মোঃ আরমান কবীর সৈকত (সম্পাদক)

কোটি টাকার ভলভো বাস ভাঙারি দরে বিক্রি - Ekotar Kantho

কোটি টাকার ভলভো বাস ভাঙারি দরে বিক্রি

একতার কণ্ঠঃ  প্রায় ২০ বছর আগে সুইডেন থেকে চড়া দামে ৫০টি আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত ভলভো বাস কেনে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশন (বিআরটিসি)। দৃষ্টিনন্দন বাসগুলো প্রথম সাত-আট বছর সড়কে দাপটের সঙ্গে চলাচল করে। ধীরে ধীরে সেগুলোর বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নষ্ট হতে শুরু করে। এসব যন্ত্রাংশ মেরামতে দফায় দফায় প্রকল্প হাতে নেয় বিআরটিসি। কিন্তু যন্ত্রাংশগুলো দেশে দুষ্প্রাপ্য ও ব্যয়বহুল হওয়ায় তা বাস্তবায়ন করতে পারেনি সংস্থাটি।

ফলে অকেজো বিলাসবহুল বাসগুলো বিআরটিসির জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। দীর্ঘদিন পড়ে থাকার পর ৫০টি ভলভো বাসের মধ্যে ৪৯টি বিক্রি করে দিয়েছে বিআরটিসি। রাজধানীর বিভিন্ন ডিপোতে পড়ে থাকা এসব বাস ভাঙারি হিসেবে কেজিদরের মতো বিক্রি করা হয়েছে। সচল আছে কেবল একটি। সেটি রাজধানীর মিরপুর ডিপোর নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে। বাসটি এখন সুপ্রিম কোর্টের স্টাফদের আনা-নেওয়ার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।

বিআরটিসি সূত্র বলছে, ২০০১ সালে সুইডেন থেকে ৭০ কোটি টাকায় বাসগুলো কেনা হয়। সেই হিসাবে প্রতিটি বাসের দাম পড়ে প্রায় এক কোটি ৪০ লাখ টাকা। সরকারি তহবিল ও সুইডিশ ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সির (সিডা) যৌথ অর্থায়নে বাসগুলো কেনা হয়। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের তথ্যমতে, বাসগুলোর সাধারণ মেয়াদ ১২ বছর। তবে ঠিকমতো রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে চলবে ২০-২৫ বছর, যাকে আর্থিক মেয়াদ বলা হয়।

এ বিষয়ে পরিবহন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক সামছুল হক বলেন, ‘সরকারি দপ্তরগুলো কেনাকাটা পছন্দ করে। রক্ষণাবেক্ষণ করে তাদের কী লাভ? দরদ দিয়ে কাজ করলে, তার নিজের তো লাভ নেই। কিন্তু প্রকিউরমেন্টে (সরকারি ক্রয়) অনেক লাভ আছে। সেই চিন্তা মাথায় রেখে গাড়িগুলোর যত্নটা তারা সেভাবে নেন না।’

সংশ্লিষ্টদের মতে, যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বাসগুলো কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে পারেনি। সড়কে নামানোর সাত-আট বছর পর বাসগুলোর যন্ত্রাংশ নষ্ট হতে শুরু করে। তখন নতুন যন্ত্রাংশ কেনা উচিত ছিল। তা না করে একটি বাসের যন্ত্রাংশ নষ্ট হলে, আরেকটি বাস থেকে সেই অংশ খুলে লাগানো হতো। যেটি থেকে খুলে নেওয়া হতো, সেটি অকেজো হয়ে পড়ে থাকতো। এভাবে এক-একটি করে বাস অকেজো হতে থাকে।

ফলে নির্ধারিত মেয়াদের আগেই ৪৯টি বাস অকেজো হয়ে পড়ে। দফায় দফায় রক্ষণাবেক্ষণের প্রকল্প হাতে নিলেও সেই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হয়নি। অবশেষে বোঝা হয়ে থাকা অকেজো সেই বাসগুলো বেচে দেয় বিআরটিসি।

পরিবহন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু ভলভো নয়, এ পর্যন্ত যত বাস কেনা হয়েছে; সেগুলোর কোনোটিরই যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়নি। ফলে প্রত্যাশিত সার্ভিসও পাওয়া যায়নি। দেশে একটি বাজে সংস্কৃতি চালু রয়েছে, তা হলো রক্ষণাবেক্ষণের চেয়ে নতুন কেনায় আগ্রহ বেশি। নতুন করে কিনলে লাভ বেশি, রক্ষণাবেক্ষণে তো সেটি নেই।

এ বিষয়ে পরিবহন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক সামছুল হক বলেন, ‘সরকারি দপ্তরগুলো কেনাকাটা পছন্দ করে। রক্ষণাবেক্ষণ করে তাদের কী লাভ? দরদ দিয়ে কাজ করলে, তার নিজের তো লাভ নেই। কিন্তু প্রকিউরমেন্টে (সরকারি ক্রয়) অনেক লাভ আছে। সেই চিন্তা মাথায় রেখে গাড়িগুলোর যত্নটা তারা সেভাবে নেন না।’

তিনি বলেন, ‘ওই (ভলভো) গাড়িগুলোর যেহেতু মেনটেইনেন্স সেভাবে হতো না। ভলভোর একটা পার্টস (যন্ত্রাংশ) না থাকলে আরেকটা থেকে খুলে নিয়ে এসে সেটি সচল রাখতো। এসব করতে করতে কিছু বাস এমনিতেই অকেজো হয়ে গেছে।’

