সাহান হাসানঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের জেলার বাসাইল উপজেলার করাতিপাড়া বাইপাস এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পিছনে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন।
মঙ্গলবার (৩ জুন) সকাল ৯টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল- যমুনা সেতু মহাসড়কের বাসাইল উপজেলার করাতিপাড়া বাইপাস এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- শেরপুর সদর উপজেলার কামারচর এলাকার অতুল মন্ডল (১৪), রাতুল মন্ডল (২৪) ও তাদের পিতা আমজাদ মন্ডল (৫০)।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসটি শেরপুরের দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে গাড়িটি ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের করাতিপাড়া বাইপাস এলাকায় পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পিছনে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ওই তিনজন নিহত হন। এ ঘটনায় আহত ৩ জনকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতদের লাশ গোড়াই হাইওয়ে থানায় রাখা হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গোড়াই হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে ঝিনাই নদীর ওপর একটি ব্রিজের নির্মাণকাজ পাঁচ বছরেও শেষ হয়নি। প্রায় ছয় মাস আগে কাজটি ফেলে রেখে লাপাত্তা হয়েছেন ঠিকাদার। এর ফলে ভোগান্তিতে পড়েছেন বাসাইল ও মির্জাপুর উপজেলার অন্তত ২০টি গ্রামের মানুষ। নদীটির দুইপাড়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকায় সাধারণ মানুষের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৌকায় করে প্রতিনিয়ত পারাপার হতে হচ্ছে।
জানা গেছে, বাসাইল ও মির্জাপুর উপজেলার সংযোগস্থল কাঞ্চনপুর কাজিরাপাড়া এলাকায় ঝিনাই নদীর ওপর ব্রিজটি প্রায় ১০ বছর আগে পানির স্রোতে ভেঙে যায়। এরপর ২০২০ সালে ২৭ কোটি ২৩ লাখ ৩৫ হাজার ৮৮ টাকা ব্যয়ে সেখানে নতুন করে ২৫৬ মিটার গার্ডার ব্রিজের অনুমোদন হয়। কাজটি পায় হায়দার কনস্ট্রাকশন প্রাইভেট লিমিটেড এন্ড মো. লিয়াকত আলী জেবি নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি ওই বছরের ১৮ মার্চ নতুন ব্র্রিজের কাজ শুরু করে। ব্রিজটির নির্মাণকাজ ২০২২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ করার কথা থাকলেও দীর্ঘ পাঁচ বছরেও শেষ করতে পারেনি। ঠিকাদানী প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৬ মাস আগে নির্মাণকাজটি বন্ধ রেখে রাতের আধাঁরে পালিয়ে যায়। এই দীর্ঘ ছয় মাসেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কেউই ব্রিজটি দেখতেও আসেনি।
স্থানীয় বাসিন্দা শাহজাহান বলেন, ‘একজন মানুষ মারা গেলে প্রায় তিন কিলোমিটার সড়ক ঘুরে লাশ দাফন করতে হয়। ব্রিজটির কারণে নদীর দুইপাড়ের মানুষের অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দুর্ভোগ লাগবে এই নদীতে ব্রিজ নির্মাণের কাজ চলমান ছিল। কিন্তু ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লোকজন কাজ ফেলে রেখে চলে গেছে।’
স্থানীয় বাসিন্দা আশরাফুল আলম খান বলেন, ‘এই ব্রিজটি বাসাইল ও মির্জাপুর উপজেলার জন্য খুবই জরুরি। এই ব্রিজ দিয়ে লক্ষাধিক মানুষের যাতায়াতস্থল। এখানে একটি ঈদগা মাঠ রয়েছে, সেখানে ছয়টি গ্রামের মানুষ একত্রে ঈদের নামাজ আদায় করেন। এছাড়াও তিনটি গ্রামের বাসিন্দাদের জন্য একটি কবরস্থান রয়েছে। মানুষ মারা গেলে নৌকায় করে লাশ নিয়ে দাফন করতে হয়। নদীর দুইপাড়ে একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। ব্রিজ না থাকায় শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ নৌকাযোগে পারাপার হচ্ছে। প্রায় ছয় বছর ধরে ব্রিজের নির্মাণকাজ চলমান ছিল। এই দীর্ঘ সময়েও কাজটি শেষ করতে পারেনি ঠিকাদার। এমতাবস্থায় প্রায় ছয় মাস হলো ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ব্রিজের নির্মাণকাজ বন্ধ করে পালিয়ে গেছে।’
