একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন।
রোববার (২২ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের দেউলাবাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- ঘাটাইল উপজেলার দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের মুখ্য গাঙ্গাইর গ্রামের মো. আবুর ছেলে এসএসসি পরীক্ষার্থী মো. রনি (১৮) এবং ঘাটাইল উপজেলার কদমতলী এলাকার মেছের আলীর ছেলে শহিদুর রহমান (৩৫)।
টাঙ্গাইলের ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. লোকমান হোসেন জানান, বিকেলে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কের ঘাটাইল উপজেলার দেউলাবাড়ি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দুটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই মোটরসাইকেল চালক গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে ময়মনসিংহ হাসপাতালে পাঠালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনের মৃত্যু হয়।
একতার কণ্ঠঃ কলেজ পড়ুয়া ছেলের কথা রাখতে বাধ্য হয়ে মোটরসাইকেল কিনে দেন বাবা। এরপর ছয় মাসও যায়নি। শখের সেই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনাতেই প্রাণ হারান সাব্বির আলম ও তার বন্ধু হামিদ।
গত ৪ জুন (রোববার) টাঙ্গাইলের মধুপুরের মহিষমারা ইউনিয়নের হাজিবাড়ি মোড়ে পৌঁছালে তাদের মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই সাব্বির ও হামিদ নিহত হয়। অপর বন্ধু সাদিক আহত হয়। সাব্বির পাশ্ববর্তী ঘাটাইল উপজেলার টেপিকুশারিয়া গ্রামের মো. সুরুজ্জামানের ছেলে। সে ঘাটাইল জিবিজি সরকারি কলেজের উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
সাব্বিরের বন্ধু হামিদ পার্শ্ববর্তী মানিকপুর গ্রামের রমজান আলীর ছেলে। সে ঘাটাইলের ছনখোলা স্কুল অ্যান্ড কলেজের উচ্চমাধ্যমিক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
শুধু সাব্বির আলম নয়, তার মতো টাঙ্গাইলের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া অনেক শিক্ষার্থী মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিশোর ও উঠতি বয়সের ছেলেদের হাতে মোটরসাইকেল দেয়ার ফলে প্রাণ হারাচ্ছেন অনেকেই। বেপরোয়াভাবে মোটরসাইকেল চালানোর কারনে জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘটে চলছে দুর্ঘটনা। তবে গত এক বছরে কত জন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থী প্রাণ হারিয়েছে তার কোন সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি জেলা পুলিশ ও জেলা নিরাপদ সড়ক চাইসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে।
সাব্বিরের বাবা মো. সুরুজ্জামান বলেন, প্রথমে মোটরসাইকেল কিনে দিতে রাজি ছিলাম না। তারপরও ছেলের কথা রাখতে বাধ্য হয়ে মোটরসাইকেল কিনে দিয়েছিলাম। ছেলেরে শখ পূরণ করতে গিয়ে আজীবনের জন্য ছেলেকে হারালাম।
নিহত সাব্বিরের চাচা নুরুল ইসলাম বলেন, সাব্বির ছিল মা বাবার বড় সন্তান। নিহত হামিদের ছোট এক বোন ও এক ভাই রয়েছে। ছোট ভাইটি মানসিক প্রতিবন্ধী। ঘটনায় এখনও শোক কাটেনি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম জানান, ওই সময় উভয়ের বাড়িতে স্বজনদের কান্নার রোল পড়ে। উভয়ের বাড়িতে করুণ দৃশ্যের অবতারণা হয়। ওই শোকটি এখন গ্রামের মানুষ কাটিয়ে উঠতে পারেনি।
স্থানীয়রা বলছে, টাঙ্গাইল সদর, ঘাটাইল, বাসাইল সখিপুর, মধুপুরসহ বিভিন্ন উপজেলায় কিশোর মোটরসাইকেল ব্যবহারকারীর সংখ্যা অনেক বেড়ে গেছে। সড়কে বেপরোয়াভাবে মোটরসাইকেল চালাতে গিয়ে তারা দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। এসব নিয়ন্ত্রণে পুলিশের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
ঘাটাইল থানা সূত্র জানায়, সাব্বির, হামিদ ছাড়াও গত ২১ মাসে ঘাটাইলে অন্তত ১৩ জন কিশোর-যুবক মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে। তারা সবাই বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ সড়কের ঘাটাইল উপজেলার গুণগ্রামে দ্রুতগামী মোটরসাইকেলের সঙ্গে অজ্ঞাত একটি গাড়ির ধাক্কা লাগে। এতে ওই মোটরসাইকেল আরোহী সোনা মিয়া (২০), শামীম (২২) ও আলমগীর (৩০) ঘটনাস্থলেই নিহত হন। তারা ঘাটাইলের একটি ওয়ার্কশপের শ্রমিক ছিলেন।
গত বছরের ১২ ডিসেম্বর একই সড়কের ঘাটাইলের বানিয়াপাড়া এলাকায় দ্রুতগামী মোটরসাইকেলের সঙ্গে ট্রাকের ধাক্কা লাগে। এতে মোটরসাইকেলের আরোহী সাকিম হাসান (১৭) ও সুমন (১৬) ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। তাঁরা দুজনেই ঘাটাইল গণ উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।
২০২১ সালের ৮ নভেম্বর ঘাটাইলের ধলাপাড়া চেয়ারম্যানবাড়ির মোড়ে দ্রুতগামী মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে তিনজন স্কুলছাত্র ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। তারা হচ্ছে শরীফ (১৬) আবু বক্কর (১৭) ও সাইম (১৬)।
এ ছাড়া জেলায় প্রতিনিয়ত ঘটছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা। যেসব দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটে না, তার রেকর্ড থানা পর্যন্ত আসে না বলে পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে।
রোববার (২২ অক্টোবর) বিকেলে টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক সড়কের ঘাটাইল উপজেলার দেউলাবাড়ি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দুটি মোটরসাইকেলর মুখোমুখি সংঘর্ষে ২ জন নিহতের ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, ঘাটাইল উপজেলার দেউলাবাড়ি ইউনিয়নের মুখ্য গাঙ্গাইর গ্রামের মো. আবু’র ছেলে মো. রনি (১৮) । নিহত রনি ঘাটাইল জিবিজি কলেজের ছাত্র ছিল। নিহত অপরজন হলেন, একই উপজেলার কদমতলী এলাকার মেছের আলীর ছেলে শহিদুর রহমান (৩৫)।
গত ১৭ মে টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের মাস্টার্স শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী শারমিন সুলতানা (২৪) ক্যাম্পাসে ফেরার পথে কাগমারী এলাকায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়।
গত বছরের ২৫ নভেম্বর টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের সামনে সড়ক দুর্ঘটনায় ভাসানী বিশ্ববিদ্যালয়ের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মো. রাসেল নিহত হয়।
জেলা পুলিশ জানায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১৬৩ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৯২ টি মামলা হয়েছে। এতে ১৩৪ জন নিহত ও ১০৭ জন আহত হয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, ঘাটাইলে অন্যান্য উপজেলার তুলনায় বেশি মোটরসাইকেল চললেও এখানে ট্রাফিক বিভাগের সার্জেন্টের পদে কোনো কর্মকর্তা নেই। ট্রাফিক বিভাগ একজন শহর উপপরিদর্শক (টিএসআই) ও তিন জন ট্রাফিক কনস্টেবল দিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে। তাদের কার্যক্রম উপজেলা সদরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে।
টাঙ্গাইলের সরকারি মাওলানা মোহাম্মদ আলী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শামসুল হুদা বলেন, অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে। স্কুল কলেজ পড়ুয়া সন্তানদের মোটরসাইকেল ব্যবহারে নিরুৎসাহিত করতে হবে। সেই সঙ্গে প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে হবে।
জেলা নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) এর সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল ঝান্ডা চাকলাদার বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় যারা মারা যায়, তাদের বেশির ভাগই কিশোর ও যুবক। রেজিষ্ট্রেশন ও লাইনেন্সবিহীন বেপরোয়া গাড়ি চালানোর কারনে দুর্ঘটনা ঘটে। এতে অনেক বাবা মার বুক খালি হচ্ছে। তবে জেলায় এক বছরে কত গুলো সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ও কত জন প্রাণ হারিয়েছে তার কোন তথ্য নেই।
