/ হোম / আমাদের টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির মতবিনিময় সভা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির মতবিনিময় সভা

একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি টাঙ্গাইল জেলা শাখার আয়োজনে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৯অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি ভবনে এই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি মোঃ সহিনুর রহমান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোঃ আবুল কাসেম।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটি’র যুগ্ম সম্পাদক মোঃ মফিজুর রহমান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হাজী মুহাঃ সাজ্জাদুর রহমান খোশনবীশ।

টাঙ্গাইল জেলার প্রাথমিক শিক্ষক নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন জেলার উপজেলা সমূহ থেকে আগত বিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ।

এর আগে বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোঃ আবুল কাসেম টাঙ্গাইল এসে পৌঁছুলে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানোর মধ্য দিয়ে তাঁকে বরণকরে নেন টাঙ্গাইলের প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. অক্টোবর ২০২২ ০৩:০৮:এএম ৪ বছর আগে
ভূঞাপুরে আ’লীগের বর্ধিত সভাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের হাতাহাতি - Ekotar Kantho

ভূঞাপুরে আ’লীগের বর্ধিত সভাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের হাতাহাতি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে এমপির সামনেই দুই পক্ষের হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহতও হয় বলে জানিয়েছেন উপস্থিত নেতাকর্মীরা। এ ঘটনার পর উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে বর্ধিত সভা স্থগিত করেছে জেলা থেকে আসা নেতৃবৃন্দ।

শনিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে বর্ধিত সভায় এ ঘটনা ঘটে। এ খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

অন্যদিকে, দলীয় কার্যালয় বন্ধসহ পৌর শহরে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। একইসাথে দু’পক্ষের নেতাকর্মীরা সভাস্থল ত্যাগ করে। এমপি ও মেয়র দুই পক্ষের অনাকাঙ্ক্ষিত বিশৃঙ্খলা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে ভূঞাপুর থানা পুলিশ।

উপজেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতাকর্মী জানান, আগামী ৭ নভেম্বর টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সম্মেলনকে কেন্দ্র করে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বর্ধিত সভা করে আসছেন জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার দুপুরে দলীয় কার্যালয়ে বর্ধিত সভার আয়োজন করে ভূঞাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ।

এ বর্ধিত সভায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র মাসুদুল হক মাসুদহ তার অনুসারী এবং বহিষ্কৃত নেতাকর্মীদের নিয়ে সভা শুরু করেন। সভা চলাকালীন স্থানীয় সংসদ সদস্য ছোট মনির অনুসারী উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ সভায় প্রবেশ করলে তার সামনে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের তর্কবিতর্ক হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে এমপি ও মেয়র পক্ষের নেতাকর্মীরা পাল্টাপাল্টি বিক্ষোভ ও মিছিল প্রদর্শন করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

এ ঘটনায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র মাসুদুল হক মাসুদ জানান, আমরা আগামী ৭ নভেম্বর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনকে সামনে রেখে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে দলীয় কার্যালয়ে বর্ধিত সভা শুরু করি। সভা শুরুকালে এমপি মহোদয় সভাস্থলে প্রবেশ করলে আমি তাকে বসতে আহ্বান জানাই।

তিনি আরও জানান, সে সময় তিনি না বসে আমাকে পাশ কাটিয়ে সভাস্থল ত্যাগ করাকালে তার সাথে আসা কিছু নেতাকর্মী হঠাৎ করে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। পরে আমরা সভাস্থল ত্যাগ করে চলে আসি।

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনের সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় উপজেলা ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে প্রবেশ করলে বসার জায়গা না থাকায় সভাস্থলে কর্মীদের মাঝে ক্ষোভ থেকে হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। পরে জেলার নেতৃবৃন্দ বর্ধিত সভা স্থগিত ঘোষণা করেন।

অপরদিকে, উপজেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় দু’পক্ষের হাতাহাতির ঘটনায় ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, উভয়পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। তবে এ ঘটনায় কেউ অভিযোগ করেননি। এছাড়া ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. অক্টোবর ২০২২ ০১:২৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ঘোড়ার গাড়িকে চাপা দিলো বাস, নিহত ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ঘোড়ার গাড়িকে চাপা দিলো বাস, নিহত ২

