একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে বালুবাহী ট্রাক নিয়ে একটি বেইলি ব্রিজ ভেঙ্গে পড়েছে। এসময় ট্রাকটি ব্রিজ থেকে পড়ে পানিতে তলিয়ে যায়।
শনিবার (৯ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত পৌনে একটার দিকে টাঙ্গাইল-দেলদুয়ার আঞ্চলিক সড়কের সহেড়াতৈল-দুল্যা সংযোগস্থলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এসময় আহত হয় চালকসহ ট্রাকের চার আরোহী। তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা জানান, শনিবার মধ্যরাতে টাঙ্গাইল থেকে দেলদুয়ারের দিকে একটি বালুবাহী ট্রাক যাচ্ছিল। ট্রাকটি দক্ষিণ প্রান্তে পৌঁছালে ব্রিজটি ভেঙে পড়ে। এসময় বিকট শব্দে ট্রাকটি পানিতে পড়ে যায়। উত্তর পাশে ব্রিজের অংশ সড়ক থেকে পূর্ব দিকে সরে গেছে। দক্ষিণ অংশের রেলিং ভেঙে যায়।
খবর পেয়ে দেলদুয়ার থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করে। তবে এখন পর্যন্ত উদ্ধার কাজ শুরু হয়নি।
সেহরাতৈল গ্রামের আরশেদ আলী জানান, ব্রিজটি ঝুকিপূর্ণ। দুপাশে সতর্ক সংকেত দিয়ে সাইনবোর্ড টাঙানো রয়েছে। তারপরও অতিরিক্ত মালবোঝাই যানবাহন অহরহ চলাচল করে। গত শনিবার রাতে বালু বোঝাই ট্রাকসহ ব্রিজটি ভেঙে পড়ে।
ব্রিজটি ভেঙ্গে যাওয়ায় টাঙ্গাইল জেলা শহরের সাথে দেলদুয়ার উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন রয়েছে। বন্ধ হয়ে গেছে সব ধরনের যানবাহন চলাচল। নৌকা দিয়া পারাপারা হচ্ছে সাধারণ মানুষ।
দেলদুয়ার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাছির উদ্দিন মৃধা বলেন, ঘটনা শোনার পর আমি রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। চারজন আহত হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কারও মৃত্যু হয়নি। বিষয়টি সম্পর্কে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।
টাঙ্গাইল সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আলিউল হোসেন জানান, ঘটনাটি শুনেছি। ব্রিজটি সংস্কারের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। শনিবার থেকেই ব্রিজ সংস্কারের কাজ শুরু করা হবে। খুব দ্রুত সময়ে মেরামত করে যানবাহন চলাচলের জন্য ব্রিজটি খুলে দেওয়া হবে।
এদিকে স্থানীয়দের দাবি, এ পর্যন্ত ব্রিজটি চারবার ভেঙ্গে পড়ল। কাঠের সেতু থাকায় অবস্থায় দুবার। বেইলি ব্রিজ হওয়ার পর দুবার। ২০১৭ সালের ১৭ জুলাই সার বাহী একটি ট্রাক নিয়ে ব্রিজটি ভেঙ্গে পড়েছিল। ব্রিজটি সাময়িক মেরামতের পাশাপাশি নতুন করে ব্রিজ নির্মানের দাবী জানান এলাকাবাসী।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পিকনিকের নৌকা থেকে পড়ে নিখোঁজের ১৩ ঘন্টা পর শাকিল(১৯) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দল।
সোমবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের খিলগাতী এলাকার আওরা নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিহত শাকিল মিয়া উপজেলার বল্লা ইউনিয়নের রামপুর কুকরাইল গ্রামের আব্দুর রউফের ছেলে।
স্থানীয়রা জানায়, শাকিলসহ প্রায় ২৫ জন বন্ধু মিলে রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার রামপুর থেকে নৌকা যোগে পাশের সখিপুর উপজেলার বহেড়াতৈল বিলে নৌকা ভ্রমণে যায়। সেখান থেকে সন্ধ্যায় রওনা হয়ে কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নের খিলগাতী এলাকায় পৌঁছলে রাত ৮ টার দিকে হঠাৎ নৌকা থেকে শাকিল পড়ে যায়। পরে বন্ধুরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও না পাওয়ায় ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। সোমবার সকালে টাঙ্গাইল থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দল এসে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে খিলগাতী এলাকার আওরা নদী থেকে শাকিলের মরদেহ উদ্ধার করে।
এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) আলাউদ্দিন জানান, রবিবার বিষয়টি জানতে পারি। পরে সোমবার সকালে আমাদের ডুবুরি দল গিয়ে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ফারুক জানান, নৌ পুলিশসহ আমাদের থানা পুলিশ উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পুকুরের পানিতে গোসল করতে নেমে খালা-ভাগ্নির মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের দেউপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন-ওই গ্রামের মানিক মিয়ার মেয়ে জান্নাতী (১১) এবং একই ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের সাইদুল ইসলামের মেয়ে সাদিয়া ইসলাম আক্তার জীম (৮)। জান্নাতী ও জীম সম্পর্কে খালা-ভাগ্নি।
