একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ৭৬ বছরের পুরনো ফাইলা পাগলার মেলা বন্ধ ঘোষণা করেছে যৌথ বাহিনী। রবিবার (১২ জানুয়ারি) বিকালে উপজেলার দাড়িয়াপুর ইউনিয়নের দাড়িয়াপুরে অবস্থিত ফাইলা পাগলার মাজার প্রাঙ্গণে উপজেলা প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও থানা পুলিশ অভিযান শেষে মেলা বন্ধের এ ঘোষণা দেন।
অভিযানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ আল রনী, সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন এ টি এম ফজলে রাব্বি প্রিন্স, সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাকির হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, ১৯৪৯ সালে উপজেলার দাড়িয়াপুর গ্রামে প্রথম ফাইলা পাগলার মেলা শুরু হয়। প্রতিবছরের হিজরি রজব মাসের প্রথম দিন থেকে মেলা শুরু হয়ে মাসব্যাপী চলে এর কার্যক্রম। পূর্ণিমার রাতে হয় বড়মেলা। তবে মানতকারী, ভক্ত-দর্শনার্থীদের আনাগোনা থাকে সারা মাস। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের হাজার হাজার লোক ব্যান্ডপার্টিসহ মানত করা মোরগ, খাসি, গরুসহ নানা পণ্যসামগ্রী নিয়ে হাজির হয়। মাজারের চারপাশের প্রায় এক কিলোমিটার দূর পর্যন্ত লোকজন মোরগ, গরু-খাসি জবাই করে মানত পূরণ করে।
এদিকে, মাজারঘেঁষেই পাগল ভক্তদের বসার আস্তানা। সেখানে প্রকাশ্যে গাঁজা সেবন করা হয়। এই সুযোগে দূরদূরান্ত থেকে আসা ভক্ত ও যুবকরা অনেকটা প্রকাশ্যেই মাদক সেবন করে। এ ছাড়া মেলাকে কেন্দ্র করে প্রতিরাতে অশ্লীল নৃত্যের আয়োজন করা হয় বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের।
বিষয়টি নিয়ে সচেতন নাগরিক সমাজ জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ দেয়। পরে রবিবার বিকালে যৌথ বাহিনী মেলা বন্ধে অভিযান চালায়। এ সময় ব্যবসায়ী ও মেলায় আগত দর্শনার্থীদের মেলাস্থল ত্যাগ করতে ১৫ মিনিট সময় বেঁধে দেওয়া হয়। পরে দোকানপাট সরিয়ে নিতে ব্যবসায়ীদের দুই ঘণ্টা সময় দেয় যৌথ বাহিনী। পরে মেলায় আসা লোকজন দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। এ সময় মেলায় বিভিন্ন জিনিসপত্র নিয়ে আসা ব্যবসায়ীরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান। পরে তারা মালামাল সরাতে দুই দিন সময় চান।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ আল রনী বলেন, ‘মেলার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগ ছিল। আমরা অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতাও পেয়েছি। এ কারণে মেলাটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।’
তবে মাজার কমিটির সভাপতি কবির হাসান অভিযোগ করে বলেন, ‘একটি মহল মেলাটি বন্ধ করার জন্য পাঁয়তারা করছে। মাজারের পাশ থেকে পাগল ভক্তদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবুও মেলাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মেলাটি বন্ধ করায় ব্যবসায়ীরাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’
প্রসঙ্গত, ২০০৩ সালের ১৮ জানুয়ারি রাতে ফাইলা পাগলার মাজারে পরপর দুটি শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণে মাজারের খাদেমসহ আট জন নিহত হন। আহত হন কমপক্ষে ১৫ জন। এ হামলার পর কয়েক বছর মেলায় লোকজন কম হচ্ছিল। ধীরে ধীরে সেই ভয় কেটে যাওয়ার পর থেকে লোকজন মেলায় বেশি আসছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: ফাহমিদা লস্করের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