তিনি আরও বলেন, সড়ক দুর্ঘটনারোধে অভিভাবক, পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে খলিল মন্ডল (৪০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার আলমনগর ইউনিয়নের কুমুল্লী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
খলিল মন্ডল একই গ্রামের আব্দুল খালেক মন্ডলের ছেলে।
স্থানীয় ও স্বজনরা জানায়, খলিল কৃষিকাজ করতে গিয়ে দুপুরের দিকে ক্লান্ত হয়ে পড়লে মাঠের একটি সেচপাম্প ঘরের একপাশে ছায়ায় গিয়ে বসে। তার কিছুক্ষণ পর ওই ঘরের টিনের বেড়ার সাথে গা লাগিয়ে হেলান দেওয়ার সাথে সাথে তার শরীর বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়। বিষয়টি স্থানীয়রা দেখে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জিয়াউল মোর্শেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয় এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে ওই ব্যক্তির মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে বংশাই নদীতে ডুবে শাজাহান আলী (৬০) নামের এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। ১৭ অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার বংশাই নদীর বিএডিসি এলাকার গোঁজা খালে ঘটনাটি ঘটেছে ।
নিহত শাজাহান আলী আউশনারা ইউনিয়নের বেলচুঙ্গি গ্রামের মৃত মসলিম উদ্দিন মসলতের ছেলে।
মৃতের স্বজনরা জানান, সারা বছরই মাছ ধরার নেশা ছিলো শাজাহান আলীর। মঙ্গলবার সকালে বাড়ি থেকে ছেলে হাফিজুরকে সাথে নিয়ে বংশাই নদীতে মাছ ধরতে যায়। জাল টানার জন্য নদীতে নেমে জালের বাঁশ সরিয়ে নেয়ার সময় পানিতে ডুব দেয় শাহজাহান আলী। পরে ডুব দিয়ে না উঠায় তার ছেলে নদীতে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে স্থানীয়দের খবর দিলে তারাও খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। একপর্যায়ে ঘটনাস্থলের একটু অদূরে তার মরদেহ ভেসে উঠে এবং উদ্ধার করে বাড়ি নিয়ে যায়।
মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা মো. আজিজুর রহমান শাহজাহান আলীর মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করে জানান, নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে পানিতে ডুবে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) ডেঙ্গুজ্বরে মাকসুদা(৪৩) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। তিনি নাগরপুর উপজেলার বাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা।
এ নিয়ে এ মৌসুমে টাঙ্গাইলে ১৩ জন ডেঙ্গুজ্বরে মৃত্যুবরণ করেছে। টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ মিনহাজ উদ্দিন মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৪২ জন রোগী ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়েছে। জেলায় এ পর্যন্ত ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা চার হাজার ১৯২ জন। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৯ জন ডেঙ্গু রোগী।
এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন চার হাজার ১৭ জন ডেঙ্গু রোগী। এ পর্যন্ত আক্রান্তদের মধ্যে ১৩ জন ডেঙ্গু রোগী মারা গেছেন।
তিনি আরও জানান, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ১৭ জন, নাগরপুরে ৩ জন, মির্জাপুরে ১২ জন, মধুপুরে ৪ জন ও ধনবাড়ী উপজেলায় ৬ জন রয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ঘরে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। পরে ফায়ার সার্ভিস এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
রবিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ৯টার দিকে জেনারেল হাসপাতালের আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ঘরের মাঝে এ আগুনের ঘটনা ঘটে।
টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার ইদ্রিস আলী জানান ,খবর পেয়ে হাসপাতালে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছি। এখনো ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বলা যাচ্ছে না। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বিদ্যুতের শর্ট সার্কিটের মাধ্যমে আগুন লাগতে পারে। যে জায়গায় আগুন লেগেছে সেখানে বড় মাইক্রোওয়েভ মেশিন দিয়ে মেডিকেল বর্জ্য পোড়ানো হয়।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. খন্দকার সাদিকুর রহমান জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা জানার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসকে জানানো হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে তদন্ত কমিটি গঠন করে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য জানানো হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাংগাইলের সখীপুরে সাপের কামড়ে মো. জোবায়ের (১২) নামে ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার আড়াই পাড়া হামের মোড় সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে।
নিহত শিশু জোবায়ের উপজেলার আড়াই পাড়া গ্রামের মো. আনোয়ার হোসেনের ছেলে। সে স্থানীয় ডাবাইল হাফেজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র ছিল।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে জোবায়ের বাড়ির পাশের একটি পুকুরে বরশি দিয়ে মাছ ধরতে গেলে বিষাক্ত সাপ তাকে দংশন করে। তার চিৎকারে আশে পাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে। পরে তার পায়ে ডোর বেধে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জোবায়েরকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে নিহতের লাশ বাড়িতে আনা হলে নিহতের স্বজনেরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে একদিনের ভারী বৃষ্টির ফলে ভেসে গেছে মাছের পোনা। এতে করে ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন মৎস্য চাষীরা। দিশেহারা হয়ে পড়েছেন নতুন মৎস্য উদ্যোক্তারা। সরকারিভাবে প্রণোদনা সহায়তা না পেলে ঋনের বোঝা নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে হবে বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্থ মৎস্য চাষিরা। এদিকে, বৃষ্টির পানিতে নদী-নালা, খাল-বিলসহ ফসলি জমির ধানও তলিয়ে নিমজ্জিত হয়েছে।
জেলা মৎস্য অফিস সূত্র জানিয়েছে, কয়েকদিন আগে টানা ভারী বৃষ্টির কারণে জেলার ১২ টি উপজেলায় ৩’শ ৬৭টি পুকুর তলিয়ে যায়। তারমধ্যে টাঙ্গাইল সদরে ৩০ জনের ৫০টি পুকুর, মির্জাপুরে ৫০ জনের ৫০ টি পুকুর, নাগরপুরে ৪৫ জনের ৪৫ টি পুকুর, সখীপুরে ৬২ জনের ১৬৭ টি পুকুর এবং ঘাটাইলে ৫৫ জনের ৫৫ টি পুকুর তলিয়ে যায়। এসব পুকুর থেকে ৮২ লাখ পোনা মাছ বেরিয়ে গেছে। যার মূল্য ৮ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।
নতুন মৎস্য উদ্যোক্তা ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের কয়েড়া গ্রামের মো. হযরত আলী। কথা হয় তার সাথে। তিনি বলেন, প্রথমবারের মতো বাড়ির পাশে এবার ২ বিঘা জমিতে মাছ চাষ করেছিলাম। দু’মাসে বিভিন্ন প্রজাতের মাছের পোনা অবমুক্ত করি। গত কয়েকদিন আগে একদিনের বৃষ্টির পানিতে পুকুর তলিয়ে সব পোনা বের হয়ে যায়। এনজিও থেকে ঋন করে মাছ চাষ করেছিলাম। আমার লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
ঘাটাইল উপজেলার লক্ষিন্দর এলাকার মাছ চাষী মজিবুর রহমান, কদ্দুস মিয়া ও হুমায়ন কবীর বলেন, আমরা এ বছর ব্যক্তি মালিকানাধীন পুকুরে মাছ চাষ করেছিলাম। মাছের মধ্যে পাঙ্গাস, তেলাপিয়া, সরপুঁটি ও মিনার কার্ফসহ অন্যান্য প্রজাতির মাছ চাষ করি। সেগুলো বেশ বড় হয়েছিল। কিছুদিন আগে হঠাৎ করে ভারী বৃষ্টিতে পুকুর তলিয়ে প্রায় অর্ধকোটি টাকার পোনা মাছ লোকালয়ে বের হয়ে গেছে। পুকুর নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিল। বৃষ্টির পানিতে স্বপ্নগুলো ভেসে গেছে।
