একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ৩ উপজেলায় ১৮টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ১৩টিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী এবং ৫টিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জয়ী হয়েছেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) মধ্যরাতে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সখীপুর উপজেলায় এ ইউনিয়নে ৪টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে দুইটিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও দুইটিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
কাকড়াজান ইউনিয়ন: এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী দুলাল হোসেন ১৪ হাজার ৯৪৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী তারিকুল ইসলাম বিদ্যুৎ পান ৬৮৭৫ ভোট।
বহেড়াতৈল ইউনিয়ন: এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ওয়াদুদ হোসেন বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পান ৯ হাজার ৪২। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি হন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী গোলাম ফেরদৌস তিনি পান ৬ হাজার ১৪৭ ভোট।
যাদবপুর ইউনিয়ন: এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী একেএম আতিকুর রহমান ১০ হাজার ২৯১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী খন্দকার বজলুর রহমান বাবুল পান ৬ হাজার ১৫৮।
বহুরিয়া ইউনিয়ন: এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সরকার মোহাম্মদ নূরে আলম মুক্তা নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পান ৮ হাজার ৭০৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি আওয়ামী লীগের প্রাথী গোলাম কিবরিয়া সেলিম পান ৬ হাজার ২১৭ ভোট।
ধনবাড়ী উপজেলা: এ উপজেলায় ৪টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে এবং ৩টিতে সাধারণ ও সংরক্ষিত পদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ৩টিতে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ও ১ টিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হয়েছে। অপরদিকে মুশুদ্দি, বীরতারা এবং বলিভদ্র ইউনিয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়।
ধোপাখালী ইউনিয়ন: এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আকবর হোসেন বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পান ৮ হাজার ৮৯৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী কামাল হোসেন তালুকদার পান ৪ হাজার ১৩৭ ভোট।
যদুনাথপুর ইউনিয়ন: এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মীর ফিরোজ আহমেদ বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পান ১৬ হাজার ৩৩৪ জন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ পান ৭১৫ জন।
বানিয়াজান ইউনিয়ন: এ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রাথী রফিকুল ইসলাম তালুকদার ফটিক ৯ হাজার ৩৫০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী মাসুদ আলম পান ১ হাজার ১৯ ভোট।
পাইস্কা ইউনিয়ন: এ ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী (ঘোড়া) জাহাঙ্গীর আলম ৭ হাজার ৩৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী আরশেদ আলী পান ২ হাজার ৩৬৫ ভোট।
এছাড়া বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত প্রার্থীরা হলেন- বলিভদ্র ইউনিয়নে রফিকুল ইসলাম, মুশুদ্দিতে আবু কায়সার ও বীরতারাতে আমহেদ আল-ফরিদ। এরা সবাই আওয়ামী লীগের মনোনিত প্রার্থী ছিলেন।
দেলদুয়ার উপজেলা: এ উপজেলায় ৭টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে ৫টিতে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও দুইটিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
ডুবাইল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইলিয়াস মিয়া, ফাজিলহাটী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শওকত আলী, দেলদুয়ার সদরে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মাসুদ উজ্জামান খান, পাথরাইল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী রাম প্রসাদ ও দেউলী ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী প্রার্থী দেওয়ান তাহমিনা হক বিজয়ী হয়েছে। এছাড়া লাউহাটী ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহীন মোহাম্মদ খান ও এলাসিন ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মানিক রতন বিজয়ী হয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, ‘ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল পর্যন্ত ডাবল রেল লাইন করা হবে খুব দ্রুতই। বঙ্গবন্ধু রেল সেতু কাজ শেষ হবার আগেই ওই কাজ শুরু করা হবে।’
বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল ঘারিন্দা রেল স্টেশনের প্লাটফর্ম কাজের উদ্বোধন শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
রেল মন্ত্রী নুরুল ইসলাম আরো বলেন, ‘২০২৪সালের মধ্যে বঙ্গবন্ধু রেল সেতুর কাজ শেষ হবে। কাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঢাকা থেকে উত্তর বঙ্গের সব রেল লাইন ডবল করা হবে। যাতে করে দুই লাইনে রেল চলাচল করতে পারে। সাধারণ মানুষ এখন রেলের প্রতি বেশি আগ্রহী। যাতে করে রেলে বেশি যাতায়াত করে সেই দিকে নজর দেওয়া হবে।’
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন ও রেল মন্ত্রনালয়ের সচিব সেলিম রেজা, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র সিরাজুল হক আলমগীর প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সরকারি ফজিলাতুন নেসা মুজিব মহিলা কলেজে ছাত্রীদের টিকটক ও লাইকি ভিডিও তৈরির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। বুধবার (১০ নভেম্বর) বিকেলে কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. শহীদুজ্জামান এ তথ্যটি নিশ্চিত করেন।
এর আগে মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) কলেজের অধ্যাপক শহীদুজ্জামানের সই করা একটি নোটিশ টাঙানো হয় প্রতিষ্ঠানে।
নোটিশে বলা হয়, কলেজের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির কিছু শিক্ষার্থী সম্প্রতি কলেজ পোশাক (ইউনিফর্ম) পরিধান করে স্মার্টফোনের মাধ্যমে টিকটক ও লাইকি ভিডিও তৈরি করছে। যা কলেজের সুনামের ওপর প্রভাব ফেলছে। এ কারণে কলেজে স্মার্টফোন নিয়ে আসা সম্পূর্ণ নিষেধ। জরুরি প্রয়োজনে বাটনফোন ব্যবহার করা যেতে পারে।
কোন ছাত্রীকে টিকটক বা লাইকিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখা গেলে বা কলেজ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীর কাছে স্মার্টফোন পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
অধ্যাপক মো. শহীদুজ্জামান বলেন, ‘করোনার পর কলেজ খুলে দেওয়ায় কিছু ছাত্রী স্মার্টফোন সঙ্গে এনে টিকটক বা লাইকি ভিডিও তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছে। সম্প্রতি একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। এটা কলেজের সুনাম ক্ষুন্ন করে। ছাত্রীদের সচেতন করতে আমরা এই পদক্ষেপ নিয়েছি। কেউ অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল থেকে ২০ শতাংশ বেশি ভাড়া দিয়ে ঢাকায় যাচ্ছে মানুষ। জ্বালানী তেলের দাম বাড়ানোর আগে নিরালা সুপার বাসে ১৬০ টাকা দিয়ে মহাখালী যাওয়া গেলেও এখন ভাড়া আদায় করা হচ্ছে ২০০ টাকা। এতে যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।এছাড়া এ রুটে চলাচলকারী বিলাস বহুল সকাল সন্ধ্যা ও সোনিয়া গাড়িতেও অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) দুপুরে বাসস্টান্ড এলাকায় সরেজমিন ঘুরে এসব তথ্য জানা যায়।
বাস চালকরা জানান, ডিজেলের দাম হঠাৎ করে লিটার প্রতি ১৫ টাকা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। তারপর থেকে পরিবহন ধর্মঘটে নামে বাস ও ট্রাক চালকরা। বাস ভাড়া সমন্বয় করার পর মঙ্গলবার সকাল থেকে টাঙ্গাইল থেকে মহাখালী পর্যন্ত ধলেশ্বরী বাসে ১৩০ টাকার পরিবর্তে ১৬০ টাকা, নিরালা সুপার ১৬০ টাকার পরিবর্তে ২০০ টাকা ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।
এছাড়াও এসি বাসে টাঙ্গাইল থেকে কল্যাণপুর পর্যন্ত সোনিয়া ও সকাল সন্ধ্যা বসে ৩০০ টাকা পরিবর্তে ৩৫০ টাকা নেওয়া হচ্ছে।
ঢাকামুখী তোরাব আলী বলেন, এক সপ্তাহ আগে টাঙ্গাইল থেকে মহাখালীর ভাড়া ছিলো ১৬০ টাকা। আজকে ২০০ টাকা দিয়ে টিকিট কাটলাম। যা কিছুর দামই বৃদ্ধি পায়, সব কিছু জনগনের উপর দিয়ে যায়। আমাদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
অপর যাত্রী রাজ্জাক আলী বলেন, সরকার ডিজেল চালিত বাসের ভাড়া বৃদ্ধি করেছে। তবে কোন বাসটি ডিজেল ও কোন বাসটি গ্যাসে চলে সেটা আমরা শনাক্ত করতে পারছি না। যে কারণে গ্যাসের বাস গুলোও আমাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে।
শওকত আলী বলেন, জ্বালানী তেলের দাম বাড়ায় বাস মালিক ও চালকরা যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে। কিন্তু যাত্রীদের কোন বেতন ভাড়া বাড়েনি এটা দুঃখ জনক।
নিরালা সুপারের টিকেট মাস্টার শরিফ মিয়া বলেন, মালিক সমিতির নির্দেশ অনুযায়ী অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। তবে খুব বেশি ভাড়া নেয়া হচ্ছে না। মাত্র ৪০ টাকা বাড়ানো হয়েছে।
