একতার কণ্ঠঃ স্কুলে যাওয়া-আসার পথে প্রায়ই উত্ত্যক্তের শিকার হতো এক শিক্ষার্থী। উল্টো তার ঘাড়েই দোষ চাপাতেন শিক্ষকরা। করতেন বকাঝকা। এসব সইতে না পেরে চিরকুট লিখে আত্মহত্যা করেছে ভুক্তভোগী ছাত্রী। বুধবার (৩০ আগস্ট) বিকেলে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের মটরা সাহাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী আলিফা খানম জুঁই বাসাইল উপজেলার লৌহজং উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
অভিযুক্ত বাঁধন ওরফে পিচ্চি বাঁধন টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের বীরপুশিয়া নয়াপাড়া গ্রামের প্রবাসী কামরুল ইসলামের ছেলে।
এ ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) রাতে আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে চারজনের বিরুদ্ধে মামলা কারেছেন নিহত ছাত্রীর দাদা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাইয়ুম।
আসামিরা হলেন, বাঁধন ওরফে পিচ্চি বাঁধন, লৌহজং উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আরজু জমাদার, সহকারী শিক্ষক আব্দুল লতিফ ও সহকারী শিক্ষক তাছলিমা খাতুন ছবি।
জানা গেছে, মেয়েটির মা-বাবা ঢাকায় থাকেন। গ্রামের বাড়িতে দাদা-দাদির কাছে থেকে লেখাপাড়া করতো সে। বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসার পথে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করে বাঁধন ওরফে পিচ্চি বাঁধন। সম্প্রতি উত্ত্যক্তের মাত্রা বেড়ে যায়। এসিড দিয়ে ছাত্রীর মুখ ঝলসে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে গত বুধবার বিকেলে বাঁধনসহ তার পরিবার এবং ছাত্রীসহ তার পরিবারকে ডেকে নেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। সেখানে বাঁধনকে শাসিয়ে দেওয়া হয়। ছাত্রীর ওপর দোষ চাপিয়ে বকাঝকা করা হয়। বিদ্যালয় থেকে বাড়িতে ফিরে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেয় সে। পাশেই একটি চিরকুট পাওয়া যায়। তাতে লেখা ছিল ‘আমি দোষী নই।’ খবর পেয়ে লাশটি উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায় বাসাইল থানা পুলিশ।
শিক্ষার্থীর মা রূপা বেগম বলেন, বখাটে বাঁধনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আরজু জমাদার বলেন, আমরা দুই পরিবারের লোকজন নিয়ে বসেছিলাম। সেখানে বাঁধনকে শাসিয়ে দেওয়া হয়। তারপরও মেয়েটি কেন আত্মহত্যা করল আমরা বুঝতে পারছি না।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মতিউর রহমান খানের ভাষ্য, খবর পেয়ে মেয়েটির বাড়ি ও বিদ্যালয়ে গিয়েছিলেন। বখাটে বাঁধনের উত্ত্যক্তের বিষয়টি সত্য। তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।
বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেস্তাফিজুর রহমান জানান, বিদ্যালয়ে পড়াশোনার জায়গা, বিচারের জন্য নয়। প্রধান শিক্ষক বিষয়টি প্রশাসন অথবা পুলিশকে জানাতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেননি। উল্টো ওই ছাত্রীকেই বিচারের নামে বহু মানুষের সামনে দোষারোপ করেছেন। অপমান সইতে না পেরে সে চিরকুট লিখে আত্মহত্যা করেছে। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পাপিয়া আক্তার জানান, উত্ত্যক্তের বিষয়টি আমাদের আগে জানানো হয়নি। জানলে হয়তো ব্যবস্থা নিতে পারতাম। যেহেতু মামলা হয়েছে, তাই পুলিশ ঘটনার তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বলে আমি আশা করি।
একতার কণ্ঠঃ গৃহবধূ ধর্ষণ মামলায় টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সাকিব মিয়াকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (২৩ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মাহাবুবুর রহমান এ আদেশ দেন।
সাকিব মিয়া বাসাইল পৌর ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাসাইল দক্ষিণপাড়া গ্রামের মনু মিয়ার ছেলে।