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে দ্রুত গতির বাস চাপায় ঘোড়ার গাড়ির দুই আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো দুই জন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৮ অক্টোবর) সকালে ঢাকা- টাঙ্গাইল – বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের কালিহাতী উপজেলার হাতিয়া ১২ নম্বর সেতুর কাছে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার মালিহাটা গ্রামের বাবলু পোদ্দার (৬৫) ও শাহজানপুর উপজেলার পোয়ালগাথা গ্রামের ইউনুস আলী (৫৫)। নিহতরা জামালপুর থেকে ঘোড়া কিনে বগুড়ায় ফিরছিলেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, হতাহতরা জামালপুরের একটি হাট থেকে ঘোড়া কিনে বাড়িতে যাচ্ছিলেন। ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের হাতিয়া এলাকার ১২ নম্বর সেতু পাড় হওয়ার সময় ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস তাদের বহনকারী ঘোড়ার গাড়িকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন নিহত হন। এ ঘটনায় আহত দুইজনকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতদের মরদেহ বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানায় রয়েছে।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার এসআই মো. নাজমুল হাসান বলেন, ‘নিহতদের লাশ আইনী প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। যাত্রীবাহী বাসটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. নভেম্বর ২০২২ ০৮:২৯:পিএম ৪ বছর আগে
নানা বাড়ি বেড়াতে এসে নদীতে ডুবে ভারতীয় কিশোরের মৃত্যু - Ekotar Kantho

নানা বাড়ি বেড়াতে এসে নদীতে ডুবে ভারতীয় কিশোরের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পৌলি ঘোষপাড়ায় নানা বাড়ি বেড়াতে এসে নদীতে গোসল করতে নেমে দ্বীপ ঘোষ(১৪) নামে এক ভারতীয় কিশোরের পানিতে ডুবে করুন মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) সকালে উপজেলার পৌলি নদীতে পৌলি ঘোষপাড়া শ্মশান ঘাটে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত কিশোর ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশের জলপাইগুড়ি জেলার ফাটাকাটা গ্রামের প্রকাশ ঘোষের একমাত্র ছেলে ও কালিহাতী উপজেলার পৌলি ঘোষপাড়া এলাকার যতীন ঘোষের নাতি।

স্থানীয় সুবল ঘোষ জানান, দীর্ঘদিন পর মায়ের সাথে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে সমবয়সী ছেলেদের সাথে পৌলি নদীতে গোসলে নামে দ্বীপ। একপর্যায়ে ড্রেজার দিয়ে মাটি কাটার খাদে তলিয়ে যায়। অনেক খোঁজাখুজি করে না পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়। খবর পেয়ে দায়িত্বরত ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবরী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ৪০ মিনিট উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে দিপকে উদ্ধার করে। স্থানীয়রা টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস ডিফেন্সের ইনচার্জ মো. মিজানুর রহমান জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে নিখোঁজ দ্বীপকে উদ্ধার করা হয়। পরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অক্টোবর ২০২২ ১০:৫০:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্র নিহত,আহত ৩ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্র নিহত,আহত ৩

একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে প্রাইভেট পড়তে এসে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরাঘুরি করতে গিয়ে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মো. লিটন (১৫) নামে এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) সকালে উপজেলার ফলদা ইউনিয়নের ফলদা ঘোনাপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় মোটরসাইকেল চালকসহ তার দুই বন্ধু ও এক পথচারী গুরুতর আহত হয়েছে।

নিহত লিটন গোপালপুর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের জোতআতাউল্ল্যা গ্রামের আয়নাল হকের ছেলে ও ফলদা রামসুন্দর উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র।

আহত দুই বন্ধু একই গ্রামের জহির উদ্দিনের ছেলে মারুফ (১৫), খলিলুর রহমানের ছেলে শাওন (১৫) ও পথচারী ফলদা ঘোনাপাড়া হাজী আবুল হোসেনের ছেলে জয়নাল আবেদীন (৪৫)।

এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, সকালে বাড়ি থেকে তিনবন্ধু মোটরসাইকেল নিয়ে ওই এলাকায় একই স্কুল শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়তে আসে। তারা কোচিংয়ে বই রেখে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হয়। পথিমধ্যে রাস্তায় এক পথচারীর সাথে ধাক্কা লেগে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে গাছের সাথে ধাক্কা লাগে। এতে চারজনই গুরুতর আহত হয়।

স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে আহত চার জনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে মোটরসাইকেল আরোহী স্কুল ছাত্র লিটনকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে‌।

তিনি আরো জানান, আশঙ্কাজনক অবস্থায় তার বন্ধু মারুফ ও পথচারীকে জয়নাল আবেদীনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। অপর সহপাঠী শাওন স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন। নিহত লিটনের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অক্টোবর ২০২২ ০৭:৫৭:পিএম ৪ বছর আগে
ভোটে হেরে টাকা ফেরত চেয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস; তদন্তে নির্বাচন কমিশন - Ekotar Kantho

ভোটে হেরে টাকা ফেরত চেয়ে ফেসবুকে স্ট্যাটাস; তদন্তে নির্বাচন কমিশন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে ভোটে পরাজিত হয়ে বিতরণকৃত টাকা ফেরত চেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার ঘটনায় জেলায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

ভোট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা নিয়ে ভোট না দেওয়ায় জেলা পরিষদ নির্বাচনে হেরে যান বাসাইল উপজেলার সদস্য প্রার্থী রফিকুল ইসলাম। তবে ভোট সংগ্রহ করতে ভোটারদের টাকা বিতরণের ঘটনা জানেনা জেলা নির্বাচন অফিস। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসার পর তারা বিষয়টি জেনেছেন।

টাঙ্গাইল জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এএইচ কামরুল হাসান জানান, নির্বাচনের দুইদিন পরে একজন পরাজিত প্রার্থী টাকা ফেরত চেয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

তিনি আরো জানান, বিষয়টি আমরা নির্বাচন কমিশনকে অবগত করি। রবিবার (২৩ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশন ঘটনাটি তদন্তের জন্য জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গনিকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য বলেছেন। বর্তমানে বাসাইল উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বিষয়টি তদন্ত করছেন।

এ দিকে রফিকুল ইসলাম পরাজিত হয়ে ফেসবুকে লিখেছিলেন, জেলা পরিষদ নির্বাচন (বাসাইল) সদস্য-১১। আমরা চারজন প্রার্থী ছিলাম। ভোটার দিল ৯৪ জন। দিন শেষে জানা গেল, প্রত্যেক প্রার্থী ৫০ থেকে ৬০ জন ভোটারকে টাকা দিয়েছে।

তার মধ্যে আমাকে ৬০ জন ভোটার কথা দিলেও এর মধ্যে কম বেশি ৫৫ জন ভোটার আমার কাছ থেকে টাকা গ্রহণ করলো।

ভোট দিল মাত্র ৭ জনে। এই হলো ভোটারদের আসল চরিত্র। পৃথিবীর সব কিছুই একবার দেখলে চেনা যায়, শুরু মানুষ বাদে। আমাকে যারা ভোট দেননি মনে হয় আপনাদের নামের তালিকা হওয়ার আগে আমার টাকা ফেরত দেওয়া উচিত।

আপনারা না জনপ্রতিনিধি? ভোট আপনি যাকে খুশি তাকে দেন, এটা আপনাদের অধিকার, তাই বলে টাকা নিবেন চার জনের কাছ থেকে ভোট দিবেন একজনকে। এটা কেমন চরিত্র আপনাদের? আপনাদের কাছ থেকে আপনার এলাকার জনগণ কি সেবা পেতে পারে।

আল্লাহ তুমি আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করো “মানুষ হওয়ার তৌফিক দান করো”। তার এই স্ট্যাটাস মহুর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়।

