/ হোম / টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইল পৌরসভায় কাজ না করেই ঠিকাদারের বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল পৌরসভায় কাজ না করেই ঠিকাদারের বিল তুলে নেওয়ার অভিযোগ 

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল পৌরসভায় এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন একটি সিসি উন্নয়ন প্রকল্পে কাজ না করেই অর্থ উত্তোলনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার, সাবেক কাউন্সিলর ও প্রকৌশলীদের যোগসাজশে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করে প্রায় ৩ লাখ ৬৭ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

সূত্র জানায়, টাঙ্গাইল পৌরসভার বেড়াবুচনা এলাকার একটি সিসি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজের অনুমোদন দেওয়া হলে, প্রস্তাবিত কাজটি শাকিল এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়।

এই কাজের তদারকির দায়িত্বে ছিলেন সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল আলীম। অনুমোদন থাকলেও বাস্তবে ওই এলাকায় এই ধরনের কোনো সিসি কাজের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কাগজে-কলমে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন দেখিয়ে বিল উত্তোলন করা হয়েছে। বাস্তবে কোনো কাজ না হওয়ায় জনগণের করের টাকার অপচয় ও লুটপাট করা হয়েছে।

এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা ওই এলাকায় কোনো উন্নয়ন কাজ হতে দেখেননি। অথচ কাগজপত্রে প্রকল্পটি সম্পন্ন দেখানো হয়েছে, যা সুস্পষ্টভাবে দুর্নীতির প্রমাণ।

একাধিক সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্প পরিদর্শনের দায়িত্বে থাকা পৌরসভার প্রকৌশলী শামীম আল মামুন ও প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম সরেজমিনে কাজ না দেখেই কাজ সম্পন্নের ছাড়পত্র দেন। ফলে সংশ্লিষ্টরা সহজেই অনিয়মের সুযোগ পেয়েছে এবং দুর্নীতি আরও বেড়েছে।

অভিযুক্ত সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল আলীম মুঠোফোনে জানান, ওই জায়গায় দেয়াল থাকায় তখন কাজ করা সম্ভব হয়নি। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যেই কাজটি করে দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শাজাহান মিয়া মুঠোফোনে জানান, তিনি বর্তমানে অসুস্থ। এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানেনা তিনি।

স্থানীয় সচেতন মহল এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা অনতিবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ০২:২৩:এএম ৩ মাস আগে
আমরা মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই : ডা. শফিকুর রহমান - Ekotar Kantho

আমরা মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই : ডা. শফিকুর রহমান

আরমান কবীরঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বিগত ৫৪ বছরে অনেক নির্বাচন হয়েছে, অনেক ওয়াদা দেওয়া হয়েছে; কিন্তু ওয়াদা ওয়াদার জায়গায় রয়ে গেছে। জুলাই যুদ্ধে যুবকরা একটা দাবি করতেন : ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’। আমরা এমন বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে ইনসাফ থাকবে, যেখানে কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকবে, নিরাপত্তা থাকবে। আমরা আগামীতে মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশব্যাপী প্রচারণার অংশ হিসেবে বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যজোটের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা বসন্তের কোকিল নই। ইতিপূর্বে অনেক জুলুম-নির্যাতন সহ্য করার পরও দেশ ছাড়ি নাই, এই মাটি ছেড়ে যাই নাই। আমরা দুঃখের সময় আপনাদের সঙ্গে ছিলাম, সুখের সময়ও আপনাদের সঙ্গে থাকব। আমরা জাতিকে পিছিয়ে নিতে চাই না, আমরা জাতিকে এগিয়ে নিতে চাই। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সুষ্ঠু নির্বাচন জাতি আদায় করে ছাড়বে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এটা কোনো সাধারণ নির্বাচন নয়, এটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার নির্বাচন। দেড় হাজারের বেশি জুলাই যোদ্ধাদের রক্তের বিনিময়ে এবারের নির্বাচন।’ জুলাই যোদ্ধাদের সম্মানে ‘হ্যা’ ভোটের আহ্বান জানান তিনি। এ সময় তিনি ঐক্যজোটের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সামনে টাঙ্গাইলের আটটি আসনের ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যজোট মনোনীত প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন এবং তাদের জন্য ভোট প্রার্থনা করেন।

