/ হোম / আমাদের টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস উঠে গেল মাইক্রোর ওপর, নিহত ৬ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস উঠে গেল মাইক্রোর ওপর, নিহত ৬

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু সেতুর কাছে এক‌টি বাস নিয়ন্ত্রণ হা‌রি‌য়ে মাইক্রোবা‌সের ওপর উঠে গেলে ছয়জন ‌নিহত হয়ে‌ছেন। আহত হ‌য়েছেন অন্তত ৪০ জন।

বৃহস্প‌তিবার (৬ অক্টোবর) দুপুর সা‌ড়ে ১২টার‌ দি‌কে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলস্টেশ‌নের কা‌ছে এ দুর্ঘটনা ঘ‌টে। তাৎক্ষ‌ণিকভাবে হতাহ‌তদের নাম-প‌রিচয় পাওয়া যায়‌নি।

বঙ্গবন্ধু সেতু কর্তৃপ‌ক্ষের সহকা‌রী সি‌কিউ‌রি‌টি অ্যান্ড সেফ‌টি ম‌্যা‌নেজার মো. র‌ফিকুল ইসলাম জানান, উত্তরবঙ্গ থে‌কে ছে‌ড়ে আসা একতা প‌রিবহ‌নের এক‌টি বাস বঙ্গবন্ধু সেতু পার হওয়ার পরই ব্রেক ফেল ক‌রে। এতে বাস‌টি নিয়ন্ত্রণ হা‌রি‌য়ে ঢাকাগামী লেন থে‌কে উত্তরবঙ্গগামী লে‌নে উল্টে গি‌য়ে এক‌টি মাইক্রোবা‌সের ওপর উঠে প‌ড়ে। এতে ঘটনাস্থ‌লেই ছয়জ‌নের মৃত‌্যু হ‌য়ে‌ছে।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সফিকুল ইসলাম নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহতের নাম পরিচয় এখনো জানা যায়নি। উদ্ধার কার্যক্রম চলছে।আহত অন্তত ৪০ জনকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। নিহতের সংখ্যা বাডার সম্ভাবনা রয়েছে। মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে ‌।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. অক্টোবর ২০২২ ০৮:০৭:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের বালিয়াজান গ্রামের মো. মহসিন মিয়া (২১) নামের এক যুবক গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। বুধবার (৫ অক্টোবর) দুপুরে তার নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই তাহীদ উল্লাহ।

নিহত মহসিন ওই গ্রামের মো. বাছেদ মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার ( ৪ অক্টোবর) রাতে মহসিন তার নিজ ঘরে ঘুমিয়ে যায়। বুধবার সকালে ঘুম থেকে উঠে আবার দরজা বন্ধ করে শুয়ে থাকে। দরজা না খুললে পরিবারের লোকজন জানালা দিয়ে দেখে মহসিন ঘরের ধরণার সাথে ফাঁস দিয়ে ঝুলে আছে।পরে বাড়ির লোকজন জানালা ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকে যায়। তাদের কান্নাকাটি শুনে আশেপাশের লোকজন গিয়ে পুলিশকে খবর দেয়। পরে বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ গিয়ে নিহতের লাশ বিকালে উদ্ধার করে।

বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই তাহীদ উল্লাহ জানান, খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. অক্টোবর ২০২২ ০৬:১৭:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কাভার্ডভ্যান-ইজিবাইক সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কাভার্ডভ্যান-ইজিবাইক সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে কাভার্ডভ্যান-ইজিবাইক সংঘর্ষে অজিত ঘোষ ওরফে ভম্বল ঘোষ (৭২) নামে এক বৃদ্ধ নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন।

বুধবার (৫ অক্টোবর) সকালে নাগরপুর চৌহালী আঞ্চলিক সড়কের গয়হাটা ইউনিয়নের নরদহী নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত বৃদ্ধ ব্যক্তি গয়হাটা ইউনিয়নের সিংজোড়া গ্রামের মৃত পাগলা ঘোষের ছেলে।

এলাকাবাসী ও প্রতক্ষ্যদর্শী সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকাল ৮টার দিকে নাগরপুর চৌহালী আঞ্চলিক সড়কের নরদহী নামক স্থানে কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এলাকাবাসী আহতদের উদ্ধার করে নাগরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে অজিত ঘোষ মারা যান। অপর দুজনকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