যারা টাকা নিয়েছিলন সেই ভোটাররা তাদের নাম প্রকাশ না করার জন্য তাকে অনুরোধ করতে থাকেন। প্রায় বেশির ভাগ ভোটার তাদের গ্রহণহণকৃত টাকা ফেরত দিয়েছে বলে জানা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রফিকুল ইসলাম উপজেলার ফুলকি ইউপির ৮জন, হাবলা ইউপির ৫, পৌরসভার ৫, সদর ইউপির ১১, কাউলজানী ইউপির ৯, কাঞ্চনপুর ইউপির ৫ ও কাশিল ইউপির ৭ জনের প্রত্যেকজনকে ১০ থেকে ৩০ হাজার টাকা করে সর্বমোট ১০ লাখ টাকা বিতরণ করেছিলেন।

এ বিষয়ে পরাজিত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জানান, ভোটাররাই একা দেখা করার কথা বলে বিভিন্ন পরিমাণের টাকা দাবি করে আসছিলেন। তাই নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার লোভে পরে ভোটারদের মাঝে টাকা বিতরণ করেছিলাম।

তিনি আরো জানান, ভোটে হেরে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে খুব ঝামেলার মধ্যে রয়েছি। ঘটনা জানতে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সোমবার (২৪ অক্টোবর) তার অফিসে ডেকেছিলেন। যা সত্য আমি তাই বলে দিয়েছি।

এ বিষয়ে বাসাইল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী অলিদ ইসলাম জানান, নির্বাচন কমিশন অন্ধ। কারণ তাদের কিছুই করার ক্ষমতা নেই।

তিনি আরো জানান, জেলা পরিষদ নির্বাচনে স্থানীয় সংসদ সদস্য একজন প্রার্থীর পক্ষে প্রকাশ্য সভা সমাবেশ করেছেন। অভিযোগ দেওয়া হলেও নির্বাচন অফিস কোন ব্যবস্থা নেয়নি। নির্বাচনে টাকার ছড়াছড়ি বহু পুরনো ব্যাপার। সে হয়ত আবেগের বশে স্ট্যাটাস দিয়েছে।

বাসাইল উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী মতিউর রহমান গাউস জানান, রফিকুল ইসলাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক ছিলেন। গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় তাকে বহিস্কার করা হয়েছে। সে এখন দলের কেউ না।

এ ব্যাপারে বাসাইল উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মনি শংকর রায় জানান, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক এ বিষয়টি তদন্ত করার জন্য আমাকে দায়িত্ব দিয়েছেন।

তিনি আরো জানান, ভোটারদের সাথে কথা বলেছি। পরাজিত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম কেউ ডেকেছি। তদন্ত শেষের দিকে। বুধবার (২৬ অক্টোবর) তদন্ত প্রতিবেদন জেলা প্রশাসকের কাছে পৌঁছে দিবো।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গনি জানান, যে কোন নির্বাচনে অবৈধভাবে টাকার ছড়াছড়ি হলে নির্বাচনী আইনে শাস্তির বিধান রয়েছে। ফেসবুকের মাধ্যমে জানতে পেরেছি ভোট সংগ্রহ করতে গিয়ে এক প্রার্থী ভোটারদের টাকা দিয়েছেন।

তিনি আরো জানান, ফলাফল ঘোষণার দুই দিন পর বিষয়টি প্রকাশ পেয়েছে। তবে নির্বাচন নিয়ে কেউ প্রশ্ন তুলেনি বা কেউ কোন অভিযাগও করেনি। নির্বাচন কমিশন বিষয়টি জানতে পেরে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য একটি চিঠি দিয়েছেন। যেহেতু ঘটনাটি বাসাইল উপজেলার। তাই বাসাইল উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদন পেলেই নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অক্টোবর ২০২২ ০৩:৪৩:এএম ৪ বছর আগে
ঘাটাইলে শতবর্ষী গোরস্থান রক্ষায় মানববন্ধন - Ekotar Kantho

ঘাটাইলে শতবর্ষী গোরস্থান রক্ষায় মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ঝিনাই নদীর ভাঙন থেকে শতবর্ষী গোরস্থান রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।

বুধবার(২৬ অক্টোবর) দুপুরে ঘাটাইল উপজেলার কুরমুশি-সাইটাপাড়া এলাকায় ঝিনাই নদীর তীরে ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।

