/ হোম / আইন-আদালত
টাঙ্গাইলে বাসে আগুনে: চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকায় তরুণীর মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাসে আগুনে: চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকায় তরুণীর মৃত্যু

আরমান কবীরঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে চলন্ত অবস্থায় যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় দগ্ধ এক তরুণী ছয় দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা গেছেন। তাঁর নাম মীম (২২)।

মঙ্গলবার(১৮ নভেম্বর )সকাল ১০টার দিকে জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

গত ১২ নভেম্বর দিবাগত রাত একটার দিকে ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কের বাঐখোলা এলাকায় চলন্ত অবস্থায় যাত্রীবাহী ওই বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। তখন পুলিশ জানিয়েছিল, এ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি।

নিহত মীমের স্বামী মোহাম্মদ আলী জানান, তাঁরা ঢাকার তুরাগ এলাকায় থাকেন। মীমের দাদার মৃত্যুর খবর পেয়ে ১২ নভেম্বর রাতে তাঁরা পাবনার বেড়া উপজেলায় যাচ্ছিলেন। তাঁদের বাস টাঙ্গাইলের বাসাইল এলাকায় আসার পর বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। আগুনে তিনি সামান্য দগ্ধ হলেও মীমের শ্বাসনালি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রথমে বেড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মীমকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

মঙ্গলবার(১৮ নভেম্বর) রাতে টাঙ্গাইলের বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি) জালালউদ্দিন জানান, ঘটনার পর তাঁরা জানতেন না কেউ আহত হয়েছেন। ঘটনার পরপর সব যাত্রী চলে যান। দুই দিন পর জানতে পারেন মীম নামের একজন আহত হয়েছেন। তিনি পাবনার বেড়া উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রথমে চিকিৎসা নেন। পরে ঢাকায় জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসা নেন।

আগুনের ঘটনায় ১৩ নভেম্বর গোড়াই হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।

শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মারুফা লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেলের মর্গে পাঠান। বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনেরা মৃতদেহ গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে নিয়ে যান। মীমের বাড়ি পাবনার বেড়া উপজেলার চর প্যাচাকোলা গ্রামে।

মীমের চাচা সাইদুল ইসলাম বলেন, গত তিন মাস আগে মীমের বিয়ে হয়। তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে মেডিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে ডিপ্লোমা কোর্স করছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৯. নভেম্বর ২০২৫ ০৫:৩৫:পিএম ৯ মাস আগে
টাঙ্গাইলে নির্বাচন কমিশনারের কার্যালয় ভাঙচুর: বিএনপি’র ১২০ নেতাকর্মীর নামে মামলা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নির্বাচন কমিশনারের কার্যালয় ভাঙচুর: বিএনপি’র ১২০ নেতাকর্মীর নামে মামলা

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলা নির্বাচন কমিশনার কার্যালয়ে হামলা-ভাঙচুর ও কর্মকর্তাদের মারধরের ঘটনায় বিএনপির ১২০ নেতাকর্মীর নামে মামলা হয়েছে।

সোমবার (১০ নভেম্বর) বিকালে গোপালপুর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলাটি করেন বলে জানিয়েছেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান।

মামলায় গোপালপুর উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক কাজী লিয়াকত আলী, পৌর বিএনপি’র সভাপতি খালিদ হাসান উত্থান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. লিটন, যুগ্ম সম্পাদক মহির উদ্দিন, যুবদল নেতা কামরুল ইসলাম এবং পৌর ছাত্রদলের সভাপতি মো. তুহিনের নাম উল্লেখ মামলা করা হয়েছে। বাকিরা অজ্ঞাত পরিচয়।

মামলায় বলা হয়েছে, সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে খালিদ হাসান ও কাজী লিয়াকতের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে যান। তাদের কি সেবা দিতে হবে জানতে চাইলে কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বিএনপির নেতাকর্মীরা বলেন, ‘তোরা আওয়ামী লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতেছিস’। পরে তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়।

প্রতিবাদ করলে নির্বাচন কর্মকর্তার ওপর হামলা ও কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হয়। এ সময় কয়েকজন মোবাইলে ভিডিও ধারণ করতে গেলে তাদের ফোন ছিনিয়ে নিয়ে গালিগালাজ করা হয়। হামলায় অন্তত ৮০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম, সহকারী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবু রায়হান, ডাটা এট্রি অপারেটর আমজাদ হোসেনসহ বেশ কয়েকজন আহত হন বলে মামলায় বলা হয়েছে।

