/ হোম / বাসাইল
দুবাই অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে খেলছে টাঙ্গাইলের ৩ ক্রিকেটার - Ekotar Kantho

দুবাই অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে খেলছে টাঙ্গাইলের ৩ ক্রিকেটার

একতার কণ্ঠঃ এবারের অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ অনুষ্ঠিত হচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে। যুব বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসেবে ধরা হয় এই ওয়ানডে ফরমেটের টুর্নামেন্টকে। শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) বাংলাদেশ তাদের প্রথম ম্যাচ খেলবে শক্তিশালী আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে। এই খেলায় বাংলাদেশ দলের হয়ে খেলবেন টাঙ্গাইলের ৩ যুবা ক্রিকেটার।

তারা হলেন, বাঁহাতি ওপেনার রিফাত বেগ (১৮), ডানহাতি লেগব্রেক বোলার কাম ব্যাটসম্যান দেবাশীষ সরকার দেবা (১৮) ও ডানহাতি মিডিয়াম পেসার রিজান হোসেন (১৮)।

ইতিমধ্যে রবিবার (২৩ নভেম্বর) সকালে টাঙ্গাইলের এই ৩ ক্রিকেটার এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহন করতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে মূল দলের সঙ্গে চলে গেছেন।

আসুন সংক্ষেপে জেনে নেওয়া যাক টাঙ্গাইলের এই ৩ প্রতিভাবান ক্রিকেটার সম্পর্কে –

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার কামান্য গ্রামে জন্মগ্রহন করা বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) প্রতিভাবান ক্রিকেটার বাঁহাতি ওপেনার রিফাত বেগ।

গত ১১ ফেব্রুয়ারী রাজশাহী শহীদ কামরুজ্জামান স্টেডিয়ামে অনুর্ধ্ব-১৮ জাতীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে ঢাকা মেট্রোর বিপক্ষে অপরাজিত ট্রিপল সেঞ্চুরী (৩২০) করে ইতিহাস গড়েছেন এই ক্রিকেটার। এই পর্যায়ের ক্রিকেটে এটাই কোন বাংলাদেশি ক্রিকেটারের সেরা ইনিংস। ৬৫০ মিনিট ক্রিজে থেকে ৪৮৩ বলে ২৯টি চার আর ৪টি ছক্কা হাঁকান রিফাত।

রিফাত বেগ জানান, বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অপরিহার্য ক্রিকেটার হওয়াই তার স্বপ্ন। তৃতীয় শ্রেনীতে পড়ার সময় তারই বড় ভাই বরকতের হাত ধরে ক্রিকেট খেলার প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি হয় তার। তার ধ্যান-জ্ঞান ক্রিকেট আর ক্রিকেট।

টাঙ্গাইলের আরেক যুবা ক্রিকেটার দেবাশীষ সরকার দেবা। টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার ফুলকী ইউনিয়নের ঝনঝনিয়া গ্রামের আশিষ সরকারের ছেলে। ছোট বেলা থেকেই ক্রিকেট খেলার প্রতি তীব্র আকর্ষণ‌ তাকে ক্রিকেট মাঠের মনোযোগী অলরাউন্ডার বানিয়েছে।

গত বছর বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব-১৭ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক হিসেবে ভারত সফর করেছেন তিনি। তার নেতৃত্বে ভারতের আঞ্চলিক দলের বিরুদ্ধে দু’টি ম্যাচেই বিশাল জয় উপহার দিয়েছেন। দেবাশীষ একজন পরিশ্রমী ও চতুর অফস্পিন বোলার কাম ব্যাটসম্যান। লক্ষ্য তার বাংলাদেশ জাতীয় দলের নিয়মিত ক্রিকেটার হওয়া।

টাঙ্গাইল শহরের প্যারাডাইস পাড়ায় জন্ম নেওয়া আবুল হোসেনের ছেলে রিজান হোসেন একজন ওপেনিং ব্যাটসম্যান ও ওপেনিং বোলার। সে প্রকৃতপক্ষে একজন জেনুইন অলরাউন্ডার।

