একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে বাবলু সিকদার নামে এক ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (১৮ নভেম্বর) ঢাকার একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর সাড়ে ৪ টার দিকে মৃত্যু বরণ করেন তিনি।
এর আগে শনিবার (১৬ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮ টার দিকে কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের গান্ধিনা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত বাবলু সিকদার পার্শ্ববর্তী সখিপুর উপজেলা কালিয়ান গ্রামের মো. কামাল হোসেন ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, নিহত বাবলু সিকদারের মাটির ব্যবসা নিয়ে মনোমালিন্য চলছিল স্থানীয় বেশ কয়েকজনের সঙ্গে। ঘটনার দিন শনিবার বাবলু সিকদার কাজ শেষে বাজার থেকে ফিরে সন্ধ্যার পর বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। মোবাইল ফোনে বাবলুকে বাড়ি থেকে ডেকে গান্ধিনা বাজারে নেওয়া হয়। পরে গান্ধিনা বাজারে ইসলামী এজেন্ট ব্যাংকের সামনে মা এন্টারপ্রাইজ দোকানে ভেতরে ঢুকিয়ে কথা-কাটাকাটি একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা বাবলু সিকদারকে হাত-পাসহ শরীরে এলোপাথাড়ি কোপাতে শুরু করে।
এ সময় বাবলুর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে। পরে তাকে ঢাকা একটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সোমবার ভোর সাড়ে ৪ টার দিকে বাবলু চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরন করে।
নিহত বাবলুর চাচা মালেক জানান ‘শনিবার রাত ৮টার দিকে বাবলুর এক প্রতিবেশী তাঁকে ডেকে নিয়ে গান্দিনাপাড়া বাজারের রাহিনের সিমেন্টের দোকানের কাছে নিয়ে যায়। সেখানে আগে থেকেই ওত পেতে থাকা ওই এলাকার হারুন, সোহেলসহ আরও কয়েকজন বাবলুকে ধাক্কা দিয়ে দোকানের ভেতর ফেলে দেয়। পরে তারা এলোপাতাড়ি কুপিয়ে বাবলুকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় হারুনকে প্রধান আসামি করে মোট ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। মামলার বাদী হচ্ছেন আমার ভাই (নিহতের বাবা) কামাল হোসেন।’
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তদন্ত শরিফুল ইসলাম ।
তিনি জানান, এ ঘটনায় সোমবার(১৮ নভেম্বর )নিহতের পিতা কামাল হোসেন বাদী হয়ে কালিহাতী থানায় অভিযুক্ত হারুন মিয়াসহ ১৪ জনের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে নাশকতার মামলায় সদর উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি মামুন সিকদারসহ ৩জনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যটিলিয়ান(র্যাব)-১৪।
বুধবার(১৩ নভেম্বর) রাতে সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের ধুলটিয়া বাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন-টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের বীরপুশিয়া গ্রামের ফজল সিকদারের ছেলে মামুন সিকদার(৪১),একই গ্রামের বাহেজ উদ্দিনের ছেলে মমিতুল ইসলাম প্রমি(৩০) ও ঢেলি করটিয়া গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে সাব্বির।
বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে র্যাব-১৪ সিপিসি-৩ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র্যাব জানায়, গত ৪ আগস্ট সকালে টাঙ্গাইল শহরের বটতলায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মিছিলে দু:স্কৃতিকারীরা ছাত্র-জনতার উপর হামলা করে। এতে মিছিলে অংশগ্রহনকারী লতিফ মিয়া নামে এক ব্যাক্তি গুরুতর আহত হয়। এঘটনায় লতিফ মিয়া বাদী হয়ে ১৩ নভেম্বর টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি নাশকতা মামলা( নং ১৮) দায়ের করেন।
র্যাব আরও জানায়, এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব-১৪ সিপিপি-৩ টাঙ্গাইল ক্যাম্পের একটি টিম ১৩ নভেম্বর রাতে উপজেলার ধুলুটিয়া এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অশোক কুমার সিংহ সোমবার(১১ নভেম্বর )সাক্ষ্য দিয়েছেন।
তিনি আদালতকে বলেছেন, গ্রেপ্তার করা দুই আসামির ও প্রত্যক্ষদর্শী তিন সাক্ষীর আদালতে দেওয়া জবানবন্দি ও অন্যান্য আলামত থেকে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ হয়, সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান ও তাঁর ভাইদের পরিকল্পনা ও নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়েছে।