ভাঙচুরের খবর পেয়ে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, জেলার জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তা তাজুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

ডাটা এন্ট্রি অপারেটর আমজাদ হোসেন বলেন, “আমরা শুধু ফেরাতে গিয়েছিলাম। কাউকে কোনো কিছু বলিনি। আওয়ামী লীগের ট্যাগ দিয়ে আমাদের বেদম মারধর করা হয়েছে। “এখনো জাতীয় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়নি, তার আগেই নির্বাচন অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এ ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।”

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, “তারা (বিএনপি নেতারা) বিভিন্ন সময় কাজে আসেন। সোমবার এসেই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজসহ আওয়ামী লীগ ট্যাগ দেওয়া শুরু করেন। আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমাদের অফিসে নিরাপত্তা জোরদার করার দাবি করছি।”

ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন টাঙ্গাইল জেলার জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তা মো. তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, “বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি। তাদের কাছে জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ে নিরাপত্তার জোরদারের দাবি করেছি। “এ ঘটনায় যারা জড়িত তাদের শাস্তি দাবি করছি। জাতীয় নির্বাচনের আগে এমন হামলা হবে, তা আমরা কখনও কল্পনাও করিনি।”

পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, “তাদের কোনো ভুল থাকলে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসককে অবগত করতে পারত। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. নভেম্বর ২০২৫ ০৫:১৭:এএম ১০ মাস আগে
ইজারা বকেয়া কোটি টাকা, তালা ঝুললো এলেঙ্গা রিসোর্টে - Ekotar Kantho

ইজারা বকেয়া কোটি টাকা, তালা ঝুললো এলেঙ্গা রিসোর্টে

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীর এলেঙ্গায় অবস্থিত জনপ্রিয় বিনোদন কেন্দ্র ‘এলেঙ্গা রিসোর্টের’ বকেয়া ভাড়ার কারণে সিলগালা করেছে প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে কালিহাতী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সায়েদা খানম লিজার নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের উপস্থিতিতে রিসোর্টটির কার্যক্রম বন্ধ করে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।

জানা গেছে, এলেঙ্গা রিসোর্টটি দীর্ঘদিন ধরে সেতু কর্তৃপক্ষের মালিকানাধীন জমি ইজারা নিয়ে পরিচালিত হচ্ছিল। কিন্তু দীর্ঘ কয়েক মাস ভাড়া পরিশোধ না করায় রিসোর্টটির বিরুদ্ধে বড় ধরনের অডিট আপত্তি ওঠে। একাধিকবার নোটিশ দেওয়ার পরও রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ বকেয়া পরিশোধে কোনো উদ্যোগ নেয়নি।

সেতু বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আহসানুল কবীর পাভেল বলেন, “রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ টাকার ভাড়া বকেয়া রেখেছে। আমাদের স্টেট ডিপার্টমেন্ট থেকে বারবার নোটিশ দেওয়ার পরও তারা কোনো সাড়া দেয়নি। অডিট আপত্তির ভিত্তিতে সদর দপ্তরের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে আজ রিসোর্টটি সিলগালা করা হয়েছে।”

কালিহাতী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সায়েদা খানম লিজা বলেন, “এলেঙ্গা রিসোর্টটি মূলত বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের মালিকানাধীন জমিতে প্রতিষ্ঠিত। কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য রিসোর্ট পরিচালনার উদ্দেশ্যে জমিটি ইজারা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ টাকার বকেয়া ইজারার অর্থ পরিশোধ না করায় সেতু কর্তৃপক্ষ একাধিকবার চিঠি ও নোটিশ প্রদান করলেও তারা তাতে সাড়া দেয়নি।

বকেয়া অর্থ পরিশোধ না করায় সেতু কর্তৃপক্ষের অডিট আপত্তি এবং আনুষ্ঠানিক আবেদনের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় রিসোর্টটির কার্যক্রম বন্ধ করে সেটি সিলগালা করা হয়েছে। পরবর্তীতে মালিকানা অনুযায়ী সেতু কর্তৃপক্ষ তাদের নিজস্ব জায়গা দখল বুঝে নেয়।”

