একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ২ মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ২ জন।
রবিবার (২৩ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১১ টার দিকে টাঙ্গাইল-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের উপজেলার বানিয়াপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- জেলার গোপালপুর উপজেলার কালিমন্দির এলাকার রাশিদুল ইসলাম সোহেল (২৫) ও ঘাটাইল উপজেলার দেওলা বাড়ী ইউনিয়নের খিলগাতী এলাকার মোঃ মামুন হোসেন (২৪)।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, রাশিদুল ইসলাম সোহেল মোটরসাইকেল যোগে ঘাটাইল থেকে গোপালপুর নিজ বাড়ি ফিরছিলেন। মোটরসাইকেলটি টাঙ্গাইল-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের বানিয়াপাড়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীতমুখী অপর একটি মোটরসাইকেলের সাথে মুখোমুখী সংঘর্ষ হয়। পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থল থেকে দুর্ঘটনায় আহত ৪ জনকে উদ্ধার করে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই দুই জনকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় আহত অপর দুইজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভতি করা হয়েছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি )মোহাম্মদ লোকমান হোসেন জানান, নিহতদের মরদেহ আইনী প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে মিথ্যা অভিযোগে সাদেক (১৮) নামে এক শিক্ষার্থীকে রাতে আটক করে পরদিন টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে এসআই লিটন মিয়াকে বদলি করা হয়েছে।
অপরদিকে, ঘুষ নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ দিয়েছেন ওই শিক্ষার্থীর বাবা আব্দুল আলীম।
রবিবার (২৩ জুলাই) ভূঞাপুর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. লিটন মিয়াকে ভূঞাপুর থানা থেকে পার্শ্ববর্তী বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব থানায় বদলি করা হয়েছে।
বদলির আদেশে বলা হয়, আদেশ পাওয়ার সাথে সাথে বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান করে অত্র অফিসকে অবহিত করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো।
এর আগে সোমবার (১৭ জুলাই) রাত প্রায় দেড়টার দিকে পূর্ব ভূঞাপুর এলাকার আব্দুল আলীমের ছেলে সাদেককে ভূঞাপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে চোর সন্দেহের অভিযোগে আটক করেন এসআই লিটন মিয়া। পরে তাকে থানায় অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে বন্দি করে রাখা হয়। এরপর মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) বিকেলে সাদেকের বাবা আলীমের কাছ থেকে এক লাখ ১৫ হাজার টাকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
জানা গেছে, উপ-পরিদর্শক (এসআই) লিটন মিয়া পার্শ্ববর্তী গোপালপুর থানার হেমনগর ফাঁড়ি থেকে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভূঞাপুর থানায় যোগদান করেন। এরপর ২০২১ সালে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব থানায় বদলি করা হলেও তদরির করে আবার গত ২০২২ সালে জুন মাসে তিনি ভূঞাপুর থানায় আসেন। তার বিরুদ্ধে পূর্বে অনেক অভিযোগ রয়েছে।
সাদেকের বাবা আব্দুল আলীম বলেন, অভিযোগের পরে যেহেতু ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিয়েছেন তাই এ বিষয়ে আর লেখালেখি না হওয়াই ভালো।
এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) লিটন মিয়া বলেন, দীর্ঘদিন হয়ে গেছে তাই অন্য থানায় বদলি করা হয়েছে। এছাড়া সাদেক নামের ওই ছেলেকে সন্দেহমূলকভাবে আটক করা হয়েছে। পরে প্রমাণিত না হওয়ায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে কোনো টাকার লেনদেন হয়নি।
ভূঞাপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফরিদুল ইসলামের মোবাইল ফোনে বারবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। সেটির তদন্ত হচ্ছে। তদন্তকালীন এসআই লিটন মিয়াকে বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব থানায় বদলি করা হয়েছে। আগামী তিনদিনের মধ্যে তাকে যোগদান করতে বলা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের জেলা ব্র্যাডিং কর্নারের উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার (২৩ জুলাই)সকালে ফিতা কেটে ব্র্যাডিং কর্নারের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার।
