/ হোম / সদর
টাঙ্গাইলে বরুহা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪তলা একাডেমিক ভবনের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বরুহা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৪তলা একাডেমিক ভবনের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ছিলিমপুর ইউনিয়নে ১৯৫২ সালে বরুহা উচ্চ বিদ্যালয়টি স্থাপিত হলেও এতদিন ছিল উন্নয়ন বঞ্চিত। সম্প্রতি নতুন পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির দায়িত্ব নেন শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ রৌফ। দায়িত্ব নিয়েই তিনি বিদ্যালয়টির উন্নয়নে ব্যাপক প্রচেষ্টা শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার (১২ নভেম্বর) দুপুরে বিদ্যালয়টির সর্বাধুনিক ৪তলা একাডেমিক ভবনের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন।

এছাড়া বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পৃথক টয়লেট নির্মাণের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয় উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে।

ভবনের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠান উপলক্ষে রবিবার সকাল থেকেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে উপস্থিত ছিল বিপুল সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

পরে বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের উদ্যোগে বিদ্যালয় মাঠে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন এমপি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ছানোয়ার হোসেন এমপি বলেন, যে কোন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে নিয়মানুবর্তিতা। জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে হলে নিয়মানুবর্তিতার কোন বিকল্প নেই। এই বিদ্যালয়ে ইতিমধ্যে শেখ রাসেল ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। রবিবার ৪তলা একাডেমিক ভবনের নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হলো। আশা করি, এই বিদ্যালয় থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা ভালো ফলাফল করে জাতীয় পর্যায়ে নেতৃত্ব দেবে।

অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ রৌফ’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. ফারুক হোসেন মানিক, সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন খান তোফা, সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান নাজমুল হুদা নবীন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শামীমা আক্তার, ছিলিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুজায়েত হোসেন মোল্লা প্রমুখ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশরাফ হোসেন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা নাসরিন আক্তার।

অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিসহ ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মধ্যাহ্ন ভোজের আয়োজন করে

উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ছিলিমপুর ইউনিয়নের বরুহা উচ্চ বিদ্যালয়টি ১৯৫২ সালে ডা. আব্দুর রহমান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. নভেম্বর ২০২৩ ০২:২৫:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অবরোধে গণপরিবহন চালানোর ঘোষণা  মালিক সমিতির - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অবরোধে গণপরিবহন চালানোর ঘোষণা মালিক সমিতির

একতার কণ্ঠঃ বিএনপি’র ডাকা অবরোধ চলাকালীন টাঙ্গাইল ঢাকাসহ সারা দেশের সাথে গণপরিবহন চালানোর ঘোষণা দিয়েছে বাস-কোচ মিনিবাস মালিক সমিতি। একইসঙ্গে অবরোধ উপেক্ষা করে সকল প্রকার ট্রাকও চলাচল করবে বলে জানানো হয়।

মহাসড়কে যানবাহন চলাচলে প্রশাসনের কাছে নিরাপত্তাসহ সার্বিক সহযোগিতা কামনা করা হয়।

সোমবার (৬ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইলে নতুন বাস টার্মিনালে মালিক-শ্রমিকদের সাথে পুলিশের মত বিনিময় সভায় এ ঘোষণা করে সমিতির নেতারা।

সভায় অবরোধে পুলিশের বিশেষ নিরাপত্তা বলয়ের মধ্যে দিয়ে গণপরিবহন এবং ট্রাক চলাচল করবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

আলোচনাসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার।

টাঙ্গাইলের বাস-কোচ মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি খন্দকার ইকবাল হোসেনের সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) মো. শরফুদ্দীন, বাস-কোচ মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড়মনি, বাস-কোচ মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম লাভলু, ট্রাক মালিক সমিতির সভাপতি শরিফ হাজারী এবং ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি বালা মিয়া প্রমুখ।

জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, দেশের অর্থনৈতিক চাকা নির্ভর করে পরিবহনের উপর। তাই পরিবহন বেশিদিন বন্ধ থাকলে দেশ ও জাতির জন্য ক্ষতিকর। সে মোতাবেক অবরোধের মধ্যে সারা দেশের সাথে জেলার গণপরিবহন চলাচল চালু থাকবে। নিদিষ্ট সময়ে এসব গণপরিবহন পুলিশের নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে চলাচল করবে। বিভিন্ন জেলার পুলিশ সদস্যদের সাথে সমন্বয় করে নিরাপত্তা দেয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. নভেম্বর ২০২৩ ০১:২৯:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মওলানা ভাসানীর নাতিসহ ৬ বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মওলানা ভাসানীর নাতিসহ ৬ বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে অবরোধ কর্মসূচি থেকে বিএনপি ও অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের ৬ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রবিবার (৫ নভেম্বর) সকালে সদর উপজেলার করটিয়া বাইপাস এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