নাগরপুর থানার ওসি মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, কাভার্ডভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে এবং আইনগত বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. অক্টোবর ২০২২ ০৯:০১:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চালককে খুন করে অটোরিকশা ছিনতাই - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চালককে খুন করে অটোরিকশা ছিনতাই

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে ইয়াকুব আলী (২২) নামে এক চালককে খুন করে তার অটোরিকশা ছিনিয়ে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

গলায় রশি বাঁধা অবস্থায় মধুপুরের পীরগাছা রাবার বাগান এলাকার ভবানীটেকি বাজারের পাশে একটি ড্রেনে দুর্বৃত্তরা তার মরদেহ ফেলে রেখে যায়।

সোমবার (৩ অক্টোবর) রাতে পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে চালকের লাশ উদ্ধার করে।

নিহত ইয়াকুব আলী পাশের ধনবাড়ী উপজেলার ভাইঘাট জমশেদপুর গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে।

পরিবারের লোকজন এসে ইয়াকুবের লাশ শনাক্ত করেন। পারিবারিক সূত্র জানায়, রোববার (২ অক্টোবর) সকালে ইয়াকুব তার অটোরিকশা নিয়ে বের হয়ে নিখোঁজ হন।

রাতের কোনো একসময় দুর্বৃত্তরা তার অটোরিকশা ভাড়ায় নিয়ে ওই এলাকায় গিয়ে ছিনিয়ে নেওয়ার সময় খুন করে পালিয়ে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা সাইফুল ও সুজন জানান, সোমবার বিকালে রাবার বাগানের ড্রেনের বৃষ্টির পানিতে গলায় রশি লাগানো অবস্থায় একটি লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন তারা।

মধুপুর থানার এসআই ফরহাদ হোসেন জানান, লাশটি উপুড় হয়ে পড়ে ছিল। সিআইডির বিশেষজ্ঞ টিমের পর্যবেক্ষণের পর লাশ উদ্ধার করে রাতেই থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. অক্টোবর ২০২২ ০৯:৩৯:পিএম ৪ বছর আগে
বিন্দুবাসিনী’র সীমানা প্রাচীর রক্ষায় গণ স্বাক্ষর কর্মসূচি - Ekotar Kantho

বিন্দুবাসিনী’র সীমানা প্রাচীর রক্ষায় গণ স্বাক্ষর কর্মসূচি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ১৪২ বছরের প্রাচীন বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের পূর্বপাশের সীমানা প্রাচীর রক্ষায় শুরু হয়েছে গণ স্বাক্ষর কর্মসূচি।

সোমবার (৩ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এই গণ স্বাক্ষর কর্মসূচি শুরু হয়।

গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিন্দুবাসিনীর সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে।

এ ছাড়া টাঙ্গাইলের সুশীল সমাজ সহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ এই গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। সোমবার বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত প্রায় সহস্রাধিক স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়।

কথা হয় গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসা সাম্য রহমান, আরমান কবীর, মুঈদ হাসান তড়িৎ,খালেদ শামস অপু, শামসুল আরেফিন খান, আব্দুল্লাহ আল মামুন,নাসিফ ইকবাল হিমেল,সাদাত হাবিবের সাথে।

বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় সাবেক ও বর্তমান এই সব শিক্ষার্থীরা তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করে জানান, বিন্দুবাসিনী আমাদের জন্য শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, আমাদের আবেগের জায়গা । এই বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর কোনভাবেই অবৈধ জায়গা দখল করে গড়ে ওঠে নি। টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়রের এই নোটিশ গ্রহণযোগ্য নয়। এই সীমানা প্রাচীর রক্ষায় গণস্বাক্ষর অভিযান একটি যৌক্তিক কর্মসূচি। তাই আমরা বৃষ্টি উপেক্ষা করে স্বাক্ষর দিতে এসেছি।

তারা আরো জানান, গণস্বাক্ষর অভিযান শেষ হলে, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে শিক্ষা সচিবের বরাবরে স্মারকলিপি সহ গণস্বাক্ষরগুলো পাঠানো হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. অক্টোবর ২০২২ ১২:৩৭:এএম ৪ বছর আগে
বিন্দুবাসিনী স্কুলের সীমানা প্রাচীর ভাঙার সিদ্ধান্ত স্থগিত - Ekotar Kantho

বিন্দুবাসিনী স্কুলের সীমানা প্রাচীর ভাঙার সিদ্ধান্ত স্থগিত

একতার কণ্ঠঃ বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে পৌরসভার রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য টাঙ্গাইলের বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর ভাঙার সিদ্ধান্ত আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।

বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর ভাঙার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে রোববার ( ২ অক্টোবর) বিদ্যালয়ের সামনে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেন এবং শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

পরে পৌরসভা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের এক মতবিনিময় সভায় আপাতত সীমানা প্রাচীর ভাঙা হচ্ছে না বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভার সুপারিশ অনুযায়ী, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, সাবেক শিক্ষার্থী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, প্রশাসন ও পৌর কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে আলাপ-আলোচনা সাপেক্ষে এবং আবার পরিমাপ করে রাস্তা সম্প্রসারণ ও বিদ্যালয়ের দেওয়াল ভাঙার বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হবে।

যানজট নিরসন ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়নে টাঙ্গাইল পৌর কর্তৃপক্ষ জেলা শহরের অন্যতম প্রধান সড়ক ৪ লেনের কাজী নজরুল সড়কটি ৪ লেনে রূপান্তরের উদ্যোগ নেয়।

এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গত ৮ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সহকারী কমিশনারের (ভূমি) উপস্থিতিতে জমি পরিমাপ করে বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের পূর্ব পাশের সীমানা প্রাচীরের ভেতরে ৬-১০ ফুট জায়গা পৌরসভার বলে চিহ্নিত করা হয়।

পরে পৌর কর্তৃপক্ষ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ‘দখলীকৃত’ জায়গায় ৫ ফুট জমি রাস্তার জন্য ছেড়ে দিতে অনুরোধ করে এবং সীমানা প্রাচীর ভেঙে দিয়ে পরে তা আবার পৌরসভার খরচে নির্মাণ করে দেওয়ার আশ্বাস দেয়।

তবে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এসএসসি পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর এ কাজ করতে পৌর কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করে।

এদিকে, প্রিয় বিদ্যালয়ের দেওয়াল ভেঙে ফেলা হচ্ছে এমন সংবাদ পেয়ে বিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীরা এর বিরুদ্ধে শনিবার রাত থেকে বিদ্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ শুরু করেন।

বিক্ষোভকারীদের মধ্যে বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী সাম্য রহমান বলেন, ‘শহরের উন্নয়নে রাস্তা সম্প্রসারণ হোক এটা আমরাও চাই। তবে এজন্য ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর ভাঙার আবশ্যকতা আছে বলে মনে করি না।’

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবদুল করিম বলেন, ‘বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে বিদ্যালয়ের জায়গা রক্ষা করা আমার দায়িত্ব। সহকারী কমিশনার (ভূমি) সার্ভেয়ার দিয়ে জমি পরিমাপ করে যাওয়ার পর কোনো প্রতিবেদন দাখিল না করলেও, ইতোমধ্যে পৌর কর্তৃপক্ষ বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীরের ভেতর টিনের বেড়া নির্মাণ করেছে।’

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস এম সিরাজুল হক খান আলমগীর জানান, পরিমাপে বিদ্যালয়ের ভেতরে পৌরসভার প্রায় ১০ ফুট জায়গা পাওয়া গেছে। তবে ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়টির গেট ও কোনো স্থাপনা বা খেলার মাঠের যেন কোনো ক্ষতি না হয়, সেজন্য ৫ ফুট জায়গা রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গণি বলেন, ‘রাস্তা সম্প্রসারণ কাজে পৌরসভার জায়গা উদ্ধারে সহায়তা করছে জেলা প্রশাসন। বিন্দুবাসিনী স্কুলের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি হিসাবে এবং পৌরসভার একজন তদারককারী হিসেবে আমি নিজে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও পৌর মেয়রকে নিয়ে আলোচনা করেছি।’

