/ হোম / সদর
করটিয়ায় মাদক প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত - Ekotar Kantho

করটিয়ায় মাদক প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সদর উপজেলার বানিজ্যিক এলাকা করটিয়ায় মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে, চুরি, ইভটিজিং ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে করটিয়া ইউনিয়নের সর্বস্তরের জনগণের আয়োজনে চরপাড়া হাট বাইপাস এলাকায় এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মতবিনিময় সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী।

করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনুর সভাপতিত্বে ও করটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলমগীর সিকদারের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) হাসান বিন মোহাম্মদ আলী, সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল ছালাম (পিপিএম), দেলদুয়ার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদুজ্জান খান,পাথরাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাবু রামপ্রসাদ সরকার, সা’দত কলেজের সাবেক জিএস বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক প্রমূখ।

সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বীরপুশিয়া গ্রামের সমাজ সেবক শাহীনুর ইসলাম শাহীন, করটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহীম আনছারী, সা’দত কলেজের সাবেক জিএস মো.জিন্নাহ মিয়া, সদর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সহ-সভাপতি মামুন সিকদার, করটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি এমদাদুল হক এনামুল, ইউপি সদস্য আব্দুল লতিফ মিয়া, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান উপস্থিত ছিলেন।

এসময় প্রধান বক্তা বলেন, করটিয়া ইউনিয়নে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মাদক ব্যবসায়ীদের ছাড় দেওয়া হবে না। এ জন্য এলাকার জনগণকে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি আরো বলেন, আমরা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হওয়ায় স্থানীয়দের সাথে কঠোর হতে পারিনা। এখানে উপস্থিত টাঙ্গাইল সদর উপজেলার নির্বাহী অফিসার ও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি)’র প্রতি অনুরোধ থাকবে তারা যেন বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখে। বিশেষ করে মাদকসহ কেও গ্রেপ্তার হলে তারা যেন জনপ্রতিনিধিদের টেলিফোনে অপরাধীদের ছেড়ে না দেন।

এ মাদক প্রতিরোধ মতবিনিময় সভায় স্থানীয় ব্যবসায়ী, ছাত্র, যুবকসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ লোক উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৪:৪৭:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌর শহরের আকুর টাকুর পাড়ার বটতলা পুরাতন বাজারের পাশে একটি বহুতল ভবন থেকে রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় খাদিজা বেগম (২৫) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত খাদিজার বাড়ি কালিহাতী উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামে। সে ওই গ্রামের মৃত নুরুল হকের মেয়ে।

স্থানীয়রা জানায়, নিহত খাদিজা বেগম ও তার স্বামী রাশেদুল ইসলাম বটতলা পুরাতন বাজারের পাশে একটি ছয়তলা ভবনের তিনতলার ফ্লাটে ভাড়া থাকতেন। পরে রাশেদুলের পরিচিত রিনা নামে এক নারীকে সাবলেট হিসেবে ভাড়ায় উঠায় সে।

রিনার সঙ্গে রাশেদুলের পরকীয়ার কারণে কয়েক দিন যাবত স্বামী-স্ত্রীর মাঝে পারিবারিক কলহ চলছিল। রবিবার তাদের ফ্ল্যাটে তালাবদ্ধ দেখে বাসার মালিক ও পাশের বাসার ভাড়াটিয়ারা তালা ভাঙলে খাদিজার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়।

তাৎক্ষণিকভাবে স্বামী রাশেদুল ইসলাম ও পরকীয়া প্রেমিকা রিনার পরিচয় পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে পরকীয়ার জের ধরে গৃহবধূ খাদিজাকে হত্যার পর থেকে তার স্বামী রাশেদুল ও রিনা পলাতক রয়েছে।

নিহত খাদিজা বেগমের ভাই ইমাম আলী জানান, আমার বোনকে তার আগের স্বামীর কাছ থেকে প্রায় পাঁচ বছর আগে বিচ্ছেদ করানো হয়েছে। সে কিছু দিন যাবত টাঙ্গাইল আদালত প্রাঙ্গনে আইনজীবীর সহকারি হিসেবে কাজ করতো। কোন ছেলের সাথে বিয়ে বা সম্পর্ক হয়েছিলো কিনা, সেটি আমার জানা নেই।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ছালাম মিয়া জানান, খবর পাওয়ার পর খাদিজার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। তার পায়ের দুই রগ কাটা ছিল।