অধ্যাপক সামছুল হক বলেন, ‘বড় কথা হলো—এখানে জবাবদিহিতার সিস্টেম নেই। পাশাপাশি বিআরটিসি যেটা করে, প্রাইভেট সেক্টরের মতো তারাও লিজ দেয়। অথচ মেনটেইনেন্সটা নিজেদের ঘাড়ে রাখে। লিজ যারা নেন, তারা তো আসেন বড় লোক (ধনী) হতে। নিজের গাড়ি যেভাবে দরদ দিয়ে চালান, এটাকে তো তা করেন না। বিআরটিসির গাড়ির অপব্যবহার করে তারা ধনী হন। ফলে শুধু ভলভো নয়, কোনো বাসই টেকসই হয়নি, হচ্ছে না। এটার জন্য তাদের কোনো দর্শনও নেই। এবার পারলাম না, পরেরবার যেন পারি, তেমন চিন্তাও নেই।’

এ পরিবহন বিশেষজ্ঞ মনে করেন, পুরো বিষয়টিতে সরকারের বিরাট গাফিলতি আছে। সরকার প্রকিউরমেন্টের আগে প্রশ্ন করে না, যেটা করা উচিত। গাড়িগুলোর কমার্শিয়াল লাইফ কত দিন থাকার কথা ছিল, কত দিন গেলো- এ প্রশ্ন করার কারোই সময় নেই। সবাই কেনাকাটায় ব্যস্ত।

সামছুল হক বলেন, ‘মন্ত্রী বলবেন, আমি এতগুলো বাস কিনে দিয়েছি। অর্থাৎ বাসের সংখ্যা বলায় আগ্রহ যার, তিনি তো জবাবদিহিতার দিকে যাবেন না। মাঝে মাঝে হুঙ্কার হয়তো দেবেন যে, জিরো টলারেন্সে থাকবেন, এভাবেই চলছে।’

‘সার্বিকভাবে আমি বলবো, যে কার্যকর ব্যবস্থা নিলে সম্পদকে টেকসইভাবে ব্যবহার করা যায়, সেটার দর্শনের ধারেকাছেও আমরা নেই। ওই কালচারটা তৈরিই হয়ে ওঠেনি। কালচার তৈরি হয়েছে এমন, যত দ্রুত খারাপ করতে পারবো, প্রকিউরমেন্টের জন্য তাড়াতাড়ি পয়সা পাবো। তাতে তো কোনো অসুবিধা হয় না’—যোগ করেন সামছুল হক।

জানতে চাইলে বিআরটিসি চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম জানান, ‘এগুলো (ভলভো বাস) তো অনেক আগের বাস। আমি চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যোগ দিয়েছি। আগে থেকেই এগুলো অকেজো ছিল। অকেজো গাড়ি যত থাকবে, ততই লোকসান। কারণ দিন দিন এগুলোর ক্ষয়ক্ষতি বাড়ে, দামও কমে। এজন্য আমরা যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে প্রত্যাশিত দাম পেয়ে বিক্রি করেছি।’

তিনি বলেন, ‘শুধু ৪৯টি ভলভো বাসই নয়, অযোগ্য ঘোষণার জন্য বিইআর (প্রস্তাবিত) ১৭৮টি গাড়ি ছিল। আগেও অকেজো এ বাসগুলো টেন্ডারে দেওয়া হয়েছিল। প্রত্যাশিত দাম না পাওয়ায় বিক্রি করা যায়নি। এবার প্রত্যাশিত দাম পেয়েছি, বিক্রি করে দিয়েছি।’

সংবাদ সূত্র- জাগো নিউজ অনলাইন

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. অক্টোবর ২০২১ ০৩:৪৯:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে হঠাৎ ভেঙে পড়ল পল্লী বিদ্যুতের হাইভোল্টেজ ১২টি খুঁটি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে হঠাৎ ভেঙে পড়ল পল্লী বিদ্যুতের হাইভোল্টেজ ১২টি খুঁটি

একতার কণ্ঠঃ একসঙ্গে পল্লী বিদ্যুতের হাইভোল্টেজের ১২টি খুঁটি ভেঙে যাওয়ায় বিদ্যুৎ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি থেকে রক্ষা পেয়েছেন এলাকাবাসী। শনিবার( ৯ অক্টোবর) রাত ১টার দিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর বাইপাস এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

রবিবার(১০ অক্টোবর) সকালে বাইপাস এলাকার বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী মো. মাসুদ মিয়াসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের মির্জাপুর বাইপাসের উত্তর পাশে বংশাই রোডের দুই পাশে ড্রেন নির্মাণের উদ্যোগ নেন মহাসড়ক কর্তৃপক্ষ।

পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগকে না জানিয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মহাসড়কের উত্তর পাশে ড্রেন নির্মাণের জন্য মাটিকাটার খনন যন্ত্র (ভ্যেকু) দিয়ে গত কয়েক দিন ধরে গর্ত করতে থাকেন।