সোমবার (১১ নভেম্বর)তদন্তকারী কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে বহুল আলোচিত এই হত্যা মামলার সাক্ষীর পর্ব শেষ হলো।
টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এস আকবর খান বলেন, এখন বাদী ও আসামি উভয় পক্ষের যুক্তিতর্কের পর মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।
টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান ও তাঁর তিন ভাই এই মামলার আসামি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা অশোক কুমার সিংহ বলেন, সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মাহমুদুল হাসানের আদালতে তাঁর সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। বেলা আড়াইটা পর্যন্ত সাক্ষ্য গ্রহণ চলে। পরে আধা ঘণ্টা বিরতি দিয়ে আবার বেলা তিনটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত সাক্ষ্য নেওয়া হয়। সাক্ষ্যদানের সময় তিনি আদালতকে জানিয়েছেন, ২০১৪ সালের ১৫ জানুয়ারি তিনি মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পান।
তদন্তকালে বিভিন্ন উৎস থেকে জানতে পারেন, এই হত্যার সঙ্গে শহরের কলেজপাড়ার আনিসুল ইসলাম ওরফে রাজা ও মোহাম্মদ আলী জড়িত থাকতে পারেন। তাঁদের গ্রেপ্তার করলে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে এই হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন। পরে তাঁরা আদালতে জবানবন্দি দেন। তাঁদের জবানবন্দিতে সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান, তাঁর ভাই পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার পরিকল্পনা ও নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড হওয়ার বিষয়টি বের হয়ে আসে।
এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ওয়াহেদ, আবদুল খালেক ও সনি আদালতে জবানবন্দি দেন। তাঁদের জবানবন্দিতেও হত্যার বর্ণনা উঠে আসে।
অশোক কুমার সিংহ সাক্ষ্য দেওয়ার পর আসামিদের আইনজীবীরা তাঁকে জেরা করেন।
এর আগে মামলার তদন্তের শেষ পর্যায়ে অশোক কুমার সিংহ পদোন্নতি পেয়ে বদলি হয়ে যান। পরে গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম মাহফীজুর রহমান ২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি আমানুররা চার ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
২০১৭ সালের ৬ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এই মামলার বিচারকাজ শুরু হয়। বাদীপক্ষের অভিযোগ, মামলার ২৬ সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ হয় অনেক আগেই। কিন্তু তদন্তকারী কর্মকর্তার সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ এলেই কারাগারে থাকা আসামিরা অসুস্থতাসহ নানা অজুহাতে আদালতে আসতেন না। তাঁদের সময়ক্ষেপণের কারণে বিচারের প্রক্রিয়া বিলম্বিত হচ্ছিল।
প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তাঁর পৌরশহরের কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর তাঁর স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশের তদন্তে এই হত্যায় সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর ও তাঁর ভাইদের নাম বের হয়ে আসে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে দুটি হত্যা ও একটি ভাঙচুর মামলায় সাবেক কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাকের ১৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
সোমবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারকরা এ আদেশ দেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পিপি শফিকুল ইসলাম রিপন।
তিনি বলেন, সোমবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে মোট তিন মামলায় তার রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
এদিকে সকাল থেকে আদালত প্রাঙ্গণে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা অবস্থান নেয়। পরে বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে রাজ্জাককে আদালতে তোলার সময়ে তার ওপর ডিম নিক্ষেপ করে শিক্ষার্থীরা। এ সময় বৈষম্যবিরোধী নানা স্লোগান দেন তারা।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আল আমিন বলেন, আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা রাজ্জাকের উপযুক্ত বিচার চাই। যারা এখনো বাহিরে তাদের শিগগিরই গ্রেফতারের দাবি জানাচ্ছি।
এ সময় আদালতে প্রচুর সংখ্যক উচ্ছুক জনতার ভিড় লক্ষ্য করা যায়। সোমবার সকাল থেকেই আদালত প্রাঙ্গন ও এর আশপাশের এলাকায় বিপুল পরিমাণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৯ জুয়াড়ীসহ ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ।