তারা হলেন, জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব ও মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর নাতি মাহমুদুল হক সানু, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সৈয়দ মাহবুবুল আলম শাতিল, জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব এম এ বাতেন, যুগ্ম আহ্বায়ক রাইসুল ইসলাম রুবেল, জেলা মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব মোস্তফা কামাল ও বিএনপি নেতা মো. সাদন।

এছাড়া শহর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহীন আকন্দকে টাঙ্গাইল পৌর শহরের পশ্চিম আকুর টাকুর পাড়া এলাকার নিজ বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবু সালাম মিয়া জানান, গত ২৯ অক্টোবর টাঙ্গাইল সদর থানায় দায়েরকৃত একটি নাশকতার মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আদালতের মাধ্যমে তাদের টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, শনিবার (৪ নভেম্বর) রাত থেকে এ পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন থানায় ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা বিএনপি’র নেতাকর্মী কিনা বিষয়টি তার জানা নেই।

প্রসঙ্গত, মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নাতি মাহমুদুল হক সানু গত ২ বারের টাঙ্গাইল পৌরসভার নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এছাড়া তিনি মাওলানা ভাসানী ফাউন্ডেশনের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. নভেম্বর ২০২৩ ০২:১৫:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলের সাধারণ ক্রেতাদের আলু-পেঁয়াজ কিনতে হিমশিম অবস্থা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের সাধারণ ক্রেতাদের আলু-পেঁয়াজ কিনতে হিমশিম অবস্থা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে গত কয়েক দিন ধরে বেড়েই চলেছে আলু, পেঁয়াজসহ বিভিন্ন ধরনের সবজির দাম। বাড়তি দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের। জেলায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে বাজার মনিটরিং কমিটি থাকলেও তাদের কোন দৃশ্যমান কার্যক্রম নেই। বাজারে নেই জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জেলা শাখার তৎপরতা।

তবে ব্যবসায়ীদের দাবি, সর্বশেষ বৃষ্টিতে সবজি খেত নষ্ট এবং হরতাল-অবরোধের কারণে আমদানি কমে যাওয়ায় আলু, পেঁয়াজসহ বিভিন্ন সবজির দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ব্যবসায়ী নেতাদের দাবি, টাঙ্গাইলের ব্যবসায়ীরা উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে সবজি কিনে আনেন। সেখানে দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় এখানেও পাইকারি ও খুচরা বাজারে সবজির দাম বেশি। দাম বৃদ্ধির ব্যাপারে টাঙ্গাইলের ব্যবসায়ীদের কোনো হাত নেই।

ব্যবসায়ীরা জানান, টাঙ্গাইলের প্রধান পাইকারি কাঁচা বাজার পার্কবাজারে প্রতিদিন মধ্যে রাত থেকে পাইকারি দরে আলু-পেঁয়াজসহ বিভিন্ন সবজি বিক্রি করা হয়। শহরসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলা এবং কালিয়াকৈর, গাজীপুর ও মানিকগঞ্জের বিভিন্ন হাট বাজারের ব্যবসায়ীরা এখান থেকে পাইকারি দরে আলু-পেঁয়াজসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি কিনে নিয়ে যান। এই বাজারে খুচরা মূল্যে বগুড়া, রাজশাহী, নাটোর দিনাজপুরসহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে আলু-পেঁয়াজ আমদানি করা হয়। কেনার দামে নির্ভর করে বিক্রির দাম নির্ধারণ করেন পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা। পণ্যে গুলোর দাম বাড়ায় বিক্রি কমে গেছে বলেও জানালেন তারা।

পাইকারি ব্যবসায়ী আলী আকবর ও হাফিজ মিয়া বলেন, বর্তমানে টাঙ্গাইলের বাজারে নিজস্ব কোনো আলু নেই। সব আলু উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা থেকে আমদানি করতে হয়। পাইকারি দরে প্রতি কেজি আলু ৬৫ টাকা ও পেঁয়াজ প্রতি কেজি ১৩৫ টাকা দরে বিক্রি করতে হচ্ছে। আমাদের যেমন কেনা, তেমন বিক্রি করছি। আমাদের কেউ দাম বাড়ায় না।