অন্যদিকে, রিসোর্টে কর্মরত শ্রমিকরা জানান, প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় ৫৪ জন কর্মী কাজ করেন এবং তাদের ছয় মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। এক কর্মচারী বলেন, “আমরা কেউই জানতাম না রিসোর্ট বন্ধ হবে। এখন হাতে কোনো টাকা-পয়সা নেই। মালিক বিদেশে থাকেন, আমাদের বেতন কে দেবে বুঝতে পারছি না।”

স্থানীয়রা জানান, এলেঙ্গা উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার হওয়ায় এখানে প্রতিদিন অসংখ্য পর্যটক ও যাত্রী অবস্থান করেন। ফলে এলেঙ্গা রিসোর্টটি ছিল একটি পরিচিত ও জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠান। তবে বকেয়া পরিশোধ না করায় রিসোর্ট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কর্মচারী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. নভেম্বর ২০২৫ ০৩:২৪:এএম ১০ মাস আগে
টাঙ্গাইলে মথ বীজকে রং করে মুগ ডাল বলে বিক্রি, লাখ টাকা জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মথ বীজকে রং করে মুগ ডাল বলে বিক্রি, লাখ টাকা জরিমানা

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে মথ বীজকে রং করে মুগ ডাল বলে বিক্রির অপরাধে দুই ব্যবসায়ীকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

বুধবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে শহরের ছয়আনী বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন মিয়ার যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান চালানো হয়।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল বলেন, টাঙ্গাইলের কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বিভিন্ন জেলা থেকে রং মেশানো মথ বীজ এনে মুগ ডাল বলে বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করে আসছেন। এ অভিযোগ পেয়ে শহরের ছয়আনী বাজারে অভিযান চালিয়ে অভিযোগের প্রমাণও পেয়েছি। পরে যৌথভাবে দুই ব্যবসায়ীকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও যে ডাল বিক্রি করা হয়েছে, তা ফেরত এনে যেখান থেকে কেনা হয়েছে, সেখানে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ফেরত দিয়ে মেমো দেখাতে বলা হয়েছে ব্যবসায়ীদের। অন্যথায় আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, ক্ষতিকর কেমিক্যাল মেশানো, নকল ও ভেজাল খাদ্য বিক্রি না করতে ব্যবসায়ীদের সতর্ক করা হয়েছে এসময়। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. নভেম্বর ২০২৫ ০২:১৯:এএম ১০ মাস আগে
টাঙ্গাইল জেলা ব্যবসায়ী ঐক্যজোটের সভাপতি লাবুর উপর সন্ত্রাসী হামলা  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেলা ব্যবসায়ী ঐক্যজোটের সভাপতি লাবুর উপর সন্ত্রাসী হামলা 

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন জেলা ব্যবসায়ী ঐক্যজোট ও কালচারাল রিফর্মেশন ফোরাম টাঙ্গাইলের সভাপতি আবুল কালাম মোস্তফা লাবু(৬০)।

বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে শহরের হোটেল আপ্যায়নের সামনে ভিক্টোরিয়া রোড়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, বুধবার রাতে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও নাগরিক অধিকার সুরক্ষা কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক মোহনের শোকসভা থেকে ফেরার পথে ব্যবসায়ী লাবুর ওপর ছয়জন সন্ত্রাসী রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়।

আত্মরক্ষার জন্য হাতে থাকা ছাতা ব্যবহার করলেও তিনি হামলা থেকে রক্ষা পাননি। হামলাকারীদের কোপে তার ডান হাতে কবজির নিচে এবং পায়ে গুরুতর আঘাত লাগে। রাম দায়ের কোপের আঘাতে তার ডান হাতের হাড় ভেঙে গেছে বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