তিনি আরও জানান, এছাড়াও তার মুখে কাপড় পেঁচানো এবং বালিশের চাপ দেয়া ছিলো। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তার মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৪:৩৩:এএম ২ বছর আগে
বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক আতিকুর রহমান জামিলের দাফন সম্পন্ন - Ekotar Kantho

বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক আতিকুর রহমান জামিলের দাফন সম্পন্ন

একতার কণ্ঠঃ বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক, টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (ডিএফএ) সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান জামিলের (জামিল বস) দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বাদ এশা তার জানাজার নামাজ টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থান মসজিদ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাকে টাংগাইল বেবিস্ট্যান্ড কেন্দ্রীয় গোরস্থানে দাফন করা হয়।

তার জানাজার নামাজে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান আনসারী, কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মির্জা মইনুল হোসেন লিন্টু, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি আলমগীর খান মেনু, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদ সাইদুজ্জামান সোহেল, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এলেন মল্লিক, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সোলায়মান  হাসান, টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি বালা মিয়া, কাতুলি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ইকবাল মিয়া প্রমূখ।

এর পূর্বে রবিবার সন্ধ্যা ৭টায় তার মরদেহ ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে আনা হয়। সেখানে টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মির্জা মইনুল হোসেন লিন্টু তার কফিনে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে। এ সময় জেলা ক্রীড়া সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দসহ বিপুল সংখ্যক সাবেক ও বর্তমান খেলোয়ারগণ উপস্থিত হয়ে তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে।

উল্লেখ্য, টাঙ্গাইলে ফুটবলার তৈরির কারিগর, টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ডিএফএ) এর সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান জামিল (জামিল বস) রবিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানী ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করে (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

দীর্ঘদিন ধরে তিনি কিডনি সংক্রান্ত জটিল রোগে ভুগছিলেন।

মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই কণ্যা সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও কৃতি ফুটবলার রেখে গেছেন।

তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন, টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক। এছাড়া টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি ও জেলা প্রশাসক মোঃ কায়ছারুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক মির্জা মইনুল হোসেন লিন্টু তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৪:৫৮:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বিএনপি’র ৪৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিএনপি’র ৪৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

একতার কণ্ঠঃ বিএনপি’র ৪৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা করেছে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি।

কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে শুক্রবার। (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শহরের ঈদগাঁ মাঠ থেকে একটি বিশাল শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে বেপাড়ীপাড়া এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে নেতাকর্মীরা।

এসময় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপি’র সভাপতি
হাসানুজ্জামিল শাহীন, সাধারন সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল প্রমুখ।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জিয়াউল হক শাহিন, আবুল কাশেম, জেলা শ্রমিকদলের সাধারন সম্পাদক একেএম মনিরুল হক মনির, সদর উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আজগর আলী, সাধারন সম্পাদক আব্দুর রৌফ, শহর বিএনপি’র সভাপতি মেহেদী হাসান আলীম, জেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি তারিকুল ইসলাম ঝলক, তাঁতীদলের সভাপতি শাহ-আলম, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দূর্জয় হোড় শুভ, সদস্য সচিব আব্দুল বাতেনসহ বিএনপি’র অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০২:২৪:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন অফিসে হামলা-ভাঙচুর - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন অফিসে হামলা-ভাঙচুর

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন অফিসে হামলা, ভাঙচুর ও কর্মকর্তাদের নাজেহালের ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (৩১ আগস্ট) দুপুরে শহরের ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের নগর জালফৈ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়ন অফিসের সামনে একটি মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে এসব ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

জানা গেছে, চলতি বছরের ৯ মার্চ টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত নির্বাচনে অন্য কোন প্যানেল না থাকায় বালা-মাহতাব পরিষদকে একতরফা ভাবে বিজয়ী ঘোষনা করা হয়। কিন্তু টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সোবাহান মিয়াসহ তার অনুসারীরা নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেয়নি।

ইতোমধ্যে তারা একাধিকবার মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন করেছে। এরই ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার দুপুরে ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সামনে এক মানববন্ধন কর্মসুচির আয়োজন করে সোবহান অনুসারীরা। কর্মসুচির এক পর্যায়ে বর্তমান কমিটির সভাপতি মো. বালা মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক মাহতাব সহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা উপস্থিত হলে মানববন্ধনে উত্তেজনা তৈরি হয়। এক পর্যায়ে বাকবিতন্ডা ও ধস্তাধস্তি হয়। ধস্তাধস্তির সময় বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মাহতাবের উপর সোবাহানের নেতৃত্বে মানববন্ধনে আসা শ্রমিকরা চড়াও হয়। তাকে উদ্ধার করতে গেলে সভাপতি বালা মিয়া ও দপ্তর সম্পাদক মো. শাহিন আলীর পরনের পাঞ্জাবি ছিড়ে ফেলা হয়। এছাড়া উত্তেজিত শ্রমিকেরা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের অফিস রুমে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে খুবই উত্তেজনাপুর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। যে কোন সময়ে রক্তক্ষয়ী সংর্ষের আশঙ্কা রয়েছে।

টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. আবু বক্কর সিদ্দিক মাহতাব জানান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোবাহানের বিরুদ্ধে ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের ৬১ লাখ টাকা আত্মসাতের বিষয়ে মামলা হয়েছে। পরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্তে সেটা সত্যতা প্রমানিত হয়েছে। উক্ত তদন্ত রির্পোট ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য আজকের এ মানববন্ধন ও হামলা। আমরা এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

টাঙ্গাইল জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. বালা মিয়া জানান, গত ৩৫ বছর ধরে শ্রমিক রাজনীতির সাথে জড়িত। সাধারণ শ্রমিকের ভোটেই আমি বার-বার সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি নির্বাচিত হয়েছি। এবং সুনামের সাথে সংগঠন পরিচালনা করে আসছি। গত কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সোবাহানের অভিযোগ সম্পুর্ন মিথ্যা ও বানোয়াট। আমরা নিয়মতান্ত্রিকভাইে নির্বাচিত হয়েছি। সামান্য কিছু বাহামভুক্ত শ্রমিক ও বহিরাগত লোক নিয়ে আজকের এই হামলা কাপুরুষোচিত ও বর্বরোচিত। আমরা এ হামলা ও ভাঙচুরের বিরুদ্ধে সংগঠনের কার্যকরী পরিষদের সিদ্ধান্ত ও উপদেষ্টাদের পরামর্শক্রমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবো।

অভিযুক্ত ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সোবাহান মিয়া জানান, গঠনতন্ত্রের কোন নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই বর্তমান কমিটি গঠন করা হয়েছে। আমরা এই কমিটি মানি না। এছাড়া আমার বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের ঘটনাটি সত্য নয়। আমি যদি টাকা আত্মসাৎ করে থাকি তাহলে বর্তমান কমিটির অনেকেই ওই টাকা আত্মসাতের সাথে জড়িত রয়েছে।

তিনি আরও জানান, অবিলম্বে এই কমিটি বাতিল করে পুনরায় নির্বাচন দিতে হবে। অন্যথায় সাধারণ শ্রমিকদের সাথে নিয়ে এই কমিটিকে প্রতিহত করা হবে।

টাঙ্গাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া(পিপিএম) জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এখনো পর্যন্ত হামলা ও ভাঙচুরের বিষয়ে কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, গত ৯ মার্চ কোন প্রতিদ্বন্দী না থাকায় বালা-মাহতাব পুরো পরিষদ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। নব-নির্বাচিত সভাপতি হন মো. বালা মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন আবু বক্কর সিদ্দিক মাহতাব।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০২:৪০:এএম ২ বছর আগে
করটিয়া ইউনিয়নে জাতীয় শোক দিবস পালন - Ekotar Kantho

করটিয়া ইউনিয়নে জাতীয় শোক দিবস পালন

একতার কণ্ঠঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৮তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে শোক সভার আয়োজন করে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ।

বুধবার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় সা’দত বাজার মসজিদ রোডে এ শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

শোক সভায় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সৈয়দ মাজেদুল আলম নাঈমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম আনছারীর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম।

প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইল -৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহজাহান আনছারী, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন মানিক, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা নবীন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন তোফা, করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনু প্রমুখ।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. মমিন হোসেন খান পাপন, মো. আকবর হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী দোয়েল, ছিলিমপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন, করটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলমগীর সিকদার, আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি এমদাদুল হক এনামুল উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় করটিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, আওয়ামী যুবলীগ ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা শোক সভায় অংশ নেন।

পরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ ১৫ আগস্টে সকল শহীদদের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. অগাস্ট ২০২৩ ০৩:৩৪:এএম ২ বছর আগে
যদি পাকিস্তান ভালো লাগে তাহলে মির্জা ফখরুল পাকিস্তান চলে যান: বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী - Ekotar Kantho