খুচরা বিক্রেতা নাজমুল মিয়া বলেন, আলু ৭৫ টাকা, পেঁয়াজ ১৩৫ টাকা, বেগুন ৮০ টাকা, ফুল কপি ৫০ টাকা, শসা দেশী ৮০ টাকা, কচুর মুখি ৬০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১৬০ টাকা কেজি বিক্রি করা হচ্ছে।

বুধবার (১ নভেম্বর) সকালে পার্ক বাজারে কথা হয় অটোরিক্সা চালক মজিবুর রহমানের সাথে। তিনি জানান, আধা কেজি পেঁয়াজ ৭০ টাকা ও আধা কেজি আলু ৪০ টাকা দিয়ে কিনলাম । নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার কারণে আমাদের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। সবজিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টদের নজরদারি বাড়ানোর জোর দাবি করছি।

বাজারে সবজি কিনতে আসা সহকারী অধ্যাপক মো. শাহজাহান মিয়া বলেন, আমরা বেসরকারি চাকরি করি। সব কিছুর দাম দিনের পর দিন বেড়েই চলছে। আগে যে বাজার করতে সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা লাগতো, এখন সেই বাজার করতে চার হাজার টাকার বেশি লাগে। এই অতিরিক্ত টাকার যোগান দেওয়া আমার জন্য কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

পার্কবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আব্দুর বারেক মিয়া বলেন, এই বাজারে প্রতিদিন প্রায় ১০০টন করে আলু-পেঁয়াজ বিক্রি হয়। এখানে কয়েক জন ব্যবসায়ী ভারত থেকে এলসি করেও পেঁয়াজ আনেন। হরতাল ও অবরোধের প্রভাব পড়েছে এই সব পণ্যের উপর।কয়েক দিন ধরে হরতাল অবরোধের কারণে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব পণ্যের দাম বৃদ্ধিতে টাঙ্গাইলের ব্যবসায়ীদের কোনো হাত নেই।

কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবু জোবায়ের উজ্জ্বল একতার কণ্ঠকে জানান, গত বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) আমাদের সংগঠনের উদ্যোগে জেলা ভোক্তা অধিকারের সহকারী পরিচালক সিকদার শাহিনুর আলম ও জেলা কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের সিনিয়র কৃষি কর্মকর্তা ফারজানা খানের সঙ্গে কৃষি পণ্য ও নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। তারা বাজার মনিটরিংয়ের মাধ্যমে পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখার আশ্বাস দিয়েছেন।

টাঙ্গাইল জেলা ভোক্ত অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সিকদার শাহিনুর আলম একতার কণ্ঠকে জানান, কৃষি পণ্য আলু ও পিঁয়াজের দাম বৃদ্ধি মনিটরিংয়ের দায়িত্ব কৃষি বিপণন ও সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের । এই অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগন বিষয়টি দেখাশোনা করে থাকেন।

জেলা কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের সিনিয়র কৃষি কর্মকর্তা ফারজানা খান একতার কণ্ঠকে জানান, জেলা প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে নিয়মিত বাজার মনিটারিং করা হয়। তবে আলু ও পিঁয়াজের ক্ষেত্রে এই কৃষি পণ্য দুটি জেলার মোট চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম হওয়ায় উত্তরবঙ্গ থেকে আমদানি করতে হয়। ফলে টাঙ্গাইলে পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ের এই পণ্য দুটির দাম বেশি হয়ে যায়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. নভেম্বর ২০২৩ ০২:২১:এএম ২ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আ’লীগের অবরোধ বিরোধী মিছিলে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৩ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আ’লীগের অবরোধ বিরোধী মিছিলে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৩

