মোঃ আরমান কবীর সৈকত (সম্পাদক)

টাঙ্গাইলে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার; স্বামী পলাতক - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার; স্বামী পলাতক

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

বুধবার (১২ অক্টোবর) সকালে উপজেলার আজগানা ইউনিয়নের বেলতৈল এলাকায় একটি ভাড়া বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পর থেকে নিহতের স্বামী পলাতক রয়েছে।

নিহত গৃহবধূ ঘাটাইল উপজেলার মুরাদ গ্রামের মৃত মফিজ মিয়ার ছেলে পলাশ মিয়ার স্ত্রী আনোয়ারা বেগম (২৮) বলে জানিয়েছেন আজগানা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের সিকদার।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার বেলতৈল এলাকায় একটি ভাড়া বাড়িতে ৮ বছরের ছেলে নিয়ে স্বামী-স্ত্রী থাকতো। সকালে ঘরের ভেতর কান্নার শব্দ পেয়ে বাড়ির মালিক দরজা খুলে দেখেন আনোয়ারা বেগমের মরদেহ পড়ে রয়েছে। নিহতের গলায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পরে পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে।

এ ব্যাপারে মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম জানান, খবর পেয়ে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাকে গলাটিপে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে হত্যার আসল রহস্য উদঘাটন করা যাবে। নিহতের স্বামী পলাতক রয়েছে। তাকে আটকের চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. অক্টোবর ২০২২ ০১:৩৪:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অনশনরত প্রেমিকাকে পেটালো প্রেমিকের পরিবার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অনশনরত প্রেমিকাকে পেটালো প্রেমিকের পরিবার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিক শিমুলের বাড়িতে অনশনরত অবস্থায় শ্লীলতাহানি ও অমানুষিক নিযার্তনের শিকার হয়েছেন প্রেমিকা।

স্থানীয়রা অসুস্থ প্রেমিকাকে উদ্ধার করে গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করেছেন। চাঞ্চল্যকর এমন ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সূতি নয়াপাড়া গ্রামে।

গত ২৯শে সেপ্টেম্বর থেকে বিয়ের দাবিতে আমরণ অনশন শুরু করে ওই তরুণী। সে দিনাজপুর জেলার বিরামপুর উপজেলায় কেশবপুর গ্রামের আফজাল হোসেনের মেয়ে ফৌজিয়া আক্তার তানিয়া।

জানা যায়, দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার কেশবপুর গ্রামের আফজাল হোসেনের মেয়ে ফৌজিয়া আক্তার তানিয়ার সাথে গোপালপুর উপজেলার সূতি নয়াপাড়া গ্রামের সুরুজ মিয়ার পুত্র বরাতুল ইসলাম শিমুলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এরা উভয়ে গাজীপুরের একটি গার্মেন্টে চাকরি করতো। পরিনয়কে বিয়েতে রুপান্তরিত করার উদ্দেশ্যে বাবা-মা’র মতামত নেয়ার জন্য শিমুল গত ২৯শে সেপ্টেম্বর তানিয়াকে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসে। কিন্তু বাবা-মা রাজি না হওয়ায় তাদের বিয়ে হয়নি। তানিয়া শিমুলের বাড়িতে অবস্থান করতে থাকে। গত ১লা অক্টোবর গ্রামে একটি সালিশি বৈঠকে শিমুলকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে সে বাবা-মাসহ বাড়ি থেকে গাঢাকা দেয়।

কিন্তু তানিয়া বিয়ে না করে কর্মস্থলে ফিরে যেতে অস্বীকার করেন এবং ওই বাড়িতে অনশন শুরু করে।

