/ হোম / আইন-আদালত
টাঙ্গাইল সদরের সাবেক এমপি ছানোয়ার ঢাকায় গ্রেপ্তার  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল সদরের সাবেক এমপি ছানোয়ার ঢাকায় গ্রেপ্তার 

আরমান কবীরঃ রাজধানী ঢাকার ভাটারায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছানোয়ার হোসেন (৫৪) সহ তিন আওয়ামী লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপির ভাটারা থানা পুলিশ।

শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টা ৩০ মিনিটে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ব্লক- এল এর ১০নং রোডের ২৫০১ নং বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রবিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমানের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ভাটারা থানা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সকাল ১০টায় ভাটারা থানার জে ব্লকের ৯ নম্বর রোডের সড়কে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী মিঠুন ফকির (২৮) হামলায় আহত হন। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে ১৯ ডিসেম্বর ভাটারা থানায় একটি মামলা করেন। তদন্তাধীন এ মামলায় গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় শনিবার রাতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা হতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সালাউদ্দিন সালেক ওরফে সালেক ঢালী এ মামলায় এজাহারনামীয় ও এমপি ছানোয়ার হোসেন ও আবু মুসা আনসারী মামলার সন্দেহভাজন আসামি। গ্রেপ্তারকৃতদের রবিবার দুপুরে ঢাকা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল বলেন, বিনা ভোটে নির্বাচিত টাঙ্গাইল সদর আসনের এমপি ছানোয়ার হোসেন গ্রেপ্তারের খবরে শহরে আনন্দ উৎসব হচ্ছে। আশা করি, অতি দ্রুত বিচার করে তাকে শাস্তির আওতায় আনা হবে।

এদিকে, ছানোয়ার হোসেনের গ্রেপ্তারের খবরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ লাবলু মিয়া লাবুর নেতৃত্বে শহরে আনন্দ মিছিল ও মিষ্টি বিতরণ করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ১০:৩৩:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ভালোবাসা দিবসে ফুল বিক্রি করায় দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভালোবাসা দিবসে ফুল বিক্রি করায় দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ

আরমান কবীরঃ বসন্ত ও ভালোবাসা দিবসে ফুল বিক্রি করায় টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলায় দোকানে `তৌহিদী জনতা’র ব্যানারে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে ‘ভালোবাসা বিরোধী’ বিক্ষোভ করেছেন তারা।

শুক্রবার(১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে উপজেলার ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়কের ভূঞাপুর থানা কাছে কলেজ রোডে ‘মামা গিফট কর্নারে’ এই ভাঙচুর ও বিক্রির জন্য রাখা ফুল রাস্তায় ফেলে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন দোকানদার।

এসময় বিক্ষুদ্ধরা ‘ভালোবাসা দিবস, ভালোবাসা দিবস- চলবে না, চলবে না’, ‘প্রেমিক-প্রেমিকার গালে গালে, জুতা মারো তালে তালে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেয়।

ফুলের দোকানদার আলম
জানান, “দীর্ঘদিন ধরে দোকানে ফুল বিক্রি করি। এর মধ্যে শুক্রবার বিকালে কিছু লোকজন এসেই দোকানে হঠাৎ আক্রমণ ও ভাঙচুর করে ফুলগুলো রাস্তায় ফেলে দেয়।

“ভালবাসা দিবসে কেন ফুল বিক্রি করছি সেটাই অপরাধ। আরেকটি দোকান ভেঙেছে তাও কিছু বলিনি। আগেরদিন তারা নিষেধ করে গিয়েছিল।”

এদিকে স্থানীয় নিরিবিলি ফুড কর্নারের ম্যানেজার আসাদ খান বলেন, “ ১৩ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) হুজুররা এসে ফাস্টফুড বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিল। তখন তারা ফাস্টফুডে বিক্ষোভ করে বিভিন্ন স্লোগানে দিয়েছিল। ফলে বাধ্য হয়ে শুক্রবার প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে।”

এদিকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে শনিবার ভূঞাপুরে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর ‘বসন্তবরণ অনুষ্ঠান’ স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ভূঞাপুর শাখার সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মেহেদী হাসান।

তিনি বলেন, “ভালোবাসা দিবসের বিভিন্ন ঘটনার কারণে অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়াতে বসন্তবরণের অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পরবর্তীতে বসন্তবরণ অনুষ্ঠান করা হবে।”

