/ হোম / আমাদের টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে সড়ক ভেঙে যানচলাচল বন্ধ; ভোগান্তি চরমে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সড়ক ভেঙে যানচলাচল বন্ধ; ভোগান্তি চরমে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাতুলী ইউনিয়নের ধলেশ্বরী নদীর উপর নির্মিত ঝুঁকিপূর্ণ চারাবাড়ি এসডিএস সেতু সংলগ্ন সড়ক ভেঙে পড়ায় যানচলাচল বন্ধ রয়েছে। শনিবার (১২ আগস্ট) সকালে সড়কের একটি অংশ ভেঙ্গে নদী গর্ভে বিলীন হয়। এতে বিপাকে পড়েছে টাঙ্গাইল সদরের পশ্চিম অঞ্চলের লাখো মানুষ।

অবশ্য টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী মো.সাজ্জাদ হোসেন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

সরেজমিনে শনিবার দুপুরে গিয়ে দেখা যায়, সেতু সংলগ্ন সড়কের অর্ধেকের বেশি অংশ ভেঙ্গে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ফলে এপারের যানবাহন ওপারে যেতে পারছেনা। সাধারণ মানুষ পায়ে হেটে যেতে পারলেও যানবাহন সেতুর দুই পাশে দাড়িয়ে আছে।

এতে ভোগান্তিতে পড়েছে, হুগডা, কাকুয়া, মাহমুদনগর, পোড়াবাড়ি ও কাতুলী ইউনিয়নসহ পাশ্ববর্তী সিরাজগঞ্জ জেলার লাখ-লাখ মানুষ।

স্থানীয়রা জানায়, সেতু নির্মাণের পর থেকেই বালু ব্যবসায়ীরা নদী থেকে অবৈধ বাংলা ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করায় অতীতেও এ সেতুর অ্যাপ্রোজ ধসে পড়ে। পরে এলজিইডি পুনরায় অ্যাপ্রোজ নির্মাণ করে। এরপরও থেমে থাকেনি বালু ব্যবসায়ীদের থাবা। সুযোগ পেলেই রাতের আঁধারে বালু বিক্রি করায় সম্প্রতি নদীতে পানি কমার সাথে-সাথে শনিবার সকালে সড়কের একটি অংশ ভেঙ্গে নদীতে পড়ে।

তারা আরো জানায়, সকাল হলেই আমাদের এই ব্রীজ দিয়ে চলাচল করতে হয়। টাঙ্গাইল শহরের সাথে টাঙ্গাইল সদরের পশ্চিম চরাঞ্চলের মানুষের যোগাযোগের একমাত্র সড়ক এটি। বিপুল পরিমান টাকা খরচ করে সরকার চরাঞ্চলের মানুষের চলাচলের সুযোগ করে দিয়েছে। আর এই ব্রীজটির পাশ থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন বন্ধ ও কোন স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা না হলে প্রতি বছরই এই ভোগান্তি হবে। পাশেই আমাদের তোরাপগঞ্জ সেখান থেকে পরিবহনের ষ্ট্যান্ড সেটি শনিবার থেকে বন্ধ হল। বন্ধ হলো ব্যবসা বানিজ্য। তাই দ্রুত মেরামতের কাজ করে যোগাযোগের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে কাতুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.ইকবাল হোসেন জানান, প্রতি বছরই শুকনো মৌসুমে ব্রীজের পাশে মাটি কাট হয়। যার কারণে ব্রীজের পাশে প্রতি বছরই ভেঙে যায়। এই ব্রীজ দিয়ে যেসমস্ত যানবাহন চলাচল করতো সেটি শনিবার সকাল থেকে বন্ধ রয়েছে। সড়কটি দ্রুত সংস্কার করার জন্য সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানান।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয় বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী মো.সাজ্জাদ হোসেন জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাবো। পরিদর্শন শেষে সেখানে দ্রুত জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধ করে যোগাযোগের ব্যবস্থা পুনরায় চালু করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. অগাস্ট ২০২৩ ০৩:২৭:এএম ৩ বছর আগে
কুমুদিনী কমপ্লেক্স পরিদর্শনে ব্রিটিশ হাই কমিশনার - Ekotar Kantho

