/ হোম / আইন-আদালত
টাঙ্গাইল জেলা ব্যবসায়ী ঐক্যজোটের সভাপতি লাবুর উপর সন্ত্রাসী হামলা  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেলা ব্যবসায়ী ঐক্যজোটের সভাপতি লাবুর উপর সন্ত্রাসী হামলা 

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন জেলা ব্যবসায়ী ঐক্যজোট ও কালচারাল রিফর্মেশন ফোরাম টাঙ্গাইলের সভাপতি আবুল কালাম মোস্তফা লাবু(৬০)।

বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে শহরের হোটেল আপ্যায়নের সামনে ভিক্টোরিয়া রোড়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, বুধবার রাতে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও নাগরিক অধিকার সুরক্ষা কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক মোহনের শোকসভা থেকে ফেরার পথে ব্যবসায়ী লাবুর ওপর ছয়জন সন্ত্রাসী রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়।

আত্মরক্ষার জন্য হাতে থাকা ছাতা ব্যবহার করলেও তিনি হামলা থেকে রক্ষা পাননি। হামলাকারীদের কোপে তার ডান হাতে কবজির নিচে এবং পায়ে গুরুতর আঘাত লাগে। রাম দায়ের কোপের আঘাতে তার ডান হাতের হাড় ভেঙে গেছে বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।

পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

গুরুতর আহত আবুল কালাম মোস্তফা লাবু জানান, তাকে পূর্ব থেকেই অনুসরণ করা হচ্ছিল। ঘটনার সময় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল ফলে রাস্তাঘাট ফাঁকা ছিল এই সুযোগে ৬ জন সন্ত্রাসী তার উপর প্রাণঘাতী হামলা চালায়। তার হাতে থাকা ছাতা দিয়ে তিনি হামলা ঠেকানোর চেষ্টা করেন। পরে তার ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, পূর্বের একটি ঘটনার জের ধরেই এই হামলার ঘটনা ঘটতে পারে বলে তিনি প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন। এই বিষয়ে তিনি সুস্থ হলে থানায় অভিযোগ দায়ের করবেন।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহম্মেদ জানান, এই ঘটনায় কেউ থানায় এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ দায়ের করেনি।ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. অক্টোবর ২০২৫ ০৮:৫৩:পিএম ৬ মাস আগে
টাঙ্গাইলে প্রেমের দায়ে যুবক কারাগারে,মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রেমের দায়ে যুবক কারাগারে,মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের নামদার কুমিল্লি গ্রামের যুবক সোহাগ প্রেমের দায়ে ৪ মাস যাবত কারাভোগের শিকার।

রবিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে নামদার কুমুল্লি বাজারে সোহাগের মুক্তির দাবিতে গ্রামবাসীর উদ্যোগে ঘন্টা ব্যাপী মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করা হয়।

মানবন্ধন বক্তব্য রাখেন-গ্রামের হৈতষী মাতাব্বর হাফিজ উদ্দিন ভুইয়া,খলিলুর রহমান,আশরাফ আলী মিঞা, মজিবর রহমান মিঞা,আবুল কালাম আজাদ,মো. জাহিদ মিয়া ও ফরিদ মিয়া প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, কুমিল্লি গ্রামের মো. লোমান মিয়ার মেয়ে নাফিজা আক্তার লুবনার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে একই গ্রামের সোহাগের সাথে। সেই সুবাদে লুবনা প্রেমিক সোহাগদের বাড়িতে গত দুই বছরে চারবার উঠে পড়েন। পর্যায়ক্রমে স্থানীয় মাতাব্বরগন লুবনাকে বুঝিয়ে তার বাবার কাছে রেখে আসেন। সম্প্রতি ফের লুবনা সোহাগের কাছে চলে আসে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে লুবনার পিতা লোমান মিয়া সোহাগকে আসামী করে অপহরণের মামলা দায়ের করেন। যাহার নাম্বার নারী শিশু ১৫৭/২৫ । ওই মামলায় গত ৪ মাস যাবত সোহাগ টাঙ্গাইল জেল হাজতে আটক আছেন।

তারা আরও বলেন, মেয়ের বাবা ধনাঢ্য ব্যক্তি হওয়ায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে ও তৃতীয় পক্ষের যোগসাজসে প্রেম গঠিত বিষয় গোপন রেখে সোহাগের নামে অপহরণ মামলা দিয়েছে। সেই মামলায় সোহাগের মুক্তি দাবি করছি। মুক্তি না দিলে পুনরায় কঠোর কর্মসুচির দেওয়া হবে বলে মানববন্ধ থেকে বক্তারা জানায়।