রবিবার (১২ জানুয়ারি)দুপুরে ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে স্থানীয় এলাকাবাসীর ব্যানারে ঘন্টা ব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, স্থানীয় ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম, যুবদল নেতা মাসুদ, মাসুদ রানা, হাবিব হোসেন, ব্যবসায়ী আয়নাল হোসেন, হাবিব হোসেন, নুরজাহান বেগম, সোমা আক্তার প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন যাবত এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে রোগীরা পরিপূর্ণ স্বাস্থ্য সেবা ও ওষুধ পত্র পাচ্ছে না। এ ছাড়া প্যাথোলজি বিভাগ দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় রোগীরা এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
তারা আরও অভিযোগ করে বলেন,অন্যদিকে টাকার বিনিময়ে আউটসোর্সিং পদে তার ইচ্ছেমত লোক নিয়োগসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির আশ্রয় নিচ্ছেন ডা: ফাহমিদা লস্কর।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জুলাই-আগস্টের অভ্যুত্থানে আহতদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার(১২ জানুয়ারি )সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমিত মিলনায়তনে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন টাঙ্গাইল জেলা শাখার উদ্যােগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন জেলা শাখার আহবায়ক আল আমিনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন,টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ, টাঙ্গাইল জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি শফিকুল ইসলাম রিপন, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মুহম্মদ আজিজুল হক, সংগঠনের জেলা শাখার সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম প্রমুখ।এছাড়াও আন্দোলন আহত বেশ কয়েকজন বক্তব্য রাখেন।
মতবিনিময় সভায় আহতরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গণ অভ্যুত্থানের আন্দোনলে অংশ নিয়ে আমরা বিভিন্ন ভাবে আহত হয়েছিলাম। কিন্ত এখন পর্যন্ত আমরা যথাযথ সুচিকিৎসা পাচ্ছি না। এতে আমাদের দৈনন্দিন কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে। আমরা যথাযথ সুচিকিৎসার দাবি করছি।
উল্লেখ্য, বিভিন্ন স্থানে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে টাঙ্গাইলের ৯ জন নিহত এবং ২০৬ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন টাঙ্গাইল জেলা শাখা।
একতার কণ্ঠঃ কেন্দ্রীয় গণঅধিকার পরিষদের দপ্তর সম্পাদক ও উচ্চতর পরিষদের সদস্য শাকিল উজ্জামান বলেছেন, গণঅধিকার পরিষদ স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে রাজপথ থেকে গড়ে উঠা একটি সংগঠন। স্বৈরাচারী হাসিনার রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করে গণমানুষের নায্য অধিকার আদায়ে দাবিতে গণঅধিকার পরিষদ রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করে গেছে।
শুক্রবার(১০ জানুয়ারি )বিকেলে শহরের নিরালা মোড় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে টাঙ্গাইল জেলা গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচির অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, বৃহস্পতিবার গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়। বর্ধিত সভায় সারা দেশে গণঅধিকার পরিষদের একমাস ব্যাপী সদস্য সংগ্রহের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী টাঙ্গাইল জেলা গণঅধিকার পরিষদের আয়োজনে সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচি চলছে। সদস্য সংগ্রহ কর্মসূচিতে টাঙ্গাইলে মানুষের ভালো সারা পাওয়া যাচ্ছে। মানুষের সারা দেখে বুঝা যাচ্ছে গণঅধিকার পরিষদ আজ গণমানুষের ভালোবাসার সংগঠনে পরিণত হয়েছে। গণঅধিকার পরিষদের প্রতীক ট্রাক মার্কার গণজোয়ার তৈরি হয়েছে। গণঅধিকার পরিষদ সারাদেশে যে কোন অন্যায় অবিচার শোষণ বৈষম্যের বিরুদ্ধে সব সময় কাজ করে যাচ্ছে। আগামীতে গণঅধিকার পরিষদ জাতীয় নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রার্থী দিবে। সেই লক্ষ্যে গণঅধিকার পরিষদ কাজ করে