গুরুতর আহত আবুল কালাম মোস্তফা লাবু জানান, তাকে পূর্ব থেকেই অনুসরণ করা হচ্ছিল। ঘটনার সময় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল ফলে রাস্তাঘাট ফাঁকা ছিল এই সুযোগে ৬ জন সন্ত্রাসী তার উপর প্রাণঘাতী হামলা চালায়। তার হাতে থাকা ছাতা দিয়ে তিনি হামলা ঠেকানোর চেষ্টা করেন। পরে তার ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, পূর্বের একটি ঘটনার জের ধরেই এই হামলার ঘটনা ঘটতে পারে বলে তিনি প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন। এই বিষয়ে তিনি সুস্থ হলে থানায় অভিযোগ দায়ের করবেন।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহম্মেদ জানান, এই ঘটনায় কেউ থানায় এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ দায়ের করেনি।ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. অক্টোবর ২০২৫ ০৮:৫৩:পিএম ১০ মাস আগে
টাঙ্গাইলে প্রেমের দায়ে যুবক কারাগারে,মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রেমের দায়ে যুবক কারাগারে,মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের নামদার কুমিল্লি গ্রামের যুবক সোহাগ প্রেমের দায়ে ৪ মাস যাবত কারাভোগের শিকার।

রবিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে নামদার কুমুল্লি বাজারে সোহাগের মুক্তির দাবিতে গ্রামবাসীর উদ্যোগে ঘন্টা ব্যাপী মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করা হয়।

মানবন্ধন বক্তব্য রাখেন-গ্রামের হৈতষী মাতাব্বর হাফিজ উদ্দিন ভুইয়া,খলিলুর রহমান,আশরাফ আলী মিঞা, মজিবর রহমান মিঞা,আবুল কালাম আজাদ,মো. জাহিদ মিয়া ও ফরিদ মিয়া প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, কুমিল্লি গ্রামের মো. লোমান মিয়ার মেয়ে নাফিজা আক্তার লুবনার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে একই গ্রামের সোহাগের সাথে। সেই সুবাদে লুবনা প্রেমিক সোহাগদের বাড়িতে গত দুই বছরে চারবার উঠে পড়েন। পর্যায়ক্রমে স্থানীয় মাতাব্বরগন লুবনাকে বুঝিয়ে তার বাবার কাছে রেখে আসেন। সম্প্রতি ফের লুবনা সোহাগের কাছে চলে আসে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে লুবনার পিতা লোমান মিয়া সোহাগকে আসামী করে অপহরণের মামলা দায়ের করেন। যাহার নাম্বার নারী শিশু ১৫৭/২৫ । ওই মামলায় গত ৪ মাস যাবত সোহাগ টাঙ্গাইল জেল হাজতে আটক আছেন।

তারা আরও বলেন, মেয়ের বাবা ধনাঢ্য ব্যক্তি হওয়ায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে ও তৃতীয় পক্ষের যোগসাজসে প্রেম গঠিত বিষয় গোপন রেখে সোহাগের নামে অপহরণ মামলা দিয়েছে। সেই মামলায় সোহাগের মুক্তি দাবি করছি। মুক্তি না দিলে পুনরায় কঠোর কর্মসুচির দেওয়া হবে বলে মানববন্ধ থেকে বক্তারা জানায়।

মানববন্ধনে সোহাগের পিতা সহিদুল ইসলাম ও মাতা সুর্য ভানু কান্না বিজরিত কণ্ঠে ছেলের মুক্তির দাবি জানায়।

মানবন্ধন শেষে নামদার কুমুল্লি বাজার এলাকায় একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে তিন শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ গ্রহণ করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অক্টোবর ২০২৫ ১২:৩৭:এএম ১০ মাস আগে
টাঙ্গাইলে দুই ব্যবসায়ীকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দুই ব্যবসায়ীকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা

সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য প্রস্তুত, বাসি খাবার বিক্রয় ও পরিমাপে কম দেওয়ার অপরাধে ২ ব্যবসায়ীকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

সোমবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেলের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সেনা সদস্য, পুলিশ ও স্যানেটারি ইন্সপেক্টর উপস্থিত ছিলেন।

সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল জানান, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে কালিহাতীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য প্রস্তুত, বাসি খাবার বিক্রয় ও পরিমাপে কম দেওয়ার অপরাধে কালিহাতী বাসস্ট্যান্ড এলাকার পিয়াসী হোটেলকে ৫০ হাজার টাকা এবং ক্ষতিকর রঙ ও কেমিকেল দিয়ে খাদ্যপণ্য প্রস্তুত করার অপরাধে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকার এসএস ফুড মালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. অক্টোবর ২০২৫ ১২:০৮:এএম ১০ মাস আগে
টাঙ্গাইলে বলাৎকারের দায়ে  মাদ্রাসা শিক্ষকের ৫ বছরের কারাদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বলাৎকারের দায়ে মাদ্রাসা শিক্ষকের ৫ বছরের কারাদণ্ড