জীমের মামা জাকারিয়া বলেন, জান্নাতি ও জীম সকালে বাড়ির পাশে খেলাধুলা শেষে গোসল করার জন্য পুকুরে নেমেছিল। পুকুরে নেমে তারা ডুবে যায়। এসময় তাদের পানিতে পড়ার খবর দেয় আরেক শিশু। পরে স্থানীয়দের সহযোগীতায় পুকুরের পানিতে নেমে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করে।
ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসান উল্লাহ্ জানান, দুই শিশুকে পুুকুর থেকে উদ্ধার করে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স হাসপাতালে নিয়ে আসে স্বজনরা। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করে। মরদেহের সুরতাহাল শেষে কালিহাতী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ বিষয়ে কালিহাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ফারুক জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মো: তারেক মিয়া (২৮) নামে এক টিউবয়েল শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
রবিবার (২৭ আগস্ট) রাতে উপজেলার দেবরাজ এলাকায় মোটরের কাজ করতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত তারেক ওই এলাকার শাহজাহান মিয়ার ছেলে।
নিহতের পরিবার জানায়, নষ্ট হওয়া মোটরের পাইপ তুলতে গিয়ে বিদ্যুতের ঝুলন্ত তারের সাথে ওই পাইপের সংস্পর্শ ঘটে। স্বজনরা তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
সখীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: রেজাউল করিম জানান, কোনো পক্ষের অভিযোগ না থাকায় পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে বাড়ির পাশের পুকুরে গোসল করতে গিয়ে আরমান (৮) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের সারপলশিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত আরমান উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের সারপলশিয়া গ্রামের মো.বাদশা মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্বজনরা জানায়, শুক্রবার সকালে শিশু আরমান বাড়ির পাশে একটি পুকুরে গোসল করতে যায়। গোসল শেষে বাড়ি না ফেরায় বাবা-মাসহ প্রতিবেশীরা খুঁজতে থাকে। অনেক খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে পুকুরে নেমে তল্লাশি চালায়। ঘন্ট্যাবাপী পুকুরে তল্লাশি চালিয়ে পুকুর থেকে আরমানের মৃতদেহ উদ্ধার করে।
ভূঞাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আরফান আলী জানান, পুকুরে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে শিশুটির মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে রেল লাইনে মাথা দিয়ে মহসিন রাব্বী (২০) নামে এক যুবককের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (২১ আগস্ট) দুপুরে জয়দেবপুর-বঙ্গবন্ধু সেতু রেল লাইনের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌরসভার রাজাবাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত মহসিন রাব্বী উপজেলার বাংড়া ইউনিয়নের বড় ইছাপুর গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে রাজাবাড়ী রেল ক্রসিংয়ের গেটম্যান শফিকুল ইসলাম জানান, রেল ক্রসিং থেকে একটু দূরে রেললাইনের ওপর বসেছিলেন মহসিন রাব্বী। এ সময় ঢাকাগামী আন্তঃনগর সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ট্রেনটি হুইসেল দিচ্ছিল। মহসিন রাব্বী হুইসেল উপেক্ষা করে ট্রেনের নিচে মাথা পেতে দেয়। এতে তার দেহ থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
বাংড়া ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফি জানান, রাব্বীর মা কিছু দিন আগে মারা গেছেন। তারপর থেকে রাব্বী কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল।
টাঙ্গাইল রেলওয়ে পুলিশের ইনচার্জ আলী আকবর জানান, খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন এসে রাব্বীর লাশ শনাক্ত করে। লাশ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ময়নাতদন্তের পর লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে বংশাই নদীতে পড়ে সাদিকুল ইসলাম(৩) নামের এক শিশু নিখোঁজ হয়েছে। সোমবার (২১ আগস্ট) সকালে মধুপুর পৌর এলাকার দামপাড়ায় এই ঘটনা ঘটে।
নিখোঁজ শিশুটি দামপাড়া গ্রামের আব্দুল কাদের ছেলে।