তবে ভূঞাপুর অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম রেজাউল করিম বলেন, “ফুল দোকানের ঘটনার বিষয়টি জানা নেই। এছাড়া ভাঙচুরের বিষয়েও কোনো অভিযোগ পাইনি বলে দায়িত্ব এড়িয়ে যান।

 

শুক্রবার(১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে উপজেলার ভূঞাপুর-তারাকান্দি সড়কের ভূঞাপুর থানা কাছে কলেজ রোডে ‘মামা গিফট কর্নারে ভাঙচুর করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ০৯:২২:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ভালোবাসা দিবসে শহরের রাস্তায় উত্ত্যক্তের শিকার নারী সমন্বয়ক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভালোবাসা দিবসে শহরের রাস্তায় উত্ত্যক্তের শিকার নারী সমন্বয়ক

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নারী সমন্বয়ক ফাতেমা রহমান বীথি উত্ত্যক্তের শিকার হয়েছেন।

শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯ টার দিকে শহরের প্রাণকেন্দ্রে ভিক্টোরিয়া ফুড জোনের সামনে সমন্বয়ক বীথিসহ তার সঙ্গে থাকা মেয়েদের উত্ত্যক্ত করে চার বখাটে যুবক।

প্রতিবাদ করলে উল্টো ওই নারী সমন্বয়কের সঙ্গে খারাপ আচরণ করা হয়। এ সময় আশে পাশে থাকা লোকজন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ঘটনাটি প্রত্যক্ষ করলেও তাকে বাঁচাতে কেউ এগিয়ে আসেনি বলে জানা গেছে।

সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে অভিযুক্তদের মধ্যে দুজনকে শনাক্ত করা গেছে। তাঁদের একজন অমিয় ও অন্যজন মুন্না। বাকি দুজনের পরিচয় এখনও মেলেনি।

ফাতেমা রহমান বীথি টাঙ্গাইল আইন কলেজের শিক্ষার্থী এবং জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের স্থগিত হওয়া কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক ও  ছাত্র ফেডারেশন টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সিসিটিভির ভিডিওতে দেখা গেছে, মোটরসাইকেলের ওপর বসা দুই যুবক সমন্বয়ক বীথির সঙ্গে তর্কাতর্কি করছে। এ সময় ঘটনাস্থলে লোকজন জড়ো হয়ে গেলে তারা মোটরসাইকেল নিয়ে চলে যায়।

এ বিষয়ে ফাতেমা রহমান বীথি বলেন, ‘শুক্রবার রাতে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে থেকে ওই বখাটেরা অনুসরণ করছিল। পরে সেখান থেকে ভিক্টোরিয়া ফুড জোনে আসার পর তারা উত্ত্যক্ত করে। এ সময় তারা বিভিন্ন বাজে মন্তব্য করেছে। পরে প্রতিবাদ করলে তারা খারাপ আচরণ করে। একপর্যায়ে লোকজন জড়ো হয়ে গেলে তারা পালিয়ে যায়। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। ওই বখাটেদের শাস্তি দাবি করছি।’

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ জানান, ঘটনার পর ফাতেমা রহমান বীথি আমাকে ফোনে জানালে আমি ছুটিতে থাকায় সাব-ইন্সপেক্টর (এস আই) নজরুলকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। এখন পর্যন্ত থানায় কোন অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ০৭:৩২:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ২৪ ঘন্টায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ২১ আ’লীগ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ২৪ ঘন্টায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ২১ আ’লীগ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘন্টায় ডেভিল হান্ট অপারেশনে বিভিন্ন এলাকা থেকে আওয়ামী লীগের ২১জন নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে আওয়ামী লীগের ইউপি চেয়ারম্যান, পৌরসভার কাউন্সিলররা রয়েছেন।

রাতভর অভিযানে আটক হওয়া নেতাকর্মীদের জেলার বিভিন্ন জায়গার নাশকতার মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলার স্ব স্ব থানা পুলিশ আটককৃতদের টাঙ্গাইল আদালতে পাঠিয়েছে।