যাচ্ছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি মনিরুজ্জামান মিয়া, সাধারণ সম্পাদক শামীমুর রহমান সাগর,সহ-সভাপতি রুবেল খান, আনিসুল হক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম তরুণ, টাঙ্গাইল জেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি ফাহাদুল ইসলাম ফাহাদ ও সাধারণ সম্পাদক নবাব আলী,সদর উপজেলা ছাত্র অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক তামান্না ইসলাম তরী প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ সাভারে অ্যাম্বুলেন্সে আগুনে নিহত বাবা-মা ও ছেলেকে গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে সামাজিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। এর আগে স্থানীয় ভবনদত্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চারজনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। নিহত অপরজনকে গোপালপুরে দাফন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি )রাত সোয়া ১১টার দিকে ঘাটাইল উপজেলার ভবনদত্ত গ্রামে সামাজিক কবরস্থানে নিহত তিনজনের দাফন সম্পন্ন হয়।
এর আগে অ্যাম্বুলেন্স গাড়িতে আগুনে নিহত চারজনের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল থেকে গ্রামের বাড়িতে আনা হয়।
নিহতদের জানাজায় উপস্থিত ছিলেন— ঘাটাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. শারমিন ইসলাম, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাসহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী- পেশার মানুষ।
নিহেতর এক স্বজন হাবিব সিদ্দিকী বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে ঢাকা থেকে চারজনের মরদেহ রাতে ঘাটাইলে আসে। প্রথমে বাবা ও ছেলের জানাজা হয়েছে। এরপর দুইবোনের জানাজা হয়। পরে সামাজিক কবরস্থানে বাবা মা ও ছেলের দাফন করা হয়। আরেকজনের গ্রামের বাড়ি যেহেতু গোপালপুর সেহেতু সেখানে তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, বুধবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের সাভার পুলিশ টাউনের সামনে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে অ্যাম্বুলেন্স ও দুইটি বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে একই পরিবারের তিনজনসহ চারজন মারা যান। নিহতরা হলেন— ঘাটাইলের ভবনদত্ত গ্রামের ফারুখ হোসেন সিদ্দিকী, তার স্ত্রী মহসিনা সিদ্দিকী, ছেলে ফুয়াদ সিদ্দিকী (১৪) ও মহসিনার বোন সীমা খন্দকার। সীমা খন্দকারের বাড়ি পার্শ্ববর্তী উপজেলা গোপালপুরে বাড়ি।
একতার কণ্ঠঃ সন্ত্রাসবিরোধী আইনের দায়ের করা মামলায় নিষিদ্ধ সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের টাঙ্গাইল জেলা সভাপতি সোহানুর রহমান সোহানসহ ৩ জনকে ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত।
বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম এ আজহারুল ইসলাম আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। এর আগে আসামিদের আদালতে হাজির করে কলাবাগান থানা পুলিশ।
অন্য আসামিরা হলেন- টাঙ্গাইলের গোপালপুর থানার যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী রাসেল কবির (৪০) ও গোপালপুর উপজেলার ছাত্রলীগ কর্মী কবির হোসেন (২১)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও কলাবাগান থানার উপ-পরিদর্শক তারেক মোহাম্মদ মাসুম তাদের বিরুদ্ধে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আসামি পক্ষের আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখী রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক তাঁদের ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ ডিসেম্বর ভোরে রাজধানীর কলাবাগান থানাধীন পান্থপথের আল বারাকা রেস্টুরেন্টের সামনে পাকা রাস্তার ওপর এজাহারনামীয় ও অজ্ঞাতানামা ১০০ থেকে ১৫০ জন আসামি