স্থানীয় ইউপি সদস্য আশরাফুজ্জামান বক্তার বলেন, ‘কাঞ্চনপুর কাজিরাপাড়ায় ঝিনাই নদীর ওপর ২৬৬ মিটার ব্রিজের কাজটি ২০১৯ সালে টেন্ডার হয়। ঠিকাদানী প্রতিষ্ঠান শুরুতেই বিলম্ব করে কাজ শুরু করে। প্রথমে কাজের কিছুটা অগ্রগতি ছিল। এক বছর পর থেকে কাজের গতি কমে যায়। বিষয়টি নিয়ে উপজেলা প্রকৌশলীর সাথে কথা বলেছি। তিনি জানিয়েছেন- ঠিদাকারী প্রতিষ্ঠান যদি যথা সময়ে কাজ না করে তাহলে টেন্ডার বাতিল করা হবে। ব্রিজটির কারণে অসংখ্য মানুষ দুর্ভোগে রয়েছে। ব্রিজটি দ্রুতসময়ের মধ্যে নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্টদের কাছে দাবি জানাচ্ছি।’
বাসাইল উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফাত্তাউর রহমান বলেন, ‘বাসাইল উপজেলার কাজিরাপাড়ায় ঝিনাই নদীর ওপর ২৫৬ মিটার ব্রিজের কাজ চলমান রয়েছে। এই কাজটির বর্তমানে অগ্রগতি ৬০ শতাংশ। বেশ কিছুদিন ধরে কাজটি বন্ধ রয়েছে। বিভিন্ন সময় ঠিকাদারকে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তারা কাজ শুরু করে আবার বন্ধ করে দেয়। কাজটি বাতিলের জন্য আমাদের জেলা কার্যালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। যেহেতু কাজটি অনেক ধরে বন্ধ রেখেছে ঠিকাদার। সুতরাং কাজটি বাতিল করার জন্য আবার সুপারিশ করা হবে। কাজটি বন্ধ রাখায় ঠিকাদারকে জরিমানার আওতায় আনার জন্য প্রস্তাব করা হবে। রি-টেন্ডার করে খুব দ্রুত কাজটি শেষ করা হবে।’
ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সাইড ইঞ্জিনিয়ার মো. আখতার হোসেন বলেন, ‘আমাদের ব্যাংকিং-এ সমস্যা হচ্ছে। এজন্য কাজটি বন্ধ রয়েছে। আমাদের সাথে ন্যাশনাল ব্যাংকের চুক্তি রয়েছে। সেখানে আমার একটি বিল পড়ে আছে। ব্যাংকিং-এ সমস্যা সমাধান না হলে তো ব্রিজের কাজটি আমাদের করতে দিবে না।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা( ইউএনও )মোছা. আকলিমা বেগম বলেন, বিষয়টি নিয়ে প্রকৌশলীর সাথে কথা হয়েছে। মূলত ঠিকাদারের কারণে কাজটি বন্ধ রয়েছে। তার প্রেক্ষিতে ঠিকাদারকে সর্বশেষ পত্র দিয়েছে কাজটি করার জন্য। ঠিকাদার কাজটি না করলে পুনরায় টেন্ডার করে এলজিইডি কর্তৃপক্ষ কাজটি দ্রুত শেষ করবেন।
সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে রঞ্জু খন্দকার (৩৫) নামের এক মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের কর্মচারীকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
রবিবার (২৩ মার্চ) রাতে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে শনিবার (২২ মার্চ) রাতে উপজেলার কাশিল পশ্চিমপাড়া এলাকার মনির খানের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রঞ্জু খন্দকার জেলার ভূঞাপুর উপজেলার বাগবাড়ী গ্রামের রাজ্জাক খন্দকারের ছেলে। তিনি টাঙ্গাইল শহরের বৃজ মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার কাশিল পশ্চিমপাড়া এলাকার মনির খানের মাদকাসক্ত ছেলে ফরিদ খানকে টাঙ্গাইল শহরের বৃজ মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে দেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে যোগাযোগ করেন। সেই প্রেক্ষিতে গত শনিবার (২২ মার্চ) রাতে বৃজ মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের ছয় জন ব্যক্তি মনির খানের বাড়িতে যান। পরে মনিরের ছেলে ফরিদকে ঘর থেকে বের করার সময় তার চিৎকারে পাশের বাড়ির পলাশ, রিপন ও তালেব খানসহ কয়েকজন এগিয়ে আসে। পরে ফরিদ, পলাশ, রিপন ও তালেব খানসহ কয়েকজনে মিলে বৃজ মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের লোকজনের ওপর অতর্কিহামলা চালায়। এ সময় মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের কর্মচারী রঞ্জু খন্দকার মাটিতে লুটিয়ে পড়লে তাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। সেখানে তার সঙ্গে থাকা অপর লোকজন স্থানীয়দের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। এ ঘটনায় নিরাময় কেন্দ্রের আরও চারজন আহত হন।
এদিকে, চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার (২৩ মার্চ) রাতে ঢাকার একটি হাসপাতালে রঞ্জু খন্দকারের মৃত্যু হয়। পরে সোমবার (২৪ মার্চ) সকালে তার লাশ বাসাইল থানায় আনা হয়। পুলিশ তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ফরিদ ও পলাশ মাদক কারবারি বলে স্থানীয়দের দাবি।