জানা গেছে, সারাদেশে ডেভিল হান্ট অপারেশনের লক্ষে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় মঙ্গলবার রাতে অভিযান চালায় আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। গ্রাম পর্যায়ে এসব অভিযানে আওয়ামী লীগের নেতাকমীদের আটক করা হয়। পরে আটক করা এসব নেতাকর্মীদের বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

জেলার কালিহাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও নারান্দিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ তালুকদার, দুর্গাপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম ও কোকডহরা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ইসমাইল হোসেন।

ভূঞাপুর পৌরসভার সাবেক প্যানেল মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম তালুকদার এবং পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বেলাল হোসেনকে আটক করা হয়। এছাড়া মধুপুরে ১জন, গোপালপুরে ৪জন, ঘাটাইলে ২জন, টাঙ্গাইল সদরে ৪জন, মির্জাপুরে ৩জন, সখীপুরে ১জন ও নাগরপুরে ১জন রয়েছে।

কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম ভূইয়া জানান, আটক আওয়ামী লীগ নেতাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম রেজাউল করিম বলেন, আটককৃতরা টাঙ্গাইল সদর থানার নাশকতা মামলার আসামি। পরে তাদের টাঙ্গাইল সদর থানায় প্রেরণ করা হয়েছে।

এবিষয়ে জানতে জেলা পুলিশ সুপার মিজানুর রহমানের সঙ্গে মোবাইলে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ০৩:২৮:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মহাসড়কের পাশ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মহাসড়কের পাশ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বাসাইল উপজেলার করাতিপাড়া বাইপাসের পাশ থেকে অভিজিত কুমার (২৬) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে বাসাইল থানা পুলিশ।

সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের গুল্যা এলাকা থেকে এই মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত অভিজিত কুমার সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার পাঁচগাছি গ্রামের রিপন চন্দ্র সরকারের ছেলে বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সোমবার সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে যুবকের মরদেহ দেখতে পাই। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রথমে যুবকের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব না হলেও পরে তার প্যান্টের প্যাকেটে থাকা জন্ম সনদ, সার্টিফিকেট দেখে পরিচয় শনাক্ত করা হয়।

বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জালাল উদ্দিন বলেন, ঘটনাস্থল থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রথমে যুবকের পরিচয় শনাক্ত করা যাইনি। পরে তার প্যান্টের প্যাকেট থেকে কাগজ দেখে পরিচয় শনাক্ত করা হয়। স্থানীয় মেম্বার-চেয়ারম্যানের মাধ্যমে তার পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ০৯:০৪:পিএম ১ বছর আগে
টাংগাইলে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের শহর শাখার সহ-সভাপতি গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাংগাইলে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের শহর শাখার সহ-সভাপতি গ্রেপ্তার

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের শহর শাখার সহ-সভাপতি ইকবাল হায়াতকে(৩২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে পৌর শহরের বটতলা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত হায়াত, পৌর এলাকার ১৬ নং ওয়ার্ডের আকুর-টাকুর পাড়া এলাকার মিজানুর রহমানের ছেলে বলে জানা গেছে।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ জানান,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে অভিযান চালিয়ে শহরের বটতলা এলাকা থেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের টাঙ্গাইল শহর শাখার সহ-সভাপতি ইকবাল হায়াতকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত ইকবালকে গত বছরের ১৩ নভেম্বর দায়ের করা (মামলা নং ১৮) দ্রুত বিচার আইনে একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি)দুপুরে ইকবাল হায়াতকে ৫ দিনের রিমান্ড চেয়ে টাঙ্গাইল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রেরন করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ০৮:৪৭:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৩ ইটভাটা মালিককে সাড়ে ৪লাখ টাকা জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৩ ইটভাটা মালিককে সাড়ে ৪লাখ টাকা জরিমানা

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৩টি ইটভাটা মালিককে সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার(৪ ফেব্রুয়ারি) দুুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ নেয়ামত উল্ল্যা অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা আদায় করেন।

জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় লাইসেন্স নবায়ণসহ ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৩ এর বিভিন্ন ধারায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের দায়ে উপজেলার নাইকানীবাড়ী-মিরিকপুর এলাকার মেসার্স এবিএল ব্রিক ফিল্ড, মেসার্স এইচ এমবি ব্রিক ফিল্ড ও বাংড়া এলাকায় মেসার্স কিং ব্রিক ফিল্ডের মালিককে সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ নেয়ামত উল্ল্যা বলেন, ‘লাইসেন্স নবায়ণসহ ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপনের বিভিন্ন আইন লঙ্ঘনের দায়ে তিনটি ইটভাটার মালিককে সাড়ে চার লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ০১:৫৫:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