যদি পাকিস্তান ভালো লাগে তাহলে মির্জা ফখরুল পাকিস্তান চলে যান: বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী

একতার কণ্ঠঃ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম বলেছেন, রক্ত দিয়ে যে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছি, সেই বাংলাদেশকে পাকিস্তান হতে দেওয়া যাবেনা। বিএনপি’র কাছে বাংলাদেশ ভালো না পাকিস্তান ভালো লাগে। বিএনপি’র, মির্জা ফখরুল বলেছে পাকিস্তান ভালো, তাই মনে করি পাকিস্তানে চলে যাওয়া উচিত। যদি পাকিস্তান ভালো লাগে তাহলে মির্জা ফখরুল পাকিস্তান চলে যান।

বুধবার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের আয়োজনে বঙ্গবন্ধুর শাহাদত বার্ষিকী ও শোক সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

তিনি আরো বলেন, যদি শেখ হাসিনা আরো ১০ বছর ক্ষমতায় থাকে থাকুক তাও পাকিস্তান সমর্থক কারী বিএনপিকে চাই না, এই বাংলাদেশকে আর পাকিস্তান বানাতে দেওয়া হবে না।

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, নেত্রীর সাথে কথা হয়েছে, তিনি নানা সমস্যার মধ্যে রয়েছে, তার সাথে চারিদিকে যারা থাকে তাদের চাইলেই লাথি দিয়ে ফেলে দিতে পারে না।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যার প্রধান সহায়তাকারী ছিলেন জিয়াউর রহমান, যদি সেনাবাহিনীদেরকে জিয়াউর রহমান আশ্রয় না দিতেন তাহলে এই সাহস পেতো না।

অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সদস্য এ এইচ এম আব্দুল হাই’র সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন , সাবেক পররাষ্ট্র মন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী (কায়সার চৌধুরী), কেন্দ্রীয় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান তালুকদার খোকা বীর প্রতিক, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার, সদস্য শামীম আল মনসুর আজাদ সিদ্দিকী, বাসাইল পৌরসভার মেয়র রাহাত হাসান টিপু প্রমুখ।

এ সময় কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. অগাস্ট ২০২৩ ০২:০৭:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ডাবের দোকানে অভিযান, জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ডাবের দোকানে অভিযান, জরিমানা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে অস্বাভাবিক মূল্যে ডাব বিক্রি করায় শহরের চারটি ডাবের দোকানে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর অভিযান চালিয়ে প্রশাসনিক ব্যবস্থায় ৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের সহকারী পরিচালক শিকদার শাহীনুর আলমের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়।

শাহীনুর আলম জানান, শহরের বটতলা, পাঁচআনি ও জেনারেল হাসপাতালের সামনে ডাবের দোকানে অভিযান চালানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, এর মধ্যে বটতলা বাজারে ডাব বিক্রির মূল্যতালিকা না থাকা ও বেচাকেনার রশিদ সংরক্ষণ না করায় অনিক ফল ভাণ্ডারকে দুই হাজার টাকা, পাঁচআনি বাজারে সোহরাবের ডাবের দোকানকে তিন হাজার টাকা, জেনারেল হাসপাতালের সামনের রাসেল ফল ভাণ্ডারকে ৫০০ টাকা ও ফরিদ ডাব ঘরকে ৫০০ টাকা মোট ছয় হাজার টাকা প্রশাসনিক ব্যবস্থায় জরিমানা করা হয়।

তিনি জানান, বাজার তদারকিমূলক ওই অভিযানে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ সহায়তা করে। জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. অগাস্ট ২০২৩ ০২:২০:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে র‌্যাব পরিচয়ে ছিনতাই মামলায় গ্রেপ্তার ২ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে র‌্যাব পরিচয়ে ছিনতাই মামলায় গ্রেপ্তার ২

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার শুভল্যা এলাকা থেকে গত ২২ আগষ্ট ছিনতাই চক্রের চার জন সদস্য র‌্যাব পরিচয় দিয়ে ১৯ লক্ষ ১৯ হাজার ২০০ টাকা ছিনতাই হওয়ার ঘটনায় দুই জনকে গ্রেপ্তার করেছে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৯ আগষ্ট) দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই তথ্য জানান।

