেজ ইমরান হোসেন বলেন, এতিমখানা ও হিফজ শাখায় বর্তমানে অধ্যায়ন শিক্ষার্থী সংখ্যা ৪২জন। অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের খানাপিনা ভোরণ পোষণের দায়িত্ব পালন করছেন প্রতিষ্ঠাতা টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক এমপি আলহাজ্ব মো. আবুল কাশেম।
তিনি আরও বলেন, এতিমখানার শিক্ষার্থীদের ভোরণ পোষণের চাহিদা মেটাতে তিনি ১০ একর পতিত জমিতে ড্রাগন বাগান করেছেন। ওই ফল বিক্রির টাকা ব্যয় হচ্ছে এতিমখানার শিক্ষার্থীদের পিছনে বলেও জানান তিনি।
বোরহানুল উলুম আহমাদিয়া ইয়াছিনিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. ইব্রাহিম খলিল বলেন, আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চারদিকে ড্রাগন ফলের বাগান। বাগানটি দেখতে অসাধারণ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীরা প্রকৃতির মনোরম পরিবেশে বেড়ে উঠছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠান গুলোর প্রতিষ্ঠাতা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েই এই ড্রাগন বাগান করেছেন। উনার অবর্তমানে প্রতিষ্ঠানগুলো যেন বন্ধ না হয়, সে লক্ষেই উনার এই বাগান করা। বাগান থেকে উপার্জিত টাকা এতিমখানাসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনায় ব্যয় করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও আবুল কাশেম ট্রাষ্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. আবুল কাশেম জানান, ১৯৭৩ সালে আমার পিতা ইন্তেকাল করেন। উনার রুহের মাগফিরাতের জন্য ওই সালেই আমি এখানে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করি। আমার প্রতিষ্ঠিত বোরহানুল উলুম আহমাদিয়া ইয়াছিনিয়া ফাজিল মাদ্রাসাটি বর্তমানে ডিগ্রী মাদ্রাসার উন্নিত হয়েছে। এর পাশাপাশি এখানে প্রতিষ্ঠা করেছি সুফিয়া কাশেম বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, আবুল কাশেম ট্রাষ্ট মসজিদ, আল জামিয়াতুল কাছেমিয়া ও জামেরুন্নেছা এতিমখানা, কমিউনিটি ক্লিনিক, পোস্ট অফিস আর একটি সামাজিক কবরস্থান। এই প্রতিষ্ঠাগুলোর পরিচালনার ব্যয় মিটাতে আমার এই ড্রাগন বাগান করার উদ্যোগ।

তিনি জানান, আমার ১৮ একর জমির ৮ একর জমিতে প্রতিষ্ঠানগুলো নির্মিত হয়েছে। বাকি ১০ একর পতিত জমিতে ড্রাগন বাগান করা হয়েছে। আমার এই ড্রাগন বাগানের বয়স প্রায় দেড় বছর। এ বছর আমি প্রায় ১৩/১৪ লাখ টাকার ফল বিক্রি করতে পেরেছি। ড্রাগন ফল বিক্রির টাকা এতিমখানাসহ প্রতিষ্ঠানগুলোর পিছনে ব্যয় করা হচ্ছে। ওই টাকা আমি আমার ব্যক্তিগত কোন কাজে খাটাই না। আমার ইচ্ছে আমার সকল সম্পতি আমি ট্রাস্টের নামে দিয়ে যাবো। সম্পতির সকল আয়ে চলবে আমার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলো।
তিনি আরও জানান, আগামীতে প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে পরনির্ভরশীল না হয় সেই লক্ষেই আমার এই বাগান করার উদ্যোগ। আমার প্রতিষ্ঠিত এতিমখানায় যাতে দুই থেকে তিনশ এতিম সন্তান থাকতে পারে। তাদের আর্থিক কোন কষ্ট না হয় সেটিকেই প্রাধান্য দিয়ে আমি ড্রাগন চাষে এগিয়ে যাচ্ছি। বাগানটি করতে আমাকে দেশের অনেক জায়গাতে ঘুরতে হয়েছে। সর্বশেষ নাটোর থেকে এই ড্রাগনের চারা এনে বপন করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাণিজ্যিক এলাকা করটিয়ার আবেদা খানম গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের মুখ উজ্জল করলেন শাফিহা ইয়াসফিন আদ্রিকা (১৬)। সে এ বছর এসএসসি হিসাব বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ।এছাড়া এসএসসি পরীক্ষায় টাঙ্গাইল জেলায় মেধা তালিকায় তৃতীয় স্থান অধিকার করেন তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আবেদা খানম গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. খলিলুর রহমান।
শাফিহা ইয়াসফিন আদ্রিকা টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া চৌধুরী পাড়া এলাকার সোয়েব হোসেন লাভলু চৌধুরী জৈষ্ঠ্য কন্যা এবং করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনুর নাতনী।
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. খলিলুর রহমান জানান,এ বছর করটিয়া আবেদা খানম গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষা দেন শাফিহা ইয়াসফিন আদ্রিকা। তার রোল নং ৫৫০৪৯৪, শাখা বানিজ্য। পরীক্ষায় সে জিপিএ -৫ পেয়েছে। বৃহস্পতিবার(২৯ সেপ্টেম্বর) রেজাল্ট সিট পাওয়ার পর নিশ্চিত হয় সে টাঙ্গাইল জেলায় এবারের এসএসসি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় বানিজ্য শাখা থেকে তৃতীয়স্থান অধিকার করেছেন। এমন খবরে তার পরিবার ও প্রতিবেশীদের মধ্যে খুশি ও আনন্দের জোয়ার বইছে।
জেলায় তৃতীয় স্থান অধিকারী আদ্রিকা তার অনুভুতি ব্যক্ত করে জানান, আমার ফলাফল ধারাবাহিকভাবে ভাল করতে চাই। আমার ইচ্ছা আছে বড় হয়ে একজন ভালো ব্যাংকার হতে চাই।
আদ্রিকার বাবা সোয়েব হোসেন লাভলু জানান, আদ্রিকার সাফল্য শুধু তার মেয়ের একার সাফল্য নয়,এই ফলাফল তার বিদ্যালয় ও জেলার সুনাম বয়ে এনেছে। আপনারা দোয়া করবেন আমার মেয়ে যেন ভবিষ্যতে আরও ভাল ফলাফল করে সবার মুখ উজ্জল করতে পারে।
আবেদা খানম গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. খলিলুর রহমান জানান, আদ্রিকা আমাদের স্কুলের অত্যান্ত মেধাবী একজন ছাত্রী। আমাদের আশা ছিল, এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় আদ্রিকা ভাল ফলাফল করবে। সে ভাল ফলাফল করে আমাদের স্কুলের মুখ সুনাম বৃদ্ধি করেছে। আশাকরি, এইচএসসি পরীক্ষায়ও সে ভাল ফলাফল করবে।
করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী জানান,আদ্রিকার এই ফলাফলে আমি অত্যান্ত গর্বিত ও আনন্দিত। আমি তার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।