/ হোম / আমাদের টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলায় নিহত ১; গ্রেপ্তার ১ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে হামলায় নিহত ১; গ্রেপ্তার ১

একতার কণ্ঠঃ  টাঙ্গাইলের গোপালপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় গোলাম মোস্তফা (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে।

শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের বালোবাড়ী গ্রামে হামলার ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় মারাত্বকভাবে আহত হয়েছে নিহতের বড় ভাই তোফাজ্জল হোসেন বাদল।

নিহত মোস্তফা হেমনগর ইউনিয়নের বালোবাড়ী গ্রামের দেলোয়ার হোসেন বাদশার ছেলে।

এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে শনিবার রাতেই গোপালপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ ইতিমধ্যে রানা রাজা নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে।

জানা যায়, নিহত গোলাম মোস্তফা ও প্রতিবেশি তানভীর ইসলাম রাজের মধ্যকার দুই পরিবারের সাথে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। শনিবার সকাল দশটার দিকে বিষয়টি মিমাংসার উদ্দেশে উভয় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দেলোয়ার হোসেন বাদশার বাড়ীতে গ্রাম্য সালিশি বৈঠক বসে। সালিশে উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিরা আলোচনার মাধ্যমে তাদের বিরোধ সমাধান করে দেন।

সদ্য মিমাংসার পর বিকালে তোফাজ্জল হোসেন বাদল গ্রামের রাস্তায় গেলে প্রতিপক্ষের লোকেরা তার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। খবর পেয়ে তার ভাই গোলাম মোস্তফা প্রতিবাদ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়ে মারাত্বক ভাবে আহত হন।

পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা এসে প্রথমে বাদলকে আহতাবস্থায় উদ্ধার করে গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করান। গোলাম মোস্তফাকে মুমূর্ষু অবস্থায় ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক গোলাম মোস্তফাকে মৃত ঘোষণা করেন।

গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ইতিমধ্যে মামলার এক আসামী নিহতের ভাতিজা রানা রাজাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। নিহতের লাশ রবিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০১:০৪:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মোবাইলে এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র;  আ.লীগ নেতার কারাদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোবাইলে এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র; আ.লীগ নেতার কারাদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে মোবাইল ফোনে প্রশ্নপত্র পাওয়ার অপরাধে ইয়াছিন সিকদার নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে ছয় মাসের কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।

শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে পদার্থ বিজ্ঞান পরীক্ষা চলাকালে উপজেলার বাঁশতৈল মনসুর আলী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান তাকে এই সাজা দেন।

সাজাপ্রাপ্ত ইয়াছিন সিকদার উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পাঁচগাও গ্রামের কালু সিকদারে ছেলে।

জানা গেছে, ইয়াছিন সিকদারের ছেলে তামিম সিকদার চলতি বছর অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় ওই কেন্দ্র থেকে অংশ নিচ্ছেন। পরীক্ষা শুরুর এক ঘন্টার মধ্যে প্রশ্নপত্র ইয়াসিন সিকদারের মোবাইল ফোনে চলে আসে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি ইউএনও জানতে পারেন। পরে বাঁশতৈল বাজারের নাজিম প্লাজা থেকে ইয়াসিন সিকদারকে মোবাইল ফোনসহ আটক করা হয়। এ সময় তার মোবাইল ফোনে চলমান পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ের প্রশ্নপত্র দেখতে পান ইউএনও।

এ প্রসঙ্গে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভ্রাাম্যমান আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান জানান, ইয়াছিন সিকদারকে পাবলিক পরীক্ষা সমুহ (অপরাধ) আইন, ১৯৮০ এর ১১(খ), (গ) ধারা অনুযায়ী ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০২:৫৫:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে জামায়াতের ৫ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জামায়াতের ৫ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপরে জামায়াতে ইসলামীর ৫ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার গোড়াই শিল্পাঞ্চল এলাকার সৈয়দপুর মঈননগর এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ সময় ৪০টি জিহাদী বই, চাঁদা জমা-খরচের রেজিস্ট্রার ও একটি টালিখাতা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, জামায়াতে ইসলামী গোড়াই ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড সভাপতি আরিফ হোসেন (৩৯), গোড়াই হরিপাড়া গ্রামের হাসান আলী মোল্লার ছেলে মো. মুনিরুজ্জামান (৪৬), আজগানা ইউনিয়ন জামায়াতের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন খান (৫১), বগুড়ার ধুনট উপজেলার চিথুলিয়া গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে মো. নুরুজ্জামান (৩৮) ও জয়পুরহাট জেলা সদরের সিরাজুল ইসলামের ছেলে মো. মমিনুল (৩০)।

