/ মূলপাতা / টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে মা-ছেলেসহ ৪ জনকে গাছে বেঁধে নির্যাতন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মা-ছেলেসহ ৪ জনকে গাছে বেঁধে নির্যাতন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বৃদ্ধ মা, তার দুই ছেলে ও এক ছেলের স্ত্রীকে গাছে বেঁধে নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।

পরে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর-৯৯৯-এ কল পেয়ে আহতদের উদ্ধার করে পুলিশ। এদের মধ্যে একজনকে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং দুই জনকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার মধুপুর পৌর এলাকার ৭নং ওয়ার্ডের পুন্ডুরা গ্রামে নির্যাতনের ঘটনাটি ঘটে।

নির্যাতিতরা হলেন- একই গ্রামের মৃত নুরুল ইসলামের স্ত্রী শাফিয়া বেগম (৫৫), বড় ছেলে আলমগীর হোসেন, ছোট ছেলে জুব্বার আলী ও আলমগীরের স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম।

ছেলে আলমগীর ও জুব্বারের সঙ্গে প্রতিবেশী মৃত আবু সেকের ছেলে কালু মিয়া ও তার ভাইদের জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। দুই পক্ষের মধ্যে মামলা মোকদ্দমাও হয়েছে। ২৩ বছর বাটোয়ারা মামলা চলার পর চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি আদালত আলমগীর ও জুব্বাররের পক্ষে রায় দেন। রায় পেয়ে জমির খাজনা খারিজ করেন তারা। মাঠ ও প্রিন্ট পর্চা তাদের নামেই রয়েছে।

প্রতিপক্ষ কালু মিয়া শেখ, ভাই আজগর, সামাদ এ নিয়ে গত কয়েক মাস আগে ওই জমির মালিক দাবি করে আদালতে ১৪৪ ধারা জারি চেয়ে আবেদন করেন। আদালত স্থানীয় সংশ্লিষ্ট বিভাগের তদন্ত রিপোর্টের প্রেক্ষিতে ১৪৪ ধারা জারি করেন। আলমগীর, জুব্বাররা কাগজপত্রের ভিত্তিতে ১৪৪ ধারার বিপরীতে জজ কোর্টে আপিল করেছেন। এ নিয়ে গত এক সপ্তাহ ধরে দুই পরিবারে উত্তেজনা চলছিল।

মঙ্গলবার সকালে কালু মিয়া গং ৬০ শতক জমিতে ঘর নির্মাণ শুরু করেন। এসময় আলমগীর ও জুব্বার বাঁধা দিতে গেলে তাদের গাছের সঙ্গে বেঁধে রড ও লাঠি দিয়ে পেটাতে থাকেন। এসময় তাদের মা শাফিয়া এগিয়ে এলে তাকেও গাঁছে বেঁধে রাখা হয়। শাশুড়িকে রক্ষায় এগিয়ে এলে আলমগীরের স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগমকেও হাত পা বেঁধে বসিয়ে রাখা হয় জমিতে। পরে স্থানীয় এক ব্যক্তি ৯৯৯ নম্বরে কল করেন। পরে মধুপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করে।

মধুপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধের জেরে ধাক্কা-ধাক্কি হয়েছে। তবে গাছে বেঁধে নির্যাতনের বিষয়ে তিনি জানেন না। এধরনের কোনো ঘটনা হয়ে থাকলে এবং কেউ অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. ডিসেম্বর ২০২৩ ০২:২৯:এএম ৩ মাস আগে
নৌকার বাইরে কাজ করার সুযোগ নেই: কৃষিমন্ত্রী - Ekotar Kantho

নৌকার বাইরে কাজ করার সুযোগ নেই: কৃষিমন্ত্রী

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে কৃষিমন্ত্রী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, আমি মনে করি, দলের কোন নেতাকর্মী দল বা নৌকার বাইরে কাজ করার কোন সুযোগ নেই। যারা দলের আদর্শ মেনে চলে তাদের অবশ্যই নৌকার পক্ষে কাজ করতে হবে। এই নৌকাকে আমরা বলি হক ভাসানীর নৌকা, এই নৌকা বঙ্গবন্ধুর নৌকা, এই নৌকা আওয়ামী লীগের নৌকা, এই নৌকা শেখ হাসিনার নৌকা। তাই নৌকার বাইরে কাজ করার সুযোগ নেই।

বুধবার (৬ ডিসেম্বর ) বেলা সাড়ে ১১ টায় টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় যোগদানের আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ সব কথা বলেন তিনি।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, দল থেকে বহিষ্কার হওয়া একটি বিষয়। আরেকটি বিষয় হচ্ছে, দলের আদর্শের প্রতি অটুট থেকে, অবিচল থেকে, কমিটেড থেকে আদর্শের জন্য কাজ করা। নৌকা হচ্ছে আওয়ামী লীগের প্রতীক, অসাম্প্রদায়িক সমাজ ব্যবস্থা, বাঙালী জাতীয়তাবাদ, গনতন্ত্র, সমাজতন্ত্রের প্রতীক। ১৯৪৯ সালে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে কোন সাম্প্রদায়িকতার সাথে কোন দিন আপোষ করেনি, গনতন্ত্রের সাথে কোন আপোষ করেনি। আমরা চাই, ন্যায় ও সমতার ভিত্তিতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। একটি সুন্দর সুষ্ঠ আদর্শ সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই আওয়ামী লীগের লক্ষ।