জানা যায়, চলতি বছরের ১৪ মে দিবাগত রাতে ওই গৃহবধূ ও তার স্বামী ঘুমিয়ে পড়েন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাসাইল পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি সাকিব মিয়া একজন অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাবে বলে ওই গৃহবধূর স্বামীর মোটরসাইকেল নিতে আসে। মোটরসাইকেল নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই গৃহবধূর স্বামীকে মোটরসাইকেল ত্রুটির কথা বলে ডেকে নেন। এরই ফাঁকে তার সহযোগি সাইদুল মিয়া ও শাহেদ মিয়ার সহযোগিতায় সাকিব মিয়া ওই গৃহবধূকে কৌশলে ওড়না দিয়ে মুখ বেঁধে ধর্ষণ করেন। এ ঘটনায় গত ১৬মে ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে সাকিব ও তার দুই সহযোগী সাইদুল ও শাহেদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এরপর তারা উচ্চ আদালত থেকে ৬ সপ্তাহের জন্য জামিন নেন। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় সাকিব মিয়া আদালতে হাজির হন। পরে আদালতের বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
বাদিপক্ষের আইনজীবী জিনিয়া বখশ বলেন, মামলার প্রধান আসামি সাকিব মিয়া আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। পরে বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এরআগে মামলার বাকি দুই আসামি সাইদুল ও শাহেদ ১৫দিন কারাভোগের পর নিম্ন আদালত থেকে ২৩ জুলাই ফের জামিন পান।
একতার কণ্ঠঃ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে টাঙ্গাইল জজ কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল বাছেদের (৭৫) মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৮ আগস্ট) সকালে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
আব্দুল বাছেদের মেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মহসিনা আক্তার আঁখি জানান, তার বাবা টাঙ্গাইল শহরের সাবালিয়াস্থ বাসায় থেকে টাঙ্গাইল জজ কোর্টে নিয়মিত প্র্যাকটিস করতেন। গত ১৪ আগস্ট ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হন তিনি।
তিনি আরও জানান, প্রথমে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকার শ্যামলীতে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হসপিটালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার সকাল ৮টায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
এদিন জুমার নামাজের পর টাঙ্গাইল কোর্ট চত্বরে প্রথম এবং বাদ আছর বাসাইল উপজেলার আইসরায় নিজ গ্রামে দ্বিতীয় জানাজা শেষে সামাজিক গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
উল্লেখ্য, তিনি মৃত্যুকালে স্ত্রী, তিন ছেলে ও চার মেয়ে রেখে গেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে ঝিনাই নদীতে ইঞ্জিন চালিত পিকনিকের নৌকা থেকে পড়ে এরশাদ মিয়া (৩৫) নামের এক যবুক নিখোঁজ হয়েছেন।
শুক্রবার (২১ জুলাই) সকাল ১০ টার দিকে উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের বিলপাড়া সেতুর নিচে এঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ এরশাদ মিয়া উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের দাপনাজোর গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নান মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আশরাফুজ্জামান বক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এরশাদের ভাই লিটন মিয়া জানান, শুক্রবার সকালে তারটিয়া থেকে ইঞ্জিনচালিত পিকনিকের নৌকা মির্জাপুরের দিকে যাচ্ছিল। বাসাইল উপজেলা বিলপাড়া পৌঁছালে নৌকা থেকে সেতুর নিচে পড়ে নিখোঁজ হয়। সে সাতাঁর কাটতে পারে।পড়ে গিয়ে সে আর পানি থেকে উঠতে পারেনি। সেতুর সাথে এরশাদের মাথায় আঘাত লাগতে পারে ধারণা করছি। নদীতে অনেক স্রোত রয়েছে। নৌকাতে পিকনিকের ৩৫-৪০ জন লোক ছিল।
তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এসেছিল। নদীতে অনেক স্রোত থাকায় উদ্ধার অভিযান না চালিয়ে তারা ফিরে গেছেন।
বাসাইল উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামীম আল মামুন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। নদীতে অনেক স্রোত রয়েছে। শুনেছি ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এসে উদ্ধার অভিযান না চালিয়ে ফিরে গেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পৃথক তিনটি সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ৫ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন ১২জন।
শুক্রবার(৭ জুলাই )বিকেলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের রাবনা বাইপাস এলাকায় কাভার্ড ভ্যান পিকআপ সংঘর্ষে তিনজন এবং বঙ্গবন্ধু সেতু এলাকায় অজ্ঞাত এক নারী ও বাসাইলে এক শিশু নিহত হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে তিনজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। এরা হচ্ছেন জেলার গোপালপুর উপজেলার হযরত আলীর ছেলে শাহ আলম (৪০), সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার গোয়াকড়া গ্রামের হামিদ মিয়ার ছেলে শাহান শাহ (২৫) এবং নুরজাহান (৪৫)। এরা সবাই পিকআপ ভ্যানের যাত্রী।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের পুলিশ বক্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আতিকুর মিয়া জানায়, শুক্রবার বিকেলে সিরাজগঞ্জ থেকে ঢাকায় কর্মস্থলে যাওয়ার উদ্দেশ্য স্বামীর সাথে একটি পিকআপে করে রওনা হোন। পিকআপ ভ্যানটি ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের রাবনা বাইপাস এলাকায় পৌছালে একই দিক থেকে আসা একটি কাভার্ড ভ্যান তাদের গাড়িটির উপরে পেছন থেকে তুলে দেয়। এতে পিক-আপে থাকা প্রায় ১৫ জন যাত্রী আহত হয়।
তিনি আরও জানান,পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজনের মৃত্যু হয়।
অন্যদিকে, একই মহাসড়কে বঙ্গবন্ধু সেতু এলাকায় অজ্ঞাত বাস চাপায় এক নারী ও বাসাইলে মোটরসাইকলে চাপায় ফারজানা (৩) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় সাজেদা বেগম (৪৫) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন।
বুধবার (২১ জুন ) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের নলগাইরা বাজারে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সাজেদা বেগম বাসাইলের কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের পূর্ব পৌলি গ্রামের জামাল মিয়ার স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানান, নলগাইরা বাজারের রাস্তার এক পাশে মহিলাটি দাঁড়িয়ে ছিলেন। বাসাইল হতে পাথরঘাটাগামী একটি মোটরসাইকেল মহিলাটিকে ধাক্কা দিলে মহিলাটি রাস্তার পাশে ছিটকে পড়ে যায়। স্থানীয়রা মহিলাকে উদ্ধার করে বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. রমেশ জানান, দুর্ঘটনার পর মহিলাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। ইসিজি পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হই হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল পৌর নির্বাচনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের মনোনীত গামছা প্রতীকের প্রার্থী রাহাত হাসান টিপু ৪ হাজার ৭শ’ ৪২ ভোট পেয়ে তিনি বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আব্দুর রহিম আহমেদ পেয়েছেন ৪ হাজার ৬শ’ ২১ ভোট।
স্বতন্ত্র প্রার্থী এনামুল করিম অটল নারিকেল গাছ প্রতীক নিয়ে ৪ হাজার ৩শ’ ৫৪ ভোট পেয়েছেন ।
বুধবার(২১ জুন) সন্ধ্যায় সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বাসাইল উপজেলা হলরুম থেকে বেসরকারিভাবে পৌরসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন।
বাসাইল পৌর নির্বাচনে মেয়র পদে তিন জন, সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২৭ জন ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
একতার কণ্ঠঃ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে টাঙ্গাইলের বাসাইল পৌরসভা নির্বাচনে সুষ্ঠু ও উৎসমুখর পরিবেশে চলছে ভোটগ্রহণ। বুধবার(২১ জুন) সকাল সাড়ে ৮ টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয় একটানা বিকেল সাড়ে ৪ টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলবে। তবে, এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করছেন।

মেয়র পদে তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান মেয়র আব্দুর রহিম আহমেদ, বাসাইল উপজেলা বিএনপির সদ্য বহিস্কৃত সভাপতি এনামুল করিম অটল এবং উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি রাহাত হাসান টিপু।

উপজেলা নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, ১৮ হাজার ৪৩৭ জন ভোটারের এ পৌরসভায় তিন জন মেয়র প্রার্থী, নয়টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২৭ জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ইভিএম মেশিনের মাধ্যমে ভোট দিচ্ছেন ভোটারা।
এ ব্যাপারে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মতিয়ুর রহমান বলেন, সুষ্ঠ ও সুন্দর পরিবেশে ভোটগ্রহণ চলছে। নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যাতে না ঘটে সেলক্ষ্যে পৌরসভায় পর্যাপ্ত সংখ্যক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।
একতার কণ্ঠঃ আগামী ২১ জুন টাঙ্গাইলের বাসাইল পৌরসভা নির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী বর্তমান মেয়র আব্দুর রহিম আহমেদ, স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এনামুল করিম অটল ও কৃষক শ্রমিক জনতালীগের উপজেলা শাখার সভাপতি রাহাত হাসান টিপু মেয়র পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এছাড়াও সাধারণ কাউন্সিলর পদে ২৭ জন ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পৌরসভার ১০টি কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা ১৮ হাজার ৪৩৭। এর মধ্যে নারী ভোটার ৯ হাজার ৫৩০ জন এবং পুরুষ ভোটার ৮ হাজার ৯০৭জন।
নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী না থাকলেও আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দল প্রকট হয়ে উঠছে। আওয়ামী লীগের একটি বড় অংশ তারা গোপনে আব্দুর রহিম আহমেদের বিরোধীতা করছে। আব্দুর রহিম আহমেদ স্থানীয় সংসদ সংসদ ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহেরের অনুসারী। তাকে মেয়র পদে মনোনয়ন দেয়ার ব্যাপারে এমপি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। একারণে এমপি বিরোধী গ্রুপ চায়না এমপির অনুসারী মেয়র পদে জয়লাভ করুক। তারা প্রকাশ্যে বিরোধীতা না করলেও গোপনে বিরোধীতা করছেন এবং নির্বাচন থেকে দূরে রয়েছেন বলে জানান আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকর্মী।
এছাড়াও মেয়র হয়েও গত পাঁচ বছরে তিনি পৌরসভার তেমন কোন কাজ করেননি বলে অভিযোগ রয়েছে। রাস্তা ঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থাসহ গত পাঁচ বছরে পৌরসভার কোন উন্নয়ন হয়নি বলে অভিযোগ বিরোধীদের।
তবে এসব বিষয় উড়িয়ে দিয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আব্দুর রহিম আহমেদ বলেন, গত পাঁচ বছর মেয়র হয়ে অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করেছি। দলের ভেতরে কোন দ্বন্দ নেই। শুধু আওয়ামী লীগই নয় দল মত নির্বিশেষে সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে আমাকে ভোট দিয়ে জয়জুক্ত করবে। আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মী ও পৌরসভার জনগণ একত্রিত হয়েছে। গত পৌরসভার নির্বাচনের ন্যায় এবারও আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে বিজয়ী করে জননেত্রী শেখ হাসিনাকে নৌকা উপহার দিবে।
এদিকে বাসাইল উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক অবস্থা অত্যন্ত দূর্বল। দলের ভেতরেও রয়েছে অভ্যন্তরীণ কোন্দল। আওয়ামী লীগ সরকারের অধিনে বিএনপি নির্বাচনে অংশ গ্রহণ না করলেও উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল করিম অটল এবারও মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি গত মঙ্গলবার জেলা বিএনপির সভাপতির কাছে পদত্যাগ পত্র পাঠিয়েছেন। তাঁর পদত্যাগ পত্র গ্রহণ করেছেনও বলে জানান জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহিন ।