টাঙ্গাইল শহরের বৃজ মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের মালিক খন্দকার মজিবর রহমান তপন বলেন, মাদকাসক্ত ফরিদকে বৃজ মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে দেওয়ার জন্য তার বাবা মনির খান আমাদের কাছে আবেদন করেন। সেই প্রেক্ষিতে আমাদের মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের ছয়জন ফরিদকে আনতে তাদের বাড়িতে যান। সেখানে ফরিদকে আনার জন্য চেষ্টা করলে আমাদের লোকজনের ওপর অতর্কিতভাবে হামলা চালানো হয়। হামলায় আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রঞ্জুর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আরও চারজন আহত হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জালাল উদ্দিন বলেন, নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে দুই যুবকের বিরুদ্ধে মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারী ভিক্ষুককে (২০) ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আশিক খান (২৪) নামের এক যুবককে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী।
শনিবার (২২ মার্চ) রাত ১১টার দিকে উপজেলার কাঞ্চনপুর পূর্ব কাজিরাপাড়া এলাকা থেকে পুলিশ আশিককে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
অভিযুক্ত আশিক খান উপজেলার ঢংপাড়া মাঝিবাড়ি এলাকার কাশেম খানের ছেলে। অভিযুক্ত অপর যুবকের নাম মামুন (২৪)। সে উপজেলার কাঞ্চনপুরের দক্ষিণ বাইদপাড়া এলাকার শফিকের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, শনিবার দুপুরে মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারী ভিক্ষা করার জন্য উপজেলার কাঞ্চনপুরের পূর্ব কাজিরাপাড়া এলাকায় যায়। ওই নারী ঝিনাই নদীর পাড়ে পৌঁছলে আশিক ও মামুন নামে দুই যুবক মিলে জোরপূর্বক তাকে একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে যায়। পরে সেখানে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। এ সময় স্থানীয়রা এগিয়ে এলে ওই নারীকে ফেলে তারা দুজনে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরে একপর্যায়ে সন্ধ্যায় অভিযুক্ত আশিককে স্থানীয়রা ধরে গাছের সঙ্গে বেঁধে গণধোলাই দেয়। খবর পেয়ে জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক সামির মিয়া ও যুগ্ম সদস্যসচিব মাহবুবুর রহমান বাসাইল থানা পুলিশকে বিষয়টি অবগত করে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে পুলিশ গিয়ে ওই যুবককে সেখান থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জালাল উদ্দিন বলে, ওই যুবককে থানায় আনা হয়েছে। এখন তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের প্রধান সরকারি কৌঁসুলি (জিপি) ও বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নবনির্বাচিত সদস্য আব্দুল বাকী মিয়ার (৭৩) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (৫ মার্চ) বিকালে দ্বিতীয় জানাজা শেষে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার ফুলকি ইউনিয়নের যশিহাটী গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এর আগে বুধবার দুপুরে তার মরদেহ টাঙ্গাইল কোর্ট চত্বরে আনা হয়। সেখানে অনুষ্ঠিত জানাজায় অংশগ্রহণ করে সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. নাজিম-উদ্দৌলা, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তফা শাহরিয়ার খান প্রমূখ।
জানাজায় আরও উপস্থিত ছিলেন, নারী ও শিশু দমন নির্যাতন ট্রাইবুনালের বিচারক (জেলা জজ) কাউসার আহমেদ, টাঙ্গাইল বারের সভাপতি মুহম্মদ জহুর আজহার খান, সাধারণ সম্পাদক এ.কে.এম রফিকুল ইসলাম রতন, পিপি শফিকুল ইসলাম রিপন , নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি ওমরাও খান দিপুসহ বারের সিনিয়ার ও জুনিয়র আইনজীবীগণ।
এছাড়া কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিন শাহীন, জেলা বিএনপি’র সাধারণল সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু ও অন্যান্য রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ জানাযার নামাজে অংশগ্রহণ করে।