গ্রেপ্তারকৃত আসামীরা হলেন, ময়মনসিংহ জেলার কোতোয়ালি থানার নারায়নপুর গ্রামের মৃত আইয়ুব আলীর ছেলে সফর উদ্দিন মুন্না (২২) ও কুমিল্লা জেলার হোমনা থানার দরিগাও গ্রামের মৃত মোশারফ হোসেনের ছেলে শামীম আহমেদ সবুজ (৩৩)।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামীসহ ৪ ডাকাত দল গত ২২ আগস্ট ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের শুভুল্যা নামক এলাকা থেকে র‌্যাব পরিচয়ে বিনিময় বাসে উঠে। বাসে থাকা ভিক্টিম হেলাল মোল্লাকে বাস থেকে নামিয়ে প্রাইভেটকারে উঠিয়ে গামছা দিয়ে চোখ বেঁধে হাতে হ্যান্ডকাফ পড়ায়। পরে তার সাথে থাকা ১৯ লাখ ১৯ হাজার ২০০ টাকা ছিনিয়ে নেয়। কিছু দুরে গিয়ে হেলাল মোল্লাকে মহাসড়কের একটি স্থানে নামিয়ে দিয়ে চলে যায়। পরদিন ২৩ আগষ্ট হেলাল মোল্লা মির্জাপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করে। মামলার প্রেক্ষিতে ডিবি ও মির্জাপুর থানা পুলিশের একটি টিম একজনকে ময়মনসিংহ ও অপরজনকে সাতক্ষীরা থেকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেফতারকৃতদের সাথে থাকা একটি প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্রো-গ ৩৭৫০৭০), ক্যাপ, চশমা, বাঁশের লাঠি, গামছা, মোবাইল, ছিনতাইকৃত টাকায় কেনা একটি মোটরসাইকেল ও ১ লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে আসামীদের ১০ দিন রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. অগাস্ট ২০২৩ ০১:১৯:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ডেঙ্গু জ্বরে নতুন করে ৬৬ জন আক্রান্ত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ডেঙ্গু জ্বরে নতুন করে ৬৬ জন আক্রান্ত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলায় বেড়েই চলছে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ৬৬ জন মানুষ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। এ পর্যন্ত জেলায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৫৮০ জন। গত ২৪ ঘন্টায় সুস্থ হয়েছেন ৪৮ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৪৩৯ জন। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৪১ জন রোগী। জেলায় ডেঙ্গু জ্বরে মোট ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার (২৮ আগস্ট) সকালে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা: মিনহাজ উদ্দিন মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদরে ২২ জন, নাগরপুরে ১৭ জন, মির্জাপুরে ৯ জন, মধুপুরে ৮ জন, গোপালপুরে ৬ জন ও ধনবাড়ী উপজেলায় ৪ জন রয়েছেন।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা: মিনহাজ উদ্দিন মিয়া জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি ঘরবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন রাখতে হবে। জমানো পানি পরিষ্কার রাখতে হবে। যাতে করে ডেঙ্গু বিস্তার করতে না পারে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. অগাস্ট ২০২৩ ০২:৪৮:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইল শহরে কবি নজরুল স্কুল ও নজরুল স্মরণী যেভাবে হলো - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল শহরে কবি নজরুল স্কুল ও নজরুল স্মরণী যেভাবে হলো

একতার কণ্ঠঃ ১৯৭৪ সালের ১০মে বাংলাদেশের জাতীয় কবি নজরুল ইসলামকে নিয়ে আসা হয় টাঙ্গাইলে। উদ্যোক্তা ছিলেন বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম। কাদেররিয়া বাহিনীর প্রধান কাদের সিদ্দিকীর গাড়ির বহরের সাথে এম্বুলেন্সে এ কবি আসেন টাঙ্গাইল শহরে। পুরো প্রোটোকলের দায়িত্ব পালন করেন বঙ্গবীর।

এটাই সম্ভবত ঢাকার বাহিরে কোন জেলা শহরে কবির প্রথম আগমন। কবির সাথী হয়ে এসেছিলেন নাতনি ছোট বয়সী খিলখিল কাজী। প্রথমে কবিকে নিয়ে আসা হয় তৎকালীন পুলিশ প্যারেড ময়দানে। এখন যেটিকে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যান বলা হয়।