খুঁটির আশপাশে থেকে মাটি সরানোর ফলে বিদ্যুতের খুঁটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। শনিবার রাত ১টার দিকে হঠাৎ করে একসঙ্গে ১২টি খুঁটি ভেঙে বিকট শব্দের সৃষ্টি হয় এবং খুঁটিতে আগুন ধরে যায়। আশপাশের লোকজন ঘুমন্ত অবস্থায় ঘটনাটি টের পেয়ে পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগ, হাইওয়ে ও থানা পুলিশকে খবর দেন।ঘটনার পর পরই পুরো এলাকায় বিদ্যুৎ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে অন্ধকার নেমে আসে।

রবিবার সকাল থেকেই টাঙ্গাইল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ১-এর মির্জাপুর ও গোড়াই জোনাল অফিসের শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী ভেঙে পড়া রাস্তার ওপর থেকে খুঁটি সরানোর কাজ শুরু করেছে। কবে নাগাদ বিদ্যুৎ যোগাযোগ সচল হবে তা কেউ সঠিক করে বলতে পারছেন না। এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

এ ব্যাপারে সড়ক বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী মো. সাইফুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, খুঁটি ভেঙে যাওয়ার পর পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে মেরামতের কাজ শুরু করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ১-এর মির্জাপুর জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. জাকির হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, মহাসড়কের পাশ দিয়ে হাইভোল্টেজের বিদ্যুৎ লাইন স্থাপন করা হয়েছে। ড্রেন নির্মাণের জন্য মহাসড়ক কর্তৃপক্ষ তাদের না জানিয়ে খুঁটির নিচ থেকে মাটি কেটে সরিয়ে নিয়েছে। লোড না থাকার কারণে রাতে একে একে ১২টি খুঁটি ভেঙে পড়েছে। নতুন খুঁটির ব্যবস্থা করে লাইন সচল করার চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. অক্টোবর ২০২১ ০২:৫৭:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে বাল্যবিয়ে দিতে ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে প্রতারণা, ২ জনের কারাদন্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে বাল্যবিয়ে দিতে ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে প্রতারণা, ২ জনের কারাদন্ড

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কাগমারা এলাকায় ৬ষ্ঠ শ্রেণি পড়ুয়া এক মেয়ের ‍বাল্যবিয়ের আয়োজন করা হয়। এ বিয়ে আটকাতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রানুয়ারা খাতুন। এ সময় তিনি পরিবারের সদস্যদের কাছে কনে সম্পর্কে জানতে চাইলে মেয়ের বাবা প্রতারণার আশ্রয় নেন। তিনি মেয়েকে মেজিস্ট্রেটের সামনে হাজির না করে তারই এক তালাকপ্রাপ্ত আত্মীয়কে কনে সাজিয়ে হাজির করেন।

পরে বিষয়টি জানাজানি হলে মেয়ের বাবা ও তালাকপ্রাপ্ত ওই নারীকে কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার (৯ অক্টোবর) বিকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ম্যাজিস্ট্রেট রানুয়ারা খাতুন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টাঙ্গাইল পৌরসভার ৩নং  ওর্য়াডের কাগমারা এলাকার গাড়ি চালক আব্দুস ছাত্তারের মেয়ে ও স্থানীয়ে একটি বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী সাদিয়ার বিয়ে ঠিক হয়। এমন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ওই মেয়ের বাড়িতে যাওয়া হয়। এ সময় মেয়ের বাবা প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে তারই এক তালাকপ্রাপ্ত আত্মীয় এনি আক্তারকে মেয়ে সাজিয়ে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করেন। এনি আক্তারের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে তার বয়স দেখা যায় ২১ বছর। এনি দাবী করেন শুক্রবার তারই বিয়ে হচ্ছে।

পরবর্তিতে ম্যাজিস্ট্রেট ওই বাড়ি থেকে চলে যান। কিন্তু পরে খোঁজ খবর নিয়ে রানুয়ারা খাতুন জানতে পারেন সাত্তার তাঁর ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে সাদিয়ার বিয়ে দিচ্ছেন।

বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে পুনরায় সাত্তারের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন তিনি। এ সময় সরকারি নির্দেশ অমান্য করায় মেয়ের বাবাকে ৭দিন এবং প্রতারণা করে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির করা এনি আক্তারকে ৫দিনের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রানুয়ারা খাতুন বলেন, ৬ষ্ঠ শ্রেণির এক ছাত্রীর বিয়ে হচ্ছে এমন সংবাদ পেয়ে কনের বাড়িতে হাজির হয়েছিলাম। প্রথমে তারা একজন তালাকপ্রাপ্ত মেয়েকে হাজির করে বলেন তার বিয়ে হচ্ছে। পরে তার কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে চলে আসি। কিন্তু পরবর্তিতে খবর পাই তারা প্রতারণা করেছে। পরে আবারও বিয়ে বাড়িতে হাজির হই। তবে খবর পেয়ে বর পক্ষ বিয়ে বাড়িতে হাজির হয়নি। মেয়ের বাবা মেয়েকে বাল্য বিয়ে দেবেন না মর্মে মুচলেকা দেন। পরে মেয়ের বাবা ও তালাকপ্রাপ্ত ওই নারীকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. অক্টোবর ২০২১ ০২:১৭:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে সড়ক সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে সড়ক সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে সরকারি মুজিব কলেজে যাওয়ার প্রধান সড়ক সংস্কারের দাবিতে সড়ক অবরোধ, মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে কলেজর শিক্ষার্থীরা। শনিবার( ৯ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সখীপুর-সাগরদিঘী সড়কের সরকারি মুজিব কলেজের মূল গেইটে ঘন্টাব্যাপি ওই কর্মসূচি পালন করে ওই কলেজের সহস্রাধিক শিক্ষার্থী। এতে দুই পাশের শত-শত যানবাহন আটকে পড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