তিনি আরও বলেন, অর্থনীতির ক্ষেত্রে বৈষম্য ঘুচিয়ে মানুষের মধ্যে ধনী-গরীবের যে পার্থক্য সেটিকে কমিয়ে নিয়ে আসা। কাজেই এটা আদর্শের কমিটমেন্ট। প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের স্বার্থে হয়তো বলেছে প্রতিযোগিতার জন্য। কিন্তু তিনি বলেন নাই, নৌকা বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগের একজন কর্মী বা অন্য প্রার্থীর জন্য কাজ করতে হবে। নৌকার বাইরে যারা নির্বাচন করছে, আমার দৃষ্টিতে তারা অবশ্যই বিদ্রোহী প্রার্থী।

মন্ত্রী বলেন, আমরা সামনের দিনে কিভাবে দেশের অর্থনীতিকে পুর্নজীবিত করবো, আবার আগের ধারায় শক্তিশালী করবো আমরা সেই বিবেচনা রেখে নির্বাচনে যাচ্ছি। জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় সিদ্ধান্ত নেবো কিভাবে দল ও নৌকার প্রার্থীকে বিজয় করা যায়। আমাদের সাফল্য অর্জনের ও উন্নয়নের বিভিন্ন দিক কিভাবে মানুষের মাঝে তুলে ধরবো তা নিয়ে আলোচনা করবো। আমাদের কি উদ্দেশ্যে, কি অঙ্গীকার ও কি লক্ষ তা নিয়ে আলোচনা করা হবে। কৃষি, শিক্ষা, সেবা প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। এ উন্নয়নের ধারাবাহিকতা আমরা রক্ষা করতে চাই।

জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুকের সভাপতিত্বে বিশেষ বর্ধিত সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপি, টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর- দেলদুয়ার) আসনের সংসদ সদস্য আহসানুল ইসলাম টিটু, টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভ, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. ডিসেম্বর ২০২৩ ০১:০১:এএম ৩ মাস আগে
টাঙ্গাইলে স্ত্রীর পরকীয়া সইতে না পেরে ‘চিরকুট’ লিখে স্বামীর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্ত্রীর পরকীয়া সইতে না পেরে ‘চিরকুট’ লিখে স্বামীর আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ স্ত্রীর পরকীয়া সইতে না পেরে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে শশুর বাড়িতে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে মোস্তফা কামাল (৪২) নামের এক ব্যক্তি ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

বুধবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার ফলদা ঘোনাপাড়ায় শশুর বাড়ি থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহত মোস্তফা কামাল পার্শ্ববর্তী ঘাটাইল উপজেলার লোকেরপাড়া ইউনিয়নের আনন্দপাড়া গ্রামের আমির আলীর ছেলে। তিনি সবজি ব্যবসায়ী ছিলেন।

পুলিশের ধারণা, মঙ্গলবার রাতের কোনো এক সময়ে সে আত্মহত্যা করেছে। মরদেহের পকেটে একটি ‘চিরকুট’ পাওয়া যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মোস্তফা কামালের স্ত্রী রুনা খাতুনকে থানায় নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়রা জানায়, মোস্তফা কামাল ও স্ত্রী রুনা খাতুনের ঘরে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। স্ত্রী পরকীয়ায় আসক্ত হওয়ায় প্রায়ই তাদের মধ্যে ঝগড়া হতো। এতে মানসিকভাবে হতাশাগ্রস্থ হয়ে মঙ্গলবার রাতের কোনো এক সময়ে শশুর বাড়িতে এসে গলায় ওড়না পেঁছিয়ে আত্মহত্যা করে।

মোস্তফা কামালের বড় ভাই সাজেদুল করিম জানান, পরকীয়া নিয়ে ওদের মধ্যে ঝগড়া লেগেই থাকতো। যে কারণে কামাল হতাশগ্রস্থ হয়ে তার স্ত্রীর ওড়না গলায় পেঁছিয়ে ফাঁস দিতে পারে বলে ধারণা করছি।

ফলদার ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আব্দুর রাজ্জাক জানান, গাছে মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে স্থানীয়রা খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে।