জানা যায়, ঘাটাইল উপজেলার দিগলকান্দি ইউনিয়নের কুরমুশি-সাইটাপাড়া এলাকার সামাজিক গোরস্থানটি শত বছরের পুরনো। অসময়ে পানি বেড়ে ঝিনাই নদীর ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করায় গোরস্থানটি ভাঙনের শিকার হচ্ছে। ভাঙন থেকে রক্ষায় গ্রামবাসী ইতোমধ্যে বাঁশ ও গাছ দিয়ে গোরস্থানটি রক্ষার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে বার বার জানিয়েও কোন প্রতিকার হয়নি। অবশেষে স্থানীয় তিন শতাধিক নারী-পুরুষ ঝিনাই নদীর তীরে ভাঙন রোধে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে।

মানববন্ধনে অংশ নিয়ে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, দিগলকান্দী ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম মটো, গোরস্থান কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ইকবাল হোসেন, মো. নজরুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, আবুল মনসুর আহমেদ প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অক্টোবর ২০২২ ০২:৩৫:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গণঅধিকার পরিষদের ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গণঅধিকার পরিষদের ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন

একতার কণ্ঠঃ  “জনতার অধিকার, আমাদের অঙ্গীকার” এ শ্লোগানকে ধারণ করে টাঙ্গাইলে গণঅধিকার পরিষদের ১ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আনন্দ র‌্যালী ও পথসভা করেছে গণঅধিকার পরিষদ টাঙ্গাইল জেলা শাখা।

বুধবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে সংগঠনটি উদ্যোগে শহরের বটতলা থেকে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ র‌্যালী বের হলে পুলিশ এতে বাধা প্রদান করে। পরে র‌্যালীটি টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে এসে পথসভার আয়োজন করে।

এই পথসভায় বক্তব্য রাখেন, গণঅধিকার পরিষদ টাঙ্গাইল জেলা শাখার আহবায়ক জহিরুল ইসলাম, সদস্য সচিব মাহবুবুর রহমান রাসেল, সিনিয়র সদস্য সচিব শামিমুর রহমান সাগর, গণঅধিকার পরিষদ সখিপুর উপজেলা শাখার দেলুয়ার রহমান, টাঙ্গাইল ছাত্র অধিকার পরিষদের সহ-সভাপতি ফাহাদুল ইসলাম প্রমুখ।

এসময় গণঅধিকার পরিষদ টাঙ্গাইল জেলা ও উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অক্টোবর ২০২২ ০২:৩৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পল্লী চিকিৎসকের আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পল্লী চিকিৎসকের আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে আলী আজম (৪০) নামের এক পল্লী চিকিৎসক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। বুধবার ( ২৬ অক্টোবর) সকালে উপজেলার লাঙ্গুলিয়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে । সে লাঙ্গুলিয়া গ্রামের আবুল বেপারীর ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই পল্লী চিকিৎসক আলী আজম বিভিন্ন ব্যাংক ও এনজিওতে ঋণগ্রস্ত ছিলেন। লোনের কিস্তি নিয়ে সব সময় দুশ্চিন্তায় থাকতেন। বাড়িতে সকালের খাবার খেয়ে দোকানে আসেন। এর কিছুক্ষণ পরেই গলায় রশি দিয়ে দোকানের আড়ার সাথে ফাঁসি নেন।

পল্লী চিকিৎসক আলী আজমের আত্মহত্যার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে স্থানীয় ইউপি সদস্য জয়েন উদ্দিন জানান,ধারণা করা হচ্ছে ঋণের চাপেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন

সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো.রেজাউল করিম জানান, লাশের সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই পারিবারের কাছে দাফনের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অক্টোবর ২০২২ ০১:৪৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ভূয়া চিকিৎসকে লাখ টাকা জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ভূয়া চিকিৎসকে লাখ টাকা জরিমানা