এ সময় স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক শামীম আরা রিনি, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ওলিউজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মুহাম্মদ আব্দুর রহিম সুজন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা) নাফিসা আক্তার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সোহেল রানা, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আইরিন আক্তার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এসময় সরকারি দপ্তরের বিভিন্ন কর্মকর্তাবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার বলেন, এ ব্র্যাডিং কর্নারের মাধ্যমে পুরো টাঙ্গাইল জেলার ঐতিহ্যকে তুলে ধরা হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে আলোচিত জোড়া খুনের ঘটনার তিনদিন পেরিয়ে গেলেও কোনো আসামীকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
বুধবার (১৯ জুলাই) গভীর রাতে উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের বাঘেরবাড়ি গ্রামের বাংলাবাজার এলাকার নিভৃত পাহাড়ী এলাকায় দুর্বৃত্তদের হাতে নির্মমভাবে খুুন হন চাচা মজনু মিয়া (৫০) ও ভাতিজা শাহজালাল (৪০)। দুষ্কৃতিকারীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে চাচা-ভাতিজাকে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই) রাতে নিহত শাহজালালের বাবা আবুল হোসেন বাদী হয়ে সখীপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছে।
এদিকে ময়নাতদন্ত শেষে শুক্রবার (২১ জুলাই) বাদ আসর পারিবারিক কবরস্থানে নিহতদের দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে।
শনিবার (২২ জুলাই) ওই এলাকায় সরেজমিন ঘুরে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, এ ধরণের নৃশংস হত্যাকান্ড তারা জীবনেও দেখেনি! পুলিশ যদি খুনীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করতে না পারে, পুলিশের ওপর মানুষের আস্থা থাকবেনা।
বাঘেরবাড়ি গ্রামের নূরুল ইসলাম বলেন, জোড়া খুনের ঘটনায় পুরো গ্রামজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ করছে। রাতে এলাকায় চলাফেরা করলে গা ছম ছম করে। সন্ধ্যা হলেই দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায় এবং মানুষ ঘরে ফিরে যাচ্ছে। গ্রামবাসী স্তব্ধ হয়ে গেছে। অতি প্রয়োজন ছাড়া পারত পক্ষে কেউ রাতে ঘর থেকে বের হচ্ছে না। গ্রামবাসী দ্রুত সময়ের মধ্যে দোষীদের শনাক্ত করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। নিহতদের স্বজনদের আহাজারি এখনো থামেনি। এমন মৃত্যু কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না তারা।
স্থানীয় কাকড়াজান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. দুলাল হোসেন জানান, নিহতদের পরিবারের স্বজনদের আমি বারবার খোঁজ-খবর নিচ্ছি। পুলিশের প্রতি দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার ও খুনীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন তিনি। গ্রামবাসীও এ খুনের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহের পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) এবং পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট ঘটনাস্থল পরির্শন করেছেন।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি )রেজাউল করিম জানান, জোড়া খুনের রহস্য উদঘাটনে ও আসামী গ্রেপ্তারে পুলিশ মাঠে রয়েছে। পুলিশের অপরাধ বিভাগ, পিবিআই, ডিবিসহ কয়েকটি ইউনিট কাজ করছে।
উল্লেখ্য, নিহত শাহজালাল সখীপুর উপজেলার হামিদ চৌরাস্তা বাজারে বিকাশ-ফেক্সিলোড ও কসমেটিক্সের ব্যবসা করতেন। ঘটনার রাতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে চাচা-ভাতিজা মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফেরার পথে রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে হত্যা কান্ডের শিকার হন। নিহতদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি মরদেহের পাশে পড়েছিল। গত বুধবার রাতে উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের বাঘেরবাড়ি বাংলাবাজার এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটেছে। নিহত মজনু মিয়া বাঘেরবাড়ি গ্রামের নবু মিয়ার ছেলে এবং শাহজালাল একই গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি ক্রমেই মারাত্মক আকার ধারন করছে। জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় ১৬ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে।
রবিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. মিনহাজ উদ্দিন মিয়া।
তিনি জানান, গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ১৬ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ৭ জন, নাগরপুর উপজেলায় ৪ জন, দেলদুয়ার উপজেলায় ২ জন, সখীপুর উপজেলায় ২ জন এবং মধুপুর উপজেলায় ১ জন। তারা স্থানীয় হাসপাতালে ও বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
সিভিল সার্জন আরও জানান, জেলায় এ পর্যন্ত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা দাড়িয়েছে ১৪২ জন। তাদের মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১০৭ জন। বিভিন্ন হাসপাতাল ও বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৩৫ জন।
ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় জেলার হাসপাতালগুলাতে ডেঙ্গু ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে স্কুল ছাত্রীকে অপহরণের পর জরুরী সেবা নম্বর ৯৯৯ ফোন করার পরও উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। উল্টো থানায় মিমাংসার জন্য সালিশি বৈঠকের আয়োজন করলেও অপহৃত স্কুল ছাত্রীকে নিয়ে হাজির হয়নি আসামীরা।
এঘটনায় স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে প্রধান আসামী সাদ্দাম হোসেনসহ (২৪), চারজনের নামে ভূঞাপর থানায় মামলা দায়ের করেন। এরআগে অপহরণের পর জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ ফোন করা হয়।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, উপজেলার অলোয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এক হিন্দু ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীকে কু-প্রস্তাব দেয় প্রতিবেশি বখাটে সাদ্দাম হোসেন। কিন্তু বখাটের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গত বুধবার ভোরে মেয়েটি প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘরের বাইরে বের হলে অপহরণকারী সাদ্দামসহ কয়েকজনে মিলে অপহরণ করে। এই ঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে সাদ্দামসহ অপহরণের সাথে জড়িত চারজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন। কিন্তু পুলিশ মেয়েটিকে উদ্ধার না করে মেয়েটির বাবাকে থানায় মিমাংসার জন্য প্রস্তাব দেয়। পরে পুলিশের কথামত গত শুক্রবার বিকেলে ওই মেয়েটির বাবাসহ পরিবারের লোকজন থানায় হাজির হলেও আসামীরা হাজির হয়নি।
এদিকে মেয়েটিকে না পেয়ে বিভিন্নজনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন অসহায় বাবা।
মেয়ের বাবা জানান, মেয়েকে প্রতিনিয়ত স্কুলের যাতায়াতের পথে উত্ত্যেক্ত করতে সাদ্দাম। বিষয়টি তার পরিবারকে জানালেও কোন প্রতিকার পায়নি। উল্টো তারা হুমকি দেয় বিয়ে দেয়ার জন্য। পরে গত বুধবার রাতে মেয়েকে অপহরণ করা হয়। এই ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিলেও মেয়েকে উদ্ধারে কোন উদ্যোগ নেই। প্রতিকার পেতে ৯৯৯ নম্বরেও ফোন করা হয়েছে। পরে পুলিশ মেয়েকে ফিরিয়ে আনা এবং মিমাংসার জন্য থানায় বসার আয়োজন করলেও আসামীরা হাজির হয়নি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভূঞাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জুম্মন খান বলেন, থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়ার পর তদন্ত করা হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে আসামীপক্ষ অলোয়া ইউনিয়ন পরিষদে বসার কথা জানালে মেয়ের পরিবার অস্বীকার করে। শুক্রবার বিকেলে থানায় বসার আয়োজন করা হলেও আসামীরা উপস্থিত হয়নি। পরে মেয়ের পরিবারকে থানায় অভিযোগ দেয়ার কথা বলা হয়েছে।
অলোয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রফিক বলেন, এসআই জুম্মন দুইপক্ষকে নিয়ে বসার কথা জানালে আমি তাতে মত দেই। কিন্তু অন্য একটি ইউনিয়নে সম্মেলন থাকার কারণে শনিবার বসার কথা জানানো হয়। কিন্তু পরবর্তিতে আর কিছু জানিনা। অন্যদিকে ছেলে পক্ষ থেকে মেয়েটি হিন্দু ধর্মত্যাগ করে ইসলাম ধর্মগ্রহণের নোটারী পাবলিক এবং বিয়ে হওয়ার কাবিন নামার ফটোকপি দিয়ে গেছে।
এবিষয়ে ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলামের মোবাইলে বারবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেনি।
