একতার কণ্ঠঃ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বাংলাদেশে কাজ করা বিশ্বের সব দেশের রাষ্ট্রদূত মিলে বললেও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হবে না।
বৃহস্পতিবার(২৯ সেপ্টেম্বর)দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘আমরা চাই, বিএনপিসহ ছোট–বড় সব দলই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে শেষ দিন পর্যন্ত আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাব। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া আপনারা নির্বাচনে যাবেন না—এমন উসকানি কেউ যেন না দেয়। এটা আমেরিকার অ্যাম্বাসেডর হোক আর যেকোনো দেশের অ্যাম্বাসেডর হোক কিংবা সকল অ্যাম্বাসেডর মিলে বললেও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না।’
টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে আয়োজিত সভায় আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘বিএনপি বলছে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার না হলে নির্বাচনে যাবে না। সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে আর কোনো তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না। সংবিধানে স্পষ্ট লেখা আছে, নির্বাচন কমিশন নির্বাচন পরিচালনা করবে। সরকার নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। আজ বিএনপি মহড়া দিচ্ছে, লাঠির মধ্যে বাংলাদেশের পতাকা লাগিয়ে মিছিল ও সমাবেশ করছে। সব মিলিয়ে তারা সন্ত্রাসের দিকে যাচ্ছে। ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত যেভাবে মোকাবিলা করেছি, ভবিষ্যতেও ঠিক একইভাবে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করব, ইনশা আল্লাহ।’
বর্তমান সরকার বিএনপিকে সভা সমাবেশ করার অনুমতি দিচ্ছে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারের সমালোচনা করুক। দেশে পত্রপত্রিকা আছে, টেলিভিশন আছে। কোথাও কোনো বাধা নেই। তারা সংসদেও কথা বলছে। তাদের তো কোনো সমস্যা নেই। তারপরও তারা কেন এই পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে? এই পরিস্থিতি আমরা কোনোভাবেই হতে দেব না। মানুষের জান-মাল ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা এবং দেশের উন্নয়নকে অব্যাহত রাখার জন্য আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের সক্ষমতা দিয়ে যা করা দরকার, তা–ই করবে।’
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুকের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম, সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, সংসদ সদস্য আতোয়ার রহমান খান, সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ওরফে ছোট মনির, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আলমগীর খান, শামসুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফউজ্জামান, শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এস এম সিরাজুল হক আলমগীর প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. আব্দুল বাতেনকে বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। বুধবার দপুরে টাঙ্গাইলে অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুনিরা সুলতানা এই আদেশ প্রদান করেন।আদালত পরিদর্শক তানবীর আহম্মদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আদালত পরিদর্শক তানবীর আহম্মদ জানানা, বুধবার আটককৃত আব্দুল বাতেনকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগ এনে পুলিশ আদালতে পাঠায়। তাকে অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুনিরা সুলতানার আদালতে হাজির করা হলে তিনি কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে, বুধবার দুপুরে আব্দুল বাতেনকে শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকার হাবিবুর রহমান প্লাজার সামনে থেকে গ্রেপ্তার করে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ।
জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক দুর্জয় হোড় জানান, মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল নেতৃবৃন্দের উপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল জেলায় জেলায় বুধবার বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা করে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল জেলা ছাত্রদল শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় হবিবুর রহমান প্লাজার সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু করে। আব্দুল বাতেন বক্তৃতা করার সময় পুলিশ লাঠি চার্জ করে নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।এ সময় পুলিশ বাতেনকে আটক করে নিয়ে যায়।
তিনি আরো জানান, এই হামলায় সদর উপজেলা ছাত্রদলের কর্মী সাজ্জাদ হোসেনসহ ৫/৬ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৬নং ওয়ার্ডের ( কালিহাতী) সদস্য পদে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান ও ১২টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানরা মো. আয়নাল হককে নিরঙ্কুশ সমর্থন দিয়েছেন । বুধবার(২৮ সেপ্টেম্বর) উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন সরেজমিনে ঘুরে ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বারদের সাথে কথা বললে এই সমর্থনের কথা তারা জানান।
জানাগেছে, কালিহাতী উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান, কালিহাতী পৌরসভার মেয়র নুরন্নবী সরকার, দশকিয়া ইউপি চেয়ারম্যান এম এ মালেক ভুঁইয়া,নাগবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল কাইয়ুম বিপ্লব, বল্লা ইউপি চেয়ারম্যান ফরিদ আহমেদ, কোকডহরা ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম, পাইকড়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. আজাদ হোসেন,সহদেবপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোখলেছুর রহমান খান ফরিদ,গোহালিয়া বাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হাই আকন্দ, সল্লা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল আলীম, নারান্দিয়া ইউপি চেয়ারম্যান মো. মাসুদ তালুকদার, বীরবাসিন্দা ইউপি চেয়ারম্যান সোহরাব হোসেন, পারখী ইউপি চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী তালুকদারসহ অনেকেই প্রার্থী আয়নাল হকের নির্বাচনী কার্যক্রমে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ ভাবে অংশ নিয়েছেন।
কালিহাতী উপজেলা চেয়ারম্যান আনছার আলী বিকম জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্য হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারীর নির্দেশনা অনুযায়ী তারা সদস্য পদে আয়নাল হককে সমর্থন দিয়ে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালা করছে। এ নির্বাচনে তারা ভোটাদের কাছ থেকে প্রার্থীর পক্ষে ব্যপক সাড়া পাচ্ছেন বলে জানান তিনি।
কালিহাতী পৌরসভার মেয়র নুরন্নবী সরকার জানান, আমরা সকলে মিলে সদস্য পদে আয়নাল হকের মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছি। সবেমাত্র যাচাই-বাচাই হয়েছে। এখন পুরোদমে নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আশা করছেন তাদের প্রার্থী বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে।
দশাকিয়া ইউপি চেয়ারম্যান এম এ মালেক ভুঁইয়া জানান, কালিহাতী উপজেলায় ১৩টি ইউনিয়ন তার ১২ ইউপি চেয়ারম্যান মিলে সকলেই তারাা আয়নাল হককে সমর্থন দিয়েছেন। শুধু সমর্থনই নয়, প্রার্থী আয়নাল হককে সাথে নিয়ে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ভোটারদের দ্বারে-দ্বারে যাচ্ছেন। এ নির্বাচনে আয়নাল হকের বিজয় সুনিশ্চিত বলে তিনি জানান।
