একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ট্রাকের চাপায় মনিরা আক্তার(১৭) নামে এক এইচএসসি পরীক্ষার্থী নিহত হয়েছে।
বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার সন্ধানপুর ইউনিয়নের ঘাটাইল-সাগরদীঘি আঞ্চলিক সড়কের কুশারিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মনিরা আক্তার উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের সরাবাড়ী কাজলা গ্রামের মান্নান মিয়ার মেয়ে।
এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ৪জন।হতাহতরা সবাই অটোরিকশার যাত্রী ছিল।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. লোকমান হোসেন জানান, মনিরা ও তার তিন বান্ধবী ধলাপাড়া পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা শেষে অটোরিকশা যোগে করে বাড়ি ফিরছিল।
তিনি আরও জানান,পথে ঘাটাইল-সাগরদীঘি আঞ্চলিক সড়কের সন্ধানপুর ইউনিয়নের কুশারিয়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী ট্রাক তাদের বহনকারী অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মনিরা আক্তার নিহত হন।আহত হয় তার তিন বান্ধবীসহ অটোরিকশার চালক।
তিনি জানান,স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় ঘাতক ট্রাকটি আটক করা হলেও চালক পালিয়ে গেছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে অটোরিকশার সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে সাখাওয়াত হোসেন (২৬) নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী যুবক নিহত হয়েছেন।
রবিবার (২৪ সেপ্টেম্বর)সন্ধ্যায় উপজেলার সখীপুর-সাগরদীঘি আঞ্চলিক সড়কের কচুয়া দেওয়ান বাড়ি নার্সারি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। সখীপুর থানার উপপরিদর্শক নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত সাখাওয়াত হোসেন ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ডাকাতিয়া ঢালুয়াপাড়া গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সাখাওয়াত হোসেন নামের ওই যুবক দুই মাস আগে বিয়ে করেছেন। তাঁর স্ত্রী সখীপুর আবাসিক মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী। রবিবার সন্ধ্যায় সাখাওয়াত কলেজ থেকে স্ত্রীকে নিয়ে মোটরসাইকেল যোগে সখীপুর থেকে ভালুকায় বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে সখীপুর-সাগরদীঘি আঞ্চলিক সড়কের কচুয়া দেওয়ানবাড়ি এলাকায় নার্সারির কাছে পৌঁছালে ব্যাটারিচালিত একটি অটোরিকশার সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে সাখাওয়াত হোসেন গুরুতর আহত হলে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় তাঁর স্ত্রী নূপুর আক্তারও আহত হন।
তিনি বর্তমানে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
সখীপুর থানার উপপরিদর্শক নজরুল ইসলাম জানান, নিহতের পরিবারের অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহটি দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরের বোয়ালীতে ঘরের আড়ের সাথে ফাঁস দিয়ে আবু সাইদ (১৭) নামের এক মাদ্রাসা ছাত্র আত্মহত্যা করেছে। সে মধুপুরের শহরের কসমেটিকস ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলামের ছেলে ও স্থানীয় কুড়ালিয়া মাদ্রাসা থেকে হেফজ পাশ করেছে।
বুধবার(২০ সেপ্টেম্বর) সকালে পরিত্যক্ত রুমের তালা খোলা দেখে প্রতিবেশী ভিতরে ঢুকে ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়। পরে পুলিশকে খবর দিলে লাশটি উদ্ধার করে।
জানা যায় পারিবারিক অমিলের কারনে মঙ্গলবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আবু সাইদ বাসা থেকে বের হয়। এরপর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায় নি। রাতে তার বাবা মধুপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি(জিডি) করেন। ।
শহিদুল ইসলাম জানান, লেখাপড়া না করার কারনে সাইদকে আমার সাথে দোকানে বসিয়ে দেই। কিন্তু সে দোকানে মনোনিবেশ না করে মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত থাকতো। বেশ কিছুদিন যাবত সে কারো সাথে কথা বলতো না। চুপচাপ বসে দিন-রাত মোবাইলে গেমস খেলতো।
মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি )মোল্লা আজিজুর রহমান জানান ,আইনী প্রক্রিয়া শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বাসচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের ভূঞাপুর লিংক রোডে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীর উপজেলার পানকাতা গ্রামের মৃত আছিম উদ্দিনের ছেলে ইসমাইল হোসেন (৫৬) ও চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের দড্ডা গ্রামের মৃত ওয়াদুদ মজুমদারের ছেলে মাসুদুর রহমান মজুমদার (৫৪)।
তারা দুই জনেই এলেঙ্গায় একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এনজিওতে চাকরি করেন।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর আশরাফ জানান ,দুপুরে উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা হাসিব পরিবহনের একটি বাস ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। এসময় মোটরসাইকেলে মহাসড়ক পার হওয়ার সময় বাসটি তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ইসমাইল হোসেন ও মাসুদুর রহমান মজুমদারের মৃত্যু হয়। লাশ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান,আইনী প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হন্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় বাসটি জব্দ করা হলেও চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে পরিবারের সাথে বোনের বিয়েতে গ্রামের বাড়িতে এসে পানিতে ডুবে মার্জিয়া আক্তার (১০) নামে এক মাদ্রাসা ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
রবিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের খালুয়াবাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মার্জিয়া উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের খালুয়াবাড়ী গ্রামের আব্দুল মান্নানের মেয়ে। সে নারায়ণগঞ্জের একটি কওমি মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেনির ছাত্রী ছিল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাগবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাইয়ুম বিপ্লব।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) নারায়ণগঞ্জ থেকে নিজের বোনের বিয়ে উপলক্ষে মার্জিয়া তার পরিবারের সদস্যদের সাথে নিজ বাড়িতে আসে। রবিবার মার্জিয়া তার ভাইসহ কয়েকজন শিশু বন্ধুদের সঙ্গে গ্রামের একটি পুকুরে গোসল করতে নেমেছিল। হঠাৎ নৌকায় উঠে খেলতে গিয়ে পড়ে পানিতে ডুবে যায় সে। বন্ধুরা কিছুক্ষণ পর বিষয়টি টের পেয়ে পরিবারকে জানায়। পরে স্বজন ও প্রতিবেশীরা পুকুরে খোঁজাখুঁজি করে অচেতন অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ফারুক জানান, পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ:টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে আল আমিন (২১) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। শনিবার(১৬ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে জয়দেবপুর – বঙ্গবন্ধু সেতু রেল সংযোগ সড়কের মির্জাপুর স্টেশনের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আল আমিন দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার কাজি পাড়া সিঙ্গিমারী গ্রামের আশরাফুল হকের ছেলে।
মির্জাপুরের স্টেশন মাষ্টার নাজমুল হুদা বকুল জানান, শনিবার গভীর রাতে চলাচলকারী কোন এক ট্রেনে কাটা পড়ে ওই যুবক নিহত হয়েছে বলে গেইটম্যান শফিকুল ইসলাম রবিবার সকাল ৬টার দিকে তাকে জানান।
তিনি আরো জানান,খবর পেয়ে টাঙ্গাইল রেলওয়ে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। নিহতের ব্যাগের পকেটে থাকা জাতীয় পরিচয় পত্র অনুযায়ী তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় অপর মোটরসাইকেলের আরোহী মুনিয়া মুক্তি (২১) নামে এক কলেজ ছাত্রী নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সখীপুর-বাসাইল আঞ্চলিক সড়কের বাসুলিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মুক্তি জেলার সখীপুর উপজেলার গজারিয়া গ্রামের মজিবুর রহমানের মেয়ে।
বুধবার টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত মুনিয়া মুক্তি টাঙ্গাইলের সরকারি সা’দত কলেজের রসায়ন বিভাগের (অনার্স) শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
নিহত মুনিয়ার পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার জরুরি কাজে বাড়ি এসে সন্ধ্যায় মোটরসাইকেলযোগে কলেজের আবাসিক হলে ফিরছিলেন সে। বাসাইলের বাসুলিয়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বেপরোয়া মোটরসাইকেল তাঁদের ধাক্কা দেয়। তাতে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়েন মুনিয়া। স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাঁকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহত মুনিয়ার চাচাতো ভাই আমিনুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে মুনিয়ার লাশ সখীপুরে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান, দুর্ঘটনাস্থল আমাদের উপজেলার বাইরে। তাই এ বিষয়ে আমাদের কেউ কিছু জানায়নি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে কভার্ড ভ্যানের চাপায় প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপকসহ ২ জন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার(১৪ সেপ্টেম্বর )পৌনে ১২টায় টাঙ্গাইল-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের ধনবাড়ী উপজেলার দরিরামপুর নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন মো. মোতালেব হোসেন (৪০)। তিনি পাবনার ভাঙ্গুরা উপজেলর ময়দান দীঘি গ্রামের মো. নেক্কর আলীর ছেলে। তিনি প্রশিকা ধনবাড়ী উপজেলা শাখার শাখা ব্যবস্থাপক। অপরজন টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলার কেন্দুয়া হাতিবান্ধা গ্রামের আলতাফ হোসেনের ছেলে জাহিদ হাসান (২৭)
জানা যায়, ঢাকা থেকে জামালপুরগামী একটি কভার্ডভ্যান ঘটনাস্থলে এলে সামনের চাকা ফেটে গিয়ে রাস্তার উপরই উল্টে যায়। এসময় ধনবাড়ী থেকে মধুপুরগামী একটি মটরসাইকেল কভার্ডভ্যানের নিচে চাপা পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন প্রশিকার ব্যবস্থাপক মো. মোতালেব হোসেন। মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে মারা যান জাহিদ হাসান। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা মোতালেব হোসেনকে উদ্ধার করেন।
মধুপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ইদ্রিস হোসাইন জানান, কভার্ড ভ্যানের চাপায় নিহত মোতালেব ধনবাড়ী ও জাহিদ মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে রুবেল মিয়া (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার দিঘলকান্দি ইউনিয়নের হামিদপুর উত্তর পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঘাটাইল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনিরুল ইসলাম।
নিহত রুবেল উপজেলার সালেংকা গ্রামের সাইদুর রহমান কালুর ছেলে। দীর্ঘদিন যাবত তারা হামিদপুর বসবাস করেন।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা জানায়, রুবেল বাড়ির পাশেই তাদের নিজস্ব রাইস মিলের গুদাম ঘরে ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার জন্য একটি অটো গাড়ির গ্যারেজ তৈরি করেন। সোমবার দুপুরের দিকে গ্যারেজে বৈদ্যুতিক কাজ করার সময় তারে জড়িয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন তিনি। এ সময় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মনিরুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। স্বজনদের আবেদনের ভিত্তিতে ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিহতের মরদেহ দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর শহীদ জিয়া মহিলা কলেজের শিক্ষক নূরুল আমিন (৫৮) রবিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সকালে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর মৃত্যুর খবর শুনে বড় ভাই আবুল হোসেন (৭০) সন্ধ্যায় হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। তিনি সরিষাবাড়ীর তারাকান্দি যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানির কর্মকর্তা ছিলেন।
শহীদ জিয়া মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল মো. আবু সাদত বিপলু বলেন, জীববিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নূরুল আমিন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের উচ্চ মাধ্যমিকের জীববিজ্ঞান পরীক্ষার প্রধান পরীক্ষক নিযুক্ত হন। এ বিষয়ে প্রশিক্ষণের জন্য শুক্রবার (৮ সেপ্টেম্বর) সপরিবারে তিনি ঢাকা যান। রাতে বড় ভাই আবুল হোসেনের বাসায় ছিলেন। শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে শিক্ষা বোর্ডে যাওয়ার পথে গুলশান-২ এলাকায় স্ট্রোক করেন। পরে পথচারীরা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এদিকে তাঁর বড় ভাই আবুল হোসেন অসুস্থ থাকায় মৃত্যুর সংবাদ জানানো হয়নি। পরে সন্ধ্যায় ছোট ভাইয়ের মৃত্যুর সংবাদ শুনে তিনিও স্ট্রোক করেন। পরে গুলশানের একটি হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকেও মৃত ঘোষণা করেন।
দুই ভাইয়ের মৃত্যুতে পরিবার, শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। রবিবার এশার নামাজের পর নূরুল আমিনকে এবং সোমবার (১১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় তাঁর বড় ভাই আবুল হোসেনকে ভূঞাপুরের চর নিকলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাজা শেষে নিজ গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বিয়ের দুই দিনের মাথায় শ্যালিকাদের নিয়ে শ্বশুর বাড়ির পুকুরে গোসল করতে নেমে জাহাঙ্গীর হোসেন(২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (১০ সেপ্টেম্বর)দুপুরে মধুপুর উপজেলার মহিষমারা ইউনিয়নের চাতারবাইদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
মৃত জাহাঙ্গীর ওই ইউনিয়নের আতেক্কার চালা গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে।
সোমবার (১১ সেপ্টেম্ব) দুপুরে মহিষমারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, শুক্রবার জাহঙ্গীরের সঙ্গে চাতারবাইদ গ্রামের সেলিম উদ্দিনের মেয়ের বিয়ে হয়। এরপর রবিবার সকালে স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি ‘ফিরানী’ তে যান জাহাঙ্গীর। মেজবানি শেষে ওইদিন বিকেলেই আবার বাড়ি ফেরার কথা ছিল জাহঙ্গীরের। দুপুরে শ্বশুরবাড়ির পাশের পুকুরে শ্যালক-শ্যালিকাদের সঙ্গে গোসলে নামেন জাহাঙ্গীর। হঠাৎ পুকুরে ডুবে যান তিনি। এরপর ভেসে না উঠায় ডাকাডাকি শুরু করে শ্যালক-শ্যালিকারা। এ সময় আশপাশের সবাই এগিয়ে এসে পানিতে নেমে তাকে খুঁজতে শুরু করেন। প্রায় আধা ঘন্টা চেষ্টার পর জাহাঙ্গীরের নিথর দেহ উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। এ সময় দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
এ ব্যাপারে মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, পুকুরে ডুবে জাহাঙ্গীরের মৃত্যু হয়। ধারনা করা হচ্ছে সাঁতার না জানায় মৃত্যুর ঘটনাটি ঘটতে পারে।
তিনি আরও জানান,মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ ঘরে থাকা ইঁদুর মারার বিষ পান করে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে দুই শিশু ভাই-বোনের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের শালিয়াবহ গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
মৃত দুই শিশু হলেন, ওই গ্রামের শাহ-আলম মিয়ার ছেলে তাওহীদ মিয়া (৪) ও মেয়ে তানজিলা আক্তার (২)।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রবিবার বিকেলে পারিবারিক কাজে শাহ-আলমের স্ত্রী ব্যস্ত ছিলেন। এমন সময় ঘরে থাকা ইঁদুর মারার বিষ পান করে ফেলে তাওহীদ ও তানজিলা। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে তাদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় পেঁচারআটা বাজারে নিয়ে যায়। সেখান থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ওই দুই শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন।
শাহ-আলম বলেন, আমি কাজে বাড়ির বাইরে ছিলাম। এসময় তাওহীদের মা পারিবারিককাজে ব্যস্ত ছিল। এর ফাঁকে ছেলে-মেয়েরা ঘরে রাখা ঈদুরের বিষ খেয়ে ফেলে। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কাজী মাহবুব উল হক মাছুদ বলেন, ঘরে থাকা বিষ খেয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে জেনেছি। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে। তারা তদন্ত করছে।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন বলেন, শিশু দুটি কৃষক পরিবারের সন্তান। তাদের মা পারিবারিক কাজে ব্যস্ত ছিলনে। ধারণা করা হচ্ছে ঘরে রাখা কলা পাকানোর রাসায়নিক বা ইঁদুরের বিষ পান করে ফেলে শিশুরা। এক পর্যায়ে তাদের মৃত্যু হয়। বর্তমানে লাশ দুটি তাদের বাড়িতে রয়েছে।
ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. মারুফ বলেন, মৃত অবস্থায় তাদের হাসপাতালে আনা হয়েছিল। মৃত অবস্থায় আনার কারণে প্রাথমিকভাবে বিষের নমুনা পাওয়া যায়নি। তবে পরিবারের লোকজন বলছিল ইঁদুরের বিষ খেয়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে।