/ হোম / বাসাইল
টাঙ্গাইলে ট্রাক চাপায় এসআই নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাক চাপায় এসআই নিহত

একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গুল্লা এলাকায় ট্রাক চাপায় এক পুলিশের এসআই নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার (৯ মার্চ) দুপুরে মহাসড়কের বাসাইল উপজেলার গুল্লা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত মো. ইউনুস আলী উপ-পরিদর্শক (এসআই) হিসাবে কেরানীগঞ্জ থানায় কর্মরত ছিলেন। তিনি সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালী উপজেলার বাগুটিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, মো. ইউনুস আলী কেরানীগঞ্জ থানায় এসআই হিসেবে কর্মরত থাকার পূর্বে তিন বছর টাঙ্গাইল থানায় কর্মরত ছিলেন। সে সুবাধে তার পরিবারের সদস্যরা পূর্বের বাসা টাঙ্গাইল মডেল থানার পাশেই বসবাস করেন। গত কয়েক দিন পূর্বে তিনি ছুটিতে আসেন। শনিবার দুপুরে তিনি কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার জন্য মোটসাইকেল যোগে টাঙ্গাইল থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে তিনি ঢাকা-টাঙ্গাইল মহসড়কের বাসাইল উপজেলার গুল্লা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে পৌছালে পিছন থেকে দ্রুত গতির একটি ট্রাক তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল আমীন জানান, ঘাতক ট্রাক ও চালককে আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে পুলিশ ।

তিনি আরও জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে গোড়াই হাইওয়ে থানায় রাখা হয়েছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. মার্চ ২০২৪ ০১:১৬:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রাইভেটকার-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রাইভেটকার-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ২

একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বাসাইল উপজেলার গুল্লা এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছে। রবিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টার দিক এই দুর্ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩ জন। হতাহতরা সবাই প্রাইভেটকারের যাত্রী ছিল।

নিহতদের মধ্য প্রাথমিকভাবে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি হলেন সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার সাঈদ। নিহত অপরজনের নাম পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি।

টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, রবিবার রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের গুল্লা এলাকায় ঢাকাগামী লেনে কলা ভর্তি একটি ট্রাক উল্টে যায়। এ সময় ট্রাকের পেছনে থাকা একটি কাভার্ডভ্যান সজোরে ব্রেক করে। তখন কাভার্ডভ্যানের পেছনে থাকা একটি প্রাইভেটকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে কাভার্ডভ্যানের পেছনে সজোরে ধাক্কা দিলে প্রাইভেটকারের সামনের অংশ দুমরে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকারের দুই যাত্রী নিহত হয়। ঘটনাস্থল থেকে আহত অবস্থায় প্রাইভেটকারের চালকসহ ৩ জনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।

এ বিষয়ে গোড়াই হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা টুটুল জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দুটি পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ০২:৫১:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলের একমাত্র নারী অটোরিক্সা চালক রোজিনার জীবন যুদ্ধ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের একমাত্র নারী অটোরিক্সা চালক রোজিনার জীবন যুদ্ধ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভায় ব্যাটারিচালিত অটোরিক্সার চালকদের মধ্যে একমাত্র নারী চালক রোজিনা বেগম। তার বাড়ি জেলার বাসাইল উপজেলার আইসড়া গ্রামে। টাঙ্গাইল পৌর শহরের এক প্রান্ত রাবনা বাইপাস আরেক প্রান্ত বেবিস্ট্যান্ড। রাস্তায় প্রতিদিন এভাবেই ভাড়ায় চালিত অটোরিক্সায় যাত্রী নিয়ে অটো চালাতে দেখা যায় রোজিনাকে।

শহরে যানজটের পাশাপাশি নানা ধরনের ঝামেলা সামলে পুরুষ চালকদের যখন অটোরিক্সা চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে, এমতো অস্থায় গত ৫ বছর ধরে একমাত্র নারী অটোরিক্সা চালক রোজিনা এই অটোরিক্সা চালিয়েই জীবিকা নির্বাহ করছে।

টাঙ্গাইল পৌরসভা সূত্রে জানা যাায়, টাঙ্গাইল শহরে চলাচলের জন্য ৪ হাজার ২০০ ইজিবাইক ও ৫ হাজার ব্যাটারিচালিত রিক্সা অনুমতি (লাইসেন্স) দেওয়া হয়েছে। যানজট এড়াতে ৪ হাজার ২০০ ইজিবাইক জোড় ও বিজোড় সংখ্যায় ভাগ করা হয়েছে। সকাল থেকে বেলা দুইটা পর্যন্ত এক ভাগ এবং বেলা দুইটা থেকে রাত পর্যন্ত আরেক ভাগের ইজিবাইক চলাচল করার নির্দেশনা দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু রোজিনাকে দুই শিফটে চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন পৌর কর্তৃপক্ষ।