মানববন্ধনে সড়কটির দ্রুত সংষ্কারের দাবি জানিয়ে শিক্ষার্থীদের  মধ্যে থেকে রুমান সিকদার, বৃষ্টি আক্তার, মারুফ হাসান, তানজিম ইসলাম, রিফাত আহমেদ, বায়েজিদ প্রমুখ বক্তব্য দেন।

পরে সখীপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) একে সাইদুল হক ভূইয়া, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের পক্ষে শিক্ষার্থীদের আগামি তিন দিনের মধ্যে সড়ক চলাচলে উপযোগী করার প্রতিশ্রুতি দিলে শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নেয়।

এ প্রসঙ্গে একে সাইদুল হক ভূইয়া বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চিত্রা শিকারী বলেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে সড়কটি দ্রুত সংস্কারের ব্যবস্থা করা হবে।

উল্লেখ, চলতি বর্ষায় সরকারি মুজিব কলেজে যাওয়ার দুই কিলোমিটার প্রধান সড়কটির পলেস্তারা উঠে বিভিন্ন স্থানে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। আর সৃষ্ট খানাখন্দে বৃষ্টির পানি জমে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। প্রধান এবং একমাত্র সড়কটি চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়ায় শিক্ষার্থীরা সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানিয়ে সড়ক অবরোধ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. অক্টোবর ২০২১ ০১:৪৫:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রাক চাপায় মোটরসাইকেল চালক নিহত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রাক চাপায় মোটরসাইকেল চালক নিহত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে ট্রাক চাপায় খন্দকার ফাহাদ (২১) নামের এক মোটরসাইকেল চালক নিহত হয়েছে। ওই ঘটনায় অপর আরোহী আব্দুল্লাহ-আল-দিমান(১৭) গুরুত্বর আহত হয়।শুক্রবার (৮ অক্টেবর) বিকালে নলুয়া-বাসাইল সড়কের উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের কলাবাগান সংলগ্ন এলাকায়  ওই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত খন্দকার ফাহাদ গাজীপুর জেলার মাওনা শ্রীপুর এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে।এ দুর্ঘটনায় গুরুত্বর আহত আব্দুল্লাহ আল দিমান সখীপুর উপজেলার শোলাপ্রতিমা পশ্চিমপাড়া গ্রামের আব্দুল গনি মিয়ার ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, বালু ভর্তি একটি ট্রাক অপর দিক থেকে আসা মোটরসাইকেলকে চাপা দিলে ঘটনা স্থলেই মোটরসাইকেল চালক খন্দকার ফাহাদ (২১) মৃত্যুবরণ করে । মোটরসাইকেলের অন্য আরোহী আবদুল্লাহ আল দিমান (১৭) গুরুত্বর আহত হয়। স্থানীয়রা  আব্দুল্লাহ আল দিমানকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে যাদবপুর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য সৈয়দ আলী জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত খন্দকার ফাহাদের মরদেহ সখীপুর থানা পুলিশ এসে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অক্টোবর ২০২১ ০৩:৪৭:এএম ৫ বছর আগে
শান্তিতে নোবেল পেলেন দুই সাংবাদিক - Ekotar Kantho

শান্তিতে নোবেল পেলেন দুই সাংবাদিক

একতার কণ্ঠঃ ২০২১ সালে শান্তিতে নোবেল পেয়েছেন দুজন সাংবাদিক। তাঁরা হলেন ফিলিপাইনের মারিয়া রেসা ও রাশিয়ার দিমিত্রি মুরাতভ। শুক্রবার(৮ অক্টোবর) নরওয়ের রাজধানী অসলো থেকে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি শান্তিতে এবারের নোবেল পুরস্কার বিজয়ীর নাম ঘোষণা করে।

নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি জানিয়েছে, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, যা গণতন্ত্র ও টেকসই শান্তির অন্যতম পূর্বশর্ত, তার পক্ষে লড়াইয়ের স্বীকৃতি হিসেবে মারিয়া ও দিমিত্রিকে এবার শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

১৯৩৫ সালের পর এই প্রথম শান্তিতে নোবেল পেলেন কোনো সাংবাদিক। ১৯৩৫ সালে জার্মান সাংবাদিক কার্ল ফন অসিয়েতস্কি শান্তিতে নোবেল পান।

মারিয়ার ক্ষেত্রে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি বলেছে, তিনি তাঁর জন্মস্থান ফিলিপাইনে ক্ষমতার অপব্যবহার, সহিংসতার ব্যবহার ও দেশটিতে ক্রমেই বেড়ে চলা কর্তৃত্ববাদের বিরুদ্ধে মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে ব্যবহার করছেন।

দিমিত্রি ক্ষেত্রে নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি বলেছে, তিনি তাঁর দেশ রাশিয়ায় ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির মধ্যে কয়েক দশক ধরে বাক্‌স্বাধীনতা রক্ষায় কাজ করছেন।

