একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় মারধরের শিকার হয়েছেন এক শিক্ষক।
বুধবার (২ নভেম্বর) সকাল পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার ডুবাইল ইউনিয়নের বর্ণি গ্রামের এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযাগ সূত্রে জানা গেছে, ডুবাইল ইউনিয়নের বর্ণি সুফিয়া ওমর উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ৬ মাস ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছিল একই বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্র আব্দুর রহমান দেওয়ান।
ঘটনাটি ওই ছাত্রী তার বাবা একই স্কুলের ধর্মবিষয়ক শিক্ষক লুৎফর রহমান শেখকে জানায়। পরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু কর্তৃপক্ষের চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
বুধবার মোটরসাইকেলে করে মেয়েকে নিয়ে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে হামলার শিকার হন শিক্ষক লুৎফর রহমান শেখ। হামলাকারী অভিযুক্ত আব্দুর রহমান ও তার সঙ্গীরা মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে লুৎফর রহমান ও তার মেয়েকে নামিয়ে লাঠি ও জুতা দিয়ে বেদম মারধর করে।
দেলদুয়ার থানার ওসি মো. নাছির উদ্দিন মৃধা বলেন, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
একতার কণ্ঠঃ চাকরি স্থায়ীকরণসহ ১৪ দফা দাবিতে টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. মো. ফরহাদ হোসেনকে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীরা।
বুধবার (০৩ নভেম্বর) সকাল সোয়া ৯টা থেকে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত উপচার্য অবরুদ্ধ রয়েছেন।
তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী সমিতির সভাপতি এসএম মাহফুজুর রহমান জানান, তৃতীয় শ্রেণির ২২ জন কর্মচারী তিন বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে কাজ করছেন।
সম্প্রতি ১৫টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। তাদের দাবি, ১৫টি পদের বিপরীতে এডহক ভিত্তিতে নিয়োজিত ২২ জনকে নিয়োগ দেওয়া হোক।
কিন্তু উপাচার্য এ দাবি মানছেন না। তাই তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী সমিতির পক্ষ থেকে বুধবার সকাল সোয়া ৯টা থেকে ভিসির কার্যালয়ের সামনে অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
ভিসি প্রফেসর ড. মো. ফরহাদ হোসেন জানান, ২০১৯ সালে তৎকালীন ভিসি তৃতীয় শ্রেণির ২২ জন কর্মচারীকে এডহক ভিত্তিতে নিয়োগ দিয়ে গেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন থেকে দুই দফায় ১৫টি পদের অনুমোদন পাওয়া গেছে। ওই ১৫ পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। এসময় কর্মচারী সমিতির পক্ষ থেকে কিছু দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। তারা ১৫ পদের বিপরীতে ২২ জনকে নিয়োগ দেওয়ার দাবি তুলেছেন। তারা কোনো লিখিত পরীক্ষা ছাড়া শুধু মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের চাকরি স্থায়ী করার দাবিও করছেন। এ দাবিতে বুধবার সকাল থেকে তাকে (ভিসি) অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ তাদের সঙ্গে কয়েক দফা কথা বলেছেন। কিন্তু তারা তাদের দাবিতে অনড়।
তিনি আরও জানান, আরও সাতটি পদ বাড়াতে তিনি ইউজিসির চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি পদ বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন।
তালাবদ্ধ করে রেখে উপচার্যের ব্যক্তিস্বাধীনতা হনন করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে গর্ভবতী ফাতেমা আক্তার (৩৫) লাশ উদ্বার করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ। বুধবার (২ নভেম্বর) সকালে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের দক্ষিন সহবতপুর গ্রাম থেকে নিখোঁজের ৬ দিন পর ঝুলন্ত অবস্থায় তার অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়।
মৃত ফাতেমা আক্তার সহবতপুর গ্রামের মৃত সমাজ মিয়ার ৩য় কন্যা।
পবিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ফাতেমার বিয়ের কয়েক বছর পর সন্তান সহ ১ম স্বামী আলীম, ফাতেমাকে তালাক দেয়। ফাতেমা সংসারের অভাবের তারনায় সৌদি পাড়ি দেন। টানা ৫ বছর প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরত আসে। পরে ফাতেমা ঢাকায় একটি গার্মেন্টসে চাকরী নেন। চাকুরী সুবাদে ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার মো. আরশেদ আলীর ছেলে রুবেল মিয়া সাথে প্রথমে প্রেম পরে বিয়ে হয়। বিয়ের প্রায় ২ মাস পর রুবেলের ছোট ভাই শামীমের সাথে পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়ে ফাতেমা। পরে রুবেলকে তালাক দিয়ে ছোট ভাই শামীমকে বিয়ে করে সাত মাস ধরে ঘর সংসার করে আসছিল। এরই মধ্যে চার মাসের অন্তঃসত্তা হয়ে পড়ে ফাতেমা।
গত (২৭ অক্টোবর) বৃহস্পতিবার স্বামীসহ ফাতেমা তার বাবার বাড়ী সহবতপুর আসেন। পরের দিন সকালে স্বামী শামীম ঘুম থেকে উঠে তার স্ত্রী ফাতেমাকে আর খোঁজে পান না। ফাতেমার বাড়ীর লোকজন স্বামী শামীমকে চাপ সৃষ্টি করলে শামীম কোন কিছু উত্তর না দিয়ে পালিয়ে ঢাকা চলে যায়। নিহত ফাতেমার বাড়ীর লোকজন শামীমের মোবাইল ফোনে যোগযোগ করলে শামীম নানা রকম কথা বার্তা বলে। নিখোঁজের ৬ দিন পর বাড়ির পাশ থেকে মাটি আনতে গিয়ে ঝোপের মধ্যে ফাতেমার ঝুলান্ত লাশ দেখতে পান চাচাতো ভাবি পারুল।
নাগরপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (তদন্ত) হাসান সরকার জাহিদ বলেন, সংবাদ পেয়ে লাশ উদ্বার করে ময়নাতদন্ত জন্য টাঙ্গাইল সদর হাসাপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। রিপোর্ট পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে গৌরাঙ্গ সরকার (৫২) নামের এক প্রধান শিক্ষককে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে হাতীবান্ধা মহিষডাঙ্গা নিজ এলাকা থেকে আটক করেছে সখীপুর থানা পুলিশ।
তিনি উপজেলার হাতীবান্ধা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।
বিদ্যালয়ের সভাপতি জোসনা সরকার বুধবার (২ নভেম্বর)ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গৌরাঙ্গের বিচার ও বদলি চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও শিক্ষা অফিসার বরাবর অভিযোগ করেন।
এলাকাবাসী ও মেয়েটির পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার( ২৭ অক্টোবর)স্কুল ছুটির পর একটি কক্ষে ওই শিক্ষক পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্রীকে (১১) কৌশলে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করার চেষ্টা করে। ওই শিক্ষার্থী উচ্চস্বরে চিৎকার করলে তাকে ছেড়ে দেয় প্রধান শিক্ষক। পরে বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য এ সময় ওই শিক্ষার্থীকে হুমকি দেয়। শিক্ষার্থী ভয়ে দুইদিন কিছু না বললেও পরবর্তীতে গত রবিবার(৩১ অক্টোবর) তার পরিবারের কাছে সবকিছু প্রকাশ করে। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
স্কুল ম্যানেজিং কমিটির বিদ্যুৎসাহী সদস্য নিপেন মজুমদার জানান, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক ছাত্রীর শ্লীলতাহানি প্রমাণ রয়েছে। লজ্জায় শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা গোপন রেখেছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার সরকার জানান, ঘটনাটি খুবই ন্যাক্কারজনক। অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তিনি।
বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি জোসনা সরকার জানান, ওই শিক্ষকের অসভ্যতার কারণে দিনদিন শিক্ষার্থী কমে যাচ্ছে। বিদ্যালয়ের মান ক্ষুন্ন হচ্ছে। তিনি তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার রাফিউল ইসলাম লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে জানান, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের পর শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রেজাউল করিম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ওই শিক্ষার্থীর চাচা বলাই বাদ্যকরের অভিযোগ পেয়ে ওই শিক্ষককে আটক করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ হাসানুজ্জামিল শাহীন টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি ও ফরহাদ ইকবাল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
মঙ্গলবার(১ নভেম্বর) জেলা বিএনপির সম্মেলন শেষে দ্বিতীয় অধিবেশনে কাউন্সিলররা গোপন ব্যালটের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করেন।