অতিরিক্ত সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (কালিহাতী সার্কেল) শরিফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটির তদন্ত চলছে। তবে এই ঘটনা মিমাংসা যোগ্য না। মেয়েকে উদ্ধারে চেষ্টা অব্যাহত আছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে ঝিনাই নদীতে ইঞ্জিন চালিত পিকনিকের নৌকা থেকে পড়ে এরশাদ মিয়া (৩৫) নামের এক যবুক নিখোঁজ হয়েছেন।
শুক্রবার (২১ জুলাই) সকাল ১০ টার দিকে উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের বিলপাড়া সেতুর নিচে এঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ এরশাদ মিয়া উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের দাপনাজোর গ্রামের মৃত আব্দুল মান্নান মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আশরাফুজ্জামান বক্তার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এরশাদের ভাই লিটন মিয়া জানান, শুক্রবার সকালে তারটিয়া থেকে ইঞ্জিনচালিত পিকনিকের নৌকা মির্জাপুরের দিকে যাচ্ছিল। বাসাইল উপজেলা বিলপাড়া পৌঁছালে নৌকা থেকে সেতুর নিচে পড়ে নিখোঁজ হয়। সে সাতাঁর কাটতে পারে।পড়ে গিয়ে সে আর পানি থেকে উঠতে পারেনি। সেতুর সাথে এরশাদের মাথায় আঘাত লাগতে পারে ধারণা করছি। নদীতে অনেক স্রোত রয়েছে। নৌকাতে পিকনিকের ৩৫-৪০ জন লোক ছিল।
তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এসেছিল। নদীতে অনেক স্রোত থাকায় উদ্ধার অভিযান না চালিয়ে তারা ফিরে গেছেন।
বাসাইল উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শামীম আল মামুন জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। নদীতে অনেক স্রোত রয়েছে। শুনেছি ফায়ার সার্ভিসের লোকজন এসে উদ্ধার অভিযান না চালিয়ে ফিরে গেছেন।
একতার কণ্ঠঃ যমুনা নদীর বঙ্গবন্ধু সেতু এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে চার ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে নৌ পুলিশ। শুক্রবার(২১ জুলাই) যমুনা নদীর বেলুরচর এলাকা থেকে বালু উত্তোলনকালে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. মনিরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- ভূঞাপুর উপজেলার গাবসারা ইউনিয়নের নিকলাপাড়া গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে মো. বুজরত আলী(৪৫), একই গ্রামের নুর মোহাম্মদের ছেলে মো. সুজাব আলী(২৭), মো. আব্দুল মালেকের ছেলে মো. ওমর আলী(৩৮) এবং সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচি উপজেলার সুবর্ণ সারা গ্রামের আকবর আলী শেখের ছেলে মো. সালাম শেখ(২৮)।
এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. মনিরুল ইসলাম জানান, যমুনা নদীর বেলুরচর এলাকা থেকে অবৈধভাবে বাংলা ড্রেজারযুক্ত একটি নৌকায় বালু তোলা হচ্ছিল। নৌপুলিশের একটি টহল দল অভিযান চালিয়ে চোরাই বালু বোঝাই বাংলা ড্রেজারযুক্ত একটি কাঠের নৌকা জব্দ করা হয়। এ সময় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে উল্লেখিত চার ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়।
তিনি আরও জানান, গ্রেফতারকৃতদের নামে ২০১০ সালের বালুমহাল ও বালু ব্যবস্থাপনা আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু সেতু এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে নৌপুলিশের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ লক্ষ্মীপুর জেলা জাতীয়তাবাদী কৃষকদল নেতা সজীব হোসেনকে হত্যার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে বিএনপির শোক র্যালীতে পুলিশি বাঁধার অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার( ২০ জুলাই)বিকালে শহরের বেপারীপাড়া এলাকায় থেকে একটি শোক র্যালি বের করে জেলা বিএনপি।
র্যালিটি বেপারী পাড়া থেকে শান্তিকুঞ্জ মোড় দিকে যেতে চাইলে পুলিশ বাঁধা দেয়। পরে পুলিশি বাধায় মিছিলটি সামনের দিকে না গিয়ে পুনরায় বেপারীপাড়া এলাকায় গিয়ে পথসভার আয়োজন করে।
উক্ত পথসভায় বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল প্রমুখ।
শোক র্যালিতে অংশ নেয় সদর থানা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, শহর বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান আলীম, জেলা যুবদলের আহবায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ, জেলা মহিলাদলের সভাপতি নিলুফার ইয়াসমিন খানসহ
জেলা বিএনপি’র সহযোগী অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে পথসভা করেছে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী বীরমুক্তিযোদ্ধা মাসুদুল হক মাসুদ।
