আরমান কবীরঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ট্রাকের সঙ্গে সিএনজির সংঘর্ষে চালকসহ দুইজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (৩ নভেম্বর) ভোররাতে সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের ঘারিন্দা আন্ডারপাস এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার আকুয়া এলাকার কাছিম উদ্দিনের ছেলে সিএনজি চালক সাহেব আলী (৪৫) এবং একই উপজেলার ভুক্তা এলাকার নূর মোহাম্মদ শেখের ছেলে সিএনজি যাত্রী আব্দুল আলীম (৬০)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ভোররাতে ঢাকাগামী সার্ভিস লেনে চলন্ত একটি অজ্ঞাত ট্রাক সিএনজিটিকে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই সিএনজি যাত্রী আব্দুল আলীম মারা যান। গুরুতর আহত চালক সাহেব আলীকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পথে তিনিও মারা যান।
এলেঙ্গা হাইওয়ে থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) কামরুল হাসান বলেন, নিহতদের মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে একই সময়ে তিন সংগঠনের সমাবেশকে কেন্দ্র করে ১৪৪ ধারা জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন। শনিবার (১ নভেম্বর) সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এ ধারা বলবৎ ছিলো। ফলে তিন সংগঠনের কেউই নির্ধারিত সমাবেশ করতে পারেনি।
এরমধ্যে উল্লেখিত স্থানে কোনো ধরেনের গণসংযোগ মিছিল, সভা-সমাবেশ, শ্লোগান, শোভাযাত্রা, পিকেটিং, অস্ত্র-শস্ত্র বিস্ফোরক দ্রব্য পরিবহনের ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন। এদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন রয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায় , শনিবার দেলদুয়ার মিনি স্টেডিয়ামে মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশ আয়োজনের জন্য কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের সভাপতি আব্দুল কাদের সিদ্দিকীর যুদ্ধকালীন কোম্পানি কমান্ডার ও টাঙ্গাইল জেলার সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার একে ফজলুল হক উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে অনুমতির আবেদন করেন।
অন্যদিকে, একই স্থান ও তারিখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল দেলদুয়ার উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ এবং দেলদুয়ার সদর ইউনিয়ন বিএনপি’র আহ্বায়ক ওয়াহেদুল্লাহ মিয়া সমাবেশ করার অনুমতি চান। একই স্থানে একই সময়ে পাল্টাপাল্টি সমাবেশের ঘোষণায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে এমন আশঙ্কা এবং গোয়েন্দা সংস্থার সতর্কবার্তার প্রেক্ষিতে প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারি করে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জোহরা সুলতানা যুথী বলেন, একই স্থানে একাধিক সংগঠন সমাবেশের অনুমতি চেয়ে আবেদন করলে বিশৃঙ্খলা এড়াতে জনগণের জানমাল রক্ষার্থে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, দেলদুয়ার উপজেলার স্টেডিয়াম চত্বরের ৫০০ গজ পরিসীমার মধ্যে সব ধরনের সমাবেশ, শ্লোগান, মিছিল, শোভাযাত্রা, পিকেটিং, মাইক্রোফোন ব্যবহার, ঢাকঢোল পিটানো, গোলযোগ সৃষ্টি করতে পারবে না।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক খন্দকার রেজওয়ানুল ইসলাম রনি (৪২) আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
শনিবার (১ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে রনি ব্রেন স্ট্রোক করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন।
তিনি টাঙ্গাইল শহরের পারদিঘুলীয়া এলাকার মৃত জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে। মৃত্যুকালে রনি স্ত্রী ও এক কন্যা সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
রনির পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে রনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করে। শনিবার বাদ এশা পারদিঘুলীয়া জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে তাঁর নামাজের জানাজা শেষে বেবিস্ট্যান্ড কেন্দ্রীয় গোরস্থানে দাফন করা হবে।
খন্দকার রেজওয়ানুল ইসলাম রনির মৃত্যুতে কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, জেলা বিএনপি’র সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহিন, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, টাঙ্গাইল জেলা যুবদলের আহবায়ক খন্দকার রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, সদস্য সচিব তৌহিদুল ইসলাম বাবু, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপি’র সহ-সভাপতি হাদিউজ্জামান সোহেলসহ জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়েছেন জেলা ব্যবসায়ী ঐক্যজোট ও কালচারাল রিফর্মেশন ফোরাম টাঙ্গাইলের সভাপতি আবুল কালাম মোস্তফা লাবু(৬০)।
বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে শহরের হোটেল আপ্যায়নের সামনে ভিক্টোরিয়া রোড়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, বুধবার রাতে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও নাগরিক অধিকার সুরক্ষা কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হামিদুল হক মোহনের শোকসভা থেকে ফেরার পথে ব্যবসায়ী লাবুর ওপর ছয়জন সন্ত্রাসী রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়।
আত্মরক্ষার জন্য হাতে থাকা ছাতা ব্যবহার করলেও তিনি হামলা থেকে রক্ষা পাননি। হামলাকারীদের কোপে তার ডান হাতে কবজির নিচে এবং পায়ে গুরুতর আঘাত লাগে। রাম দায়ের কোপের আঘাতে তার ডান হাতের হাড় ভেঙে গেছে বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
গুরুতর আহত আবুল কালাম মোস্তফা লাবু জানান, তাকে পূর্ব থেকেই অনুসরণ করা হচ্ছিল। ঘটনার সময় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছিল ফলে রাস্তাঘাট ফাঁকা ছিল এই সুযোগে ৬ জন সন্ত্রাসী তার উপর প্রাণঘাতী হামলা চালায়। তার হাতে থাকা ছাতা দিয়ে তিনি হামলা ঠেকানোর চেষ্টা করেন। পরে তার ডাক-চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।
তিনি আরও জানান, পূর্বের একটি ঘটনার জের ধরেই এই হামলার ঘটনা ঘটতে পারে বলে তিনি প্রাথমিকভাবে ধারণা করছেন। এই বিষয়ে তিনি সুস্থ হলে থানায় অভিযোগ দায়ের করবেন।
টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহম্মেদ জানান, এই ঘটনায় কেউ থানায় এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ দায়ের করেনি।ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে এবং হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
আরমান কবীরঃ সন্ত্রাসী হামলায় নিহত টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি শহীদ আব্দুর রউফের ২১তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল,স্মরণসভা ও গণভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার ( ২৮ অক্টোবর) রাতে শহীদ আব্দুর রউফ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের আয়োজনে পার দিঘুলিয়ায় শহীদ রৌফের বাসভবনের সামনে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়।
স্মরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
সাবেক ছাত্রদল নেতা আকিবুর রহমান ইকবালের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় আরও বক্তব্য দেন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান শফিক, শহর বিএনপির সদস্য নুরুল ইসলাম ভিপি প্রমুখ।
এর পূর্বে দুপুরে শহীদ রউফের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে পার দিঘুলিয়া শহীদ রউফের বাসায় সামনে দোয়া মাহফিল ও গণভোজের আয়োজন করা হয়।
এই দোয়া মাহফিল ও গণভোজে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি এডভোকেট আলী ইমাম তপন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, সদর উপজেলার বিএনপি’র সহ-সভাপতি হাদিউজ্জামান সোহেল , শহর বিএনপির সহ-সভাপতি শাহিন আকন্দ, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি ভিপি মনির প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংক লিমিটেডের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন রাহেলা জাকিরসহ তার সমর্থিত পুরো প্যানেল ।
কমিটির নির্বাচিত অন্য সদস্যরা হলেন-সহ-সভাপতি তৌফিকা রশিদ, পরিচালক কে এম তৌহিদুল ইসলাম, মতিয়ার রহমান, মো. আশরাফ হোসেন আনসারী (বিপ্লব), সৈয়দ মনিরুজ্জামান, এসএম ফাহাদুল ইসলাম ও মোসা. নিলুফা ইয়াসমিন খানম।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) রাতে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংক লিমিটেড নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এইচএম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী ও বাসাইল উপজেলা সমবায় অফিসার মীর ময়-ই-নুল হোসেন বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় এ কমিটির সদস্যদের নির্বাচিত ঘোষণা করেন।
এর আগে, গত ২১ আগস্ট খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ, ২৯ সেপ্টেম্বর নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা, ৮ ও ৯ অক্টোবর নির্বাচনী মনোনয়নপত্র বিতরণ, ১০ অক্টোবর জমা প্রদান, ১৬ অক্টোবর মনোনয়নপত্র যাচাই বাছাই শেষে বৈধ প্রার্থীদের খসড়া তালিকা প্রকাশ, ২৬ অক্টোবর বৈধ প্রার্থীদের চুড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয় ও ২৭ অক্টোবর প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ঘোষণা করা হয়।
সাহান হাসানঃ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী ও কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ ও শোডাউন করেছে মহিলাদল নেত্রীরা।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে জেলা মহিলাদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক এডভোকেট মমতাজ করিমের নেতৃত্বে সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে খন্ড খন্ড মিছিল এসে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে এসে সমবেত হয়। পরে সেখান থেকে একটি মিছিল বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ ও লিফলেট বিতরণ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মহিলা দলনেত্রী রহিমা বেগম, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি শাহানাজ পারভীন, নাসরিন আজাদ, সোনিয়া হামজা, কবিতা বেগম, আবিদা অপু, এলি আক্তার, হাওয়া বেগম, খাদিজা আক্তার ইমু, আশা আক্তার, কোহিনুর বেগম প্রমুখ।
জেলা মহিলাদলের সাবেক সাধারন সম্পাদক এডভোকেট মমতাজ করিম বলেন, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা কোন রাজনৈতিক সংস্কারের নীলনকশা নয়, এটি দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নেরও সুস্পষ্ট রূপরেখা। দুর্নীতি দমন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতের মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার সকল প্রস্তাব এই ৩১ দফায় বিদ্ধমান। তারেক রহমানের রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা আমাদের বাস্তবায়ন করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সেই সাথে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছি।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে অনূর্ধ্ব-১৬ বালক কাবাডির প্রতিদ্বন্দিতাপূর্ন ফাইনালে হুগড়ার হাবিব কাদের উচ্চ বিদ্যালয় ৩৬-৩০ পয়েন্টে বিন্দুবাসিনী সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয়কে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে তারুণ্যের উৎসব-২০২৫ উদযাপন উপলক্ষ্যে অনুর্দ্ধ-১৬ বালকদের কাবাডি প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
সদর উপজেলার ৪টি বিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতার বাকী দুটি দল হলো বিবেকানন্দ হাইস্কুল এন্ড কলেজ ও শিবনাথ উচ্চ বিদ্যালয়।
প্রতিযোগিতার ১ম সেমিফাইনালে বিন্দুবাসিনী সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয় ৪৪- ৭ পয়েন্টে এবং দ্বিতীয় সেমিফাইনালে হুগড়া হাবিব কাদের উচ্চ বিদ্যালয় ৪২- ১১ পয়েন্টে শিবনাথ উচ্চ বিদ্যালয়কে হারিয়ে ফাইনালে উঠে।
খেলা শেষে প্রধান অতিথি হিসেবে পুরস্কার বিতরন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা ত্রাণ ও পূর্নবাসন কর্মকর্তা মোঃ আকতারুজ্জামান।
জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম কাবাডি প্রতিযোগিতার সার্বিক দায়িত্ব পালন করেন।
এ ছাড়াও কামরুল ইসলাম রনি, কাবাডি আম্পায়ার ও কোচ গোলাম মোস্তফা, বিবেকানন্দ হাইস্কুল এন্ড কলেজর গোলাম মোস্তফা খোকন প্রতিযোগিতা আয়োজনে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আদেশ জারি এবং নভেম্বরের মধ্যেই গণভোটের আয়োজনসহ ৫ দফা দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে জামায়াতে ইসলামী জেলা শাখা।
সোমবার(২৭ অক্টোবর) বিকেলে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে সমাবেশে জেলা আমীর আহসান হাবীব মাসুদের সভাপতিত্বে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
বক্তব্য রাখেন, নায়েবে আমীর অধ্যাপক খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক, সেক্রেটারি মাওলানা হুমায়ুন কবির, সহকারী সেক্রেটারি হোসনে মোবারক বাবুল, অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম খান, খেলাফত মজলিসের জেলা সহ-সভাপতি মুফতি আব্দুর রহমান মাদানি, জেলা সেক্রেটারি মো. শহীদুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের সাংগঠনিক সেক্রেটারি মো. শহীদুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. আতাউর রহমান, অধ্যক্ষ ওবায়দুর রহমান কোরায়েশী, শহর আমীর অধ্যাপক মিজানুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ। সমাবেশ সঞ্চালনায় ছিলেন সদর উপজেলা আমীর অধ্যাপক ইকবাল হোসাইন বাদল।
পরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে শেষ হয়।
জামায়াতের ৫ দফা দাবিগুলো হল- জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন, জাতীয় নির্বাচনে পিআর পদ্ধতি চালু, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা, ফ্যাসিস্ট সরকারের জুলুম-নির্যাতন ও দুর্নীতির বিচার এবং জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।