সরেজমিনে দেখা যায়, টাঙ্গাইল নতুন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অটোরিক্সার স্টিয়ারিংয়ে বসে যাত্রী ডাকছেন- কলেজ গেট, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, ক্যাপসুল মার্কেট, নিরালা মোড়, বেবিস্ট্যান্ড। পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ৩ জন যাত্রী নামবে। ট্রাফিক পুলিশ অন্য অটো চালকদের অটো দাঁড় করাতে না দিলেও রোজিনা অটো দাঁড়া করে তিনজন যাত্রীকে নামাতে দিচ্ছেন। ট্রাফিক পুলিশসহ অটোচালকরা তাকে সব সময় সহযোগিতা করেন।

অটোরিক্সার চালক রোজিনা বলেন, আমার অটোতে নারী যাত্রীরা খুব কম উঠে। তারা মনে করে আমার অটোতে উঠলে দূর্ঘটনা ঘটবে। কিন্তু আমার অটোতে ছেলে যাত্রীরাই বেশি উঠে। আমি খুব হিসেব করে অটো চালাই। খুব দ্রুত গতিতেও না, আবার একেবারে ধীরগতিতেও না। এখন পর্যন্ত আমি কোন দূর্ঘটনার কবলে পড়ি নাই। শহরের পুরুষ অটোরিক্সা চালকরা আমাকে অনেক সম্মান করে। আমি যখন রাস্তার ওপর অটো ঘুরাই তারা নিজেদের অটো দাঁড়া করে রেখে আমাকে অটো ঘুরাতে সুযোগ করে দেন। বড় গাড়ির চালকরাও যখন আমাকে দেখেন আমি নারী চালক তখন তারাও আমার প্রতি সম্মান দেখান।

অটোচালক কাদের মিয়া বলেন, আমাদের শহরে কয়েক হাজার অটো চলাচল করে। তার মধ্যে একমাত্র নারী চালক রোজিনা। তিনি খুব সাবধানে অটো চালান। তাকে আমরা সব সময় সহযোগিতা করি। যদি দেখি সে রাস্তায় অটো ঘুরাচ্ছে তখন আমাদের অটো দাঁড়া করিয়ে তাকে অটো ঘুরানোর জন্য সুযোগ করে দেই। আমরা চাই তাকে সরকারি ভাবে সহযোগিতা করা হোক।

অটোরিক্সার যাত্রী সাইদ মিয়া বলেন, আমি এ পর্যন্ত ৫-৬ বার রোজিনার অটোতে উঠেছি। অটোর চালক নারী দেখেও আমি তার অটোতে উঠি। তিনি খুব সাবধানে অটো চালান। অন্য পুরুষ অটো চালকের চেয়ে তার অটো চালানো অনেক ভালো। তাকে যদি সরকারিভাবে সহযোগিতা করা হয়। সে একটু ভালো ভাবে চলতে পারবে।

আরেক যাত্রী বক্কর মিয়া বলেন, নারী অটো চালকের পাশের সিটে বসতে কিছুটা সংকোচবোধ হলেও তিনি কোন সংকোচবোধ মনে করেন না। তিনি খুব সাবধানে অটো চালায়।

রোজিনার সাহসিকতা দেখে নারী সংগঠক সিরাজুমমনি বলেন, তিনি অনেক দিন যাবত অটোরিক্সা চালায় আমি রোজিনাকে স্যালুট জানাই। একজন পুরুষের চেয়ে একজন নারী কোনো দিক থেকে কম নন, রোজিনা তা প্রমাণ করেছেন। জনপ্রতিনিধি ও সরকারিভাবে তাকে কোন একটা ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দাঁড় করিয়ে দিলে তার আর রাস্তায় অটো চালাতে হবে না বলে আমি মনে করি।