মানববন্ধনে সোহাগের পিতা সহিদুল ইসলাম ও মাতা সুর্য ভানু কান্না বিজরিত কণ্ঠে ছেলের মুক্তির দাবি জানায়।

মানবন্ধন শেষে নামদার কুমুল্লি বাজার এলাকায় একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে তিন শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ গ্রহণ করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অক্টোবর ২০২৫ ১২:৩৭:এএম ৬ মাস আগে
টাঙ্গাইলে দুই ব্যবসায়ীকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দুই ব্যবসায়ীকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা

সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য প্রস্তুত, বাসি খাবার বিক্রয় ও পরিমাপে কম দেওয়ার অপরাধে ২ ব্যবসায়ীকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

সোমবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেলের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সেনা সদস্য, পুলিশ ও স্যানেটারি ইন্সপেক্টর উপস্থিত ছিলেন।

সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল জানান, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে কালিহাতীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য প্রস্তুত, বাসি খাবার বিক্রয় ও পরিমাপে কম দেওয়ার অপরাধে কালিহাতী বাসস্ট্যান্ড এলাকার পিয়াসী হোটেলকে ৫০ হাজার টাকা এবং ক্ষতিকর রঙ ও কেমিকেল দিয়ে খাদ্যপণ্য প্রস্তুত করার অপরাধে এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকার এসএস ফুড মালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. অক্টোবর ২০২৫ ১২:০৮:এএম ৬ মাস আগে
টাঙ্গাইলে বলাৎকারের দায়ে  মাদ্রাসা শিক্ষকের ৫ বছরের কারাদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বলাৎকারের দায়ে মাদ্রাসা শিক্ষকের ৫ বছরের কারাদণ্ড

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে শিশু ছাত্রকে বলাৎকার করার দায়ে মাদ্রাসা শিক্ষককে পাঁচ বছর কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার(১৫ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মোঃ কামরুজ্জামান এই রায় দেন।

দন্ডিত ব্যক্তির নাম মোঃ হাফিজুল ইসলাম(৩৬)। তিনি সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বেলটিয়া গ্রামের ময়দান আলীর ছেলে। সে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থান দারুস সুন্নাহ মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষক ছিলেন।

মামলার রায়ে তাঁকে কারাদন্ড ছাড়াও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাসের সশ্রম কারাদন্ডের আদেশে দেওয়া হয়েছে।

এই মামলার রাষ্ট পক্ষের আইনজীবী টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি খন্দকার মোঃ রোকনুজ্জামান জানান, দন্ডিত মোঃ হাফিজুল ইসলাম ২০১৯ সালের ২৩ মে থেকে ২৭ জুলাই পর্যন্ত তাঁর মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেনীর এক আবাসিক ছাত্রকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বলাৎকার করেন। এক পর্যায়ে ওই ছাত্র মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে বাসায় চলে যায়। পরে বাবা মায়ের কাছে বলাৎকারের কথা খুলে বলেন। পরে ওই ছাত্রের বাবা বাদি হয়ে ২০১৯ সালের ২০ আগস্ট টাঙ্গাইল সদর থানায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ওই বছর ৩০ সেপ্টেম্বর সদর থানার উপ-পরিদর্শক মোঃ মনির আহমেদ হাফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলার আট জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহন শেষে বুধবার আদালত রায় দেন।

তিনি আরও জানান,রায় ঘোষনার সময় হাফিজুল ইসলাম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাঁকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

প্রসঙ্গত, মামলা দায়েরের পরেই হাফিজুল ইসলামকে পুলিশ গ্রপ্তার করেছিল। পরে তিনি জামিনে মুক্তি পান। মামালা দায়েরের পরেই তাকে মাদ্রাসা থেকে বরখাস্ত করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. অক্টোবর ২০২৫ ০১:৪৭:এএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলে সাত্তার শপিংমলে ভোক্তা অধিকারের অভিযানে ১ লাখ টাকা জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সাত্তার শপিংমলে ভোক্তা অধিকারের অভিযানে ১ লাখ টাকা জরিমানা