‘ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা বিবেচনা করে রাস্তা সম্প্রসারণের যেমন প্রয়োজন আছে, তেমনি এটি করতে গিয়ে ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়ের গেইট বা অন্য কিছু যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেটিও ভাবা হয়েছে,’ যোগ করেন তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. অক্টোবর ২০২২ ১০:৫৫:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ‘সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন’ এর আলোচনা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ‘সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন’ এর আলোচনা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ‘সাম্প্রদায়িকতামুক্ত সম্প্রীতির বাংলাদেশ চাই’ স্লোগানে রবিবার(২ অক্টোবর) দুপুরে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার আয়োজনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত শান্তি ও সম্প্রীতির অগ্রসর বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন ছড়িয়ে দিতে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, টাঙ্গাইল জেলা শাখা এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

টাঙ্গাইল পৌর সুপার মার্কেটের ২য় তলায় সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভায় উপস্থিত বক্তারা তাদের বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে নিজ নিজ মতামত ও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে নতুন প্রজন্মকে ঐক্যবদ্ধ হতে বলেন।

সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি হাজী মুহাঃ সাজ্জাদুর রহমান খোশনবীশের সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নাজমুল হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান ও সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন টাঙ্গাইল জেলা শাখার সহ-সভাপতি অধ্যাপক রেজাউল করিম, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা শাখার সভাপতি লায়ন মোঃ জাহাঙ্গীর আলম।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন শিশু প্রতিভা সংগঠনের সভাপতি সাংবাদিক নিপু সিদ্দিকী, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ, টাঙ্গাইল জেলা শাখার সহ-সভাপতি সোহেল সোহরাওয়ার্দী, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শায়লা, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ফেরদৌস আরা ডায়না, টাঙ্গাইল শহর শাখার সদস্য সচিব তানিয়া চৌধুরী, যুগ্মআহ্বায়ক কাজী নুসরাত ইয়াসমিন, সদর উপজেলা শাখার সদস্য সচিব রিফাত খান, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম শুভ, সাংগঠনিক সম্পাদক এনাদি হোসেন খান, সদস্য বাপ্পী খান, ৭১এর চেতনা, টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হাফিজ হাসনাত আপেলসহ সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের কর্মীবৃন্দ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. অক্টোবর ২০২২ ০৮:৩৯:পিএম ৪ বছর আগে
বিন্দুবাসিনী’র সীমানা প্রাচীর অপসারণ বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ - Ekotar Kantho

বিন্দুবাসিনী’র সীমানা প্রাচীর অপসারণ বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের পূর্বপাশের সীমানা প্রাচীর পৌরসভা কর্তৃক অপসারণ নোটিশ প্রদানের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা।

রবিবার ( ২ অক্টোবর) সকালে বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের ঘন্টা ব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বিদ্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষণ শেষে পুনরায় বিদ্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন , বিন্দুবাসিনী সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয় একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই বিদ্যালয় কোন প্রতিষ্ঠানের জায়গা দখল করে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করেনি। তাই এই সীমানা প্রাচীর ভাঙ্গার নোটিশ অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।না হলে সাবেক ও বর্তমান ছাত্রদের নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে হুশিয়ারী দেন শিক্ষার্থীরা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. অক্টোবর ২০২২ ১০:৪৯:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গৃহবধূকে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গৃহবধূকে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ফৈলারঘোনা দক্ষিণপাড়া গ্রামে নিজের শিশু সন্তানকে নিতে এসে দুই দিন ধরে গৃহবধূ রুমা বেগম ‘আটকা’ রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শুধু ‘আটকা’ নয়, তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। শনিবার (১ অক্টোবর) সকাল থেকে ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগী রুমা বেগম ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বিরাসাট গ্রামের নবী মিয়ার মেয়ে। তিনি গত বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত থেকে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ফৈলারঘোনা দক্ষিণপাড়া গ্রামে তার সাবেক স্বামী মজনু মিয়ার বাড়িতে জিম্মি রয়েছেন।

