/ হোম / আমাদের টাঙ্গাইল
বিএনপি নেতা আশরাফ পাহেলীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

বিএনপি নেতা আশরাফ পাহেলীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জেলা বিএনপি’র সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ পাহেলীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও বিভিন্ন মানববন্ধনে অপপ্রচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (৬ জানুয়ারি) সকালে শহরের পার্ক বাজার মোড়ে ঘন্টা ব্যাপী এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।এই মানববন্ধনে বিপুল সংখ্যক বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

টাঙ্গাইলের সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে আয়োজিত এই মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সম্রাট পাহলী, টাঙ্গাইলে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেত্রী ইসরাত জাহান ইতি, পৌর মৎস্যজীবী ব্যবসায়ী সমিতি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোতালেব হোসেন রানা, জেলা যুবদলের সাবেক সদস্য এম আমিনুল হক,এনামুল হক মনি পাহেলী, আশরাফ পাহেলীর বোন শম্পা পাহেলি, মোঃ শরিফুল ইসলাম প্রমূখ।

মানববন্ধন বক্তারা বলেন, বিএনপি নেতা আশরাফ পাহেলী একদিনে তৈরি হয়নি। ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন সংগ্রামের পরীক্ষিত নেতা আশরাফ পাহেলী। শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার মাত্র এক ঘন্টা আগেও পাহেলী বাসায় পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

বক্তারা আরোও বলেন, সম্প্রতি টাঙ্গাইল জজ কোর্টে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা একটি মামলার ঘটনায় আশরাফ পাহেলীকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ও বিভিন্ন মানববন্ধনে অপপ্রচারের চালানো হচ্ছে। মামলায় বাদী জয়নাল আবেদিন আশরাফ পাহেলীর রাজনৈতিক সহকর্মী। তিনি বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহত হয়েছেন। এবং এর বিচার চেয়ে মামলা দায়ের করেছেন। আমাদের জানা মতে, তিনি যাদের নামে মামলা করেছেন তাঁরা সবাই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। আমরা এই মানববন্ধন থেকে অবিলম্বে সেই সব মিথ্যা অপপ্রচার কারীদের নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনার দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় তাঁদের বিরুদ্ধে মানহানীর মামলা দায়ের করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. জানুয়ারী ২০২৫ ০৭:৪২:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্র নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্র নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে দ্রুতগতির বিনিময় বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে সাইফুল ইসলাম (২১) নামে এক কলেজ ছাত্র নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

রবিবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক সড়কের উপজেলার দিগর ইউনিয়নের আঠারোদানা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

নিহত সাইফুল ঘাটাইল উপজেলার দিগর ইউনিয়নের আঠারোদানা এলাকার আব্দুল মালেকের ছেলে। সাইফুল কালিহাতীর শাহজান সিরাজ কলেজের ছাত্র ছিলেন।
এ ঘটনায় নিহতের বন্ধু মোটরসাইকেল আরোহী শাহীনুর (২০) গুরুতর আহত হয়।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রবিবার বিকালে দুই বন্ধু চাচাত ভাইয়ের মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হন। এ সময় বাড়ির কাছেই টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক সড়কে ঢাকাগামী বিনিময় বাসের সাথে মোটরসাইকেটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলের থাকা সাইফুল মাথা থেতলে মৃত্যু বরণ করে।

পরে মোটরসাইকেলের অপর আরোহী শাহীনকে স্থানীয়রা উদ্ধারকরে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করে। তার ডান হাত ভেঙে গেছে এবং মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়েছেন বলে জানা গেছে।

ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোঃ রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,মোটরসাইকেলের সাথে অজ্ঞাত একটি বাসের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন কলেজ ছাত্র নিহত হয়েছেন । এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. জানুয়ারী ২০২৫ ০২:৫৯:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে রবিবার (৫ জানুয়ারি) সকালে ছাত্রদল জেলা শাখার পক্ষ থেকে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে কোরআন তেলাওয়াত, দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন, দলীয় সংগীত গাওয়া এবং কবুতর মুক্ত করে দিনের কর্মসূচি শুরু করা হয়।

পরে একটা বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান থেকে শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়। শোভা যাত্রায় ছাত্রদলের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মীসহ সাধারণ ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করে।