অটোরিক্সায় বসে রোজিনার সাথে কথা হয়। তিনি বলেন, রোজিনার বাবা একজন তাঁত শ্রমিক। তিন বোন দুই ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় মেয়ে রোজিনা। অভাব-অনটনের সংসারে বাবা-মা তাকে এক এতিম যুবকের সাথে বিয়ে দেন। বিয়ের পর জন্ম হয় দুই কন্যা সন্তানের। অটোরিক্সা চালিয়ে কোন রকম সংসার চালাচ্ছিলেন স্বামী রফিকুল ইসলাম। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনায় রফিকুলের এক চোখ সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে যায়। আরেকটি চোখ আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত চোখের দৃষ্টি শক্তি আরও কমতে থাকে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে অটোরিক্সা চালানো। সংসারের উপার্জনক্ষম মানুষটি অচল হয়ে পড়ায় স্বামীর চিকিৎসার খরচ, ঘর ভাড়া, খাওয়ার পাশাপাশি মেয়েদের পড়ালেখার খরচ বন্ধ হয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, দিশেহারা হয়ে পরেন তিনি। পরে মানুষের বাড়ি বাড়ি কাজ করে সংসার তাও চলছিল না। এরপর এনজিও থেকে ধার করে কোন রকম সংসার চালাতে পারলেও মেয়েদের লেখাপড়া ও অন্যান্য খরচ জোগাড় করতে পারছিলেন না। এমন পরিস্থিতিতে রোজিনা নিজে অটোরিক্সা চালাতে আগ্রহ হয়। স্বামী রফিকুলের কাছে তা শিখতে চান। গ্রামের স্কুলের মাঠে স্বামীর কাছে অটোরিক্সা চালানো শিখেন রোজিনা। পরে গ্রামের পথে ৫-৬ দিন শিখে বাড়ি থেকে অটোরিক্সা নিয়ে একদিন সরাসরি টাঙ্গাইল শহরে চলে আসেন রোজিনা। এভাবে ধীরে ধীরে অটোরিক্সা চালানো শুরু হয় তার।

তিনি বলেন, অটো চালানোর চিন্তাটা আমার জন্য খুব সহজ ছিল না। ৫ বছর ও ১০ বছরের দুই মেয়েকে বাড়িতে রেখে অটোরিক্সা নিয়ে সারাদিন রাস্তায় থাকতে হয়। তাদের ভালোভাবে দেখাশোনা করতে পারি না। কি করবো অভাবের সংসার। ভাড়া বাড়িতে থাকার খরচ কমাতে এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে একটু জমি কিনি। পরে সেখানে সরকার আমাকে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর তুলে দেয়।

রোজিনা বলেন, যখন খুব অভাব-অনটনে দিন কাটাচ্ছিলাম তখন মানুষ আমাদের ঠাট্টা করেছে। যখন জীবনের তাগিদে অটোরিক্সা চালাতে শুরু করি তখনও নানা কথা বলেছে। তবে এখন তারাই আমাকে সম্মান করেন। নারীরাও কিছু করতে পারে।

রোজিনা আরও বলেন, আমার দুই মেয়ে, বড় মেয়ে আইসড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ে ছোট মেয়ে স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ে। আমার তো থেমে গেলো চলবে না। মেয়েদের শিক্ষিত করতে হবে। ধারদেনা শোধ করতে হবে। আমি অটোরিক্সা চালিয়েই দুই সন্তান মানুষ করতে চাই। আমার পাশে যদি সরকার দাঁড়ায় তাহলে আমি অটোরিক্সা চালানো বাদ দিয়ে অন্য কোন কাজ করবো।

টাঙ্গাইলের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন বলেন, শহরের একমাত্র নারী অটোরিক্সা চালক রোজিনা। কেউ যেন তাকে বিরক্ত করতে না পারে সেদিকে ট্রাফিক পুলিশ সব সময় নজর রাখে। আমাদের ট্রাফিক পুলিশ তাকে সব সময় সহযোগিতা করে।

টাঙ্গাইলের সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক শাহ আলম বলেন, আপনার মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পারলাম। ওই নারী এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে আসে নাই। সে যদি আমাদের কাছে এসে আবেদন করে অবশ্যই তাকে আমরা সহযেগিতা করবো, তার পাশে দাঁড়াবো।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. ডিসেম্বর ২০২৩ ০২:৫৫:এএম ২ বছর আগে
বাসাইলে ১০০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মানের অনুমোদন - Ekotar Kantho

বাসাইলে ১০০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মানের অনুমোদন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় কাশিল ইউনিয়নের নাকাসিম এলাকায় ১০০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের সরকারি অনুমোদি মিলেছে।

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে বুধবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে দুইটি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়।

এর মধ্যে টাঙ্গাইলের বাসাইলে একটি ও কক্সবাজার সদরে একটি।এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র দুটির ট্যারিফ অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সাঈদ মাহবুব খান বৈঠক শেষে বুধবার দুপুরে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

সাঈদ মাহবুব খান জানান, টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ পেয়েছে যৌথভাবে রিনিউবেল এনার্জি ইউকে লিমিটেড, বাদল কনস্ট্রাকশন ও জি-টেক সলিউশন লিমিটেড কনসোর্টিয়াম। প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা ১০ টাকা ৯৯ পয়সা হিসাবে সরকার তাদের আনুমানিক ৩ হাজার ৫৬১ কোটি ৬০ লাখ টাকা পরিশোধ করবে।

তিনি আরো জানান,কক্সবাজার সদর উপজেলায় সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কাজ পেয়েছে যৌথভাবে কেএআই বাংলাদেশ অ্যালুমিনিয়াম লিমিটেড ও অলটেক অ্যালুমিনিয়াম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড কনসোর্টিয়াম। প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা ১০ টাকা ৯৮ পয়সা হিসাবে তাদের সরকার পরিশোধ করবে ৩ হাজার ৫৫৬ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

এ প্রসঙ্গে কাশিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ রমজান মিয়া বলেন, কাশিল ইউনিয়নের নাকাসিম গ্রামের সায়ের মৌজার এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অনুমোদন আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রে স্থানীয় বেশ কিছু লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। এ ছাড়াও উপজেলার লোকজনের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ ভুমিকা রাখবে বলে আমি আশাবাদী।

বাদল কনস্ট্রাকশনের স্বত্বাধিকারী মোঃ বাদল মিয়া জানান, ইতিমধ্যে প্রকল্পটি সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ট্যারিফ অনুমোদন দিয়েছে। বিশ্বব্যাপি পরিবেশ রক্ষায় সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে জোর দেয়া হচ্ছে। উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও জ্বালানি আমদানি কমাতে সরকারও এখাতে জোর দিয়েছে। যার গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হলো বাদল কনস্ট্রাকশনের।এটা অত্যন্ত আনন্দের বিষয়।

তিনি আরও জানান,তবে এখনও অনুমোদনের লিখিত কাগজ হাতে পাইনি। কাগজ হাতে পেলে বিস্তারিত বলবো। তবে এটা বলতে পারি, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে, কাশিল তথা বাসাইল উপজেলায় অনেক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. ডিসেম্বর ২০২৩ ০১:০৯:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে এমপি প্রার্থী সিদ্দিক পরিবারের ৩ সহোদর ভাই - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে এমপি প্রার্থী সিদ্দিক পরিবারের ৩ সহোদর ভাই

একতার কণ্ঠঃ আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য প্রার্থী হয়েছেন টাঙ্গাইলের আলোচিত সিদ্দিকী পরিবারের সহোদর ৩ ভাই। জেলার চারটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তারা। নির্বাচনে অংশ নেয়া আসন গুলোর মধ্যে রয়েছে টাঙ্গাইল-৩,৪,৫ ও ৮।

সিদ্দিকী পরিবারের প্রার্থীরা হলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের বহিষ্কৃত প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম আর ছোট ভাই সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মুরাদ সিদ্দিকী।

এর মধ্যে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী টাঙ্গাইল-৮ ও ৩ দুটি আসন, মুরাদ সিদ্দিকী টাঙ্গাইল-৪ ও ৫ দুটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এছাড়া টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) একটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী।

তবে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর প্রতিদ্বন্দ্বি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী মোজহারুল ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু ছাড়াও সহোদর ছোট ভাই স্বতন্ত্র প্রার্থী মুরাদ সিদ্দিকী, স্বাধীনতার ইস্তেহার পাঠক ও বিএনপি’র সাবেক মন্ত্রী শাহজাহান সিরাজের মেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মো. লিয়াকত আলী।

বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) সিদ্দিকী পরিবারের সহোদর এই ৩ ভাই স্ব স্ব আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

সিদ্দিকী পরিবারের ৩ সহোদর ভাইয়ের নির্বাচনে অংশ নেওয়া আসন গুলোর মধ্যে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে কৃষক শ্রমিক জনতালীগ প্রার্থী বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর প্রতিদ্বন্দ্বি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান, আওয়ামীলীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আমানুর রহমান খান রানা। অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বির মধ্যে রয়েছেন- আজিজ খান (জাকের পার্টি) আব্দুল হালিম (জাতীয় পার্টি), মো. হাসান আল মামুন সোহাগ (এনপিপি), চৌধুরী হাবিবুর রহমান (স্বতন্ত্র) ,মো. জাকির হোসেন (বিএনএম), ফরিদা রহমান খান (স্বতন্ত্র), মো. সাখাওয়াত খান সৈকত (বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল)।

টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর প্রতিদ্বন্দ্বি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী মোজহারুল ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু ছাড়াও সহোদর ছোট ভাই স্বতন্ত্র প্রার্থী মুরাদ সিদ্দিকী, স্বাধীনতার ইস্তেহার পাঠক ও বিএনপির সাবেক মন্ত্রী শাহজাহান সিরাজের মেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ আর জাতীয় পার্টির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মো. লিয়াকত আলী।

অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বিরা হলেন- মোন্তাজ আলী (জাকের পার্টি), শহিদুল ইসলাম (তৃণমূল বিএনপি),এস এম আবু মোস্তফা (জাসদ), মো.শুকুর মাহমুদ (বিএসপি), সাদেক সিদ্দিকী (জাতীয় পার্টি জেপি)।

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুরাদ সিদ্দিকীর প্রতিদ্বন্দ্বি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. মামুনুর রশিদ, বর্তমান সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল পৌরসভার তিনবারের নির্বাচিত সাবেক মেয়র জামিলুর রহমান মিরণ, কেন্দ্রীয় বিএনপি থেকে সদ্য বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী খন্দকার আহসান হাবিব, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. মোজাম্মেল হক।

এই আসনে অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বিরা হলেন- বাংলাদেশ আওয়ামী মহিলালীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক স্বতন্ত্র প্রার্থী মেহেরনিগার হোসেন তন্ময়, মো. তৌহিদুর রহমান চাকলাদার( বিএনএম), মো.দুলাল মিয়া (জাকের পাার্টি), হাসরত খান ভাসানী (ন্যাপ ভাসানী) ও মো.শরীফুজ্জামান খান (তৃনমুল বিএনপি)।

টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে কৃষক শ্রমিক জনতালীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম এর প্রতিদ্বন্দ্বি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী অনুপম শাহজাহান জয়।

অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বিরা হলেন- মো. আবুল হাসেম (বাংলাদেশ বিকল্পধারা), আ.জলিল (জাকের পার্টি), শাম্বুল (তৃনমুল বিএনপি) আর রেজাউল করিম (জাতীয় পার্টি)।

আওয়ামী রাজনীতির এক সময়ের জেলার পরিচয়বহণ করা সিদ্দিকী পরিবারের বড় ছেলে ও বাংলাদেশ আওয়াশীলীগের বহিষ্কৃত প্রেসিডিয়াম মেম্বার আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসন থেকে একাধিকবার এমপি নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রী হয়েছেন। ২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে একটি সভায় হজ, তাবলিগ জামাত ও প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য করে মন্ত্রিত্ব হারান। এরপর তাঁকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়। দেশে ফেরার পর তাঁকে কারাগারেও যেতে হয়। পরে তিনি সংসদ থেকে পদত্যাগ করেন। সর্বশেষ ২০১৮ সালেও তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে পরবর্তীতে নির্বাচন থেকে সরে যান। দ্বাদশ নির্বাচনে আবার তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

মুক্তিযুদ্ধের জীবন্ত কিংবদন্তি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দলের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় ১৯৯৯ সালে জাতীয় সংসদ থেকে পদত্যাগ করেন। ১৯৯৯ সালে আওয়ামী লীগ ত্যাগ করে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ গঠন করেন। এরপর নিজ দল কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ থেকে ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

জেলা ছাত্রলীগের সাবেক ছাত্র নেতা মুরাদ সিদ্দিকী কাদের সিদ্দিকীর কৃষক শ্রমিক জনতালীগে যোগ দেন। ২০০১ ও ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রার্থী হিসেবে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। এরপর ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর মুরাদ সিদ্দিকী কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন। ২০০৯ সাল থেকে মুরাদ সিদ্দিকী আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ২০০৯ সাল থেকে মুরাদ সিদ্দিকী অদ্যবধিও আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করেন।

২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে উল্লেখযোগ্য ভোট পেয়ে পরাজিত হন মুরাদ সিদ্দিকী।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. ডিসেম্বর ২০২৩ ০২:৩৮:এএম ২ বছর আগে
ভোট কেন্দ্রে ভোটার না এলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা পাবে না: কাদের সিদ্দিকী - Ekotar Kantho

ভোট কেন্দ্রে ভোটার না এলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা পাবে না: কাদের সিদ্দিকী

একতার কণ্ঠঃ প্রধানমন্ত্রীর অধীনে নির্বাচনে যাইনি, যাচ্ছি না। নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন হবে এটা স্বত:সিদ্ধ কথা। বিএনপি এখন দেশের কথা ভাবছে না। তারা আন্তর্জাতিক ক্ষমতা দ্বারা সরকারে যেতে চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম।

বুধবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে সখীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। পরে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ভোট কেন্দ্রে ভোটার না এলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা পাবে না। আর প্রচুর পরিমান ভোটার এলে গ্রহনযোগ্যতা পাবে। কোন দল এলো আর কোন দল এলো না এটা আমার কাছে বড় কথা না। বড় কথা হচ্ছে সরকারি প্রভাব মুক্ত স্বত:স্ফুর্ত নির্বাচন হলো কি না। ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে এসে তাদের ইচ্ছেমত প্রার্থীদের ভোট দিতে পারলো কি না এটাই হচ্ছে আমার কাছে বড় কথা। দেশের আজকে অস্থিতিশীল অবস্থা। এখান থেকে পরিত্রাণ পাওয়া দরকার।

এসময় কৃষক শ্রমীক জনতা লীগের জেলা ও উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. নভেম্বর ২০২৩ ০১:৫১:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গাছের ডাল পড়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গাছের ডাল পড়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ ঘূর্ণিঝড় মিধিলি’র প্রভাবে দমকা হাওয়ায় টাঙ্গাইলের বাসাইলে গাছের ডাল পড়ে রাজ্জাক মিয়া (৪০) নামের এক কাপড় ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে বাসাইল উপজেলা পরিষদের গেটের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত রাজ্জাক মিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের মিরিকপুর গ্রামের কুসুম মিয়ার ছেলে। তিনি বাসাইলের কোটিপতি মার্কেটে কাপড়ের ব্যবসায়ী ছিলেন।

স্থানীয়রা জানান, জুমার নামাজ পড়ে মোটরসাইকেলে বাসার দিকে যাচ্ছিলেন। তিনি উপজেলা পরিষদের গেটের সামনে পৌঁছালে ঝড়ো বাতাসে গাছের ডাল ভেঙে মাথায় পড়লে সঙ্গে সঙ্গে তার মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মরত মেডিকেল অফিসার ডা: নাঈম আব্দুল্লাহ বলেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।

বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পাপিয়া আক্তার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমরা নিহতের পরিবারের পাশে আছি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৮. নভেম্বর ২০২৩ ০১:৩৩:এএম ৩ বছর আগে
বাসাইলে ৮’শ মিটার রাস্তার কাজের উদ্বোধন - Ekotar Kantho

বাসাইলে ৮’শ মিটার রাস্তার কাজের উদ্বোধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে ঝিনাই নদীর তীরবর্তী আদাজান গ্রামের ৮’শ মিটার রাস্তার নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের আদাজান উত্তর পাড়ার স্থানীয় ডা. শহিদের বাড়ির সামনের রাস্তা থেকে আওয়ালের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তার কাজটির উদ্ভোধন করা হয়।

৮’শ মিটার এই রাস্তার কাজ শেষ করতে প্রায় ১০ লক্ষ টাকার প্রয়োজন হলেও (কাবিটা ১ম পর্ব) মাত্র ৩ লক্ষ টাকা নিয়ে এই কাজ শুরু করা হয়েছে।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানাযায়, নারীনেত্রী রেখা বেগম দীর্ঘদিন ধরে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্যের কাছে তদবিরের মাধ্যমে বাসাইলের বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নয়ন কাজ করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় রাস্তার এই কাজটি শুরু করা হয়েছে।

মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক মেম্বার আমির আলীসহ গ্রামের বয়োজেষ্ঠরা জানান, স্বাধীনতা পরবর্তী ৫১ বছরে এই এলাকার সাধারণ মানুষ এই রাস্তা টুকুর জন্য বছরের ৭ থেকে ৮ মাস যাতায়াতে ভোগান্তির শিকার হয়েছে। এই রাস্তার কাজ সমাপ্ত হলে স্থানীয় ৪শ পরিবারসহ পার্শ্ববর্তী ৪টি গ্রামের মানুষ যাতায়াতের সুফল ভোগ করবে।স্থানীয় প্রাথমিক, মাধ্যমিক এবং মাদ্রাসার প্রায় ৭ থেকে ৮’শ শিক্ষার্থীরাও এই রাস্তার সুফল ভোগ করবে।