একত্রে সমবেত হয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ব্যানার ব্যবহার করে জনসম্মুখে সরকারের বিরুদ্ধে অপ-প্রচারের উদ্দেশ্যে এবং ছাত্রলীগের কার্যক্রমকে গতিশীল করার জন্য মিছিল বের করে। আসামিরা বিভিন্ন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিভিন্ন উসকানিমূলক স্লোগান দেয়। এছাড়া তাদের মিছিল ও স্লোগান ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রচার করতে থাকে। সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলার জন্য তারা পরিকল্পনা করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ সরকার পতনে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবির মুখে ‘সন্ত্রাসী’ কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ২৩ অক্টোবর ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
এ ছাড়া টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সোহানুর রহমান সোহানের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইলে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় স্কুল ছাত্র মারুফ হত্যা ও সন্ত্রাস দমন আইনে করা দুটি মামলা রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ ‘জুলাই এর প্রেরণা, দিতে হবে ঘোষণা’ স্লোগানে জুলাই ঘোষণাপত্রের গুরুত্বসহ ৭ দফা ঘোষণাপত্রে অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে লিফলেট বিতরণ বিতরণ করেছে টাঙ্গাইলের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি।
বৃহস্পতিবার(৯ জানুয়ারি )দুপুরে টাঙ্গাইল পৌর উদ্যোন থেকে লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়। পরে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে তারা লিফলেট বিতরণ করেন।
লিফলেটে তারা জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে আহতদের বিনামূল্যে রাষ্ট্রীয়ভাবে সুচিকিৎসা প্রদানের প্রতিশ্রুতি স্পষ্ট করাসহ ৭ দফা দাবি তুলে ধরেন।
লিফলেট বিতরণে টাঙ্গাইল বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক আল আমিন, সদস্য সচিব মনিরুল ইসলাম এবং জাতীয় নাগরিক কমিটির সভাপতি রাসেল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় তারা বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেয়া হলেও এখন পর্যন্ত জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করেনি। আগামী ১৫ জানুয়ারির মধ্যে জুলাই ঘোষণাপত্র প্রকাশ করতে হবে।
একতার কণ্ঠঃ ছোট্ট ফাহিমকে (৯) একা রেখে পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন তার বাবা, মা ও বড়ভাই। একই পথের যাত্রী হয়েছেন তার খালাও।
বৃহস্পতিবার (৯ জানুয়ারি)দুপুরে ফাহিমদের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির উঠানে রাখা চারটি লাশের খাটিয়া। পাশেই সামাজিক কবরস্থানে চলছে কবর খোঁড়ার কাজ।
খবর পেয়ে ছুটে এসেছেন স্বজনরা। এসেছেন এলাকাবাসীসহ শুভাকাঙ্ক্ষীরা। কিছুক্ষণের মধ্যে রবিন মিয়া নামে একজন গোপালপুর থেকে ফাহিমকে বাড়ি নিয়ে আসলেন। উঠোনে চেয়ারে বসতে দেওয়া হল তাকে। ঘিরে ধরলেন স্বজনরা। কেউ একজন পাশে থেকে বাবা-মা আর ভাইয়ের কথা তাকে জিজ্ঞেস করলে জবাবে সে জানায়, ‘মা-বাবা আর ভাই ঢাকা গেছে। লাশ আনতে গেছে মানুষ।’
এতটুকুর বাইরে ফাহিমের মুখ থেকে আর কোনো কথা বের হচ্ছিল না। মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। চাচি শিউলী বেগম বুকে জড়িয়ে ঘরে নিয়ে গেলেন সদ্য এতিম ফাহিমকে।
বুধবার রাতে সাভারে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন তার বাবা ফারুখ হোসেন সিদ্দিকী (৪৭), মা মহসিনা সিদ্দিকী (৩৬), বড়ভাই ফুয়াদ সিদ্দিকী (১৪) ও খালা সীমা খন্দকার (৩৮)। ফারুখ তার পরিবার নিয়ে থাকতেন ঘাটাইল উপজেলার দেওপাড়া ইউনিয়নের ভবনদত্ত গ্রামে। আর সীমা খন্দকারের বাড়ি পার্শ্ববর্তী উপজেলা গোপালপুরে।