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল শহরের অভিজাত শপিং মল ‘সাত্তার শপিংমলে’ ভেজাল ও মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যবিরোধী অভিযান পরিচালনা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সকালে জেলা সদর রোডের টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত সাত্তার শপিংমলে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ ছাড়া বুধবার রাতে শহরের রাবনা বাইপাস এলাকায় অবস্থিত তাহের পেট্রোল পাম্পে অভিযান পরিচালনা করা হয়। পাম্পের এলপিজি গ্যাস বাসা বাড়ির সিলিন্ডারে দেওয়ার অভিযোগে তাদের এই জরিমানা করা হয়।

অভিযান দুটি পরিচালনা করেন, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রোমেল ।

অভিযানে সাত্তার শপিংমলে ভেজাল কসমেটিকস, মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য ও মূল্যতালিকা না রাখায় ১ লাখ টাকা ও তাহের পেট্রোল পাম্পকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকাসহ মোট ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানায়, সাত্তার শপিংমলকে সতর্ক করা হয়েছে এবং ভেজাল পণ্য জব্দ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে পুনরায় এ ধরনের অপরাধে জড়িত হলে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সাথে তাহের ফিলিং স্টেশনকে এ ধরনের নিয়ম বহির্ভূত কাজ না করতে চূড়ান্তভাবে সতর্ক করা হয়।

সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রোমেল বলেন, আমরা নিয়মিত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি। সাধারণ মানুষ যেন প্রতারিত না হয়, তাই শপিংমলের মালিকদের সচেতন থাকতে অনুরোধ জানানো হচ্ছে। এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তিনি আরও জানান,জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য পরবর্তী সময়ে উপজেলার বাজারগুলোতেও একই ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হবে।

অভিযানে সেনাবাহিনী ও পুলিশের বিপুল সংখ্যক সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অক্টোবর ২০২৫ ০৯:৪৬:পিএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলে ডাক্তার না হয়েও ‘শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ’, ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ডাক্তার না হয়েও ‘শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ’, ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ভুয়া চিকিৎসা কার্যক্রম ও ক্লিনিকে অনিয়মের দায়ে দুই প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সায়েদা খানম লিজার নেতৃত্বে এই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়।

জানা গেছে, কালিহাতী বাসস্ট্যান্ড এলাকার ‘কাকলী ফার্মেসী’র সত্ত্বাধিকারী নারায়ন চন্দ্র পাল ডাক্তার না হয়েও নিজেকে ‘শিশু রোগে বিশেষ অভিজ্ঞ’ পরিচয় দিয়ে প্রেসক্রিপশন ও ভিজিটিং কার্ড তৈরি করেন এবং নিয়মিত মা ও শিশুর চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছিলেন। এতে সাধারণ মানুষ প্রতারিত হচ্ছেন এবং শিশুদের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ছে উল্লেখ করে তাকে ভোক্তা অধিকার আইনে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এছাড়া, কালিহাতী হাসপাতাল রোডে অবস্থিত ‘নিরাপদ ক্লিনিক’-এর কাগজপত্র সঠিক না থাকা এবং সাইনবোর্ডে ক্লিনিক লেখা থাকলেও ভেতরে ডায়াগনস্টিক সেন্টার হিসেবে পরিচালনার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সায়েদা খানম লিজা বলেন, জনস্বাস্থ্য ও মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে এ ধরনের প্রতারণার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০৩:০৬:এএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলে যৌনপল্লি থেকে যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে যৌনপল্লি থেকে যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইল যৌনপল্লি থেকে শহর যুবলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাহ জনিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাতে শহরে কান্দাপাড়ার যৌনপল্লি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এরপর সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাকে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হয়।

গ্রেপ্তারকৃত শাহ জনি টাঙ্গাইল শহরের আকুরটাকুর পাড়ার মো. ইসরাফিলের ছেলে। তিনি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হামলার মামলাসহ একাধিক মামলার আসামি।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহম্মেদ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার দিনগত রাতে শহরের যৌনপল্লি থেকে শাহ জনিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।

তিনি আরো জানান, এর আগে গত বছরের ২ অক্টোবর রাতে টাঙ্গাইল শহরের বেবিস্ট্যান্ড এলাকা থেকে শাহ জনিকে গ্রেপ্তার করেছিল র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