পরে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে একটি আলোচনা সভায় আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক দুর্জয় হোড় শুভ‘র সভাপতিত্বে এ সময় বক্তব্য রাখেন, বিএনপি’র ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহমেদ টিটো,জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারন সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল ও জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব এম এ বাতেন প্রমুখ।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফ পাহেলি, যুবদলের আহবায়ক রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, সদস্য সচিব তৌহিদুল ইসলাম বাবু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি তরিকুল ইসলাম ঝলক
জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক একেএম মনিরুল হক মনির প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, নব্বইয়ের স্বৈরাচার আন্দোলন থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত ছাত্রদল বাংলাদেশের গনতন্ত্র রক্ষায় অতন্ত্র প্রহরী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে ছাত্রদলের অসংখ্য নেতাকর্মী শাহাদতবরণ করেছে। আর আন্দোলনের মুল দায়িত্ব পালন করেছে বিএনপি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দেশের বিরুদ্ধে কোন ষড়যন্ত্র করে লাভ হবেনা। ছাত্রদল সকল ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবে। এর জন্য নেতাকর্মীদের সজাগ থাকার আহবান জানান তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. জানুয়ারী ২০২৫ ১০:২৩:পিএম ১ বছর আগে
দেলদুয়ারে মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে চুরি,থানায় অভিযোগ - Ekotar Kantho

দেলদুয়ারে মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে চুরি,থানায় অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে মুক্তিযোদ্ধা বদিউজ্জামান তোতার বাসায় রাতের আধারে ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার মালামাল ও নগদ অর্থসহ চুরি যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় গত বুধবার (১ জানুয়ারি) ভুক্তভোগীর মেয়ে শাহনাজ আক্তার তৃষ্ণা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

মঙ্গরবার দিবাগত রাতে দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের শুভকী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী শাহনাজ আক্তার তৃষ্ণা উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের শুভকী গ্রামে চাঁন মিয়ার স্ত্রী এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা বদিউজ্জামান তোতার মেয়ে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়,গত ৩১ ডিসেম্বর রাতে উপজেলার শুভকী গ্রামে তার বাড়িতে প্রতিদিনের ন্যায় রাতের খাওয়া-দাওয়া শেষ করে তার ভাগনী জামাই সজীব ঘরের দরজা-জানালা ভালভাবে আটকিয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। রাতের যেকোন সময় অজ্ঞাতনামা চোর বা চোরেরা উক্ত বাড়ি-ঘরের দরজা খুলে ঘরে প্রবেশ করে ঘরে রাখা আলমারীর তালা ভেঙ্গে আলমারীতে রাখা নগদ ১ লাখ সত্তুর হাজার টাকা এবং ১ ভরি ৫ আনা ওজনের স্বর্ণের গহনা (যার মূল্য অনুমান ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা) নিয়ে যায়। অজ্ঞাতনামা চোর বা চোরেরা চলে যাওয়ার সময় উক্ত ঘরের জিনিসপত্র এলোমেলো করে রাখে যায়। তার ভাগনী জামাই ও ভাগনী শব্দ পেয়ে ঘুম থেকে উঠে দেখে যে, ঘরের দরজা এবং ঘরের আলমারী খোলা। আলমারীতে রাখা উক্ত টাকা এবং গহনা অজ্ঞাতনামা চোর বা চোরেরা নিয়ে গেছে। পরে শাহনাজ আক্তার তৃষ্ণা বুধবার (১ জানুয়ারি) থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

প্রতিবেশী সামেদা আক্তার, রাশেদা বেগম, নুরুল ইসলাম ,মো. আফজাল হোসেনসহ অনেকেই জানায়, আযান দেওয়ার আধঘন্টা পুর্বে মুক্তিযোদ্ধা বদিউজ্জামান তোতার বাড়িতে হাউমাউ করার শব্দ পেয়ে তারা এগিয়ে যান। পরে দেখেন স্টিলের আলমারী ও সুকেচ ভাঙা। ওই বাড়িতে বেড়াতে আসা আলতাফ হোসেন নামের এক ব্যক্তি জানান, মুক্তিযোদ্ধার ছেলে আরিফ তার খালাতো ভাই। কিছুদিন পুর্বে তার খালাতো ভাই আরিফ ৩ লাখ টাকা ধার করেন। সেই ধারের টাকার জন্য বাড়িতে সাইনবোর্ড লাগিয়েছে পাওনাদার। পাওনাদারের টাকা পরিশোধ করার জন্য তিনি গরু বিক্রি করে ১ লাখ সত্তুর হাজার টাকা নিয়ে এসেছেন।