নিখোঁজ শিশুর পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শিশুটির মা প্রতিবন্ধী। সোমবার সকালে প্রতিবন্ধী মা শিশুটিকে তার কাছে রেখে রান্না করছিলেন। রান্না শেষে ছেলেকে খুঁজে না পেয়ে বিষয়টি স্থানীয়দের জানায়। স্থানীয়রা চারদিকে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কে খবর দেয়। পরে টাঙ্গাইল থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এসে বংশাই নদীতে খোঁজাখুজি করেও শিশুটির কোনো সন্ধান পায়নি।
স্থানীয়রা বলছে, শিশুটি বাড়ির পাশের বংশাই নদীর কিনারে প্রায়ই চলে আসে। ধারণা করা হচ্ছে ছেলেটি নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়েছে।
মধুপুর ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার হেমাইল কবির জানান, টাঙ্গাইল থেকে ডুবুরি দল এসে নদীতে খোজাখুজি করে শিশুটির সন্ধান না পেয়ে উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষনা করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মালবাহী একটি ট্রাক অজ্ঞাত গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা লেগে মো. জাকির হোসেন (৩৮) নামে এক ট্রাকের হেলপার নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ট্রাক চালকসহ অপর এক হেলপার আহত হয়েছে।
শুক্রবার (১৮ আগস্ট) ভোর রাতে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইল শহর বাইপাসের আশেকপুর নামক এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত জাকির হোসেন জেলার ভূঞাপুর উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের ভারই গ্রামের মনছের আলীর ছেলে।
আহত ট্রাক চালক ও হেলপার এ দুইজনের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ওসি) জাহিদ হাসান, ভোরে মালবাহী একটি ট্রাক ঢাকা যাচ্ছিল। সেই ট্রাকে চালকসহ দুইজন হেলপার ছিলেন। ট্রাকটি আশেকপুর এলাকায় পৌঁছলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থাকা অপর একটি অজ্ঞাত গাড়িকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলে একজনের মৃত্যু হয়। আহত হয় চালকসহ আরও এক হেলপার।
তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা নিহত ও আহতদের উদ্ধার করে। পরে ট্রাক চালক পালিয়ে যায়। আহত অপর হেলপারকে চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। নিহতের মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে রেললাইনের পাশ দিয়ে হেঁটে বাড়ি ফেরার পথে ট্রেনের ধাক্কায় মতি মিয়া (৬৫) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব-তারাকান্দি রেললাইনের ভূঞাপুর উপজেলার ফলদা ইউনিয়নের ঝনঝনিয়া রেলক্রসিংয়ের পাশে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ভূঞাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফরিদ আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত মতি উপজেলার ধুবলিয়া গ্রামের মৃত মধু শেখের ছেলে।
জানা যায়, বেলা সাড়ে ১২ টার দিকে ময়মনসিংহ থেকে ছেড়ে আসা একটি লোকাল ট্রেন ভূঞাপুর যচ্ছিল। সে সময় নিহত মতি রেললাইনের পাশ দিয়ে হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন। এতে ট্রেনের ধাক্কায় রেললাইনের পাশেই ছিটকে পড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলে মারা যায়। পরে পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফরিদ আহমেদ জানান, ময়মনসিংহ থেকে ছেড়ে আসা ভূঞাপুরগামী একটি লোকাল ট্রেনের ধাক্কায় ঘটনাস্থলে মারা যান মতি নামে ওই বৃদ্ধ লোকটি। দূর্ঘটনার খবর রেলওয়ে পুলিশকে জানানো হয়েছে এবং আইনগত বিষয় প্রক্রিয়াধীন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে মালবাহী ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে এক কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার(১৭ আগস্ট )সকালে মহাসড়কের সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের করটিয়া চরপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত কৃষকের নাম মো. লতিফ মিয়া(৪০)। সে করটিয়া চরপাড়া গ্রামের মো. সহিদুল ইসলামের ছেলে।
নিহতের ভাই আব্দুল জলিল মিঞা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে লতিফ মহাসড়কের চরপাড়া এলাকায় বাড়ির সামনে সড়ক বিভাজনের মধ্যে তার চাষকৃত ডাটা শাঁক তুলতে যায়। এসময় উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকাগামী একটি মালবাহী ট্রাক বেপোরোয়া গতিতে এসে সড়ক বিভাজনে ধাক্কা দেয়। এতে সড়ক বিভাজনে দাড়িয়ে থাকা লতিফ মহাসড়কে পড়ে গেলে ট্রাকের চাকায় পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
