/ হোম / টাঙ্গাইল
টাঙ্গাইলে এলংজানি নদী থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে এলংজানি নদী থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার 

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার পোড়াবাড়ী ইউনিয়নের এলংজানি নদী থেকে রবি দাস(৩৫) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৬ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে পোড়াবাড়ি ইউনিয়নের খারজানা গ্রামের নদীতে মরদেহটি ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়।পরে পুলিশ এসে মরদেহটি উদ্ধার।

মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সন্তোষ কাগমারী ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক আব্দুর রাজ্জাক। তিনি জানান, প্রাথমিক সুরতহালে রবিদাসের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

নিহত যুবকের নাম জীবন রবি দাস। সে জেলার ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের মৃত রংলাল রবি দাসের ছেলে। সে পেশায় মুচি ছিল বলে জানা গেছে।

পোড়াবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শাহাদাত হোসেন জানান, সোমবার রাতে পোড়াবাড়ী খেয়া ঘাটের সামনে দিয়ে মরদেহটি ভেসে যেতে দেখে স্থানীয়রা তাকে খবর দেয়। তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পৌঁছাতে মরদেহটি ভেসে পাশের সিলিমপুর ইউনিয়নের বরুহা ব্রিজের কাছে চলে যায়। পরে মরদেহটি ইউনিয়নের খারজানা গ্রামের কাছে আনা হয়।

তিনি আরও জানান, পরে সন্তোষ কাগমারী ফাঁড়ির পুলিশকে খবর দিলে তাঁরা এসে মরদেহটি নদী থেকে উদ্ধার করে।

এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহম্মেদ জানান, স্থানীয় ভাবে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে তার নাম পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে দেখে মনে হচ্ছে, মরদেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন নেই।

তিনি আরও জানান, থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৭. অক্টোবর ২০২৫ ১১:০৬:পিএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলে নদীতে নিখোঁজ তিন বোনের পরিবারের খোঁজ নিলেন টুকু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নদীতে নিখোঁজ তিন বোনের পরিবারের খোঁজ নিলেন টুকু

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় চারাবাড়ীতে শনিবার ধলেশ্বরী নদীতে গোসলে নেমে নিখোঁজ তিন বোনের পরিবারের সদস্যদের খোঁজ ও সান্ত্বনা দিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও টাঙ্গাইল-৫(সদর ) আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

রবিবার (৫ অক্টোবর) সকালে তিনি চারাবাড়ির ধলেশ্বরী নদীর ঘটনাস্থল পরিদর্শন এবং তিনজনের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে সান্তনা দেন।

এ সময় জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান খান শফিক, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান লাভলু মিয়া লাবুসহ উপজেলা ও স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও সুলতান সালাউদ্দিন টুকু টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরিদের দ্বিতীয় দিনের মত ধলেশ্বরী নদীতে উদ্ধার অভিযান পরিদর্শন করেন।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার অপর খালাতো বোনের বিয়ের দাওয়াত খেতে আসে নিখোঁজ ওই তিন কিশোরী। পরে শনিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে তারা পরিবারকে দোকানে যাওয়ার কথা বলে ধলেশ্বরী নদীতে গোসল করতে নামে। গোসলের এক পর্যায়ে তারা নদীর স্রোতে ডুবে যায়।

তারা হলেন,মনিরা (১১) উপজেলার মাহমুদ নগরের মনিরুল ইসলামের মেয়ে। নিখোঁজ অপর দুই শিশু হলো- একই এলাকার বোরহানের মেয়ে আছিয়া (১২) ও মাফিয়া (০৯)। তারা সম্পর্কে খালাতো বোন।

পরে শনিবার (৪ অক্টোবর) সন্ধায় টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল মনিরার মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করেন।

নিখোঁজ আপন দুই বোন আছিয়া আক্তার (১২) ও মাফিয়া আক্তার (১০) কে উদ্ধারের জন্য ডুবুরি দল দ্বিতীয় দিনের মতো অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. অক্টোবর ২০২৫ ০১:৫০:এএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলে নদীতে গোসলে নেমে ৩ শিশু নিখোঁজ, একজনের মরদেহ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নদীতে গোসলে নেমে ৩ শিশু নিখোঁজ, একজনের মরদেহ উদ্ধার