একতার কণ্ঠঃ চিকিৎসা বিদ্যায় নেই কোন পড়াশোনা। তবুও তিনি চিকিৎসক। তার ভিজিটিং কার্ডে লিখেছেন চিকিৎসা বিদ্যার নানা ডিগ্রির লম্বা লাইন। তার চিকিৎসাপত্রের প্যাডে নিজেকে মেডিসিন ও শিশু বিশেষজ্ঞ হিসাবে নাম ছাপিয়েছে। তিনি ডিগ্রি লেখেছেন এমবিবিএস ঢাকা। পিজিটি শিশু। সিসিডি বারডেম। এফসিপিএস মেডিসিন। এ ডিগ্রি ও বিদ্যার পরিচয়ে দীর্ঘদিন যাবত চিকিৎসা প্রদানের নামে রোগীদের সাথে প্রতারণা করে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিলেন মাসুদ আহমেদ নামের এক যুবক। তিনি টাঙ্গাইলের মধুপুরে শাহজালাল ফার্মেসী ও ডায়াগনাষ্টিক সেন্টারে রোগী দেখতেন।

মধুপুর-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গেইটের সামনে অবস্থিত শাহজালাল ফার্মেসী ও ডায়াগনাষ্টিক সেন্টারে তিনি রোগীদের চিকিৎসাপত্রে রোগীদের বিভিন্ন পরীক্ষা দিলে রোগীরা অন্যান্য ক্লিনিকে পরীক্ষা করাতে গেলে স্থানীয় ক্লিনিকের লোকজনের সন্দেহের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের সন্দেহ ঘনিভূত হলে স্থানীয়রা প্রশসানকে গোপনে সংবাদ দিলে বুধবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্টেট সহকারী কমিশনার (ভুমি) জাকির হোসাইন, ১০০ শয্যা বিশিষ্ট মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সাইদুর রহমান পুলিশসহ শাহজালাল ফার্মেসী ও ডায়গনাষ্টিক সেন্টারে গিয়ে তার ডাক্তারি পড়াশোনার কোন সনদপত্র দেখাতে না পাড়ায় তাকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ১ লক্ষ টাকা ও দুই মাসের কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ক্লিনিকের মালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

এ মাসুদ আহমেদ বরিশালের মুলাদি উপজেলার বানীমর্দান গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমানের ছেলে।

জানা যায়, মাসুদ আহমেদ বেশ কিছুদিন ধরে মধুপুরের শাহজালাল ও ডায়াগনাষ্টিক সেন্টারে চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। ডাক্তারি বিদ্যায় পড়াশোনা না করেই রোগীদের আকৃষ্ট করতে ডিগ্রি লিখেছেন এমবিবিএস ঢাকা। পিজিটি শিশু। সিসিডি বারডেম। এফসিপিএস মেডিসিন। নিজের চিকিৎসাপত্রের প্যাডে মেডিসিন ও শিশু বিশেষজ্ঞ লিখে চটকদার প্রচারনার মাধ্যমে চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছে। তার বিভিন্ন পরীক্ষার কাগজপত্র অন্যান্য ক্লিনিকের নিয়ে গেলে স্থানীয় ক্লিনিকে কর্মরতদের সন্দেহের সৃষ্টি হয়। তারপর বিষয়টি স্থানীয় চিকিৎসকদের জানালে গোপনে তারা খোজখবর দিতে থাকে। খোজখবর নিয়ে জানতে পারেন তার কোন ডাক্তারি পড়াশোনার সনদ নেই। পরে বিষয়টি নির্বাহী ম্যাজিস্টেট সহকারী কমিশনার (ভুমি)কে অবগত করলে তিনি বুধবার দুপুরে সরজমিনে গিয়ে মাসুদ আহমদের নিকট তার ডাক্তরি বিদ্যার সনদপত্র দেখাতে বললে নানা অযুহাত খুঁজতে থাকেন। সনদপত্র তার স্ত্রী নিয়ে চলে গেছে বলে মাসুদ জানায়। এ সময় মাসুদ আহমেদ এক এক সময় এক এক মেডিকেলে পড়াশোনার কথা জানান। এ সব তথ্য স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়।