মুক্তিযোদ্ধার মেয়ে ও মামলার বাদী শাহনাজ আক্তার তৃষ্ণা বলেন, তার ভাই সম্প্রীতি ৩ লাখ টাকা সুদ করেন। সেই টাকার জন্য সুদ কারবারীরা আদালতে মামলা দায়ের করেন। ইতোমধ্যে তিনি ওই সুদকারবারীকে কিছু টাকা পরিশোধ করেছেন। সাকুল্য টাকা দিতে না পারায় তাদের বাড়িতে ওই সুদ কারবারীরা সাইনবোর্ড লাগায়। ওই টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য আমার খালতো ভাই আক্তার হোসেন গরু বিক্রি টাকা নিয়ে আসছিলো। সেই টাকা ও আমাদের স্বর্ণ অলংকার গুলো চুরি করে নিয়ে যায়। এঘটনায় তিনি দেলদুয়ার থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সোয়েব খান বলেন, ঘটনার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন। তদন্ত পুর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. জানুয়ারী ২০২৫ ০৭:৪৩:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, গ্রেপ্তার ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, গ্রেপ্তার ২

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঝটিকা মিছিল করায় অভিযান চালিয়ে ২জন নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (৪ জানুয়ারি)দিনগত রাতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- টাঙ্গাইল পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ছাত্রলীগের সভাপতি আশিক হাসান মুন্না(২৩) ও যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক রাহাত,(১৯)।

জানা গেছে, শনিবার ভোরে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে টাঙ্গাইল শহর ছাত্রলীগের সভাপতি মীর ওয়াছেদুল হক ওরফে তানজীলের নেতৃত্বে কয়েকজন নেতাকর্মী শহরের নিরালা মোড় থেকে ঝটিকা মিছিল করেন। পরে শহরের মেইন রোডে অবস্থিত জেলা আওয়ামী কার্যালয়ের শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে শ্রদ্ধা নিবেদন করে তারা ।শনিবার রাতেই অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

স্থানীয়রা জানান, শনিবার সকাল ৭ টার দিকে নিরালা মোড় এলাকা থেকে ঝটিকা মিছিলটি বের করা হয় । পরে তারা মিছিল নিয়ে আওয়ামী লীগের অফিসের দিকে যায়। পরে সেখানে শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে চলে যায়। মীর ওয়াছেদুল হকসহ মিছিলে অংশ নেওয়া অনেকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের টাঙ্গাইল শহর শাখার নেতাকর্মী। তাদের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে মিছিলে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় মামলা রয়েছে। ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর তারা আত্মগোপনে আছেন।

এ প্রসঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের টাঙ্গাইলের সমন্বয়ক আল আমিন বলেন, ছাত্রলীগ সন্ত্রাসী দল হিসেবে আখ্যায়িত। সেই দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ কখনও কোনো কর্মকাণ্ড করতে পারবে না। এ বিষয় সরকারের কঠোর নজরদারি রাখা উচিত।
তিনি আরও বলেন, সরকারের উচিত এ নিষিদ্ধ দলের সন্ত্রাসীরা যে যেখানেই লুকিয়ে থাকুক তাদের প্রত্যেককে দ্রুত গ্রেপ্তার করা। তা না হলে এর দায়ভার সরকারকে নিতে হবে।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)তানবীর আহমেদ জানান ,পুলিশের বিশেষ অভিযানে শনিবার দিবাগত গভীর রাতে পৌর এলাকা বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ছাত্রলীগের দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দুজনের নামে মামলা রয়েছে।

তিনি আরো জানান,রবিবার (৫ জানুয়ারি) তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. জানুয়ারী ২০২৫ ০৭:২২:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ছাত্রলীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ঝটিকা মিছিল ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিল নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী।

শনিবার (৪ জানুয়ারি) ভোরে টাঙ্গাইল শহরে নিষিদ্ধ সংগঠনটির নেতাকর্মীরা এ কর্মসূচি পালন করে।