আরমান কবীরঃ দেশের সংবিধান এবং ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯ এর বিধান পরিপন্থি বক্তব্য দেওয়ায় টাঙ্গাইলের জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিপিইও) মো. সাহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বুধবার (২৯ জানুয়ারি) তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংস্থাটির উপসচিব মো. মাহবুব আলম শাহ নির্দেশনাটি পাঠিয়েছেন।

নির্দেশনায় বলা হয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৯ (ঘ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভোটার তালিকা প্রণয়নের দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের ওপর ন্যস্ত। তদনুযায়ী সঠিক ও নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রণয়নে নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচি-২০২৫ মোতাবেক বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারযোগ্য ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ ও সুপারভাইজার কর্তৃক তা যাচাই ২০ জানুয়ারি শুরু হয়েছে। শেষ হবে ৩ ফেব্রুয়ারি। নিবন্ধন কার্যক্রম ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত চলমান থাকবে।

ভোটার তালিকা বিধিমালা, ২০১২ এর বিধি-৪(৪) অনুসারে উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসার ও রেজিস্ট্রেশন অফিসাররা বিভিন্ন সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা বা কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান, সরকারি বা সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত স্কুল বা কলেজ বা সমপর্যায়ের মাদ্রাসা, সরকারি বা সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা মাদ্রাসার শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের তথ্যসংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগ করা হয়েছে।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১২৬ নং অনুচ্ছেদ বলা আছে, নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সব নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য হইবে। ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯-এর ১৯ ধারায় বলা আছে, যদি কোনো ব্যক্তি ভোটার তালিকা প্রণয়ন, পুনঃপরীক্ষণ, সংশোধন বা হালনাগাদকরণ কার্যে কাহাকেও কোনো প্রকার প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক এক বৎসর কারাদণ্ড বা অনধিক পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

এ অবস্থায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান এবং ভোটার তালিকা আইন, ২০০৯-এর বিধান পরিপন্থি বক্তব্য পেশ করায় সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করতে হবে।

জানা গেছে,মো. সাহাব উদ্দিন গত ২১ জানুয়ারি একটি স্কুল পরিদর্শনকালে বলেন, কিছু শিক্ষক ভোটার তালিকা হালনাগাদ কাজে সম্ভবত চলে গেছেন, তো এই কাজটা শিক্ষকরা এইভাবে করতে পারে না। প্রথমত, শিক্ষকদেরকে দিয়ে এই কাজটি করানোর বোধহয় বাধ্যবাধকতা নেই। কারণ, শিক্ষিত বেকার যুবকেরা এ কাজটি করার কথা, অতীতে এইভাবে হয়েছে। এরপরেও আমাদের অনেক শিক্ষক আছেন ইন্টারেস্টেড হয়ে ইলেকশন অফিসে বা পরিসংখ্যান অফিসে গিয়ে যোগাযোগ করে নিজের নাম অন্তর্ভুক্ত করেন। এই রকমও আছেন আবার অনেক শিক্ষক করতেও চায় না বা অনেক শিক্ষক না জেনে দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়। আমাদের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর/মন্ত্রণালয় এই বছর এই ব্যাপারে তেমন কিছু বলেছেন কিনা আমার জানা নেই। তবে সাধারণত বলেন তাদেরকে সহযোগিতা করার জন্য। সহযোগিতা মানে এই না, তারা স্কুল ছেড়ে দিয়ে ফিল্ডে গিয়ে কাজ করবে। তারা প্রচার-প্রচারণা করবে শিশুদের মাধ্যমে, কমিউনিটির মাধ্যমে, এটার নাম সহযোগিতা। যাই হোক, যাদের নাম দেয়া হয়েছে তারা প্রথমত যে কাজটি করবে সেটি হলো স্কুল আওয়ারের আগে এবং স্কুল সময়ের পরে তারা হালনাগাদ করবে। স্কুল সময়ে কখনো স্কুল ত্যাগ করতে পারবে না। এর পরেও যদি কারো এই সময়ে বাধ্যবাধকতা থাকে তাহলে অবশ্যই ছুটি নিয়ে এই কাজ করতে হবে। ছুটি ছাড়া সে স্কুল ত্যাগ করতে পারবে না।