পুলিশ জানায়, সরকারের পতন ও অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড সংগঠিত করার লক্ষ্যে জামায়াতে ইসলামী ও অন্যান্য ইসলামী সমমনা সংগঠনের ৫০/৬০ জন নেতাকর্মী সৈয়দপুর মঈননগর এলাকার আরিফ হোসেনের বাড়িতে সমবেত হয়ে সভা করছেন। এমন খবরের ভিত্তিতে মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিমের নেতৃত্বে ওই বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।

এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্যরা পালিয়ে গেলেও ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম  জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তাদের টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি আরো জানান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০১:৫২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১; আহত ৪০ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১; আহত ৪০

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় এক জন নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো ৪০ জন।

শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের কালিহাতি উপজেলার এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আমেনা বেগম (৪৫) ঘাটাইল উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়নের বাগুনটাল গ্রামের আব্দুল হামিদের স্ত্রী।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ জানায়, দুপুরে ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী একটি ট্রাক মহাসড়কের এলেঙ্গায় পৌঁছালে টাঙ্গাইলগামী একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশার সাথে সংঘর্ষ হয়। এসময় দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাকের পেছনে একে একে উত্তরবঙ্গগামী রাজদুত পরিবহন, এসআই এন্টারপ্রাইজ ও নওগাঁ ট্রাভেলস ধাক্কা দেয়। এতে তিনটি বাস ও সিএনজি চালিত অটোরিকশার চালক ও যাত্রীসহ কমপক্ষে ৪০ জন আহত হয়।

এদের মধ্যে গুরুতর  আহত দুইজনকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমেনা বেগমের মৃত্যু হয়।

এ ব্যাপারে এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ জহুরুল হক জানান, দুর্ঘটনা কবলিত যানবাহনগুলো রেকার দিয়ে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৫. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০১:১০:এএম ৪ বছর আগে
অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম রফিক আর নেই - Ekotar Kantho

অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম রফিক আর নেই

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বিশিষ্ট আইনজীবী আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম রফিক শুক্রবার(২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর। তিনি স্ত্রী ও এক কন্যাসহ অসংখ্য গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বাদ আছর বিবেকানন্দ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থানে মরহুমের লাশ দাফন করা হয়েছে।

অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম রফিক টাঙ্গাইলে প্রিয়জনদের কাছে ‘পন্ডিত রফিক’ হিসেবে সমধিক পরিচিত ছিলেন। তিনি টাঙ্গাইল জেলা ও করটিয়ার সাদত কলেজ শাখা ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। কিছুদিন সাংবাদিকতা করেছেন। পরে নিজেকে আইন পেশায় নিয়োজিত করেন।

অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম রফিকের অকাল মৃত্যুতে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কদের সিদ্দিকী বীরোত্তম ও সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান সহ বিভিন্ন সংগঠন এবং ব্যক্তি শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৪. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৩:৫৩:এএম ৪ বছর আগে
বউ চলে যাওয়ায় টাঙ্গাইলে ঘটককে কুপিয়ে হত্যা  - Ekotar Kantho

বউ চলে যাওয়ায় টাঙ্গাইলে ঘটককে কুপিয়ে হত্যা 

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বউ চলে যাওয়ায় ঘটককে কুপিয়ে হত্যা করেছে এক যুবক। নিহত ঘটকের নাম আব্দুল জলিল। তার বয়স ৬৫ বছর।

বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার দিগড় ইউনিয়নের মানাজী (মাইদারচালা) গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত মো. আলমাস (২৫) সে একই গ্রামের শহিদুলের ছেলে । পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে।