জানা গেছে, শনিবার ভোরে টাঙ্গাইল শহরের প্রাণকেন্দ্র নিরালার মোড় থেকে মিছিলটি বের করে নিষিদ্ধ সংগঠনটি। মিছিলটি নিরালার মোড়ে হয়ে মেইন রোডের আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে গিয়ে পূণরায় ঘুরে জগলু রোডের দিকে চলে যায়। ‘জয় বাংলা’স্লোগান দিয়ে মিছিলটি বের করলেও বেশিক্ষণ শহরে অবস্থান করতে পারেনি তারা।এর আগে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দেয় সংগঠনের নেতাকর্মীরা
বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দেওয়াসহ মিছিলের নেতৃত্ব দেয় শহর ছাত্রলীগের সভাপতি ওয়ারেছুল হক তানজীল। কর্মসূচিতে ৮ থেকে ১০জন নেতাকর্মীউপস্থিত ছিল বলে জানা গেছে।

এ দিকে নিষিদ্ধ সংগঠনের হঠাৎ কর্মসূচি পালনে হতবাক টাঙ্গাইল শহরের সাধারণ মানুষ। এই বিষয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে জেলায় ক্রিয়াশীল বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

ছাত্র ফেডারেশনের টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি ফাতেমা রহমান বিথী তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাসে ছাত্রলীগের মিছিল ও পুষ্পস্তবক অর্পণের ছবি দিয়ে লিখেছেন, ‘টাঙ্গাইল ছাত্রলীগের আজকের মিছিল এটা। শহর ছাত্রলীগের সভাপতি তানজীলসহ বাকি গুন্ডা বাহিনী দিব্যি ঘুরে বেড়ায়, উদ্যানে এসে মুড়ি খেয়ে যায়। তাহলে টাঙ্গাইলের প্রশাসন আসলে কি করে?

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে পুরো শহরে টহল দেওয়া হয়েছে। তবে নিষিদ্ধ সংগঠনের কাউকেই খুঁজে পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য,গত ৫ আগস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর জেলায় আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এই ধরনের কর্মসূচি এই প্রথম পালন করা হলো।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. জানুয়ারী ২০২৫ ১০:৩৬:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে দম্পতির মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রেনে কাটা পড়ে দম্পতির মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ট্রেনে কাটা পড়ে স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (৪ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার দশকিয়া ইউনিয়নের ধলাটেঙ্গর এলাকার ৫ নম্বর রেল ব্রিজের কাছে এ ঘটনা ঘটে।নিহতরা হলেন- ধলাটেঙ্গর এলাকার নিলু মণ্ডল ও তার স্ত্রী কল্পনা রানী মণ্ডল।

নিহতের পরিবারের লোকজন জানান, সকালে উপজেলার রৌহা গ্রামে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে বাড়ি ফিরছিলেন ওই দম্পতি।

পথে ধলাটেঙ্গর ৫ নম্বর রেল ব্রিজের কাছে রেললাইন পার হওয়ার সময় উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেনে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়।

যমুনা সেতু পূর্ব ইব্রাহীমাবাদ স্টেশন মাস্টার শাহীন মিয়া দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,ঘটনার পরপরই মরদেহ দুটি পরিবারের লোকজন নিয়ে গেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. জানুয়ারী ২০২৫ ০৯:১৯:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চাঁদাবাজির মামলায় যুবক গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চাঁদাবাজির মামলায় যুবক গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের দেওলা এলাকা থেকে চাঁদাবাজি মামলায় মো. নাইম আদনান (৩৪) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার(৩ জানুয়ারি )দুপুরে ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করে তাকে টাঙ্গাইলের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠিয়েছে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ।