রুমা বেগম জানান, ২০১৯ সালে রুমা বেগমের সঙ্গে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়নের ফৈলারঘোনা দক্ষিণপাড়া গ্রামের এছাক মিয়ার ছেলে মজনু মিয়ার সঙ্গে মুঠোফোনে পরিচয় হয়। মজনু মিয়া তার পূর্বের বিয়ের কথা গোপন রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে এক কাজীর মাধ্যমে দুই লাখ দেনমোহরে রুমা বেগমকে বিয়ে করেন। এরপর ২০২০ সালে তাদের ঘরে এক ছেলে সন্তানের জন্ম হয়। পরে রুমা বেগমকে বিভিন্ন সময় শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। এক পর্যায়ে প্রায় সাত মাস আগে মজনুকে তালাক দেন রুমা বেগম। পরবর্তীতে তাদের বিবাহিত জীবনের বিভিন্ন ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় মজনু মিয়া। এছাড়াও হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে রুমা বেগম বাদী হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

তিনি আরও জানান, পুনরায় মজনু মিয়া রুমা বেগমকে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে তাদের বাড়িতে যায়। ওই সময় রুমা পূনরায় মজনুকে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় স্থানীয় গ্রাম্য পুলিশের হস্তক্ষেপে মজনু টাঙ্গাইল ফিরে আসে। এরপর প্রায় সাড়ে তিন মাস আগে মজনু ব্রাহ্মণবাড়িয়া গিয়ে দোকানের খাবার কিনে দেয়ার কথা বলে ছেলে শুভকে চুরি করে নিয়ে আসে। পরে মুঠোফোনে ভিডিও কলে শুভকে রুমা বেগম দেখতে চাইলে তাকে দেখানো হয়নি। উল্টো রুমা বেগমকে বিয়ের জন্য চাপ দেয় মজনু। বিয়েতে রাজি না হওয়ায় ছেলেকে নিতে হলে রুমাকে টাঙ্গাইল আসতে বলে মজনু। গত বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ছেলেকে নিতে টাঙ্গাইল আসেন রুমা। শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে থেকে রুমাকে নিয়ে তার সাবেক স্বামী মজনু শহরের বিভিন্ন সড়ক ঘুরে সময় পার করে রাতে তার গ্রামের বাড়ির দিকে নিয়ে যান। বাড়ির কাছাকাছি যাওয়ার পর মজনু রাস্তা দিয়ে না গিয়ে ফসলি জমির আইল ধরে তার বাড়ির দিকে এগোতে থাকে। এ সময় এক পর্যায়ে মজনু তাকে কচুক্ষেতে ফেলে দিয়ে বুকের ওপর চড়ে বসে। এ সময় তাকে ছুরি দিয়ে ঘাড়ে ও গালে আঘাত করে। চিৎকার করলে তার মুখের ভিতরে হাত দেয় মজনু। এ সময় মজনুর ভাই, মা ও চাচিসহ কয়েকজনে দা ও পিস্তল নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বলে হুমকি দেয় রুমাকে। পরে হাতে পায়ে ধরে প্রাণে রক্ষা পান তিনি। রুমার ঘাড়ে ও শরীরের বিভিন্ন অংশে ছুরিকাঘাত করা হলেও দুই দিনে কোনো চিকিৎসা করা হয়নি।

রুমা বেগম বলেন, ‘আমাকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। হাতে-পায়ে ধরে আমি প্রাণ ভিক্ষা পেয়েছি। এখানে আসার পরপরই মজনু মোবাইল নিয়ে গেছে। আমাকে এখন ঘরে আটকিয়ে রেখেছে। বিষয়টি পুলিশ ও কাউকে জানাতে পারছি না। গতরাতে স্থানীয় মাতুব্বররা সালিশি বৈঠকে বসেছিল। তখন মজনু মাতুব্বরদের কাছে সন্তানকে হাজির করার জন্য একদিনের সময় চেয়েছে। শুনেছি সন্তানকে বিক্রি করা হয়েছে। আমার সন্তানকে ফেরত চাই।’

ফৈলারঘোনা গ্রামের বাসিন্দা একাধিক ব্যক্তি জানান, মজনুর প্রথম স্ত্রী ও তার মা দেড় বছরের শিশু শুভকে মারধর করেছে। ঠিক মতো খাবারও দেয়নি। আশপাশের বাড়িতে গিয়ে শুভ খাবার খেয়েছে। শিশুর সঙ্গে মজনু ও তার পরিবার নির্দয় আচরণ করেছে।

