একতার কণ্ঠঃ নারীদের জন্য দেশের সর্বোচ্চ সম্মাননা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক পেলেন টাঙ্গাইলের গর্ব, বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের স্ট্রাইকার কৃষ্ণা রাণী সরকার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট হতে এই পুরস্কার গ্রহণ করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টায় ঢাকা ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় নারী ফুটবল দলের সকল খেলোয়াড়কে এ পুরস্কার তুলে দেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
পদক পাওয়ার পর কৃষ্ণা রাণী সরকার বলেন, নারীদের জন্য সর্বোচ্চ পদক বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক পেয়ে অন্যরকম ভালোলাগা কাজ করছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পদকের পাশাপাশি জাতীয় দলের সকল খেলোয়াড়কে ১ লাখ টাকা করে প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রীর নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
কৃষ্ণা রাণী সরকারের মা নমিতা রানী জানান, আমার মেয়ে নারীদের সর্বোচ্চ সম্মাননা পদক পাওয়ায় আমি গর্বিত।
পদক পাওয়ার সংবাদে উচ্ছ্বসিত কৃষ্ণা রাণী সরকারের বাবা বাসুদেব সরকার জানান, আমার মেয়ে আগেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট হতে পুরস্কার পেয়েছে। বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক মেয়ের সেরা প্রাপ্তি। কৃষ্ণা বারবার দেশের জন্য সম্মান বয়ে নিয়ে আসবে, এটাই সবসময় আশির্বাদ করি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ৪র্থ পর্যায়ে (২য় ধাপ) ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ২ শতাংশ জমি সহ বরাদ্দকৃত ঘর সমূহ ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে উদ্বোধন ও হস্তান্তর উপলক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় ও সংবাদ সম্মেলন করেছে উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) দুপুরে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ওয়াহিদুজ্জামান জানায়, আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় বুধবার (৯ আগস্ট) নাগরপুরে তিনটি ইউনিয়নে মোট ৩৮ টি ঘর হস্তান্তর কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। এসব উপকার ভোগীদের মাঝে জমির দলিলসহ বাড়ির চাবিও হস্তান্তর করা হবে। ইতোমধ্যে সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রণয়ন শেষে তাদের অনুকূলে দলিলের নাম খারিজের কাজ শেষ হয়েছে।
উক্ত মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, নাগরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন, প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু বক্কর, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা’র সাধারণ সম্পাদক মো. আজিজুল হক বাবু, নাগরপুর প্রেসক্লাবের সদস্য খালেদ মাহমুদ সুজন, ইউসুফ হোসেন লেনিন, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা’র সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আশরাফুল হক বাবু, প্রচার সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ রিপন কুমার সাহা সহ উপজেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দরা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯৩তম জন্মবার্ষিকী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে ছিল- বঙ্গমাতার প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণ, আলোচনা সভা, সেলাই মেশিন বিতরণ, মোনাজাত ও দোয়া মাহফিল ইত্যাদি।
এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) সকালে জেলা প্রশাসনের জনসেবা চত্ত্বরে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণ করা হয়। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মো. ছানোয়ার হোসেন এমপি।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক শামীম আরা রিনি, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর,আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ফজলুল হক বীরপ্রতীক, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী প্রমুখ।
পরে দুস্থ মহিলাদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়।
এদিকে, জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে স্থাপিত বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে তাঁর ৯৩তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। এ সময় জেলা আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতারা ও এর সহযোগী এবং ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ সম্মেলনের দীর্ঘ ৯ মাস পর টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি। সোমবার (৭ আগস্ট) দলের সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশক্রমে এই কমিটির অনুমোদনপত্রে সই করেছেন সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