এর আগে বৃহস্পতিবার(২ জানুয়ারি )রাতে পৌর শহরের দেওলা এলাকার ‘নিঝুম’ ছাত্রাবাস থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত নাইম আদ ওই এলাকার আবুল কালাম আজাদের ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, সিলেটে কুলবাখানী এলাকার মৃত এমএ নুরের ছেলে তারেক আহমেদ দেশের বিভিন্ন এলাকায় মনিপুরি তাঁতিশিল্প ও জামদানি বেনারশি কল্যাণ ফাউন্ডেশন নামে বাণিজ্য মেলা করে থাকে।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে টাঙ্গাইল কালেক্টরেট মাঠে মেলা করার জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে গত ২৬ ডিসেম্বর তারেককে অনুমতির বিষয়টি জানানো হলে তিনিসহ ডেকোরেটর ম্যানেজার ফরহাদ হোসেন ২৯ ডিসেম্বর টাঙ্গাইলে আসেন। তিনি দেওলা এলাকায় অবস্থানকালে শহরের হাজরাঘাট এলাকার জাহিদ, মো. ইমরান, নাইম আদনান, বিপ্লব ও জামাল হোসেনসহ অজ্ঞাত আরো কয়েক জন তাদের নিঝুঁম ছাত্রাবাসে নিয়ে যান। তাদের মুক্তিপনের জন্য ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা অস্বীকার করায় তাকে হত্যার হুমকিসহ মারধর করতে থাকে। পরে বিকাশ ও এসএ পরিবহনের মাধ্যমে কয়েক দফায় নাইমদের পাঁচ লাখ ৬০ হাজার টাকা প্রদান করে। ৩০ ডিসেম্বর রাতে অভিযুক্তরা তারেক ও ফরহাদ হোসেনের তিনটি অলিখিত ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে ছেড়ে দেন। বিষয়টি গোপন না রাখলে প্রাণ নাশের হুমকিও দেন অভিযুক্তরা। পরে থানায় তারেক আহমেদ বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা টাঙ্গাইল সদর থানার এসআই রামকৃষ্ণ দাস জানান, বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তারের পর শুক্রবার দুপুরে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বিকেলের পর শুনানী হওয়ার কথা রয়েছে। বাকি আসামীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. জানুয়ারী ২০২৫ ০২:৩৯:এএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ছিন্নমূল মানুষের মাঝে জেলা প্রশাসকের কম্বল বিতরণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ছিন্নমূল মানুষের মাঝে জেলা প্রশাসকের কম্বল বিতরণ

একতার কণ্ঠঃ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ত্রাণ তহবিল থেকে টাঙ্গাইলে অসহায় ছিন্নমূল মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার(২ জানুয়ারি )রাতে শহরের টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রাঙ্গনে প্রধান উপদেষ্টার পক্ষে ৩২০ জনের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক শরীফা হক।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, মো. আব্দুল্ল্যাহ-আল-মামুন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও )নাহিদা আক্তার, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আক্তারুজ্জামান, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ডেপুটি নেজারত কালেক্টর মো. আল আমিন কবির প্রমুখ।

এ প্রসঙ্গে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আকতারুজ্জামান বলেন, প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিল হতে ১০ হাজার কম্বল বরাদ্দ পেয়েছিলাম। ইতিমধ্যে ১২ উপজেলায় ৫০০ করে ৬ হাজার বিতরণ করা হয়েছে। বাকিরা চার হাজার হতে হাসপাতালে অসহায় ছিন্নমূল মানুষের মাঝে ৩২০টি বিতরণ করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন,এছাড়াও শীতবস্ত্র কেনার জন্য সরকারিভাবে ১২ উপজেলায় তিন লাখ টাকা করে মোট ৩৬ লাখ ও পরবর্তীতে আরো ৩২ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এছাড়া ১১টি পৌরসভার মধ্যে প্রথম শ্রেণির জন্য দুই লাখ করে, দ্বিতীয় শ্রেণির জন্য দেড় লাখ করে ও তৃতীয় শ্রেণির জন্য এক লাখ টাকা করে বরাদ্দ পাওয়া গেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. জানুয়ারী ২০২৫ ০৮:২৯:পিএম ১ বছর আগে
ম‌হেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে প্রশিক্ষণরত ১৪ কনস্টেবলকে অব্যাহতি - Ekotar Kantho

ম‌হেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে প্রশিক্ষণরত ১৪ কনস্টেবলকে অব্যাহতি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের ম‌হেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে প্রশিক্ষণরত ১৪ কনস্টেবলকে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে অব‌্যাহ‌তি দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে টাঙ্গাইলের পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত ডিআইজি মাহফুজুর রহমান স্বাক্ষরিত আদেশে তাদেরকে অব‌্যাহ‌তি প্রদান করা হয়।

আদেশে বলা হ‌য়ে‌ছে, শৃঙ্খলা ভঙ্গজনিত কারণে অদ্য ২ জানুয়ারি অপরাহ্ণ থেকে প্রশিক্ষণ থেকে স্থায়ীভাবে অব্যাহতি প্রদান করা হলো।