সোনিয়া কাউন্টারের টিকিট মাস্টার সুধীপন সাহা ও সকাল সন্ধ্যা কাউন্টারের টিকেট মাস্টার রিয়াদ মিয়া বলেন, টাঙ্গাইল থেকে কল্যাণপুরের ভাড়া ৩০০ টাকার পরিবর্তে ৩৫০ টাকা নেয়া হচ্ছে। ৫০ টাকা করে বেশি আদায় করা হচ্ছে।
টাঙ্গাইল জেলা বাস কোচ মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি ইকবাল হোসেন বলেন, সরকার ৫২ সিটের বাস ভাড়া যে হারে বৃদ্ধি করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। সেই হারেই আদায় করা হচ্ছে। তবে গেট লক ৪০ সিটের বাসের ভাড়া কিছু বেশি নেওয়া হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মাদক সেবনকালে তিন মাদকসেবীকে আটক করে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা করে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক। এ সময় তাদের কাছ থেকে সাতটি ইয়াবা জব্দ করা হয়।
মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) সকালে মির্জাপুর রেল স্টেশন এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. জুবায়ের হোসেন ওই সাজা দেন। এ সময় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের উপ-পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন উপস্থিত ছিলেন।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন, মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের গোড়াই গ্রামের ফজলু মিয়ার ছেলে মো. রাজিব মিয়া (৩৮), উপজেলা সদরের পোষ্টকামুরী পূর্বপাড়ার বছির উদ্দিনের ছেলে মো. রায়হান (৩৬) ও আনাইতারা ইউনিয়নের আটিয়া মামুদপুর গ্রামের হাফিজুর রহমানের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৩২)।
মঙ্গলবার সকালে মির্জাপুর রেলস্টেশন এলাকায় ওই তিন যুবক মাদক সেবনকালে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক তাদের হাতনাতে আটক করে এই সাজা দেন। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যহত থাকবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. জুবায়ের হোসেন।
একতার কণ্ঠঃ জাতীয় পর্যায়ে ২১ শে পদক প্রাপ্ত টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুককে সংর্বধনা দেওয়া হয়েছে। সোমবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল প্রি-ক্যাডেট স্কুলের উদ্যোগে ওই সংর্বধনা প্রদান করা হয়।
সংর্বধনা অনুষ্ঠানে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে সংবর্ধিত অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক।
বিশেষ অতিথি ছিলেন টাঙ্গাইলের সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল ইমরান, ষাটের দশকের অন্যতম কবি বীর মুক্তিযোদ্ধা বুলবুল খান মাহবুব, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র সিরাজুল হক আলমগীর, মহিলা আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় পরিষদের যুগ্ম- সম্পাদক ড. জান্নাত আরা হেনরী, টাঙ্গাইল বাস মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার নাজিম উদ্দিন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এড. জাফর আহমেদ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য রাখেন টাঙ্গাইল প্রি-ক্যাডেট স্কুলের প্রিন্সিপাল শাহানা বেগম। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন টাঙ্গাইল প্রি-ক্যাডেট স্কুল এর পরিচালনা পরিষদের সদস্য হারুন-অর-রশিদ।
এ সময় ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী-অভিভাবক, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ঐন্দ্রিলা কর্মকার(১৪) নামের অষ্টম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রী ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। সোমবার(৮ নভেম্বর) ভোরে সখীপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের কালিদাস রোডের পল্টনপাড় নামক এলাকায় ওই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে। ঐন্দ্রিলা একই এলাকার ডা:গোপাল কর্মকারের মেয়ে।
পুলিশ ও পারিবারিকসূত্রে জানা যায়,ঐন্দ্রিলা কর্মকার সখীপুর পি এম পাইলট মডেল স্কুল এন্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। পরিবারের সাথে রাতের খাবার শেষ করে সে তার নিজ রুমে ঘুমাতে যায়।
সোমবার ভোরে নিহতের মা তার খোঁজ খবর নিতে রুমে গিয়ে ঐন্দ্রিলাকে গলায় গামছা বাধাঁ অবস্থায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলতে দেখেন। পরে তাকে উদ্ধার করে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