সূতি নয়াপাড়া গ্রামের হাবেল উদ্দিন জানান, এক সপ্তাহ ধরে খেয়ে না খেয়ে তানিয়া নামের মেয়েটি ওই বাড়িতে অবস্থান করছিল। মঙ্গলবার ( ১১ অক্টোবর) সকাল নয়টায় গোপালপুর থানা পুলিশ তানিয়ার খোঁজখবর নেয়ার জন্য ওই বাড়িতে গেলে শিমুলের মামা এরশাদ আলী, মামাতো ভাই শাকিল, দুই খালা জল্পনা খাতুন ও আল্পনা খাতুন মিলে তানিয়াকে বেদম মারপিট করে এবং চুলের মুঠি ধরে ঘর থেকে বের করে আনে। এতে তার পরনের কাপড়ও ছিঁড়ে যায়।

পৌর কাউন্সিলর মো. শামছুল আলম জানান, তানিয়ার ডাকচিৎকারে এলাকাবাসীরা ছুটে আসে। পরে থানা পুলিশের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করেন। এ মারপিট ও নির্যাতনের ঘটনায় এলাকাবাসী ক্ষোভে ফুঁসে উঠে। পরে সহস্রাধিক গ্রামবাসি এ নির্যাতনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ শুরু করে। তারা আহত তানিয়াকে একটি রিকশাভ্যানে উঠিয়ে বিক্ষোভ মিছিলসহ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় ঘেরাও করেন।

সূতি নয়াপাড়া গ্রামের রাসেল মিয়া অভিযোগ করেন, গোপালপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মীর রেজাউল হক ছেলের পক্ষ নিয়ে প্রশাসনিক পর্যায়ে নানাভাবে দেনদরবার করায় ছেলেপক্ষ আপোষ রফায় না গিয়ে উগ্র হয়ে উঠে। পরিণতিতে মঙ্গলবার এ নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটে। তিনি এ নির্যাতনের দায় এড়াতে পারেন না।

তবে অভিযোগের বিষয়ে ভাইস চেয়ারম্যান মীর রেজাউল হক জানান, তিনি বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু ছেলেপক্ষ রাজি না হওয়ায় সমাধান হয়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. পারভেজ মল্লিক জানান, মেয়েটি প্রেমঘটিত কারণে ওই বাড়িতে আসেন। পরে মীমাংসার নামে কালক্ষেপণ করে। একপর্যায়ে মেয়েটির উপর অমানুষিক নির্যাতনের ঘটনার কথা তিনি জানতে পারেন। নির্যাতনে কাবু মেয়েটিকে এলাকাবাসি অফিস প্রাঙ্গণে নিয়ে এলে তাকে হাসপাতালে ভর্তির ব্যবস্থা করা হয়। একজন নারীর উপর এধরনের নির্যাতন কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায়না। ভিক্টিমকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক তাপস সাহা জানান, ভিক্টিমের শরীরে নির্যাতনের অনেক চিহ্ন রয়েছে। তার শরীর খুবই দুর্বল। তবে আশঙ্কামুক্ত।

এদিকে এ ঘটনায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নারী নির্যাতন আইনে গোপালপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এ বিষয়ে গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন জানান, লিখিত অভিযোগের বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১৩. অক্টোবর ২০২২ ০১:১৮:এএম ৪ বছর আগে
কালিহাতীতে বিএনপি’র দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৬ - Ekotar Kantho

কালিহাতীতে বিএনপি’র দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৬

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলা বিএনপির ত্রি-বার্ষিকী সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্বের জেরে বিএনপির দু’গ্রুপের সংঘর্ষে মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও ৬ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) বিকালে উপজেলার সল্লা প্রামানিক মার্কেট প্রাঙ্গনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, যুবদল নেতা ফারুক হোসেন বাবু, জহিরুল, শহীদ,তপুসহ ৬ জন বিএনপি নেতাকর্মী।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার বিকালে উপজেলার বিএনপির সম্মেলনের মঞ্চ করাকে কেন্দ্র করে এঘটনা ঘটে । কালিহাতী উপজেলার বিএনপির বুধবার ত্রি-বার্ষিকী সম্মেলনের মঞ্চ তৈরির চলাকালে ঢাকা বিভাগ বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজীর আহমেদ টিটো ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি শুকুর মাহমুদ সমর্থকদের দ্বন্দ্বের জেরে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এতে কমপক্ষে ৬ জন আহত হন।