রাস্তার কাজ উদ্ভোধন অনুষ্ঠানে কাঞ্চনপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন, ৯নং ওয়ার্ড মেম্বার আশরাফ উদ্ জামান বক্তার, ওয়ার্ড আ’লীগ সভাপতি সাহেব আলী মিয়া, পরেশ চন্দ্র মন্ডলসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৭. নভেম্বর ২০২৩ ০৩:১৩:এএম ৩ বছর আগে
বাসাইলে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপে উত্তেজনা, চেয়ার ভাংচুর - Ekotar Kantho

বাসাইলে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপে উত্তেজনা, চেয়ার ভাংচুর

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলামের আয়োজনে সরকারের উন্নয়নমূলক শোভাযাত্রার প্রস্তুতি সভাকে ঘিরে চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। শনিবার (১৪ অক্টোবর) বিকালে প্রস্তুতি সভাকে ঘিরে এ উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

জানা যায়, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম বাসাইল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে সরকারের ১৫ বছরের উন্নয়নমূলক শোভাযাত্রার প্রস্তুতি সভা আহবান করেন। এক পর্যায়ে সভা শুরুর পূর্বে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী মতিয়ার রহমান গাউস ও সাধারণ সম্পাদক মির্জা রাজিকের নেতৃত্বে একটি মিছিল শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বাসাইল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। এক পর্যায়ে প্রস্তুতি সভার আয়োজনে ব্যবহৃত চেয়ার ভাংচুর করা হয়। এ সময় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে উন্নয়ন প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় সাবেক এমপি অনুপম শাহজাহান জয় অংশ নেন।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী মতিয়ার রহমান গাউস বলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম বিএনপি-জামায়াতের লোকজন নিয়ে সরকার বিরোধী কর্মকান্ডের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। খবর পেয়ে আমরা তা প্রতিহত করেছি।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি কাজী অলিদ ইসলাম বলেন, আমাদের সভা শুরুর দেড় ঘণ্টা পূর্বে সভাপতি মতিয়ার রহমান গাউস ও সাধারণ সম্পাদক মির্জা রাজিকের নেতৃত্বে বিএনপি নেতা বাদলের লোকজন ১০ থেকে ১৫ টি চেয়ার ভাংচুর করে। এ সময় আমাদের লোকজন উপস্থিত হলে তারা চলে যায়। পরে আমরা যথারীতি প্রস্তুতি সভা করেছি।

বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল আমিন জানান, দু’গ্রুপের উত্তেজনার খবর পেয়ে আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনি। এর পূর্বে কয়েকটি চেয়ার ভাংচুর করা হয়েছে বলে শুনেছি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. অক্টোবর ২০২৩ ০২:০৪:এএম ৩ বছর আগে
বাসাইলে নৌকা বাইচে হাজারো মানুষের ঢল - Ekotar Kantho

বাসাইলে নৌকা বাইচে হাজারো মানুষের ঢল

একতার কণ্ঠঃ আবহমান বাঙালি জাতির ঐতিহ্য ও শতবর্ষের প্রাচীন সংস্কৃতির অন্যতম অনুষঙ্গ নৌকা বাইচ। নদীমাতৃক এ দেশের গ্রামীণ লোক সংস্কৃতির সেই ঐতিহ্যকে বুকে ধারণ করে দেশের বিভিন্ন নদ-নদী ও বিল-বাঁওড়ে আয়োজন করা হয় নৌকা বাইচের।

থৈ থৈ জলে, ঢাক-ঢোলের তালে তালে গ্রাম বাংলার গান আর মাঝি-মাল্লার বৈইঠার ছন্দ মাতিয়ে তোলে বাসুলিয়ার চাপড়া বিলের শান্ত জলের ঢেউকে। আর সেই তালে তাল মেলাতে নৌকা বাইচ দেখতে বিশাল বিস্তৃত টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার বাসুলিয়ায় (চাপড়া) বিলের বুকে হাজারো মানুষের ঢল নামে।

এরই ধারাবাহিকতায় বাসাইলের দিগন্ত বিস্তৃত জলভরা দৃষ্টিনন্দন বাসুলিয়ায় উৎসবমুখর পরিবেশে শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শুক্রবার বিকেলে দৃষ্টিনন্দন ও নৈসর্গিক সৌন্দর্য্যের লীলাভূমি চাপড়া বিলে অনুষ্ঠিত হয় গ্রাম-বাংলার শত বছরের ঐতিহ্যবাহী নৌকাবাইচ। জেলার অন্যতম বিনোদনমূলক এ প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে জলপথে নৌকা আর সড়কপথে যানবাহনে প্রায় হাজারো মানুষের সমাগম হয়।পুরুষের পাশাপাশি নারীদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।

প্রতি বছরের মতো এবারও বর্ণিল এ নৌকা বাইচের আয়োজন করেন প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক মিয়া স্মৃতি সংসদ।

প্রতিযোগিতায় নারায়ণগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, পাবনা ও টাঙ্গাইলে কয়েকটি উপজেলা থেকে আল্লাহ ভরসা, মায়ের দোয়া, সোনার তরী, ফুলের তরী, হীরার তরী, আদর্শ তরী, ময়ূর পঙ্খী, পঙ্খীরাজ ও জলপরীসহ বাহারী নাম ও রঙের ডিঙি, কুশা, সিপাই, খেলনা, অলংগাসহ কয়েক ক্যাটাগরির প্রায় অর্ধশতাধিক নৌকা অংশগ্রহণ করে। ছোট, বড় ও মাঝারি নৌকা পৃথক পৃথক কয়েকটি রাউন্ডে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিযোগিতার চুড়ান্ত রাউন্ডে বিজয়ী হয়েছে পাটুলি গ্রামের মায়ের দোয়া নৌকা। রানার্সআপ হয়েছে বাসাইল উপজেলার কাশিলের চাচা-ভাতিজা নৌকা। পরে অতিথিবৃন্দ বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। এ সময় চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপসহ অংশগ্রহণকারী প্রত্যেকটি নৌকাকেই আকর্ষণীয় পুরষ্কার দেওয়া হয়।

এতে প্রধান অতিথি থেকে নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা উপভোগ করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের।

প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক আখতার হোসেন।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলামের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মফিজ উদ্দিন আহমেদ, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, জাতীয় শ্রমিক লীগের সাবেক সভাপতি আব্দুস সালাম খান, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, সাইফুজ্জামান সোহেল, জেলা আওয়ামীলীগের সদস্য ও বিশিষ্ট শিল্পপতি খালিদ হোসেন খান পাপ্পু, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এ্যাডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমুখ।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ-অর্থ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব আমিন শরীফ সুপন। শুভেচ্ছা বক্তব্যে দেন বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া আক্তার।

নৌকা বাইচের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী মতিয়ার রহমান গাউস ও সাধারণ সম্পাদক মির্জা রাজিক ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাসাইল সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও নৌকা বাইচ বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব সোহানুর রহমান সোহেল।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০২:৪৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্রী নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্রী নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় অপর মোটরসাইকেলের আরোহী মুনিয়া মুক্তি (২১) নামে এক কলেজ ছাত্রী নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সখীপুর-বাসাইল আঞ্চলিক সড়কের বাসুলিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মুক্তি জেলার সখীপুর উপজেলার গজারিয়া গ্রামের মজিবুর রহমানের মেয়ে।

বুধবার টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত মুনিয়া মুক্তি টাঙ্গাইলের সরকারি সা’দত কলেজের রসায়ন বিভাগের (অনার্স) শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

নিহত মুনিয়ার পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার জরুরি কাজে বাড়ি এসে সন্ধ্যায় মোটরসাইকেলযোগে কলেজের আবাসিক হলে ফিরছিলেন সে। বাসাইলের বাসুলিয়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বেপরোয়া মোটরসাইকেল তাঁদের ধাক্কা দেয়। তাতে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়েন মুনিয়া। স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাঁকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।

নিহত মুনিয়ার চাচাতো ভাই আমিনুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে মুনিয়ার লাশ সখীপুরে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান, দুর্ঘটনাস্থল আমাদের উপজেলার বাইরে। তাই এ বিষয়ে আমাদের কেউ কিছু জানায়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৩:৪৪:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ জাল পুড়িয়ে দিল উপজেলা প্রশাসন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ জাল পুড়িয়ে দিল উপজেলা প্রশাসন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে নিষিদ্ধ চায়না জালের বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (৫ সেপ্টেম্বর ) সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত উপজেলার সদর ইউনিয়নের মিরিকপুর বিলে অবৈধ চায়না জাল বিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বাসাইল উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সৌরভ কুমার দে জানান, নিষিদ্ধ চায়না জাল যত্রতত্র ব্যবহার রুখতে অভিযান চালিয়ে ১১টি চায়না জাল আটক করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

বাসাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পাপিয়া আক্তার জানান, চায়না জাল দিয়ে মাছ শিকার করা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। ছোট মাছ, মা মাছ রক্ষার্থে এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির স্বার্থে মৎস্য সম্পদ ধ্বংসকারী অবৈধ এ ধরনের জালের ব্যবহার বন্ধে নিয়মিতভাবে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৩:০০:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।