১০০ শয্যা বিশিষ্ট মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ সাইদুর রহমান জানান, মধুপুর উপজেলা হাসপাতালের একাধিক কর্মকর্তা, কর্মচারী সন্দেহভাজন এফসিপিএস ডিগ্রিধারী একজন ডাক্তার শাহজালাল ডায়গানাষ্টিক সেন্টারে প্যাকটিস করেন বলে জানায়। বুধবার দুপুর ১২ টার সময় স্যানিটারি ইন্সপেক্টরসহ তিনি ঐ ক্লিনিকে অভিযানে যান। এ সময় তিনি ডাক্তার মাসুদ আহমেদ নামে একজনকে ঐ ক্লিনিকের চেম্বারে দেখতে পায়। এ সময় মাসুদ আহমেদ এক প্রশ্নের জবাবে জানায় সে ঢাকা মেডিকেল থেকে এমবিবিএস ও এফসিপিএস ডিগ্রি নিয়েছে। পরবর্তীতে জানা গেলো তিনি আদৌ কোন মেডিকেলে পড়াশোনা করেনি। বিষয়টি তিনি মধুপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে ফোন করে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার কথা জানালে নির্বাহী ম্যাজিস্টেট সহকারী কমিশনার (ভুমি) সনদবিহীন ডাক্তার মাসুদ আহমেদকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করেন।

এ ব্যাপারে নির্বাহী ম্যাজিস্টেট জাকির হোসাইন এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, মাসুদ আহমেদ মেডিকেলে পড়াশোনা করেনি। ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা ও দুই মাসের কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। এ সময় শাহজালাল ডায়গানাষ্টিক মালিককেও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অক্টোবর ২০২২ ০১:৪৯:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে টানা বর্ষণে ঘরে পানি ঢুকে আইপিএস তলিয়ে যেতে থাকায় তা উদ্ধার করতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা শরীফ ফকির নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (২৪ অক্টোবর) গভীর রাতে টাঙ্গাইল শহরের সাবালিয়া পাঞ্জাপাড়া এলাকায় মর্মান্তিক ওই দুর্ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) সকালে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। শরীফ ফকির ওই এলাকার আইনজীবী আইয়ুব আলী ফকিরের ছেলে। তিনি গত পৌরসভা নির্বাচনে ১৮ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাত ১২টার দিকে শহরের সাবালিয়া পাঞ্জাপাড়া এলাকায় বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করছিল। টানা বৃষ্টির পানি ঘরে ঢুকে আইপিএস তলিয়ে যাচ্ছিল। শরীফ তলিয়ে যাওয়া থেকে আইপিএস উদ্ধার করতে গেলে বিদ্যুতায়িত হন। বাবা মা ও আশপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মঙ্গলবার দুপুরে জানাজা নামাজ শেষে তাকে ভূঞাপুর উপজেলার গ্রামের বাড়িতে দাফন করা হয় বলে পারিবারিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. অক্টোবর ২০২২ ০১:৩৩:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মাকে খুনের অভিযোগে ছেলে আটক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মাকে খুনের অভিযোগে ছেলে আটক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের এনায়েতপুর এলাকায় মা সালমা বেগমকে খুন করার অভিযোগে ছেলে মো. আবুল কালামকে(৩০) আটক করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার(২৫ অক্টোবর) সকালে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

নিহত গৃহবধূ সালমা বেগম(৫০) ওই এলাকার পুলিশ থেকে অবসরপ্রাপ্ত মোহাম্মদ আলী শেখের স্ত্রী।

টাঙ্গাইল পৌরসভার প্যানেল মেয়র মাহমুদা বেগম জেবু জানান, মোহাম্মদ আলী শেখ ৪০ দিন মেয়াদের তাবলিগ জামায়াতে ছিলেন। তিন ছেলে নিয়ে সালমা বেগম তার বাসায়ই থাকতেন। মঙ্গলবার সকালে তার বাসা বাইরে থেকে বন্ধ দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়।

তিনি আরো জানান, পরে দরজা ভেঙে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করতেই দেখে মেঝেতে ছেলে মো. আবুল কালাম বসে আছে। এক পর্যায়ে খাটের নিচ থেকে হাত পা বাঁধা অবস্থায় সালমা বেগমকে উদ্ধার করা হয়। তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। লাশের গায়ে আগুন দিয়ে ছ্যাকা দেওয়ার আলামত পাওয়া গেছে। মামলার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ছেলে আবুল কালাম আটক আছে। কিভাবে খুন হয়েছেন তা ময়নাতদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. অক্টোবর ২০২২ ০১:২৫:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।