শান্তিতে নোবেলজয়ী নির্বাচনের দায়িত্ব নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির। সব নোবেল পুরস্কার সুইডেনের স্টকহোম থেকে ঘোষণা দেওয়া হলেও শান্তি পুরস্কার ঘোষণা দেওয়া হয় নরওয়ের অসলো থেকে। কাজটি আলফ্রেড নোবেলের ইচ্ছাপত্র অনুযায়ীই করা হয়।

২০২০ সালে শান্তিতে নোবেল পায় জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। ক্ষুধা নিরসনে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ডব্লিউএফপিকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়ে। তার আগের বছর ২০১৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ আলী। শান্তি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার জন্য তাঁকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অক্টোবর ২০২১ ০২:০৩:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে কবি-সাহিত্যিকদের সম্মাননা দিল সাহিত্য সংসদ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে কবি-সাহিত্যিকদের সম্মাননা দিল সাহিত্য সংসদ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ছয়জন কবি–সাহিত্যিককে টাঙ্গাইল সাহিত্য সংসদ পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে। শুক্রবার(৮ অক্টোবর)  সকালে সাধারণ গ্রন্থাগার  মিলনায়তনে সাহিত্য সংসদের ৩৩৩তম স্বরচিত কবিতা পাঠ প্রতিযোগিতার আসরে ওই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন কবিতায় ফেরদৌস সালাম ও জাহিদ মুস্তফা। তরুণ লেখক পুরস্কার পেয়েছেন তৌফিক আহমেদ, শিশু সাহিত্যে কাশীনাথ মজুমদার, প্রবন্ধে আলী রেজা এবং কথাসাহিত্যে রুদ্র মোস্তফা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মুহম্মদ নূরুল হুদা। তিনি পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের হাতে ক্রেস্ট, অর্থ ও সম্মাননা পত্র তুলে দেন।

তিনি বলেন, ব্যক্তিসত্তাকে জাগ্রত করলে জাতিসত্তা এবং মানবসত্তা জাগ্রত হবে। কেউ কারও থেকে ছোট নয়, সবাই শ্রেষ্ঠ। শুধু কাজের মধ্য দিয়ে কেউ প্রকাশিত হয়। সাহিত্য সাধনা ও দর্শন সাধনার মধ্য দিয়ে মানুষ নতুন সভ্যতার আবিষ্কার করে।

তিনি আরও বলেন, ‘টাঙ্গাইল সৃষ্টিশীলতার জায়গা। এখানে নিয়মিত সাহিত্য চর্চা হয়। সাহিত্য সংসদের উদ্যোগে প্রতিমাসে দুবার কবিতা পাঠের আসর বসে। এ জন্যই টাঙ্গাইলকে আমরা আলাদা করে দেখি।’

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. আতাউল গণির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান। বক্তব্য দেন ভাসানী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান খন্দকার নাজিম উদ্দিন, সাহিত্য সংসদের সভাপতি কবি মাহমুদ কামাল, প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, শামসুল হক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম, সাহিত্য সংসদের উপদেষ্টা জাকিয়া পারভীন ও রতন চন্দ্র সাহা, ছায়ানীড়ের নির্বাহী পরিচালক লুৎফর রহমান, কবি রোকেয়া ইসলাম প্রমুখ।

পরে দ্বিতীয় অধিবেশনে কবিতা পাঠ প্রতিযোগিতা হয়। সাহিত্য সংসদের সাবেক সভাপতি হারুন-অর-রশিদের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা কবি বুলবুল খান মাহবুব। এতে অর্ধশতাধিক কবি অংশ নেন।

সাহিত্য সংসদের সভাপতি মাহমুদ কামাল জানান, ২০০৪ সালে টাঙ্গাইল সাহিত্য সংসদ প্রতিষ্ঠিত হয়। এর পর থেকেই সংগঠনটি প্রতি বছর কবিতা ও সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় অবদান রাখা টাঙ্গাইলের কবি–সাহিত্যিকদের পুরস্কৃত করে আসছে।

ব্যুরো বাংলাদেশ ও সাধারন গন্থাগার যৌথ ভাবে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানটির আয়োজক ছিল।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অক্টোবর ২০২১ ০২:৫৯:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ধর্ষণ মামলার দুই আসামী গ্রেফতার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ধর্ষণ মামলার দুই আসামী গ্রেফতার

একতার কন্ঠঃ মোবাইল ফোনে পরিচয়। মাঝে মধ্যে চলতো খুনসুটি। এভাবেই একে অন্যের সাথে তৈরি হয় প্রেমের সম্পর্ক। তরুণীর বয়স কেবল ১৫ হলেও প্রেমিকের আছে বউ-বাচ্চা। সব জেনেও চলছিল অদম্য প্রেমালাপন। প্রথম সাক্ষাতেই প্রেমিকের বাহুডোরে ধর্ষিতা হয় এই তরুণী। শুধু প্রেমিক নয় প্রেমিকের মামাও অংশগ্রহণ করেন এই ধর্ষণযজ্ঞে । পরে আরো একজন অংশ নিতে চাইলে ধর্ষিতার কান্না আর ক্ষমা প্রার্থনায় প্রাণে রক্ষা পায় ওই তরুণী।

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার লক্ষিন্দর ইউনিয়নের দোলালিয়া গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে।  বৃহস্পতিবার (০৭ অক্টোবর) রাতে এ ঘটনায় ধর্ষিতার বাবা বাদী হয়ে ঘাটাইল থানায় মামলা করেন। এ মামলায় লক্ষিন্দর ইউনিয়নের মুরাইদ গ্রামের আয়নাল হকের ছেলে মোস্তফা(২৫) এবং একই এলাকার মফেজ উদ্দিনের ছেলে মোফাজ্জল (৩৫) কে আটক করে পুলিশ।

সাগরদিঘি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মনিরুজ্জামান (ইন্সপেক্টর) এবং ধর্ষিতার সাথে কথা বলে জানা যায়, ওই তরুণীর সাথে মোবাইল ফোনে পরিচয় হয় মোস্তফার। মাঝে মাঝে কথা হত তার সাথে। গত দুই দিন আগে ওই তরুনী পরিবারের সাথে রাগ করে চাকরির খোঁজে চলে যায় গাজীপুর। কোথাও চাকরি না পেয়ে হতাশ হয়ে পরে ওই মেয়ে। পরে মোস্তফাকে বিষয়টি জানালে সে ওই তরুনীকে চাকরির আশ্বাস দিয়ে তার কাছে ডেকে নেন। মোস্তফা ওই মেয়েকে পরের দিন একটা চাকরির ব্যবস্থা করে দিবে বলে এক রাত অপেক্ষা করতে বলেন তরুনীকে।

পরে মোস্তফা তার প্রতিবেশি এক মামা মোফাজ্জল হোসেনের ফাঁকা বাড়িতে নিয়ে যায় ওই মেয়েকে। পরে মামা-ভাগিনা দুইজনে মিলে পালাক্রমে চালায় অত্যাচার। এসময় ধর্ষিতা চিৎকার করলে মোস্তফা তার মামাকে টেলিভিশনের ভলিয়ম বাড়িয়ে দিতে বলে। ধর্ষিতাকে নানা ভয় দেখিয়ে চলতে থাকে পাশবিকতা।

এসময় আরো একজন উপস্থিত হয় এতে অংশগ্রহন করতে। কিন্তু মেয়েটি কান্না করে ক্ষমা চাওয়ায় বেঁচে যায় তার হাত থেকে। পরে স্থানীয়রা বিষয়টি টের পেয়ে তাদেরকে আটক করে।পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে।

এ প্রসঙ্গে  ঘাটাইল থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) আজহারুল ইসলাম সরকার পিপিএম বলেন, এ ব্যাপারে থানায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলে পাঠানো হয়েছে এবং ওই নারীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা  হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অক্টোবর ২০২১ ০১:১৩:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নির্বাচনী প্রচারণার মাঠে আ.লীগ নেতার মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নির্বাচনী প্রচারণার মাঠে আ.লীগ নেতার মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে নির্বাচনী প্রচারণার মাঠে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে আওয়ামী লীগ নেতা নূরুল ইসলাম নূরু’র (৫৭) মৃত্যু হয়েছে।বৃহস্পতিবার(৭ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে টাঙ্গাইলের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন তিনি। নূরুল ইসলাম নূরু উপজেলার বাশকাইলের মৃত ওয়াহেদ আলীর ছেলে।  তিনি নগদাশিমলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও আসন্ন ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন।

শুক্রবার (৮  অক্টোবর) সকাল ১০টায় বাইশকাইল পূর্বপাড়া কেন্দ্রীয় ঈদ গাঁ মাঠে নূরুল ইসলাম নূরু’র জানাজা নামাজ শেষে সামাজিক কবরস্থানে লাশ দাফন করা হয়। মরহুমের জানাজা নামাজে হাজারো মানুষের ঢল নামে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে তিনি দীর্ঘদিন ধরে দিন-রাত জনসেবা ও গণসংযোগ নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন।বৃহস্পতিবার জোহর নামাজ আদায় করে থানাব্রীজ সংলগ্ম চা স্টলে স্থানীয়দের সাথে নির্বাচনী আলোচনা করেন তিনি। বিকাল ৪টার দিকে হঠাৎ বুকে ব্যথা অনুভব করলে পাশেই নিজস্ব মালিকানায় পরিচালিত আলিফ ডিজিটাল ক্লিনিকে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রাথমিক চিকিৎসা করে তাকে টাঙ্গাইলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে স্থানান্তর করেন। সন্ধ্যায় উন্নত চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রাত ৮টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির সেখানে যান।  তিনি বলেন,নুরুল ইসলাম  একজন সৎ ও ভালো মনের মানুষ ছিলেন। তার মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারকে সমবেদনা জানাচ্ছি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অক্টোবর ২০২১ ০১:৩৩:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ফাইজারের টিকা দেওয়া শুরু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ফাইজারের টিকা দেওয়া শুরু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে প্রথমবারের মতো করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ফাইজারের টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) সকালে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ওই টিকা কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন। এতে করে খুশি টিকা গ্রহীতারা, বিশেষ করে বিদেশ গমনেচ্ছুকেরা খুশি।ফাইজারের টিকা জেলায় আসার পর থেকে টিকাগ্রহীতাদের আগ্রহ অনেক বেড়েছে বলে জানিয়েছে টাঙ্গাইল স্বাস্থ্য বিভাগ।

“জেলায় এখন পর্যন্ত প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজসহ ১০ লাখ ২৩ হাজার ৫০ জন মানুষকে করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া হয়েছে”

এ সময় শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের পরিচালক মোহাম্মদ আলী, অধ্যক্ষ নুরুল আমিন মিঞা, সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, জেলা ইপিআই সুপারিনটেনডেন্ট মো. সোলায়মান, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক খন্দকার সাদিকুর রহমান, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

টিকা গ্রহীতারা জানান, ফাইজারের টিকা দিতে পেরে তারা খুশি। বিশেষ করে যারা বিদেশ যেতে চাচ্ছেন তাদের আর এখন ঢাকা যেতে হবে না।এ টিকার জন্য ঢাকা যেতে হতো । এতে করে এক দিকে যেমন টাকার অপচয় হতো অন্যদিকে নানা বিড়ম্বনায় পড়তে হতো বলেও মন্তব্য তাদের।

এ ব্যাপারে টাঙ্গােইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান বলেন, “ফাইজার টিকা নেওয়ার জন্য মানুষের মধ্যে আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিদিন ৯০০ থেকে এক হাজার মানুষকে এই ফাইজারের টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। বিশেষ করে যারা বিদেশগামী রয়েছেন তাদেরকে প্রথমে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এ টিকা দেওয়া হবে।

তিনি আরো জানান,  জেলায় ১৯ হাজার ৮৯০ ডোজ ফাইজারের টিকা রয়েছে ।টাঙ্গাইলের মানুষকে সব ধরনের টিকা দেওয়ার জন্য চেষ্টা করা হচ্ছে। জেলায় এখন পর্যন্ত প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজসহ ১০ লাখ ২৩ হাজার ৫০ জন মানুষকে করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া হয়েছে।”

এ প্রসঙ্গে সংসদ ছানোয়ার হোসেন বলেন, “টাঙ্গাইলে প্রবাসীদের সংখ্যা বেশি। আর প্রবাসীদের দাবি ছিল, টাঙ্গাইলে যেন ফাইজারের টিকা দেওয়া হয়।  ফাইজারের টিকা দেওয়া শুরু হওয়ায় তাদের দাবি পূরণ হল। এতে করে নিজ জেলায় তারা সহজেই টিকা দিতে পারবে।”

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. অক্টোবর ২০২১ ০২:৩১:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে আইনী জটিলতায় মা ও ৩ মেয়েকে পুড়িয়ে হত্যার বিচার ৭ বছরেও শুরু হয়নি - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে আইনী জটিলতায় মা ও ৩ মেয়েকে পুড়িয়ে হত্যার বিচার ৭ বছরেও শুরু হয়নি

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে মাসহ তিন মেয়েকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনার বিচার আইনী জটিলতায় সাত বছরেও শুরু হয়নি। এতে হতাশা প্রকাশ করেছেন স্ত্রী ও সন্তান হারানো মজিবর রহমান, তাঁর মা জবা বেগম ও শ্যালক মোফাজ্জল হোসেন।

আদালত সূত্র জানায়, টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে প্রায় সাড়ে পাঁচ বছর আগে মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। পরে একজন আসামি অভিযোগ থেকে অব্যাহতি চেয়ে উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন করেন। উচ্চ আদালত এই পিটিশনের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিচারকাজ স্থগিত করেছেন। ফলে থেমে আছে চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার বিচার।

মামলার এজাহার জানাযায়, মির্জাপুর উপজেলার দক্ষিণ সোহাগপাড়া গ্রামের প্রবাসী মজিবর রহমানের স্ত্রী হাসনা বেগম তাঁর তিন মেয়ে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে বসবাস করতেন। বড় মেয়ে মনিরা আক্তার মির্জাপুরের গোড়াই উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। একই গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম মনিরা আক্তারকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। কিন্তু এতে তার পরিবারের সদস্যরা রাজি ছিলেন না। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জাহাঙ্গীর তাঁর সঙ্গীদের নিয়ে ২০১৪ সালের ৬ অক্টোবর রাত আড়াইটার দিকে হাসনা বেগমের বসতঘরের দরজার নিচ এবং জানালা দিয়ে পেট্রল ঢেলে দেন। পরে অগ্নিসংযোগ করেন। এতে দগ্ধ হয়ে ঘরেই মারা যান হাসনা বেগম (৩৮), তাঁর তিন মেয়ে মনিরা আক্তার (১৪), বাক্‌প্রতিবন্ধী মীম আক্তার (১১) ও নার্সারির শিক্ষার্থী মলি আক্তার (৭)।

পরদিন হাসনা বেগমের ভাই মোফাজ্জল হোসেন বাদী হয়ে জাহাঙ্গীর আলমসহ ১০ জনকে আসামি করে মির্জাপুর থানায় মামলা করেন। ঘটনার কিছুদিন পর জাহাঙ্গীর আলম ও নুর মোহাম্মদ নামের দুই আসামি গ্রেপ্তার হন। দুজনই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। মামলাটি প্রথমে মির্জাপুর থানা এবং পরে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) তদন্ত করে। তদন্ত শেষে সিআইডির উপপরিদর্শক মো. সোহরাব উদ্দিন নয় আসামির বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। আসামিরা হলেন জাহাঙ্গীর আলম, নুর মোহাম্মদ, ইসমাইল হোসেন, মোহাম্মদ আবদুস সামাদ, আবুল বাশার, আবদুল মান্নান, মীর আসাদুল, ওয়াসিম মিয়া ও হারুন অর রশিদ।

২০১৬ সালের ২ মে মামলাটি বিচারের জন্য টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আসে। পরে ওই বছর ১৬ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। আসামিদের বিরুদ্ধে ঘরে ঢুকে আগুন দিয়ে মানুষ হত্যা এবং সহযোগিতার অভিযোগ আনা হয়।