এ ব্যাপারে ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আহসান উল্লাহ্ বলেন, খবর পেয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এসময় তার পকেট থেকে একটি চিরকুট পাওয়া যায়। চিরকুটে স্ত্রীর পরকীয়া করার বিষয়টি লেখা ছিল। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. ডিসেম্বর ২০২৩ ০১:০৫:এএম ৩ মাস আগে
টাঙ্গাইলে লৌহজং নদী দখল ও দূষণ রোধে মতবিনিময় সভা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে লৌহজং নদী দখল ও দূষণ রোধে মতবিনিময় সভা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরের পশ্চিম পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া লৌহজং নদী দখল ও দূষণ রোধে করণীয় বিষয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে শহরের একটি রেস্টুরেন্টে পরিবেশবাদী সংগঠন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) এ সভার আয়োজন করেছে।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী।

খন্দকার নাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জমীর উদ্দীন হায়দার, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাব-ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার আবু জুবায়ের, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ডেপুটি রেজিস্ট্রার ড. ইকবাল বাহার বিদ্যুৎ, উন্নয়ন কর্মী মীর জালাল আহমেদ উজ্জল প্রমুখ।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বেলার বিভাগীয় সমন্বয়কারী গৌতম চন্দ্র চন্দ।

এ সময় বিভিন্ন বেসরকারি দপ্তর, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার কর্মকর্তা ও সমাজকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় লৌহজং নদী দখল ও দূষণ এবং উদ্ধার কার্যক্রম নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. ডিসেম্বর ২০২৩ ০২:৫৮:এএম ৩ মাস আগে
টাঙ্গাইলে ঋণের দায়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ঋণের দায়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নিরুপম রাহা (৪০) নামে এক যুবক ঋণের দায়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছে । সোমবার(৪ ডিসেম্বর )দুপুরে মির্জাপুর পৌর এলাকার বাওয়ার কুমারজানী পূর্বপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

নিরুপম রাহা উপজেলার বহুরিয়া ইউনিয়নের কোর্টবহুরিয়া গ্রামের নিমাই রাহার ছেলে। সে এক কন্যা সন্তানের জনক।

জানা যায়, নিরুপম রাহা আর্থিক অনটনে ঋণে জর্জরিত হয়ে পড়লে সদরের বাইমহাটী এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতে থাকে। এক পর্যায় সে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। সোমবার দুপুরে সে বাওয়ার কুমারজানী পূর্বপাড়া এলাকায় রেললাইনের উপর বসে থাকে। পরে নিলফামারী জেলার চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী চিলাহাটি একপ্রেস ট্রেনটি দুপুর সোয়া দুইটার দিকে ওই স্থানে পৌছালে নিরুপম রাহা ওই ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে।

উপজেলার উয়ার্শী ইউনিয়ন পরিষদের সচিব নিরুপম রাহার চাচাতো ভাই সুজন কুমার জানান, নিরুপম আর্থিক অনটনে ঋণে জর্জরিত হয়ে মাদকাসক্ত হয়। কয়েকদিন আগেও তিনি তাকে কয়েক হাজার টাকা দিয়ে সহযোগিতা করেছেন বলে জানান।

মির্জাপুর রেল স্টেশনের স্টেশন মাস্টার কামরুল হাসান জানান, ট্রেনেকাটা পড়ে নিরুপম নামে এক ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. ডিসেম্বর ২০২৩ ০৩:২৫:এএম ৩ মাস আগে
টাঙ্গাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থককে আটকে রেখে মনোনয়ন বাতিলের অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থককে আটকে রেখে মনোনয়ন বাতিলের অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ সমর্থককে আটকে রেখে মনোনয়ন বাতিলের অভিযোগ তুলেছেন টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু।

ঘটনার সত্যতা যাচাই ও তদন্ত চেয়ে শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন তিনি। তবে লিখিত অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে না দেখে দৈবচয়ন পদ্ধতিতে তার মনোনয়ন পত্রটি বাতিল করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

জানা যায়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ১২ (৩ ক) দফা ২ এর উপদফা (ক) অনুযায়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীকে মনোনয়ন পত্রের সাথে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থন সম্বলিত স্বাক্ষর যুক্ত তালিকা সংযুক্ত করার বিধান রয়েছে। টাঙ্গাইল-২ নির্বাচনী আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩,৯৫,২৪৮। যার ১ শতাংশ ভোটার ৩৯৫২ এবং তিনি উক্ত তালিকা দাখিল করেছেন।