সাহান হাসানঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ধলেশ্বরী নদীতে গোসলে নেমে পানিতে ডুবে তিন শিশু নিখোঁজ হয়েছে। যাদের মধ্যে একজনের লাশ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস।

শনিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে সদর উপজেলার চারাবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহমেদ।

নিহত মনিরা (১১) উপজেলার মাহমুদ নগরের মনিরুল ইসলামের মেয়ে। নিখোঁজ দুই শিশু হলো- একই এলাকার বোরহানের মেয়ে আছিয়া (১২) ও মাফিয়া (০৯)। তারা সম্পর্কে খালাতো বোন।

টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা হুমায়ুন কার্ণায়েন বলেন, শনিবার দুপুরের দিকে মনিরা তার দুই খালাতো বোন আছিয়া ও মাফিয়াকে নিয়ে ধলেশ্বরী নদীতে গোসল করতে নামে। এক পর্যায়ে তারা স্রোতে তলিয়ে যায়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নদীতে উদ্ধারকাজ শুরু করে। খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে সন্ধ্যায় মনিরার লাশ উদ্ধার করা হয়। তবে আছিয়া ও মাফিয়ার সন্ধান মেলেনি। রাত হওয়ায় উদ্ধার কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, রবিবার (৫ অক্টোবর) সকাল থেকে আবার উদ্ধার কাজ শুরু করা হয়েছে বলেও জানান ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানবীর আহাম্মেদ জানান, শুক্রবার তারা খালার বাড়ি আসেন বিয়ের দাওয়াত খেতে। শনিবার সকলের চোখ ফাঁকি দিয়ে অদুরে ধলেশ্বরী নদীতে যায় গোসল করতে। কিন্তু নদীতে স্রোত থাকায় এবং তারা সাতার না জানায় পানিতে তলিয়ে যায়।

তিনি আরো জানান, ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল একজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং বাকি দুইজন এখনো নিখোঁজ রয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত করা হবে না।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. অক্টোবর ২০২৫ ১১:৩৭:পিএম ৭ মাস আগে
পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় টাঙ্গাইলের যুবলীগ নেতার মৃত্যু - Ekotar Kantho

পুলিশ হেফাজতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় টাঙ্গাইলের যুবলীগ নেতার মৃত্যু

আরমান কবীরঃ পুলিশ হেফাজতে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মিজানের মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

মিজানুর রহমান মিজান কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া বাসাইল উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করছিলেন।

তিনি উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের নাকাছিম গ্রামের বাসিন্দা। যুবলীগ নেতা হলেও তার বিরুদ্ধে ট্রেন্ডারবাজি, জমি দখল বা কোথাও চাঁদা তোলার অভিযোগ শোনা যায়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রায় চার মাস আগে বাসাইল থানা পুলিশ উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান মিজানকে নাকাছিম এলাকা থেকে আটক করে। পরে তাকে টাঙ্গাইল সদর থানার একটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। আদালতে পাঠানোর পর বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। কারাগারে থাকা অবস্থায় গত ১৭ সেপ্টেম্বর মিজান অসুস্থ হয়ে পড়েন। সেসময় তাকে টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে পরদিন তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ শনিবার দুপুরে তার মৃত্যু হয়। মিজান দীর্ঘদিন ধরে কিডনি ও ডায়াবেটিসসহ নানা রোগে ভূগছিলেন। গত ২৯ সেপ্টেম্বর টাঙ্গাইল জজ আদালতে তার জামিন শুনানি ছিল। সেসময় গুরুতর অসুস্থজনিত বিভিন্ন কাগজপত্র আদালতে জমা দেওয়া হয়। কিন্তু আদালতের বিচারক জামিন নামঞ্জুর করেন। আসামি পক্ষের আইনজীবি মিজানের অসুস্থজনিত বিষয়টি সামনে এনে জামিনের জন্য জোর দাবি জানালেও কাজ হয়নি। আগামী ৭ অক্টোবর তার পরবর্তী জামিন শুনানির তারিখ ধার্য ছিল।

