একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘন্টায় ৭৫ জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। ২২২ জনের নমুনা পরীক্ষার রির্পোটে ৭৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার শতকরা ৩৩ দশমিক ৭৮ ভাগ ।বুধবার (২৬ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সিভিল সার্জন জানান,আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদরে ৬৭ জন, বাসাইলে ২ জন, কালিহাতীতে ২জন, ঘাটাইলে ২ জন ও ভূঞাপুর উপজেলায় ২ জন নিয়ে মোট ৭৫ জন।
তিনি আরো জানান, এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৩৭৬ জন। আক্রান্তদের মধ্যে মোট সুস্থ্য হয়েছে ১৬ হাজার ৭০৬ জন। সর্বমোট মারা গেছে ২৬০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে কেউ মৃত্যুবরণ করেনি।
সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, করোনা প্রতিরোধে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আরো ৩৬ জনের দেহে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় সর্বমোট করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৭ হাজার ৮৩ জনে। শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) সকালে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান ওই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জেলা সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) ১৩ জন, বুধবার (১৯ জানুয়ারি) ২৮ জন, বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) ২৯ জন দেহে করোনাভাইরাস সনাক্ত হয়েছে। এই পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, জেলায় বেড়ে চলেছে করোনা আক্রান্ত রুগীর সংখ্যা।
সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র আরো জানায় ,বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) ভোর ৬ টা থেকে শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) ভোর ৬ টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১৬৫ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩৬ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৮১ শতাংশ। নতুন করে আক্রান্তদের মধ্যে সদর উপজেলায় ২৭জন, সখীপুর, ঘাটাইল ও বাসাইল উপজেলায় ২ জন করে, দেলদুয়ার, ভূঞাপুর ও গোপালপুর উপজেলায় ১ জন করে রয়েছেন।
এ পর্যন্ত জেলায় সুস্থ হয়েছেন ১৬ হাজার ৬৩৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় করোনায় কোন রোগী মারা যায়নি। জেলায় এই যাবদ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ২৬০ জন।
এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান জানান, গণপরিবহনের মাধ্যমে করোনাভাইরাস বেশি ছড়াচ্ছে। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন প্রান্ত ভ্রমণ করা ব্যক্তিরাই করোনায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন।
তিনি আরো জানান, করোনা প্রতিরোধে সকলকে স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।
একতার কণ্ঠঃ পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে টাঙ্গাইলের ১৩টি ইউনিয়নের মধ্যে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে চেয়ারম্যান পদে ৬ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ৭জন।
বুধবার (৫ জানুয়ারি) রাতে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা ফল ঘোষণা করেন। এর আগে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট গ্রহণ চলে।
জানা যায়, জেলার মির্জাপুর উপজেলার উয়ার্শী ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে মাহবুব আলম মল্লিক, গোড়াই ইউনিয়নে হুমায়ুন কবীর, মহেড়া ইউনিয়নে বিভাস সরকার নুপুর, আনাইতারা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু হেনা মোস্তফা কামাল, জামুর্কী ইউনিয়নে দিএ মতিন, বানাইল ইউনিয়নে আব্দুল্লাহ আল মামুন, বাশতৈল ইউনিয়নে হেলাল দেওয়ান, ভাতগ্রাম ইউনিয়নে আজহারুল ইসলাম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ঘাটাইল উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে শহীদুল ইসলাম হেষ্টিং জয়লাভ করেন।
এদিকে, বাসাইল উপজেলার কাউলজানী ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকে আতাউল গনি হাবিব, হাবলা ইউনিয়নে খোরশেদ আলম, কাঞ্চনপুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী শামীম আল মামুন, ফুলকী ইউনিয়নে শামছুল আলম বিজু জয়লাভ করেছেন।
জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলার ঘাটাইল, বাসাইল ও মির্জাপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ১৩টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৬৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এছাড়াও সংরক্ষিত ১৪৬ জন এবং সাধারণে ৪৯০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল হাসান জানান, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৩টি ইউনিয়নে ১৩৪টি কেন্দ্রে ৮৮৭টি ভোট কক্ষে ভোট গ্রহণ করা হয়। এতে এক লাখ ৬৩ হাজার ৫৩৪ জন পুরুষ ও এক লাখ ৬২ হাজার ২২৬ জন নারী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।
একতার কণ্ঠঃ আগামি ৫ জানুয়ারি (বুধবার) ৫ম ধাপে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার চারটি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ইউনিয়নগুলো হচ্ছে, কাউলজানি, ফুলকি, কাঞ্চনপুর ও হাবলা।
ফুলকি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. আ. করিম তালুকদারের বিরুদ্ধে নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচন আচরণবিধি ভঙ্গ করে স্থানীয় সংসদ সদস্য নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়ে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে বিভিন্ন নির্বাচনী জনসভায় ভোট চাচ্ছেন। এমনই অভিযোগ করেছেন ওই ইউনিয়নের অন্যান্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীরা।
জানা গেছে, বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) দিনব্যাপী ফুলকি ইউনিয়নের জশিহাটী, ময়থা, তিরঞ্চ ও আইসড়া বাজারে নৌকার প্রার্থী মো. আ. করিম তালুকদারের নির্বাচনী জনসভার আয়োজন করা হয়। উক্ত জনসভাগুলোতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের)। তিনি প্রতিটি নির্বাচনী জনসভায় নৌকা প্রার্থীর পক্ষে ভোট চান। এসময় তিনি নৌকা প্রার্থীকে বিজয়ী করলে এলাকায় বিভিন্ন ধরনের উন্নয়ন করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন। যা নির্বাচন কমিশন কর্তৃক প্রদত্ত আচরণবিধির ২(১৪) ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
এবিষয়ে ফুলকি ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম বাবুল (মোটরসাইকেল), শামসুল আলম বিজু (আনারস) বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ফুলকি ইউনিয়নের বুধবার দিনব্যাপী ময়থা নতুন বাজার, আইসড়া, জশিহাটি ও তিরঞ্চ এলাকায় জনসভা করে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নৌকার পক্ষে ভোট চান। যা নির্বাচন আচরণবিধির ২(১৪) ধারার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
তারা আরো জানান, বিষয়টি মৌখিকভাবে বাসাইল উপজেলা নির্বাচন কমিশনারকে অবহিত করা হয়েছে।
অভিযোগ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখিপুর) আসনের সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এর মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি কলটি রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে জেলা নির্বাচন কমিশনার এএইচএম কামরুল ইসলাম জানান, আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ আজকের পত্রিকার বাসাইল প্রতিনিধি এম শহিদুল ইসলাকে সভাপতি ও দৈনিক নয়াদিগন্তের বাসাইল সংবাদদাতা মাহমুদুল হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করে বাসাইল প্রেসক্লাবের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে প্রেসক্লাবের বার্ষিক সাধারন সভায় ওই কমিটি ঘোষণা করা হয়।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সহ-সভাপতি খায়রুল ইসলাম তালহা (সাপ্তাহিক যুগধারা ), যুগ্ম-সম্পাদক এনায়েত করিম বিজয় ( বাংলা ট্রিবিউন), কোষাধ্যক্ষ মাসুদ রানা (এশিয়ান টিভি ), প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক আব্দুল লতিফ ( খোলা কাগজ), সাহিত্য সম্পাদক শাহনাজ খানম রেখা (সাপ্তাহিক পাপিয়া)।
কার্যনির্বাহী সদস্যরা হলেন- রাশেদা সুলতানা রুবি (দৈনিক লোককথা), আবুল কাশেম (দৈনিক যায় যায়দিন), এম কে ভূইয়া সোহেল (দৈনিক মানব জমিন) ও মো. রুবেল মিয়া (বাংলা টিভি)।
সকালে প্রথম পর্বে খাইরুল ইসলাম তালহার সভাপতিত্বে বার্ষিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান ও কোষাধ্যক্ষ মাসুদ রানা।