তার মনোনয়ন পত্রের সাথে সংযুক্ত ভোটারের স্বাক্ষর যুক্ত তালিকা হতে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সচিবালয় এর স্মারক নং ১১৭০০০০০০৩৪৩৬০১৮২৩৭৩৮, তারিখ- ২০ নভেম্বর ২০২৩ এর পত্র অনুযায়ী দৈবচয়নের ভিত্তিতে ১০ জন ভোটারের স্বাক্ষর সম্বলিত তালিকা সরজমিনে যাচাই বাছাই করা হয়েছে। যাচাই বাছাই ও তদন্তকালে ৩৯৫২ ভোটারের মধ্যে দাখিলকৃত সমর্থনযুক্ত তালিকার ক্রমিক নং যথাক্রমে ২১১৫, ৩২২৩, ৮৭২, ২২৮৬, ১৫৭৪, ৭৫১, ৫৪৩, ২১৫৩, ২৩৮৮ মোট নয় জনের স্বাক্ষরের বিষয়টি সত্যতা পাওয়া গেলেও ৩৪২৬ ক্রমিকে অন্তর্ভূক্ত ভোটার আরফান আলী শেখ, পিতা- খোরশেদ আলী, ভোটার নম্বর- ৯৩১৩১৩৭৯০৬৯৪, গ্রাম- মাদারিয়া ভূঞাপুর টাঙ্গাইলের বাড়িতে বিগত ১ ডিসেম্বর আনুমানিক সকাল সাড়ে ১১টার সময় তদন্তকারী কর্মকর্তাগণ গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে, মো. আরফান আলী শেখ সমর্থন সম্বলিত তালিকায় প্রদত্ত টিপসহি নিজের নয় বলে উল্লেখ করেন।

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ১২ (৩ ক) দফা ২ এর উপদফা (ক) এর শর্ত লঙ্ঘিত হওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী (প্রার্থীতার পক্ষে সমর্থন যাচাই) বিধিমালা ২০১১ এর ৫ বিধির আলোকে এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ১৪ (৩) (গ) এর বিধান অনুসারে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদারের দাখিলকৃত মনোনয়ন পত্রটি বাতিল যোগ্য হওয়ায় বাতিল ঘোষনা করা হয়।

অন্যদিকে, গত ১ ডিসেম্বর প্রার্থীর সমর্থক ভূঞাপুরের মাদারিয়া গ্রামের খোরশেদ আলীর ছেলে তালিকার ৩৪২৬ ক্রমিকে অন্তর্ভূক্ত ভোটার আরফান আলী শেখের নিখোঁজের বিষয়টি উল্লেখ করে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়।

নিখোঁজ সমর্থককে মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাইয়ের দিন ভূঞাপুরের ফলদা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়াররম্যান মো. সাইদুল ইসলাম তালুকদার দুদুর ব্যক্তিগত গাড়িতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আসা যাওয়ার বিষয়টি প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। সত্যতা যাচাই ও নির্বাচনের পরিবেশ অবাধ ও সুষ্ঠু রাখতে জেলা প্রশাসনের অধিকতর তদন্ত প্রয়োজন বলে মত প্রকাশ করেছেন প্রার্থী ও তার সমর্থকরা।

নিখোঁজ আরফান আলী শেখ বলেন, আমি কারো পক্ষে কোথাও কোন স্বাক্ষর দেইনি। এছাড়া নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি এড়িয়ে যান তিনি।

ফলদা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. সাইদুল ইসলাম তালুকদার দুদু বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থীর কোন সমর্থক নিখোঁজের বিষয়টি জানেন না। আরফান আমার প্রতিবেশী ও আমার ইউনিয়নের বাসিন্দা। সেই হিসেবে আমি তাকে সাথে নিয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়েছিলাম।

স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু বলেন, আমি ১ ডিসেম্বর সমর্থক নিখোঁজের বিষয়টি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তাকে লিখিতভাবে জানিয়েছি। অভিযোগের কোন ব্যবস্থা না নিয়ে আমার মনোনয়ন পত্রটি বাতিল করা হয়েছে। আমি নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছি, আমার বিশ্বাস আমি ন্যায় বিচার পাবো।

এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম জানান, সমর্থক নিখোঁজের অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্বতন্ত্র প্রার্থীর একজন ভোটার স্বাক্ষর দেননি বলে দাবি করায় নিয়মানুযায়ী ওই মনোনয়ন পত্রটি বাতিল করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. ডিসেম্বর ২০২৩ ০২:২১:এএম ৩ মাস আগে
টাঙ্গাইলে এমপি প্রার্থী সিদ্দিক পরিবারের ৩ সহোদর ভাই - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে এমপি প্রার্থী সিদ্দিক পরিবারের ৩ সহোদর ভাই

একতার কণ্ঠঃ আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য প্রার্থী হয়েছেন টাঙ্গাইলের আলোচিত সিদ্দিকী পরিবারের সহোদর ৩ ভাই। জেলার চারটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তারা। নির্বাচনে অংশ নেয়া আসন গুলোর মধ্যে রয়েছে টাঙ্গাইল-৩,৪,৫ ও ৮।

সিদ্দিকী পরিবারের প্রার্থীরা হলেন, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের বহিষ্কৃত প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম আর ছোট ভাই সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মুরাদ সিদ্দিকী।

এর মধ্যে বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী টাঙ্গাইল-৮ ও ৩ দুটি আসন, মুরাদ সিদ্দিকী টাঙ্গাইল-৪ ও ৫ দুটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এছাড়া টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) একটি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী।