প্রকাশ, সম্প্রতি কালিহাতীর সংসদ সদস্য হাছান ইমাম খান সোহেল হাজারীর বিদেশ সফরের প্রাক্কালে উপজেলা আওয়ামী লীগসহ উপজেলা চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান, পৌর মেয়র ও সকল ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বারদের ডেকে নিয়ে জেলা পরিষদ নির্বাচনে ৬নং ওয়ার্ড (কালিহাতী) সদস্য পদে আয়নাল হককে সমর্থন দেন। এ সময় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এ বিষয়ে সহমত পোষণ করেন। কিন্তু গত সোমবার(২৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে এলেঙ্গা বিরতি রেষ্টুরেন্টে সদ্য আওয়ামী লীগে যোগদানকৃত হাসানুজ্জামান তালুকদার রঞ্জুকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থী ঘোষনা করেন। এতে আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার কোকডহড়া ইউনিয়নের কুটুরিয়া গ্রামের একটি ডোবা থেকে এক বৃদ্ধার অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ওই এলাকার কুদরত আলীর ডোবা থেকে ওই লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
উদ্ধারকৃত লাশ উপজেলার কোকডহড়া ইউনিয়নের বলধি জোয়ার্দার পাড়া গ্রামের আনছের আলীর স্ত্রী বুড়িতন (৬৫) এর বলে শনাক্ত করেন তাঁর বড় মেয়ে রাবেয়া।
স্থানীয় কুদরত আলী সহ আরও অনেকেই জানান, পাছচারান- বলধী সড়কের কুটুরিয়া সেতুর আগে সড়কের পাশে একটি ডোবায় লাশ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ এসে ডোবা থেকে লাশটি উদ্ধার করে। পরে লাশটি গত দুইদিন ধরে নিখোঁজ হওয়া বলধী গ্রামের আনছের আলীর স্ত্রী বুড়িতন এর বলে শনাক্ত করেন তাঁর বড় মেয়ে রাবেয়া সহ পাঁচ মেয়ে।
নিহতের বড় মেয়ে রাবেয়া জানান, গত রবিবার সকাল থেকে সে নিখোঁজ ছিলেন।
কালিহাতী থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, বুড়িতন দীর্ঘদিন যাবৎ মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল বলে জানিয়েছেন তাঁর মেয়েরা। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়িতে মো. লেবু মিয়া(৫৫) নামে এক আসামির মৃত্যু হয়েছে। তিনি হাজতখানার টয়লেটের ভেন্টিলেটরে থাকা রডের সাথে শক্ত সুতার ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. শাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন।
নিহত লেবু মিয়া বাঁশতৈল গ্রামের বাহার উদ্দিনের ছেলে।
তবে তার বড় ভাই নাগরপুর উপজেলার ভাররা ইউপির সচিব মো. বজলুর রশিদের অভিযোগ, লেবু মিয়া পুলিশের নির্যাতনে মারা গেছেন।
মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আমিনুল ইসলাম বুলবুলের উপস্থিতিতে তার সুরতহাল করা হয়।
জানা গেছে, সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের বাঁশতৈল পশ্চিমপাড়া এলাকা থেকে সখিনা বেগম নামের তিন সন্তানের জননীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় বাঁশতৈল ফাঁড়ি পুলিশ সখিনার সাবেক স্বামী বাঁশতৈল গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে মফিজুর রহমান এবং একই গ্রামের বাহার উদ্দিনের ছেলে লেবু মিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে।
পুলিশ জানায়, পাঁচ বছর আগে ওই নারীর সঙ্গে স্বামীর বিয়ে বিচ্ছেদ হয়। এরপর থেকে তিনি একই গ্রামে আলাদা বাড়ি তৈরি করে দুই মেয়ে ও এক ছেলেকে নিয়ে বসবাস করতেন। এরপর মেয়েদের বিয়ে হওয়ায় প্রবাসী ছেলের স্ত্রী তার সঙ্গেই থাকতেন। ছেলের স্ত্রী বাড়িতে না থাকায় রবিবার রাতে সখিনা বেগম বাড়িতে একা ছিলেন। সোমবার অনেক বেলা হলেও সখিনাকে না দেখতে পেয়ে পাশের বাড়ির লোকজন খোঁজ করতে তার বাড়িতে আসেন। পরে ঘরের ভেতরে তার মরদেহ দেখতে পেয়ে বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়িতে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। সখিনার গলায় রশির দাগ এবং গলার ডান পাশে কালো দাগ ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে।
সখিনার মা আকিরন বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেনি। ওরে মারা হইছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
স্থানীয়রা জানান, ছেলের স্ত্রী বাবার বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ায় রবিবার রাতে সখিনা বাড়িতে একা ছিলেন। এই সুযোগে কেউ তাকে হত্যা করতে পারে।
বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। নিহতের গলায় রশির ও গলার ডান পাশে কালো দাগ ছিল। তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, এ ঘটনায় ওই নারীর সাবেক স্বামীসহ দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। রাতে তাদের পৃথক হাজতখানায় রাখা হয়েছিল। রাত ৪টা ১০ মিনিট থেকে ৪টা ৪০ মিনিটের মধ্যে লেবু মিয়া টয়লেটের ভেন্টিলেটরে থাকা রডের সাথে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন। সুরতহাল শেষে মরদেহ থানায় পাঠানো হয়েছে।
বাঁশতৈল ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মনিরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে মঙ্গলবার সকালে পুলিশ ফাঁড়িতে যাই। সেখানে লেবু মিয়ার গলায় রশি প্যাঁচানো অবস্থায় তাকে দেখতে পাই।
মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম বলেন, লেবু মিয়ার মরদেহ থানায় আনা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।
মির্জাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আমিনুল ইসলাম বুলবুল জানান, লেবু মিয়াকে টয়লেটের ভেন্টিলেটরে থাকা রডের সাথে শক্ত সুতা দিয়ে ফাঁস লাগানো অবস্থায় পেয়েছেন। যা আলামত হিসেবে জব্দ করা হয়েছে। তার উপস্থিতিতে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের বাঁশতৈল পশ্চিমপাড়ার নিজ ঘর থেকে সখিনা বেগম (৪০) নামের এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে বাঁশতৈল ফাঁড়ি পুলিশ।
সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ওই নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আট বছর আগে ওই নারী তালাকপ্রাপ্ত হয়ে দুই মেয়ে ও এক ছেলে নিয়ে ওই বাড়িতে বসবাস করতেন।মেয়ে দু’জনের বিয়ে হওয়াতে প্রবাসী ছেলের বউ নিয়েই ওই বড়িতে থাকতেন তিনি।
মৃত সখিনার মা অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়ে আত্মহত্যা করে নাই। ওরে মারা হইছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
স্থানীরা জানায়, ছেলের বউ বাবার বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ায় রবিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে সখিনা বাড়িতে একা ছিলেন। এই সুযোগ নিয়ে হয়তো কেউ এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
এ বিষয়ে বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. সাখাওয়াত হোসেন জানান,খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়।পরে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল
জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।আইনী প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তারা সরাসরি ঘুষ লেনদেন না করে এবার বিশেষ সংকেতের মাধ্যমে ঘুষ বাণিজ্য করছে এমন অভিযোগ ওঠেছে। পাসপোর্ট অফিস ও এর সংলগ্ন এলাকা ঘুরে এমন সংকেতের সত্যতা পাওয়া গেছে।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গণি জানান, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। উপযুক্ত প্রমাণ পেলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
সরেজমিনে সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) গিয়ে দেখা যায়, ভোর থেকেই শত শত পাসপোর্ট প্রত্যাশী আসেন টাঙ্গাইল আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে। পাসপোর্ট অফিসের ভিতর থেকে বাহির পর্যন্ত তাদের দীর্ঘ লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। এ সময় কথা হয় বেশ কয়েক জন পাসপোর্ট প্রত্যাশীর সাথে। তারা জানান, সরকারি নিয়মে ব্যাংক ড্রাফ করে বৈধ নিয়মেই আবেদন ফাইল জমা দিতে গেলে অফিস থেকে বলে আপনার পেশা দিয়েছেন প্রাইভেট সার্ভিস, এ কারণে আপনার ট্রেড লাইসেন্স লাগবে। ফাইল জমা না দিতে পেরে একই কাগজ পত্র স্থানীয় দালারদের মাধ্যমে ফাইল প্রতি ১৫’শ টাকার মাধ্যমে জমা দিলে ফাইলগুলি জমা নেয় ওই কর্মকর্তারা।