কুমুদিনী কমপ্লেক্স পরিদর্শনে ব্রিটিশ হাই কমিশনার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে কুমুদিনী কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাই কমিশনার সারাহ কুক।

এ সময় তিনি বলেছেন, কুমুদিনী কমপ্লেক্সে অবস্থিত সেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলি খুব ভাল কাজ করছে। এখানকার প্রতিষ্ঠানগুলো দেখে আমি খুবই মুগ্ধ।

শনিবার(১২ আগষ্ট )সকালে কুমুদিনী কমপ্লেক্স পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এ কথা বলেন ব্রিটিশ হাই কমিশনার।

সাংবাদিকরা দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করলে এড়িয়ে যান ব্রিটিশ হাই কমিশনার।

এ সময় কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহা ফুল দিয়ে তাদের স্বাগত জানান।
কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের পরিচালক শ্রীমতি সাহা, সম্পা সাহা, মহবীর পতি, কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. আব্দুল হালিম, কুমুদিনী হাসপাতালের পরিচালক ডা. প্রদীপ কুমার রায়, কুমুদিনী হাসপাতালের ডেপুটি ম্যানেজার (অপারেশন) অনিমেষ ভৌমিক লিটন উপস্থিত ছিলেন।

কুমুদিনী কমপ্লেক্স বাংলাদেশের জনকল্যাণমূলক সংগঠন কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের সদরদপ্তর।

উল্লেখ্য,শিল্পপতি সমাজসেবক শহীদ রণদা প্রসাদ সাহা ১৯৪৭ সালে মা কুমুদিনীর স্মরণে এ ট্রাস্ট প্রতিষ্ঠা করেন। সে সময় থেকে এ সংস্থা বাংলাদেশের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের প্রধান জনকল্যাণকর কার্যক্রমগুলো হল-কুমুদিনী হাসপাতাল (মির্জাপুর), নার্সিং স্কুল, মহিলা মেডিকেল কলেজ, ভিলেজ আউটরিচ প্রোগ্রাম, ভারতেশ্বরী হোমস, ট্রেড ট্রেনিং স্কুল, কুমুদিনী হ্যান্ডিক্রাফ্টস প্রভৃতি।

মানব সেবায় অবদানের জন্য ১৯৮৪ সালে এটিকে ‘সমাজসেবায়’ স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. অগাস্ট ২০২৩ ০১:৪৬:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে চলন্ত ট্রেনে ছিনতাই করতে গিয়ে প্রাণ গেল  যুবকের - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে চলন্ত ট্রেনে ছিনতাই করতে গিয়ে প্রাণ গেল যুবকের

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে চলন্ত ট্রেনে ছিনতাই করতে গিয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে আরিফ সিদ্দিকী (৩৩) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (১২ আগস্ট) সকালে জয়দেবপুর-বঙ্গবন্ধু সেতু রেলসড়কের মির্জাপুর রেলস্টেশন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত আরিফ সিদ্দিকী উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের গোড়াইল গ্রামের কাইয়ুম সিদ্দিকীর ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আরিফ সিদ্দিকীসহ স্থানীয় কয়েকজন মাদকাসক্ত ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর বাইপাস ও মির্জাপুর রেলস্টেশন এলাকায় যানবাহন এবং ট্রেন স্টেশন এলাকায় যাত্রীদের মোবাইল ফোনসহ মালামাল ছিনতাই করে আসছিলেন। শনিবার ভোরের দিকে সংঘবদ্ধ চক্রটি রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনে ছিনতাই করতে গেলে চলন্ত ট্রেনে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই আরিফ সিদ্দিকীর মৃত্যু হয়।

মির্জাপুর রেল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার মো. কামরুল হাসান সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, রেল পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে গেছে। দুর্ঘটনাস্থল থেকে একটি ছুরি ও মোবাইলের তিনটি কভার উদ্ধার করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. অগাস্ট ২০২৩ ০১:০৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রবাসী স্বামীর দায়ের কোপে প্রাণ গেল প্রবাসী স্ত্রীর - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রবাসী স্বামীর দায়ের কোপে প্রাণ গেল প্রবাসী স্ত্রীর

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে প্রবাসী স্বামীর দায়ের কোপে নিহত হয়েছেন প্রবাসী স্ত্রী। শনিবার (১২ আগস্ট) উপজেলার ডুবাইল ইউনিয়নের বর্ণী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, বর্ণী গ্রামের সিদ্দিক পালোয়ানের ছেলে ইরাক প্রবাসী রুবেল পালোয়ানের (৩৫) সঙ্গে কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া থানার তারাকান্দি গ্রামের মৃত মোক্তার উদ্দিনের মেয়ে জর্ডান প্রবাসী রুবি আক্তারের (২৭) প্রবাসে থাকা অবস্থায়ই প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এ বছরের ২৯ এপ্রিল রুবেল ইরাক থেকে দেশে চলে আসেন।

এদিকে ১ মে রুবি জর্ডান থেকে দেশে আসেন। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রুবিকে রিসিভ করে নিজ বাড়ি দেলদুয়ারের বর্ণিতে নিয়ে আসেন রুবেল।

সেখানে ২ মে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। পরে রুবেল সস্ত্রীক শ্বশুরবাড়ি কিশোরগঞ্জে বেড়াতে যান। স্ত্রীকে শ্বশুরবাড়ি রেখে রুবেল নিজ এলাকায় চলে আসেন। স্বামী তাকে আনতে না যাওয়ায় ২০ জুন রুবি একাই বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়ি চলে আসেন। এর পর টাকা লেনদেন নিয়ে তাদের মধ্যে একাধিক সময় বাগবিতণ্ডা হয়। ৩ আগস্ট রুবিকে আবার বাবার বাড়ি রেখে আসেন রুবেল। স্বামী না যাওয়ায় ১০ আগস্ট রুবি আবার একাই স্বামীর বাড়ি চলে আসেন। ১১ আগস্ট শুক্রবার ওই টাকার হিসাব নিকাশ নিয়ে তাদের মধ্যে ফের বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে রুবেল দা দিয়ে রুবির মাথায় একাধিক কোপ দেয়। এতে রুবি গুরুতর আহত হলে প্রথমে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (১২ আগস্ট) সকালে রুবি মারা যান।

দেলদুয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাছির উদ্দিন মৃধা জানান, অভিযুক্ত স্বামী রুবেলকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থাপিত ক্যাম্পের দায়িত্বরত পুলিশ আটক করেছে। থানায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. অগাস্ট ২০২৩ ১২:৪৭:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে “ব্লোমিং বিউটি বাই মুন’র স্কিন কেয়ার” শোরুম উদ্বোধন করলেন অপু বিশ্বাস - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে “ব্লোমিং বিউটি বাই মুন’র স্কিন কেয়ার” শোরুম উদ্বোধন করলেন অপু বিশ্বাস

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরে ব্লোমিং বিউটি বাই মুন’র স্কিন কেয়ার শোরুম উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (১১ আগস্ট) বিকেলে পৌর শহরের রেজিস্ট্রি পাড়ায় অবস্থিত সাফ শক্তি টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায় ব্লোমিং বিউটি বাই মুন’র স্কিন কেয়ারের শোরুম ফিতা ও কেক কেটে উদ্বোধ করেন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস।

এসময় উপস্থিত ছিলেন মডেল বারিশা হক, টাঙ্গাইল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশীদ, ব্লোমিং বিউটি বাই মুন’র স্বত্বাধিকারী মুন ভুইয়ান প্রমুখ।

চলচ্চিত্র অভিনেত্রী অপু বিশ্বাসকে দেখতে শত শত নারী-পুরুষ ভিড় করেন।

উদ্বোধন শেষে চলচ্চিত্র অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস বলেন, টাঙ্গাইলের রাস্তা পার হয়ে আমার জন্মস্থান উত্তরবঙ্গে বগুড়া যেতে হয়। টাঙ্গাইলের সাথে আমার ছোট বেলা থেকে একটা ভালো পরিচয় ছিল, সেটা রাস্তার সাথে। আজকে ব্লোমিং বিউটি বাই মুন’র স্বত্বাধিকারী মুনের প্রতিষ্ঠানে আসতে পেরে অনেক ভালো লাগছে।

আপু বিশ্বাস আরও বলেন, আমার লাল শাড়ীর সিনেমার সাথে টাঙ্গাইলের একটা যোগসূত্র আছে যেখান থেকে চিন্তা ধারা। সেই চিন্তা ধারা থেকেই লাল শাড়ী সিনেমা সৃষ্টি হয়েছে। টাঙ্গাইলে এসে অনেক ভালো লাগছে। আমি প্রিয়তমা ছবি দেখেছি আমার ফেসবুকে ছবিও পোস্ট করেছিলাম। প্রিয়তমা সিনেমা আপনাদের ভালোবাসার সিনেমা হিসেবে দাঁড়িয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. অগাস্ট ২০২৩ ০১:০১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে একদিনে সর্বোচ্চ ৫৭ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে একদিনে সর্বোচ্চ ৫৭ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে দিন দিন বেড়েই চলছে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে ৫৭ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। এতে জেলায় একদিনে সর্বোচ্চ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলো।

বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) সকাল পর্যন্ত জেলায় মোট ৮৪৮ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলো। আক্রান্তরা জেলা শহরের হাসপাতাল ছাড়াও বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এদিকে ডেঙ্গু জেলা শহরের বাইরে গ্রাম অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়েছে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এর আগে জেলায় গত ১ আগস্ট সর্বোচ্চ ৫৩ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলো। জেলায় এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৪৮ জন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন ৬৯৮ জন। হাসপাতালে একজন রোগী মৃত্যুবরণ করেছেন। হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৫০ জন রোগী। জেলা শহরের বাইরে উপজেলা পর্যায়ে সবার্ধিক ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে নাগরপুর উপজেলায়।

নতুন আক্রান্তদের মধ্যে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ১, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ২৪ জন, মির্জাপুরের কুমুদিনী হাসপাতালে ২ জন, সদরে ১ জন, নাগরপুরে ৯ জন, ঘাটাইলে ৩ জন, মধুপুরে ৭ জন, গোপালপুরে ৬ জন এবং ধনবাড়ী উপজেলায় ৪ জন রয়েছেন।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. খন্দকার সাদেকুর রহমান জানান, বর্তমানে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি মানুষের ঘরবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন রাখতে হবে। জমানো পানি পরিষ্কার রাখতে হবে। যাতে করে ডেঙ্গু বিস্তার করতে না পারে। আক্রান্ত রোগীদের জন্য মশারি টাঙিয়ে আলাদা ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. অগাস্ট ২০২৩ ০২:৪৯:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে জাল দলিল করে জমি ক্রয়-বিক্রয়, ৪ চিকিৎসকসহ ১০জন কারাগারে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জাল দলিল করে জমি ক্রয়-বিক্রয়, ৪ চিকিৎসকসহ ১০জন কারাগারে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের পৌর এলাকার সাবালিয়ায় জাল কাগজপত্র তৈরি করে জমি ক্রয়-বিক্রয়ের অভিযোগে চার চিকিৎসকসহ ১০জনকে জেলহাজাতে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার (৯ আগস্ট) বিকেলে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল মোহসীন এ আদেশ দেন।

কারাগারে যাওয়া চার চিকিৎসক হলেন- টাঙ্গাইল জেলা বিএমএ-এর সাধারণ সম্পাদক সিলেট মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. মো. শহিদুল্লাহ কায়সার, তার স্ত্রী ডা. আসমা আক্তার, টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার আজিজুল হক, গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার তাপস চন্দ্র সাহা।

এছাড়া অন্যরা হলেন- ডা. তাপস চন্দ্র সাহার স্ত্রী মুক্তা রানী প্রামাণিক, মো. ওয়ারেস, আতোয়ার রহমান, মামুনুর রহমান, আব্দুল্লা আল মিলন ও সুলতানা ইয়াসমিন।

আদালত পরিদর্শক তানভীর আহমেদ জানান, শহরের সাবালিয়া এলাকার সাজ্জাত হোসেন চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়েরকৃত মামলায় অভিযোগ করেন, বিবাদিরা টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৮নং ওয়ার্ডের সাবালিয়া এলাকায় তাদের ১০ শতাংশ জমি জাল পর্চা তৈরি করে ক্রয় বিক্রয় করেছেন।

তিনি আরও জানান, বুধবার মামলার তারিখে আসামিরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করেন। আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. অগাস্ট ২০২৩ ০৪:৫২:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় মাদ্রাসা ছাত্র নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সড়ক দুর্ঘটনায় মাদ্রাসা ছাত্র নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর-এলেঙ্গা আঞ্চলিক সড়কে সিএনজিতে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় মো. আসাদ (১৪) নামের এক মাদ্রাসা ছাত্র নিহত হয়েছে।

বুধবার (৯ আগস্ট) দুপুরে ভূঞাপুর-এলেঙ্গা আঞ্চলিক সড়কের কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের পালিমা নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান।

নিহত আসাদ মির্জাপুর উপজেলার ওয়ার্সি গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে। সে ভূঞাপুর উপজেলার আসাদুজ্জামান খান হাফিজিয়া মাদরাসার ছাত্র ছিল।

নিহতের পিতা জাহাঙ্গীরের বন্ধু ওয়াহেদুজ্জামান পলাশ স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানান, নিহতের ফুফু ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। জাঙ্গাঙ্গীর বুধবার দুপুরে ভূঞাপুর থেকে তার ছোট মেয়ে ও ছেলে আসাদকে সঙ্গে নিয়ে সিএনজি যোগে তার অসুস্থ বোনকে দেখার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে যাওয়ার পথে আঞ্চলিক সড়কের পালিমা নামক স্থানে পৌঁছালে একটি পিকআপ ভ্যান পেছন থেকে তাদের বহনকারী সিএনজিকে ধাক্কা দিলে তারা সিএনজি থেকে ছিটকে পড়ে যায়।

তিনি আরও জানান, স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক আসাদকে মৃত ঘোষণা করে। তার বড় বোন আকসা গুরুতর আহত হয়ে ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছে। এছাড়া বাবা জাহাঙ্গীর হোসেন সুস্থ্য রয়েছেন।

এ বিষয়ে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, আসাদের মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি আরও জানান, ঘাতক পিকআপ ভ্যানটি আটক করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. অগাস্ট ২০২৩ ০২:১১:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে প্রত্যয়নপত্র চাওয়ায় মাদরাসা শিক্ষককে লাঞ্ছিতের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে প্রত্যয়নপত্র চাওয়ায় মাদরাসা শিক্ষককে লাঞ্ছিতের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে প্রত্যয়নপত্র (অভিজ্ঞতার সনদ) চাওয়ায় লাঞ্ছিত হওয়ার অভিযোগ করেছে আনোয়ার হোসেন নামে ভুক্তভোগি এক মাদরাসার শিক্ষক। তিনি উপজেলার সিংগুরিয়া দাখিল মাদরাসার সহকারী শিক্ষক (ইংরেজি) হিসেবে কর্মরত।

এমন অভিযোগ উঠেছে মাদরাসা পরিচালনা কমিটির বিদ্যোৎসাহী সদস্য লিয়াকত তালুকদার, অভিভাবক সদস্য বাবুল মন্ডল ও মনিরের বিরুদ্ধে। এছাড়াও ওই মাদরাসায় ১০ বছরের বেশি সময় ধরে শিক্ষকতা করলেও সহকারী শিক্ষক আনোয়ার হোসেনকে প্রত্যয়নপত্র দিচ্ছে না মাদরাসা কর্তৃপক্ষ।

ভুক্তভোগি সহাকারী শিক্ষক আনোয়ার হোসেন জানান, সম্প্রতি মাদরাসার পার্শ্ববর্তী সিংগুরিয়া লোকের পাড়া স্যার আব্দুল হালিম গজনবী উচ্চ বিদ্যালয়ে সহাকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। সেক্ষেত্রে অন্য প্রতিষ্ঠানে আবেদন করার জন্য কর্মরত প্রতিষ্ঠানের প্রত্যয়নপত্র আবেদনপত্রের সাথে সংযুক্ত করে দিতে হয়। বিষয়টি মাদরাসার সুপার ও সভাপতিকে অবহিত করলে গত ২৬ জুলাই মাদরাসায় মিটিং আহবান করা হয়।

তিনি আরও বলেন, মিটিংয়ে প্রত্যায়ন প্রদানের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়। আলোচনার একপর্যায়ে কমিটির বিদ্যোৎসাহী সদস্য লিয়াকত তালুকদার, অভিভাবক সদস্য বাবুল মন্ডল ও মনির সঙ্গে তর্কবিতর্ক ঘটলে লাঞ্ছিত করে। কমরর্ত এ প্রতিষ্ঠানে ১০ বছরের বেশি সময় ধরে চাকরি করলেও নানা অজুহাতে আমাকে প্রত্যয়নপত্র দিচ্ছে না। ফলে অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারছি না।

এ বিষয়ে মাদরাসার বিদ্যোৎসাহী সদস্য লিয়াকত তালুকদার ও অভিভাবক সদস্য বাবুল মন্ডলকে একাধিবার মোবাইল ফোন কল করলেও রিসিভ করেননি।

মাদরাসার প্রধান (সুপার) মো. আবুবকর সিদ্দিক বলেন, ইংরেজি শিক্ষক সংকট
থাকায় প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে তাকে প্রত্যায়ন বা অভিজ্ঞতার সনদ দেওয়া হয়নি। তাছাড়া সভাপতির অনুমতি লাগবে।

এ ব্যাপারে মাদরাসার সভাপতি আলহাজ লায়ন মো. ইমদাদুল হক বলেন, মাদরাসার
স্বার্থে তাকে প্রত্যয়নপত্র দেওয়া হচ্ছে না। বিষয়টি পরে দেখা হবে।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, প্রত্যয়নপত্র আটকিয়ে রাখার কোনো বিধান নেই। বিষয়টি জানলাম। এনিয়ে সুপারের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. অগাস্ট ২০২৩ ০২:৫৮:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার কথা বলে কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার কথা বলে কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে জাতীয় পরিচয়পত্র দেওয়ার কথা বলে এক কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক ইউপি সদস্য শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

বুধবার (৯ আগস্ট) ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) সজল খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে ইউপি সদস্য শহীদুল ও তার সহযোগী কাজলের বিরুদ্ধে ঘাটাইল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।

অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম উপজেলার লোকেরপাড়া ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য।

ভুক্তভোগীর মা জানান, আমার মেয়ের চাকরির জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র প্রয়োজন। পরে জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির জন্য আমার মেয়ে ইউপি সদস্য শহিদুলের সঙ্গে ইউনিয়ন পরিষদে যায়। এ সময় ইউনিয়ন পরিষদ বন্ধ থাকায় শহিদুল আমার মেয়েকে মিথ্যা কথা বলে, তার এক বন্ধুর বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে।

ভুক্তভোগী জানান, শহিদুল মেম্বারের সঙ্গে আমি আমার জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করার জন্য ইউনিয়ন পরিষদে গিয়ে দেখি, ইউনিয়ন পরিষদ তালা বদ্ধ। পরে শহিদুল মেম্বার আমাকে বলে তার বন্ধু জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরির কাজ করে। এ সময় আমাকে নিয়ে সেই বাড়িতে যায়। এ সময় ঘরের ভেতর প্রবেশ করার পর সে দরজা বন্ধ করে দেয় এবং আমাকে ধর্ষণ করে। পরে আমাকে বিয়ে করবে বলে আশ্বাস দেয়। আমি একজন অসহায় মেয়ে। আমার পরিবারে মা ছাড়া আর কেউ নেই। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।

অভিযুক্ত ইউপি সদস্য শহিদুলের মোবাইল বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

ঘাটাইল অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) সজল খান জানান, এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কলেজছাত্রী মামলা দায়ের করেছেন। ইতোমধ্যে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অগাস্ট ২০২৩ ১১:১৯:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কিশোরী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কিশোরী ধর্ষণ মামলায় যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে কিশোরী ধর্ষণ মামলায় লিটন মিয়া (২০) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার(৯ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মাহবুবুর রহমান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি লিটন মিয়া জেলার মধুপুর উপজেলার পরীগাছা গরম বাজার গ্রামের ছোয়াদ আলীর ছেলে।

টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট আলী আহমদ জানান, দণ্ডিত আসামী লিটন মিয়ার সঙ্গে ওই কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক হয়। এই সুবাদে তার সাথে ঘনিষ্ট সম্পর্ক গড়ে উঠে। ২০১৯ সালের ১৬ নভেম্বর বিকেলে ভিকটিমের মা বাড়ির বাইরে থাকায় দণ্ডিত আসামী ভিকটিমের বাড়িতে এসে তার ঘরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ফলে ভিকটিম ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পরে। পরে বিয়ের কথা বললে, ভিকটিমকে বিয়ে না করে হুমকি প্রদর্শণ করে। পরে ভিকটিমের মা বাদি হয়ে মধুপুর থানায় ২০২০ সালের ১৪ এপ্রিল নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্ত শেষে মধুপুর থানার এস আই ছানোয়ার হোসেন ২০২০ সালের ৩০ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দায়ের করেন।
তিনি আরও জানান,ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুটির ভরণ পোষণের দায়িত্ব রাষ্ট্র বহন করবে।

উল্লেখ্য,বাদি পক্ষের মামলা দায়ের থেকে মামলার রায় ঘোষণা পর্যন্ত এই মামলায় আইনগত সহায়তা প্রদান করেন মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান আজাদ ও বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির পক্ষে এডভোকেট জিনিয়া বখ্শ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অগাস্ট ২০২৩ ১০:১৫:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইল সদরে ৬৭ টি গৃহহীন পরিবারের মাঝে ঘর হস্তান্তর - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল সদরে ৬৭ টি গৃহহীন পরিবারের মাঝে ঘর হস্তান্তর

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় চতুর্থ পর্যায়ের দ্বিতীয় ধাপে আরো ৬৭ট ঘর ভূমি ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে হস্তান্তর করা হয়েছে।

বুধবার(৯ আগষ্ট ) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপহারের নতুন ঘর হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

এর পর সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ৬৭ টি পরিবারের মাঝে ঘরের দলিল হস্তান্তর করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ওলিউজ্জামান, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান বিন আলী, সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) অতনু বড়ুয়া, বাঘিল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. এসএম মতিউর রহমান মন্টু, করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান মজনু চৌধুরী দাইন্না ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আফজাল হোসেন প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অগাস্ট ২০২৩ ১০:৫৬:পিএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।