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বিএনপি’র ডাকা ৭২ ঘণ্টার অবরোধের প্রথমদিনে মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) আওয়ামী লীগের অবরোধ বিরোধী মিছিলে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ৩ জন আহত হয়েছেন। আহতরা বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মঙ্গলবার (৩১ অক্টোবর) দুপুরে জেলা পরিষদ রোডস্থ জেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস সংলগ্ন ইয়াকুবের মোটরগ্যারেজের সামনে ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, টাঙ্গাইলে পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হেলাল ফকির (৫৫) ও তার ছেলে ইব্রাহিম ফকির (২৩) এবং ওই ওয়ার্ডের সভাপতি হুমায়ুন রশিদ আকন্দ সোনার মামাতো ভাই মো. আব্দুল্লাহ আকন্দ (৩২)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মঙ্গলবার সকালে বিএনপি’র ডাকা ৭২ ঘণ্টার অবরোধ বিরোধী মিছিল করতে ৩নং ওয়ার্ডের সভাপতি মো. হুমায়ুন আকন্দ সোনা এবং সাধারণ সম্পাদক মো. হেলাল ফকির তাদের অনুসারীদের নিয়ে যায়। বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে অবরোধ বিরোধী মিছিল শেষে ফেরার পথে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সাধারণ সম্পাদক হেলাল ফকিরের অনুসারীরা সভাপতি হুমায়ুন রশিদ আকন্দ সোনার মোটরসাইকেল বহরের কর্মীদের সঙ্গে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথাকাটাকাটি হয়। এতে দুই পক্ষের কয়েকটি মোটরসাইকেল রাস্তায় পড়ে কয়েকজন কর্মী সামান্য আহত হয়। তাৎক্ষণিকভাবে শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর উভয় পক্ষের মধ্যে বিষয়টি সমঝোতা করে দেন।

মঙ্গলবার দুপুরে ওই ঘটনার জের ধরে আদালত প্রাঙ্গণে ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক হেলাল ফকিরের কথিত সেরেস্তার সামনে সভাপতি হুমায়ুন রশিদ আকন্দের (সোনা) মামাতো ভাই মো. আব্দুল্লাহ আকন্দকে আটকে রেখে মারপিট করে।

খবর পেয়ে সভাপতির অনুসারীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে হেলাল ফকিরের অনুসারীদের উপর হামলা করে। উভয় পক্ষের পাল্টাপাল্টি হামলায় সাধারণ সম্পাদক হেলাল ফকির ও তার ছেলে ইব্রাহিম ফকির এবং সভাপতির মামাতো ভাই মো. আব্দুল্লাহ আকন্দ আহত হয়।

এ প্রসঙ্গে আহত টাঙ্গাইলে পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হেলাল ফকিরের মুঠোফোনে বার বার ফোন করা হলেও কেউ রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে ওয়ার্ড সভাপতি হুমায়ুন রশিদ আকন্দ সোনা জানান, অবরোধ বিরোধী দলীয় মিছিলে তিনি শতাধিক মোটরসাইকেলসহ অনুসারীদের নিয়ে অংশগ্রহন করেন। প্রথম ঘটনাটি তাৎক্ষণিকভাবে পৌর মেয়র সমাধান করে দেন। তিনি বাড়িতে যাওয়ার সময় প্রতিপক্ষরা তার উপর হামলা করে। পরে তাকে রক্ষা করার জন্য তার অনুসারীরা পাল্টা হামলা করে।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম মিয়া জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় দুই পক্ষের কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

উল্লেখ্য, স্থানীয় পর্যায়ে দলীয় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হুমায়ুন রশীদ আকন্দ সোনা ও সাধারণ সম্পাদক হেলাল ফকিরের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। ইতোপূর্বে সাধারণ সম্পাদকের ছেলে ইব্রাহিম ফকির একই ওয়ার্ডের সভাপতির ভাতিজাকে কুপিয়ে আহত করে। ওই ঘটনা থেকে উভয়ের মধ্যকার বিরোধ প্রকাশ্যে আসে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. নভেম্বর ২০২৩ ০৩:৫৪:এএম ৩ বছর আগে
গণপরিবহন শূন্য ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক - Ekotar Kantho

গণপরিবহন শূন্য ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক

একতার কণ্ঠঃ বিএনপির ডাকা ৭২ ঘণ্টা অবরোধের প্রথম দিন (মঙ্গলবার) সকাল থেকেই ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়ক ছিল গণপরিবহন শূন্য। তবে পণ্যবাহী ট্রাক ও সিএনজি চালিত অটোরিকশা চলাচল করলেও স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম।

এদিকে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ঘারিন্দা রেল স্টেশনেও নেই যাত্রীদের চাপ। কর্তৃপক্ষ বলছে, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঢাকায় যাচ্ছেন না।

তাই স্টেশনেও যাত্রীর সংখ্যা তুলনামূলক অনেক কম।
স্টেশনে কথা হয় রাইসুল মিয়া নামে এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে।

তিনি জানান, ঢাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে যাবেন। নতুন বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে দেখেন কোনো বাস ঢাকা যাবে না।