রাত নয়টায় ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন। এতে সভাপতি পদে হাসানুজ্জামিল ১ হাজার ৩৮২ ভোট পেয়েছেন।
তাঁর অপর দুই প্রতিদ্বন্দ্বী আলী ইমাম তপন ৫৮৭ ভোট ও ছাইদুল হক ৭৭ ভোট পান।
সাধারণ সম্পাদক পদে ফরহাদ ইকবাল ১ হাজার ২৬০ ভোট এবং তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী মাহমুদুল হক সানু ৭৯১ ভোট পেয়েছেন।
নির্বাচনে ২ হাজার ১১৫ জন কাউন্সিলর ভোট দেন। মোট ভোটার ছিলেন ২ হাজার ৩২৩ জন।
এর আগে মঙ্গলবার সকালে শহরের পশ্চিম আকুর টাকুরপাড়া ঈদগাহ মাঠে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আহমেদ আযম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির হোসেন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল কালাম আজাদ, ফকরি মাহবুব আনাম, কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন প্রমুখ।
এতে লন্ডন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
প্রায় ১৩ বছর পর সরাসরি ভোটের মাধ্যমে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির নেতৃত্ব নির্বাচন করা হলো। সর্বশেষ সম্মেলন হয়েছিল ২০০৯ সালে। এরপর তিন দফা দলটির জেলা কমিটি গঠন করা হয়েছে সম্মেলন ছাড়া।
সর্বশেষ গত ৩ আগস্ট আহমেদ আযম খানকে আহ্বায়ক করে জেলা বিএনপির কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটি সব উপজেলা ও পৌরসভার সম্মেলন শেষ করে জেলা সম্মেলনের আয়োজন করে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে আমির হামজা (২৫) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার(১ নভেম্বর) সকালে উপজেলার কালিয়া পশ্চিম ঘোনারচালা এলাকায় নিজ ঘর থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
তিনি ওই এলাকার আবদুস সাত্তারের ছেলে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, হামজা মাদকসেবী ছিলেন। তিনি মাদকের জন্য নিয়মিত তাঁর মায়ের কাছে টাকা দাবি করত। মঙ্গলবার সকালেও টাকা চাইলে মা তাঁকে টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানান।
পরে হামজা অভিমান করে ঘরের দরজা বন্ধ করে শুয়ে পড়েন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাঁকে ডাকলে সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ঘরে ঢোকেন পরিবারের সদস্যরা। এ সময় তাঁকে ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায়।
এ বিষয়ে সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মজিবুর রহমান জানান, পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মর্গে পাঠিয়েছে। জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে ছেলেটি মাদকসেবী ছিল।
একতার কণ্ঠঃ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাস বলেছেন, নিশিরাতের সরকারের সহযোগী বর্তমান ইসির অধিনে আর কোন নির্বাচন হবে না। গাইবান্ধা মার্কা নির্বাচন বাংলাদেশে আর হতে দেয়া হবে না। একটি নিরপেক্ষ সরকার ও ইলেকশন কমিশনের অধিনে বিএনপি নির্বাচনে যাবে, এর বাইরে কোন বিকল্প নেই। মঙ্গলবার(১ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলের পশ্চিম আকুরটাকুর পাড়া্ ঈদগাহ মাঠে জেলা বিএনপির ক্রি-বার্ষিক সম্মেলেন প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি বলেন, বর্তমান সরকার একটি লুটেরা সরকার, দুর্ভিক্ষের সকরকার, ডাকাত সরকার। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন ২০২৩ সালে দুর্ভিক্ষ হবে। দুর্ভিক্ষ মোকাবিলার আগেই দেশের জনগন এই সরকারের পতন ঘটাবে।।মির্জা আব্বাস আরো বলেন, গণতন্ত্র দিয়েছিলো শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউরর রহমান, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছেন বেগম খালেদা জিয়া। আর গণতন্ত্র হত্যা করেছেন শেখ হাসিনা।
টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহবায়ক এডভোকেট আহমেদ আযম খানের সভাপতিত্বে সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস ছালাম আজাদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহমেদ টিটু, শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী,কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, নির্বাহী কমিটির সদস্য ফকির মাহবুব আনাম স্বপন, ওবাইদুল হক নাসির প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, দীর্ঘ প্রায় ১৩ বছর পর টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সম্মেলনে সরসরি ভোটের মাধ্যমে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচনের কথা রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে গভীর রাতে ফিল্মি কায়দায় বিদ্যালয়ে ঢুকে প্রশ্ন চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়েছে দশম শ্রেণির এক ছাত্রী। শনিবার (২৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১টার দিকে ভূঞাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
পরে ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মহিউদ্দিন, সহকারী প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহীম, শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন, মহিউদ্দিন ওরফে মনির এবং ওই ছাত্রীর মা বিদ্যালয়ে গিয়ে তাকে নিয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ওই ছাত্রী তার বান্ধবী ভূঞাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীসহ আরও দুই ছেলে বন্ধুর সহায়তায় এসএসসির টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র চুরি করার জন্য শনিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে ভূঞাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের দেয়াল টপকে ভেতরে প্রবেশ করে। সে আগে থেকে বানানো তালার চাবি দিয়ে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে প্রবেশ করে একেক করে কয়েকটি আলমারির তালা ভাঙতে থাকে। এ সময় পাশের রুমে থাকা নাইটগার্ড ফজলু তালা ভাঙার শব্দ শুনে ভেতরে গিয়ে ওই ছাত্রীর হাতে ছুরি দেখতে পান। এ সময় ওই ছাত্রী নাইটগার্ডকে ফাঁসানোর ভয় দেখায়। একপর্যায়ে তাকে ছেড়ে দেওয়ার আশ্বাসে নাইটগার্ড বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লাল মাহমুদের বাসায় নিয়ে যান। পরে সেখানে মেয়েটি ঘটনার বিস্তারিত বলে। পরে মানবিক বিবেচনায় রাতেই প্রধান শিক্ষক ওই ছাত্রীর মা ও ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মহিউদ্দিনকে বিষয়টি জানালে তারা বিদ্যালয়ে এসে মেয়েটিকে নিয়ে যান।
ভূঞাপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. লাল মাহমুদ জানান, প্রশ্নপত্র চুরি করে বিক্রির জন্য ছেলেদের পোশাক পড়ে গভীর রাতে বিদ্যালয়ের দেয়াল টপকে ভেতরে প্রবেশ করে ওই ছাত্রী। তবে পূর্বেই ফিল্মি স্টাইলে বিদ্যালয়ের তালা-চাবির ছবি তুলে তালা খোলার জন্য আলাদা চাবি বানিয়ে কক্ষে প্রবেশ করে সে। পরে কক্ষের ভেতরে কয়েকটি আলমারির তালা নষ্ট করে। পরে নাইটগার্ড শব্দ পেয়ে ভেতরে গিয়ে তাকে ছুরিসহ হাতেনাতে আটক করে। সে আমাদের জানিয়েছে এসএসসির টেস্ট পরীক্ষার প্রশ্ন চুরি করে বন্ধুদের কাছে বিক্রি করবে। পরে মানবিক কারণে তাকে স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও তার মাকে জানানো হলে তারা বিদ্যালয়ের এসে মেয়েকে নিয়ে যায়।
তিনি আরও বলেন, এই কাজে জড়িত থাকার দায়ে আমাদের বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে বিদ্যালয় থেকে ট্রান্সফার সার্টিফিকেট (টিসি) দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মহীউদ্দিন বলেন, এ বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে প্রশ্ন চুরির ঘটনা জানি না। জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভূঞাপুর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি মোছা. ইশরাত জাহান বলেন, ঘটনাটি জেনেছি। তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে খাওয়ার ওষুধ মনে করে বিষ পানে শতবছর বয়সী চান মাহমুদ নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (৩০ অক্টোবর) সকালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