বৃহস্পতিবার (২০জুলাই) রাতে উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের বরর্শিলা বাজারে এই পথসভার আয়োজন করে ৫নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ।
গোপালপুর উপজেলা শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ফখরুদ্দিন শাহীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ও ভুঞাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং পৌর মেয়র মাসুদুল হক মাসুদ।
পথসভায় উপস্থিত ছিলেন, ভুঞাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সরন দত্ত, গোপালপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ–সভাপতি হারুন অর রশিদ তালুকদার গোপালপুর উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মীর রেজাউল হক, ভুঞাপুর উপজেলা যুগ্ম সম্পাদক সাহিনুল ইসলাম তরফদার বাদল, জেলা পরিষদের সদস্য খায়রুল ইসলাম তালুকদার বাবলু, পৌরসভা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল বাছেদ মন্ডল, অজুর্না ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আইয়ুব আলী মোল্লা, আলমনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আব্দুল হালিম উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বাক আশরাফুজ্জামান আজাদ, নজরুল ইসলামসহ গোপালপুর ও মির্জাপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীবৃন্দ।
পথসভায় বক্তারা বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ ও আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করতে বীরমুক্তিযোদ্ধা মাসুদুল হক মাসুদকে মনোনয়ন দেয়ার আহ্বান জানানো হয়।
পরে সরকার উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরে তৈরি লিফলেট বিতরণ করা হয় স্থানীয়দের মাঝে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে সহায়ক উপকরণ বিতরণ ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ জুলাই)সকালে সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের ফতেপুর রান ডেভেলপমেন্ট অটিষ্টিক ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রতিবন্ধী ছাত্রছাত্রীদের হাতে সহয়ক উপকরণ তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও )হাসান বিন আলী।
এ সময় ছাত্রছাত্রীদের মাঝে চারা গাছ বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে শামছুল আলমের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রান ডেভেলপমেন্ট অষ্টিটিক ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য ও এনটিভির স্টাফ করেসপন্ডেন্ট মহব্বত হোসেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোনিয়া নাসরিন ও বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি নুর আলম সিদ্দিকী ও ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মাসুদ পারভেজ ।
পরে প্রধান অতিথি বিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ঘুরে দেখেন এবং এ বিদ্যালয়ের উন্নয়নে সাধ্যমত সহযোগীতার আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠনে প্রতিবন্ধী ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক, শিক্ষক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরের কাকড়াজান ইউনিয়নের বাঘেরবাড়ি এলাকায় দুই ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দূর্বত্তরা।
বৃহস্পতিবার(২০ জুলাই )ভোরে স্থানীয়রা লাশ দুটি দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। স্থানীয়দের ধারণা, মধ্য রাতে এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
নিহতরা হলেন, সখীপুর উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের বাঘেরবাড়ি গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে শাহজালাল (৩৫) ও নবু মিয়ার ছেলে মজনু মিয়া (৪৫)।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায় , শাহজালাল বাঘেরবাড়ি বাংলা বাজারে মুদি দোকান ও বিকাশের ব্যবসা করতো। রাতে দোকান বন্ধ করে ওই দুই ব্যবসায়ী বাড়ির উদ্দেশ্য রওনা হয়। পরে তারা আর বাড়িতে ফিরেনি। মধ্যরাতে তারা একটি নির্জন স্থানে পৌছালে, দূর্বত্তরা তাদের মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করে। সকালে স্থানীয়রা লাশ দুটি দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। লাশ দুটির পাশে তাদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি পড়ে ছিল।
এ ব্যাপারে সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। পরে বিস্তারিত জানানো হবে।