তাই তিনি ঘারিন্দা রেল স্টেশনে এসেছেন ট্রেনে ঢাকা যাবেন। জরুরি প্রয়োজন না হলে তিনি ঢাকা যেতেন না। ওই হাসপাতালের একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে বাধ্য হয়ে ঢাকা যেতে হচ্ছে তাকে।

মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে ও রেল স্টেশনগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে। কেউ যাতে কোনো প্রকার নাশকতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সেদিকে বিশেষ নজরদারি বাড়িয়ে দিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পুলিশের পাশাপাশি মহাসড়কটিতে র‌্যাব সদস্যরাও টহল দিচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. অক্টোবর ২০২৩ ০৮:৪০:পিএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইল বিএনপি’র ৯৮ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল বিএনপি’র ৯৮ নেতাকর্মী গ্রেপ্তার 

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বিএনপির ৯৮ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদেরকে নাশকতা ও পূর্বের দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শুক্রবার থেকে সোমবার পর্যন্ত চারদিনে জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল আদালতের পরিদর্শক তানবীর আহমেদ জানান, জেলার ১২টি উপজেলায় অভিযান চালিয়ে গত চারদিনে ৯৮ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করে সংশ্লিষ্ট থানা কর্তৃপক্ষ। টাঙ্গাইল সদরে ১২ জন, বাসাইলে ৬ জন, সখীপুরে ৪ জন, মির্জাপুরে ৮ জন, দেলদুয়ারে ৯ জন, নাগরপুরে ১৫ জন, কালিহাতীতে ৮ জন, ঘাটাইলে ৬ জন, ভূঞাপুরে ১০ জন, গোপালপুরে ৫ জন, ধনবাড়ীতে ৪ জন, মধুপুরে ১১ জনকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পরে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

এদিকে বিএনপির কয়েকজন নেতা অভিযোগ করে বলেন, গত শনিবার ঢাকায় বিএনপির মহাসমাবেশে যোগদানে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে এ গণগ্রেফতার করা হয়। হরতাল ও অবরোধে আমাদের নেতাকর্মীরা অংশ নিতে না পারে সেজন্য এমন গ্রেপ্তার আতঙ্ক ছড়িয়ে দিচ্ছে পুলিশ। এটা একটি দেশের গণতন্ত্রের জন্য বাধা ও অন্যায় বলে দাবি করেন তারা।

টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। আমাদের কোন নেতাকর্মী বাড়িতে থাকতে পারছে না। সকলের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি ও ভয় দেখানোর জন্য গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। মঙ্গলবার থেকে তিনদিনের অবরোধ শুরু হবে। এসব কেন্দ্র করে বিএনপির নেতাকর্মীরা যেন রাজপথে থাকতে না পারে এজন্য পুলিশ গ্রেপ্তার করছে।

টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল বলেন, সরকার বিরোধী আন্দোলন বন্ধ করতে বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর অন্যায় ও অত্যাচার করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাড়ি বাড়ি তল্লাশি করে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমাদের চলমান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শরফুদ্দীন বলেন, টাঙ্গাইল জেলায় নাশকতা ও পূর্বের দায়ের করা বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এটা আমাদের নিয়মিত রুটিন ওয়ার্ক। আমরা সারাবছরই বিভিন্ন মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করে থাকি। জেলায় বর্তমানে পুলিশি টহল আরও জোরদার করা হয়েছে। কেউ যেন জানমালের ক্ষয়ক্ষতি না করতে পারে এজন্য টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ সজাগ রয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩১. অক্টোবর ২০২৩ ০৭:২৬:পিএম ৩ বছর আগে
হরতালের সমর্থনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের বিক্ষোভ-সমাবেশ - Ekotar Kantho

হরতালের সমর্থনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের বিক্ষোভ-সমাবেশ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের উদ্যোগে বিএনপি-জামায়াতের ডাকা হরতালের সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করা হয়েছে। রোববার (২৯ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল কোর্ট এলাকায় ওই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অ্যাডভোকেট বার সমিতির সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে আদালত প্রাঙ্গণের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির সাবেক সভাপতি এসএম ফাইজুর রহমান ও আলহাজ্ব গোলাম মোস্তফা মিঞা। সমাবেশ পরিচালনা করেন, অ্যাডভোকেট জহুরুল ইসলাম জহির।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, টাঙ্গাইল বারের সভাপতি মঈদুল ইসলাম শিশির, এডভোকেট জহুরুল ইসলাম জহির, এমদাদ কবির, শাহ্জাহান কবীর, ওমরাও খান দিপু, আইন উদ্দিন বিপ্লব, মোবারক হোসেন প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. অক্টোবর ২০২৩ ০৩:৫৩:এএম ৩ বছর আগে
হরতালে ফাঁকা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক - Ekotar Kantho