এ প্রসঙ্গে এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক(এস আই)মো. আমিনুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
তিনি আরো জানান,ঘাতক ট্রাকটি আটক করা গেলেও চালক পলাতক রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে অজ্ঞাতনামা কাভার্ডভ্যানের চাপায় জওশন (৩০) নামের এক অটোরিকশা চালক নিহত হয়েছে। এ সময় অটোতে থাকা তাঁর ছেলে ইয়াসিন (৮) গুরুতর আহত হয়।
মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) সকালে উপজেলার নাল্লাপাড়া-দেলদুয়ার আঞ্চলিক সড়কের এলাসিন ইউনিয়নের মুশুরিয়া নামকস্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত অটোরিকশা চালকের নাম মো.জওশন মিয়া(৩০)। তিনি আটিয়া ইউনিয়নের আটিয়া চালা গ্রামের আফাজ উদ্দিনের ছেলে।
আটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাজ্জাদ হোসেন আজাদ জানান, অটোরিকশাটি উপজেলার নাল্লাপাড়া থেকে দেলদুয়ারের দিকে যাচ্ছিলো। অটোরিকশাটি নাল্লাপাড়া-দেলদুয়ার আঞ্চলিক সড়কের মুশুরিয়া নামক স্থানে পৌঁছালে পিছন থেকে একটি অজ্ঞাত কাভার্ডভ্যান অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশাটি সড়কে ঘুরে কাভার্ডভ্যানের মুখোমুখী হলে কাভার্ডভ্যান অটোরিকশাকে চাপা দিয়ে দ্রুত চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই অটোরিকশা চালকের মৃত্যু হয়।
তিনি আরও জানান, এসময় অটোতে থাকা অটোচালকের ছেলে ইয়াছিন (৮) গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা ইয়াছিনকে উদ্ধার করে প্রথমে দেলদুয়ার উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে পাঠায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ইয়াছিনকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করে।
এ বিষয়ে দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. নাছির উদ্দিন মৃধা জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে অটোচালকের মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
তিনি আরও জানান, ঘাতক কাভার্ডভ্যানটি দ্রুত পালিয়ে গেলেও তা সনাক্তকরণে চেষ্টা চলছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে পৃথক তিনটি সড়ক দুর্ঘটনায় আর এফ এল কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিসহ তিনজন নিহত হয়েছে।
রবিবার (১৩ আগস্ট) দিনের বিভিন্ন সময় উপজেলার ধেরুয়া, কুরর্ণী ও শুভুল্যা নামক স্থানে এসব দুর্ঘটনা ঘটে। গোড়াই হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা টুটুল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ জানায়, প্রথম দুর্ঘটনাটি ভোর সাড়ে চারটার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের উপজেলার ধেরুয়া উড়াল সেতুতে ঘটে । মহাসড়কের ওই স্থানে জুবায়ের হোসেন (২০) নামে বিকল একটি ট্রাকের হেলপার ট্রাকটির পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এসময় অপর একটি ট্রাক তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহত জুবায়ের লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা উপজেলার ঠেঙ্গারচড়া গ্রামের আকের আলী মুন্সির ছেলে।
দ্বিতীয় দুর্ঘটনাটি ঘটে ভোর ছয়টার দিকে মহাসড়কের কুরর্ণী নামক স্থানে। আব্দুর রাজ্জাক (৪৩) নামের এক ট্রলি চালক মহাসড়কের ওই স্থানে ট্রলি চালিয়ে যাওয়ার সময় অজ্ঞাত একটি যান তাকে চাপা দিলে সেও ঘটনাস্থলেই মারা যান।
নিহত আব্দুর রাজ্জাক শেরপুর সদর উপজেলার মধ্যআলী নগরপাড়া গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে।
তৃতীয় দুর্ঘটনাটি ঘটে দুপুর আড়াইটার দিকে মহাসড়কের শুভুল্যা নামক স্থানে। কামরুজ্জামান (৩০) নামের এক ব্যক্তি মহাসড়কের সার্ভিস লেন দিয়ে মোটরসাইকেল যোগে টাঙ্গাইল যাওয়ার পথে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিএনজি চালিত অটোরিক্সা তাকে ধাক্কা দিলে সে গুরুতর আহত হন। পরে তাকে মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত কামরুজ্জামান কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার যদুরচড়া গ্রামের কাদের খন্দকারের ছেলে। তিনি আরএফএল কোম্পানীর বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত ছিলেন বলে জানা গেছে।
আইনী প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে বলে গোড়াই হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা টুটুল জানিয়েছেন।