ঢাকা বিভাগ (উত্তর) এর সহকারি ক্রিকেট কোচ ও টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট কোচ মো. আরাফাত রহমান বলেন, টাঙ্গাইলের তিন জন মেধাবী যুবা ক্রিকেটার এবার কাতারে অনুষ্ঠিত অনুর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে খেলছে এটা অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের বিষয়। তারা তিনজনই আমার ছাত্র। আমার দৃঢ় বিশ্বাস তারা বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে খেলার যোগ্যতা রাখে। আমি তাদের সর্বাঙ্গীন উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছি।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯, ১৪ সদস্যের স্কোয়াডে রয়েছে, আজিজুল হাকিম তামিম (অধিনায়ক), জাওয়াদ আবরার (সহ-অধিনায়ক), রিফাত বেগ, সামিউন বশির রাতুল, দেবাশীষ সরকার দেবা, রিজান হোসেন, আল ফাহাদ, ইকবাল হাসান ইমন, রাফিউজ্জামান রাফি, ফরিদ হাসান ফয়সাল, মারুফ মৃধা, শিহাব জেমস, আশরাফুজ্জামান বরেণ্য এবং সাদ ইসলাম রাজিন।

অতিরিক্ত খেলোয়াড় হিসেবে রাখা হয়েছে, কালাম সিদ্দিকী, শাহরিয়ার আজমীর, ইয়াসির আরাফাত এবং সানজিদ মজুমদারকে।

এবারের আসরে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ ২৯ নভেম্বর আফগানিস্তানের বিপক্ষে। দ্বিতীয় ম্যাচে ১ ডিসেম্বর নেপালের মুখোমুখি হবে তামিমের দল। এরপর ৩ ডিসেম্বর গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে তারা লড়বে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।

৬ ডিসেম্বর হবে দুটি সেমিফাইনাল। আর ৮ ডিসেম্বর দুবাইয়ে হবে ফাইনাল।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. নভেম্বর ২০২৪ ০৩:৪৫:এএম ১ বছর আগে
বাসাইল উপজেলা আ.লীগের সভাপতি গাউসের ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন - Ekotar Kantho

বাসাইল উপজেলা আ.লীগের সভাপতি গাউসের ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী মতিউর রহমান গাউসের ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ।

রবিবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পশুপতি বিশ্বাসের এজলাসে এই রিমান্ড আবেদন করা হয়।

পরে বিজ্ঞ আদালত আগামী ১০ নভেম্বর রিমান্ডের শুনানি দিন ধার্য করে সি/ ডব্লিউ মূলে হাজি মতিউর রহমান গাউসকে টাঙ্গাইল জেল হাজতে প্রেরণ করে।

টাঙ্গাইলের কোট ইন্সপেক্টর লোকমান হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর পূর্বে গাউসকে গত ৪ আগস্ট বিবেকানন্দ হাইস্কুল এন্ড কলেজের সামনে বৈষম্যে বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আসামি হিসেবে টাঙ্গাইল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে হাজির করা হয়।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য, শনিবার (২ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী মতিয়ার রহমান গাউসকে বাসাইল দক্ষিণপাড়া এলাকায় নিজ বাসায় থেকে আটক করে সেনাবাহিনী। হাজী মতিয়ার রহমান গাউস বাসাইল দক্ষিণপাড়া এলাকার আব্দুল কাদের মিয়ার ছেলে।
নাশকতামূলক গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রাত ৮টার দিকে সেনাবাহিনীর একটি টিম বাসাইল দক্ষিণপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় হাজী মতিয়ার রহমান গাউসের বাড়ি ঘেরাও করে সেনাবাহিনী। পরে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সেনা ক্যাম্পে আনা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে রাত ১০টার দিকে বাসাইল থানায় হস্তান্তর করা হয়। পরে বাসাইল থানা থেকে তাঁকে টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়

বাসাইল সেনা ক্যাম্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেজর শেখ ইসতিয়াক উদ্দিন বলেন, ‘নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা থাকার কারণে তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে বাসাইল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দিন বলেন, ওই আওয়ামী লীগ নেতাকে সেনাবাহিনীর বাসাইল থানায় হস্তান্তর করে। পরে তাকে টাঙ্গাইল সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. নভেম্বর ২০২৪ ০২:০২:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সেনাবাহিনীর ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পেইনে ১২শ’ রোগী পেল চিকিৎসাসেবা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সেনাবাহিনীর ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পেইনে ১২শ’ রোগী পেল চিকিৎসাসেবা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে গরীব ও দুস্থ মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান ও ঔষধ বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) দিনব্যাপী উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের কাশিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৯ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং এর দিকনিদের্শনায় এ ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়।

জানা গেছে, ১৯ পদাতিক ডিভিশনের অধিনস্থ ৯৮ সংমিশ্রিত ব্রিগেডের তত্ত্বাবধানে ১৫ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স এবং ২৪ই বেংগল এর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় মেডিসিন, গাইনী এবং চক্ষু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়।