হরতালে ফাঁকা ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক

একতার কণ্ঠঃ বিএনপি’র ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ফলে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে বন্ধ রয়েছে সকল ধরনের যান চলাচল। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের ও চাকরিজীবী মানুষ। বিকল্প হিসেবে সিএনজি, অটোরিকশা ও অটোভ্যানে গাদাগাদি করে কর্মস্থলে যাচ্ছেন তারা। তবে এপর্যন্ত মহাসড়কের কোথাও কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

শনিবার (২৮ অক্টোবর) বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঢাকার সমাবেশ থেকে এই সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দেন।

হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, মহাসড়কে দূরপাল্লার গণপরিবহন চলাচল না করলেও পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল করছে। যে কোন বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। এ পর্যন্ত কোথাও কোন সমস্যার সৃষ্টি হয়নি।

এ বিষয়ে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আলমগীর আশরাফ জানান, শনিবার (২৮ অক্টোবর) মহাসড়কে যানবাহন কম ছিলো, রবিবার (২৯ অক্টোবর) আরও কম চলাচল করছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. অক্টোবর ২০২৩ ০৩:৩৫:এএম ৩ বছর আগে
কৌশল পাল্টে সমাবেশের আগেই ঢাকা পৌঁছেছেন টাঙ্গাইল বিএনপি’র নেতাকর্মীরা - Ekotar Kantho

কৌশল পাল্টে সমাবেশের আগেই ঢাকা পৌঁছেছেন টাঙ্গাইল বিএনপি’র নেতাকর্মীরা

একতার কণ্ঠঃ সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবিতে ঢাকায় আয়োজিত সমাবেশে আসতে বাঁধার মুখে পড়তে হবে জেনে, কয়েক দিন আগেই টাঙ্গাইল থেকে ১০ হাজারেরও বেশি বিএনপি নেতাকর্মী ইতোমধ্যে ঢাকায় পৌঁছেছেন। বাকিরা শুক্রবার (২৭ অক্টোবর) এর মধ্যেই পৌঁছে যাবেন বলে জানিয়েছেন তারা।

শনিবার (২৮ অক্টোবর) সমাবেশে অংশ নিতে ইতোমধ্যেই ঢাকায় পৌঁছে যাওয়া টাঙ্গাইল বিএনপি’র নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, দলীয় হাইকমান্ড থেকে তাদের শুধু স্বতঃস্ফূর্ত ও শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশে যোগ দিতে বলা হয়েছে। সেখান থেকে একদফা দাবি আদায়ে আন্দোলনের চূড়ান্ত কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

জেলা বিএনপির নেতারা জানান, ঢাকায় প্রবেশ ঠেকাতে সরকারের নানা অপকৌশলের কথা মাথায় রেখে গত কয়েকদিন আগে থেকেই রেল, বাসসহ বিভিন্নভাবে ঢাকায় যেতে শুরু করেন নেতা কর্মীরা। আগের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার তারা মাইক্রোবাসের মতো বাহনে দল বেঁধে যাচ্ছেন না।

ঢাকায় পৌঁছে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধবসহ বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়েছেন তারা। এ ছাড়া গ্রেপ্তার এড়িয়ে রাজধানীতে অবস্থান এবং সমাবেশস্থলে পৌঁছানোর ব্যাপারে নানা সতর্কতা অবলম্বন করছেন তারা।

টাঙ্গাইল জেলা যুবদলের সভাপতি খন্দকার রাশেদুল আলম জানান, তিনিসহ দলের অনেক নেতাকর্মী ইতোমধ্যেই ঢাকায় পৌঁছে গেছেন।

তিনি জানান, ইতোমধ্যে ঢাকায় পৌঁছে যাওয়া নেতাকর্মীর সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। আরও আসছেন। সবাই যার যার নিজ নিজ খরচে এবং নিজ নিজ ব্যবস্থাপনায় আসছেন।

তিনি আরও জানান, আমাদের শুধু স্বতঃস্ফূর্ত ও শান্তিপূর্ণভাবে সমাবেশে যোগ দিতে আহ্বান করা হয়েছে। সেখান থেকে একদফা দাবি আদায়ে আন্দোলনের চূড়ান্ত কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