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে শিশু ছাত্রকে বলাৎকার করার দায়ে মাদ্রাসা শিক্ষককে পাঁচ বছর কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার(১৫ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোঃ কামরুজ্জামান এই রায় দেন।

দন্ডিত ব্যক্তির নাম মোঃ হাফিজুল ইসলাম(৩৬)। তিনি সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বেলটিয়া গ্রামের ময়দান আলীর ছেলে। সে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থান দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষক ছিলেন।

মামলার রায়ে তাঁকে কারাদন্ড ছাড়াও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাসের সশ্রম কারাদন্ডের আদেশে দেওয়া হয়েছে।

এই মামলার রাষ্ট পক্ষের আইনজীবী টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি খন্দকার মোঃ রোকনুজ্জামান জানান, দন্ডিত মোঃ হাফিজুল ইসলাম ২০১৯ সালের ২৩ মে থেকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত তাঁর মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেনীর এক আবাসিক ছাত্রকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বলাৎকার করেন। এক পর্যায়ে ওই ছাত্র মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে বাসায় চলে যায়। পরে বাবা মায়ের কাছে বলাৎকারের কথা খুলে বলেন। পরে ওই ছাত্রের বাবা বাদি হয়ে ২০১৯ সালের ২০ আগস্ট টাঙ্গাইল সদর থানায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ওই বছর ৩০ সেপ্টেম্বর সদর থানার উপ-পরিদর্শক মোঃ মনির আহমেদ হাফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলার আট জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহন শেষে বুধবার আদালত রায় দেন।

তিনি আরও জানান,রায় ঘোষনার সময় হাফিজুল ইসলাম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাঁকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

প্রসঙ্গত, মামলা দায়েরের পরেই হাফিজুল ইসলামকে পুলিশ গ্রপ্তার করেছিল। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান। মামালা দায়েরের পরেই তাকে মাদ্রাসা থেকে বরখাস্ত করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. অক্টোবর ২০২৫ ০১:৪৭:এএম ১০ মাস আগে
টাঙ্গাইলে সাত্তার শপিংমলে ভোক্তা অধিকারের অভিযানে ১ লাখ টাকা জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সাত্তার শপিংমলে ভোক্তা অধিকারের অভিযানে ১ লাখ টাকা জরিমানা

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল শহরের অভিজাত শপিং মল ‘সাত্তার শপিংমলে’ ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সকালে জেলা সদর রোডের টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত সাত্তার শপিংমলে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ ছাড়া বুধবার রাতে শহরের রাবনা বাইপাস এলাকায় অবস্থিত তাহের পেট্রোল পাম্পে অভিযান পরিচালনা করা হয়। পাম্পের এলপিজি গ্যাস বাসা বাড়ির সিলিন্ডারে দেওয়ার অভিযোগে তাদের এই জরিমানা করা হয়।

অভিযান দুটি পরিচালনা করেন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রোমেল ।

অভিযানে সাত্তার শপিংমলে ভেজাল কসমেটিকস, মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও মূল্যতালিকা না রাখায় ১ লাখ টাকা ও তাহের পেট্রোল পাম্পকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকাসহ মোট ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানায়, সাত্তার শপিংমলকে সতর্ক করা হয়েছে এবং ভেজাল পণ্য জব্দ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে পুনরায় এ ধরনের অপরাধে জড়িত হলে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সাথে তাহের ফিলিং স্টেশনকে এ ধরনের নিয়ম বহির্ভূত কাজ না করতে চূড়ান্তভাবে সতর্ক করা হয়।

সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রোমেল বলেন, আমরা নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি। সাধারণ মানুষ যেন প্রতারিত না হয়, তাই শপিংমলের মালিকদের সচেতন থাকতে অনুরোধ জানানো হচ্ছে। এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও জানান,জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য পরবর্তী সময়ে উপজেলার বাজারগুলোতেও একই ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হবে।

অভিযানে সেনাবাহিনী ও পুলিশের বিপুল সংখ্যক সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অক্টোবর ২০২৫ ০৯:৪৬:পিএম ১১ মাস আগে
টাঙ্গাইলে ডাক্তার না হয়েও ‘শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ’, ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ডাক্তার না হয়েও ‘শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ’, ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ভুয়া চিকিৎসা কার্যক্রম ও ক্লিনিকে অনিয়মের দায়ে দুই প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সায়েদা খানম লিজার নেতৃত্বে এই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়।

জানা গেছে, কালিহাতী বাসস্ট্যান্ড এলাকার ‘কাকলী ফার্মেসী’র সত্ত্বাধিকারী নারায়ন চন্দ্র পাল ডাক্তার না হয়েও নিজেকে ‘শিশু রোগে বিশেষ অভিজ্ঞ’ পরিচয় দিয়ে প্রেসক্রিপশন ও ভিজিটিং কার্ড তৈরি করেন এবং নিয়মিত মা ও শিশুর চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছিলেন। এতে সাধারণ মানুষ প্রতারিত হচ্ছেন এবং শিশুদের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ছে উল্লেখ করে তাকে ভোক্তা অধিকার আইনে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এছাড়া, কালিহাতী হাসপাতাল রোডে অবস্থিত ‘নিরাপদ ক্লিনিক’-এর কাগজপত্র সঠিক না থাকা এবং সাইনবোর্ডে ক্লিনিক লেখা থাকলেও ভেতরে ডায়াগনস্টিক সেন্টার হিসেবে পরিচালনার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সায়েদা খানম লিজা বলেন, জনস্বাস্থ্য ও মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে এ ধরনের প্রতারণার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০৩:০৬:এএম ১১ মাস আগে
টাঙ্গাইলে যৌনপল্লি থেকে যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে যৌনপল্লি থেকে যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইল যৌনপল্লি থেকে শহর যুবলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাহ জনিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাতে শহরে কান্দাপাড়ার যৌনপল্লি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এরপর সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাকে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হয়।

গ্রেপ্তারকৃত শাহ জনি টাঙ্গাইল শহরের আকুরটাকুর পাড়ার মো. ইসরাফিলের ছেলে। তিনি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হামলার মামলাসহ একাধিক মামলার আসামি।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহম্মেদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার দিনগত রাতে শহরের যৌনপল্লি থেকে শাহ জনিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

তিনি আরো জানান, এর আগে গত বছরের ২ অক্টোবর রাতে টাঙ্গাইল শহরের বেবিস্ট্যান্ড এলাকা থেকে শাহ জনিকে গ্রেপ্তার করেছিল র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

পুলিশ জানিয়েছে, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট সকাল ১১টায় টাঙ্গাইল শহরের বটতলা এলাকায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে গুলি করে সন্ত্রাসীরা। এ সময় কালিহাতীর চিনামুরা গ্রামের লাল মিয়া গুলিবিদ্ধ হন। পরে লাল মিয়া বাদী হয়ে জেলা আওয়ামী লীগের (এখন কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ২৩০ জনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ১৫০-২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। শাহ জনি ওই মামলার ৪১ নম্বর আসামি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১২:০৫:এএম ১১ মাস আগে
টাঙ্গাইলে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদক ব্যবসায়ীর ২ বছরের কারাদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদক ব্যবসায়ীর ২ বছরের কারাদণ্ড

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মামুন মিয়া নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (২৯ আগস্ট) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার কাঞ্চনপুর দক্ষিণপাড়া এলাকা থেকে তাকে আটকের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোছা. আকলিমা বেগম এ দণ্ডাদেশ দেন।

শনিবার (৩০ আগস্ট) তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত মামুন মিয়া (৩০) উপজেলার কাঞ্চনপুর দক্ষিণপাড়া এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে।

জানা গেছে, মামুন দীর্ঘদিন ধরে বাসাইল, দেলদুয়ার ও মির্জাপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে বাসাইল থানায় তিনটি ও দেলদুয়ার থানায় একটি মাদক মামলা রয়েছে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে আরও দুইটি সাধারণ ডায়েরিও রয়েছে। তাকে গ্রেফতারে প্রশাসন উৎপেতে ছিল। এক পর্যায়ে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোছা. আকলিমা বেগম রাত আড়াইটার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে আটক করে। তার কাছ থেকে ইয়াবা, গাঁজা ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। এসময় তাকে দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরে শনিবার সকালে বাসাইল থানা পুলিশের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জালাল উদ্দিন বলেন, ‘উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ী মামুনকে ২ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। পরে সকালে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. অগাস্ট ২০২৫ ০২:০১:এএম ১২ মাস আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।