বিকেলে দ্বিতীয় পর্বে প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা মুসলিম উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে নতুন কমিটি ঘোষনা করেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান শাহাদৎ হোসেন, পৌর মেয়র আব্দুর রহিম আহমেদ, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক অরণ্য ইমতিয়াজ, বাসাইল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সদস্য আশিকুর রহমান পলাশ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল করিম অটল প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আশিকুর রহমান পলাশকে ফুল দিয়ে বিদায়ী শুভেচ্ছা জানানো হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল প্রেসক্লাব আঙ্গিনায় ফুল বাগান তৈরির কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে।মঙ্গলবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে বাসাইল প্রেসক্লাব আঙ্গিনায় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাজনীন আক্তার ফুলের চারা রোপনের মধ্যদিয়ে ওই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা মুসলিম উদ্দিন আহমেদ, ভারপ্রাপ্ত সভাপতি খায়রুল ইসলাম তালহা, সাধারন সম্পাদক মাহমুদুল হাসান, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর উপসহকারি কর্মকর্তা শাহনাজ পারভীন, উপজেলা উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা জয়নাল আবেদিন, সাবেক সভাপতি এম শহিদুল ইসলাম, সাবেক সম্পাদক এমকে ভূইয়া সোহেল,প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ মাসুদ রানা, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল মিয়া, মিলন ইসলাম প্রমুখ।
উল্লেখ্য, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বাসাইল প্রেসক্লাবের সামনে সৌন্দর্য বর্ধণ কার্যক্রমের অংশ হিসাবে ২টি কামিনী, ২০ টি গোলাপ, ৬০টি কসমস, ৬০টি সিলভিয়া, ১২০টি গাদা ফুলের চারা রোপন করে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে এক ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যানসহ আট চেয়ারম্যান ও ১৯ ইউপি সদস্য প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বাতিল করেছেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার। রোববার (১২ ডিসেম্বর) যাচাই বাছাইয়ের নির্ধারিত দিনে তাদের মনোনয়ন পত্র বাতিল হলেও সোমবার(১৩ ডিসেম্বর) বিকেলে জানানো হয়।
মনোনয়ন বাতিল হওয়া চেয়ারম্যান প্রার্থীরা হলেন ফুলকী ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম বাবুল,মনিরুজ্জামান মিয়া,আতিকুর রহমান,ইসহাক আলী,দেওয়ান জহিরুল ইসলাম,কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের এবিএম মাসুদুল আলম বিপ্লব, হাবলা ইউনিয়নের তরিকুল ইসলাম রতন, কাউলজানি ইউনিয়নের আবু হানিফ মিয়া।
এছাড়াও চারটি ইউনিয়নের সংরক্ষিত আসনের ৭ জন এবং সদস্য ১২ জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
বাসাইল উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, মনোনয়ন বাতিল হওয়া চেয়ারম্যানদের স্থানীয় সরকার ও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আইন ২০১০ এর বিধি ৪৮ এর উপধারা ১(ড) অনুযায়ী চারজন এবং সম্পদ বিবরনের রশিদ না থাকায় দুই জন ও দলীয় প্যাডে মনোনয়ন প্রাপ্তির স্বীকৃতিপত্র না থাকায় একজন, ঋণ খেলাপীর অভিযোগে এক জনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
উপজেলা নির্বাচন অফিসার মনি শংকর রায় বলেন, বাতিল হওয়া প্রার্থীরা বাছাইয়ের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন।
উল্লেখ্য, ১৮ ডিসেম্বর আপিল নিষ্পত্তি এবং ১৯ ডিসেম্বর প্রার্থীতা প্রত্যাহার ও ২০ ডিসেম্বর প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে।
আগামী ৫ জানুয়ারি ভোট অনুষ্ঠিত হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রী হত্যার দায়ে আবুল হোসেনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়ে নিম্ন আদালতের রায় বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