বিপদ হতে পারে জেনেও মহাসমাবেশে যোগ দিতে ঢাকায় এসেছি। আসলে এই সরকারের আমলে এত বিপদে আছি যে, আর কি হতে পারে জানালেন জেলার এক বিএনপি কর্মী।

এলাকায় গ্রেপ্তার অভিযানের পাশাপাশি ঢাকায় মহাসমাবেশে না যেতে পুলিশের দেখানো ভয়-ভীতি, আসার পথে বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চেকপোস্ট এবং রাজধানীতে এসে মোবাইল ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক সমস্যায় পড়েছেন বলেও জানিয়েছেন অনেক বিএনপি কর্মী।

টাঙ্গাইল র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩ কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দিন মোহাম্মদ যোবায়ের বলেন, দেশে যেন কোন প্রকার নাশকতা না করতে পারে সে জন্য ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কালিহাততে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। এখনো কাউকে আটক করা হয়নি।

টাঙ্গাইলে জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার অবশ্য স্থানীয় সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশ উপলক্ষে তারা কাউকে গ্রেপ্তার করছেন না। শুধু ডাকাতি রোধে নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিভিন্ন সড়কে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, জেলার কালিহাতীতে ১ জন, দেলদুয়ারে ২জন, মধুপুরে ২জন, ধনবাড়ীতে ২জন, নাগরপুর উপজেলার ২ জন ও বাসাইল উপজেলায় ১জনসহ মোট ১০জন বিএনপি নেতা কর্মীকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদেরকে গত বছরের নাশকতার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. অক্টোবর ২০২৩ ০১:৪৯:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইলে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে দেখানো হলো ‘মুজিব একটি জাতির রূপকার’ চলচ্চিত্র - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে দেখানো হলো ‘মুজিব একটি জাতির রূপকার’ চলচ্চিত্র

একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত ‘মুজিব একটি জাতির রূপকার’ চলচ্চিত্র টাঙ্গাইলে বিনামূল্যে দেখার সুযোগ পেলো শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে এ চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হয়। এ সময় জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় টাঙ্গাইল কালেক্টরেট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রথমে বিনামূল্যে চলচ্চিত্রটি উপভোগ করেন। এরপর দুপুর দেড়টায় বিবেকানন্দ হাই স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা চলচ্চিত্রটি দেখেন। আগামী ২৯ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় বিন্দুবাসিনী সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং দুপুর দেড়টায় মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসান আদর্শ মহাবিদ্যালয়; ৩০ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় টাঙ্গাইল কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং দুপুর দেড়টায় পুলিশ লাইনস আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়; ৩১ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টায় কুমুদিনী সরকারি কলেজ এবং দুপুর দেড়টায় বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়; ১ নভেম্বর সরকারি শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহিলা কলেজ এবং দুপুর দেড়টায় নার্সিং মিডওয়াইফারি কলেজের শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে চলচ্চিত্রটি দেখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ওলিউজ্জামান, জেলা কালচারাল অফিসার এরশাদ হাসান, জেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এলেন মল্লিক প্রমুখ।

এ সময় জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থী ছাড়াও জেলা পর্যায়ে সকল সরকারি কর্মকর্তা, কর্মচারী, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাংবাদিকদের জন্য বিনামূল্যে ‘মুজিব একটি জাতির রূপকার’ চলচ্চিত্র দেখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এই সিনেমাটি দেখে বঙ্গবন্ধুর জীবন নীতি আর্দশকে দর্শকদের হৃদয়ে লালন করতে পারবো। মুজিব একটি জাতির রূপকার’ সিনেমাটি দেখার জন্য পর্যায়ক্রমে উপজেলাগুলোতে বিনা টিকিটে দেখার জন্য সুযোগ করে দেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অক্টোবর ২০২৩ ০২:৫৫:এএম ৩ বছর আগে
টাঙ্গাইল থেকে ২০ হাজার নেতাকর্মী ঢাকায় বিএনপি’র মহাসমাবেশে যোগ দিবে - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল থেকে ২০ হাজার নেতাকর্মী ঢাকায় বিএনপি’র মহাসমাবেশে যোগ দিবে