রবিবার (১০ নভেম্বর)দুপুরে তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন,উপজেলার মমিননগর গ্রামের আ. মালেক (৫৫) , মো. মিন্টু(৪৫),কোকরাইল গ্রামের শাহআলম (৩০), রাব্বি(২৯), দত্ত গ্রামের আল আমিন (৩৫),বেহেলাবাড়ি গ্রামের জুলহাস (৩৫),মিজানুর (৪৫), রুবেল(৪৪), ফারুক মিয়া (৩৪)সহ বিভিন্ন মামলায় নারীসহ আরো ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়,কালিহাতী থানার একদল পুলিশ শনিবার(৯ নভেম্বর )রাতে উপজেলার বেহেলাবাড়ি নদীর পাড়ে নাজমুলের বাড়ির সামনে ও মমিননগর জামতলার জামাল পাগলার পুকুর পাড়ে অভিয়ান চালিয়ে ওই ৯ জুয়াড়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়।এছাড়াও বিভিন্ন মামলার আরো ১০ জন আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়।
কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি )মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূইয়ার জানান, মাদকও জুয়ার বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যহত থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অন্তবর্তীকালীন সরকারের আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ নজরুলকে হেনস্তাকারী আওয়ামী লীগ নেতা শ্যামল খানের শাস্তি চান টাঙ্গাইলের সাধারণ মানুষ।
শ্যামল খান টাঙ্গাইল পৌরসভার ৩ং ওয়ার্ডের পশ্চিম আকুর টাকুর পাড়ার বাসিন্দা ও সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।শ্যামল খানের বিচার দাবি করেছেন স্থানীয় জন সাধারণ।
ওই এলাকার মনসুর বিন সাইদ বুলবুল বলেন, আইন উপদেষ্টার সাথে এই দুর্ব্যবহার করা শ্যামল খানের ঠিক হয়নি। আমরা তার শাস্তি দাবি করছি।
একই এলাকার মো. মামুন বলেন, বিগত দিনে জাতীয় নির্বাচনের সময় শ্যামল খান দেশে এসে আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের টাকা দিতেন। তিনি আওয়ামী লীগের ডোনার ছিলেন। সেই টাকা দিয়ে অবৈধভাবে নির্বাচন করে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। তিনি যে ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছেন তা টাঙ্গাইলের জন্য মানহানিকর। আমরা তার বিচার চাই।
শ্যামলা খানের ভাই কামরুল হাসান খান বাবুল বলেন, শ্যামল খান প্রায় ৩০ বছর যাবত সুইজারল্যান্ডে বসবাস করে। পাঁচ ভাই ও এক বোনের মধ্যে শ্যামল খান চতুর্থ। শুনেছি তিনি বিগত ১০ বছর যাবত আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত।
প্রসঙ্গত, সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) গভর্নিং বডি এবং সংস্থাটির গুরত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) দেশে ফিরছিলেন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। দূতাবাসের প্রটোকলে তিনি গাড়ি করে সুইজারল্যান্ডের জেনেভা বিমানবন্দরে পৌঁছান। এ সময় দূতাবাসের প্রটোকল আইন উপদেষ্টার সঙ্গে ছিল। গাড়ি বিমানবন্দরে নামার পর একদল লোক এসে আইন উপদেষ্টাকে ঘিরে ধরেন। উপদেষ্টা জেনেভা বিমানবন্দরে প্রবেশের আগ পর্যন্ত হেনস্তাকারীরা তাকে বিরক্ত করেছেন।
সুইজারল্যান্ডের বেশ কয়েকটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, সেখানে সুইজারল্যান্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম জমাদার ও সাধারণ সম্পাদক শ্যামল খান উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলে মাদক মামলায় স্বামী উজ্জ্বল হোসেন ও তার স্ত্রী সেলিনা আক্তারকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
উজ্জ্বল হোসেনকে সাত বছরে কারাদণ্ড এবং সেলিনা আক্তারকে পাঁচ বছরে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।এছাড়া উভয়কে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানাসহ অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।
বুধবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা ও দায়রা জজ মো. নাজিমুদৌলা এই রায় দেন।
দণ্ডিতরা হলেন- টাঙ্গাইল সদর উপজেলার আগবেথৈর গ্রামের নাজিমুদ্দিনের ছেলে মো. উজ্জ্বল হোসেন (৩৭) ও তার স্ত্রী সেলিনা আক্তার (২৭)।
টাঙ্গাইলের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এস আকবর খান জানান, টাঙ্গাইল সদর থানার পুলিশ ২০১৮ সালের ২৮ জানুয়ারি গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আগবেথৈর গ্রামে অভিযান চালিয়ে ইয়াবা বিক্রির সময় উজ্জ্বল ও তার স্ত্রী সেলিনাকে গ্রেপ্তার করে।