তবে এনামুল করিম অটল বলেন, উপজেলা বিএনপির সকল নেতাকর্মী আমার সাথে রয়েছে। জীবন যৌবন শেষ করেছি এ দলের জন্য। বাসাইল কলেজের ভিপি ছিলাম। বিএনপির দুইবার উপজেলার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছি। বর্তমানে বাসাইল উপজেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছি।
তিনি আরও বলেন, গত পৌরসভা নির্বাচনে আমি মাত্র ১৯ ভোটে হেরে গেছি। বর্তমান সরকার আমাকে নীলনক্সা করে হারিয়েছে। এবার ৭০ ভাগ ভোটার আমার পক্ষে। জনগণ ভোট দিতে পারলে আমি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবো। এ অবস্থায় মাঠ ছেড়ে দিলে জনগণ আমাকে ক্ষমা করবে না। জনগণ আমার সাথে আছে। আমি শতভাগ আশাবাদী জয়ের ব্যাপারে ।
টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহিন বলেন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল করিম অটল দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। সে এখন দলের কেউ নন। বিএনপির কোন নেতাকর্মী তাঁর নির্বাচনে অংশ নিলে তাদের বিরুদ্ধে দলীয় শৃংখলা ভঙ্গের অভিযোগে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কৃষক শ্রমিক জনতালীগের সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম তার মনেনাীত প্রার্থী উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতালীগের সভাপতি রাহাত হাসান টিপুকে জয়ী করার জন্য ভোটারদের কাছে যাচ্ছেন। সভা সমাবেশ করছেন।
কৃষক শ্রমিক জনতালীগের মেয়র প্রার্থী রাহাত হাসান টিপু বলেন, গত নির্বাচনে সামান্য ভোটে হেরেছিলাম। ১০ বছর ধরে মাঠে রয়েছি। বাসাইলের জনগণ আমাকে চায়। জয়ের ব্যাপারে আমি শতভাগ আশাবাদী। নির্বাচন সুষ্ঠু হলে আমার বিজয় সুনিশ্চিত।
তবে সাধারণ ভোটাররা সন্ত্রাস, মাদক মুক্ত ও উন্নয়নশীল ও আধুনিক পৌরসভা গড়তে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে জয়জুক্ত করবেন বলে জানিয়েছেন।
এ ব্যাপারে বাসাইল উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মনি শংকর রায় বলেন, নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি রয়েছে। সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন পরিচালনার জন্য ব্যাপক সংখ্যক আইনশৃংখলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বাসাইলে পুকুরে গোসল করতে নেমে ডুবে গিয়ে রেনু বেগম (৬০) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (৪ জুন) বেলা ১১ টার দিকে উপজেলার কাউলজানী ইউনিয়নের কলিয়া পূর্বপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রেনু বেগম ওই গ্রামের খসরু মিয়ার স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানান, সকালে রেনু বেগম বাড়ির সামনের পুকুরে গোসল করতে নামে। এক পর্যায়ে তিনি পানিতে ডুবে যায়। এসময় এক কিশোর বিষয়টি দেখে স্থানীয়দের খবর দেয়। পরে তার পরিবার ও স্থানীয়রা মাছ ধরার ঝাঁকি জাল দিয়ে পানিতে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। প্রায় এক ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
নিহতের স্বামী খসরু মিয়া বলেন, আমার স্ত্রী মানসিকভাবে অসুস্থ্য। এজন্য আমি তাকে গোসলও করিয়ে দিতাম। সকালে আমার অজান্তে সে পুকুরে নেমে নিখোঁজ হয়। পরে পুকুরের পানিতে খোঁজাখুঁজির পর তার লাশ পাওয়া যায়।
স্থানীয় ওয়ার্ডের সংরক্ষিত আসনের ইউপি সদস্য ফরিদা আক্তার বলেন, রেনু বেগম দীর্ঘদিন ধরে মানসিকভাবে অসুস্থ্য ছিলেন। সকালে তিনি বাড়ির সামনে পুকুরে গোসল করতে গিয়ে ডুবে নিখোঁজ হয়। পরে স্থানীয়রা মাছ ধরার ঝাঁকি জালসহ বিভিন্নভাবে পুকুরে নেমে তাকে খুঁজতে থাকে। প্রায় এক ঘন্টা পর তার লাশ পাওয়া যায়।
তিনি আরও বলেন, খবর পেয়ে নিহতের বাড়িতে পুলিশ এসেছিল। নিহত রেনু মানসিকভাবে অসুস্থ্য ছিল এজন্য মুছলেকা দিয়ে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশটি রেখে দিয়েছি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে কিশোর গ্যাংয়ের হামলার ঘটনায় আকাশ (১৯) নামের এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৯ মে) দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান।