একজন লোক শিক্ষকের বেতন নিবে আবার ওইদিকে নির্বাচন কমিশন থেকে বেতন নিবে, এক সঙ্গে একই সময়ে দুইটা সুবিধা পাওয়ার ট্রেজারি রুলের ভাষায় কোনো বিধি-বিধান নাই এবং এটা সম্পূর্ণ বেআইনি কাজ। টিইও সাহেবরা এবং এইউইও সাহেবরা এটা কঠোরভাবে দেখেন। যদি কোনো স্কুলে এরকম পাওয়া যায়। তাহলে ওই শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করায় ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবো এবং প্রমাণিত হবে আপনি আমি সবাই মিলে অসৎ কাজে আমরা সহযোগিতা করছি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. জানুয়ারী ২০২৫ ০২:৩২:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কোরআন অবমাননার অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কোরআন অবমাননার অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার 

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে পবিত্র ধর্ম গ্রন্থ কোরআন শরীফ অবমাননার মাধ্যমে ধর্মীয় মূল্যবোধ ও অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে তাইজুল ইসলাম(২৭) নামে এক যুবককে যৌথভাবে গ্রেপ্তার করেছে সেনাবাহিনী ও পুলিশ।

রবিবার (২৬ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের দুল্যা বেগম মধ্যপাড়া গ্রামের বসতবাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মো. মোশারফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতারকৃত তাজুল উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের দুল্যা বেগম মধ্যপাড়া গ্রামের বানেছ মিয়ার ছেলে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার অনুমানিক রাত ৮টার দিকে ইলেকট্রনিক যন্ত্র ও মোবাইল ফোন ব্যবহারের মাধ্যমে কোরআন শরীফের উপর নিজের ছবি বসিয়ে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম- ফেসবুক ও ইমুতে প্রকাশ করেন তাইজুল। বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে পড়লে রাতেই শতাধিক গ্রামবাসী তার বাড়ি ঘেরাও করে মারমুখী অবস্থান নেয়। বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে জানতে পেরে সেনাবাহিনী ও পুলিশ গিয়ে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

তাইজুল ইসলামের মা তাসলিমা বেগম বলেন, তাইজুল ইসলাম পেশায় একজন নির্মাণ শ্রমিক। তাদের পুরো পরিবার মানিকগঞ্জ জেলার একটি দরবার শরীফের পীরের ভক্ত। মাঝে মাঝে তারা ওই পীরের দরবারে যাতায়াত করেন।

মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মো. মোশারফ হোসেন জানান ,তাইজুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর সোমবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. জানুয়ারী ২০২৫ ১২:০৭:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অপহরণ চক্রের ১ সদস্য গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অপহরণ চক্রের ১ সদস্য গ্রেপ্তার

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে যাত্রীবেশে প্রাইভেটকারে উঠিয়ে বিকাশের মাধ্যমে মুক্তিপণ আদায় চক্রের ১ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে কালিহাতী থানা পুলিশ।

শনিবার(২৫ জানুয়ারি )রাতে জেলার মির্জাপুর উপজেলার জামুকি ইউনিয়নের পাকুল্যা বাজার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঁইয়া।

গ্রেপ্তারকৃত মো.ইউনুস আলী(৩২) লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার সারপুকুর সর্দারটারী গ্রামের মৃত আহাদ আলীর ছেলে।

এ প্রসঙ্গে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঁইয়া জানান ,গত ২৫ জানুয়ারি শনিবার সন্ধ্যার দিকে কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা ক্লিনিকের সামনে থেকে মো. হাসান নামের এক ব্যাক্তিকে যাত্রীবেশে প্রাইভেটকারে তুলেন অপহরণকারীরা। পরে পরিবারের নিকট মুক্তিপণ দাবি করেন ওই চক্রটি। এসময় অপহৃতের পরিবার ওই চক্রের এক সদস্যের মোবাইল নাম্বারে ২৫ হাজার টাকা বিকাশে পাঠায়। পাশাপশি পুলিশকেও বিষয়টি অবহিত করে। খবর পেয়ে কালিহাতী থানা পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে মির্জাপুর উপজেলার পাকুল্যা বাজার থেকে ক্যাশ আউট করার সময় অপহরণ চক্রের সদস্য ইউনুসকে গ্রেপ্তার করে। এসময় অপহৃত হাসানকেও উদ্ধার করা হয়।

তিনি আরও জানান, অপহরণ চক্রের বাকী সদস্যরা হাসানকে রাস্তায় ফেলে দ্রুত পালিয়ে যায় এবং পরিবারের পক্ষ থেকে পাঠানো ২৫ হাজার টাকা ও এটিএম কার্ড উদ্ধার করা হয়।

তিনি জানান,এ ব্যাপারে কালিহাতি থানায় একটি অপহরণের মামলা দায়ের করা হয়েছে। রবিবার (২৬ জানুয়ারি)দুপুরে অপহরণকারীকে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. জানুয়ারী ২০২৫ ০১:৪২:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পর্নোগ্রাফি মামলায় স্কুল ছাত্রী আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পর্নোগ্রাফি মামলায় স্কুল ছাত্রী আটক

আরমান কবীরঃ: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে শিক্ষিকা ও ছাত্রীসহ বিভিন্নজনের ছবি ব্যবহার করে পর্নো ভিডিও বানিয়ে বিভিন্ন ম্যাসেঞ্জার গ্রুপে পোষ্ট করে টাকা দাবীর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এক স্কুল ছাত্রীকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার (২০ জানুয়ারি) সকালে আটক ওই স্কুল শিক্ষার্থীকে আদালতে প্রেরণ করেছে থানা পুলিশ।

এরআগে রবিবার(১৯ জানুয়ারি )রাতে উপজেলার পূর্ব ভূঞাপুর বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। তার বাড়ি উপজেলার ফলদা ইউনিয়নের চন্ডিপুর গ্রামে । সে এবার এসএসসি পরীক্ষার্থী।

এদিকে ওই স্কুল ছাত্রীকে আটকের খবরে থানায় হাজির হয় কয়েকজন ভুক্তভোগী। এসময় তারা ওই ছাত্রীসহ তার অভিভাবকদেরও শাস্তি দাবী করেন।

পুলিশ জানায়, উপজেলার কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষিকা, ছাত্রী ও ব্যক্তিদের ছবি ব্যবহার করে পর্নো ভিডিও তৈরি করে একাধিক ম্যাসেঞ্জার গ্রুপ বানিয়ে সেখানে পোষ্ট করা হয়। পরে পোষ্ট করা ভিডিওর সাথে মোবাইল নম্বর দিয়ে লাখ লাখ টাকা চাওয়া হয়। ‘দিলরুবা’ ও ‘রাকিবুল ইসলাম’ নামের আইডি থেকে এলাকার অনেকের আইডি যুক্ত করে ম্যাসেঞ্জার গ্রুপ তৈরি করে। পরে সেই গ্রুপে পর্নো ভিডিও পোষ্ট করা হয়। পরে ফেসবুক, গুগল কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে আইডিগুলোর মালিক বা ব্যবহারকারী সনাক্ত করা হয়। এই ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে ভূঞাপুর পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীর ফোন ও ল্যাপটপ জব্দ করে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে জব্দ করা ফোনে এসব পোষ্ট ও ভিডিও’র ছড়ানোর সত্যতা পাওয়া যায়।

পর্নো আইনে বলা হয়েছে, কোন ব্যক্তি পর্নোগ্রাফির মাধ্যমে অন্য কোন ব্যক্তির সামাজিক বা ব্যক্তি মর্যাদা হানি করিলে বা ভয়ভীতির মাধ্যমে অর্থ আদায় বা অন্য কোন সুবিধা আদায় বা কোন ব্যক্তির জ্ঞাতে বা অজ্ঞাতে ধারণকৃত কোন পর্নোগ্রাফির মাধ্যমে উক্ত ব্যক্তিকে মানসিক নির্যাতন করিলে তিনি অপরাধ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ অপরাধের জন্য তিনি সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