টাঙ্গাইল কারাগারের জেল সুপার মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে কিছুদিন আগে টাঙ্গাইল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তার মৃত্যুর বিষয়টি এখনও জানতে পারিনি। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর পর থেকে তিনি কেরানীগঞ্জের অধিনে রয়েছে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. অক্টোবর ২০২৫ ০৫:০৯:পিএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলে কিশোরের রহস্যজনক মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কিশোরের রহস্যজনক মৃত্যু, পরিবারের দাবি হত্যা

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় শাহীন নামে এক কিশোরের রহস্য জনক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (৩ অক্টোবর) রাতে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত শাহীন (১৭) উপজেলার বীরবাসিন্দা ইউনিয়নের জোয়াইর গ্রামের প্রবাসী আব্দুল্লাহর ছেলে। সে মায়ের সঙ্গে নানা বাড়ি জোয়াইর গ্রামে বসবাস করতেন। নিহতের পরিবারের দাবি তাকে বিষ প্রয়োগ করে হত্যা করা হয়েছে।

জানা গেছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত অটো রাইস মিল এলাকায় ক্রিকেট খেলার কথা বলে শাহীনকে ডেকে নেয় আজিজ নামের এক তরুণ। সেখানে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয় একই গ্রামের আয়নালের ছেলে দেলুয়ারের সঙ্গে। একপর্যায়ে বিষয়টি সংঘর্ষে রূপ নিলে গুরুতর আহত হয় শাহীন। পরে স্বজনেরা তাকে উদ্ধার করে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ফাতেমা আক্তার জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে শাহীন নামের এক রোগী আসে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে। জিজ্ঞাসা করলে সে জানায় ইঁদুরের বিষসহ একটি গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ ও একটি অ্যান্টিবায়োটিক খেয়েছে সে। তারা ট্রমা ওয়াশের মাধ্যমে বিষ বের করার চেষ্টা করেন, কিন্তু সে পাইপ কেটে ফেলে। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে তার গলায় খামছানোর দাগও লক্ষ্য করেছি।

নিহতের মামী অভিযোগ করে বলেন, শাহীনকে ডেকে নিয়ে মারধর করে মেরে ফেলা হয়েছে। এরপর তাকে জোর করে বিষও খাওয়ানো হয়েছে। তারা খুব প্রভাবশালী হওয়ায় ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।

তবে দেলুয়ারের দাদা করিম বিষয়টি ভিন্নভাবে তুলে ধরে বলেন, খেলা নিয়ে মারামারির ঘটনা জানার পরই আমি নাতিকে বকাঝকা করেছি। পরে শাহীনের বাড়িতে গিয়ে তাকে বুঝিয়ে এসেছি। রাতে শুনি সে নাকি বিষ খেয়েছে, এর বেশি কিছু জানি না।

এ বিষয়ে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমান জানান, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, নিহতের পরিবারের দাবি এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। কিন্তু অপরপক্ষ বলছে কিশোর শাহীনের মৃত্যু হয়েছে বিষপানের ফলে। তবে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানিয়েছেন, নিহত শাহীনের গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ফলে এই মৃত্যুকে ঘিরে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের দেখা দিয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. অক্টোবর ২০২৫ ০৩:০১:এএম ৭ মাস আগে
ডাক্তারসহ জনবল সংকটে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল, চিকিৎসা সেবা ব্যাহত - Ekotar Kantho

ডাক্তারসহ জনবল সংকটে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল, চিকিৎসা সেবা ব্যাহত

আরমান কবীরঃ ১৯৭৪ সালে টাঙ্গাইল শহরের কোদালিয়া এলাকায় ৫০ শয্যার সুবিধা নিয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে যার শয্যা সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫০ ।

এ ছাড়া বৈশ্বিক মহামারি করোনার সময় হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় তড়িঘড়ি করে ১০ শয্যার আইসিইউ বেড চালু করা হয়, যা ২০২৪ সালের জুলাই মাস থেকে দক্ষ জনবলের অভাবে বন্ধ রয়েছে জেলার জন্য অতি জরুরি এই সেবাটি।

ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনাসেতু মহাসড়কের পাশে অবস্থিত এই হাসপাতালের নেই দুর্ঘটনায় আহতদের জন্য ট্রমা সেন্টার। ফলে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহতদের পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে। আইসিইউ সেবা ও ট্রমা সেন্টার না থাকাতে রাজধানী ঢাকায় নেওয়ার পথে মৃত্যু হচ্ছে অধিকাংশ গুরুতর আহত রোগীর।

বর্তমানে চিকিৎসকসহ জনবলের অভাবে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম। ফলে প্রতিদিন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এখানে সেবা নিতে আসা হাজার হাজার সাধারণ রোগীগণ।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ৩৫০ থেকে ৪৫০ জন রোগী ভর্তি হয়ে চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করেন। এই হাসপাতালে টাঙ্গাইল জেলার ১২টি উপজেলাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে রোগী আসেন।

এ ছাড়া হাসপাতালের বহির্বিভাগে প্রতিদিন প্রায় গড়ে ১ হাজার রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। কিন্তু পর্যাপ্ত ডাক্তার না থাকায় আশানুরূপ সেবা পাচ্ছেন না রোগীরা। ৪০ লক্ষ জনসংখ্যা অধ্যুষিত টাঙ্গাইল জেলার বাসিন্দাদের জন্য জেনারেল হাসপাতালে কর্মরত ৪৪জন চিকিৎসক নিতান্তই অপ্রতুল বলে জানান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসাপাতালে অনুমোদিত জনবলের প্রশাসনিক ও পরিসংখ্যান কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন খাতে কর্মচারীর পদ রয়েছে ৪০১টি। এর মধ্যে চিকিৎসকসহ ৭২টি পদ শূন্য। হাসপাতালে ৫৮ জন চিকিৎসক পদের মধ্যে ১৮টি পদ শূন্য। সিনিয়র কলসালটেন্ট (মেডিসিন) ও সিনিয়র কলসালটেন্ট (সার্জারি) দুইটি পদই শূন্য, সিনিয়ন কলসালটেন্ট (স্কিন ভিডি) পদও শূন্য, সিনিয়র নার্সের ৬টি পদই শূন্য, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর ৭২টি পদের বিপরিতে শুন্য রয়েছে ৩৫টি পদ। এ প্রতিষ্ঠানে ৭৭জন আউটসোর্সিং জনবলের মধ্যে লোক নিয়োগ করেছে মাত্র ৪৮ জন, ১৬ জন সুইপার পদের বিপরিতে ৯টি পদ শূন্য। এত স্বল্প সংখ্যক আয়া, সুইপার ও পরিচ্ছন্নকর্মীর কারনে ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা সম্ভব হচ্ছে না। অন্য দিকে ডায়াবেটিক রোগীর তিন মাসে সার্বিক অবস্থা জানার একমাত্র এইচবিএওয়ানসি মেশিনটিও অকেজো অবস্থায় পড়ে রয়েছে।

এই হাসপাতালে সাধারণ মানের কিছু বেসিক টেস্ট করা হয়, কিন্তু সিটি স্ক্যান, এমআরআই, হরমোন টেস্ট, কালচার, হিস্টোপ্যাথলজি—এরকম গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা করা সম্ভব নয়, কারণ সরঞ্জাম নেই। এ ছাড়াও মেডিসিন ও সার্জারি পোস্টে কোনো কনসালট্যান্ট নেই। স্ট্যান্ডার্ড সেটাপে ১৭৮ জন চিকিৎসক প্রয়োজন, কিন্তু এখানে সর্বমোট চিকিৎসক রয়েছেন ৪৪ জন। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের পাশে টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল নির্মিত হলেও পুরোপুরি চালু হয়নি, যার কারণে জেনারেল হাসপাতালে রোগীর চাপ সবসময় বেশি থাকে। এ ছাড়াও দালালদের দৌরাত্ম্যের কারণে রোগী ও স্বজনরা হয়রানির শিকার হন। ৪৪ জন চিকিৎসকের মধ্যে ১৫ জন প্রতিদিন বহির্বিভাগে, ৪ জন ইমারজেন্সিতে এবং বাকি ২৫ জন ইনডোরে ডিউটি করেন।