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের ১১ দলীয় জোটের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের আমীর আহসান হাবীব মাসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জামায়াতের ঢাকা উত্তরাঞ্চলের সদস্য মাওলানা দেলোয়ার হোসেন, জামায়াতের কর্ম পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ খলিলুর রহমান মাদানী, জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য সাইফুল ইসলাম ও খেলাফত মজলিশের সাংগঠনিক সম্পাদক খন্দকার শাহাবুদ্দিন প্রমুখ।

জনসভাকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন সড়কে নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে জনস্রোত পরিলক্ষিত হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ০১:৩৮:এএম ৩ মাস আগে
ন্যাশনাল টেক অ্যাওয়ার্ডে উদ্যোক্তা ক্যাটাগরিতে দেশসেরা টাঙ্গাইলের আমিনুর রহমান  - Ekotar Kantho

ন্যাশনাল টেক অ্যাওয়ার্ডে উদ্যোক্তা ক্যাটাগরিতে দেশসেরা টাঙ্গাইলের আমিনুর রহমান 

আরমান কবীরঃ One Way School আয়োজিত National Tech Award 3.0 – 2026-এ টাঙ্গাইলের Zayn Builders & Developer Ltd–এর Managing Director আমিনুর রহমান (আমিন) “Entrepreneur”(উদ্যোক্তা) ক্যাটাগরিতে দেশসেরা নির্বাচিত হয়েছেন।

শুক্রবার রাতে রাজধানীর IDEB ভবনে আয়োজিত এই মর্যাদাপূর্ণ অনুষ্ঠানে তাঁর এই অর্জন বাংলাদেশের উদ্যোক্তা অঙ্গনে এক উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এই সাফল্য শুধু একটি ব্যক্তিগত স্বীকৃতি নয়; বরং এটি দেশের তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য এক শক্তিশালী অনুপ্রেরণার বার্তা বহন করে বলে জানিয়েছেন এই আয়োজনের উদ্যোক্তারা।

জানা গেছে,আমিনুর রহমান (আমিন) দীর্ঘদিন ধরে রিয়েল এস্টেট ও কনস্ট্রাকশন খাতে সততা, দক্ষতা এবং আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে কাজ করে আসছেন। Zayn Builders & Developer Ltd–এর নেতৃত্বে তিনি গুণগত মানসম্পন্ন আবাসন নিশ্চিতকরণ, সময়মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং গ্রাহককেন্দ্রিক সেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে একটি বিশ্বাসযোগ্য ও টেকসই ব্র্যান্ড গড়ে তুলেছেন। তাঁর উদ্যোক্তা যাত্রায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, সুপরিকল্পিত ব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন দর্শন বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা জানান,National Tech Award 2026-এর “Entrepreneur” ক্যাটাগরিতে এই স্বীকৃতি প্রমাণ করে যে, উদ্ভাবনী চিন্তা ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসা ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায় থেকেই জাতীয় পর্যায়ে সাফল্য অর্জন সম্ভব। এই অর্জনের মধ্যে দিয়ে আমিনুর রহমান দেখিয়েছেন—সফল উদ্যোক্তা হতে হলে শুধু মূলধন যথেষ্ট নয়; প্রয়োজন দূরদর্শী নেতৃত্ব, নিরলস পরিশ্রম, সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এবং সমাজের জন্য মূল্য সংযোজনের মানসিকতা।

এখানে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, এই সাফল্য টাঙ্গাইল জেলার তরুণদের জন্য এক অনন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে। অনেক তরুণ ধারণা করে যে বড় সাফল্য অর্জনের জন্য রাজধানীকেন্দ্রিক সুযোগ-সুবিধা অপরিহার্য। কিন্তু আমিনুর রহমানের এই অর্জন প্রমাণ করে—নিজ জেলা থেকেই বড় স্বপ্ন দেখা যায় এবং কঠোর পরিশ্রম ও সঠিক দিকনির্দেশনা থাকলে দেশসেরা হওয়াও সম্ভব। তাঁর এই বিজয় তরুণদের উদ্যোক্তা হওয়ার সাহস জোগাবে এবং নিজ নিজ ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দেওয়ার মানসিকতা গড়ে তুলবে।

এ প্রসঙ্গে আমিনুর রহমান (আমিন) জানান এই সম্মান আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে—বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্ম কেবল চাকরির সন্ধানেই সীমাবদ্ধ নয়; তারা উদ্যোক্তা হয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে, প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান দিতে পারে এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে সক্ষম। One Way School আয়োজিত National Tech Award-এর মতো উদ্যোগগুলো সেই সম্ভাবনাকে সামনে আনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

তিনি আরও জানান,এই অর্জন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান এবং সমাজ—সব পর্যায়েই ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এটি নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য এক শক্তিশালী দিকনির্দেশনা, তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস এবং বাংলাদেশের উদ্যোক্তা সংস্কৃতির জন্য এক গর্বের অধ্যায়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ০১:৫৭:এএম ৩ মাস আগে
৩১ জানুয়ারি টাঙ্গাইল আসছেন বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমান - Ekotar Kantho

৩১ জানুয়ারি টাঙ্গাইল আসছেন বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমান

আরমান কবীরঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আগামী শনিবার (৩১ জানুয়ারি) টাঙ্গাইল সফরে আসছেন বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

এদিন ঢাকা-যমুনাসেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইল শহর বাইপাসের দরুন চরজানা এলাকায় জেলা বিএনপি আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন তিনি।

এ দিকে তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে জনসভার প্রস্তুতি ও সমাবেশস্থল পরিদর্শন করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এবং টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু ও স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু টাঙ্গাইল শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে দরুন চরজানা বাইপাস এলাকাকে জনসভাস্থল হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়।

এ সময় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমাননের নিরাপত্তা বাহিনী (সিএসএফ)-এর সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, নির্বাচনী জনসভার সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে ভেন্যু পরিদর্শন সম্পন্ন হয়েছে। টাঙ্গাইলে যেভাবে ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে, তাতে এই জনসভা স্মরণকালের জনসমাগমে পরিণত হবে বলে আমরা আশাবাদী। টাঙ্গাইলের জনগণ অধীর আগ্রহে আমাদের নেতা তারেক রহমানকে এক নজর দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন। তিনি আগামী দিনের বাংলাদেশ কীভাবে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেবেন। ইনশাআল্লাহ, এই জনসভা থেকেই নির্বাচনে বিজয়ের পথ আরও সুদৃঢ় হবে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে ২৯ জানুয়ারি রাজশাহী সফরের পর উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা ঘুরে ৩১ জানুয়ারি টাঙ্গাইল সফরে আসবেন তারেক রহমান। সফরের দিন দুপুর ২টায় জেলা বিএনপির আয়োজনে দরুন বাইপাস এলাকায় অনুষ্ঠিত জনসভায় তিনি বক্তব্য রাখবেন।

তার আগমনকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। জনসভা সফল করতে মঞ্চ নির্মাণ, জনসমাগম ব্যবস্থাপনা, শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা পরিকল্পনাসহ সব ধরনের কাজ চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকেও প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তারেক রহমানের এই জনসভাকে ঘিরে বুধবার সকাল থেকেই টাঙ্গাইল বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলার আটটি সংসদীয় আসনের নেতাকর্মীরাও এই সফরকে ঘিরে ব্যাপক আনন্দ ও উদ্দীপনা প্রকাশ করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. জানুয়ারী ২০২৬ ০২:৫৪:এএম ৩ মাস আগে
টাঙ্গাইলে বিএনপিতে যোগ দিলেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের শতাধিক নেতাকর্মী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বিএনপিতে যোগ দিলেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের শতাধিক নেতাকর্মী

আরমান কবীরঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর হাত ধরে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর নেতৃত্বাধীন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ থেকে শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান করেছেন।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাতে টাঙ্গাইল অ্যাডভোকেট বার সমিতি মিলনায়তনে এই যোগদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় তাদের বরণ করে নেন বিএনপি নেতা সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

এ সময় সদর উপজেলার কাকুয়া ইউনিয়নের চরপৌলী গ্রামের শাহাদত খান, ফিরোজ, আতোয়ার খান, গোলাপ খান, মহির খান, নজরুল মেম্বার, আবু বক্কর সিদ্দিকীসহ শতাধিক নেতাকর্মী এ সময় বিএনপিতে যোগদান করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তারা গামছা প্রতীকের পক্ষে কাজ করেছেন। এবার সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর প্রতি আস্থা রেখে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে বিজয়ী করতে তারা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন বলেও অঙ্গীকার করেন।

যোগদান অনুষ্ঠানে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু নবাগতদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে তিনি সন্ত্রাস, মাদক, চাঁদাবাজিমুক্ত, কিশোর গ্যাংমুক্ত, নিরাপদ ও আধুনিক টাঙ্গাইল গড়ে তুলতে কাজ করবেন।

এই যোগাযোগদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, জেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক কাজী শফিকুর রহমান লিটন, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুর আলমসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২১. জানুয়ারী ২০২৬ ০৬:০৪:পিএম ৩ মাস আগে
টাঙ্গাইলে গণভোটের প্রচারণায় স্থবিরতা, জেলা তথ্য অফিসের বিস্ময়কর নীরবতা!  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গণভোটের প্রচারণায় স্থবিরতা, জেলা তথ্য অফিসের বিস্ময়কর নীরবতা! 

আরমান কবীরঃ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে দেশজুড়ে ব্যাপক প্রস্তুতি চললেও টাঙ্গাইল জেলা তথ্য অফিসের কোনো প্রচার-প্রচারণা চোখে পড়ছে না। গণভোটকে কেন্দ্র করে বিস্ময়কর নীরবতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে জেলা তথ্য অফিস জুড়ে।

জেলার সাধারণ মানুষের দাবি, দ্রুততম সময়ের মধ্যে ব্যাপক প্রচারণার মাধ্যমে গণভোটের হ্যাঁ ও না ভোটের আমেজ নির্বাচনী মাঠে উজ্জীবিত করা হোক।

ভোটগ্রহণের সময় ঘনিয়ে এলেও সাধারণ মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে মাইকিং, ডিজিটাল ডিসপ্লে,পোস্টারিং বা উঠান বৈঠকের মতো ন্যূনতম কার্যক্রমও শুরু করেনি সংস্থাটি। ফলে রাষ্ট্র সংস্কার তথা পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ এ প্রক্রিয়া নিয়ে স্থানীয় জনমনে এক ধরনের অস্পষ্টতা ও অনাগ্রহ তৈরি হয়েছে।

সরেজমিনে জেলা সদর ও জেলার ১২টি উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান ঘুরে দেখা গেছে, গণভোটের সমর্থনে বা তথ্য সম্বলিত কোনো ডিজিটাল ডিসপ্লে বা ব্যানার টাঙ্গাইল তথ্য অফিসের পক্ষ থেকে স্থাপন করা হয়নি।

অথচ সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোটারদের সচেতন করতে তৃণমূল পর্যায়ে এ দপ্তরের প্রচারণা চালানোর কথা। প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনেক ভোটার এখনও জানেন না গণভোটের ভোটদানের নিয়মাবলী। শুধুমাত্র ২-১টি স্থানে নির্বাচন কমিশনের বড় বড় ব্যানার টানানো হয়েছে।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ধরেরবাড়ি গ্রামের আজমত আলী, সবদের মিয়া, মজনু প্রামাণিক, কোনাবাড়ি গ্রামের আমজাদ আলী সরকার ও নাছির উদ্দিন; কালিহাতী উপজেলার দুর্গাপুরের আজাহার তালুকদার, ময়ছের আলী, নাগবাড়ীর আকবর সওদাগর, রতনগঞ্জের লাবু মিয়া, হোসেন আলী, বল্লা গ্রামের মিন্টু মিয়া ও আব্দুস সামাদ; নাগরপুর উপজেলার ছলিমাবাদের আব্দুল হাকিম ও নওশের তালুকদার; মির্জাপুর উপজেলার ফতেহপুরের আরশেদ আলী ও জমির উদ্দিন; সখীপুর উপজেলার মাইধারচালা গ্রামের নসীব উদ্দিন ও কালোমেঘার জমির আলী; ধনবাড়ী উপজেলার মুসুদ্দীর আবুল কাশেম ও নাজমুল হোসেনসহ বিভিন্ন উপজেলার নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, গণভোট সম্পর্কে তথ্য অফিসের কোনো প্রচারণা তাদের চোখে পড়েনি।

প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে তা-ই জানেন না। তাদের কাছে হ্যাঁ ভোট বা না ভোট দিলে কী হবে সে প্রশ্ন তো অবান্তর। অনেকেই জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে অবগত হলেও গণভোট সম্পর্কে কোনো ধারণা রাখেন না।

স্ব স্ব স্থানীয় সচেতন মহলের অভিযোগ, তথ্য অফিসের এই রহস্যজনক নিষ্ক্রিয়তার কারণে সাধারণ ভোটাররা গণভোট বিমুখ হতে পারেন যা মোট ভোটদানের হারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে গ্রামীণ জনপদে প্রচারণার অভাব প্রকট। রাজনৈতিক দলগুলো ও তাদের প্রার্থীরা স্ব স্ব প্রতীকের পক্ষে প্রচারণা চালালেও গণভোটের বিষয়ে কোনো প্রচারণা নেই। ফলে রাষ্ট্র সংস্কারের ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে নেতিবাচকতা দেখা দিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা তথ্য অফিসের জনৈক কর্মচারী জানান, তারা মাঠ পর্যায়ে প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন। তবে শুধুমাত্র দুই দিন সদর উপজেলার দুই স্থানে মাইকিং করার বাইরে কোনো প্রচারণার তথ্য তিনি দিতে পারেন নাই। তারা মাঠ পর্যায়ের প্রচারণার চেয়ে দাপ্তরিক কাজেই বেশি ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে।

 

টাঙ্গাইল জেলা তথ্য অফিসের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা তাহলিমা জান্নাত জানান, বিভিন্ন দপ্তর থেকে আসা নির্দেশনা অনুযায়ী তারা বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করছেন আলাদাভাবে, তারা কোনো বিশেষ প্রচারণা চালান না। তারা গণভোটের প্রচার-প্রচারণা তৃণমূল পর্যন্ত বিস্তৃত করেছেন। তবে দু’টি স্থানে মাইকিং ব্যতীত অন্য কোনো স্থানে প্রচারণার তথ্য তিনি দিতে পারেননি।

সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানান, সরকারের বিভিন্ন দপ্তর থেকেই গণভোটের প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। তারা ৩৬০টি বড় বড় ব্যানার ও এক লাখ ৮০ হাজার লিফলেট বরাদ্দ পেয়েছেন। ব্যানারগুলো প্রতিটি উপজেলা ও জেলা সদরে টানানো হয়েছে। লিফলেটগুলোও দ্রুতই জনসাধারণের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৬. জানুয়ারী ২০২৬ ১২:১৪:এএম ৪ মাস আগে
টাঙ্গাইলে ‘গণমাধ্যমের অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধ’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ‘গণমাধ্যমের অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধ’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে ‘গণমাধ্যমের অপসাংবাদিকতা প্রতিরোধ এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন’ বিষয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার(১৪ জানুয়ারি) দিনব্যাপী টাঙ্গাইল সার্কিট হাউসের কনফারেন্স রুমে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল ওই প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করে।

এতে জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিণ্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ অংশগ্রহণ করে।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্তের সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি একেএম আব্দুল হাকিম। বিশেষ অতিথি ছিলেন, পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার।

রিসোর্স পার্সন হিসেবে সেশন পরিচালনা করেন, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের সচিব(উপ-সচিব) মো. আব্দুস সবুর।

কর্মশালায় ‘আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকালীন বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচারে প্রেস কাউন্সিল প্রণীত আচরণবিধি প্রতিপালনের গুরুত্ব’ এবং ‘আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা চর্চায় প্রেস কাউন্সিল অ্যাক্ট-১৯৭৪ এর প্রয়োগ’ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

এছাড়া সাংবাদিকদের জন্য অনুসরণীয় আচরণবিধি-১৯৯৩(২০০২ সালে সংশোধিত), তথ্য অধিকার আইন-২০০৯, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট অঅইন-২০১৪ এবং সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫ সম্পর্কে সম্যক ধারণা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বিচারপতি একেএম আব্দুল হাকিম বলেন, সাংবাদিকদের মধ্যে বিভাজন নয়- ঐক্যবদ্ধতা জরুরি। বিভাজিত জাতি সামনে এগিয়ে যেতে পারেনা। এজন্য ঐক্যবদ্ধার বিকল্প আমাদের সামনে নেই।

তিনি বলেন, সাংবাদিকতা একটি স্বাধীন পেশা- এজন্য কোনো নির্দিষ্ট মিডিয়ায় সংযুক্ত না থেকেও ফ্রি-ল্যান্সার হিসেবে সাংবাদিকতা করা যায়, দেশের কল্যাণে কাজ করা যায়। সাংবাদিকদের জন্য প্রেসক্লাব বা কোনো সংগঠনে সংযুক্ত থাকার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই কিম্বা জরুরীও নয়।

ওই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় টাঙ্গাইলের প্রিণ্ট মিডিয়া অ্যাসোসিয়েশন ও টাঙ্গাইল সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্যরা অংশ নেন। পরে অংশগ্রহণকারী সাংবাদিকদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৫. জানুয়ারী ২০২৬ ১২:০২:এএম ৪ মাস আগে
টাঙ্গাইলে জাতীয় পার্টির অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মীর বিএনপিতে যোগদান - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে জাতীয় পার্টির অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মীর বিএনপিতে যোগদান

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে জাতীয় পার্টির (জিএম কাদের) বিভিন্ন পর্যায়ের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান করেছেন।

সোমবার(১২ জানুয়ারি )দুপুরে বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর নির্বাচনী কার্যালয়ে যোগদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় তাদের বরণ করে নেন বিএনপি নেতা সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

এতে সদর উপজেলা জাতীয় পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ আজাদ, হুগড়া ইউনিয়নের সাবেক সম্পাদক মফিজুর রহমান, ৫নং ওয়ার্ডের সাবেক সভাপতি আব্দুল লতিফ, মগড়া ইউনিয়নের সাবেক সাধারন সম্পাদক মাহবুব হাসান ৫ নং ওয়ার্ডের সভাপতি জিন্নাহ খানসহ অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী যোগদান করেন।

বিএনপিতে যোগদান করা নেতাকর্মীরা জানান, জাতীয় পার্টি থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগদান করেছি ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুকে নির্বাচিত করার জন্য। সকলেই ঐক্যবদ্ধ হয়ে টুকুর জন্য কাজ করবো।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. জানুয়ারী ২০২৬ ০৯:১৮:পিএম ৪ মাস আগে
আহমেদ আযম খানের বিরুদ্ধে নির্বাচনি আচরনবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ - Ekotar Kantho

আহমেদ আযম খানের বিরুদ্ধে নির্বাচনি আচরনবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ

আরমান কবীর:ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৮(বাসাইল-সখীপুর) আসনে বিএনপি প্রার্থী আহমেদ আযম খানের বিরুদ্ধে নির্বাচনি আচরনবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠেছে। একই অভিযোগ উঠেছে সখীপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক মো. শরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) টাঙ্গাইলের নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সিভিল জজ আশরাফুল আলম তাদেরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন।

জানা যায়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৮ সংসদীয় আসনের বিএনপির প্রার্থী আহমেদ আযম খান নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে ভোট প্রার্থনা ও অনুদান ঘোষণা করছিলেন। এ অভিযোগ পেয়ে ওই আসনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের গত ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কাছে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠান।

নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সিভিল জজ আশরাফুল আলম লিখিত অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত ভিডিও ও ছবি পর্যালোচনা করে দেখতে পান, একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে আপনি অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান বক্তব্যে বলেছেন, ‘১২ বার তো ভোট দিয়েছেন এবার ১৩ বার এর নির্বাচনে হিসেব করে ভোট দেন। আমি ধানের শীষের প্রার্থী হয়েছি। আমার দল বিএনপি ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছে আগামি নির্বাচনে বিএনপি পাস করলে দুই কোটি ফ্যামিলি কার্ড দিবে।’ এছাড়া তিনি নির্বাচনের প্রথম বছরে দুইটি রাস্তা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত ভিডিও যাচাই করে সত্যতা পাওয়ায় আহমেদ আযম খানের রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা-২০২৫ এর বিধান লঙ্ঘনের বিষয়টি স্পষ্ট হয়।

অপরদিকে, একই সংসদীয় আসনে সখীপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক মো. শরিফুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে একজন প্রার্থীর পক্ষে কাজ করে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের লিখিত অভিযোগের সঙ্গে সংযুক্ত ছবিসমূহ পর্যালোচনায় অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায়। ফলে তাদের দুজনকে টাঙ্গাইলের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনে স্থাপিত নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির সিভিল জজ আদালতের কাছে কারণ দর্শাতে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. জানুয়ারী ২০২৬ ০৫:৫৪:পিএম ৪ মাস আগে
পদত্যাগ করলেন সখিপুর উপজেলা কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক - Ekotar Kantho

পদত্যাগ করলেন সখিপুর উপজেলা কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর–বাসাইল) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীকে প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়ে দল থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগের সখীপুর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র সানোয়ার হোসেন সজীব।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাতে তিনি দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তমের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠান।পদত্যাগপত্রে তিনি শারীরিক ও পারিবারিক সমস্যার কথা উল্লেখ করেন। রাত ৯টা ৩০ মিনিটের দিকে ওই আবেদনপত্র তিনি নিজের ফেসবুক আইডিতে প্রকাশ করেন।

এর আগে কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দেয়। এই প্রেক্ষাপটে রবিবার (৪ জানুয়ারি) রাতে সখীপুর উপজেলার সিলিমপুর এলাকায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আহমেদ আযম খানের উপস্থিতিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সানোয়ার হোসেন সজীব তাকে সমর্থন জানিয়ে বক্তব্য দেন।

ওই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এ সময় কেউ কেউ দাবি করেন, তিনি কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগ ছেড়ে বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন।

তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন সানোয়ার হোসেন সজীব। সোমবার রাত ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে তিনি বলেন,‘আমি শুধু কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার জন্য চিঠি দিয়েছি। অন্য কোনো দলে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেইনি। আপাতত রাজনীতির বাইরে আছি।’

নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন,‘আমি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর দলের রাজনীতি করেছি। বিএনপিও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দল এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি। সে কারণে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে আমার অবস্থান থেকে যতটুকু সম্ভব সমর্থন থাকবে।

এবিষয়ে কৃষক-শ্রমিক জনতা লীগের কেন্দ্রীয় কয়েকজন নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে দলের কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুন্নবী সোহেল তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন,‘রাজনৈতিক দল একটি আদর্শিক ঠিকানা। এখানে কেউ আসে, কেউ যায়, কেউ নিষ্ক্রিয় হয়—এটাই স্বাভাবিক। দল এগিয়ে যাবে জনতার সমর্থনে, তার আপন মহিমায়।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. জানুয়ারী ২০২৬ ০২:০৭:এএম ৪ মাস আগে
টাঙ্গাইলে মগড়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে অপসারণের দাবিতে অনাস্থা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মগড়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে অপসারণের দাবিতে অনাস্থা

আরমান কবীরঃ নানা অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ এনে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. হারুণ অর রশীদের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব দিয়েছেন উক্ত ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা।