অনুমোদনপ্রাপ্ত টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক। সহ-সভাপতিরা হলেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা আনিসুর রহমান আনিস, ছানোয়ার হোসেন, ডা. কামরুল হাসান খান, নাহার আহমদ, শাহজাহান আনসারী, কুদরত-ই-এলাহি খান, বাপ্পু সিদ্দিকী, তারেক শামস খান হিমু, ইনসাফ আলী ওসমানী।
এছাড়া সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের। কমিটিতে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদ পেয়েছেন সুভাষ চন্দ্র সাহা, তানভীর হাসান ছোট মনির ও মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু।
আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস. আকবর খান, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আবু নাসের, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সোলায়মান হাসান। ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক নাজমুল হুদা নবীন, দপ্তর সম্পাদক খোরশেদ আলম, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ মিয়া (চান মিয়া), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সৈয়দ মাহমুদ তারেক পুলু, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বদিউজ্জামান ফারুক।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রেজাউর রহমান চঞ্চল, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শামীমা আক্তার, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আনোয়ার হোসেন, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক এহসানুল ইসলাম আজাদ (সর্দার আজাদ), শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মহসীন শিকদার, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আহসানুল ইসলাম টিটু। শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ওয়াজির হাসান খান শরীফ হাজারী, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এলেন মল্লিক, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক আ ন ম বজলুর রহিম রিপন।
সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, সাইফুজ্জামান খান সোহেল, খান আহমেদ শুভ।
উপ-দপ্তর সম্পাদক অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম, কোষাধ্যক্ষ বাহারুল ইসলাম মিন্টু।
কমিটির সদস্যরা হলেন আতাউর রহমান খান, অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ, সোহরাব আলী খান আরজু, মনোয়ারা বেগম, হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী, খন্দকার মমতা হেনা লাভলী, মাহবুব আলম মল্লিক, আবু হানিফ আজাদ, সিরাজুল হক আলমগীর, অ্যাডভোকেট শহীদুল ইসলাম, খন্দকার মসিউজ্জামান রুমেল, আকরাম হোসেন কিসলু, অ্যাডভোকেট শামীমুল আক্তার, আমিরুল ইসলাম খান, আব্দুল গফুর মন্টু, কুতুব উদ্দিন, মাহমুদুল হাসান মারুফ, হারুনার রশীদ হীরা, ডা. মির্জা নাহিদা হোসেন বন্যা, আনিসুল মান্নান শাহেদ, ইঞ্জিনিয়ার আতাউল মাহমুদ, ডা. মীর ফরহাদুল আলম মনি, খালিদ হোসেন খান পাপ্পু, ড. মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) খন্দকার আব্দুল হাফিজ, মাহমুদুর রহমান তালুকদার আজাদ, সাখাওয়াত হোসেন, ইয়াকুব আলী, জেবুন্নেছা চায়না, ডা. জাকিয়া ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী (মঈন সিদ্দিকী), সুজয় দেব, অ্যাডভোকেট মাসুদুল হাসান, রাফিউর রহমান ইউছুফ জাই, আমিনুল ইসলাম তালুকদার বিদ্যুৎ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কচুয়া গ্রামের গজারি বনে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় গ্রেপ্তারকৃত পাঁচ আসামির তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছে আদালত। টাঙ্গাইলের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বাদল কুমার চন্দ রবিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে এ আদেশ দেন।
জানা যায়, আসামিদের সবার বাড়ি উপজেলার কচুয়া গ্রামের দক্ষিণপাড়া এলাকায়। রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া আসামিরা হচ্ছে- বুলবুল আহমেদ (২৪), লাবু মিয়া (২৬), মোহাম্মদ বাবুল (৩০), আসিফ হোসেন (২৩) ও শফিক আহমেদ (২৫)। এছাড়া, গ্রেপ্তারকৃত অপর আসামী মোজাম্মেল হক (৩০) গত শুক্রবার ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) বিকেলে সখীপুর উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের কচুয়া দক্ষিণপাড়া এলাকায় চাঁদেরহাট নামক বিনোদনকেন্দ্রে বেড়াতে গিয়ে ফেরার পথে আসামিরা এক দম্পতিকে আটক করে গজারি বনে নিয়ে যান। এ সময় তারা স্বামীকে প্রহার ও বেঁধে রেখে দলবদ্ধভাবে তার স্ত্রীকে ধর্ষণ করে। ওই দিন রাত ১টার দিকে স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে ওই গৃহবধূ সখীপুর থানায় মামলা করেন। পুলিশ ওই রাতেই ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে। দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও সখীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সালাউদ্দিন জানান, শুক্রবার পাঁচ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করলে রবিবার রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করেন। আদালত শুনানি শেষে পাঁচ আসামির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
উল্লেখ্য, চাঁদের হাটের এলাকার বাইরে কচুয়ার বনে সংগঠিত এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত ৬ আসামী স্থানীয় কিছু বখাটে যুবক। এরা বেড়াতে আসা লোকজনকে, বিশেষ করে অপরিচিত যুগলকে টার্গেট করে আটক করে পাশের জঙ্গলে নিয়ে নির্যাতন করে। টাকা-পয়সা, মুঠোফোন ছিনতাইসহ নানা অপকর্ম ঘটায়। ইতিপূর্বে যারা ধরা পড়েছেন, তারা সবাই সরকারি দলের ছত্রচ্ছায়ায় ছিঁচকে সন্ত্রাসী। তাদের কেউ কেউ মাদক ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত, নেশাগ্রস্ত সন্ত্রাসী চক্র বলে জানা গেছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে বাস চাপায় রাহাত (২২) নামে মোটরসাইকেল আরোহী এক যুবক নিহত হয়েছে।
সোমবার(৭ আগষ্ট )বিকেলে উপেজলার গোলাবাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রাহাত উপজেলার টেকিপাড়া এলাকার জালালের ছেলে।
মধুপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুল ইসলাম জানান, বিকেলে বিনিময় পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস কেন্দুয়া থেকে মধুপুরে দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে বাসটি গোলাবাড়ি এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলকে সামনে থেকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহী রাহাত নিহত হয়। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।
তিনি আরও জানান,এ ঘটনায় ঘাতক বাসটিকে আটক করা গেলেও এর চালক পালিয়ে যায়। আইনী প্রক্রিয়া শেষে নিহতের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে গলায় ফাঁস দিয়ে মহিউদ্দিন (৩৫) নামে এক যুবককে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (৬ আগস্ট ) দুপুরে উপজেলার পারখী ইউনিয়নের আউলিয়াবাদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মহিউদ্দিন ওই গ্রামের মৃত ছোহরাব আলীর ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, রবিবার দুপুরে মহিউদ্দিন পরিবারের সবার অগোচরে ঘরের দরজা বন্ধ করে ঘরের ধন্নার সঙ্গে গলায় ফাঁস দেয়। পরে পরিবারের লোকজন তাকে খোঁজ করে এক পর্যায়ে নিজ কক্ষে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখতে পেয়ে ডাক চিকিৎকার করে।
পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। তবে কি কারনে সে আত্মহত্যা করেছে তা পরিবারের সদস্যরা কেউ বলতে পারেনি।
এ বিষয়ে কালিহাতী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইমাম জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
একতার কণ্ঠঃ পুষ্পস্ববক অর্পন, স্মৃতিচারণ, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণসহ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৪তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে শনিবার (৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামের সামনে শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী প্রমুখ।
সকাল ১১ টায় জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জীবনী নিয়ে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর,সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, জেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সহ-সভাপতি খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক জেলা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক বীর প্রতীক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার জহুরুল হক ডিপটি, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ বীর বিক্রম, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ।
এ সময় সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের আয়োজনে বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়ামে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৪তম জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা হয়।
বাদ জোহর জেলার সকল মসজিদে বিশেষ মোনাজাত ও সুবিধাজনক সময়ে সকল মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। বিকেল ৪ টায় টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়।
এর আগে গত ২ থেকে ৪ আগস্ট টাঙ্গাইল শিশু একাডেমিতে রচনা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটুর মতবিনিময় ও প্রেসক্লাব মিলনায়তনের তিনটি সাউন্ড সিস্টেমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার (৫ আগষ্ট) দুপুরে প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু কনভেনশন সেন্টারে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটু।
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, জেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সহ-সভাপতি খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, দেলদুয়ার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহমুদুল হাসান মারুফ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক কাজী জাকেরুল মওলা।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ফজলুল হক বীর প্রতীক, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আবুল কালাম আজাদ বীর বিক্রম, নাগরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি )সাজ্জাদ হোসেন প্রমূখ।
পরে অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর জ্যেষ্ঠ পুত্র বিশিষ্ট ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সংগঠক বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপটেন শেখ কামালের ৭৪ তম জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা হয়। কেক কাটা শেষে অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনের সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটু মধ্যাহ্ন ভোজে অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় টাঙ্গাইল জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং নাগরপুর ও দেলদুয়ার উপজেলার আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হ্যাস বলেছেন, দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার প্রতিষ্ঠিত কুমুদিনী কমপ্লেক্সে অবস্থিত সেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলি খুব ভাল কাজ করছে। এখানকার প্রতিষ্ঠানগুলো দেখে আমি খুবই মুগ্ধ।
শনিবার(৫ আগষ্ট )সকালে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কুমুদিনী কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ কথা বলেন।
এসময় সাংবাদিকরা দেশের সাম্প্রদিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি মন্তব্য না করেই স্থান ত্যাগ করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত স্ত্রী এমিকে সঙ্গে নিয়ে ১১ সদস্যের প্রতিনিধি দল সকাল ৯টা ৫০মিনিটে কুমুদিনী কমপ্লেক্সে এসে পৌছালে কুমুদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহা ফুল দিয়ে তাদের স্বাগত জানান।
এসময় কুমুদিনী ওয়েল ফেয়ার ট্রাস্টের পরিচালক শ্রীমতি সাহা, সম্পা সাহা, মহবীর পতি, কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. আব্দুল হালিম, কুমুদিনী হাসপাতালের পরিচালক ডা. প্রদীপ কুমার রায়, কুমুদিনী হাসপাতালের ডেপুটি ম্যানেজার (অপারেশন) অনিমেষ ভৌমিক লিটন।
এর আগে কুমুদিনী লাইব্রেরীতে চা চক্র শেষে রাষ্ট্রদূত কুমুদিনী মিলনায়তনে যান। সেখানে কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা দানবীর রণদা প্রসাদ সাহা ও প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমের ওপর একটি প্রামান্য চিত্র দেখেন।
এরপর মার্কিন রাষ্ট্রদূত কুমুদিনী হাসপাতাল, কুমুদিনী নাসিং স্কুল এন্ড কলেজ, ভারতেশ্বরী হোমস, কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে অটো ভ্যানকে ওভারটেক করতে গিয়ে প্রাইভেটকার মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত হয়েছে।
শনিবার (৫ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার কালিহাতী-বল্লা আঞ্চলিক সড়কের কালিহাতী পৌর এলাকার কামার্থীতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন,মোটরসাইকেল চালক উপজেলার বীরবাসিন্দা ইউনিয়নের বীর বাসিন্দা গ্রামের দেলোয়ারের ছেলে জাকির (২৮) ও একই গ্রামের আরফান আলীর ছেলে আসাদুজ্জামান (২০)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুরে উপজেলার কালিহাতী-বল্লা আঞ্চলিক সড়কের চারান এলাকা থেকে মোটরসাইকেলটি কালিহাতী বাসস্ট্যান্ডের দিকে যাচ্ছিল।একই সময় প্রাইভেটকারটি কালিহাতী বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে চারানের দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে কামার্থী এলাকায় পৌঁছলে মোটরসাইকেলটি একটি অটোভ্যানকে ওভারটেক করতে গিয়ে প্রাইভেটকারের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
এসময় মোটরসাইকেলের চালক জাকির ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের আরোহী আসাদুজ্জামান গুরুত্বর আহত হলে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে সেখানে তার অবস্থার আরো অবনতি ঘটলে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনিও মারা যান।
কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, এঘটনায় মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারটি পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।
তিনি আরও জানান,এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ: টাঙ্গাইলে সখীপুরের বাসিন্দা মোস্তফা স্থানীয় একটি সমিতি থেকে উচ্চ সুদে ঋণ নেন। ঋণের টাকা পরিশোধে মনোহারি ও মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবসায়ী শাহজালালের কাছ থেকে অর্থ লুটের পরিকল্পনা করেন তিনি।
সে অনুযায়ী দোকান থেকে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফেরার পথে শাহজালালের পথরোধ করে হামলা চালান মোস্তফা ও তার সহযোগী আলামিন। শাহজালালকে রড দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে হত্যা করা হয়।
এ সময় শাহজালালের চাচা মজনু মিয়া সঙ্গে থাকায় তাকেও একইভাবে হত্যা করা হয়।
১৯ জুলাই ক্লুলেস ও বহুল আলোচিত টাঙ্গাইলের সখীপুরে নৃশংসভাবে ব্যবসায়ী শাহজালাল ও তার চাচা মজনু খুনের ঘটনায় মোস্তফা মিয়া (২০) ও আলামিনকে (২৭) গ্রেপ্তারের পর এসব তথ্য জানিয়েছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
র্যাব জানায়, জোড়া খুনের ঘটনায় নিহত শাহজালালের বাবা বাদী হয়ে টাঙ্গাইলের সখীপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে র্যাব জড়িতদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ায়।
এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) রাতে র্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা ও র্যাব-১৪ এর অভিযানে ঢাকার মোহাম্মদপুর ও টাঙ্গাইলের সখীপুর এলাকা থেকে হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী মোস্তফা মিয়াসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
শুক্রবার (৪ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজার র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।
তিনি জানান, ভিকটিম শাহজালাল টাঙ্গাইলের সখীপুরের হামিদপুর বাজারে দীর্ঘদিন ধরে মনোহারি ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ব্যবসা করে আসছিলেন। তিনি হামিদপুর বাজারের একজন জনপ্রিয় ও অতিপরিচিত ব্যবসায়ী। শাহজালালের চাচা ভিকটিম মজনু মিয়া এলাকায় কৃষি কাজ করতেন। মজনু মিয়া কৃষি কাজের পাশাপাশি মাঝে মধ্যে শাহজালালকে ব্যবসায়িক কাজে দোকানে সহযোগিতা করতেন।
শাহজালাল ব্যবসায়িক কার্যক্রম শেষে প্রায় রাতের খাবার খেতে বাড়িতে যেতেন। তিনি মাঝে মধ্যে রাতে বাড়িতে থাকতেন আবার দোকানেও থাকতেন। যেদিন তিনি বাড়িতে থাকতেন সেদিন ব্যবসায়িক লেনদেনের টাকা বাড়িতেই রাখতেন।
ঘটনার দিন শাহজালাল দোকান বন্ধ করে বাড়িতে যাচ্ছিলেন। চাচা মজনু মিয়াকে রাস্তায় দেখতে পেয়ে মোটরসাইকেলে উঠিয়ে নেন। পথিমধ্যে নৃশংসভাবে হত্যাকাণ্ডের স্বীকার হন তারা।
গ্রেপ্তারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে র্যাবের এ কর্মকর্তা জানান, মোস্তফার পরিকল্পনা ও নেতৃত্বে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। মোস্তফা ও আলামিন দুজনেই স্থানীয় একটি সমিতির সদস্য ছিলেন। মোস্তফা সমিতি থেকে উচ্চ সুদে বেশ কিছু টাকা ঋণ নেন। ঋণের টাকা পরিশোধ ও পারিবারিক খরচ বহনের জন্য তার বেশ কিছু অর্থের প্রয়োজন ছিল। ভিকটিম শাহজালাল যেদিন বাড়িতে রাত্রি যাপন করতেন সেদিন ব্যবসায়িক লেনদেনের টাকা বাড়িতেই রাখতেন। এ বিষয়টি মোস্তফা ও আলামিন জানতেন।
শাহজালালের বাড়ি ফেরার পথে আক্রমণ করে টাকা ছিনিয়ে নিতে পরিকল্পনা করেন মোস্তফা। বিষয়টি আলামিনকে জানালে তিনি সম্মতি দেন।
পরিকল্পনা অনুযায়ী, গত ১৯ জুলাই রাত ১০ টার দিকে মোস্তফা ও আলামিন সখীপুরের বাঘের বাড়ি এলাকায় জামালের চালায় নির্জন জঙ্গলে ওৎ পেতে থাকেন। শাহজালাল মোটরসাইকেলে করে তার চাচা মজনু মিয়াকে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে মোস্তফা মোটরসাইকেলের গতিরোধ করেন। মোস্তফা ভিকটিম শাহজালালকে লোহার রড দিয়ে মাথায় আঘাত করেন।
ভিকটিম শাহজালাল মাটিতে লুটিয়ে পড়লে শরীরের বিভিন্ন স্থানে উপর্যুপরি আঘাত করতে থাকেন। মজনু মিয়া চিৎকার করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে আলামিন লোহার রড দিয়ে তার মাথা ও শরীরে আঘাত করেন।
পরে মোস্তফা ও আলামিন তাদের এলোপাতাড়ি আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। আলামিন ভিকটিমদের সঙ্গে থাকা মোটরসাইকেলটি পাশের একটি জমিতে ফেলে দেন এবং শাহজালালের দুটি মোবাইল ফোন নিয়ে নেন।
পরে তারা টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও ঢাকায় আত্মগোপন করেন। মোস্তফা টাঙ্গাইল ও আলামিন ঢাকার মোহাম্মদপুরে আত্মগোপনে থাকাকালীন তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।