নিহতের ভাগনে আব্দুল বাছেদ জানান, মাইদারচালা গ্রামের আলমাস স্থানীয় একটি করাতকলে কাজ করেন। এর আগেও তিন বিয়ে করেছিলেন কিন্তু কোনো বউ থাকেনি।

তিনি বলেন, ‘আমার মামা আব্দুল জলিল ঘটকালীতে ২০১৯ সালে রসুলপুর ইউনিয়নের প্যাঁচার আটা গ্রামে আলমাসকে বিয়ে করিয়ে আনেন। সে ঘরে একটি কন্যাসন্তানও আছে। সেটাও ২০২১ সালে ছাড়াছাড়ি হয়। এ নিয়ে আলমাস রেগে যায় মামার ওপর।

‘সেই ক্ষোভ থেকেই যখন মামা দুপুরে নামাজ শেষে আলমাসের দাদি আয়াতন বেগমের ঘরে পান খেতে বসেন, আলমাস ঘরে ঢুকে বউ এনে দেয়ার কথা বলে কথা-কাটাকাটি শুরু করে। একপর্যায়ে ঘরে থাকা ধারালো বাগি (আনারস কাটার হাতিয়ার) দিয়ে মাথা ও গলায় কোপ দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।’

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার জানান,এ ঘটনায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত আলমাসকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ‘লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০১:০৪:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে চাচাকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ভাতিজাদের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের নাহালী দক্ষিণ পাড়া থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত আনোয়ার হোসেন (৭০) উপজেলার হাবলা ইউনিয়নের ওই গ্রামের মৃত মুহাম্মদ মিয়ার ছেলে।

নিহতের মেয়ে আনোয়ারা জানান, চাচাতো ভাইদের সাথে জমি নিয়ে এক বছরের বেশি সময় ধরে বিরোধ চলছে। গ্রামের মাতাব্বর, মেম্বাররা বসে বিষয়টি মীমাংসা করেন। বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) থেকে আব্বাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলনা। তখন সবাই মিলে খোঁজাখুজি শুরু করি। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে নয় টার দিকে গ্রামের কোচিং সেন্টারের পিছনে কলা গাছে সাদা কিছু দেখতে পাই। কাছে গিয়ে আমরা বাবার লাশ শনাক্ত করি। এটি পরিকল্পিত হত্যাকা-, আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজুর রহমান জানান, থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে। লাশ ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশ চেষ্টা করছে।

তিনি আরো জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, জমি নিয়ে শরিকদের সাথে বিরোধ চলছিল। এর জেরেই এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৩. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০১:৫০:এএম ৪ বছর আগে
কোরআন প্রতিযোগিতায় ১১১ দেশের মধ্যে তৃতীয় টাঙ্গাইলের তাকরীম - Ekotar Kantho

কোরআন প্রতিযোগিতায় ১১১ দেশের মধ্যে তৃতীয় টাঙ্গাইলের তাকরীম

একতার কণ্ঠঃ সৌদি সরকারের তত্ত্বাবধানে পবিত্র মক্কায় ৪২তম বাদশাহ আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন টাঙ্গাইলের হাফেজ সালেহ আহমাদ তাকরীম (১৩)।

হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরিম ঢাকার মারকাযু ফয়জিল কুরআন আল ইসলামী মাদরাসার শিক্ষার্থী। তার বাড়ি টাঙ্গাইলের নাগরপুর থানার ভাদ্রা গ্রামে। তার বাবা হাফেজ আব্দুর রহমান মাদরাসার শিক্ষক এবং মা গৃহিণী।

স্থানীয় সময় বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে মক্কার পবিত্র হারাম শরিফে অনুষ্ঠিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে চূড়ান্ত বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়। এসময় তৃতীয় স্থান অর্জন করা তাকরীমকে এক লাখ রিয়াল (প্রায় সাড়ে ২৭ লাখ টাকা) পুরস্কার দেয়া হয়। এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর শুরু হয় বাদশাহ আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতা। চূড়ান্ত পর্ব শেষ হয় বুধবার।

