একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে সড়কে ইঞ্জিন বিকল হওয়া ট্রাককে পেছন থেকে ধাক্কা দিয়েছে একটি যাত্রীবাহী বাস। এতে ঘটনাস্থলে রতন চন্দ্র বর্মন (২৫) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন বাসের আরও ১১ যাত্রী।
শুক্রবার (৭ অক্টোবর) সকালে মহাসড়কের মির্জাপুর উপজেলার কুরণী এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত রতন চন্দ্র বর্মন কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার মুসলিমপাড়া গ্রামের ফিরোজ চন্দ্র বর্মনের ছেলে।
গোড়াই হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোল্লা টুটুল জানান, মহাসড়কের কুরণী এলাকায় ইঞ্জিন বিকল হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল বালু ভর্তি একটি ট্রাক। এসময় ট্রাকটিকে অতিক্রম করতে গিয়ে পিংকি পরিবহনের বাস সেটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে বাসটির বাম পাশ দুমড়েমুচড়ে যায় এবং একজন নিহত হন। আহত হন অন্তত ১১ জন।
তিনি আরো জানান,খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে কুমুদিনী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। এ সময় ঢাকার দিকে প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় যানজটের সৃষ্টি হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ট্রাক চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী তাপশ দাস (১৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার ( ৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল-ভুঞাপুর মহাসড়কের কালিহাতী নগরবাড়ী হাজী আবু হাসেম টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবক টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার সওদাগর পাড়া গ্রামের গোপাল দাসের ছেলে।
কালিহাতী থানার এসআই আনোয়ার হোসেন জানান, তাপশ দাস ভূঞাপুর পিশি (ফুফু) বাড়ি থেকে মির্জাপুরে নিজ বাড়িতে মোটরসাইকেল যোগে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে কালিহাতী নগরবাড়ি এলাকায় পৌঁছালে পেছন থেকে অজ্ঞাত একটি ট্রাক তাকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তাপশ দাস মারা যান।
তিনি আরো জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতের লাশ স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে মোঃ হাসমত আলী (৫০) নামের এক ঝালমুড়ি বিক্রেতার লাশ উদ্বার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার ( ৬ অক্টোবর) সকালে উপজেলার মোকনা ইউনিয়নের পারবাইজোড়া গ্রামের ইয়ারচান মিয়ার পরিত্যাক্ত ক্ষেত থেকে তার মরদেহটি উদ্বার করা হয়।
নিহত মোঃ হাসমত আলী ওই গ্রামের মৃত হায়েদ আলীর ছেলে।
পুলিশ লাশ উদ্বার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে। দূবৃত্তর্রা গলায় রশি পেছিয়ে তাকে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে চলে যায় বলে ধারনা করা হচ্ছে।
এলাকাবাসী ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৫ বছর আগে তফিজ ব্যবসার কথা বলে হাসমত আলীর কাছ থেকে সাড়ে চার লক্ষ টাকা ধার নেন। হাসমত টাকা চাইতে গেলে তফিজ উদ্দিন নানা তালবাহানা করে আসছিল।
সোমবার ( ৩ অক্টোবর) বিকালে হাসমত আলী ফের তফিজের কাছে টাকা চাইতে যায়। এ নিয়ে হাসমত আলীর সাথে তফিজের পারবাইজোড়া পাকা রাস্তার মোড়ে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তফিজ ও রহিম বাদশা মিলে হাসমত ও তার মেয়েকে মারপিট করে। বুধবার ( ৫ অক্টোবর) বাজারে রহিম বাদশা আবারও হাসমত আলীর সাথে কথা কাটাকাটি করে। বিষয়টি মিমাংসার কথা বলে রাত ৮টার দিকে কামাল হাসমতকে তার বাড়ী থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর সে আর রাতে বাড়ী ফিরে আসে নাই।
নিহতের স্ত্রী সোনা ভানু জানান, বুধবার রাত ৮টার দিকে কামাল বাড়ী এসে আমার স্বামীকে ডেকে নিয়ে যায়। সে আর রাতে বাড়ী ফিরে আসে নাই। বৃহস্পতিবার ভোরে স্থানীয় আসু মিয়ার স্ত্রী নবীয়া বেগম বাড়ীতে খবর দেয় হাসমত আলীর লাশ ইয়ার চান মিয়ার জমিতে পড়ে আছে। পূর্ব শক্রতার জেরে পরিকল্পিত ভাবে তার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে বলে তিনি দাবী করেন।
নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাজ্জাদ হোসেন জানান, সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে দ্রুত পুলিশ পাঠানো হয়। পরে লাশ উদ্বার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, দূবৃত্তর্রা গলায় রশি পেছিয়ে তাকে হত্যা করে লাশ ফেলে রেখে চলে যায় বলে ধারনা করা হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু সেতুর কাছে একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাইক্রোবাসের ওপর উঠে গেলে ছয়জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ৪০ জন।
বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেলস্টেশনের কাছে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
বঙ্গবন্ধু সেতু কর্তৃপক্ষের সহকারী সিকিউরিটি অ্যান্ড সেফটি ম্যানেজার মো. রফিকুল ইসলাম জানান, উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা একতা পরিবহনের একটি বাস বঙ্গবন্ধু সেতু পার হওয়ার পরই ব্রেক ফেল করে। এতে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢাকাগামী লেন থেকে উত্তরবঙ্গগামী লেনে উল্টে গিয়ে একটি মাইক্রোবাসের ওপর উঠে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সফিকুল ইসলাম নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহতের নাম পরিচয় এখনো জানা যায়নি। উদ্ধার কার্যক্রম চলছে।আহত অন্তত ৪০ জনকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। নিহতের সংখ্যা বাডার সম্ভাবনা রয়েছে। মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ১৪২ বছরের প্রাচীন বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের পূর্বপাশের সীমানা প্রাচীর রক্ষায় শুরু হয়েছে গণ স্বাক্ষর কর্মসূচি।
সোমবার (৩ অক্টোবর) সকালে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এই গণ স্বাক্ষর কর্মসূচি শুরু হয়।
গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিন্দুবাসিনীর সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে।
এ ছাড়া টাঙ্গাইলের সুশীল সমাজ সহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ এই গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। সোমবার বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত প্রায় সহস্রাধিক স্বাক্ষর সংগ্রহ করা হয়।

কথা হয় গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতে যোগ দিতে আসা সাম্য রহমান, আরমান কবীর, মুঈদ হাসান তড়িৎ,খালেদ শামস অপু, শামসুল আরেফিন খান, আব্দুল্লাহ আল মামুন,নাসিফ ইকবাল হিমেল,সাদাত হাবিবের সাথে।
বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় সাবেক ও বর্তমান এই সব শিক্ষার্থীরা তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করে জানান, বিন্দুবাসিনী আমাদের জন্য শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, আমাদের আবেগের জায়গা । এই বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর কোনভাবেই অবৈধ জায়গা দখল করে গড়ে ওঠে নি। টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়রের এই নোটিশ গ্রহণযোগ্য নয়। এই সীমানা প্রাচীর রক্ষায় গণস্বাক্ষর অভিযান একটি যৌক্তিক কর্মসূচি। তাই আমরা বৃষ্টি উপেক্ষা করে স্বাক্ষর দিতে এসেছি।
তারা আরো জানান, গণস্বাক্ষর অভিযান শেষ হলে, টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে শিক্ষা সচিবের বরাবরে স্মারকলিপি সহ গণস্বাক্ষরগুলো পাঠানো হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ‘সাম্প্রদায়িকতামুক্ত সম্প্রীতির বাংলাদেশ চাই’ স্লোগানে রবিবার(২ অক্টোবর) দুপুরে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার আয়োজনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত শান্তি ও সম্প্রীতির অগ্রসর বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন ছড়িয়ে দিতে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, টাঙ্গাইল জেলা শাখা এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।
টাঙ্গাইল পৌর সুপার মার্কেটের ২য় তলায় সংগঠনের নিজস্ব কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভায় উপস্থিত বক্তারা তাদের বক্তব্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সাম্প্রদায়িকতা, জঙ্গিবাদ ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে নিজ নিজ মতামত ও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়তে নতুন প্রজন্মকে ঐক্যবদ্ধ হতে বলেন।
সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি হাজী মুহাঃ সাজ্জাদুর রহমান খোশনবীশের সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ নাজমুল হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান ও সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন টাঙ্গাইল জেলা শাখার সহ-সভাপতি অধ্যাপক রেজাউল করিম, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা শাখার সভাপতি লায়ন মোঃ জাহাঙ্গীর আলম।
অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন শিশু প্রতিভা সংগঠনের সভাপতি সাংবাদিক নিপু সিদ্দিকী, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ, টাঙ্গাইল জেলা শাখার সহ-সভাপতি সোহেল সোহরাওয়ার্দী, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শায়লা, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ফেরদৌস আরা ডায়না, টাঙ্গাইল শহর শাখার সদস্য সচিব তানিয়া চৌধুরী, যুগ্মআহ্বায়ক কাজী নুসরাত ইয়াসমিন, সদর উপজেলা শাখার সদস্য সচিব রিফাত খান, সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন, টাঙ্গাইল জেলা শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম শুভ, সাংগঠনিক সম্পাদক এনাদি হোসেন খান, সদস্য বাপ্পী খান, ৭১এর চেতনা, টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক হাফিজ হাসনাত আপেলসহ সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলনের কর্মীবৃন্দ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের পূর্বপাশের সীমানা প্রাচীর পৌরসভা কর্তৃক অপসারণ নোটিশ প্রদানের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীরা।
রবিবার ( ২ অক্টোবর) সকালে বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের ঘন্টা ব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি বিদ্যালয়ের সামনে থেকে শুরু হয়ে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষণ শেষে পুনরায় বিদ্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন , বিন্দুবাসিনী সরকারী বালক উচ্চ বিদ্যালয় একটি ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই বিদ্যালয় কোন প্রতিষ্ঠানের জায়গা দখল করে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করেনি। তাই এই সীমানা প্রাচীর ভাঙ্গার নোটিশ অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।না হলে সাবেক ও বর্তমান ছাত্রদের নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে হুশিয়ারী দেন শিক্ষার্থীরা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে শরীর চর্চা ও ক্রীড়া সংগঠন এভারগ্রীণ ফিটনেস ক্লাব পালন করেছে ২য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। শনিবার (১ অক্টোবর) দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেন সংগঠনটির সকল সদস্য বৃন্দ।
দিনটি উদযাপন উপলক্ষে সংগঠনটির উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র্যালী, আলোচনা সভা, কেক কাটা, র্যাফেল ড্র, ও নৈশভোজের আয়োজন করা হয়।
শনিবার সকাল ৮ ঘটিকায় টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে বেলুন উড়িয়ে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্ভোদন করেন এভারগ্রীণ ফিটনেস ক্লাবের সমন্বয়ক (সার্বিক) সৈয়দ নাজমুল হোসেন। এর পর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎসব উদযাপন কমিটির আহবায়ক মোঃ নাজমুল হক ও এভারগ্রীণ ফিটনেস ক্লাবের সমন্বয়ক(মানব সম্পদ) এনাদি হোসেন খান এর দিকনির্দেশনায় এক বর্ণাঢ্য র্যালী টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে নিড়ালা মোড়ে এসে শেষ হয়।
বর্ণাঢ্য র্যালী শেষে উপস্থিত সকল সদস্য ও র্যালীতে অংশগ্রহণকারী অতিথিদের নিয়ে উৎসব উদযাপন কমিটির যুগ্ম আহবায়ক তোফাজ্জল হোসেন ও সদস্য সচিব মোঃ মনিরুজ্জামান খান স্থানীয় একটি রেস্তোরাঁয় সকালের নাস্তা করেন।
এরপর উৎসব উদযাপন কমিটির আহবায়ক মোঃ নাজমুল হক সারাদিন ব্যাপি অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বের অনুষ্ঠান সূচী ঘোষণা করেন এবং প্রথম পর্বের অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন এভারগ্রীণ ফিটনেস ক্লাবের সদস্য ইলিয়াস সিকদার, মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, মোঃ মাসুদ রানা,মোঃ আব্দুর রহমান ও হারুনুর রসিদ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে প্রাইভেটকার (ঢাকামেট্টো-ভ-০২-০৯৩৭) চাপায় একজন পথচারী নারী নিহত ও ৪ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ধনবাড়ী উপজেলার জাগিরাচালা-মধুপুর সড়কে এই দূর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জাগিরাচালা এলাকার আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী কল্পনা বেগম বিকেলে পাশের গ্রামে মেয়ের জামাই বাড়ী বেড়াতে যাচ্ছিলো। হঠাৎ করেই পিছন থেকে একটি প্রাইভেটকার তাকে চাপ দেয়। এতে ঘটনা স্থলেই কল্পনা বেগমের মৃত্যু হয়।