তবে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর প্রতিদ্বন্দ্বি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী মোজহারুল ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু ছাড়াও সহোদর ছোট ভাই স্বতন্ত্র প্রার্থী মুরাদ সিদ্দিকী, স্বাধীনতার ইস্তেহার পাঠক ও বিএনপি’র সাবেক মন্ত্রী শাহজাহান সিরাজের মেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ ও জাতীয় পার্টির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মো. লিয়াকত আলী।

বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) সিদ্দিকী পরিবারের সহোদর এই ৩ ভাই স্ব স্ব আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

সিদ্দিকী পরিবারের ৩ সহোদর ভাইয়ের নির্বাচনে অংশ নেওয়া আসন গুলোর মধ্যে টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে কৃষক শ্রমিক জনতালীগ প্রার্থী বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর প্রতিদ্বন্দ্বি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান, আওয়ামীলীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও স্বতন্ত্র প্রার্থী আমানুর রহমান খান রানা। অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বির মধ্যে রয়েছেন- আজিজ খান (জাকের পার্টি) আব্দুল হালিম (জাতীয় পার্টি), মো. হাসান আল মামুন সোহাগ (এনপিপি), চৌধুরী হাবিবুর রহমান (স্বতন্ত্র) ,মো. জাকির হোসেন (বিএনএম), ফরিদা রহমান খান (স্বতন্ত্র), মো. সাখাওয়াত খান সৈকত (বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল)।

টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীর প্রতিদ্বন্দ্বি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী মোজহারুল ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু ছাড়াও সহোদর ছোট ভাই স্বতন্ত্র প্রার্থী মুরাদ সিদ্দিকী, স্বাধীনতার ইস্তেহার পাঠক ও বিএনপির সাবেক মন্ত্রী শাহজাহান সিরাজের মেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ আর জাতীয় পার্টির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মো. লিয়াকত আলী।

অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বিরা হলেন- মোন্তাজ আলী (জাকের পার্টি), শহিদুল ইসলাম (তৃণমূল বিএনপি),এস এম আবু মোস্তফা (জাসদ), মো.শুকুর মাহমুদ (বিএসপি), সাদেক সিদ্দিকী (জাতীয় পার্টি জেপি)।

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুরাদ সিদ্দিকীর প্রতিদ্বন্দ্বি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. মামুনুর রশিদ, বর্তমান সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন, টাঙ্গাইল পৌরসভার তিনবারের নির্বাচিত সাবেক মেয়র জামিলুর রহমান মিরণ, কেন্দ্রীয় বিএনপি থেকে সদ্য বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী খন্দকার আহসান হাবিব, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. মোজাম্মেল হক।

এই আসনে অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বিরা হলেন- বাংলাদেশ আওয়ামী মহিলালীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক স্বতন্ত্র প্রার্থী মেহেরনিগার হোসেন তন্ময়, মো. তৌহিদুর রহমান চাকলাদার( বিএনএম), মো.দুলাল মিয়া (জাকের পাার্টি), হাসরত খান ভাসানী (ন্যাপ ভাসানী) ও মো.শরীফুজ্জামান খান (তৃনমুল বিএনপি)।

টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে কৃষক শ্রমিক জনতালীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম এর প্রতিদ্বন্দ্বি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী অনুপম শাহজাহান জয়।

অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বিরা হলেন- মো. আবুল হাসেম (বাংলাদেশ বিকল্পধারা), আ.জলিল (জাকের পার্টি), শাম্বুল (তৃনমুল বিএনপি) আর রেজাউল করিম (জাতীয় পার্টি)।

আওয়ামী রাজনীতির এক সময়ের জেলার পরিচয়বহণ করা সিদ্দিকী পরিবারের বড় ছেলে ও বাংলাদেশ আওয়াশীলীগের বহিষ্কৃত প্রেসিডিয়াম মেম্বার আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসন থেকে একাধিকবার এমপি নির্বাচিত হয়ে মন্ত্রী হয়েছেন। ২০১৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে একটি সভায় হজ, তাবলিগ জামাত ও প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য করে মন্ত্রিত্ব হারান। এরপর তাঁকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়। দেশে ফেরার পর তাঁকে কারাগারেও যেতে হয়। পরে তিনি সংসদ থেকে পদত্যাগ করেন। সর্বশেষ ২০১৮ সালেও তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে পরবর্তীতে নির্বাচন থেকে সরে যান। দ্বাদশ নির্বাচনে আবার তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

মুক্তিযুদ্ধের জীবন্ত কিংবদন্তি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দলের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় ১৯৯৯ সালে জাতীয় সংসদ থেকে পদত্যাগ করেন। ১৯৯৯ সালে আওয়ামী লীগ ত্যাগ করে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ গঠন করেন। এরপর নিজ দল কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ থেকে ২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

জেলা ছাত্রলীগের সাবেক ছাত্র নেতা মুরাদ সিদ্দিকী কাদের সিদ্দিকীর কৃষক শ্রমিক জনতালীগে যোগ দেন। ২০০১ ও ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রার্থী হিসেবে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন তিনি। এরপর ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর মুরাদ সিদ্দিকী কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ থেকে নিজেকে গুটিয়ে নেন। ২০০৯ সাল থেকে মুরাদ সিদ্দিকী আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। ২০০৯ সাল থেকে মুরাদ সিদ্দিকী অদ্যবধিও আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করেন।