আদালতে আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এম আশরাফুল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হারুনর রশিদ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল জাহিদ আহমদ হিরো। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল জাহিদ আহমদ হিরো।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ১৯৯৮ সালের ১৫ জুলাই বাসাইল উপজেলার সোনালিয়া গ্রামের আবুল হোসেন ব্যবসা করার কথা বলে তার স্ত্রী খোদেজা বেগমকে বাবার বাড়ি থেকে ১০ হাজার টাকা এনে দিতে বলেন। পরে খোদেজা বেগম স্বামীর কথা মতো তার বাবার বাড়ি করটিয়া কলেজ পাড়ায় যান এবং তার গরিব বাবার কাছ থেকে তিন হাজার টাকা সংগ্রহ করে এনে দেন।
এতে আবুল হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি এবং তার দ্বিতীয় স্ত্রী জালানি বেগম মিলে খোদেজাকে বেদম মারধর করেন। মারধরের একপর্যায়ে খোদেজা বেগম মারা যান। পরে এ ঘটনায় নিহত খোদেজার চাচা শহিদুল ইসলাম শহিদ বাদী হয়ে বাসাইল থানা একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর পুলিশ আবুল হোসেন ও জালানি বেগমকে গ্রেফতার করে।
এ মামলার বিচার শেষে ২০১৬ সালে ৯ মে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শরীফ উদ্দিন আহমেদ রায় দেন। রায়ে আবুল হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে জালানি বেগমকে খালাস দেন।
রপর ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের নথি) হাইকোর্টে আসে। আর আসামি আপিল ও জেল আপিল করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় এক শিক্ষার্থীসহ দুইজন নিহত হয়েছে। ওই ঘটনায় আহত হয়েছে আরো একজন। বুধবার(২৭ অক্টোবর) সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বাসাইল উপজেলার গুল্লা এবং সদর উপজেলার তারটিয়া এলাকায় ওই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বহুরিয়া গ্রামের শাহজাহান মিয়ার ছেলে খালেদ হাসান (২৫)। সে মির্জাপুর কলেজের অনার্সের শিক্ষার্থী ছিল। অপরজন নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার আলাউদ্দিন আহমেদের ছেলে রবিউল ইসলাম (২১)।
মির্জাপুরের গোড়াই হাইওয়ে পুলিশের অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) আজিজুল হক জানান, বুধবার সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বাসাইল উপজেলার গুল্লা এলাকায় রবিউল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি রাস্তা পার হচ্ছিল। এ সময় ঢাকাগামী সিমেন্ট বোঝাই একটি ট্রাক তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পুলিশ ট্রাকটি আটক করলেও চালক পালিয়ে যায়।
অপরদিকে, সকালে মহাসড়কের সদর উপজেলার তারটিয়া এলাকায় অজ্ঞাত গাড়ির চাপায় মোটরসাইল আরোহী খালেদ হাসান নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়। এ ঘটনায় তার বড় ভাই বিপ্লব খান (৩৫) গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এএসআই নবীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় ঘটনা আলাদা হলেও একই এলাকায় একই সময়ে দুই কিশোরীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।বুধবার(২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার কাউলজানী ইউনিয়নের বোর্ডবাজার ও বার্থা দক্ষিণপাড়া থেকে তাদের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহতদের লাশ সন্ধ্যায় হাসপাতালের বেডে একই সময় পাশাপাশি রাখা ছিল। দুটি ঘটনা আলাদা হলেও একই এলাকা ও একই সময়ে হওয়ায় উপজেলাব্যাপী ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
নিহতরা হলেন— উপজেলার কাউলজানী বোর্ডবাজার এলাকার কামাল মিয়ার মেয়ে শারমিন আক্তার (১৫) ও একই ইউনিয়নের বার্থা দক্ষিণপাড়া গ্রামের মোস্তফা সিকদারের মেয়ে মুক্তা (১৫)।
স্থানীয়রা জানান, বিকাল ৫টার দিকে উপজেলার কাউলজানী বোর্ডবাজার এলাকায় শারমিন আক্তারের লাশ ঘরের ধন্যার সঙ্গে ওড়না দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয়রা।
পরিবারের লোকজন ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নাজমুল হাসান তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অপরদিকে, একই ইউনিয়নের বার্থা দক্ষিণপাড়া গ্রামে মুক্তাকেও বিকাল ৫টার দিকে ঘরের ধন্যার সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান পরিবারের লোকজন। পরে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নাজমুল হাসান তাকেও মৃত ঘোষণা করেন।