এদিকে, অব‌্যাহ‌তি পাওয়া প্রশিক্ষণরত কনস্টেবলরা রা‌তেই ট্রেনিং সেন্টার ত্যাগ ক‌রে যার যার বাড়িতে রওনা হ‌য়েছে বলে সূত্রে গেছে।

ম‌হেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ জুন থেকে ৫৪তম ব্যাচের টাঙ্গাইলের ম‌হেড়া‌ পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে ৭৯৩ জনের ছয় মাস মেয়াদি মৌ‌লিক প্রশিক্ষণ শুরু হয়। এর মধ্যে ছয় জন অসুস্থ হওয়ায় তা‌দের বাদ দেওয়া হয়। পরে ৭৮৭ জন কনস্টেবল প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন।

১৯ ডিসেম্বর প্রশিক্ষণরত ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবলের (টিআরসি) সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান হওয়ার কথা থাকলেও সে‌টির তারিখ বাতিল ক‌রে ১২ জানুয়ারি করা হয়।

অ্যাডিশনাল ডিআইজি মাহফুজা আক্তারের স্বাক্ষরিত বাতিল হওয়া কুচকাওয়াজের চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) নিয়োগ প্রাপ্তদের ছয় মাস মেয়াদি মৌলিক প্রশিক্ষণ গত ২৪ জুন থেকে সাতটি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, সারদা, রাজশাহী; পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার, (টাঙ্গাইল, নোয়াখালী, খুলনা, রংপুর); পিএসটিএস, বেতবুনিয়া, রাঙামাটি ও এএসটিসি, খাগড়াছড়িতে চলমান রয়েছে। চলমান প্রশিক্ষণের সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানের তারিখ ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪ নির্ধারিত ছিল। অনিবার্য কারণবশত সমাপনী কুচকাওয়াজ সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। উক্ত কুচকাওয়াজ আগামী ১২ জানুয়ারি পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

অব‌্যাহ‌তি পাওয়া কনস্টেবলরা দাবি করেন, ১৯১‌ দিন প্রশিক্ষণ হ‌য়ে‌ছে। ৭৮৭ জন কনস্টেবলের প্রশিক্ষণ হ‌য়েছে। পা‌সিং প্যারেড হওয়ার কথা থাকলে সে‌টির তারিখও পরিবর্তন করা হ‌য়েছে। বৃহস্পতিবার হঠাৎ অব‌্যাহ‌তির চিঠি দেওয়া হয়। শৃঙ্খলা ভঙ্গের কোনও কাজ না ক‌রেও তাদের চাকরি থেকে অব‌্যাহ‌তি দেওয়া হলো। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নিয়োগ হওয়ায় অব‌্যাহ‌তি দেওয়া হ‌য়েছে।

ম‌হেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের পুলিশ সুপার সা‌হেদ মিয়া জানান, এই বিষ‌য়ে পুলিশ হেড‌কোয়ার্টার ছাড়া আমরা কোনও বক্তব্য দি‌তে পার‌বো না।

ম‌হেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত ডিআইজি মাহফুজুর রহমানের সঙ্গে মোবাইলে বারবার যোগা‌যোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি রি‌সিভ ক‌রেন‌নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. জানুয়ারী ২০২৫ ০৭:৪৫:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বেড়েছে শীতের তীব্রতা, জুবথুব জনজীবন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বেড়েছে শীতের তীব্রতা, জুবথুব জনজীবন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বেড়েছে শীতের তীব্রতা, সেই সাথে উত্তরের কনকনে হিমেল হাওয়ায় জবুথবু হয়ে পড়েছে জেলার জনজীবন। বিশেষ করে জেলার পশ্চিমের চরাঞ্চল ও উত্তর-পূর্বের পাহাড়ি এলাকায় সবচেয়ে বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে। ফলে নিম্ন-আয়ের মানুষ, গৃহহীন ভাসমান মানুষ ও কৃষকরা সমস্যায় পড়ছে সবচেয়ে বেশি।

টাঙ্গাইল আবহাওয়া অফিসের সূত্রে জানা যায়, জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় তাপমাত্রা কমেছে ৩ ডিগ্রী সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) সকল ৯টা জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস। এই তাপমাত্রার পতন অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে জেলা আবহাওয়া অফিস।

জানা গেছে, বুধবার ও বৃহস্পতিবার জেলায় সূর্যের দেখা মেলেনি। সেই সাথে উত্তরের কনকনে হিমেল হাওয়ার কারনে জেলায় প্রচন্ড শীত অনুভূত হচ্ছে। এর ফলে জেলার পশ্চিমের চরাঞ্চলে খুব সকালে কৃষকদের সবজির খেতে গিয়ে সবজি তুলে শহরের বিভিন্ন পাইকারি বাজারে আনতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। এ ছাড়াও জেলার পাহাড়ি এলাকায় ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় কারনে সন্ধ্যার পরে স্থানীয় মানুষ জন প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছে না

স্থানীয়রা জানায়,শীতের দাপটে গ্রামাঞ্চলের অনেকেই আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টাও করছেন। তীব্র শীত উপেক্ষা ক‌রে জী‌বিকার তা‌গি‌দে কা‌জের সন্ধা‌নে বের হ‌য়ে‌ছেন খেটে খাওয়া মানুষগু‌লো। তাপমাত্রা কমার চেয়েও বেশি অসুবিধা হচ্ছে হিমশীতল বাতাসে। এর পাশাপাশি ঘন কুয়াশা থাকায় বাতাসে তা গায়ে কাঁটার মতো বিঁধতে থাকে। ঘরে ঘরে লেপ-কাঁথা নামানো হয়েছে। তবে গত কয়েকদিন থেকেই শীতের তীব্রতা হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার নিদারুণ কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন জেলার নিম্নআয়ের মানুষজন। খড়-কুঠো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে নিম্নে আয়ের মানুষ। সন্ধ্যার পর শহর খালি হয়ে যাচ্ছে। প্রচন্ড শীত থেকে বাঁচতে সন্ধ্যার পর ঘরে থাকছে শহরের মানুষ। যার প্রভাব পড়েছে শহরের ব্যবসা-বাণিজেও।

টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে পান-সিগারেট বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন লাইলি বেগম (৭০)। পরিবার-পরিজন বিহীন ভাসমান লাইলি বেগম থাকেন শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে। তিনি জানান, এই শীতে কাঁপছেন তিনি। গায়ের পাতলা চাদরটা তার শীত নিবারণ করতে পারছে না। তার পরও বাধ্য হয়ে এই প্রচন্ড শীতে সকাল থেকে রাত অব্দি পান-সিগারেট বিক্রি করতে হচ্ছে জীবনধারণের প্রয়োজনে। তার আফশোস এই প্রচন্ড শীতে কেউ তাঁকে একটি শীত বস্ত্র দিয়ে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেনি।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া ইউনিয়নের বাগুনটাল গ্রামের কৃষক শাহাদাত হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার খুব ভোরে তার কপি খেতে গিয়েছিলেন কপি কেটে টাঙ্গাইল পার্ক বাজারে নিয়ে যাওয়া জন্য। প্রচন্ড শীতে কাঁপছে কাঁপতে তার পক্ষে আর সম্ভব হয়নি নদীর পাড়ের তার এই কপি খেতে থাকার। ফলে কপি না কেটেই বাসায় চলে এসেছেন তিনি। এ দিকে নির্দিষ্ট সময়ে কপি না তুললে বাজারে সঠিক দাম পাওয়া যাবে না বলে জানান তিনি। প্রচন্ড শীত তাঁদের জীবন যাপনকে আরও কঠিন করে তুলেছে।

শুকুর আলী টাঙ্গাইল পৌর এলাকায় ব্যাটারি চালিত রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। তার গ্রামের বাড়ি জেলার মধুপুর উপজেলায় হলেও টাঙ্গাইল শহরের পশ্চিম আকুর-টাকুর পাড়ায় পরিবার পরিজন নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকেন। তিনি জানান, এই প্রচন্ড শীতে শহরে মানুষ-জন বের হয় না। বিশেষ প্রয়োজনে যারা বের হচ্ছেন তারাও শহরে বেশী সময় থাকছে না। ফলে গত ৩ দিনে তার আয়-রোজগার প্রায় অর্ধেক হয়ে গেছে, এ ভাবে চলতে থাকলে আগামী মাসে তার বাড়ি ভাড়া দিতে সমস্যায় পড়তে হবে। এ ছাড়াও এই প্রচন্ড শীতে তার রিক্সা চালাতে সমস্যা হচ্ছে, ফলে সন্ধ্যার পর রিক্সা না চালিয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন।
তিনি আরো জানান, কোন সংগঠনের পক্ষ থেকে কোন ধরনের শীতের কাপড় কিম্বা আর্থিক সহযোগিতা পাননি তিনি।