২০১৪ ও ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে উল্লেখযোগ্য ভোট পেয়ে পরাজিত হন মুরাদ সিদ্দিকী।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. ডিসেম্বর ২০২৩ ০২:৩৮:এএম ৩ মাস আগে
টাঙ্গাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থী ঠান্ডুর মনোনয়নপত্র বাতিল - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্বতন্ত্র প্রার্থী ঠান্ডুর মনোনয়নপত্র বাতিল

একতার কণ্ঠঃ ভোটারের স্বাক্ষর জালিয়াতি করার অভিযোগে টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর-গোপালপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও পদত্যাগকারী উপজেলা চেয়ারম্যান ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডুর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা।

শনিবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন।

জানা যায়, ঠান্ডু মনোনয়নপত্রে ভোটারের স্বাক্ষরে ভূঞাপুর উপজেলার মাদারিয়া পূর্বপাড়া গ্রামের আরফান আলী সেকের স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। তবে আরফান আলী সেক স্বাক্ষরের বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

স্বতন্ত্র প্রার্থী ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু বলেন, ওই ব্যক্তি স্বাক্ষর দেওয়ার পর অস্বীকার করছেন। তবে তার বাড়িতে তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। এ বিষয়ে আমি আপিল করবো।

আরফান আলী সেক বলেন, আমি কোথাও স্বাক্ষর দেই নাই। তবে আমার স্বাক্ষর জালিয়াতি করা হয়েছে। আমি এটার সুষ্ঠু বিচার চাই।

জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম জানান, ইউনুস ইসলাম তালুকদার ঠান্ডুর আবেদনে এক শতাংশ ভোটারের স্বাক্ষর করে জমা দিয়েছেন। সেখান থেকে ১০ ভোটারের স্বাক্ষর ও তথ্য যাচাই বাছাই করার জন্য অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। সেখানে ৯টি ভোটারের তথ্য সঠিক পাওয়া যায়।

তিনি আরও জানান, তবে একটি ভোটারের তথ্য সঠিক পাওয়া যায়নি। ফলে স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থন যাচাই বিধিমালা ২০১১ এর ৫ বিধি লঙ্ঘিত হয়েছে। পরে আইন অনুযায়ী তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। তিনি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. ডিসেম্বর ২০২৩ ০১:৩০:এএম ৩ মাস আগে
টাঙ্গাইল-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা দিলেন শুক্লা সিরাজ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইল-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা দিলেন শুক্লা সিরাজ

একতার কণ্ঠঃ হেভিওয়েট প্রার্থীতে সরব হয়ে উঠেছে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসন। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার য়ার শেষদিন (৩০ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহাদাত হুসেইনের কার্যালয়ে দেখা গেছে এ আসনের সকল হেভিওয়েট প্রার্থীদের। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে সমর্থকসহ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তারা। এর মধ্যে আকর্ষণ হয়ে উঠেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার সারওয়ার সিরাজ (শুক্লা)।

তিনি স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আর বিএনপি’র সাবেক বন ও পরিবেশ মন্ত্রী মরহুম শাহজাহান সিরাজের মেয়ে। ব্যারিস্টার সারওয়ার সিরাজ (শুক্লা) গুলশান সোসাইটি ঢাকার মহাসচিব। তিনি সুপ্রীম কোর্টে আইন পেশায় নিয়োজিত।

হভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে দুপুরে মনোনয়নপত্র জমা দেন এ আসনের আওয়ামীলীগের মনোনিত প্রার্থী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাত বারের সভাপতি মোজহারুল ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু, এরপরে কৃষক শ্রমিক জনতালীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, সরকারি সাদত কলেজের সাবেক ভিপি তার ছোট ভাই শামীম আল মনসুর আজাদ সিদ্দিকী, লতিফ সিদ্দিকীর সহধর্মিণী ও সাবেক এমপি লায়লা সিদ্দিকী আর সমর্থকদের নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা দেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের বহিষ্কৃত প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, একই আসনের অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী সিদ্দিকী পরিবারের আরও এক আলোচিত রাজনীতিবিদ ও সাবেক ছাত্র নেতা মুরাদ সিদ্দিকী। তিনি টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

এছাড়াও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তৃণমূল বিএনপি’র প্রার্থী শহিদুল ইসলাম, সুপ্রিম পার্টি (ন্যাপ) শুকুর মাহমুদ, জাসদ প্রার্থী এস.এম মোস্তফা, জাতীয় পার্টি (জেপি) সাদেক সিদ্দিকী। এর আগে ২৯ নভেম্বর মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জাতীয় পার্টি (এরশাদ) ইঞ্জিনিয়ার লিয়াকত আলী আর জাকের পার্টির প্রার্থী মোনতাজ আলী।