একতার কণ্ঠঃ শনিবার (২৮ অক্টোবর) ঢাকায় বিএনপি’র মহাসমাবেশে যোগ দিতে টাঙ্গাইল থেকে দলের নেতা-কর্মীরা চলে গেছেন। দলের নেতারা জানিয়েছেন, টাঙ্গাইল থেকে এই কর্মসূচিতে প্রায় ২০ হাজার নেতা-কর্মী যোগ দেবেন। বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর) বিকেলের মধ্যে ৩-৪ হাজার নেতা-কর্মী ঢাকায় পৌছে গিয়েছেন। এ ছাড়া অনেক কর্মী বিভিন্ন কৌশলে পৌঁছে গেছেন ঢাকায়। কেউ দূরপাল্লার বাস, ট্রেন, প্রাইভেটকার ও ব্যক্তিগত গাড়িতে করে সমাবেশে যাচ্ছেন। শুক্রবারের মধ্যে অন্যরা ঢাকায় পৌঁছাবে।

এদিকে সমাবেশেকে কেন্দ্র করে জেলার ১০জন বিএনপি’র নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।

মহাসমাবেশ সামনে রেখে দূরপাল্লার যানবাহন বন্ধ করে দেওয়াসহ সরকারের পক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের বাধা ও প্রতিবন্ধকতা এড়াতে আগেভাগেই বিএনপি’র নেতা-কর্মীরা ঢাকায় যাচ্ছেন।

বিএনপি’র নেতারা বলছেন, মহাসমাবেশ কর্মসূচির এক সপ্তাহ আগে থেকে সরকারি দল যে যুদ্ধ প্রস্তুতি দেখাচ্ছে, এর উদ্দেশ্য ভীতির পরিবেশ সৃষ্টি করে লোকসমাগম কমানো। একই সঙ্গে বিরোধী দলগুলোর চূড়ান্ত আন্দোলন থামিয়ে দেওয়া, যাতে নির্বাচনের আগে আর ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ না পায় বিএনপি।

বিএনপি’র নেতাকর্মীরা বলেন, ঢাকার সমাবেশে যোগ দিতে এবার ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে। টাঙ্গাইলের বিভিন্ন ইউনিট থেকে নেতা-কর্মীরা ঢাকায় ঢুকতে শুরু করেছেন কয়েক দিন আগে থেকেই। পুলিশি হয়রানির ভয়ে নানা কৌশলে বিভিন্ন যানবাহনে এবং বিভিন্ন রুটে তাঁরা ঢাকায় ঢুকেছেন।

বিএনপি’র নেতাকর্মীদের অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের তল্লাশিচৌকি বসিয়ে বিভিন্ন পরিবহনে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশের সদস্যরা।

জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল বলেন, আমরা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বাঁধার সম্মুখীন হওয়ার আশঙ্কা করছি। আমরা প্রায় ২০ হাজার নেতাকর্মী সমাবেশে যাবো। আওয়ামী লীগের নেতারা আমাদের গাড়ি আটকে রাখতে পারেন। যেভাবেই হোক আমরা সমাবেশে পৌছাবো। বৃহস্পতিবার থেকেই আমাদের বিএনপি’র নেতাকর্মীরা ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছেন।

তিনি আরও বলেন, হাসিনার পতন ঘটিয়ে আমরা ঘরে ফিরবো।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল আদালত পরিদর্শক তানবীর আহমেদ বলেন, এ পর্যন্ত কারাগারে ১০জন বিএনপি’র নেতাকর্মীরাকে প্রেরণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কালিহাতীতে ১ জন, দেলদুয়ারে ২জন, মধুপুরে ২জন, ধনবাড়ীতে ২জন, নাগরপুর উপজেলার ২ জন ও বাসাইল উপজেলায় ১জন রয়েছন। তাদেরকে গত বছরের নাশকতার মামলায় বৃহস্পতিবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

টাঙ্গাইল র‌্যাব-১৪, সিপিসি-৩ কোম্পানি কমান্ডার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিউদ্দিন মোহাম্মদ যোবায়ের বলেন, দেশে যেন কোন প্রকার নাশকতা না করতে পারে সে জন্য ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কালিহাততে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। এখনো কাউকে আটক করা হয়নি।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, ২৮ তারিখের সভাকে কেন্দ্র করে কোন গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না। ডাকাতি বন্ধে পুলিশের নিয়মিত কার্যক্রম অংশ হিসেবে মধুপুরে, এলেঙ্গা, গোড়াই, হামিদপুরে ৪টি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। সেখানে প্রতিদিনের ন্যায় নিয়মিত চল্লাশি করা হচ্ছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. অক্টোবর ২০২৩ ০১:২৭:এএম ৩ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।