অভিযুক্ত মজনুর বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য লুৎফর রহমান বলেন, শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে সালিশি বৈঠকে মজনু একদিনের জন্য সময় নিয়েছেন। বিক্রি করা ছেলেকে ফিরিয়ে আনবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

বাঘিল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এসএম মতিয়ার রহমান মন্টু বলেন, বিষয়টি সামাজিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. অক্টোবর ২০২২ ০৪:৫৫:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে এভারগ্রীণ ফিটনেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে এভারগ্রীণ ফিটনেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

একতার কণ্ঠঃ  টাঙ্গাইলে শরীর চর্চা ও ক্রীড়া সংগঠন এভারগ্রীণ ফিটনেস ক্লাব পালন করেছে ২য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। শনিবার (১ অক্টোবর) দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেন সংগঠনটির সকল সদস্য বৃন্দ।

দিনটি উদযাপন উপলক্ষে সংগঠনটির উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র‌্যালী, আলোচনা সভা, কেক কাটা, র‍্যাফেল ড্র, ও নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।

শনিবার সকাল ৮ ঘটিকায় টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে বেলুন উড়িয়ে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্ভোদন করেন এভারগ্রীণ ফিটনেস ক্লাবের সমন্বয়ক (সার্বিক) সৈয়দ নাজমুল হোসেন। এর পর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎসব উদযাপন কমিটির আহবায়ক মোঃ নাজমুল হক ও এভারগ্রীণ ফিটনেস ক্লাবের সমন্বয়ক(মানব সম্পদ) এনাদি হোসেন খান এর দিকনির্দেশনায় এক বর্ণাঢ্য র‌্যালী টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে নিড়ালা মোড়ে এসে শেষ হয়।

বর্ণাঢ্য র‌্যালী শেষে উপস্থিত সকল সদস্য ও র‌্যালীতে অংশগ্রহণকারী অতিথিদের নিয়ে উৎসব উদযাপন কমিটির যুগ্ম আহবায়ক তোফাজ্জল হোসেন ও সদস্য সচিব মোঃ মনিরুজ্জামান খান স্থানীয় একটি রেস্তোরাঁয় সকালের নাস্তা করেন।
এরপর উৎসব উদযাপন কমিটির আহবায়ক মোঃ নাজমুল হক সারাদিন ব্যাপি অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বের অনুষ্ঠান সূচী ঘোষণা করেন এবং প্রথম পর্বের অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন এভারগ্রীণ ফিটনেস ক্লাবের সদস্য ইলিয়াস সিকদার, মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, মোঃ মাসুদ রানা,মোঃ আব্দুর রহমান ও হারুনুর রসিদ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. অক্টোবর ২০২২ ০১:৩০:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রাইভেটকার চাপায় মহিলা নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রাইভেটকার চাপায় মহিলা নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে প্রাইভেটকার (ঢাকামেট্টো-ভ-০২-০৯৩৭) চাপায় একজন পথচারী নারী নিহত ও ৪ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ধনবাড়ী উপজেলার জাগিরাচালা-মধুপুর সড়কে এই দূর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জাগিরাচালা এলাকার আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী কল্পনা বেগম বিকেলে পাশের গ্রামে মেয়ের জামাই বাড়ী বেড়াতে যাচ্ছিলো। হঠাৎ করেই পিছন থেকে একটি প্রাইভেটকার তাকে চাপ দেয়। এতে ঘটনা স্থলেই কল্পনা বেগমের মৃত্যু হয়।

এ সময় প্রাইভেটকারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি কাঁঠাল গাছের সাথে ধাক্কা লেগে ধুমড়ে মুচড়ে যায়। প্রইভেটকারে থাকা ৪ জনই গুরুত্বর আহত হন।  প্রাইভেটকার আরোহী ৪ জনই মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন বলেও তারা জানান।

ধনবাড়ী থানার ওসি তদন্ত (দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা) ইদ্রিস আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনা স্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার ও গাড়ী জব্দ করে থানায় আনা হয়েছে। আহত ৪ জন কে উদ্ধার করে ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে। তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের নাম পরিচয় জানা যায়নি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. অক্টোবর ২০২২ ১২:০৩:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে উৎসবে বরণ করা হলো নারী ফুটবলার কৃষ্ণা ও কোচ ছোটনকে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে উৎসবে বরণ করা হলো নারী ফুটবলার কৃষ্ণা ও কোচ ছোটনকে

একতার কণ্ঠঃ  গত ১৯ সেপ্টেম্বর নেপালের কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে ৩-১ ব্যবধানে জিতে বাংলাদেশকে সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা এনে দেন মেয়েরা। দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পরে বাংলাদেশ ভাসে আনন্দের জোয়ারে। সেখানে কৃষ্ণা রানী সরকারের জোড়া গোলে স্বাগতিক নেপালকে পরাজিত করে। তাই সারাদেশের সঙ্গে টাঙ্গাইলেও আনন্দের বন্যা বইয়ে যায়। শনিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষে থেকে কৃষ্ণা রাণী সরকার ও কোচ ছোটনকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

পরিবার ও কোচ ছোটনকে সঙ্গে নিয়ে বেলা ১২ টার দিকে একটি নোয়া গাড়ি চেপে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে আসেন কৃষ্ণা। তখন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক ,টাঙ্গাইল ৫ আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, জেলা প্রশাসক ডক্টর মো আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সরকার মোঃ কায়সার জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মির্জা মইনুল হোসেন লিম্টু সহ শত শত জনতা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও লাল গালিচা সংবর্ধনা দেন।

এসময় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক স্বর্নলঙ্কার , জেলা প্রশাসক থেকে ১ লক্ষ টাকা , জেলা পুলিশ ১ লক্ষ টাকা, জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে ১ লক্ষ টাকা ও সাংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন ২৫ হাজার টাকা, কৃষ্ণা রানী সরকারকে উপহার দেন ও সবাই কোচ ছোটনকে ৫০ হাজার টাকা সহ ক্রেস্ট উপহার দেন।

জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, কৃষ্ণা রাণী শুধু এই জেলার গর্ব নয় ও সারা বাংলাদেশের গর্ব তাই সকলের উচিত কৃষ্ণা কে দেখে সামনে আরো ভালো ফুটবলার হওয়া প্রয়োজন।

টাঙ্গাইল সদর আসনের সাংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন বলেন, এই মাঠ থেকে বড় হয়েছে কৃষ্ণা সরকার ও ছোটন ভাই। তাই বলতে পারি নারী দলকে জয়ী করার পিছনে একমাত্র হাত রয়েছে ছোটন ভাইয়ের। ধন্যবাদ জানাই প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি জেলা প্রশাসক ডক্টর আতাউল গনি বলেন, কৃষ্ণা রানী সরকার ও কোচ গোলাম রোব্বানী ছোটন টাঙ্গাইলের মাঠ থেকে বেড়ে উঠা। তাই টাঙ্গাইল বাসীর গর্ব করা উচিত এমন মানুষ পেয়ে।

কৃষ্ণা রানী সরকার বলেন, পৃথিবীর আলো দেখার পর কখনোই সুখের মুখ দেখিনি। যেদিন থেকে বুঝতে শিখেছি, সেদিন থেকেই বাবাকে কষ্ট করতে দেখেছি। আমার এই সাফল্য কোচ ও শিক্ষকদের সহযোগিতার জন্য হয়েছে। আমি তাদের ও টাঙ্গাইলবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। আরও ভাল খেলে দেশকে কিছু উপহার দিতে পারি সেজন্য সকলের দোয়া চাই।

কৃষ্ণার বাবা বাসুদেব চন্দ্র সরকার বলেন, মেয়ের সাফল্যে খুব খুশি হয়েছি। মানুষ ফুল নিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে। কৃষ্ণা যেন দেশের জন্য আরও গৌরব বয়ে আনতে পারে সেই আশীর্বাদ চাই।

কোচ গোলাম রোব্বানী ছোটন বলেন, দেশের জন্য আরো কিছু করতে চাই। নিজেকে অনেক ভালআ লাগছে নিজের জন্মভূমিতে সংবর্ধনা পেয়ে ।

সকল বাধা পেরিয়ে নারী দল একদিন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হবে এই প্রত্যাশা সকলের ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. অক্টোবর ২০২২ ১১:৩৪:পিএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।