মনোনয়নপত্র জমা শেষে ব্যারিস্টার সারওয়ার সিরাজ (শুক্লা) বলেন, আমি কোন রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত না। আমি সমাজ সেবা আর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী হিসেবে কাজ করি। কালিহাতীর মানুষের সাথে আমার নাড়ীর সম্পর্ক। মানুষের চাহিদা ও স্থানীয় বাস্তবতা থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছি। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত আমি ২৩ নভেম্বর নিয়েছি এবং মনোনয়নপত্র ক্রয় করেছি।

তিনি আরও বলেন, আমি রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান। জন্মের পর থেকেই নানা ধরণের চাপ নিয়ে বড় হয়েছি। বিজয় নিয়ে আমি শতভাগ আশাবাদি। তারণ্যের প্রতীক হিসেবে তিনি নতুন প্রজন্ম, দল মত নির্বিশেষে সকল নর-নারীর ভোট প্রার্থণা করেছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. ডিসেম্বর ২০২৩ ০১:৫৭:এএম ৩ মাস আগে
টাঙ্গাইলে মসজিদের বারান্দা থেকে অজ্ঞাত বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মসজিদের বারান্দা থেকে অজ্ঞাত বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ মসজিদের বারান্দা থেকে অজ্ঞাত এক বৃদ্ধের লাশ উদ্ধার করেছে টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানা পুলিশ। ধারণা করা হচ্ছে, তার বয়স আনুমানিক ৭৫ বছর। তিনি পেশায় একজন ভিক্ষুক। এ ঘটনায় পুলিশ অজ্ঞাত ওই বদ্ধের পরিচয় শনাক্তের জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) সকালে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার আওতাধীন কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নের গোহালিবাড়ীস্থ জোকারচর বাসস্ট্যান্ড মসজিদের বারান্দা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, প্রায় দেড় বছর ধরে সেতু পূর্ব থানা ও জোকারচরসহ আশপাশের এলাকায় ভিক্ষাবৃত্তি করে নিজের জীবিকা নির্বাহ করতো সে। তার কোনো থাকার জায়গা ছিলোনা। দিন শেষে গোহালিয়াবাড়ীস্থ জোকারচর বাজার মসজিদের বারান্দায় ঘুমাতো। কেউ তার পরিচয় জানতো না।

শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে মসজিদের টিউবওয়েলের পানি নিয়ে বারান্দায় হাত-মুখ ধোয়ার সময় হঠাৎ সেখানে মাটিতে পড়ে গিয়ে মারা যায় সে। পরে স্থানীয়রা বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানা পুলিশকে খবর দিলে লাশটি উদ্ধার করে তার মরদেহ থানায় নিয়ে যান।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সোহাগ চৌধুরী জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে অজ্ঞাত ওই বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তার পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। পরিচয় শনাক্তের জন্য কাজ করছে পুলিশ। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও বিষয়টি নিয়ে পোস্ট করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. ডিসেম্বর ২০২৩ ১২:০০:এএম ৩ মাস আগে
টাঙ্গাইলের ৮টি আসনে মনোনয়নপত্র কিনলেন ৫৮ প্রার্থী - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের ৮টি আসনে মনোনয়নপত্র কিনলেন ৫৮ প্রার্থী

একতার কণ্ঠঃ আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে টাঙ্গাইলের ৮টি আসনে এখন পর্যন্ত ৫৮ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করছেন। ইতোমধ্যে ২ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) বিকেল পর্যন্ত টাঙ্গাইলের ৮টি সংসদীয় আসনের বিপরীতে ৫৮টি মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়েছে। আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম), জাসদ, বাংলাদেশ বিকল্পধারা, বাংলাদেশের ওয়ার্কাস পার্টি, বাংলাদেশ কংগ্রেস, জাকের পার্টি, বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল মনোনীত প্রার্থী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে তাদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। একই সাথে ২ জন মনোনয়নপত্র জমাও দিয়েছেন।

সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মতিয়ুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারীরা হলেন- টাঙ্গাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে ড. আব্দুর রাজ্জাক (আওয়ামী লীগ), মোহাম্মদ আলী (জাতীয় পার্টি), রফিকুল ইসলাম (জাকের পার্টি)।

টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে তানভীর হাসান ছোট মনির (আওয়ামী লীগ), খন্দকার মশিউজ্জামান রোমেল (স্বতন্ত্র ), ইউনুছ ইসলাম তালুকদার (স্বতন্ত্র), মাসুদুল হক মাসুদ (স্বতন্ত্র), এমরান হক চৌধুরী (স্বতন্ত্র) হুমায়ুন কবির তালুকদার (জাতীয় পার্টি) ও এনামুল হক মনজু (জাকের পার্টি)।