এসময় উজ্জলের দেহ তল্লাশি করে ২০০ এবং সেলিনার কাছ থেকে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ হয়। পরদিন টাঙ্গাইল সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমির হামজা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন।
পরে ৭ মার্চ উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল বাশার মোল্লা তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে বুধবার এ রায় দেওয়া হয়।
গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকে উজ্জ্বল হোসেন কারাগারে থাকলেও স্ত্রী সেলিনা জামিনে বের হয়ে পলাতক রয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে দাড়িপাকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নূরুল ইসলামের (৫৫) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) তার নিজ বাড়ির রান্না ঘর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নূরুলের পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ২৭ আগস্ট দাড়িপাকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পার্শ্ববর্তী দাড়িপাকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নূরুলের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), উপজেলা ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে স্মারকলিপি দেয় তারা।
এরপর থেকেই ওই শিক্ষক মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। জেলা শিক্ষা কার্যালয় ইতোমধ্যেই প্রাথমিকভাবে অভিযোগের একটি তদন্ত শেষ করেছে। ওই তদন্তের বিরুদ্ধে আপিল করলে বিষয়টি নিয়ে দ্বিতীয়বার তদন্তের সিদ্ধান্ত হয়। মঙ্গলবার ছিল দ্বিতীয় তদন্তের প্রথম দিন।
নূরুল দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকলেও আজ উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছিল।
ওই শিক্ষকের মেয়ে নিপার দাবি, স্থানীয় মোস্তফা কামাল ও খায়রুল ইসলামসহ কয়েকজন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে আমার বাবার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তারা আমার বাবার কাছে টাকা চাইছে, নানানভাবে হুমকি-ধামকি দিচ্ছে। প্রাইমারির ছাত্রীরা মানববন্ধন করতে না চাওয়ায় তারা হাইস্কুলের ছাত্রী এনে পরিকল্পিতভাবে আমার বাবার বিরুদ্ধে মানববন্ধন করিয়েছে।
তিনি বলেন, ‘এসব মিথ্যা অপবাদ ও হুমকি-ধামকির কারণেই বাবা আত্মহত্যা করেছেন।’
ওই শিক্ষকের স্ত্রী কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, খাইরুল তাঁর স্বামীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে শিক্ষকসমাজে তাঁকে কলুষিত করেছেন। তাঁর স্বামী তাঁকে বলেছিলেন, ‘এই মুখ আমি কাউরে দেখাব না।’
বিষয়ে খাইরুল ইসলাম বলেন, ‘এখন তিনি মারা গেছেন। ওনার বিরুদ্ধে এখন আমার কোনো অভিযোগ নেই। তিনি যে আত্মহত্যা করবেন, তা আমার জানা ছিল না। আমি তাঁর কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।’
মোস্তফা কামাল জানান, ’নূরুল ইসলামের সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক ছিল। আমি এসব কেনো করাতে যাব? কেউ যদি আমার নাম উল্লেখ করে, তা হবে আমার বিরুদ্ধে অযথা ষড়যন্ত্র।’
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ মোরাদ হোসেন খান বলেন, ‘ঘটনার পর ওই শিক্ষকের বিষয়ে একটি প্রাথমিক তদন্ত হয়েছে। মঙ্গলবার দ্বিতীয়বার তদন্তের জন্য তার বিদ্যালয়ে থাকার কথা ছিল।
কিন্তু সকালেই খবর পেলাম তিনি মারা গেছেন। বিষয়টি আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।’
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্যে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের কেউ যদি কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ আনে, আমরা সেই বিষয়ে খোঁজ নেব।’
একতার কণ্ঠঃ: বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেল স্টেশন এলাকা থেকে সোমবার (৪ নভেম্বর) ভোরে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টাকা মূল্যের বিক্রি নিষিদ্ধ ফেনসিডিলসহ দুই বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি-উত্তর)।
এছাড়া, টাঙ্গাইল শহরের ৬ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ কলেজপাড়ায় রবিবার (৩ নভেম্বর) রাত সোয়া ১০টার দিকে অভিযান চালিয়ে ১৮৭ গ্রাম হেরোইনসহ দুই নারী বিক্রেতাকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৪) সিপিসি-৩
জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি-উত্তর) একটি দল বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে সেতুপূর্ব রেল স্টেশন এলাকায় সোমবার ভোর ৪টার দিকে অভিযান চালায়। অভিযানে একটি কাভার্ডভ্যানে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ টাকা মূল্যের ৩৫০ বোতল বিক্রি নিষিদ্ধ ভারতীয় ফেনসিডিলসহ দুই বিক্রেতাকে গ্রেফতার করে। এসময় গোয়েন্দা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দুই মাদক ব্যবসায়ী দৌড়ে পালিয়ে যায়।
গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছেন- নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার ফরহাদ মোল্লার ছেলে মো. চঞ্চল মোল্লা (২৭) ও একই উপজেলার অশ্বীনি কান্ত রায়ের ছেলে খিতিশ চন্দ্র রায়(৩৭)। দৌড়ে পালিয়ে যাওয়া মাদক ব্যবসায়ীরা হচ্ছেন- লালমনিরহাট জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার রহিম (৪২) ও রংপুর জেলার শামীম (৪৫)।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি-উত্তর) অফিসার ইনচার্জ(ওসি )এবিএমএস দোহা বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সোমবার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মনির হোসেনের নেতৃত্বে একটি চৌকস দল বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কের সেতুপূর্ব রেলস্টেশন এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় কাভার্ডভ্যানে মাদকদ্রব্য পরিবহণকালে ৩৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ উল্লিখিত দুজনকে গ্রেপ্তার করে।
তিনি আরও জানান,অন্য দুজন দৌড়ে পালিয়ে যায়। তাঁদের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানায় মাদকদ্রব্য। নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
অপরদিকে, টাঙ্গাইল শহরের ৬ নং ওয়ার্ডের দক্ষিণ কলেজপাড়ায় রবিবার (৩ নভেম্বর) রাত সোয়া ১০টার দিকে অভিযান চালিয়ে ১৮৭ গ্রাম হেরোইনসহ দুই বিক্রেতাকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৪)। র্যাব-১৪ সোমবার দুপুরে এক প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
আটক হেরোইন বিক্রেতারা হচ্ছেন- টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার দুল্লা গ্রামের মো. ফরহাদ মিয়ার স্ত্রী শাহিদা আক্তার (৩৬) ও একই এলাকার মো. লিটন মিয়ার স্ত্রী রিতা বেগম ওরফে বানু (৩৮)।
র্যাব-১৪ এর সিপিসি-৩ এর মিডিয়া অফিসার সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল হাই চৌধুরি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একদল র্যাব শহরের দক্ষিণ কলেজপাড়ার জনৈক রফিক ওসির বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১৮৭ গ্রাম হেরোইনসহ উল্লিখিত দুই নারী বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করে।
তিনি আরও জানান, অভিযানকালে তাদের কাছে থাকা নগদ দুই লাখ ১৫ হাজার টাকা, তিনটি অ্যান্ড্রয়েড ও চারটি বাটন মোবাইল ফোনও জব্দ করে। গ্রেপ্তারকৃতদের টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে আব্দুর রহমান (১৫) নামে এক মাদ্রাসা ছাত্র চারদিন যাবত নিখোঁজ রয়েছে। এতে করে চিন্তায় রয়েছে আব্দুর রহমানের পরিবারের সদস্যরা।
জানা যায়, আব্দুর রহমান উপজেলার পাইকড়া ইউনিয়নের হাসড়া পশ্চিম পাড়া গ্রামের আবুল হোসেন (মুন্সির) ছেলে এবং পার্শ্ববর্তী দারুল ইসলাম মোহাম্মদীয়া বল্লা ফাজিল মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। এ ঘটনায় নিখোঁজ আব্দুর রহমানের বড় ভাই ইব্রাহিম শনিবার(২ নভেম্বর )রাতে কালিহাতী থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।
নিখোঁজ আব্দুর রহমানের বড় ভাই ইব্রাহিম জানান, গত শুক্রবার (১ নভেম্বর) বিকেলে মাদ্রাসা থেকে অন্য ছাত্রদের সাথে হাটতে বের হয় আব্দুর রহমান। মাগরিবের নামাজের পর মাদ্রাসায় অনুপস্থিত থাকায় মাদ্রাসা হোস্টেল সুপার ইসলাম হোসেন ফোন করে জানান আব্দুর রহমানকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। নিখোঁজ হওয়ার খবর জানতে পেরে আমরা বিভিন্ন স্বজনদের কাছে খোঁজ নিয়েও কোথাও তার সন্ধান পায়নি।
দারুল ইসলাম মোহাম্মদীয়া বল্লা ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুস সাত্তার ইবনে ইমাম বলেন, প্রতিদিনের মতো আসরের নামাজের পরে ফ্রি সময় দেওয়া হয় আবাসিকের ছাত্রদের। শুক্রবারেও আসরের নামাজের পরে সকল ছাত্ররা বাহিরে ঘুরে এলেও আব্দুর রহমান ফিরে আসেনি।