পুলিশ জানিয়েছে, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট সকাল ১১টায় টাঙ্গাইল শহরের বটতলা এলাকায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে গুলি করে সন্ত্রাসীরা। এ সময় কালিহাতীর চিনামুরা গ্রামের লাল মিয়া গুলিবিদ্ধ হন। পরে লাল মিয়া বাদী হয়ে জেলা আওয়ামী লীগের (এখন কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ২৩০ জনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ১৫০-২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। শাহ জনি ওই মামলার ৪১ নম্বর আসামি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১২:০৫:এএম ৮ মাস আগে
টাঙ্গাইলে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদক ব্যবসায়ীর ২ বছরের কারাদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভ্রাম্যমাণ আদালতে মাদক ব্যবসায়ীর ২ বছরের কারাদণ্ড

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মামুন মিয়া নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (২৯ আগস্ট) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার কাঞ্চনপুর দক্ষিণপাড়া এলাকা থেকে তাকে আটকের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোছা. আকলিমা বেগম এ দণ্ডাদেশ দেন।

শনিবার (৩০ আগস্ট) তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত মামুন মিয়া (৩০) উপজেলার কাঞ্চনপুর দক্ষিণপাড়া এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে।

জানা গেছে, মামুন দীর্ঘদিন ধরে বাসাইল, দেলদুয়ার ও মির্জাপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি করে আসছিল। তার বিরুদ্ধে বাসাইল থানায় তিনটি ও দেলদুয়ার থানায় একটি মাদক মামলা রয়েছে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে আরও দুইটি সাধারণ ডায়েরিও রয়েছে। তাকে গ্রেফতারে প্রশাসন উৎপেতে ছিল। এক পর্যায়ে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোছা. আকলিমা বেগম রাত আড়াইটার দিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে আটক করে। তার কাছ থেকে ইয়াবা, গাঁজা ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। এসময় তাকে দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পরে শনিবার সকালে বাসাইল থানা পুলিশের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জালাল উদ্দিন বলেন, ‘উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মাদক ব্যবসায়ী মামুনকে ২ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। পরে সকালে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. অগাস্ট ২০২৫ ০২:০১:এএম ৮ মাস আগে
টাঙ্গাইলে ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি দুই ভাই  গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি দুই ভাই গ্রেপ্তার

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।

শনিবার (২৩ আগস্ট) রাতে উপজেলার বল্লা ইউনিয়নের বল্লা বড়বাড়ি এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতদের রবিবার (২৪ আগস্ট) আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, উপজেলার বল্লা ইউনিয়নের বল্লা এলাকার মোহাম্মদ আলী মাস্টারের দুই ছেলে মফিজুর রহমান ও শফিকুল ইসলাম।

কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাকির হোসেন জানান, গ্রেপ্তারকৃত দুই ভাই মফিজুর রহমান ও শফিকুল ইসলাম ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার রাতে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে। এসময় তাদের নিজ বাড়ি বল্লা বড়বাড়ী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তিনি আরও জানান, রবিবার তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. অগাস্ট ২০২৫ ০১:৫২:এএম ৮ মাস আগে
টাঙ্গাইলে যুবলীগ নেতা আবুল কাশেম গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে যুবলীগ নেতা আবুল কাশেম গ্রেপ্তার

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাতুলী ইউনিয়ন যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও টাঙ্গাইল পৌর এলাকার ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কাশেমকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ।

শুক্রবার (২২ আগস্ট) রাতে কাতুলী ইউনিয়নের চৌবাড়ীয়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহম্মেদ।

গ্রেপ্তারকৃত যুবলীগ নেতা আবুল কাশেম একই ইউনিয়নের চৌবাড়ীয়া গ্রামের কুরবান আলীর ছেলে।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহম্মেদ জানান, গত বছরের ৪ আগস্ট জেলা সদর রোডে অবস্থিত বিবেকানন্দ হাইস্কুল এন্ড কলেজের সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলার ঘটনায় আহত লাল মিয়ার দায়ের করা মামলায় যুবলীগ নেতা আবুল কাশেমকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে শনিবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল মেজিস্ট্রেট আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. অগাস্ট ২০২৫ ০৩:১৮:এএম ৮ মাস আগে
টাঙ্গাইলে মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি আমীর হামজাকে কারাগারে প্রেরণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি আমীর হামজাকে কারাগারে প্রেরণ