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনে অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান (আওয়ামী লীগ), বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম (কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ), জাকির হোসেন (বিএনএম), আমানুর রহমান খান রানা (স্বতন্ত্র), ফরিদা রহমান খান (স্বতন্ত্র), সাখাওয়াত খান সৈকত (বাংলাদেশ সাম্যবাদী দল) ও আব্দুল আজিজ খান (জাকের পার্টি)।

টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসনে মোজহারুল ইসলাম তালুকদার ঠান্ডু (আওয়ামী লীগ), আবদুল লতিফ সিদ্দিকী (স্বতন্ত্র), মুরাদ সিদ্দিকী (স্বতন্ত্র), ইঞ্জিনিয়ার লিয়াকত আলী (জাতীয় পার্টি), সারওয়াত সিরাজ (স্বতন্ত্র), মোন্তাজ আলী (জাকের পার্টি)।

টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন (আওয়ামী লীগ), মুরাদ সিদ্দিকী (স্বতন্ত্র), জামিলুর রহমান মিরন (স্বতন্ত্র), ছানোয়ার হোসেন (স্বতন্ত্র), খন্দকার আহসান হাবিব (স্বতন্ত্র), মোজাম্মেল হক (জাতীয় পার্টি), তৌহিদুর রহমান চাকলাদার (বিএনএম), মেহেরনিগার হোসেন তন্ময় (স্বতন্ত্র), শরিফুজ্জামান খান (তৃণমূল বিএনপি) ও দুলাল মিয়া (জাকের পার্টি)।

টাঙ্গাইল-৬ (নাগরপুর-দেলদুয়ার) আসনে আহসানুল ইসলাম টিটু (আওয়ামী লীগ), মুহাম্মদ আশরাফুল ইসলাম (স্বতন্ত্র), তোফায়ের আহমেদ (স্বতন্ত্র), সৈয়দ মাহমুদুল ইলাহ (স্বতন্ত্র), খন্দকার ওয়াহিদ মুরাদ (স্বতন্ত্র), আব্দুল হাফেজ বিলাস (স্বতন্ত্র), জাকিরুল ইসলাম উইলিয়াম (স্বতন্ত্র), তারেক শামস খান (স্বতন্ত্র), রাকিব হোসেন (স্বতন্ত্র), মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন (বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন) ও আব্দুল করিম (বিএসপি)।

টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে খান আহমেদ শুভ (আওয়ামী লীগ), মোশারফ হোসেন (স্বতন্ত্র), গোলাম নওজব চৌধুরী (বাংলাদেশের ওয়ার্কাস পার্টি), রূপা রায় চৌধুরী (বাংলাদেশ কংগ্রেস), রাফিউর রহমান খান ইউসুফজাই (স্বতন্ত্র), মীর এনায়েত হোসেন মন্টু (স্বতন্ত্র), জহিরুল ইসলাম জহির (জাতীয় পার্টি), মোক্তার হোসেন (জাকের পার্টি), আরমান হোসেন তালুকদার (কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ) ও মঞ্জুর রহমান মজনু (জাসদ)।

টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনে অনুপম শাহজাহান জয় (আওয়ামী লীগ), আবুল হাসেম (বাংলাদেশ বিকল্পধারা), বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীর উত্তম (কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ) ও আব্দুল জলিল (জাকের পার্টি)।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. নভেম্বর ২০২৩ ০১:৩২:এএম ৩ মাস আগে
ভোট কেন্দ্রে ভোটার না এলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা পাবে না: কাদের সিদ্দিকী - Ekotar Kantho

ভোট কেন্দ্রে ভোটার না এলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা পাবে না: কাদের সিদ্দিকী

একতার কণ্ঠঃ প্রধানমন্ত্রীর অধীনে নির্বাচনে যাইনি, যাচ্ছি না। নির্বাচন কমিশনের অধীনে নির্বাচন হবে এটা স্বত:সিদ্ধ কথা। বিএনপি এখন দেশের কথা ভাবছে না। তারা আন্তর্জাতিক ক্ষমতা দ্বারা সরকারে যেতে চেষ্টা করছে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম।

বুধবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনে সখীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারি রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। পরে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ভোট কেন্দ্রে ভোটার না এলে নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা পাবে না। আর প্রচুর পরিমান ভোটার এলে গ্রহনযোগ্যতা পাবে। কোন দল এলো আর কোন দল এলো না এটা আমার কাছে বড় কথা না। বড় কথা হচ্ছে সরকারি প্রভাব মুক্ত স্বত:স্ফুর্ত নির্বাচন হলো কি না। ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে এসে তাদের ইচ্ছেমত প্রার্থীদের ভোট দিতে পারলো কি না এটাই হচ্ছে আমার কাছে বড় কথা। দেশের আজকে অস্থিতিশীল অবস্থা। এখান থেকে পরিত্রাণ পাওয়া দরকার।

এসময় কৃষক শ্রমীক জনতা লীগের জেলা ও উপজেলা শাখার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. নভেম্বর ২০২৩ ০১:৫১:এএম ৩ মাস আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।