এই মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি মনিরুল ইসলাম খান জানান, অভিযোগ গঠনের পর মামলার আসামি হারুন অর রশিদ অভিযোগ থেকে অব্যাহতির জন্য হাইকোর্টে একটি রিভিশন মামলা করেন। উচ্চ আদালত মামলার রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কার্যক্রম স্থগিত করার আদেশ দেন। এ জন্য মামলাটির সাক্ষ্য গ্রহণ হচ্ছে না। তিনি জানান, অভিযোগ গঠনের পর ২০১৬ সালের ১৯ জুলাই সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ধার্য ছিল। সেদিন রাষ্ট্রপক্ষ মামলার বাদীসহ তিন সাক্ষী হাজির করেছিল। কিন্তু উচ্চ আদালতের আদেশ থাকায় সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়নি। মামলার প্রধান আসামি জাহাঙ্গীর আলম এখনো টাঙ্গাইলের কারাগারে। অন্য আসামিরা জামিনে।

মামলার সব আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে দ্রুত বিচারের দাবি জানিয়েছেন হাসনা বেগমের পরিবারসহ মানবাধিকারকর্মীরা।

হাসনা বেগমের স্বামী মজিবর রহমান আক্ষেপের সুরে বলেন, ‘কত মাইনসের বিচার অইলো। ছয় মাসেও বিচার শ্যাষ অইলো শুনলাম। কিন্তু আমার বউ-পোলাহান মরার সাত বছর পর বিচারই শুরু অইলো না। এইডা কোন দ্যাশ।’

মজিবরের মা জবা বেগম জানান, ছেলের বউ আর নাতনিদের হত্যাকারীর বিচারের আশায় চেয়ে থেকে তাঁর স্বামী চাঁন মিয়া দেড় বছর আগে মারা গেছেন। ক্ষুব্ধ জবা প্রশ্ন করেন, ‘বিচার কি সব পানি হয়ে গেল?’

মামলার বাদী মোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘বোন-ভাগনি যে কত আপন তা কেউ বুঝব না। আর আমি হেই আপন জিনিস হারাইছি। ওরা তো আর ফিরা আইবো না। ওগো মারার বিচারের জন্য দিনের পর দিন অপেক্ষা করতাছি। কিন্তু কেউ মুখ ফিরা তাকায় না।’

টাঙ্গাইলের মানবাধিকারকর্মী মাহমুদা শেলী জানান, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থে সব জটিলতা নিরসন করে মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তি করা প্রয়োজন। এভাবে দিনের পর দিন বিচার প্রক্রিয়া ঝুলে থাকলে বিচার পাওয়ার পথ সংকুচিত হবে। এতে অপরাধীরা উৎসাহিত হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. অক্টোবর ২০২১ ০২:৩৪:এএম ৫ বছর আগে
ভাসানী প্রতিষ্ঠিত সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্ব স্ব স্থানে বহাল রাখার দাবীতে মতবিনিময় সভা - Ekotar Kantho

ভাসানী প্রতিষ্ঠিত সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্ব স্ব স্থানে বহাল রাখার দাবীতে মতবিনিময় সভা

একতার কণ্ঠঃ মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী কর্তৃক  সন্তোষে প্রতিষ্ঠিত সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্ব স্ব স্থানে বহাল রাখার দাবীর প্রেক্ষিতে সৃষ্ট পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য ভাসানী প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় করেছেন টাঙ্গাইল-৫( সদর) আসনের সংসদ সদস্য মোঃ ছানোয়ার হোসেন। বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) সকালে সন্তোষের ঐতিহাসিক দরবার হলে ওই মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

মাওলানা ভাসানী আদর্শ কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ দেলোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, আলহাজ্ব মোঃ ছানোয়ার হোসেন  এমপি।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে সন্তোষে প্রতিষ্ঠিত প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে সহ অবস্থান বজায় রেখেই মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর প্রতিষ্ঠানগুলো স্ব স্ব স্থানে রাখার পক্ষে জোড়ালো সমর্থন ব্যক্ত করেন।এসময় তিনি ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হাই স্কুল পীর শাহজামান দিঘির পশ্চিম পাশে সরিয়ে নেয়া, সন্তোষ রাণী দিনমনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের পাশে হওয়ায় পার্শ্ববর্তী এলাকায় সরিয়ে নেয়াসহ সকল প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সভায় স্বাগত বক্তব্যে হাসরত খান ভাসানী এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে স্ব স্ব স্থানে বহাল রাখার জোর দাবি জানান।

মতবিনিময় সভায় মাওলানা ভাসানী আদর্শ কলেজ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় হাই স্কুল, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সরকারি শিশু স্কুল, সন্তোষ রাণী দিনমনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় তালিমাতে কুরআন ও সুন্নাহর শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকবৃন্দ এবং স্বাস্থ্য ও মাতৃসদন কেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

এসময় শহর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক এম এ রউফ, ন্যাপ ভাসানী ও খোদা-ই-খেদমতগারের সভাপতি হাসরত খান ভাসানী, স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ, ভাসানী অনুসারীবৃন্দ, স্থানীয় জনগণ উপস্থিত ছিলেন।

 

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. অক্টোবর ২০২১ ০১:৩৯:এএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।