এ প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ১১১টি দেশ থেকে ১৫৩ জন অংশ নেন। চূড়ান্ত পর্বে উত্তীর্ণ ১৫ প্রতিযোগীকে ২৭ লাখ টাকা পুরস্কার দেয়া হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২২. সেপ্টেম্বর ২০২২ ১১:০৮:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কলেজছাত্রীর নগ্ন ভিডিও ফেসবুকে, সুইসাইড নোট লিখে আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কলেজছাত্রীর নগ্ন ভিডিও ফেসবুকে, সুইসাইড নোট লিখে আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ  টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে তানিয়া নামে এক কলেজছাত্রীর নগ্ন ভিডিও ফেসবুকে ছাড়ায় সুইসাইড নোট লিখে আত্মহত্যা করেছেন।বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকালে ভাতগ্রাম ইউনিয়নের সিংজুরী গ্রামে এই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে।

তানিয়া সিংজুরী গ্রামের হারুন মিয়ার মেয়ে এবং মির্জাপুর মহিলা কলেজের একাদশ শ্রেণির মানবিক বিভাগের ছাত্রী ছিল।

পারিবারিক সূত্র জানায়, একই ইউনিয়নের বুড়িহাটি গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে সুজন (২৪) প্রেমের ফাঁদে ফেলে তানিয়ার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করে। গোপনে তা ভিডিও ধারণ করে ফেসবুকে ছেড়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময় তানিয়ার কাছ থেকে প্রায় দেড় লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। এছাড়া কলেজে যাওয়া আসার পথে আরও টাকার জন্য তাকে মারধর করাসহ নানাভাবে ভয় ও হয়রানি করত তানিয়াকে। গত পনের দিন আগে ওই ভিডিওটি ‘লোকাল সাফি’ নামে একটি ফেসবুক আইডি থেকে ছেড়ে দেয়া হয়। ভিডিওটি ভাইরাল হয়ে পড়লে তানিয়া মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। এক পর্যায়ে বুধবার বিকালে তিনি সুইসাইড় নোট লেখে তাদের বসত ঘরে গলায় উড়না দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন।

এদিকে তানিয়ার আত্মহত্যার খবর জানাজানি হওয়ার পর অভিযুক্ত সুজন গা ঢাকা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

তানিয়ার বাবা হারুন মিয়া অভিযোগ করে বলেন, গত পনের দিন আগে তার মেয়ে কলেজ থেকে ফেরার পথে সিংজুরী ব্রিজের কাছে তানিয়াকে আটকিয়ে মারপিট করে সুজন। পরে খবর পেয়ে আমরা সুজনকে আটকে রাখি। ইউপি মেম্বার জাহাঙ্গীর আলম বাদশা এসে সুজনকে সর্তক করে তার বাবা-মার কাছে দিয়ে দেন। কিন্ত তারপরও সুজন তানিয়াকে নানাভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে থাকে।

জাহাঙ্গীর আলম বাদশা মেম্বারের সঙ্গে কথা হলে তিনি এই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।

তানিয়ার বড় ভাই ডিপ্লোমা প্রকৌশলী আবু তালেব অভিযোগ করে বলেন, ভিডিও ছাড়ার আগে হিলারি নামে তার দশম শ্রেণি পড়ুয়া ফুফাতো বোনের কাছে সুজন হুমকি দিয়ে এসএমএস পাঠায়। তাতে সে লেখে ‘তানি এখন বেশি বুঝল, ওর মরণ আছে’। এরপর ‘লোকাল সাফি’ আইডি থেকে ওই ডিডিও ছেড়ে দিলে তানিয়া মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং আত্মহত্যা করে। খবর পেয়ে মির্জাপুর থানা পুলিশ গিয়ে তানিয়ার মরদেহ থানায় নিয়ে আসে।

সুইসাইড় নোট: ‘আমারে তুমরা সবাই মাফ কইরা দিও, আমার জন্য তুমাগো অনেক মান সম্মান নষ্ট হইছে, আমি চাই না তুমাগো আরো মান সম্মান নষ্ট হক। তোমরা জানো না ঐতি কি কি করছে আমার সাথে। আমের জোর কইরা ধর্ষণ করছে। তারপর আমার ছবি তুইলা সেই ছবি দিয়া আমার কাছে থাইক দেড় লাখ টাকার জিনিস নিছে।’

এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানা পরিদর্শক (তদন্ত) মো. গিয়াস উদ্দিন জানান, তানিয়া নামে ওই কলেজ ছাত্রী ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। একটি সুইসাইড় নোট উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আত্মহত্যার কারণ উদঘাটন করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. ফেব্রুয়ারী ২০২৩ ০৫:০৪:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে “জিনের বাদশা” গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে “জিনের বাদশা” গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে কথিত “জিনের বাদশা” জাহাঙ্গীর হোসেন (২২) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছেন বাসাইল থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার(২০ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের দাপনাজোর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত জাহাঙ্গীর হোসেন কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া এলাকার আমীর হোসেনের ছেলে।

পুলিশ জানায়,কথিত জিনের বাদশা জাহাঙ্গীর বাসাইলের এক মেয়ের কাছে থেকে প্রতারণা করে টাকা হাতিয়ে নেয়।মেয়েটির বিয়ের পর সংসার ভেঙ্গে যায়।পরে মেয়েটি অন্য একটি ছেলের সাথে সম্পর্কে জড়ায়।সেই সম্পর্কটাও ভেঙ্গে যাওয়ার পথে।এমন অবস্থায় মেয়েটির ফেইসবুক আইডিতে কবিরাজ বাড়ি নামে একটি আইডি আসে।সেখানে যোগাযোগ করে মেয়েটি।কথিত জিনের বাদশা ছেলের সাথে সম্পর্ক ঠিক করে দিবে বলে মেয়েটির কাছে থেকে প্রথমে পাঁচ হাজার টাকা নেয়।বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে টাকা নিতে থাকে। প্রতারণা করে মেয়েটির কাছে থেকে ত্রিশ হাজার টাকা নেয়।

পুলিশ আরো জানায়, কথিত জিনের বাদশা জাহাঙ্গীর মেয়েটিকে বলে প্রেমিকের সাথে সম্পর্ক ঠিক করতে হলে নগ্ন ছবি লাগবে।মেয়েটি বিশ্বাস করে কথিত জিনের বাদশা জাহাঙ্গীরকে ছবি দেয়।পুনরায় টাকার দাবি করে, মেয়েটি টাকা দিতে না চাইলে জাহাঙ্গীর বলে তোমার প্রেমিককে জিনে বান দিয়ে মেরে ফেলবে।তোমার বিয়ে হলেও কোন সন্তান হবে না বলে জিনের বাদশা।মেয়েটিকে বিভিন্ন ভাবে ভয়ভীতি দেখাতে থাকে।মেয়েটি বুঝতে পেরে বাসাইল থানা পুলিশকে জানায়।পরে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে বাসাইল থানা পুলিশ দাপনাজোর এলাকা থেকে কথিত জিনের বাদশা জাহাঙ্গীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করে।

এ বিষয়ে বাসাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, মঙ্গলবার রাতে কথিত জিনের বাদশা জাহাঙ্গীরকে বাসাইলের দাপনাজোর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।জিনের বাদশা জাহাঙ্গীর বিভিন্ন ভাবে কম বয়সী মেয়েদের প্রলোভন দেখিয়ে টাকা হাতিয়ে নিতো।জাহাঙ্গীর তিন বছর প্রশিক্ষণ নিয়ে প্রতারণার কাজ শুরু করে।জিনের বাদশার মূল টার্গেট ছিল মেয়ে মানুষ।শুধু একজন মেয়ে না আরও তিন-চারজন মেয়ের কাছে থেকে বিভিন্ন কাজের নাম করে বিকাশের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেয় কথিত জিনের বাদশা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৭:২৩:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তন

একতার কণ্ঠঃ গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে করায় ব্লেড দিয়ে স্বামীর গোপনাঙ্গ কর্তনের অভিযোগ উঠেছে বড় বউ মনোয়ারার বিরুদ্ধে। আহত স্বামীর অবস্থা আশঙ্কা জনক হওয়ায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আহত আমিনুল ইসলাম (৩৫) টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার গোহাইলবাড়ি এলাকার সালাম মিয়ার ছেলে।

শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে পার্শ্ববর্তী শ্রীপুর উপজেলার মাওনা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আমিনুল ইসলাম পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি। কিছুদিন যাবত সে বড় বউ নিয়ে শ্রীপুর উপজেলার মাওনা এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। আমিনুল ইসলাম গোপনে কালিহাতী উপজেলার বানিয়া গ্রামে দ্বিতীয় বিয়ে করেন।

এ ঘটনা বড় বউ জানতে পারলে ক্ষিপ্ত হয় এবং রাতে তাদের উভয়ের মধ্যে প্রচণ্ড ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষ শান্ত হয়ে রাতে ঘুমিয়ে পড়লে কৌশলে ধারালো ব্লেড দিয়ে স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে ফেলে বড় বউ। এতে প্রচুর রক্তক্ষরণ হলে আমিনুলকে উদ্ধার করে প্রথমে তাকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে কর্তব্যরত চিকিৎসক টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রেফার করেন। পরে অবস্থা আশঙ্কাজন হওয়ায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রেজাউল ইসলাম জানান, এ বিষয়ে থানায় এখনো কেউ কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৪:০২:এএম ৪ বছর আগে
খেলা দেখতে পারেননি কৃষ্ণার মা “নমিতা রাণী” - Ekotar Kantho

খেলা দেখতে পারেননি কৃষ্ণার মা “নমিতা রাণী”

একতার কণ্ঠঃ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশের মেয়েরা। তাদের জয়ে উল্লাসে মেতে উঠেছে গোটা বাংলাদেশ। টাঙ্গাইলের গোপালপুরের নিভৃত গ্রামে বসে সে উল্লাস সবচেয়ে বেশি উপভোগ করেছেন নমিতা রাণী সরকার। তিনি জাতীয় নারী ফুটবল দলের স্ট্রাইকার কৃষ্ণা রাণী সরকারের মা।

বাংলাদেশের জয়ে জোড়া গোল করেন কৃষ্ণা।

তবে দুঃখের বিষয় বিদ্যুৎ না থাকায় খেলা দেখতে পারেননি কৃষ্ণার মা। খেলা শেষ হয়ে যাওয়ার পর প্রতিবেশীদের মুখ থেকে শুনেছেন মেয়েদের হিমালয় জয়ের কথা।

যোগাযোগ করা হলে সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে কৃষ্ণর মা বলেন , সারদিন উদ্বিগ্ন ছিলাম। বিদ্যুৎ না থাকায় খেলা দেখতে পারি নাই। তবে পরে জানতে পারি আমার মেয়েরা জিতেছে। আমি দেশবাসীর কাছে তাদের জন্য দোয়া চাই।

নমিতা রাণী সরকার আরো বলেন, আমার মেয়ের ফুটবল খেলা নিয়ে যারা একসময় কটাক্ষ করত, তারাই এখন এসেছে অভিনন্দন জানাতে। এ অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো না।

সোমবার কৃষ্ণা রাণী সরকারের জোড়া গোলে স্বাগতিক নেপালের বিপক্ষে ৩-১ গোলের জয়ে সাফে চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। হিমালয় কন্যাদের হারিয়ে প্রথমবারের মতো ফাইনাল জিতে ইতিহাস গড়েন সাবিনা-শামসুন্নাহাররা।

উল্লেখ্য, কৃষ্ণা রাণীর জন্ম টাঙ্গাইলের গোপালপুরে ১ জানুয়ারী ২০০১ সালে। তিনি  বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা  ফুটবল দলের নিয়মিত খেলোয়ার। কৃষ্ণা বসুন্ধরা কিংস মহিলা দল ও বাংলাদশ মহিলা জাতীয় ফুটবল দলের হয়ে ফরোয়ার্ড হিসাবে খেলেন। পূর্বে, তিনি বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৬ দল এবং গোপালপুর সুতি ভি এম. পাইলট মডেল হাইস্কুল ও টাঙ্গাইল জেলা দলের হয়ে খেলেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২০. সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৩:৪০:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।