সখীপুর থানার পরিদর্শক(এসআই) মো.মেহেদী হাসান জানান,হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক সুরতহাল করা হয়। পরিবারের লোকজনের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে লাশ ময়না তদন্ত ছাড়াই তাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গায় স্কুলছাত্রী সুমাইয়া হত্যায় জড়িতদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।রবিবার(৭ নভেম্বর) দুপুরে এলেঙ্গা কলেজ মোড়ে আয়োজিত ওই মানববন্ধনে স্থানীয় পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দুই সহস্রাধিক শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ গ্রহন করে।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, কালিহাতী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস-চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মোল্লা, সরকারি শামসুল হক কলেজের অধ্যক্ষ আনোয়ারুল কবীর, লুৎফর রহমান মতিন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম, এলেঙ্গা বিএম কলেজের অধ্যক্ষ শফিকুল ইসলাম, এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুল করিম তালুকদার, জিতেন্দ্রবালা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গোবিন্দ চন্দ্র সাহা, নিহত সুমাইয়ার চাচা ফিরোজ মিয়া প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, এলেঙ্গায় কিশোর গ্যাং ও বখাটেদের উৎপাত বহুগুনে বেড়েছে। ওরা সংঘবদ্ধ হয়ে বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত হচ্ছে। পুলিশ ও অভিভাবকসহ সবাইকে কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।
বক্তারা সুমাইয়ার হত্যাকারী সহ সকল অপরাধী ও তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
প্রকাশ, গত ২৭ অক্টোবর এলেঙ্গা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী সুমাইয়া আক্তারের(১৫) গলাকাটা লাশ শামসুল হক কলেজের পাশের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। স্কুলছাত্রী সুমাইয়া কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের পালিমা গ্রামের ফেরদৌস রহমানের মেয়ে।
একতার কণ্ঠঃ ৭ই নভেম্বরের কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি আয়োজিত অনুষ্ঠানে শ্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে হট্টগোলের সৃস্টি হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকরা ওই ছবি তুলতে গেলে বিএনপির নেতা-কর্মীরা তাতে বাঁধা প্রদান করেন।টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির নব গঠিত আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু অনুষ্ঠানে হট্টগোলের বিষয়টি অস্বীকার করেন।
রবিবার( ৭ নভেম্বর) দুপুরে শহরের জেলা সদর রোড় সংলগ্ন সোনার বাংলা কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত আলোচনা সভায় ওই হট্টগোল ও বাঁধা দেওযার ঘটনাটি ঘটে।
অনুষ্ঠানে আলোচনা চলাকালীন সময় স্লোগান দেওয়ায় বিএনপির টাঙ্গাইল জেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক এড.ফরহাদ ইকবাল ও জেলা যুবদলের আহবায়ক আশরাফ পাহেলীর সমর্থকদের মধ্যে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত কেন্দ্রিয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।এসময় বিশৃঙ্খলার চিত্র ধারন করতে গেলে সাংবাদিকদের বাধা দেন বিএনপির কর্মী সমর্থকরা।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এড. ফরহাদ ইকবাল বলেন, অনুষ্ঠানে বক্তব্য চলাকালিন সময়ে স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে কিছুটা বিশৃঙ্খলা সৃস্টি হলেও তা তাৎক্ষনিক ভাবে সমাধান করা হয়েছে।
জেলা যুবদলের আহবায়ক আশরাফ পাহেলী বলেন, স্লোগান কোন ভাইয়ের নামে হবেনা। স্লোগান হবে নেতাদের নামে। তবে যতটুকু বিশৃঙ্খলা হয়েছিলো তা ওই সময়েই মিমাংসা করা হয়েছে।
আলোচনা সভায় টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহবায়ক আহমেদ আযম খানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারন সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির শিশু বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক পানি সম্পদ মন্ত্রী গৌতম চক্রবর্তী, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক হাসানুজ্জামিল শাহিন ও এড. ফরহাদ ইকবাল প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু।
এসময় জেলা বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, শ্রমিকদল, মহিলাদলসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ আগামী তিন মাসের জন্য টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খানকে আহ্বায়ক ও মাহমুদুল হককে সদস্য সচিব করা হয়েছে।