এ সময় ১ হাজার ১৭৫ জন গরীব ও দুস্থ মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ঔষধ এবং ৯৫ জন চক্ষু রোগীকে বিনামূল্যে চশমা প্রদান করা হয়।

ক্যাম্পেইন চলাকালে বঙ্গবন্ধু সেনানিবাসের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মামুনুর রশীদ পরিদর্শন করেন। এসময় সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ভবিষ্যতেও ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পেইন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়।

চিকিৎসাসেবা নিতে আসা একাধিক ব্যক্তি জানান, ‘প্রত্যন্ত অঞ্চলে সেনাবাহিনীর ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্পেইন কার্যক্রম প্রশংসার দাবি রাখে। বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, ঔষধ ও চক্ষু রোগীরা চশমা পেয়ে আনন্দিত। তারা সেনাবাহিনীকে এ অঞ্চলের গবীর ও দুস্থ জনসাধারণের পাশে দাঁড়ানোসহ সার্বিক কল্যাণ এবং স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে সক্রিয় ভূমিকা রাখার দাবি জানান।

কাশিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ রমজান মিয়া বলেন, ‘বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ঔষধ পেয়ে মানুষ অনেক খুশি হয়েছেন। এ অঞ্চলের গরীব ও দুস্থ মানুষকে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও তাদের মাঝে ঔষধ বিতরণ করায় সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. অক্টোবর ২০২৪ ০১:৪১:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নবজাতক উদ্ধার নিয়ে  রহস্যের সৃষ্টি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নবজাতক উদ্ধার নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে এক প্রবাসীর বাড়ির পাশ থেকে জীবিত নবজাতক উদ্ধার করা হয়েছে। স্থানীয়দের ধারণা- নবজাতকটি এ বাড়িতেই ভূমিষ্ঠ হয়েছে। কেউ কেউ নবজাতক পুত্রসন্তানটি ক্রয়ের আগ্রহ প্রকাশ করছেন। বিষয়টি নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার (৩ জুলাই) সকালে উপজেলার কাশিল মধ্যপাড়া এলাকার প্রবাসী ছাত্তার মিয়ার বাড়ির গোসলখানা ও টয়লেটের পাশ থেকে সদ্যভূমিষ্ঠ নবজাতকটি উদ্ধার করা হয়।

বর্তমানে নবজাতকটি ছাত্তার মিয়ার স্ত্রী নিলুফা বেগমের তত্ত্বাবধানে রয়েছে। তবে পুলিশ এসে নবজাতকটিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে গেছেন। নবজাতকটির সঙ্গে হাসপাতালে নিলুফা বেগম, তার ছেলে আকাশ ও আকাশের স্ত্রী নার্স লিমা আক্তারও রয়েছেন।

জানা যায়, প্রবাসী ছাত্তার মিয়ার বাড়ির গোসলখানা ও টয়লেটের সামনে ভোরে নবজাতকটি দেখতে পায় তার স্ত্রী নিলুফা বেগম। পরে তিনি বাড়ির লোকজনকে বিষয়টি জানান। এক পর্যায়ে তারা সদ্যভূমিষ্ঠ নবজাতকটি উদ্ধার করেন। খবরটি মূহুর্তের মধ্যে এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে লোকজন এসে ভীড় জমান। সেসময় অনেকে নবজাতক পুত্রসন্তানটিকে দুই লাখ টাকায় কেনার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেন। তবে ওই প্রবাসীর স্ত্রীর নিলুফা বেগম শিশুকে বিক্রি করতে রাজি হয়নি। নিলুফা বেগম শিশুকে লালন-পালন করবেন বলে জানান।

স্থানীয়রা জানান, প্রবাসী ছাত্তার মিয়ার বাড়িটি রাস্তা থেকে অনেক ভেতরে। একাধিক বাড়ির ওপর দিয়ে তার বাড়িতে যেতে হয়। ওই বাড়িতে নবজাতকটি কিভাবে এলো। নিলুফা বেগমের ছেলে আকাশ মিয়ার স্ত্রী নার্স হওয়ায় অনেকে ধারণা করছেন- নবজাতকটিকে ওই বাড়িতেই ভূমিষ্ঠ (ডেলিভারি) করা হয়েছে। বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় রক্ত থাকায় এই সন্দেহটা তাদের আরও বেড়ে গেছে। তবে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবি জানান স্থানীয়রা।

নবজাতকটিকে দেখতে আসা পরীবানু নামের এক নারী বলেন, ওই মহিলা মা হওয়ার যোগ্য না। মা হওয়ার যোগ্য থাকলে তিনি ফুটফুটে শিশুটিকে এভাবে ফেলে যেতে পারতেন না। হয়তো ওই মহিলা অবৈধভাবে সন্তান জন্ম দেওয়ায় ফেলে গেছেন। শিশুটির পরিচয় বের করে ওর মাকে শাস্তির আওতায় আনা দরকার।

বাড়ির মালিক প্রবাসী ছাত্তার মিয়ার স্ত্রী নিলুফা বেগম বলেন, রাত ৩ টার দিকে আমি প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিয়ে ঘুম থেকে ওঠে টয়লেটে গেলে শিশুটি মা বলে ডাক দেয়। একে একে কয়েকবার মা বলে ডাক দিয়েছে। পরে আমি বাড়িতে থাকা ছেলে ও ছেলের বউকে ডেকে আনি। এছাড়া আরও কয়েকজনকে বিষয়টি জানানো হয়। এক পর্যায়ে টয়লেটের পাশ থেকে নবজাতকটিকে পাওয়া যায়। সেসময় শিশুটির শরীর ও কানে পিঁপড়া ছিল। ভালোভাবে শরীর ধূয়ে ও পরিষ্কার করা হয়। আমার দুই সন্তান রয়েছে। এই পুত্র সন্তানটিকেও আমার নিজ সন্তানের মতো করে লালন-পালন করতে চাই।

কাশিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রমজান মিয়া বলেন, নবজাতকটি কে বা কারা রেখে গেছে তা জানা যায়নি। যার বাড়িতে শিশুটি পাওয়া গেছে তিনিই শিশুটিকে লালন-পালন করবেন বলে আগ্রহ দেখাচ্ছে। পরে পুলিশ এসে নবজাতকটির চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে গেছে।

বাসাইল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবু হানিফ সরকার বলেন, শিশুকে একটি বাড়ির পাশে পাওয়া গেছে। ওই বাড়ির টিউবওয়েল ও টয়লেটের সামনে রক্ত রয়েছে। নবজাতকটির চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের বিষয়টি অবগত করা হয়েছে। তারা এলে শিশুটির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)শাহরুখ খান বলেন, নবজাতকটিকে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের জেলা কমিটির কাছে পাঠানো হবে। নবজাতকটির চিকিৎসার প্রয়োজন রয়েছে। জেলা প্রশাসক মহোদয় নবজাতকটির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. জুলাই ২০২৪ ০২:৫৪:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি’র বাইসাইকেল পেল ৬০ জন নারী শিক্ষার্থী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি’র বাইসাইকেল পেল ৬০ জন নারী শিক্ষার্থী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬০ জন নারী শিক্ষার্থী’র মাঝে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি’র বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) দুপুরে উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এ বাইসাইলে বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে বাইসাইকেল তুলে দেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কায়ছারুল ইসলাম।

বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহরুখ খানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ নেয়ামত উল্ল্যা, বাসাইল পৌর মেয়র রাহাত হাসান টিপু ও উপজেলার ৬টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানসহ উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলার কাউলজানী লুৎফা শান্তা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাতেমা আক্তার সাইকেল পেয়ে খুশি। তিনি বলেন, আমি হেঁটে স্কুলে যাইতাম। এখন আর হেঁটে স্কুলে যেতে হবে না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

কাউলজানী নওশেরীয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাতেহা আক্তার বলেন, আমার স্কুলে আসা-যাওয়া সমস্যা ছিল। এখন সাইকেল পেলাম আর সমস্যা থাকবে না। আমাদের লেখাপড়ার আগ্রহ আরও বেড়ে যাবে।

জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম বলেন, সামাজিক এই উন্নয়নে পাশে থাকার জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের ধন্যবাদ জানাই।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি আরও বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি’র অংশ হিসেবে তোমাদের সাইকেল বিতরণ করা হয়েছে। তোমরা সামনাসামনি প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে না পারলেও তার এই উপহার, তার স্নেহ তোমাদের সাথে থাকবে। তোমরা ভালো থাকলেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ভালো থাকবেন।

উল্লেখ্য, উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের মাধ্যমিক বিদ্যালয় হতে ৬০ জন দরিদ্র, মেধাবী শিক্ষার্থীকে বাছাই করে তাদের মাঝে সাইকেল বিতরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. জুন ২০২৪ ০২:২০:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে কৃষিজমিতে কাজ করতে গিয়ে মাঠে বজ্রপাতে বুলবুল আহমেদ (৫০) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২২ জুন) দুপুরে উপজেলার সুন্যা উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত বুলবুল আহমেদ ওই গ্রামের ইসমাঈল হোসেনের ছেলে।

জানা যায়, বুলবুল সকালে সুন্যা উত্তরকোড় চকে ধানক্ষেত পরিস্কার করতে যায়। এরপর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হঠাৎ বজ্রপাত শুরু হলে বুলবুল বাড়িতে ফেরার জন্য রওনা দেন। এসময় রাস্তায় ওঠার আগেই বজ্রপাতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন নিহতের পরিবার।

নিহতের চাচাতো ভাই স্কুলশিক্ষক আসাদুজ্জামান বলেন, সকালে আমার ভাই ধানক্ষেত পরিস্কার করতে গিয়েছিলেন। পরে বজ্রপাত শুরু হলে তিনি বাড়িতে ফেরার জন্য রওনা দেয়। এসময় বজ্রপাতে তিনি গুরুতর আহত হন। প্রায় এক ঘণ্টা পর খবর পেয়ে আমরা তাকে উদ্ধার করি। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের চাচাতো ভাই নাইকানীবাড়ী আলহাজ্ব হায়দার হামিদ মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক রফিকুল ইসলাম বলেন, একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে তার পরিবার দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। তিনি কৃষি জমি আবাদ করে সংসার চালিয়ে আসছিলেন। এখন তার স্ত্রী ও দুই মেয়ে অসহায় হয়ে পড়লেন। তার মৃত্যুতে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. জুন ২০২৪ ০৩:১৩:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সংবাদকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করলেন কালবেলার যুগ্ম-সম্পাদক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সংবাদকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করলেন কালবেলার যুগ্ম-সম্পাদক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সংবাদকর্মীদের সাথে মতবিনিময় করলেন বহুল প্রচারিত দৈনিক কালবেলার যুগ্ম-সম্পাদক মো. ইলিয়াস হোসেন। বুধবার (১৯ জুন) দুপুরে বাসাইল উপজেলার বাসুলিয়াতে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি মো.আবু জুবায়ের উজ্জল জেলার বিভিন্ন সংবাদের বিষয় নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা তুলে ধরেন। এরপর সকল উপজেলার প্রতিনিধিরা আলোচনায় অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে দৈনিক কালবেলার যুগ্ম-সম্পাদক মো. ইলিয়াস হোসেন জেলার দৈনিক কালবেলায় কর্মরত সকল সংবাদকর্মীদের বলেন, জ্ঞান গরিমা ও দক্ষতার দিক থেকে কালবেলার সাংবাদিকরা এগিয়ে যাবে। সাংবাদিকরা তাদের লেখনির মাধ্যমে সঠিক তথ্য তুলে ধরে দৈনিক কালবেলা পত্রিকার পাশাপাশি দেশের সার্বিক উন্নয়নে অগ্রণী ভুমিকা পালন করবে। তাই সঠিক তথ্য প্রচারে আরো সচেষ্ট থাকতে হবে। এতে সঠিক তথ্য প্রচারের মাধ্যমে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে।

অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে সকল উপজেলার সংবাদকর্মীদের নিয়ে ঈদ আনন্দে বাসুলিয়া বিলে নৌকা ভ্রমনে শামিল হন তিনি। এসময় জেলার সকল সংবাদকর্মীরা যুগ্ম-সম্পাদকের কাছ থেকে ঈদ শুভেচ্ছাও গ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলার মির্জাপুর উপজেলা প্রতিনিধি মো.মোজাম্মেল হক, সখীপুর প্রতিনিধি মাহমুদুল হাসান রিমন, ভূঞাপুর প্রতিনিধি মিজানুর রহমান, গোপালপুর প্রতিনিধি নুর আলম প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. জুন ২০২৪ ০১:১৩:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মসজিদে মাইকিং করে সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত ১, আহত ২০ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মসজিদে মাইকিং করে সংঘর্ষের ঘটনায় নিহত ১, আহত ২০

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে জমি সংক্রান্তে বিরোধের জের ধরে মসজিদে মাইকিং করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

এঘটনায় মনোয়ারা বেগম (৫০) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। এসময় দু’পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

বুধবার (১২ জুন) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের স্থলবল্লা গ্রামের উত্তরপাড়া ও দক্ষিণপাড়ার লোকজনের সাথে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনার পর থেকে ওই এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। নিরাপত্তার স্বার্থে ঘটনাস্থলে থানা পুলিশ ও ডিবি পুলিশ অবস্থান করছে।

নিহত মনোয়ারা বেগম স্থলবল্লা উত্তরপাড়ার শওকত মিয়ার স্ত্রী। আহতদের মধ্যে উত্তরপাড়ার ১০জন ও দক্ষিণপাড়ার ৫জনকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উত্তরপাড়ার মিনহাজ উদ্দিন (৩৭) ও বিল্লাল (৫৫) নামের দুইজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের স্থলবল্লা উত্তরপাড়ার শুকুর, জালাল, কালাম ও বিল্লালের সঙ্গে একই গ্রামের দক্ষিণপাড়ার আনু, সেলিম, শফি, এনামুল হক ও রাসেলদের জমি-জমা নিয়ে প্রায় ২০ বছর ধরে বিরোধ চলে আসছে।

সেই বিরোধের জের ধরে গতকাল মঙ্গলবার(১১ জুন) বিকেলে গরুর হাট থেকে ফেরার সময় উত্তরপাড়ার জহিরুল, আয়নাল, আলাল, মজিবর ও ঠান্ডুর পথরোধ করে দক্ষিণপাড়ার এনামুল হক, আনু, রাসেল, বাদল, সেলিম সানাউল্যা ও সানুসহ কয়েকজনে। এসময় এনামুল হকসহ তারা কয়েকজনে উত্তরপাড়ার জহিরুলকে মারধর করে। পরে বুধবার সকালে মসজিদে মাইকিং করে দা, ফালা, টেটাসহ দেশিয় অস্ত্র নিয়ে উত্তরপাড়ার আনোয়ারের বাড়িতে হামলা চালায় দক্ষিণপাড়ার লোকজন। এসময় উত্তরপাড়ার লোকজনে প্রতিহত করতে গেলে দুপক্ষের মাঝে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় সংঘর্ষ ফেরাতে গিয়ে মাথায় দেশির অস্ত্রের আঘাতে মনোয়ারা বেগম নামের ওই নারীর মৃত্যু হয়। এসময় দুপক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। ঘটনার পরপরই পুলিশ সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

নিহতের ছোট ভাই হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘মঙ্গলবার বিকেলে উত্তরপাড়ার জহিরুল, আয়নাল, আলাল, মজিবর ও ঠান্ডু গরুর হাট থেকে ফেলার সময় দক্ষিণপাড়ার এনামুল হক, আনু, রাসেল, বাদল, সেলিম, সানাউল্যা ও সানুসহ কয়েকজনে মিলে তাদের পথরোধ করে। এসময় কয়েকজনকে মারধর করা হয়। পরে বুধবার বিকেলে আবার দক্ষিণপাড়ার লোকজনেই মসজিদে মাইকিং করে উত্তরপাড়ায় হামলা চালায়। আমার বোন ঝগড়া ফেরাতে গিয়েছিল। এসময় মাথায় ফালার আঘাতে আমার বোন মনোয়ারা গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। আমি নিজেও মাথায় আঘাত পেয়েছি। এসময় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে। আমার বোন হত্যার বিচার চাই।’

বাসাইল থানার এসআই মনোয়ার হোসেন বলেন, ‘নিহতের লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। আমরা ঘটনাস্থলে আছি। এ ঘটনায় দু’পক্ষের একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।’

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল পুলিশ বক্সের ইনচার্জ আতিক বলেন, ‘হাসপাতালে একজনের মরদেহ রয়েছে। আহত অবস্থায় কয়েকজনে আনা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুইজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. জুন ২০২৪ ০৯:০০:পিএম ২ বছর আগে
বাসাইলে নিবার্চন পরবর্তী সহিংসতায় বৃদ্ধাসহ আহত ৫ - Ekotar Kantho

বাসাইলে নিবার্চন পরবর্তী সহিংসতায় বৃদ্ধাসহ আহত ৫

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে নিবার্চন পরবর্তী সহিংসতায় একবৃদ্ধাসহ ৫ জন আহত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ জুন) রাত ৮টার দিকে উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের নাকাছিম পূর্বপাড়া গ্রামে এই সহিংসতার ঘটনা ঘটে।