গ্রেপ্তারকৃত আকাশ উপজেলার কাজিরাপাড়া গ্রামের মাহফুজের ছেলে। হামলার শিকার আহনাব শাহরিয়ার নাবিল চ্যানেল আইয়ের টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ও বাসাইল প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা মুসলিম উদ্দিন আহমেদের ছেলে।
নাবিল বাসাইল সরকারি গোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে চলমান এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে।
বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলার পর একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
প্রকাশ, হামলার শিকার নাবিল রোববার (২৮ মে) দুপুরে বাসাইল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে কৃষিশিক্ষা পরীক্ষা শেষ করে কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে তার নিজ বিদ্যালয় বাসাইল সরকারি গোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের দিকে যাচ্ছিল। এসময় বাসাইল কেন্দ্রীয় কবরস্থানের সামনে পৌঁছালে আগে থেকেই উৎপেতে থাকা ১০-১৫ জনের কিশোর গ্যাংয়ের একটি সংঘবদ্ধ দল নাবিলের পথরোধ করে। একপর্যায়ে কাঠ ও বাঁশের লাঠি দিয়ে নাবিলকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এ সময় নাবিলকে সেখান থেকে অপহরণের উদ্দেশ্যে মোটরসাইলেকে ওঠানোর চেষ্টা করে। নাবিলের ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে কিশোরগ্যাংয়ের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এ সময় নাবিলের এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্রসহ সকল কাগজ ছিনিয়ে নিয়ে যায় তারা। পরে নাবিলকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। নাবিল বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এ ঘটনায় নাবিলের বাবা মুসলিম উদ্দিন আহমেদ বাদি হয়ে কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য আকাশসহ অজ্ঞাত ১০-১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে কিশোরগ্যাংয়ের হামলায় আহনাব শাহরিয়ার নাবিল (১৫) নামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছে।
রবিবার (২৮ মে) দুপুরে বাসাইল-পাথরঘাটা সড়কের বাসাইল কেন্দ্রীয় কবরস্থান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বাসাইল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
হামলার শিকার নাবিল চ্যানেল আইয়ের টাঙ্গাইল প্রতিনিধি ও বাসাইল প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা মুসলিম উদ্দিন আহমেদের ছেলে। নাবিল বাসাইল সরকারি গোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে চলমান এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হামলার শিকার নাবিল বাসাইল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে কৃষিশিক্ষা পরীক্ষা শেষ করে কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে তার নিজ বিদ্যালয় বাসাইল সরকারি গোবিন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের দিকে যাচ্ছিল। এসময় বাসাইল কেন্দ্রীয় কবরস্থানের সামনে পৌছালে আগে থেকেই উৎপেতে থাকা ১০-১৫ জনের কিশোরগ্যাংয়ের একটি সংঘবদ্ধ দল নাবিলের পথরোধ করে। একপর্যায়ে কাঠ ও বাঁশের লাঠি দিয়ে নাবিলকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এ সময় নাবিলকে সেখান থেকে অপহরণের উদ্দেশ্যে মোটরসাইলেকে ওঠানোর চেষ্টা করে। নাবিলের ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে কিশোরগ্যাংয়ের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে নাবিলকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
নাবিলের বাবা মুসলিম উদ্দিন আহমেদ বলেন, কিশোরগ্যাংয়ের সদস্যরা অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়ে আমার ছেলে নাবিলকে গুরুতর আহত করেছে। এ সময় নাবিলের এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্রসহ সকল কাগজ ছিনিয়ে নিয়ে যায় তারা। এঘটনায় অজ্ঞাত ১০-১৫ জনের বিরুদ্ধে বাসাইল থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। নাবিল বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে।