একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে প্রিন্স আন্তনি রোজারিও (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। বুধবার (০৪ অক্টোবর) বিকালে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব-ভূঞাপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের সিরাজকান্দী বাজার (নিশান মোড়) নামক স্থানে এই ঘটনা ঘটে।
প্রিন্স আন্তনি রোজারিও ঢাকার নবাবগঞ্জের নয়ানগর এলাকার ফিলিপ রোজারিও’র ছেলে।
তিনি যমুনা নদীর ওপর নির্মাণাধীণ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু প্রকল্পের আইএইচআই কোম্পানির এক কর্মচারী এবং সহকারী বাবুর্চি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, প্রিন্স আন্তনি রোজারিও নামে ব্যক্তিটি দুপুরের খাবার খেয়ে মোটরসাইকেল যোগে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে সিরাজকান্দী বাজারে পৌঁছলে তার সামনে থাকা বালুভর্তি একটি ট্রাক ওভারটেক করার চেষ্টা করে। সেসময় বালুভর্তি ট্রাকের চাকায় পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু বরণ করে যায়।
এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) লিটন মিয়া জানান, খবর পেয়ে সন্ধ্যার দিকে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের টাঙ্গাইল জন্য জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে।
এসআই লিটন মিয়া আরও জানান, নিহত ব্যক্তি নির্মাণাধীণ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু প্রকল্পের আইএইচআই কোম্পানিতে সহকারী বাবুর্চি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি ভূঞাপুর উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের পুনাবার্সন গ্রামে পরিবার নিয়ে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ পাঁচ বন্ধু কলেজে পড়েন। তারা সবাই ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র। থাকেন ঘাটাইল উপজেলার শাহপুর এলাকার রাকিব ম্যানশন ছাত্রাবাসে। এই ছাত্রবাসের পাশেই রয়েছে পুকুর। সেই পুকুরে সোমবার (২ অক্টোবর) দুপুরে গোসল করতে নামেন এই পাঁচ বন্ধু। চার বন্ধু সাঁতরে পাড়ে উঠলেও মাঝ পুকুরে ডুবে যান নূর ইসলাম (১৮)। প্রায় দেড়ঘণ্টা পর পুকুর থেকে স্থানীয়রা তার লাশ উদ্ধার করেন।
নিহত কলেজ ছাত্র নূর উপজেলার গারোবাজার এলাকার নতুন বাজার গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে।
নূরের সঙ্গে পুকুরে গোসল করতে যাওয়া নাহিদ হাসান বলেন, আমি, নূর, রাসেল মিয়া, কাউসার আহমেদ ও আব্দুল্লাহ ছাত্রাবাসের পাশের পুকুরে গোসল করতে যাই। পুকুরটি বেশ বড়। পুকুরের লম্বালম্বি এপার থেকে ওপার সাঁতার দেই আমরা। আমরা তিন জন সাঁতরে পাড়ে উঠলেও নূরকে দেখতে পাইনি। এসময় পুকুরে সাঁতাররত কাউসারকে জিজ্ঞেস করি নূরের অবস্থান।
নাহিদ জানান, এমন কথায় কাউসার শুরুতে ভাবেন তার সঙ্গে মজা করা হচ্ছে। কিছুক্ষণ পর সবাই মিলে নূরকে অনেকক্ষণ ধরে ডাকাডাকি করি। কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে খোঁজ করেন ছাত্রাবাসে। সেখানেও দেখা না পেয়ে বিষয়টি অবগত করেন ছাত্রাবাসের বড় ভাইদের। এরই মধ্যে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হয়। পরে স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল হালিম ফোন করেন ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশকে। ফায়ার সার্ভিস আসার আগে পুকুরে প্রায় দেড় ঘণ্টা স্থানীয় লোকজন উদ্ধার কাজ চালান। ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল পুকুরে নামার আগে স্থানীয় লোকজন নূরের লাশ উদ্ধার করেন।
স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল হালিম বলেন, ঘটনাটি তার বাড়ির পাশেই। বিষয়টি জানার পর তিনি পুলিশ এবং ফায়ার সার্ভিসকে অবগত করেন। স্থানীয় যুবকরা খবর পেয়ে উদ্ধার কাজে অংশ নেয়। মাঝ পুকুরেই ওই কলেজ ছাত্র ডুবে যায়।
ঘাটাইল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার সুজন মিয়া বলেন, খবর পেয়েই তারা ঘটনাস্থলে যান। পুকুরে ডুবুরি নামাতে যাবেন ঠিক সেই সময় স্থানীয় একজনের পায়ের সঙ্গে নূরের মরদেহ উঠে আসে।
ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লোকমান হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পুকুরের মাঝখানে ডুবে যান নূর। তার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনীপ্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ট্রেনের ধাক্কায় সিএনজি চলক নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার হাতিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত সিএনজি চালক উপজেলার সল্লা ইউনিয়নের দেউপুর পূর্বপাড়া গ্রামের মাজম ফকিরের ছেলে আজমত আলী (৬৫)।
বঙ্গবন্ধু সেতু পুর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলমগীর আশরাফ জানান, দুপুরে আজমত সিএনজি নিয়ে রেলক্রসিং পাড় হওয়ার সময় চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনটি সিএনজিকে ধাক্কা দিলে সিএনজিটি দুমড়ে মুচড়ে যায়।
তিনি আরও জানান, এতে ঘটনাস্থলেই চালক আজমত নিহত হন। খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন মরদেহ ও সিএনজিটি উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যায়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মহেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে প্রশিক্ষণের সময় কামাল হোসেন নামের এক এসআইয়ের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (১ অক্টোবর) সকালে মহেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে এক কিলোমিটার দৌড়ের সময় তার মৃত্যু হয়। তাকে হাসপাতালে নিতে দেরি হওয়ায় অন্যান্য প্রশিক্ষণার্থী পুলিশ সদস্যদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
নিহত কামাল হোসেন পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার পাকজল গ্রামের মৃত মোকসেদ আলী ফকিরের ছেলে।
তিনি বরিশাল গোয়েন্দা পুলিশে কর্মরত ছিলেন বলে জানা গেছে। তার ডিসি নম্বর (৪৪)।
জানা গেছে, মহেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের ১নং কোম্পানির ডিপার্টমেন্টাল ক্যাডেট মো. কামাল হোসেন সকালে এক কিলোমিটার দৌড়ের পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। পরে তিনিসহ আরও কয়েকজন পিটি টেস্টের জন্য সেখানে অপেক্ষা করছিলেন। এ সময় তিনি হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে মেডিক্যাল টিমের সদস্যরা চিকিৎসা দিয়ে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তার মৃত্যুর সংবাদ পিটিসিতে ছড়িয়ে পড়লে শোকের ছায়া নেমে আসে।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক খন্দকার সাদিকুর রহমান জানান, ‘ওই পুলিশ সদস্যকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালের আনা হয়েছিল। পরে তার লাশ মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্তের পর তার মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।’
মহেড়া পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ডেন্ট (ডিআইজি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘এ ঘটনায় অ্যাডিশনাল ডিআইডিজ আশরাফুল আলমকে প্রধান করে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ট্রাকের চাপায় মনিরা আক্তার(১৭) নামে এক এইচএসসি পরীক্ষার্থী নিহত হয়েছে।
বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার সন্ধানপুর ইউনিয়নের ঘাটাইল-সাগরদীঘি আঞ্চলিক সড়কের কুশারিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মনিরা আক্তার উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের সরাবাড়ী কাজলা গ্রামের মান্নান মিয়ার মেয়ে।
এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরও ৪জন।হতাহতরা সবাই অটোরিকশার যাত্রী ছিল।
ঘাটাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. লোকমান হোসেন জানান, মনিরা ও তার তিন বান্ধবী ধলাপাড়া পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা শেষে অটোরিকশা যোগে করে বাড়ি ফিরছিল।
তিনি আরও জানান,পথে ঘাটাইল-সাগরদীঘি আঞ্চলিক সড়কের সন্ধানপুর ইউনিয়নের কুশারিয়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগামী ট্রাক তাদের বহনকারী অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মনিরা আক্তার নিহত হন।আহত হয় তার তিন বান্ধবীসহ অটোরিকশার চালক।
তিনি জানান,স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় ঘাতক ট্রাকটি আটক করা হলেও চালক পালিয়ে গেছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে অটোরিকশার সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে সাখাওয়াত হোসেন (২৬) নামের এক মোটরসাইকেল আরোহী যুবক নিহত হয়েছেন।
রবিবার (২৪ সেপ্টেম্বর)সন্ধ্যায় উপজেলার সখীপুর-সাগরদীঘি আঞ্চলিক সড়কের কচুয়া দেওয়ান বাড়ি নার্সারি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। সখীপুর থানার উপপরিদর্শক নজরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত সাখাওয়াত হোসেন ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলার ডাকাতিয়া ঢালুয়াপাড়া গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সাখাওয়াত হোসেন নামের ওই যুবক দুই মাস আগে বিয়ে করেছেন। তাঁর স্ত্রী সখীপুর আবাসিক মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী। রবিবার সন্ধ্যায় সাখাওয়াত কলেজ থেকে স্ত্রীকে নিয়ে মোটরসাইকেল যোগে সখীপুর থেকে ভালুকায় বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে সখীপুর-সাগরদীঘি আঞ্চলিক সড়কের কচুয়া দেওয়ানবাড়ি এলাকায় নার্সারির কাছে পৌঁছালে ব্যাটারিচালিত একটি অটোরিকশার সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ হয়। এতে সাখাওয়াত হোসেন গুরুতর আহত হলে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তাঁর মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনায় তাঁর স্ত্রী নূপুর আক্তারও আহত হন।
তিনি বর্তমানে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
সখীপুর থানার উপপরিদর্শক নজরুল ইসলাম জানান, নিহতের পরিবারের অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহটি দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরের বোয়ালীতে ঘরের আড়ের সাথে ফাঁস দিয়ে আবু সাইদ (১৭) নামের এক মাদ্রাসা ছাত্র আত্মহত্যা করেছে। সে মধুপুরের শহরের কসমেটিকস ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলামের ছেলে ও স্থানীয় কুড়ালিয়া মাদ্রাসা থেকে হেফজ পাশ করেছে।
বুধবার(২০ সেপ্টেম্বর) সকালে পরিত্যক্ত রুমের তালা খোলা দেখে প্রতিবেশী ভিতরে ঢুকে ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়। পরে পুলিশকে খবর দিলে লাশটি উদ্ধার করে।
জানা যায় পারিবারিক অমিলের কারনে মঙ্গলবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে আবু সাইদ বাসা থেকে বের হয়। এরপর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায় নি। রাতে তার বাবা মধুপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি(জিডি) করেন। ।
শহিদুল ইসলাম জানান, লেখাপড়া না করার কারনে সাইদকে আমার সাথে দোকানে বসিয়ে দেই। কিন্তু সে দোকানে মনোনিবেশ না করে মোবাইল নিয়ে ব্যস্ত থাকতো। বেশ কিছুদিন যাবত সে কারো সাথে কথা বলতো না। চুপচাপ বসে দিন-রাত মোবাইলে গেমস খেলতো।
মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি )মোল্লা আজিজুর রহমান জানান ,আইনী প্রক্রিয়া শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বাসচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। বুধবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের ভূঞাপুর লিংক রোডে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীর উপজেলার পানকাতা গ্রামের মৃত আছিম উদ্দিনের ছেলে ইসমাইল হোসেন (৫৬) ও চাঁদপুরের হাজীগঞ্জের দড্ডা গ্রামের মৃত ওয়াদুদ মজুমদারের ছেলে মাসুদুর রহমান মজুমদার (৫৪)।
তারা দুই জনেই এলেঙ্গায় একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এনজিওতে চাকরি করেন।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর আশরাফ জানান ,দুপুরে উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা হাসিব পরিবহনের একটি বাস ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। এসময় মোটরসাইকেলে মহাসড়ক পার হওয়ার সময় বাসটি তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ইসমাইল হোসেন ও মাসুদুর রহমান মজুমদারের মৃত্যু হয়। লাশ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরও জানান,আইনী প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হন্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় বাসটি জব্দ করা হলেও চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে পরিবারের সাথে বোনের বিয়েতে গ্রামের বাড়িতে এসে পানিতে ডুবে মার্জিয়া আক্তার (১০) নামে এক মাদ্রাসা ছাত্রীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।
রবিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের খালুয়াবাড়ী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মার্জিয়া উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের খালুয়াবাড়ী গ্রামের আব্দুল মান্নানের মেয়ে। সে নারায়ণগঞ্জের একটি কওমি মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেনির ছাত্রী ছিল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাগবাড়ী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাইয়ুম বিপ্লব।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার (১৫ সেপ্টেম্বর) নারায়ণগঞ্জ থেকে নিজের বোনের বিয়ে উপলক্ষে মার্জিয়া তার পরিবারের সদস্যদের সাথে নিজ বাড়িতে আসে। রবিবার মার্জিয়া তার ভাইসহ কয়েকজন শিশু বন্ধুদের সঙ্গে গ্রামের একটি পুকুরে গোসল করতে নেমেছিল। হঠাৎ নৌকায় উঠে খেলতে গিয়ে পড়ে পানিতে ডুবে যায় সে। বন্ধুরা কিছুক্ষণ পর বিষয়টি টের পেয়ে পরিবারকে জানায়। পরে স্বজন ও প্রতিবেশীরা পুকুরে খোঁজাখুঁজি করে অচেতন অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুল ফারুক জানান, পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ:টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে আল আমিন (২১) নামে এক যুবক নিহত হয়েছে। শনিবার(১৬ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে জয়দেবপুর – বঙ্গবন্ধু সেতু রেল সংযোগ সড়কের মির্জাপুর স্টেশনের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আল আমিন দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার কাজি পাড়া সিঙ্গিমারী গ্রামের আশরাফুল হকের ছেলে।
মির্জাপুরের স্টেশন মাষ্টার নাজমুল হুদা বকুল জানান, শনিবার গভীর রাতে চলাচলকারী কোন এক ট্রেনে কাটা পড়ে ওই যুবক নিহত হয়েছে বলে গেইটম্যান শফিকুল ইসলাম রবিবার সকাল ৬টার দিকে তাকে জানান।
তিনি আরো জানান,খবর পেয়ে টাঙ্গাইল রেলওয়ে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। নিহতের ব্যাগের পকেটে থাকা জাতীয় পরিচয় পত্র অনুযায়ী তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় অপর মোটরসাইকেলের আরোহী মুনিয়া মুক্তি (২১) নামে এক কলেজ ছাত্রী নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে সখীপুর-বাসাইল আঞ্চলিক সড়কের বাসুলিয়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মুক্তি জেলার সখীপুর উপজেলার গজারিয়া গ্রামের মজিবুর রহমানের মেয়ে।
বুধবার টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। নিহত মুনিয়া মুক্তি টাঙ্গাইলের সরকারি সা’দত কলেজের রসায়ন বিভাগের (অনার্স) শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
নিহত মুনিয়ার পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার জরুরি কাজে বাড়ি এসে সন্ধ্যায় মোটরসাইকেলযোগে কলেজের আবাসিক হলে ফিরছিলেন সে। বাসাইলের বাসুলিয়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বেপরোয়া মোটরসাইকেল তাঁদের ধাক্কা দেয়। তাতে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়েন মুনিয়া। স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাঁকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
নিহত মুনিয়ার চাচাতো ভাই আমিনুল ইসলাম বলেন, বৃহস্পতিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে মুনিয়ার লাশ সখীপুরে তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান, দুর্ঘটনাস্থল আমাদের উপজেলার বাইরে। তাই এ বিষয়ে আমাদের কেউ কিছু জানায়নি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে কভার্ড ভ্যানের চাপায় প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপকসহ ২ জন নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার(১৪ সেপ্টেম্বর )পৌনে ১২টায় টাঙ্গাইল-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের ধনবাড়ী উপজেলার দরিরামপুর নামক স্থানে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন মো. মোতালেব হোসেন (৪০)। তিনি পাবনার ভাঙ্গুরা উপজেলর ময়দান দীঘি গ্রামের মো. নেক্কর আলীর ছেলে। তিনি প্রশিকা ধনবাড়ী উপজেলা শাখার শাখা ব্যবস্থাপক। অপরজন টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলার কেন্দুয়া হাতিবান্ধা গ্রামের আলতাফ হোসেনের ছেলে জাহিদ হাসান (২৭)
জানা যায়, ঢাকা থেকে জামালপুরগামী একটি কভার্ডভ্যান ঘটনাস্থলে এলে সামনের চাকা ফেটে গিয়ে রাস্তার উপরই উল্টে যায়। এসময় ধনবাড়ী থেকে মধুপুরগামী একটি মটরসাইকেল কভার্ডভ্যানের নিচে চাপা পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন প্রশিকার ব্যবস্থাপক মো. মোতালেব হোসেন। মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে মারা যান জাহিদ হাসান। পরে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা মোতালেব হোসেনকে উদ্ধার করেন।
মধুপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ইদ্রিস হোসাইন জানান, কভার্ড ভ্যানের চাপায় নিহত মোতালেব ধনবাড়ী ও জাহিদ মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।