সহিংসতায় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ চন্দ্র সরকার, ননী গোপাল সরকার , মিনতি রানী সরকার,বাসন্তী রানী সরকার এবং আশি বছরের বৃদ্ধা সুর্য্যমনী রানী সরকার গুরুত্বর আহত হন। এ ঘটনায় ওই রাতেই দিলীপ চন্দ্র সরকার বাদী হয়ে বাসাইল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, দোয়াত কলম প্রতীকের প্রার্থী কাজী শহীদুল ইসলামের সমর্থক কাশিল গ্রামের শমশের খানের ছেলে আলমগীর, মনির হোসেনের ছেলে ফরিদ হোসেন, শাহাদত মিয়ার ছেলে তুষার মিয়া, বিয়ালা গ্রামের জামাল ভূইয়ার ছেলে আরিফ ভূইয়া ও ফয়সাল ভূইয়াসহ ১০/১৫ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দিলীপ সরকারের বাড়িতে হামলা করে।

এসময় তারা আনারস প্রতীকের প্রার্থী কাজী অলিদ ইসলামের নিবার্চন করা এবং ভোট দেয়ায় তাদেরকে গালিগালাজ এবং দেশীয় অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে আতংকের সৃষ্টি করে । এ সময় শোবার ঘরে থাকা শোকেজের ড্রয়ার ভেঙে দুই ভরী স্বর্ণের গহনাসহ পঞ্চাশ হাজার টাকা নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় রাতেই দিলীপ চন্দ্র সরকার বাদী হয়ে আলমগীর, ফরিদ, তুষার, আরিফ, ফয়সালের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১০/১৫ জনকে আসামী করে বাসাইল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে বাসাইল উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম বলেন, আমার নিবার্চন করায় কাজী শহীদ মুন্সির ভাতিজা, ভাগিনাসহ কতিপয় লোক এই হামলা করেছে। প্রশাসনের সকলের সাথে বিষয়টি নিয়ে আমি কথা বলেছি। তারা এই ঘটনার কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বস্থ করেছেন। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে আসামীদের গ্রেফতার করা না হলে বাসাইলের হিন্দু- মুসলমান সকলকে নিয়ে মানববন্ধনসহ আরো কঠোর কর্মসূচি দেয়া হবে।

এ বিষয়ে পরাজিত প্রার্থী কাজী শহিদুল ইসলামের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি এবং তদন্ত করে ব্যবস্থা নিচ্ছি। গ্রেফতারের অভিযান চলমান আছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. জুন ২০২৪ ০৮:২৭:পিএম ২ বছর আগে
বাসাইলে আনারস প্রার্থীর সমর্থকদের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু ভোটারদের হুমকির অভিযোগ - Ekotar Kantho

বাসাইলে আনারস প্রার্থীর সমর্থকদের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু ভোটারদের হুমকির অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ আগামী বুধবার (৫ জুন) অনুষ্ঠিতব্য বাসাইল উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে আনারস প্রতিকের চেয়ারম্যান প্রার্থী কাজী অলিদ ইসলামের সমর্থক সাগর ও তার সহযোগিদের বিরুদ্ধে আনারস প্রতিকে ভোট দিতে সংখ্যালঘু ভোটারদের হুমকী দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

রবিবার (২ জুন) সকালে হুমকির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সহকারি রির্টানিং কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দিয়েছেন মোটরসাইকেল প্রতিকের প্রার্থীর সমর্থক ও উপজেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক মো. ফরিদ মিয়া।

লিখিত অভিযোগে জানা যায়, গত ৩১ মে ও ১ জুন সন্ধ্যা ৭টার পর বাসাইল পৌর শহরের পালপাড়াসহ অন্যান্য সংখ্যালঘু অধ্যুষিত পাড়াগুলিতে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী সাগর বাহিনী দ্বারা আনারস মার্কায় ভোট দেওয়া নিয়ে নির্বাচনী আচরণ বিধি লঙ্ঘন করা হয়েছে।

নামপ্রকাশে একাধিক সংখ্যালঘু ভোটার হুমকির কথা স্বীকার করেছেন। নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার ভয়ে প্রকাশ্যে হুমকির কথা তারা বলতে পারছেন না। তবে হুমকির বিষয়ে তারা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ ও পূজা উদযাপন পরিষদ জেলা এবং উপজেলা শাখা নেতৃবৃন্দদের জানিয়েছেন। নেতৃবৃন্দ এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

অভিযোগকারী মোটরসাইকেল প্রতিকের প্রার্থীর সমর্থক ও উপজেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক মো. ফরিদ মিয়া বলেন, আমাদের একাধিক সংখ্যালঘু সমর্থক ভোটারকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ পেয়েই ওই আবেদন করা হয়েছে। নিরাপত্তা জনিত কারণে আমাদের সমর্থক সংখ্যালঘু ভোটাররা প্রকাশ্যে হুমকির কথা স্বীকার করছেন না।

আনারস প্রতিকের চেয়ারম্যান প্রার্থী কাজী অলিদ ইসলামের সমর্থক অভিযুক্ত সাগরের মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও ফোন যায়নি।

এ ধরণের অভিযোগ উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে দাবি করেছেন আনারস প্রতিকের চেয়ারম্যান প্রার্থী কাজী অলিদ ইসলাম।

এ ঘটনায় হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ ও পূজা উদযাপন পরিষদ বাসাইল উপজেলা কমিটির কোন নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ টাঙ্গাইল জেলা কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে বলেন, নির্বাচন উপলক্ষে আনারস প্রতীকের প্রার্থী কাজী অলিদ যেভাবে তার পালিত সন্ত্রাসী সাগর বাহিনী দিয়ে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর নিপীড়ন নির্যাতন ও হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন, তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি। সেই সাথে সাগর বাহিনীর প্রধান সাগর ও তার সঙ্গীদের গ্রেপ্তার করে দ্রুত বিচারের আওতায় এনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি রির্টানিং কর্মকর্তা শাহরুখ খান জানান, সংখ্যালঘু ভোটারদের হুমকির বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে থানার অফিসার্স ইনচার্জকে (ওসি) চিঠি দেয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত, আগামী বুধবার (৫ জুন) ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চতুর্থ ধাপে বাসাইল উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ১টি পৌরসভা ও ৬টি ইউনিয়ন নিয়ে এই উপজেলা। এ উপজেলার ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৫১ হাজার ৮৩০জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ৭৬ হাজার ১৯৮ আর পুরুষ ভোটার ৭৫ হাজার ৬৩১ জন। এই নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৫ জন, পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান ৭ আর মহিলা ৪জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. জুন ২০২৪ ০২:০৩:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৩ চেয়ারম্যান ও ২ ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৩ চেয়ারম্যান ও ২ ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল

একতার কণ্ঠঃ ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলে ঋণ খেলাপির দায়ে ৩ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী, একজন মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান এবং হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় একজন ভাইস-চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

রবিবার (১২ মে) চতুর্থ ধাপের নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাইকালে তাদের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন মির্জাপুর, বাসাইল এবং সখীপুর উপজেলা নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী।

যাদের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে তারা হলেন- বাসাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সোহরাব হোসেন, মোহাম্মদ সালাউদ্দিন লাভলু, মির্জাপুর উপজেলার চেয়ারম্যান প্রার্থী রেজাউল করিম, বাসাইল উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাম্মী আক্তার মুক্তি এবং ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী নুরুল ইসলাম খান।

রিটার্নিং অফিসার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) হোসাইন মোহাম্মদ হাই জকী বলেন, প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. মে ২০২৪ ০৩:৪৭:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ৪৯ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৪ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ৪৯ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৪

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে ৪৯ কেজি গাঁজাসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

সোমবার (২২ এপ্রিল) রাতে উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের বাসাইল-টাঙ্গাইল আঞ্চলিক সড়কের নথখোলা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে র‍্যাব-১৪ সিপিসি-৩ এর কোম্পানি অধিনায়ক (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুল বাছেদ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার কালাচর গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে মো. ডালিম (৩০), একই উপজেলার সেজামুড়া গ্রামের তোতা মিয়ার ছেলে রফিকুল ইসলাম (২৬), একই উপজেলার কালাচর গ্রামের মিয়া চাঁনের ছেলে নাঈম (২৩) ও কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার রশিদাবাদ গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে প্রাইভেটকার চালক হৃদয় মিয়া (২৪)।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র‍্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টাঙ্গাইল-বাসাইল আঞ্চলিক সড়কের বাসাইল উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের নথখোলা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সামনে থেকে প্রাইভেটকারসহ ওই ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এসময় প্রাইভেটকারে থাকা দুইটি পানির গিজারের ভেতর থেকে ৪৯ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে র‍্যাব আরও জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সীমান্তবর্তী বিভিন্ন স্থান থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে টাঙ্গাইল জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করতেন বলে স্বীকার করেছেন।

বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমিন বলেন, র‍্যাব ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে তাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। র‍্যাব বাদী হয়ে মামলাও করেছে। মঙ্গলবার বিকেলে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. এপ্রিল ২০২৪ ০৩:৪৯:এএম ২ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।