এর আগে বুধবার সকালে টাঙ্গাইল শহরের সাবালিয়া এলাকার নিজ বাসভবনে অসুস্থ হয়ে পড়েন প্রবীণ আইনজীবী আব্দুল বাকী মিয়া। গুরুত্বর অসুস্থ অবস্থায় তাকে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়ার পথে সকাল ১০টার দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে, তিন মেয়েসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।
উল্লেখ্য, আব্দুল বাকী মিয়া ১৯৭৮ সালে আইনজীবী হিসেবে টাঙ্গাইল বারে যোগদান করেন। তিনি প্রধান সরকারি কৌঁসুলি (জিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ ছাড়া ২০০১ সাল থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ছিলেন। টাঙ্গাইল জেলা এ্যাডভোকেট বার সমিতির সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া ‘ব্লাস্ট’ টাঙ্গাইল ইউনিটের পরিচালনা কমিটির সভাপতি ছিলেন।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে রাতের আঁধারে গোয়ালঘর থেকে তিনটি গরু চুরির পর জবাই করে মাংস ভাগ করে নিয়ে গেছে চোরেরা।
শনিবার (১ মার্চ) দিবাগত রাতে বাসাইল পৌরসভার কাটাখালীপাড়া এলাকায় এমন ঘটনা ঘটে। বিষয়টি রবিবার (২ মার্চ) সকালে জানাজানি হলে স্থানীয়রা চোরদের এমন কাণ্ডে হতভম্ব হন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, শনিবার দিবাগত রাতে বাসাইল পৌরসভার কাটাখালীপাড়া এলাকার আতিকুর রহমান খান রুবেল, ফজলু খান ও গফুর খানের গোয়ালঘর থেকে তিনটি গরু চুরি হয়। পরে সেহরির সময় বিষয়টি টের পান গরুর মালিকরা। সকালে বাসাইল-টাঙ্গাইল আঞ্চলিক সড়কের বাসাইল পশ্চিমপাড়া কবরস্থানের পাশে গরুর ভূরি ও হাড় দেখতে পান স্থানীয়রা। খবরটি তাৎক্ষণিক এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। পরে খবর পেয়ে সেখানে গিয়ে গরুর রশি দেখে মালিকরা শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন গরুর মালিকরা। তিনটি গরুর আনুমানিক মূল্য প্রায় তিন লাখ টাকা বলে জানা গেছে।
গরুর মালিক ফজলু খান বলেন, পাশের বাড়িতে গরু চুরি হয়েছে শুনতে পাই। পরে আমার গোয়ালঘরে গিয়ে দেখি সেখানে গরু নেই। পরে অনেক খোঁজাখুঁজি করি। পরে সকালে বাসাইল পশ্চিমপাড়া কবরস্থানের পাশে গিয়ে দেখতে পাই গরু জবাই করে মাংস নিয়ে গেছে চোরেরা।
বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জালাল উদ্দিন বলেন, গরু চুরির পর চোরেরা মাংস ভাগ করে নিয়ে গেছে এমন ঘটনা এই প্রথম শুনলাম। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
এদিকে, বাসাইল উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাঝেমধ্যেই গরু চুরির ঘটনা ঘটছে। এ বিষয়ে প্রশাসনের আরও তৎপর হওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
আরমান কবীরঃ রূপালী ব্যাংক পিএলসি’র ময়মনসিংহ বিভাগীয় কার্যালয়ের আওতাধীন শাখা ব্যবস্থাপকদের অংশগ্রহণে ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভা ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার দাপনাজোর ওয়াটার গার্ডেনের সম্মেলন কক্ষে এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
এই ব্যবসায়িক পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রুপালী ব্যাংক পিএলসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী মো. ওয়াহিদুল ইসলাম।
এসময় ব্যবস্থাপনা পরিচালক “সময় নির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা” অনুযায়ী খেলাপী ঋণ আদায় এবং অন্যান্য ব্যবসায়িক লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা বিষয়ে শাখা ব্যবস্থাপকদের নির্দেশনা প্রদান করেন।
এতে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মো. ইকবাল হোসেন খাঁ । সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাসান তানভীর।
এ সময় বিভাগের আওতাধীন ৪ জন জোনাল ম্যানেজার ও ৪৯টি শাখার ব্যবস্থাপক এবং ৭ টি উপশাখার ইনচার্জ উপস্থিত ছিলেন।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বাসাইল উপজেলার করাতিপাড়া বাইপাসের পাশ থেকে অভিজিত কুমার (২৬) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে বাসাইল থানা পুলিশ।
সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের গুল্যা এলাকা থেকে এই মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত অভিজিত কুমার সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার পাঁচগাছি গ্রামের রিপন চন্দ্র সরকারের ছেলে বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সোমবার সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের পাশে যুবকের মরদেহ দেখতে পাই। পরে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রথমে যুবকের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব না হলেও পরে তার প্যান্টের প্যাকেটে থাকা জন্ম সনদ, সার্টিফিকেট দেখে পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
বাসাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জালাল উদ্দিন বলেন, ঘটনাস্থল থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রথমে যুবকের পরিচয় শনাক্ত করা যাইনি। পরে তার প্যান্টের প্যাকেট থেকে কাগজ দেখে পরিচয় শনাক্ত করা হয়। স্থানীয় মেম্বার-চেয়ারম্যানের মাধ্যমে তার পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৩টি ইটভাটা মালিককে সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার(৪ ফেব্রুয়ারি) দুুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ নেয়ামত উল্ল্যা অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা আদায় করেন।
জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় লাইসেন্স নবায়ণসহ ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন ২০১৩ এর বিভিন্ন ধারায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘনের দায়ে উপজেলার নাইকানীবাড়ী-মিরিকপুর এলাকার মেসার্স এবিএল ব্রিক ফিল্ড, মেসার্স এইচ এমবি ব্রিক ফিল্ড ও বাংড়া এলাকায় মেসার্স কিং ব্রিক ফিল্ডের মালিককে সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ নেয়ামত উল্ল্যা বলেন, ‘লাইসেন্স নবায়ণসহ ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপনের বিভিন্ন আইন লঙ্ঘনের দায়ে তিনটি ইটভাটার মালিককে সাড়ে চার লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
আরমান কবীরঃ কৃষক-শ্রমিক জনতালীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম বলেছেন, এত ছোট্ট দেশে কীসের দলমত। আমি বাসাইল-সখীপুরের রাজনীতিও করি না। জন্ম আমার এখানে, বড় হয়েছি এখানে। এ অঞ্চলের মানুষের বিপদে-আপদে সব সময় পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। যতক্ষণ বেঁচে থাকবো ততক্ষণ আমি সবার। এখানে আমার কোনও দলমত কিছুই নেই।
রবিবার (১৯ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার কেন্দ্রীয় শ্মশান মন্দিরে অষ্টকালীন লীলা কীর্তন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, আমি এখানে কোনও রাজনীতির কথা বলতে আসিনি। যাদের দল করা দরকার তারা করুক। আমি আছি মানুষের পেছনে। সেখানে আমার কাছে হিন্দু-মুসলমান নেই, বৌদ্ধ-খ্রিষ্টানও নেই। আমি ছেলে বেলায় লেখাপড়া করতাম না। কিন্তু এখন আমি লেখাপড়া করি। আমি লেখাপড়া করে দেখেছি স্রষ্টা একজন। তার সৃষ্টি আমরা সবাই। আল্লাহ এক, ভগবানও এক। আমি সেই আল্লাহ’র সৃষ্টি কাউকে অবহেলা করতে পারি না।
তিনি আরও বলেন, যারা ক্ষমতা দেখায়, তারা প্রকৃত মানুষ না। প্রকৃত মানুষ হতে আল্লাহ’র প্রতি শ্রদ্ধা রাখতে হবে, মানুষকে ভালোবাসতে হবে। এই পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে শুধু ভালোবাসার কারণে। আপনারা একে অপরকে ভালোবাসবেন, সবাইকে সম্মান করবেন, অন্যের পাশে দাঁড়াবেন। জন্মের পর মৃত্যু অবধারিত। যত ক্ষমতা, যত ধন-দৌলত একদিন এর কোনও মূল্য থাকে না। যারা শ্রদ্ধা নিয়ে ভালোবাসা নিয়ে ও ভক্তি নিয়ে স্রষ্টার নাম নিতে পারে তারাই শুধু সসম্মানে সারাজীবন কাটাতে পারে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা কৃষক শ্রমিক জনতালীগের সভাপতি ও বাসাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র রাহাত হাসান টিপু, সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান খান, জেলা যুব আন্দোলনের যুগ্ম সম্পাদক ইবনে হাসান টিটু, বাসাইল পৌর যুব আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক সমির নাগ প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে শিশু সন্তানকে হত্যা মামলায় মাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রবিবার একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