কালিহাতী থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষের সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় উভয় পক্ষের লোকজন পালিয়ে যায়‌।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. অক্টোবর ২০২২ ০৪:০০:এএম ৪ বছর আগে
ঘাটাইলে ছাত্রলীগ নেতার মামলায় বিএনপির ৫ নেতা কারাগারে - Ekotar Kantho

ঘাটাইলে ছাত্রলীগ নেতার মামলায় বিএনপির ৫ নেতা কারাগারে

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে ছাত্রলীগের নেতার করা মামলায় বিএনপির পাঁচ নেতাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) বিকেলে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সাউদ হাসান শুনানি শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তারা হলেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ওয়ায়দুল হক নাসির, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাজী বিল্লাল হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী আনোয়ারুল আজিম রানা, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হেলাল এবং সদস্য রফিকুল ইসলাম।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ আগস্ট ঘাটাইল উপজেলার ছাত্রলীগ ও যুবলীগ এক বিশেষ সভার আয়োজন করেছিল। সে সভাকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার জন্য গত ২৪ আগস্ট রাতে ঘাটাইল পৌরসভার ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সাথে পরামর্শ নেওয়ার জন্য ১৫-২০ জন যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকমীরা পৌরসভার চতিলা গ্রামে রওনায় দেন। এ সময় তারা চতিলা গ্রামে পৌঁছলে বিএনপির কর্মীরা দেশিয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাদের উপর হামলা চালায়। এতে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়। এ ঘটনায় ঘাটাইল জিবিজি সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি আবু সাইদ রুবেল বিএনপির ৩৩ জনের নাম উল্লেখসহ আরো অজ্ঞাতনামা ৬০-৭০ জন কর্মীকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন।

টাঙ্গাইলের কোর্ট ইন্সপেক্টর তানভীর আহমেদ জানান, মামলা হওয়ার পর তারা হাইকোর্ট থেকে ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন নিয়ে আসেন। উচ্চ আদালতের বিচারক তাদেরকে জামিন শেষ হওয়ার পর নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। মঙ্গলবার তারা টাঙ্গাইল আদালতে আত্মসমর্পন করে জামিনের আবেদন করলে বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. অক্টোবর ২০২২ ০৩:৫৬:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্কুল ছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণ; দুই ভাই গ্রেপ্তার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্কুল ছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণ; দুই ভাই গ্রেপ্তার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের ঘটনায় দুই ভাইকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এ ঘটনায় সোমবার (১০ অক্টোবর) রাতে উপজেলার অলোয়া ইউনিয়নের নলুয়া গ্রাম থেকে স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার ও মিরাজ ও সুমন নামের দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত ধর্ষক ভূঞাপুর পৌরসভার পলিশা গ্রামের হাসমত আলীর ছেলে ও টেপিবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী মিরাজ এবং তার বড় ভাই সুমন (২২)।

শনিবার (৮ অক্টোবর) রাতে স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে চার জনের নামে ভুঞাপুর থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন।

জানা গেছে, উপজেলার ওই স্কুলছাত্রীকে বিভিন্ন সময় উত্যক্ত করতো তারই সহপাঠী মিরাজ। এক পর্যায়ে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বড় ভাই সুমন, ভাবি লাবণ্য ও চাচা মনিরুজ্জামানের সহায়তায় তাকে রাস্তা থেকে শুক্রবার (৭ অক্টোবর) অপহরণ করা হয়।

এই ঘটনায় স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে চার জনের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা দায়ের করে। পুলিশ স্কুলছাত্রীসহ মিরাজ ও তার ভাই সুমনকে গ্রেপ্তার করে।