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলায় গ্রেপ্তারকৃত জেলা মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি আমীর হামজাকে (৭৯) কারাগারে প্রেরণ করেছে আদালত। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ।

বুধবার (২০ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইল আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এর আগে মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে শহরের পার্ক বাজারের মাছের আড়ৎ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত আমীর হামজা শহরের বেপাড়ী পাড়া এলাকার মৃত আমজাত আলীর ছেলে ও জেলা মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহাম্মেদ জানান, গত বছরের ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে আদালত প্রাঙ্গনের দক্ষিণ পাশের ‘টাঙ্গাইল কিচেন’ নামের একটি রেস্তোর সামনে আন্দোলনকারীদের উপর হামলা করা হয়েছিলো।

তিনি আরও জানান, হামলার ঘটনায় আব্দুর রশিদ নামের এক ব্যক্তি বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। সেই মামলায় মঙ্গলবার দুপুরে আমীর হামজাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে বুধবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. অগাস্ট ২০২৫ ০৪:০১:এএম ৮ মাস আগে
টাঙ্গাইলে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত জিপির কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দিল বিক্ষুব্ধ আইনজীবীরা  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত জিপির কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দিল বিক্ষুব্ধ আইনজীবীরা 

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে সদ্য নিয়োগ পাওয়া আদালতের সরকারি আইন কর্মকর্তা (জিপি) বজলুর রহমান মিয়াকে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে তার কার্যালয়ে তালা দিয়েছেন আইনজীবীরা।

বজলুর রহমান জিপি পদে নিয়োগ পাওয়ায় সাধারণ আইনজীবীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। সেই ক্ষোভ থেকে মূলত তার কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেন আইনজীবীরা।

মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সকালে পিপির দুটো কক্ষে তারা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। পরে আইন সচিবের মাধ্যমে আইন উপদেষ্টা বরাবর আইনজীবী বজলুর রহমানের নিয়োগ বাতিল করে অন্য কাউকে নিয়োগের জন্য আবেদন করা হয়।

অতিরিক্ত আইন কর্মকর্তা (অতিরিক্ত জিপি) মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল বলেন, ‘‘মঙ্গলবার সকালে কক্ষে তালা দেয়ার বিষয়টি জানতে পারি। পরে প্রশাসনকে অবগত করেছি। তালাবদ্ধ থাকায় আমি আমার কক্ষে প্রবেশ করতে পারিনি।’’

গত ৫ মার্চ আদালতের আইন কর্মকর্তা আব্দুল বাকী মিয়ার মৃত্যুর পর অতিরিক্ত আইন কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ১০ আগস্ট অ্যাডভোকেট বজলুর রহমান মিয়াকে আইন মন্ত্রণালয় থেকে আইন কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে প্রতিবাদ স্বরূপ জিপির কক্ষে তালা দেয় বিক্ষুব্ধ আইনজীবীরা।

বিক্ষুব্ধ কয়েকজন আইনজীবী বলেন, ‘‘বজলুর রহমান বিগত আওয়ামী লীগের দোসর। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় তাদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেক পোস্ট দিয়েছেন।

আইনজীবীরা আরও অভিযোগ করেন, বজলুর রহমান ইতোপূর্বে দেওয়ানি মামলা পরিচালনা করেননি।’’ আদালতের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অন্য যে কোনো যোগ্য আইনজীবীকে নিয়োগ দেয়ার দাবি করেন তারা।

জেলা বার সমিতির সভাপতি জহুর আজহার খান বলেন, ‘‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বজলুর রহমানকে দুই দিন অফিস না করার জন্য মৌখিকভাবে বলা হয়েছিল। তিনি না মেনে উল্টো বার সমিতিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়েছেন। বজলুর রহমান বলেছেন, লোকজন নিয়ে জিপির কক্ষে প্রবেশ করবেন।’’

সদ্য নিয়োগ পাওয়া আইন কর্মকর্তা (জিপি) বজলুর রহমান মিয়া বলেন, ‘‘আমি কোনো দলের দোসর ছিলাম না। সদ্য জিপি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর আমি ফ্যাসিস্টদের দোসর হয়েছি।’’

তিনি আরো বলেন, ‘‘আমার নামে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি জিপি নিয়োগ পাওয়ায় একটি মহল আমার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছেন।’’

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. অগাস্ট ২০২৫ ০৫:৫৪:এএম ৮ মাস আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।