এ ব্যাপারে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম জানান, পুলিশ নিখোঁজ মাদ্রাসা ছাত্র আব্দুর রহমানকে খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মহেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট ডিআইজি মোহাম্মদ আশফাকুল আলম বলেছেন, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানে এবং সমাজে শান্তি শৃঙ্খলা ও সমৃদ্ধি অর্জনে পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশ বাহিনীর সামনে যেসব চ্যালেঞ্জ রয়েছে সেগুলো মোকাবেলায় প্রস্তুতি থাকা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি বলেন, একটি গণমুখী জবাবদিহিমূলক দক্ষ ও নিরপেক্ষ পুলিশ বাহিনী গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ। মানবাধিকার সুরক্ষার বিষয়েও পুলিশের বিশেষ দৃষ্টি রাখতে হবে। একজন পুলিশ কর্মকর্তার জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের উচিত প্রতিটি ব্যক্তির মানবাধিকারকে সম্মান করা।
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মহেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে বিভাগীয় ক্যাডেট এসআইদের ২১তম প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
সোমবার(৪ নভেম্বর )সকাল ৮টায় ট্রেনিং সেন্টারের প্যারেড গ্রাউন্ডে এই প্রশিক্ষণ কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিটিসির কমান্ড্যান্ট ডিআইজি মোহাম্মদ আশফাকুল আলম।
সকাল ৮টায় ২৫৭ জন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বিভাগীয় ক্যাডেট (এসআই) ৬টি দলে বিভক্ত হয়ে ২১ তম সমাপনী কুচকাওয়াজ উপলক্ষে মার্চপাস্ট শুরু করেন।
এই মার্চপাস্টের অভিবাদন গ্রহণ করেন প্রধান অতিথি। মার্চপাস্ট শেষে মাঠ বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করায় পিএসআই (নিরস্ত্র) উদয়ন বিকাশ বড়ুয়া, পিএসআই (নিরস্ত্র) মো. মাইনুল ইসলাম ও পিএসআই (নিরস্ত্র) অমৃত লাল দাসকে পুরস্কৃত করা হয়।
প্রধান অতিথি কমান্ড্যান্ট ডিআইজি মোহাম্মদ আশফাকুল আলম তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এর আগে প্রধান অতিথি খোলা জিপে চড়ে প্যারেড পরিদর্শন করেন।
প্রধান অতিথি তার বক্তৃতায় আরও বলেন, সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জনে ব্রতী হতে হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী মতিউর রহমান গাউসের ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ।
রবিবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পশুপতি বিশ্বাসের এজলাসে এই রিমান্ড আবেদন করা হয়।
পরে বিজ্ঞ আদালত আগামী ১০ নভেম্বর রিমান্ডের শুনানি দিন ধার্য করে সি/ ডব্লিউ মূলে হাজি মতিউর রহমান গাউসকে টাঙ্গাইল জেল হাজতে প্রেরণ করে।
টাঙ্গাইলের কোট ইন্সপেক্টর লোকমান হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর পূর্বে গাউসকে গত ৪ আগস্ট বিবেকানন্দ হাইস্কুল এন্ড কলেজের সামনে বৈষম্যে বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামি হিসেবে টাঙ্গাইল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে হাজির করা হয়।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, শনিবার (২ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী মতিয়ার রহমান গাউসকে বাসাইল দক্ষিণপাড়া এলাকায় নিজ বাসায় থেকে আটক করে সেনাবাহিনী। হাজী মতিয়ার রহমান গাউস বাসাইল দক্ষিণপাড়া এলাকার আব্দুল কাদের মিয়ার ছেলে।
নাশকতামূলক গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাত ৮টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বাসাইল দক্ষিণপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় হাজী মতিয়ার রহমান গাউসের বাড়ি ঘেরাও করে সেনাবাহিনী। পরে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সেনা ক্যাম্পে আনা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে রাত ১০টার দিকে বাসাইল থানায় হস্তান্তর করা হয়। পরে বাসাইল থানা থেকে তাঁকে টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়
বাসাইল সেনা ক্যাম্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেজর শেখ ইসতিয়াক উদ্দিন বলেন, ‘নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা থাকার কারণে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে বাসাইল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দিন বলেন, ওই আওয়ামী লীগ নেতাকে সেনাবাহিনীর বাসাইল থানায় হস্তান্তর করে। পরে তাকে টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়।