স্কুল শিক্ষার্থী জানায়, একই বিদ্যালয়ে পড়ার সুবাদে মিরাজ আমাকে বিভিন্ন সময় প্রেমের প্রস্তাব দিতো। শুক্রবার মিরাজ ও তার ভাইসহ সকলের সহায়তায় আমাকে প্রথমে গাজীপুরের টঙ্গী এবং পরে সাভার তাদের আত্মীয়ের বাড়িতে নিয়ে যায়। টঙ্গীতেই মিরাজের সাথে আমার বিয়ে দেওয়া হয়। এরপর থেকে এক সাথেই আমরা সাভার ও গাজীপুরে থেকেছি। পরে নলুয়াতে আসলে পুলিশ আমাদেরকে ধরে থানায় নিয়ে আসে।

স্কুল শিক্ষার্থীর মা জানান, নাবালিকা মেয়েটিকে ফুঁসলিয়ে অপহরণ করা হয়েছে। আমরা দরিদ্র পরিবার। পরে থানায় মামলা করলে পুলিশ অপহরণকারী মিরাজ ও তার ভাইকে গ্রেপ্তার করে এবং আমার মেয়েকে উদ্ধার করে। আসামিদের কঠোর শাস্তি দাবি করি।

ভূঞাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ফরিদ আহমেদ জানান, থানায় মামলা দায়ের পর পুলিশ বিভিন্নস্থানে অভিযান পরিচালনা করে। অপহরণকারীরা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মেয়েটিকে উদ্ধারসহ দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ ফরিদুল ইসলাম জানান, মেয়েটিকে উদ্ধারসহ জড়িত দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওই স্কুল ছাত্রীকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে ২২ ধারা জবানবন্দির জন্য টাঙ্গাইল কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, এদিকে গ্রেপ্তারকৃত দুই ভাইকে কোর্ট হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১২. অক্টোবর ২০২২ ০১:৫০:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে অজ্ঞাত যুবকের লাশের পরিচয় সনাক্ত - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে অজ্ঞাত যুবকের লাশের পরিচয় সনাক্ত

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বৈরাণ নদীতে ভাসমান অজ্ঞাতনামা সেই লাশের পরিচয় সনাক্ত করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের সদস্যরা পুলিশের সহযোগিতায় পরিচয় সনাক্ত করেন।

সোমবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন তথ্যটি নিশ্চিত করেন।

এর আগে রোববার বিকালে পৌরসভার সূতি বলাটা ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন নদী থেকে তার ভাসমান লাশ উদ্ধার করে।

নিহত মিজানুর রহমান (২৬) পৌর শহরের নন্দনপুরের ভূঞারচক এলাকার মৃত শহীর উদ্দিনের ছেলে।

জানা যায়, নিহত মিজানুর রহমান শনিবার বাড়ি থেকে বের হয়ে আর ফিরেনি। পরিবারের লোকেরা সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পায়নি। রোববার বিকালে সূতি বলাটা ঈদগাহ সংলগ্ন বৈরাণ নদীতে একটি মৃতদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন করে ময়না তদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। নিহত যুবকের গলায় রূপার চেইন, পড়নে শর্টপ্যান্ট ও ডান পায়ে আগুনে পোড়ার মত দাগ ছিল।

পরে লাশের ছবি ও শারীরিক গঠনের বর্ণনা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করা হয়। খবর পেয়ে নিহত ব্যক্তির পরিবারের লোকজন লাশের পরিচয় সনাক্ত করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. অক্টোবর ২০২২ ০৪:৩৩:এএম ৪ বছর আগে
বিনা টি‌কিটে ট্রেন ভ্রমণ করায় টাঙ্গাই‌লে ২৭২ যাত্রী‌কে জ‌রিমানা - Ekotar Kantho

বিনা টি‌কিটে ট্রেন ভ্রমণ করায় টাঙ্গাই‌লে ২৭২ যাত্রী‌কে জ‌রিমানা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাই‌লের বঙ্গবন্ধু সেতুপূর্ব ও প‌শ্চিমের সয়দাবাদ রেল‌স্টেশ‌নে অ‌ভিযান চালি‌য়ে বিনা টি‌কিটে ভ্রমণকারী ২৭২ জন যাত্রী‌র জ‌রিমানা করা হ‌য়ে‌ছে। এ‌সব যাত্রী‌র কাছ থেকে ১ লাখ ২৯ হাজার টাকা জ‌রিমানা আদায় করা হয়।

রোববার (৯ অ‌ক্টোবর) দিনব্যাপী পাকশী রেলওয়ে বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা নাসির উদ্দিনের নেতৃ‌ত্বে এই দুই রেল‌স্টেশ‌নে অ‌ভিযান চালানো হয়।

এসময় বনলতা এক্স‌প্রেস, ধুম‌কেতু, সুন্দরবন, চিত্রা, দ্রুতযান, কু‌ড়িগ্রাম পদ্মা ও লালম‌নি এক্স‌প্রেস ট্রেনের বিনা টি‌কে‌টে ভ্রমণকারী যাত্রী‌দের জ‌রিমানা করা হয়।

এসময় উপ‌স্থিত ছি‌লেন, পাকশী রেলওয়ে বিভাগীয় সহকারী বাণিজ্যিক কর্মকর্তা ফারহান মাহমুদ, আবুহেনা শাহ্আলম, বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব স্টেশনের বুকিং ইনচার্জ রেজাউল করিম প্রমুখ।

পাকশী রেলওয়ে বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা নাসির উদ্দিন জানান, বিনা টি‌কিটে যাত্রীরা যাতে ট্রেন ভ্রমণ না ক‌রেন সেই বিষ‌য়ে স‌চেতনতার পাশাপা‌শি অ‌ভিযান প‌রিচালনা ক‌রে জ‌রিমানা করা হয়।

তিনি আরো জানান, এধর‌নের অ‌ভিযান অব্যাহত থাক‌বে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১১. অক্টোবর ২০২২ ০৩:১৩:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পুলিশি বাঁধায় বিএনপি’র শোক র‌্যালী পন্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পুলিশি বাঁধায় বিএনপি’র শোক র‌্যালী পন্ড

একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র নেতা কর্মীদের হত্যার প্রতিবাদে টাঙ্গাইলে জেলা বিএনপি’র শোক র‌্যালী পুলিশি বাঁধার মুখে পন্ড হয়ে গেছে।

সোমবার(১০ অক্টোবর) সকালে শহরের জেলা সদর রোডে অবস্থিত প্রেসক্লাবের সামনে খন্ড-খন্ড মিছিল নিয়ে বিএনপি’র নেতা কর্মীরা সমবেত হতে চাইলে পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয় । এক পর্যায়ে পুলিশ নেতাকর্মীদের কাছ থেকে শোক র‌্যালীর ব্যানার ছিনিয়ে নেয়।

পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে তাদের ধাওয়া দিলে তারা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এ সময় ব্যাপক পুলিশি তৎপরতায় সমাবেশটি পন্ড হয়ে যায়। ফলে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

পরে ছত্রভঙ্গ নেতাকর্মীরা শহরের পশ্চিম আকুর টাকুর এলাকায় গিয়ে জড়ো হয়ে সেখানেই একটি সংক্ষিপ্ত শোক র‌্যালী বের করে।

র‌্যালী শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহবায়ক হাসনুজ্জামিল শাহীন, যুগ্ম আহবায়ক ও জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে জেলা বিএনপি আয়োজিত শোক র‌্যালীতে পুলিশ অতর্কিত হামলা চালিয়েছে। এ সময় তারা ব্যানার ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। পুলিশ বলেছে সরকারের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের কর্মসূচি করতে দেওয়া হবে না। সমাবেশে পুলিশি হামলার তীব্র নিন্দা জানান তারা।

টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) আবু সালাম মিয়া জানান, জেলা বিএনপি শহরের ব্যস্ততম এলাকা জেলা সদর রোডে সমাবেশ করতে চাইলে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়। তাদের জন্য নির্ধারিত স্থানে সমাবেশ করতে বলা হয়। পুলিশ তাদের সমাবেশ পন্ড করেনি।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. অক্টোবর ২০২২ ০৯:৩০:পিএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে নদী থেকে যুবকের ভাসমান লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে নদী থেকে যুবকের ভাসমান লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে বৈরান নদী থেকে অজ্ঞাত এক যুবকের ভাসমান লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার ( ৯ অক্টোবর ) দুপুরে পৌরসভার সুতি ঈদগাঁ মাঠের পাশে বৈরান নদী থেকে এই লাশ উদ্ধার করা হয়। গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার দুপুর ২ ঘটিকায় বৈরান নদীতে ভাসমান অবস্থায় একটি লাশ দেখতে পায় স্থানীয় এলাকাবাসী। পরে পুলিশকে খবর দিলে তাৎক্ষণিকভাবে গোপালপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশটি উদ্ধার করে।

গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন জানান, যুবকটির বয়স আনুমানিক ২৫ বছর। তার পরনে একটি কালো শর্ট ও কালো প্যান্ট রয়েছে। তার বাম পায়ে পাতার উপরে একটি সাদা দাগ রয়েছে।

তিনি আরো জানান,লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়া সাপেক্ষে লাশটি শনাক্তকরণ ও মৃত্যুরহস্য উদঘাটন করা যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ১০. অক্টোবর ২০২২ ০১:৩০:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে যৌতুকের দাবিতে প্রিয়াঙ্কা কর্মকার (২৮) নামে এক গৃহবধূকে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী বুদ্ধু কর্মকারের (৩৬) বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (৭ অক্টোবর) রাতে পৌর এলাকার সরিষাদাইর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

প্রিয়াঙ্কা কর্মকারের বাবা জয়কৃষ্ণ সরকার শনিবার (৮ অক্টোবর) মির্জাপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি মির্জাপুর উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের সেওড়াতৈল গ্রামের বাসিন্দা।

লিখিত অভিযোগ থেকে জানা গেছে, নয় বছর আগে তার মেয়ে প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে পৌর এলাকার সরিষাদাইর গ্রামের সুধীর কর্মকারের ছেলে বুদ্ধু কর্মকারের সামাজিকভাবে বিয়ে হয়। বর্তমানে তাদের ঘরে দুটি সন্তান রয়েছে। বিয়ের কিছুদিন পার হতেই তার স্বামী যৌতুকের দাবিতে মেয়েকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছিল। এ নিয়ে মাঝেমধ্যেই স্থানীয়ভাবে সালিশ হয়েছে।

সবশেষ বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) বিদেশে যাওয়ার জন্য তার মেয়ের কাছে মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করে। মেয়ে অপারগতা প্রকাশ করলে তাকে নির্যাতন করা হয়। খবর পেয়ে পরদিন সকালে জয়কৃষ্ণ সরকারের স্ত্রী (নিহতের মা) পুষ্পরানী মেয়ের বাড়িতে যান।

এ সময় জামাইয়ের কাছে তার মেয়েকে নির্যাতনের কারণ জানতে চাইলে জামাই বুদ্ধু কর্মকার ক্ষিপ্ত হয়ে শাশুড়ি পুষ্পরানীকেও মারতে তেড়ে আসে। একপর্যায়ে পুষ্পরানীকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়।

পরে সন্ধ্যায় মেয়ের জামাইবাড়ির প্রতিবেশীদের মাধ্যমে খবর পাওয়া যায়, তার মেয়ে ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। প্রিয়াঙ্কার বাড়ির লোকজন গিয়ে তাকে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তার মেয়েকে শারীরিক নির্যাতনের পর হত্যা করে মরদেহ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে জয়কৃষ্ণ সরকার শনিবার থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।