গত ২৩ নভেম্বর দুপুরে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগপত্র জমা দেন তাঁরা। অভিযোগটি বর্তমানে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)এর কাছে তদন্তাধীন রয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পরিবর্তনের পর ইউপি সদস্য মো. হারুণ অর রশীদ ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই তিনি বেপরোয়া আচরণ শুরু করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ইউপি সদস্যদের অভিযোগ, উন্নয়ন প্রকল্পে সুষম বণ্টন না করে নিজের ইচ্ছামতো প্রকল্প বাস্তবায়ন, কাজ না করেই প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ, প্রকল্পের টাকা লুটপাট এবং নিজের পছন্দের ইউপি সদস্যদের দিয়ে পরিষদের যাবতীয় কাজ করানোর মতো নানা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এ ছাড়াও ইউনিয়ন পরিষদের জন্য বরাদ্দ কাজের অধিকাংশ তার ৬ নং ওয়ার্ডের করেছে বলে অভিযোগ করেছেন অধিকাংশ ইউপি সদস্য। ফলে তাদের এলাকাবাসীকে উন্নয়ন বঞ্চিত করা হয়েছে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এছাড়াও অভিযোগে বলা হয়, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হওয়ার পর তিনি পরিষদের অন্যান্য ইউপি সদস্যদের অবজ্ঞা করতে থাকেন এবং কাউকে তোয়াক্কা না করে একক সিদ্ধান্তে কার্যক্রম পরিচালনা করেন। এরই মধ্যে তিনি একটি অপহরণ মামলায় জড়িয়ে পড়েন বলেও অভিযোগ রয়েছে। পরে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে ওই মামলাটি স্থানীয়ভাবে আপোষ-মীমাংসা করা হয় বলে দাবি করেছেন ইউপি সদস্যরা।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. হারুণ অর রশীদ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,ইউপি সদস্যরা ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে আমার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনে অপসারণের দাবি তুলেছেন। এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন মিয়া বলেন,মগড়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. হারুণ অর রশীদের বিরুদ্ধে ইউপি সদস্যদের দেওয়া অনাস্থার অভিযোগ আমরা পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)-কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. জানুয়ারী ২০২৬ ১২:৩৯:এএম ৪ মাস আগে
টাঙ্গাইলে অধিক দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি: তিন ব্যবসায়ীকে দুই লাখ টাকা জরিমানা  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অধিক দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি: তিন ব্যবসায়ীকে দুই লাখ টাকা জরিমানা 

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির দায়ে তিন ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করেছে জেলা ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর।

রবিবার (৪ জানুয়ারি) সকালে এই অভিযান পরিচালনা করেন জেলা ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল ।

আসাদুজ্জামান রুমেল জানান ,বিক্রয় রশিদ না থাকায় এবং অধিক দামে বিক্রি করার দায়ে সদর উপজেলায় করটিয়া ইউনিয়নের গড়াসিন বাজারে জামান ট্রেডার্সকে ৫০ হাজার টাকা, একই ইউনিয়নের কুমুল্লি বাজারের আসমা ট্রেডার্সকে ১ লাখ টাকা এবং করটিয়া বাজারের আজাদ ট্রেডার্সকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

অভিযানে সন্তোষ প্রকাশ করে কজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবু জুবায়ের উজ্জল বলেন, জেলায় গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অধিক দামে বিক্রি করছে।

ফলে ভোক্তা পর্যায়ে বাধ্য হয়ে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে তিন থেকে চারশো টাকা বেশি দামে সিলিন্ডার সংগ্রহে বাধ্য হচ্ছে। এ ব্যাপারে জেলা ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অভিযান অত্যন্ত সময়োপযোগী ও যোক্তিক। প্রান্তিক পর্যায়ের ভোক্তারা যেন সরকার নির্ধারিত দামে গ্যাস সিলিন্ডার কিনতে পারে সে ব্যাপারে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছি।

অভিযানে সদর উপজেলার সেনেটারি ইন্সপেক্টর সাহিদা আক্তারসহ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. জানুয়ারী ২০২৬ ০৪:৪১:পিএম ৪ মাস আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।