সখীপুর উপজেলার ইউসুফ হায়দার ও মন্টু সিকদারসহ আরও একাধিক মাছ চাষীরা বলেন, গত কয়েকতিন আগে হঠাৎ করে টানা ভারী বৃষ্টির পানিতে পুকুর তলিয়ে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছি। এরআগে এমনভাবে কখনো ক্ষতি হয়নি। কিভাবে এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠব কিছু বুঝতে পারছি না। তাছাড়া এ পর্যন্ত মৎস্য অফিস থেকে কেউ খোঁজ-খবর নেয়নি। ক্ষতি কাটিয়ে উঠার লক্ষ্যে মৎস্য অফিস থেকে সরকারি প্রণোদনা ও সহযোগিতা কামনা করছি।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, গত কয়েকদিন আগে টানা বৃষ্টির পানির কারণে জেলার ৩৬৭টি ছোট-বড় পুকুর তলিয়ে ৮২ লাখ পোনা মাছ লোকায়ের খাল-বিলের পানিতে ভেসে গেছে। এতে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৯ কোটি টাকা। ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ মাছ চাষীরা যদি ব্যাংক ঋণের জন্য সহযোগিতা চায় তাহলে দ্রুত তা ব্যবস্থা করার চেষ্টা করব।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে সাপের কামড়ে কালাম মিয়া (৩০) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) সকালে উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের মুরাইদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
কালাম মিয়া কালিহাতি উপজেলার বল্লা এলাকার সোহরাব আলীর ছেলে। তিনি মুরাইদ গ্রামে হযরত আলীর জামাতা। শ্বশুর বাড়িতেই থাকতেন তিনি।
কবির হোসেন নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি জানান, আমরা কয়েকজন মিলে চায়না জাল দিয়ে মাছ ধরতাম। কালাম মাঝেমধ্যে এসে দেখত জালে সাপ আটকা পড়েছে কিনা। সাপ আটকা পড়লে তাকে জানাতে বলত। মঙ্গলবার সকালে একটি সাপ জালে ধরা পড়লে তাকে জানাই, সে চায়না জাল থেকে সাপ ধরতে গিয়ে ছোবল খায়।
গারোবাজার এলাকার মো. বুলবুল তরফদার নামে একজন জানান, সাপ নিয়ে ঘটনাস্থল মুরাইদ থেকে অটোভ্যান চালিয়ে সাপুড়ে ওস্তাদের উদ্দেশে সাগরদিঘি বাজারের দিকে রওনা দেন কালাম। কিন্তু রাস্তায় গিয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েন। খবর পেয়ে কালামকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য আ. রাজ্জাক বলেন, সকালে খবর পাই একব্যক্তি সাপসহ রাস্তার পাশে পড়ে আছেন। তিনি পেশায় একজন অটোভ্যানচালক। ঘটনাস্থলে গেলে স্থানীয়রা জানান লোকটি মাঝেমধ্যে সাপ ধরত। পরে এলাকার লোকজন এসে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে এক সিএনজিতে হঠাৎ করে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে করে সিএনজিতে থাকা যাত্রী ও চালক মো. সাইফুল মিয়া অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন।
সিএনজি চালক সাইফুল মিয়ার বাড়ি গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের শাখারিয়া গ্রামে।
রবিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে ভূঞাপুর-তারাকান্দি আঞ্চলিক মহাসড়কের ভূঞাপুর পৌর শহরের ডলি-কলি স্টোর নামে দোকানের সামনে সাইফুলের সিএনজিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ভূঞাপুর ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র ফায়ার ফাইটার মো. আনিছুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, দুপুরে ডলি-কলি স্টোরের সামনে ওই সিএনজিতে একজন যাত্রী ওঠেন। তার কিছুক্ষণ পরই সিএনজি থেকে আগুন বের হতে থাকে। পরে যাত্রী ও চালক নেমে যায় এবং মুহুর্তেই পুরো সিএনজিতে আগুনে পুড়ে যায়। তারপর ঘটনাস্থলে লোকজন আগুন নেবাতে সহযোগিতা করেন।
এ ঘটনায় সিএনজি চালক সাইফুল মিয়া বলেন, দুপুরে এলেঙ্গা থেকে গ্যাস তুলে রওনা হই নলিন যাওয়ার উদ্দেশ্যে। পথিমধ্যে ভূঞাপুর পৌর শহরের ডলি-কলি স্টোরের সামনে পৌঁছলে নলিনের একজন যাত্রী উঠানোর পর কয়েক গজ আগানো হলে স্থানীয় লোকজন বলল আমার সিএনজিতে আগুন লেগেছে।
তিনি বলেন, এরপর তাৎক্ষণিক যাত্রীসহ আমি নেমে পড়ি। তখন মুহুর্তের মধ্যে পুরো সিএনজিতে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এরপর লোকজন দ্রুততার সাথে আগুন নেবানোর চেষ্টা করে এবং ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। তারা এসে সকলের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হলেও সিএনজির অনেক ক্ষতি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দুই বছর আগে কিস্তি করে সিএনজিটি কিনেছিলাম। অভাব-অনটনে তিন সন্তানসহ ৬ সদস্যের পরিবার চলতো সিএনজির টাকায়। তা চোখের সামনে মুহুর্তেই পুড়ে গেল আমার স্বপ্ন। এখন প্রায় দেড় লাখ টাকার কাজ করাতে হবে। এমন অবস্থায় কিস্তি ও পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করা ছাড়া উপায় নেই।
সিএনজিতে অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে জানতে চাইলে ভূঞাপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের সিনিয়র ফায়ার ফাইটার মো. আনিছুর রহমান জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে যাওয়া হয় এবং দেখি আগুন জ্বলছে। পরে সকলের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে গ্যাস লিকেজ হয়ে আগুন লাগার সূত্রপাত হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে অটোরিক্সার উপর নিয়ন্ত্রণ হারানো পিকআপভ্যান উল্টে পড়ে লিটন মিয়া নামের এক অটোরিক্সা চালকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অটোরিক্সার এক নারী যাত্রী আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (৫ অক্টোবর) সকালে জামালপুর-টাঙ্গাইল আঞ্চলিক মহাসড়কের ধনবাড়ী উপজেলার বকলবাড়ীর ফকিরবাড়ি মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত অটোরিক্সার চালক লিটন উপজেলার চরভাতকুড়া গ্রামের আলী আকন্দের ছেলে।
এই ঘটনায় আহত শিখা (৩৫) ওই উপজেলার মুশুদ্দি গ্রামের নজরুল ইসলামের স্ত্রী।
ধনবাড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইদ্রিস আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, জামালপুর থেকে ছেড়ে আসা টাঙ্গাইলগামী একটি পিক-আপ ভ্যান জামালপুর-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উপজেলার ফকিরবাড়ি মোড়ে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিপরীত মুখী একটি ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সার উপর উল্টে পড়ে । এতে অটোতে থাকা চালক ও নারী যাত্রী গুরুতর আহত হয়। প্রথমে গুরুতর আহত অটো চালক লিটনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
তিনি আরও জানান, পিক-আপ ভ্যানটি আটক করা হলেও চালক পালিয়ে গেছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে প্রিন্স আন্তনি রোজারিও (৩৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। বুধবার (০৪ অক্টোবর) বিকালে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব-ভূঞাপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের সিরাজকান্দী বাজার (নিশান মোড়) নামক স্থানে এই ঘটনা ঘটে।
প্রিন্স আন্তনি রোজারিও ঢাকার নবাবগঞ্জের নয়ানগর এলাকার ফিলিপ রোজারিও’র ছেলে।
তিনি যমুনা নদীর ওপর নির্মাণাধীণ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু প্রকল্পের আইএইচআই কোম্পানির এক কর্মচারী এবং সহকারী বাবুর্চি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, প্রিন্স আন্তনি রোজারিও নামে ব্যক্তিটি দুপুরের খাবার খেয়ে মোটরসাইকেল যোগে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে সিরাজকান্দী বাজারে পৌঁছলে তার সামনে থাকা বালুভর্তি একটি ট্রাক ওভারটেক করার চেষ্টা করে। সেসময় বালুভর্তি ট্রাকের চাকায় পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু বরণ করে যায়।
এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) লিটন মিয়া জানান, খবর পেয়ে সন্ধ্যার দিকে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের টাঙ্গাইল জন্য জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাকটি জব্দ করা হয়েছে।
এসআই লিটন মিয়া আরও জানান, নিহত ব্যক্তি নির্মাণাধীণ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতু প্রকল্পের আইএইচআই কোম্পানিতে সহকারী বাবুর্চি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি ভূঞাপুর উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের পুনাবার্সন গ্রামে পরিবার নিয়ে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করে আসছিলেন।