নিহত ফারুখ হোসেন সিদ্দিকী ছিলেন ভবনদত্ত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তার ছোটভাই মামুন সিদ্দিকী বলেন, তারা তিন ভাই একবোন। বোন সবার বড়। ইতালি প্রবাসী। বড়ভাই ফারুখ হোসেন সিদ্দিকীর বড় ছেলে ফুয়াদ সিদ্দিকী স্থানীয় ভবনদত্ত উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। মেধাবী ছাত্র। শ্রেণিতে তার রোল দুই। ছোট ছেলে ফাহিম সিদ্দিকী গোপালপুর উপজেলায় এক মাদ্রাসায় হোস্টেলে থেকে হেফজ পড়ছে। ফুয়াদ হঠাৎ করেই কিছুদিন থেকে অসুস্থ। শরীরে রক্ত কমে যায়। তবে ডাক্তার বলেছেন থ্যালাসেমিয়া নয়।
মামুন আরও জানান বুধবার মায়ের সঙ্গে নানার বাড়ি গোপালপুরে যান ফুয়াদ। ওই রাতে হঠাৎ করে বাথরুমে গিয়ে পড়ে যায় ফুয়াদ। দ্রুত রাত ১১টার দিকে তাকে নিয়ে অ্যাম্বুলেন্সযোগে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন তার মা মহসিনা সিদ্দিকা ও খালা সীমা খন্দকার। পথে ঘাটাইল উপজেলার হামিদপুর থেকে অ্যাম্বুলেন্সে ওঠেন ফারুখ সিদ্দিকী। মামুন জানান, রাতে তার কাছে ফোন করে সবাইকে দোয়া করতে বলেন। এরপর আর কোনো কথা হয়নি।
নিহত ফারুখ সিদ্দিকীর আরেক সহকর্মী তার চাচাতো বোন সোমা সিদ্দিকা বলেন, ভাইয়ের সঙ্গে রাত সাড়ে ১১টার দিকে ফোনে কথা হয়। এরপর রাতে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাদের ব্যবহৃত ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। সকালে দুর্ঘটনার বিষয়টি জানান ঢাকায় পুলিশে কর্মরত নিহত সীমা খন্দকারের স্বামী।
নিহত ফারুক হোসেন সিদ্দিকীর আরেক সহকর্মী মো. রুবেল মিঞা বলেন, প্রধান শিক্ষক খুব নীতিবান ছিলেন। একজন নীতিবান মানুষের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এমন শিক্ষক আর হবে না। আমাদের সবসময় আগলে রাখতেন।
স্থানীয় দেওপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন জানান, রাতে তিনি ফারুক সিদ্দিকীকে অ্যাম্বুলেন্সে তুলে দিয়ে বাড়ি আসেন। এক সঙ্গে চা পান করেছেন। তার ভাষ্য এলাকায় ফারুক সিদ্দিকীর মতো ভালো মানুষ আর হবে না। তার মৃত্যুতে কাঁদছে পুরো গ্রামের মানুষ।
প্রসঙ্গত, বুধবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে সাভারের ফুলবাড়িয়া পুলিশ টাউনের সামনে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে অ্যাম্বুলেন্স ও দুইটি বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে একই পরিবারের তিনজনসহ চারজন মারা যান।
একতার কণ্ঠঃ মিথ্যা ও হয়রানিমুলক মামলা বন্ধের দাবিতে টাঙ্গাইলে ছাত্র ফেডারেশনের পৌর শাখার উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
বুধবার( ৮ জানুয়ারি)দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
ছাত্র ফেডারেশন টাঙ্গাইল পৌর শাখার আহ্বায়ক আদিবা হুমায়রার সভাপতিত্বে ও সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মুনঈমের সঞ্চালনায় মানববন্ধন কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, ছাত্র ফেডারেশন টাঙ্গাইল জেলা কমিটির সভাপতি ফাতেমা রহমান বীথি, প্রচার সম্পাদক তাওহীদা ইসলাম স্বপ্নীল,দপ্তর সম্পাদক প্রেমা সরকার, পৌর শাখার সদস্য আনিক হাসান, শিশির,অভ্যুত্থানে আহত ছাত্র সাদী রহমান সাদ,মিথ্যা মামলার ভুক্তভোগী নিলয় আহমেদ, মিথ্যা মামলার ভুক্তভোগী তাওহীদ ইসলামসহ জেলা কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন- ২৪ এর অভ্যুত্থানের পর সারাদেশে আন্দোলনে যুক্ত থাকা সাধারণ ছাত্র-জনতার নামেও মিথ্যা মামলা করা হচ্ছে। ফলে প্রকৃত অপরাধীরা মিথ্যা মামলার সুযোগ ব্যবহার করে পার পেয়ে যাচ্ছে। জুলাইয়ের স্পিরিট ধরে রাখতে হলে জুলাই অভ্যুত্থানে যারা গণহত্যার সাথে জড়িত তাদেরকে গ্রেফতার ও শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