টাঙ্গাইলের অন্যতম বৃহৎ শিশু-কিশোর সংগঠন নজরুল সেনার পক্ষ থেকে কবিকে গার্ড অব অনার দেয়া হয় সেখানে। কবিকে এম্বুলেন্স থেকে নামিয়ে হুইল চেয়ারে বসিয়ে নিয়ে আসা হয় ময়দানে। বৃষ্টির মধ‍্যে কয়েকশত নজরুল সেনা সদস্য সাদা পোশাক পরে গার্ড অব অনার দেন কবিকে। বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী কবির মাথায় পরম মমতা আর শ্রদ্ধায় ছাতা ধরে থাকেন।

এই অনন্য ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন নজরুল সেনার প্রতিষ্ঠাতা এডভোকেট ফজলুল হক খান সাথী। যিনি হাইকোর্টের একজন স্বনামধন্য আইনজীবী। প্যারেড পর্ব পরিচালনা করেন প্যারেড টিমের প্রধান মরহুম সাংবাদিক কামরুল হাসান চৌধুরী। প্যারেড পরিচালনায় তাকে সহযোগিতায় ছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন মরহুম হাফিজুর রহমান, গ্রুপ ক্যাপ্টেন এডভোকেট আতাউর রহমান আজাদ, নারীদের মধ্যে ছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন লিপি খন্দকার রানু, গ্রুপ ক্যাপ্টেন ওয়াহিদা রহমান নতুন।

নজরুল সেনার ব্যান্ড দলে ছিলেন এম,এ মতিন, শাহীন তালুকদার ও বতর্মানে আমেরিকা প্রবাসী শিবলী সাদিক।

জাতীয় কবির টাঙ্গাইলে আগমনের এই আলোকিত স্মরণীয় করে রাখতে নজরুল প্রেমী ফজলুল হক সাথী ভাই টাঙ্গাইল পুলিশ প্যারেড ময়দানের পাশেই ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠা করেন নজরুল সেনা স্কুল।

তাকে সেসময় অর্থদানসহ নানাভাবে সহযোগিতা করেন মরহুম সামসুর রহমান খান শাহজাহান, মরহুম শওকত আলী তালুকদার, খন্দকার জাহিদ মাহমুদ, মরহুম সাংবাদিক কামরুল হাসান চৌধুরী, নুরুল আমীন, প্রয়াত কামাক্ষা নাথ সেন প্রমুখ।

জাতীয় কবির টাঙ্গাইলে আগমনের এই আলোকিত দিনকে স্মরণীয় রাখতে কবি নজরুলের স্মৃতিধন্য তৎকালীন পুলিশ প্যারেড ময়দানের সামনের রাস্তাটিকে অর্থাৎ নিরালা মোড় থেকে জেলা সদর রাস্তাকে কবির প্রতি সন্মান জানিয়ে কবি নজরুল স্মরণী বলা হয়ে থাকে। (ঈষৎ সংশোধিত)

লেখক: প্রফেসর ড.জি.এম.শফিউর রহমান, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

সূত্র: আল রুহী, আতাউর রহমান আজাদ, এবিএম সালাউদ্দিন আহমেদ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. অগাস্ট ২০২৩ ০৩:২১:এএম ২ বছর আগে
বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলা ৬ মাসে নিষ্পত্তির নির্দেশ - Ekotar Kantho

বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক হত্যা মামলা ৬ মাসে নিষ্পত্তির নির্দেশ

একতার কণ্ঠঃ বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান ওরফে মুক্তির জামিন আবেদন খারিজের আদেশ বহাল রেখেছেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে এ হত্যা মামলা ৬ মাসের মধ্যে বিচারিক আদালতকে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন সর্ব্বোচ আদালত।

রবিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

আদালতে মুক্তির পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সৈয়দ মামুন মাহবুব। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার আশরাফুল ইসলাম।

এর আগে গত ১৯ জুলাই বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমদ হত্যা মামলায় টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান ওরফে মুক্তির জামিন আবেদন খারিজ করে দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তথ্য গোপন করে জামিন আবেদন করায় তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেন আদালত।

বিচারপতি মো. বদরুজ্জামান ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে জামিন আবেদনকারীর পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কে এম মাসুদ রুমি।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজপাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) তদন্তে এই হত্যায় তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান ও তার ভাইদের নাম বের হয়ে আসে। ২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় গোয়েন্দা পুলিশ। এই মামলায় আমানুর ছাড়াও তার তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান খান ওরফে মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান ওরফে কাকন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি সানিয়াত খান ওরফে বাপ্পাসহ ১৪ জন আসামি রয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. অগাস্ট ২০২৩ ০২:১০:এএম ২ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।