হাসপাতালে ১৪টি ওয়ার্ড রয়েছে: ১নং প্রসূতি, ২নং শিশু, ৩নং গাইনি, ৪নং মেডিসিন (মহিলা), ৫নং মেডিসিন (পুরুষ), ৬নং সার্জারি (পুরুষ), ৭নং সার্জারি (মহিলা), ৮নং অর্থোপেডিক (পুরুষ), ৮এ অর্থো (মহিলা), ৯নং ডায়রিয়া, ১০নং ইএনটি, ১১নং সিসিইউ, ১২নং আইসিইউ, ১৩নং করোনা সাসপেকটেড, ১৪নং করোনা পজিটিভ। হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার ৪টি (গাইনী, সার্জারি, অর্থোপিডিক)। পরিচ্ছন্নতা কর্মী ১৩ জন, আউটসোর্সিং ভিত্তিতে।

এ দিকে এ হাসপাতালে ১০ বেডের আইসিইউ থাকলেও আধুনিক যন্ত্রপাতি ও প্রয়োজনীয় ডাক্তার এবং দক্ষ জনবল না থাকার কারনে রোগীদের সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। ২০২৪ সালের জুলাই থেকে আইসিইউ সেবা বন্ধ রয়েছে। তারপরও আরও একটি ১০ বেডের আইসিইউ প্রস্তুুত করা হয়েছে। সময় মতো সেটি চালু না করা গেলে মূল্যবান মেশিনগুলো নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, পরিচ্ছন্নতা কর্মী প্রয়োজন ৭৫ জন। হাসপাতালের খাবারের মান ভালো, তবে ২৫০ জন রোগীর বাইরে খাবার পরিবেশন সম্ভব নয়। ঔষধের বরাদ্দ রয়েছে, তবে অনেক রোগী ঔষধ না পাওয়ার অভিযোগও করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালের এক চিকিৎসক জানান, কিছু সিনিয়র চিকিৎসকের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা সিন্ডিকেটের কারণে এখানে অব্যবস্থাপনা বিরাজ করছে। হাসপাতালের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহারে জনবল নেই। এ কারনে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরিক্ষাও ঠিকমত হচ্ছেনা। জনবলের অভাব হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ সচল যন্ত্রপাতি ব্যবহারের অভাবে পড়ে আছে। বাধ্য হয়ে অধিকাংশ রোগী বাইরের বেসরকারী হাসপাতাল ও ক্লিনিক থেকে বিভিন্ন রোগের পরীক্ষা করছেন। আর এ ক্ষেত্রেও ওই সিন্ডিকেটের ভূমিকা রয়েছে। এ ছাড়া হাসপাতালের ১জন রেডিওলজিস্ট দিয়ে কোনভাবে এত পরিমান রোগীর সেবা প্রদান করা সম্ভব নয় বলেও জানান তিনি।

চিকিৎসা নিতে আসা জেলার গোপালপুরের রফিজ উদ্দিন বলেন, ডাক্তার আমাকে ব্রেনের এমআরআই পরীক্ষা করতে বলেছিলেন। সদর হাসপাতালে এমআরআই নেই, তাই প্রাইভেট হাসপাতালে ৭,৫০০ টাকা খরচ করে পরীক্ষা করেছি। সরকারি হাসপাতালে এই ব্যবস্থা থাকলে রোগীদের ভোগান্তি কম হতো।

আব্দুর রাজ্জাক নামে এক রোগীর স্বজন বলেন, হাসপাতালের আশেপাশের ঔষধের দোকানদাররা রোগীর স্বজনদের হাত থেকে ঔষধের স্লিপ নিয়ে বেশি দাম চায়। প্রতিবাদ করলে দাপট দেখানো হয়।

টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. খন্দকার সাদিকুর রহমান জানান, প্রয়োজনীয় সংখ্যক ডাক্তার ও সহকারী স্টাফ না থাকায় রোগীরা পুরোপুরি সেবা পাচ্ছে না। তবে যারা আসেন তাদের উপযুক্ত সেবা দেওয়া হয়। ঔষধ ও খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে, তবে রোগীর চাপ বেশি হলে বেগ পোহাতে হয়। আইসিইউ, ডাক্তার, পরিচ্ছন্নতা কর্মী বৃদ্ধি করলে আশানুরূপ সেবা সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. অক্টোবর ২০২৫ ০২:৫৪:এএম ৭ মাস আগে
নাম ভাঙিয়ে চাঁদা দাবি, থানায় জিডি করলেন টুকু - Ekotar Kantho