আরমান কবীরঃ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, আমরা মনে করি শাপলা না দেওয়ার কোনো প্রশ্নই নেই। যেহেতু আইনগত বাধা নেই। আমাদের জায়গা থেকে শাপলা আদায় করে নেব।
সোমবার (২৭ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংগঠনের জেলা সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান শেষে সাংবাদিকদের সারজিস আলম এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমরা মনে করি অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর চাওয়া-পাওয়া শুধুমাত্র নির্বাচনকেন্দ্রিক হতে পারে না। আমরাও চাই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার উত্তরণের জন্য নির্বাচন হোক।ফেব্রুয়ারিতেও হলে সমস্যা নেই।
তিনি আরও বলেন, যখন একটা জিনিস আমার প্রাপ্য, এনসিপির প্রাপ্য, যখন সেটা দেওয়া হবে না, অবশ্যই স্বেচ্ছাচারী আচরণের বিরুদ্ধে আমার লড়াই করতে হবে। এনসিপির যদি প্রয়োজন হয়, এনসিপি এই লড়াইটা রাজনৈতিকভাবে রাজপথে করবে। যদি প্রয়োজন হয় বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার ৪৯৫টি উপজেলার এনসিপির অভ্যুত্থানের নেতৃবৃন্দ রাজপথে নেমে এই অধিকারের জন্য লড়াই করবে। আমরা আমাদের জায়গা থেকে মনে করি আমরা শাপলা প্রতীক নিয়েই আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব।
সভায় এনসিপির টাঙ্গাইল জেলার প্রধান সমন্বয়কারী মাসুদুর রহমান রাসেলের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দার, কেন্দ্রীয় সদস্য সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।
সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইল শহরের মুসলিমপাড়া বায়তুল্লাহ জামে মসজিদ সংযুক্ত ইকরা নূরানী মক্তবের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠানমালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পৌর এলাকার ১৬নং ওয়ার্ডের মুসলিমপাড়া বায়তুল্লাহ জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে ইকরা নূরানী মক্তবের আয়োজনে এই অনুষ্ঠানমালা অনুষ্ঠিত হয়।
মক্তব কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি হয়ে ওঠে বর্ণাঢ্য ও শিক্ষামূলক। অনুষ্ঠানে মক্তবের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি টাঙ্গাইলের দরিদ্র ও অসহায় শিশুরাও অংশগ্রহণ করেন।
যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা মুশফিকুর রহমান করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সমাজসেবা অফিসার আবদুর রাজ্জাক।
অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিল শিশুদের কিরাত, হামদ-নাত ও গজল প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিশুদের আত্মবিশ্বাস ও প্রতিভা বিকাশে সহায়তা করার পাশাপাশি তাদের মধ্যে ধর্মীয় জ্ঞান ও নৈতিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটানো হয়। প্রতিযোগিতার শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
অভিভাবকদের জন্য বিশেষভাবে আয়োজন করা হয় দায়িত্ব ও কর্তব্য বিষয়ে আলোচনা, যাতে তারা সন্তানদের শিক্ষাজীবন ও নৈতিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।
আয়োজকরা জানান, মক্তব প্রতিষ্ঠার পর থেকেই হতদরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিনামূল্যে শিক্ষা প্রদান ও নৈতিক গঠন নিশ্চিত করতে কাজ করে যাচ্ছে।
মুক্তিযোদ্ধা মুশফিকুর রহমান করিম বলেন, “শিক্ষা ও নৈতিকতা শিশুদের ভবিষ্যৎ গঠনে মূল ভিত্তি। এমন মানবিক উদ্যোগ সমাজে আলোর দিশা প্রদর্শন করছে।”
উল্লেখ্য, ইকরা নূরানী মক্তব একটি মানবিক উদ্যোগ হিসেবে অসহায় শিশুদের শিক্ষার সুযোগ করে দিচ্ছে এবং টাঙ্গাইলের সমাজে ইতিবাচক প্রভাব বিস্তার করছে।
আরমান কবীরঃ বিএনপির প্রচার সম্পাদক, টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষে নির্বাচনী বিশাল গণমিছিল ও ৩১ দফা বাস্তবায়নে লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।
রবিবার (২৬ অক্টোবর) সন্ধায় বিভিন্ন স্থান থেকে খন্ড খন্ড মিছিল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে এসে জড়ো হয়। পরে সেখান থেকে বিশাল গণমিছিল শুরু করে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে এসে সংক্ষিপ্ত পথসভার মধ্যে দিয়ে শেষ হয়।
এছাড়া বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়ন ও জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধির লক্ষে টাঙ্গাইলে লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।
এতে অংশ নেন জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক কাজী শফিকুর রহমান লিটন, জেলা যুবদলের আহবায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক, শহর বিএনপির সহ-সভাপতি শাহীন আকন্দসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।