জেলায় অসহায়, দুস্থ ও দরিদ্র মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণের তথ্য জানতে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরিফা হকের মুঠো ফোনে বার বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. জানুয়ারী ২০২৫ ০৯:৫৬:পিএম ১ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সংখ্যালঘু সাইনবোর্ড টাঙিয়ে জমি দখলের চেষ্টা, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সংখ্যালঘু সাইনবোর্ড টাঙিয়ে জমি দখলের চেষ্টা, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌর শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকার রেজিনা বেগমের ক্রয়কৃত ৩৪ শতাংশ সম্পত্তি ৭০ বছর ধরে দখলে থাকা জমিতে সংখ্যালঘু সাইনবোর্ড টাঙিয়ে ভাংচুর করে জমি দখল করার চেষ্টার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে।

রবিবার (২৯ ডিসেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের ভিআইপি অডিটোরিয়ামে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মো. শাওন আল মনসুর বলেন, আমাদের পূর্ব পুরুষদের দলিল ও রেকর্ড মুলে প্রাপ্ত হই। ১৯৪০, ১৯৫৩ এবং ১৯৬৪ সনে টাঙ্গাইল সাব রেজিষ্টার অফিস হতে রেজিস্ট্রীকৃত দলিল মুলে রিজিনা বেগম, স্বামী আব্দুর রহিম মিয়া এই জমির মালিকানা‌ প্রাপ্ত হন। বি.এস জরিপ আগত হইতে ১/১নং খতিয়ানে এস.এ ১০৫৪,১০৫৫, ১০৫৬, ১০৫৭নং দাগে ৩৫৬৫, ৩৫৬৬, ৩৫৫৬ দাগে রুপান্তরিত হয়। বর্তমানে ১/১ নং খতিয়ান এসএ দাগ নং ১০৫৪.১০৫৭ যা বিএস নকশাকৃত দাগ ৩৫৬৬। যা রেজিয়া ওয়ারিশগন ভোগ দখলরত আছে। এমত অবস্থায় ১৭ ডিসেম্বর দুপুরে একদল লোক সংখ্যালঘুর নাম ভাঙিয়ে ভাংচুর ও উক্ত জমি দখলের চেষ্টা করে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন দখলে থাকা উক্তভুমিটি ১২ বছর পুর্বে কয়েক লাখ টাকা খরচ করিয়া বাউন্ডারী ওয়াল করার জন্য সিসি কলাম করা হয়। ২০২২ সালে সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল্ল্যাহ হেল ওয়ারেজ (হুমায়ন) টাঙ্গাইল পৌরসভার আমীন দ্বারা পরিমাপ করে যার-যার অংশ বুজিয়ে দেন। তারপর আমরা ওয়ারিশগন উক্ত জায়গায় সিসি কলামের উপর টিনের বেড়া দিয়ে জায়গাটি ঘিরে রাখি। এমতঅবস্থায় টিনের বেড়া খুটি, সাইনবোর্ড ঘরের দরজাসহ বিভিন্ন জিনিষ ভাঙচুর ও লুটপাট করে নিয়ে যায়। ওইদিন যদি আমরা বাধা দিতাম তাহলে একটি অপ্রীতিকর অস্থার সৃষ্টি হতো এবং হতাহত হতো, যে কারণে আমরা বাধা দেইনি। এই জমিতে আমরা খেলাধুলা করেছি এবং বড় হয়েছি। তখন কেউ এই জমি তাদের বলে দাবি করেনি।

তিনি আরও বলেন, আমরা আইনে বিশ্বাস করি, তারা যদি এই জমির বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারে তাহলে আমরা এই জমি ছেড়ে দিবো। আর যদি দেখাতে না পারে তাহলে তাদের এই জমির দাবি ছেড়ে দিতে হবে। ইতোমধ্যে ভাঙচুর ও লুটপাট বিষয়ে টাঙ্গাইল মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছি। জমির বিষয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, পাভেল এ রৌফ, মো. ফরহাদ মিঞা ও মো. আবীর হোসেন।

এসময় জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. জানুয়ারী ২০২৫ ০২:০০:এএম ১ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।