এ সময় প্রাইভেটকারটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি কাঁঠাল গাছের সাথে ধাক্কা লেগে ধুমড়ে মুচড়ে যায়। প্রইভেটকারে থাকা ৪ জনই গুরুত্বর আহত হন। প্রাইভেটকার আরোহী ৪ জনই মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন বলেও তারা জানান।
ধনবাড়ী থানার ওসি তদন্ত (দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা) ইদ্রিস আলী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনা স্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার ও গাড়ী জব্দ করে থানায় আনা হয়েছে। আহত ৪ জন কে উদ্ধার করে ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে। তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের নাম পরিচয় জানা যায়নি।
একতার কণ্ঠঃ গত ১৯ সেপ্টেম্বর নেপালের কাঠমান্ডুর দশরথ রঙ্গশালা স্টেডিয়ামে ৩-১ ব্যবধানে জিতে বাংলাদেশকে সাফ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা এনে দেন মেয়েরা। দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পরে বাংলাদেশ ভাসে আনন্দের জোয়ারে। সেখানে কৃষ্ণা রানী সরকারের জোড়া গোলে স্বাগতিক নেপালকে পরাজিত করে। তাই সারাদেশের সঙ্গে টাঙ্গাইলেও আনন্দের বন্যা বইয়ে যায়। শনিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা ক্রীড়া সংস্থার পক্ষে থেকে কৃষ্ণা রাণী সরকার ও কোচ ছোটনকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

পরিবার ও কোচ ছোটনকে সঙ্গে নিয়ে বেলা ১২ টার দিকে একটি নোয়া গাড়ি চেপে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে আসেন কৃষ্ণা। তখন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক ,টাঙ্গাইল ৫ আসনের সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, জেলা প্রশাসক ডক্টর মো আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সরকার মোঃ কায়সার জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মির্জা মইনুল হোসেন লিম্টু সহ শত শত জনতা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা ও লাল গালিচা সংবর্ধনা দেন।
এসময় জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক স্বর্নলঙ্কার , জেলা প্রশাসক থেকে ১ লক্ষ টাকা , জেলা পুলিশ ১ লক্ষ টাকা, জেলা ক্রীড়া সংস্থা থেকে ১ লক্ষ টাকা ও সাংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন ২৫ হাজার টাকা, কৃষ্ণা রানী সরকারকে উপহার দেন ও সবাই কোচ ছোটনকে ৫০ হাজার টাকা সহ ক্রেস্ট উপহার দেন।
জেলা পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, কৃষ্ণা রাণী শুধু এই জেলার গর্ব নয় ও সারা বাংলাদেশের গর্ব তাই সকলের উচিত কৃষ্ণা কে দেখে সামনে আরো ভালো ফুটবলার হওয়া প্রয়োজন।
টাঙ্গাইল সদর আসনের সাংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন বলেন, এই মাঠ থেকে বড় হয়েছে কৃষ্ণা সরকার ও ছোটন ভাই। তাই বলতে পারি নারী দলকে জয়ী করার পিছনে একমাত্র হাত রয়েছে ছোটন ভাইয়ের। ধন্যবাদ জানাই প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে।
অনুষ্ঠানের সভাপতি জেলা প্রশাসক ডক্টর আতাউল গনি বলেন, কৃষ্ণা রানী সরকার ও কোচ গোলাম রোব্বানী ছোটন টাঙ্গাইলের মাঠ থেকে বেড়ে উঠা। তাই টাঙ্গাইল বাসীর গর্ব করা উচিত এমন মানুষ পেয়ে।
কৃষ্ণা রানী সরকার বলেন, পৃথিবীর আলো দেখার পর কখনোই সুখের মুখ দেখিনি। যেদিন থেকে বুঝতে শিখেছি, সেদিন থেকেই বাবাকে কষ্ট করতে দেখেছি। আমার এই সাফল্য কোচ ও শিক্ষকদের সহযোগিতার জন্য হয়েছে। আমি তাদের ও টাঙ্গাইলবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। আরও ভাল খেলে দেশকে কিছু উপহার দিতে পারি সেজন্য সকলের দোয়া চাই।
কৃষ্ণার বাবা বাসুদেব চন্দ্র সরকার বলেন, মেয়ের সাফল্যে খুব খুশি হয়েছি। মানুষ ফুল নিয়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছে। কৃষ্ণা যেন দেশের জন্য আরও গৌরব বয়ে আনতে পারে সেই আশীর্বাদ চাই।
কোচ গোলাম রোব্বানী ছোটন বলেন, দেশের জন্য আরো কিছু করতে চাই। নিজেকে অনেক ভালআ লাগছে নিজের জন্মভূমিতে সংবর্ধনা পেয়ে ।
সকল বাধা পেরিয়ে নারী দল একদিন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হবে এই প্রত্যাশা সকলের ।
একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, যেকোনো রাজনৈতিক সংগঠনের মিছিল-মিটিং করার মৌলিক অধিকার রয়েছে। সংবিধানে লেখা আছে, মানুষের জীবনমানের উপর কোনো হুমকি সৃষ্টি করা যাবে না, জীবনমানকে ঝুঁকির মাঝে ফেলা যাবে না। আমরা দেখছি বিএনপি ঠিকই সমাবেশ করছে। সমাবেশ থেকে মিছিল বের করেই পুলিশের উপর হামলা করছে। যখন পুলিশের উপর হামলা করে তখন তারা বাধ্য হয় পদক্ষেপ নিতে।