তার বাড়ি উপজেলার বহেড়াতৈল ইউনিয়নের গিলারচালা গ্রামে। এ ঘটনায় সখীপুর থানায় অপমৃত্যুর একটি মামলা হয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২৯ অক্টোবর) বৃদ্ধ চান মাহমুদ দুপুরের খাবারের পর নিজের খাওয়ার ওষুধ মনে করে ভুলক্রমে ঘরে রাখা ঘাস মারার বিষ পান করে ফেলেন। পরে তিনি অসুস্থবোধ করলে মেয়েকে ডেকে বলে ‘ দেখত মা ইডা আমি কি খাইলাম ।’ প্রথমে তাকে সখীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার সকালে তার মৃত্য হয়।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান, এঘটনায় সখীপুর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। ওই বৃদ্ধের লাশ ময়নাতদন্ত করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রাপ্ত এক আসামীকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবি (দক্ষিণ)। রবিবার (৩০ অক্টোবর) টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাতুলি ইউনিয়নের আলোকদিয়া গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত শহিদুল ইসলাম টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাতুলি ইউনিয়নের আলোকদিয়া গ্রামের বিদেশী মোল্লার ছেলে।
জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবি (দক্ষিন)ওসি হেলাল উদ্দিন জানান , টাঙ্গাইল জেলা গোয়েন্দা শাখা কর্তৃক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে টাঙ্গাইল সদর থানাধীন আলোকদিয়া এলাকা হতে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রাপ্ত ওয়ারেন্ট ভুক্ত জিআর মূলে ১ জন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়।
তিনি আরো জানান,গ্রেফতারকৃত আসামীকে বিচারর্থে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে টাঙ্গাইল শহরের রাবনা বাইপাসে শনিবার(২৯ অক্টোবর) রাতে অভিযান চালিয়ে ১১৯ বোতল ফেনসিডিল সহ দুই কিশোরকে আটক করেছে র্যাব।
রবিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে র্যাব-১২ এক প্রেসবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
আটককৃত কিশোরদ্বয় হচ্ছেন- ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর থানার মারাধার গ্রামের এজাবুল ইসলামের ছেলে মো. বায়োজিদ(১৬) ও একই এলাকার মৃত শাহিন ইসলামের ছেলে মো. সবুজ ইসলাম(১৪)।
তারা ঠাকুরগাঁও জেলা শহরের ২ নম্বর ওয়ার্ডের আসলামপাড়া এলাকায় ভাড়া থাকতেন।
র্যাব-১২ জানায়, গোপনে খবর পেয়ে সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সিনিয়র এএসপি মো. এরশাদুর রহমানের নেতৃত্বে একদল র্যাব সদস্য শনিবার রাতে টাঙ্গাইল শহরের রাবনা বাইপাসে একটি সিএনজি পাম্পের পাশে অভিযান চালায়।
অভিযানে ১১৯ বোতল বিক্রি নিষিদ্ধ ভারতীয় ফেনসিডিল সহ উল্লেখিত কিশোরদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুইটি মোবাইলও জব্দ করা হয়।
র্যাব-১২ আরও জানায়, আটককৃত কিশোরদের নামে টাঙ্গাইল সদর থানায় মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে নেশা করতে বাধা দেওয়ায় সুলতান হোসেন স্বপন(৫৫) নামে এক ব্যক্তিকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে মাদকাসক্তরা। এ ঘটনায় আজমির হোসেন(২৫) নামে আরও এক জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার(২৯ অক্টোবর) দিনগত রাতে নাগরপুরের গয়হাটা ইউনিয়নের ঘুনি সিংজোড়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত সুলতান হোসেন স্বপন নাগরপুর উপজেলার গয়হাটা ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামের মৃত আব্দুল হামিদের ছেলে।
পুলিশ জানায়, স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে শনিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় যুবক রানা, আলি, সোলাইমান ও আনোয়ারসহ কয়েক যুবক মিলে গাজা সেবন করছিল। বিষয়টি স্বপন তাদের আভিভাবকদের জানায়। এক পর্যায়ে স্বপন সিংজোড়া বাজারের বাসু মিয়ার চায়ের দোকানে গেলে মাদকাসক্তরা তাকে ছুরিকাঘাত করে।
এসময় ওই দোকানে থাকা আজমির বাধা দিলে তাকেও ছুরিকাঘাত করে মাদকাসক্তরা পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাদের দুজনকে উদ্ধার করে নাগরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক স্বপনকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত আজমিরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) সাজ্জাদ হোসেন জানান, হত্যার ঘটনায় সুলতান হোসেন স্বপনের আত্মীয়রা মামলার প্রস্তুতি নিয়েছেন। এ ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।