জয়কৃষ্ণ সরকার জানান, প্রিয়াংকার স্বামী বুদ্ধু কর্মকার যৌতুকের দাবিতে মাঝেমধ্যেই প্রিয়াঙ্কাকে শারীরিক নির্যাতন করত। প্রিয়াঙ্কা চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি তার স্বামীর বিরুদ্ধে মির্জাপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছিলেন।

এ বিষয়ে মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু সালে মাসুদ করিম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এখন অপমৃত্যু মামলা হবে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অক্টোবর ২০২২ ০২:৩২:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় আহত ব্যবসায়ীর মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনায় আহত ব্যবসায়ীর মৃত্যু

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে মোটরসাইকেল দূর্ঘটনার তিনদিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় সখীপুরের আবদুর রাজ্জাক (৪২) নামের এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার ( ৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ টায় সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।

নিহত রাজ্জাক সখীপুর উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের লাঙ্গুলিয়া গ্রামের মৃত আজিজুল হকের ছেলে। সে লাঙ্গুলিয়া বাজারে ফটোকপির ব্যবসা করতেন।

জানা যায়, গত ৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় মোটরসাইকেল যোগে টাঙ্গাইল থেকে বাড়ি ফেরার পথে বাসাইল বাসষ্ট্যান্ড পৌছলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে রাজ্জাক গুরুতর আহত হন।

স্থানীয়রা প্রথমে তাকে উদ্ধার করে বাসাইল উপজেলা স্বাস্থকমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ওই রাতেই টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে তার অবস্থার আরো অবনতি ঘটলে তাকে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি কর হয়। তিনদিন পর ৮ অক্টোবর শনিবার সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়।

নিহতের পরিবার জানায়, রাতে লাশ আসলে রবিবার (৯ অক্টোবর) জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

তার অকাল মৃত্যুতে পরিবার,ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অক্টোবর ২০২২ ০২:২৮:এএম ৪ বছর আগে
টাঙ্গাইলে ট্রেন আটকে গেটম্যানের দাবিতে মানববন্ধন - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে ট্রেন আটকে গেটম্যানের দাবিতে মানববন্ধন

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার সল্লা ইউনিয়নের হাতিয়া নামক স্থানে অরক্ষিত রেলক্রসিংয়ে গেটম্যানের দাবিতে ট্রেন আটকে রেখে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

শনিবার (৮ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে উপজেলার সল্লা ইউনিয়নে হাতিয়া-ধুনাইল সড়কে হাতিয়া রেলক্রসিং এলাকায় আশপাশের পাঁচ গ্রামের বাসিন্দারা ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে।

এ সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি তারা ২০ মিনিট আটকে রাখে। মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, সল্লা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আব্দুল খালেক, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য জহিরুল ইসলাম, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মো. হুমায়ুন, বীর মুক্তিযোদ্ধা ফটিক মন্ডল, হযরত আলী তালুকদার, আব্দুল হালীম প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, রেল লাইন নির্মাণের পর থেকে হাতিয়ার এ রেলক্রসিংয়ে শিশুসহ অন্তত দেড় শতাধিক লোক নিহত হয়েছে।

তারপরও এই ক্রসিংয়ে রেল কর্তৃপক্ষ রেলগেট ও গেটম্যান নিয়োগ দেয়নি। তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে মধ্যে রেলগেট ও গেটম্যানের দাবি জানান।

রেলগেট ও গেটম্যানের দাবি অতিদ্রুত বাস্তবায়ন না হলে বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধসহ বিভিন্ন কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে হুশিয়ারী দেন বক্তারা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৯. অক্টোবর ২০২২ ০১:৩৩:এএম ৪ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।