শুক্রবার (৩০ সেপ্টম্বর) বিকালে টাঙ্গাইল শহর আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি মিথ্যাচার করে দেশে একটি অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করছে। তারা ২০১৩ সালে ফিরে যেতে চাচ্ছে। তারা নির্বাচনে যাবে না, গাড়িতে আগুন দেবে, ইলেক্ট্রনিক লাইন খোলে দেবে, ট্রেনে আগুন দেবে, জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে মারবে, এটা আমরা করতে দেব না। বর্তমান আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী অনেক সু-শৃঙ্খল। মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব পুলিশের। বিএনপি লাঠি নিয়ে অস্ত্র নিয়ে তাদের নিরাপত্তা দিতে পারবে? আর সরকার তা মেনে নেবে? এটা সরকার ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব।
টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে আয়োজিত সম্মেলনে শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম সিরাজুল হক আলমগীরের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আযম এমপি, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহের আফরোজ চুমকি, শিক্ষা ও মানবসম্পদ সম্পাদক শামসুন্নাহার চাঁপা, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও একুশে পদক প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম, সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির প্রমুখ।
এসময় শহর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বাংলাদেশে কাজ করা বিশ্বের সব দেশের রাষ্ট্রদূত মিলে বললেও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে না।
বৃহস্পতিবার(২৯ সেপ্টেম্বর)দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমরা চাই, বিএনপিসহ ছোট–বড় সব দলই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে শেষ দিন পর্যন্ত আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাব। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া আপনারা নির্বাচনে যাবেন না—এমন উসকানি কেউ যেন না দেয়। এটা আমেরিকার অ্যাম্বাসেডর হোক আর যেকোনো দেশের অ্যাম্বাসেডর হোক কিংবা সকল অ্যাম্বাসেডর মিলে বললেও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না।’
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘বিএনপি বলছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার না হলে নির্বাচনে যাবে না। সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে আর কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না। সংবিধানে স্পষ্ট লেখা আছে, নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করবে। সরকার নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। আজ বিএনপি মহড়া দিচ্ছে, লাঠির মধ্যে বাংলাদেশের পতাকা লাগিয়ে মিছিল ও সমাবেশ করছে। সব মিলিয়ে তারা সন্ত্রাসের দিকে যাচ্ছে। ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত যেভাবে মোকাবিলা করেছি, ভবিষ্যতেও ঠিক একইভাবে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করব, ইনশা আল্লাহ।’
বর্তমান সরকার বিএনপিকে সভা সমাবেশ করার অনুমতি দিচ্ছে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের সমালোচনা করুক। দেশে পত্রপত্রিকা আছে, টেলিভিশন আছে। কোথাও কোনো বাধা নেই। তারা সংসদেও কথা বলছে। তাদের তো কোনো সমস্যা নেই। তারপরও তারা কেন এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে? এই পরিস্থিতি আমরা কোনোভাবেই হতে দেব না। মানুষের জান-মাল ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা এবং দেশের উন্নয়নকে অব্যাহত রাখার জন্য আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের সক্ষমতা দিয়ে যা করা দরকার, তা–ই করবে।’
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুকের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম, সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, সংসদ সদস্য আতোয়ার রহমান খান, সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ওরফে ছোট মনির, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আলমগীর খান, শামসুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফউজ্জামান, শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীর প্রমুখ।