আটক ঐ স্কুল ছাত্রী জানায়, আমার ছবি ব্যবহার করে পর্নো ভিডিও বানানো হয়েছে। সেই ভিডিও দিয়ে আমার পরিবারের কাছে টাকা চাওয়া হয়েছে। ঘটনার জড়িত মির্জাপুরের সিমান্ত ও গোপালপুরের সিফাতকে পুলিশ ডেকে এনেছিল। তারা স্বীকারও করেছে কিন্তু তারপরও তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এধরনের সাথে কাজের সাথে আমি জড়িত না সেটার প্রমাণ আমার কাছে আছে।

আটক ঐ স্কুল ছাত্রীর বাবা বলেন, আমার মেয়ের ছবি দিয়ে নগ্ন ভিডিও বানিয়ে টাকা দাবী করা হয়েছিল। যে নম্বরগুলোতে টাকা চাওয়া হয়েছিল তাদের পুলিশ ধরেছিল। তারা স্বীকারও করেছে এই ঘটনা। সে সময় মেয়ের মোবাইল চেক করে কোন কিছু পাওয়া যায়নি। পরে মোবাইল ফেরত দিলেও রবিবার রাতে মেয়েকে থানায় নিয়ে যায়। পরে সোমবার পর্নোগ্রাফি মামলায় তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এটার সাথে মেয়ে জড়িত না।

ভূঞাপুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, জি-মেইল দিয়ে একাধিক ফেসবুক আইডি খোলা হয়েছে ওই ছাত্রীর মোবাইল দিয়ে। লোকলজ্জার ভয়ে অনেকেই কিছু বলতে চান না। এই ঘটনায় ভুক্তভোগি একজন থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরে অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করা হয়। এতে গুগল, ফেসবুক কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হয়। পরে তদন্তে আইডি’র ব্যবহারকারীর পরিচয় সনাক্ত হওয়ার পরই ওই ছাত্রীকে আটক করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. জানুয়ারী ২০২৫ ০২:১২:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার ১

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চোর সন্দেহে ছানোয়ার হোসেন (৩৭) নামে একজনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ১ যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৮ জানুয়ারি) রাতে শহরের কোদালিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতের যুবককে নাম সাইফুল্লাহ সিরাজ(২৭)ওরফে সোহাগ। সে টাঙ্গাইল পৌরসভার কোদালিয়া এলাকার সিরাজুল হকের ছেলে। সাইফুল্লাহ সিরাজের গ্রামের বাড়ি জেলার নাগরপুর উপজেলায়। সিরাজ কোদালিয়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন বলে জানা গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ।

এর পুর্বে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নিহত ছানোয়ার হোসেনের পিতা হাসমত আলী বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দিনে-দুপুরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মতো জায়গায় চুরির অভিযোগে একজন যুবকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় শহরের ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ জানান, নিহতের পিতা হাসমত আলী বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে অজ্ঞাত ৮/ ১০ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে সাইফুল্লাহ সিরাজ(২৭)ওরফে সোহাগকে সনাক্তকরণের পর শনিবার রাতে শহরের কোদালিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরো জানান, রবিবার(১৯ জানুয়ারি )সকালে সাইফুল্লাহ সিরাজের ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করে টাঙ্গাইল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের ধরতে বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য,বৃহস্পতিবার(১৬ জানুয়ারি) বিকালে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার মেডিসিন ওয়ার্ড (মহিলা) থেকে ৮/ ১০ জন যুবক নিহত ছানোয়ার হোসেনকে জোর করে ধরে এনে চোর বলে বেধড়ক পেটাতে থাকে। এ সময় ছানোয়ার হোসেন জীবন বাঁচাতে যুবকদের হাতে পায়ে ধরে রক্ষা পায়নি। এমনকি ছানোয়ার হোসেনকে বাঁচাতে হাসপাতালের কেউ এগিয়ে আসেনি। পরে ছানোয়ার হোসেন মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লে যুবকরা পালিয়ে যায়।নিহত ছানোয়ার হোসেন জেলার মধুপুর উপজেলার গোলাবাড়ী ইউনিয়নের ভট্টবাড়ী গ্রামের হাসমত আলীর ছেলে‌ । সে শহরের আকুর-টাকুর পাড়ায় জনৈক পায়েলের বাসায় ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকতো।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. জানুয়ারী ২০২৫ ১২:৩১:এএম ১ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।