নাম ভাঙিয়ে চাঁদা দাবি, থানায় জিডি করলেন টুকু

আরমান কবীরঃ কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর নাম ভাঙিয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) রাতে টাঙ্গাইল সদর থানায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এই জিডি করেন টুকু।

শুক্রবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তানভীর আহম্মেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ওসি জানান, টাঙ্গাইল পৌর এলাকার জালাল উদ্দিন চাকলাদার নামের এক ব্যক্তির হোয়াটসঅ্যাপে বিদেশি একটি নম্বর থেকে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর জন্য টাকা দাবি করা হয়। বিষয়টি নজরে এলে টুকু চাঁদাবাজের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে লিখিত আবেদন করেন। একই ঘটনায় জালাল উদ্দিনও জিডি করেছেন। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছি।

জালাল উদ্দিন বলেন, রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) গাজীপুর মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব হালিম মোল্লা পরিচয়ে এক ব্যক্তি ভোরের দিকে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর আত্মীয়ের ক্ষতি করেছি জানিয়ে টাকা দাবি করেন। পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে টাকা না দিলে মব সৃষ্টি করে হামলা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর বিষয় ছড়িয়ে দিয়ে ও সাংবাদিক সম্মেলন করে হেনস্তা করার হুমকি দেন ওই ব্যক্তি। পরে বিষয়টি টুকু ভাইকে অবহিত করলে তিনি আমাকে আইনের আশ্রয় নিতে অনুরোধ করেন। পরে থানায় সাধারণ ডায়েরি করি।

এ বিষয়ে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আমার প্রতিটা বক্তব্যে চাঁদাবাজিসহ অন্যায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনকে চাপে রাখি। ধারণা করছি, এসব কারণে একটি গোষ্ঠী আমার সুনাম ও আমার প্রতি জনগণের আস্থা নষ্ট করতে এমন নোংরা ষড়যন্ত্র করেছে। জড়িতদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি জানাই।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. অক্টোবর ২০২৫ ০১:৩২:এএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলে সাঁতার শিখতে গিয়ে পানিতে ডুবে যুবকের মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সাঁতার শিখতে গিয়ে পানিতে ডুবে যুবকের মৃত্যু

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে সাঁতার শিখতে গিয়ে পানিতে ডুবে সেনাবাহিনীর সৈনিক পদে মনোনীত হৃদ (১৮) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলা পুকুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত হৃদয় কালিহাতী বীরবাসিন্দা ইউনিয়নের পাঁচ জোয়াইর গ্রামের মো. আবুল হোসেনের ছেলে। তারা কালিহাতী শহরের সাতুটিয়া এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন।

কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হৃদয় সেনাবাহিনীর সৈনিক পদে মনোনীত হওয়ার সুবাদে মঙ্গলবার সকালে তার মায়ের সঙ্গে উপজেলার পুকুরে সাঁতার শিখতে যান। গাড়ির চাকার টিউব দিয়ে সাঁতার শেখার এক পর্যায়ে তিনি পানিতে ডুবে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক হৃদয়কে মৃত ঘোষণা করে।

তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে অপমৃত্যুর মামলা প্রক্রিয়াধীন বলেও জনান তিনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০১. অক্টোবর ২০২৫ ০১:৫৪:এএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলে ডাক্তার না হয়েও ‘শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ’, ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ডাক্তার না হয়েও ‘শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ’, ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ভুয়া চিকিৎসা কার্যক্রম ও ক্লিনিকে অনিয়মের দায়ে দুই প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক জরিমানা করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সায়েদা খানম লিজার নেতৃত্বে এই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালিত হয়।

জানা গেছে, কালিহাতী বাসস্ট্যান্ড এলাকার ‘কাকলী ফার্মেসী’র সত্ত্বাধিকারী নারায়ন চন্দ্র পাল ডাক্তার না হয়েও নিজেকে ‘শিশু রোগে বিশেষ অভিজ্ঞ’ পরিচয় দিয়ে প্রেসক্রিপশন ও ভিজিটিং কার্ড তৈরি করেন এবং নিয়মিত মা ও শিশুর চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছিলেন। এতে সাধারণ মানুষ প্রতারিত হচ্ছেন এবং শিশুদের জীবন ঝুঁকির মুখে পড়ছে উল্লেখ করে তাকে ভোক্তা অধিকার আইনে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এছাড়া, কালিহাতী হাসপাতাল রোডে অবস্থিত ‘নিরাপদ ক্লিনিক’-এর কাগজপত্র সঠিক না থাকা এবং সাইনবোর্ডে ক্লিনিক লেখা থাকলেও ভেতরে ডায়াগনস্টিক সেন্টার হিসেবে পরিচালনার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সায়েদা খানম লিজা বলেন, জনস্বাস্থ্য ও মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে এ ধরনের প্রতারণার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০৩:০৬:এএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলে টুকুর পক্ষে বিএনপি’র ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে টুকুর পক্ষে বিএনপি’র ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ

আরমান কবীরঃ বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো সংস্কারের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের বিএনপি’র মনোনয়ন প্রত্যাশী ও কেন্দ্রীয় বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পক্ষে টাঙ্গাইলে লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।

রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সদর উপজেলার করটিয়া ইউনিয়নের তারুটিয়া হাটে জেলা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা বিএনপি’র সাবেক প্রচার সম্পাদক একেএম মনিরুল হক (ভিপি) মনিরের নেতৃত্বে জনসাধারণের মাঝে এই লিফলেট বিতরণ করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা শ্রমিক দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. জয়নাল আবেদীন, সদর থানা শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক বুলবুল আহমেদ, জেলা শ্রমিক দলের দপ্তর সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, জেলা শ্রমিক দল নেতা তোফাজ্জল হোসেন, বিদ্যুৎ শ্রমিক ইউনিয়ন নেতা সোহেল, করটিয়া ইউনিয়নের শ্রমিক দলের সভাপতি মাজহারুল খান, সাধারণ সম্পাদক সুমন প্রমুখ।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০৩:৩৪:এএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলে নদীতে পড়ে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নদীতে পড়ে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নাগবাড়ী ইউনিয়নে নদীতে পড়ে দুই বছরের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।

রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ইউনিয়নের ভরবাড়ী গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া সাফাই নদীতে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, ভরবাড়ী গ্রামের মারুফ হোসেনের ছেলে আলিফ হোসেন (২) বাড়ির পাশে খেলছিল। এক পর্যায়ে অসাবধানতাবশত সে সাফাই নদীতে পড়ে যায়। পরিবারের লোকজন ও এলাকাবাসী দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এবিষয়ে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাহবুবুর রহমান জানান, শিশুর মৃত্যুর বিষয় আমাকে কেউ অবগত করেনি। বিষয়টি জেনে আপনাদের জানাতে পারবো।

এদিকে শিশু আলিফের অকাল মৃত্যুতে পরিবার ও গ্রামজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০২:০৪:এএম ৭ মাস আগে
টাঙ্গাইলে গলায় ফাঁস দিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গলায় ফাঁস দিয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা

আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে গলায় ফাঁস দিয়ে এক গৃহবধূর আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।

রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার গোবিন্দাসি ইউনিয়নের খানুর বাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত গৃহবধু খুশি খানুর বাড়ি এলাকার মো. ওসমান গনির ছেলে নাজমুল ইসলামের স্ত্রী। নিহতের বাবার বাড়ি খুলনায় বলে জানা গেছে।

নিহতের শশুর ওসমান গনি জানান, নিহত গৃহবধূর বাবার বাড়ি খুলনা। গত আড়াই বছর যাবৎ নাজমুলের সাথে তার বিয়ে হয়েছে। রবিবার সকালে ওসমান গনি জীবিকার তাগিদে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। পরে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে জানতে পারেন বাড়িতে তার ছেলের সাথে পুত্রবধু খুশির ঝগড়া হয়েছে। বাড়িতে আসার পর ছেলেকে বাড়িতে না পেয়ে পুত্রবধুকে ডাকাডাকি করলে সে ঘরের ভেতর থেকে সাড়া না দেয়ায় দরজা ভেঙে ফেলেন তিনি।

তিনি আরও জানান, এ সময় তার দেহ দড়িতে ঝুলছিল। নিজ হাতে সেখান থেকে নামিয়ে প্রাণ বাঁচাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ কে এম রেজাউল করিম জানান, আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে এবং তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০১:৫২:এএম ৭ মাস আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।