রবিবার (১৫ ডিসেম্বর)দুপুরে বাসাইল আমলী আদালতের বিচারক সিনিয়ার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইসমত আরা এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া হীরা আক্তারকে (৩৫) । তিনি বাসাইল পূর্ব পাড়া গ্রামের ইব্রাহীম মিয়ার স্ত্রী।
গত শুক্রবার নিজের দুই বছর বয়সি ছেলে মোহাম্মদ আলীকে হত্যার অভিযোগে মা হীরা আক্তারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এঘটনায় নিহত মোহাম্মদ আলীর বাবা ইব্রাহীম মিয়া বাদী হয়ে শুক্রবার দিবাগত রাতে হীরা আক্তারকে একমাত্র আসামি করে বাসাইল থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৮ টার দিকে ইব্রাহীম মিয়া রাতের খাবার খেয়ে স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ৩ টার দিকে ছেলে মোহাম্মদ আলীকে প্রসাব করানোর কথা বলে ঘরের বাইরে নিয়ে যান। রাত সাড়ে ৩টার দিকে ইব্রাহীমকে ডেকে তার স্ত্রী জানান মোহাম্মদ আলীকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তখন ইব্রাহীম বের হয়ে ছেলেকে খুঁজতে শুরু করে। এক পর্যায়ে বাড়ির পাশের পুকুর থেকে ছেলেকে উদ্ধার করা হয়। পরে বাসাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে শুক্রবার সকাল ৮ টার দিকে বাসাইল থানার পুলিশ লাশ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্তের ব্যবস্থা করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাসাইল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হাফিজুর রহমান জানান, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হীরা আক্তার ছেলেকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তবে কারা তাকে হত্যায় সহায়তা করেছে সে সম্পর্কে কোন তথ্য দেয়নি। তাই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে সাতদিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছিল। আদালত একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে কৃষি জমিতে সৃষ্টি হওয়া জলাবদ্ধতা নিরসনে এলাকা পরিদর্শন করেছেন ১৯ পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং (জিওসি) ও ঘাটাইলের এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল হুসাইন মুহাম্মদ মাসীহুর রহমান।
রবিবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে তিনি বাসাইল দক্ষিণপাড়া, এসআরপাড়া ও ভাটপাড়ায় কৃষি জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়া এলাকা পরিদর্শন করেন।
এসময় তিনি স্থানীয় কৃষক ও প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলেন। জলাবদ্ধতা নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন সেনাবাহিনীর এ কর্মকর্তা।
জলাবদ্ধ এলাকা পরিদর্শনের সময় ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মামুনুর রশিদ, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) সঞ্জয় কুমার মহন্ত, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মতিউর রহমান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহরুখ খানসহ সেনাবাহিনী ও প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, অপরিকল্পিতভাবে বাসাইল দক্ষিণপাড়া এলাকায় সড়ক নির্মাণের কারণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে এ বছর বাসাইল দক্ষিণপাড়াসহ কয়েকটি এলাকায় সরিষা আবাদ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন অসংখ্য কৃষক। বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন মিডিয়ায় সংবাদ প্রচার হলে কর্তৃপক্ষের নজরে আসে।