বাসাইল থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) হারুন অর রশিদ, দুটি ঘটনায়ই আলাদা দুটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ধারণা করা হচ্ছে, দুই কিশোরীই পরিবারের সঙ্গে অভিমান করে আত্মহত্যা করে থাকতে পারে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে শরিফুল ইসলাম (২৮) নামে এক সিঙ্গাপুর প্রবাসী আত্মহত্যা করেছেন।শনিবার (১৬ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে উপজেলার সোনালিয়া রেলক্রসিং এলাকায় বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।বাসাইল থানার এসআই মজিবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত শরিফুল ইসলাম সখীপুর উপজেলার দেউবাড়ী গ্রামের আলাল মিয়ার ছেলে।
নিহতের বাবা আলাল মিয়া জানান, গত ৬ মাস আগে সিঙ্গাপুর থেকে ছুটিতে বাড়িতে আসে শরিফুল। তিন মাস আগে বাসাইল উপজেলার নাইকানবাড়ী গ্রামে বিয়ে করে শফিকুল। শুক্রবার (১৫ অক্টোবর) সে শ্বশুরবাড়িতে যায়। এরপর এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানায়, বিকেলে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বনলতা একপ্রেস ট্রেনটি রাজশাহী যাওয়ার পথে সোনালিয়া রেলক্রসিং এলাকায় আসলে শরিফুল ইসলাম ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন। এ খবর শোনার পর তার স্ত্রী আমেনা বেগম বার বার মুর্ছা যাচ্ছেন।
এসআই মজিবুর রহমান জানান, খবর পেয়ে মরদেহ রেলওয়ে পুলিশ নিয়ে গেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে তিনি আত্মহত্যা করেতে পারেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে বিদেশ পাঠানোর কথা বলে প্রতারণার অভিযোগ এনে টাকা ফেরত ও প্রতারকের শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের অডিটরিয়ামে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ভুক্তভোগি বাবুল আহমেদ ও সিরাজুল ইসলাম।
ভুক্তভোগি বাবুল আহমেদ জেলার বাসাইল উপজেলার হাকিমপুর গ্রামের আলাউদ্দিন তালুকদারের ছেলে ও সিরাজুল ইসলাম একই গ্রামের শাহজাহানে ছেলে। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা একই গ্রামের বছির মিয়ার ছেলে আব্দুর রাজ্জাক ও তার ভাগ্নে মির্জাপুর উপজেলার ছাওয়ালী মহেড়া এলাকার কাইয়ুম মিয়ার ছেলে মাসুদ মিয়া।
লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগি বাবুল আহমেদ বলেন, ‘আমি ও আমার প্রতিবেশি সিরাজুল ইসলাম বাড়িতে বেকারত্বে দিন কাটাচ্ছিলাম। এমতাবস্থায় গ্রামের বছির মিয়ার ছেলে আব্দুর রাজ্জাক তার ভাগ্নে মির্জাপুর উপজেলার ছাওয়ালী মহেড়া এলাকার মাসুদ মিয়ার মাধ্যমে আমাকে এবং সিরাজুলকে ব্রুনাই পাঠানোর জন্য প্রস্তাব দেন। তার কথায় রাজি হয়ে ঋণ করে ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে আব্দুর রাজ্জাককে আমি ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা দিই। এছাড়াও সিরাজুল আব্দুর রাজ্জাককে ৩ লাখ ৭০ হাজার টাকা দেয়। প্রায় ৩ বছর পার হলেও তিনি আমাদের বিদেশে পাঠাতে পারেননি। এমতাবস্থায় আমাদের ঋণের বোঝা আরও ভারি হতে থাকে। তিনি বিদেশ পাঠাতে ব্যর্থ হলে আমরা টাকাগুলো ফেরত চাই। কিন্তু তিনি টাকা ফেরত দিতে বারবার সময়ক্ষেপণ করেন।
পরে আমরা ফুলকি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দিই। ইউপি চেয়ারম্যান দুই পক্ষকে নিয়েই সালিশি বৈঠক করেন। ওই সালিশে আব্দুর রাজ্জাক টাকা ফেরত দিতে সময় চান। সালিশ থেকে তাকে টাকা ফেরত দিতে এক মাসের সময় দেন। নির্ধারিত সময়ে টাকা ফেরত না দেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে একাধিকবার সালিশের আয়োজন করা হয়। সালিশে আব্দুর রাজ্জাক হাজির হলেও তার ভাগ্নে মাসুদ কোনও সালিশেই হাজির হয়নি।
এই দীর্ঘদিনেও টাকা ফেরত না দেওয়ায় আমরা নিরুপায় হয়ে চলতি বছরের ২০ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইলের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বাসাইল আমলী আদালতে আব্দুর রাজ্জাক ও তার ভাগ্নে মাসুদ মিয়ার বিরুদ্ধে পৃথক দুইটি মামলা দায়ের করি। সেই মামলা আদালতের বিচারক টাঙ্গাইলের কর্মসংস্থান ও জনশক্তি কার্যালয়ের কর্মকর্তাকে তদন্ত করার দায়িত্ব দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘আমি ও প্রতিবেশি সিরাজুল নিরীহ মানুষ। কোন রকমভাবে আমাদের সংসার চলে। আমাদের ঋণ করা টাকার সুদ দিন দিন বেড়েই চলছে। এই অসহায়ত্বের সময়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। আর আমাদের টাকাগুলো ফেরত ও দালাল আব্দুর রাজ্জাক ও মাসুদের শাস্তি দাবি করছি।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগি বাবুল আহমেদ ও সিরাজুল ইসলাম ছাড়াও তাদের কয়েকজন স্বজন উপস্থিত ছিলেন।