একতার কণ্ঠঃ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এর ত্রাণ তহবিল হতে টাঙ্গাইল সদরের পশ্চিমের চরাঞ্চল কাকুয়া ও কাতুলী ইউনিয়নে অসহায় ছিন্নমূল মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র হিসেবে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারী)রাতে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাকুয়া ও কাতুলী ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে ৭৫০ জন ছিন্নমূল ও অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক শরীফা হক।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো; আব্দুল্ল্যাহ -আল-মামুন, টাঙ্গাইল সদরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা আক্তার, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আক্তারুজ্জামান, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ডেপুটি নেজারত কালেক্টর মো. আল আমিন কবির প্রমুখ।
এ প্রসঙ্গে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আকতারুজ্জামান বলেন, প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ তহবিল হতে ১০ হাজার কম্বল বরাদ্দ পেয়েছিলাম। ১২ উপজেলায় ৫০০ করে ছয় হাজার বিতরণ করা হয়েছে। বাকিরা চার হাজার হতে কাকুয়া ও কাতুলী ইউনিয়নে অসহায় ছিন্নমূল মানুষের মাঝে ৭৫০ টি কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন,এছাড়াও শীতবস্ত্র কেনার জন্য সরকারিভাবে ১২ উপজেলায় তিন লাখ টাকা করে মোট ৩৬ লাখ ও পরবর্তীতে আরো ৩২ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এছাড়া ১১টি পৌরসভার মধ্যে প্রথম শ্রেণির জন্য দুই লাখ করে, দ্বিতীয় শ্রেণির জন্য দেড় লাখ করে ও তৃতীয় শ্রেণির জন্য এক লাখ টাকা করে বরাদ্দ পাওয়া গেছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চারাবাড়ি এলাকার সোস্যাল ডেভেলপমেন্ট সংসদের (এসডিএস) জমি থেকে রাতের আঁধারে ভেকু বসিয়ে মাটি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মোজাম্মেল হকের বিরুদ্ধে।
ওই জমির দলিল বাতিলসহ আদালতে দু’টি মামলা চলমান থাকলেও প্রায় এক মাস যাবত মোজাম্মেল রাতের আঁধারে ভেকু দিয়ে মাটি কেটে ডাম ট্রাক দিয়ে বিক্রি করছেন। এতে টাঙ্গাইল-তোরাপগঞ্জ আঞ্চলিক সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ ভাবে মাটি বিক্রির বন্ধের দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা।
জানা গেছে,গত ১২ মার্চ সদর উপজেলার বেলটিয়াবাড়ী গ্রামের মৃত আ. ছবুর প্রামানিকের ছেলে মো. ইসমাইল হোসেন সিরাজী বাদি হয়ে টাঙ্গাইলের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ ১ম আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলায় শহরের দিঘুলিয়া এলাকার মৃত শামছুল হকের ছেলে মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, সখীপুরের কচুয়া রোড আড়াইপাড়া গ্রামের মো. আনছার আলী ছেলে মো. নুরুল ইসলাম, সদর উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের মো. ইমান আলীর ছেলে মো. আকবর আলী, মাগুরাটা গ্রামের মৃত আইন উদ্দিনের ছেলে মো. হাবিবুর রহমান, স্বদেশ রোড এলাকার মো. সুরুজ্জামানের ছেলে মো. জাকির হোসেনকে বিবাদি করা হয়। একই দিন মো. ইসমাইল হোসেন সিরাজী বাদি হয়ে আরেকটি একটি মামলা করেন। মামলায় শহরের দিঘুলিয়া এলাকার মৃত শামছুল হকের ছেলে মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক, সখীপুরের কচুয়া রোড আড়াইপাড়া গ্রামের মো. আনছার আলী ছেলে মো. নুরুল ইসলাম, শহরের পাতুলীপাড়া এলাকার মৃত কলিল উদ্দিন আহম্মেদের ছেলে মো. ওস্তাগীর হোসেন, একই এলাকার মৃত আফতাব উদ্দিনের ছেলে মো. মোকছেদ আলী ও স্বদেশ রোড এলাকার মো. সুরুজ্জামানের ছেলে মো. জাকির হোসেনকে বিবাদি করা হয়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি সদর উপজেলার বেলটিয়াবাড়ী গ্রামের মৃত আ. ছবুর প্রামানিকের ছেলে মো. ইসমাইল হোসেন সিরাজী ইসলামিক রিসার্স ইনস্টিটিউটের (আই আর আই) প্রোপ্রাইটর ও মহাপরিচালক হিসেবে এবং স্যোসাল ডেভেলপমেন্ট সংসদ (এসডিএস) বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। যা এসডিএস নামে বেশি পরিচিতো। ১৯৮৯ সালের ২ মে প্রতিষ্ঠান রেজিষ্ট্রিকৃত হয়। প্রতিষ্ঠানটি বেকার যুবক/যুবতীদের কর্মসংস্থান, ক্ষুদ্র ঋণের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠিকে স্বাবলম্বী করা, কৃষি পনর্বাসন, পশু খামার, মৎস্য খামার, হাস মুরগীর খামার, শাক সবজি চাষসহ নানাভাবে প্রান্তিক সাধারণ মানুষকে সহযোগিতা করে আসছিলো। ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন সিরাজী বিরুদ্ধে মামলা হলে তিনি কারাগারে যান। এ দিকে প্রতিষ্ঠানের কার্যকরী কমিটির মেয়াদ ১৯৯৯ সালে শেষ হওয়ার পর নতুন কমিটি না হওয়ায় প্রতিষ্ঠানের মূল্যবান সম্পদ লুট হয়।
২০১৫ সালে মো. নুরুল ইসলাম ইসলামিক রিসার্স ইনস্টিটিউটের মহা পরিচালক দাবি করে মুহাম্মদ মোজাম্মেল হকের কাছে জমি বিক্রি করেন। মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক সাইনবোর্ডে উল্লেখ করেছেন ক্রয় সূত্রে তিনি ৮০০ শতাংশ জমির মালিক।
চারাবাড়ি এসডিএস এ সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, একটি ভেকু ও একটি ড্রাম ট্রাক পার্কিং করে রাখা হয়েছে। ড্রাম ট্রাক ও ভেকুর ৫০ মিটার দক্ষিণে মাটি কাটার প্রমাণ পাওয়া যায়।
পাহারায় থাকা রিপন আহমেদ জানান, প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে ভোর রাত পর্যন্ত মাটি কেটে বিক্রি করা হয়। এখানে অনুমতি ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দেয়া হয় না। তবে দিনে মাটি কাটা হয় না।
এসডিএসে প্রতিবেদন করতে গেলে মোজাম্মেলের লোকজন এই প্রতিবেদকের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে ক্যামেরা বন্ধ করতে বলেন, পরে মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, আমি রেজিষ্ট্রিকৃত জমি থেকে মাটি কাটছি। ইতিপূর্বে ১৪৪ ধারার মামলা হলে আদালত সেটিকে খারিজ করে দেয়। আমার এই এসডিএসের ভিতরে ছবি তুলতে হলে অনুমতি নিয়ে ছবি তুলতে হবে।
টাঙ্গাইল জজ কোর্টের আইনজীবী মালেক আদনান বলেন, জমিতে মামলা চলমান থাকলে কোন পক্ষ তা ভোগ বা মাটি কাটতে পারবে না।
এদিকে এসডিএসর ম্যানেজার মমিউর রহমান বলেন,মোজাম্মেল মিয়া আওয়ামীলীগ সরকারের সময় থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে জমি দখল করে মাটি কাটতেছে ,আমরা পুলিশ প্রশাসন এবং আদালতে মামলা করেছি, কোন সুরাহ পাচ্ছি না। জোরপূর্বক মাটি কাটতেছে মোজাম্মেল।
এবিষয়ে এসডিএসের গ্রাহক সমিতির সভাপতি সালাম চাকলাদারের সাথে কথা বললে তিনি জানান, এখানে মোজাম্মেল হক আওয়ামীলীগের সরকার আমলে জোর করে যায়গা দখল করে নেন। যেটা সম্পূর্ণ অবৈধ। তার জমি এটা মামলায় টিকবেনা দেখেই সে সেখান থেকে রাতের আধারে মাটি কেটে বিক্রি করছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বিএনপি’র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার(৭ জানুয়ারি )বেলা ১১ টার দিকে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ৫ শতাধিক মানুষের মাঝে এ কম্বল বিতরণ করা হয়।
সাকসু’র সাবেক জিএস চিত্তরঞ্জন দাস নুপুরের সভাপতিত্বে বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এডঃ আলী ইমাম তপন, সাবেক সহ-সভাপতি সাদেকুল আলম খোকা প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বিএনপি’র চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় আমরা শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ করছি । শেখ হাসিনা বলে বেড়াতো তিনি পালান না তবে তিনি ভারতের পালিয়ে জীবন বাঁচিয়েছে।বক্তারা হাসিনার কঠিন বিচার দাবী করেন।
জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি জিয়াউল হক শাহিনের অর্থায়নে এ কম্বল বিতরণ করা হয়।