বুধবার (৩ নভেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রেজভী ৪৬ সদস্য বিশিষ্ট এ কমিটির অনুমোদন দেন।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন যুগ্ম আহ্বায়ক হাসানুজ্জামিল শাহীন, ফরহাদ ইকবাল, কাজী শফিকুর রহমান লিটন, অমল ব্যানার্জি, দেওয়ান সফিকুল ইসলাম, সদস্য বেনজির আহমেদ টিটু, শ্যামল হোড়, আলী ইমান তপন, সাইদুল হক সাদু, ফাইজুর রহমান, সফিকুল ইসলাম রিপন, আব্দুল আজিজ চাঁন খা, শাহজাহান সাজু, আবুল কালাম মোস্তফা লাবু, এম এ সালাম, মোয়াজ্জেম হোসেন, আতাউর রহমান জিন্নাহ, সরকার শহীদ, জি এস বাবুল, আলমগীর হোসেন, খন্দকার জাহাঙ্গীর আলম রুবেল, সিরাজুল হক সানা, গোলাম মোস্তফা, জাকির হোসেন, এনামুল করিম অটল, আবুল কাশেম, আব্দুল কাদের, সৈয়দ শাহিন, আশরাফ পাহেলী, খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ, তারিকুল ইসলাম ঝলক, সফিকুল ইসলাম সফিক, রফিকুল ইসলাম স্বপন, শাহিন আকন্দ, ইজাজুল হক সবুজ, নুরে আলম সাদেক, রক্সি মেহেদী, শামসুল আলম, শামীম হাসান স্বপন, দীপু হায়দার খান, খ. আ. মোকাদ্দেস, আনিস চৌধুরী, মনিরুল ইসলাম মনির ও শহিদুল করিম।
একতার কণ্ঠঃ দেশের বৃহৎ বঙ্গবন্ধু সেতুতে দ্বিতীয় দফায় বেড়েছে যানবাহন থেকে টোল আদায়ের হার। এর আগে ১৯৯৮ সালে সেতুটি চালু হওয়ার পর ২০১১ সালে টোল বৃদ্ধি করা হয়। মঙ্গলবার (২ নভেম্বর) বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল আদায় বৃদ্ধি নিয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (উন্নয়ন) মোহাম্মদ আনোয়ারুল নাসের এর স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে ওই তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপন জারি হলেও বুধবার ৩ (নভেম্বর) বঙ্গবন্ধু সেতুতে পারাপার হওয়া যানবাহন থেকে পূর্বে ধার্যকৃত রেটে টোল আদায় করছে কর্তৃপক্ষ। তবে বঙ্গবন্ধু সেতু কর্তৃপক্ষ প্রজ্ঞাপন জারির দিন থেকেই চালকদের অবহিত করতে তাদের হাতে টোল বৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন বিলি করছেন।
বঙ্গবন্ধু সেতুতে টোল বৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, সেতু বিভাগের আওতাধীন বঙ্গবন্ধু সেতুর জন্য অনুমোদিত যানবাহনের শ্রেনীবিন্যাস এবং টোল হার ধরা হয়েছে যথাক্রমে মোটরসাইকেল ৫০ টাকা, হাল্কা যানবাহনের মধ্যে কার/জিপ ৫৫০, মাইক্রো, পিকআপ ৬০০, ছোট বাস (৩১ আসন বা এর কম) ৭৫০, বড় বাস (৩২ আসন বা এর বেশি) ১০০০, ছোট ট্রাক (৫ টন) ১০০০, মাঝারি ট্রাক (৫ টন থেকে ৮ টন) ১২৫০, মাঝারি ট্রাক (৮ টন থেকে ১১ টন) ১৬০০ টাকা, ট্রাক (৩ এক্সেল) ২০০০, ট্রেইলার (৪ এক্সেল) ৩০০০, ট্রেইলার (৪ এক্সেলের অধিক) ৪০০০ টাকা এবং সেতুর উপর দিয়ে ট্রেন চলাচলের জন্য প্রতিবছর ১ কোটি টাকা টোল আদায় করা হবে।
বঙ্গবন্ধু সেতু সাইট কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল বলেন, টোল বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। অতিদ্রুতই নতুন রেটে সেতুতে টোল আদায় শুরু হবে। টোল বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন চালকদের হাতে ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও ব্যাপক প্রচারের জন্য সেতু কর্তৃপক্ষ আলাদাভাবে এই সংক্রান্ত লিফলেট ছাপানোর উদ্যোগ নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সেতু টোল বৃদ্ধি নিয়ে চালকদের মাঝে কোনো প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যায়নি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে জাতীয় জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে বুধবার(৩ নভেম্বর) সকালে জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ের সামনে বঙ্গবন্ধুসহ জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়েছে জেলা আওয়ামী লীগ।
জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক, সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপি, সহ-সভাপতি ছানোয়ার হোসেন এমপি।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক তানভির হোসেন ছোট মনির এমপি, সহ-সভাপতি শামসুল হক ও আনিসুর রহমান আনিস, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস.এম সিরাজুল হক আলমগীর, সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র সাহা ও জামিলুর রহমান মিরন, দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম খান প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
পরে যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, ছাত্রলীগ, মহিলা লীগসহ অন্যান্য সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতাকর্মীরাও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে।
এর আগে জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জেলা হত্যা দিবস উপলক্ষে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।