তারা আরো জানান, পাসপোর্ট অফিসের পাশে কোর্ট চত্বরে জেলা পরিষদ রোডের দুই পাশে গড়ে উঠেছে চায়ের দোকান, কম্পিউটার দোকান, ফ্লেক্সিলোডের দোকান ও ওষুধের দোকান। বেশিরভাগ দোকানেই লোক দেখানোর জন্য রাখা হয়েছে কম্পিউটার ও ফটোকপি মেশিন। কিন্তু এর আড়ালে চলে ভিন্ন ব্যবসা। এখানে প্রকাশ্যে চলছে পাসপোর্ট নিয়ে জাল-জালিয়তি কারবার। এসব দোকানে ঘাপটি মেরে বসে থাকে দালররা। পাসপোর্ট প্রত্যাশীরা কাগজপত্র ঠিক করতে গেলে দালালরা বলে উঠে ভাই নিজে নিজে পাসপোর্ট করতে পারবেন না। ভিতরে আমাদের লোক আছে কোনো রকম হয়রানি ছাড়াই পাসপোর্ট করতে পারবেন। এমন সুবিদেভোগী আশ্বাসে বেশীরভাগ পাসপোর্ট প্রত্যাশীরা দালালদের ফাঁদে পড়ছেন। দালাল ছাড়া এমন হয়রানি যেন নিত্যদিনের সঙ্গী।
নামপ্রকাশ না করার শর্তে পাসপোর্ট অফিসের একাধিক দালাল জানান, একদিনে পাসপোর্টের ফিঙ্গার হয় না। ব্যাংকড্রাফ করার পরের দিন ফিঙ্গার দিতে হয়। এর মূল কারণ জানতে চাইলে তারা জানান, আগের দিন পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তাদের ফাইলের সিরিয়াল নাম্বার হোয়াটস অ্যাপে দিতে হয়। জরুরি ফাইলের নিচে ফোটার চিহ্ন দিয়ে দেই। দিনশেষে প্রতি ফাইলে ১২’শ টাকা করে পাসপোর্ট অফিসের অসাধু কর্মকর্তাদের পরিশোধ করতে হয়। সরকারি নিয়মে তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকা লাগলেও দালালদের দিতে হয় আট থেকে ১২ হাজার টাকা। বানান ভুল থাকলে দিতে হয় ২০ হাজার টাকা, বয়স ভুল থাকলে তো কোনো কথাই নাই। ভুক্তভোগীকে গুনতে হয় লাখ টাকা।
পাসপোর্ট অফিসের তথ্য মতে, প্রতিদিন গড়ে ৫’শ থেকে ৭’শ ফাইল জমা হয়। ডেলিভারি হয় ৪ থেকে ৫’শ পাসপোর্ট। ক্যাটাগড়িতে ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা লাগলেও সরকারি নিয়মের কোনো তোয়াক্কা চলে না এ অফিসে। এ বিষয়ে পাসপোর্ট অফিসের আরিফ নামের এক কর্মকর্তা জানান, আমি এখন আর জমা নেয়ার দায়িত্বে নাই। ফাইল জমা নেয়ার দায়িত্বে আছেন মো. জাহাঙ্গীর আলম, তিনি কি করছেন আমি জানি না। পাসপোর্ট অফিসের কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলমকে মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন ধরেননি।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গণি জানান, বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। উপযুক্ত প্রমাণ পেলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার এসএসসি পরীক্ষার একটি কেন্দ্রে অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে এক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারসহ দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে দুই শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার সাগরদীঘি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের কলেজ শাখায় এসএসসির বিজ্ঞান বিভাগের রসায়ন পরীক্ষা চলাকালীন এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, সাগরদীঘি উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রেরের হলে মোবাইল ফোনে প্রশ্ন আদান- প্রদানকালে এক পরীক্ষার্থীকে নকলসহ হাতেনাতে আটক করা হয়। পরে ওই পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা হয়। এ দিকে দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগে ওই হলের দুই শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
সাগরদীঘি উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষা কেন্দ্র সচিব রহমত উল্লাহ জানান, পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া ওই কক্ষে দায়িত্বরত দুইজন শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুনিয়া চৌধুরী জানান, প্রত্যেক পরীক্ষার দিনই পরীক্ষার হল পরিদর্শন করছি। নকল রোধে পরীক্ষার হল পরিদর্শন অব্যাহত থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে জুয়ার আসর থেকে ৪ জুয়াড়িকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার(২৫ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার ধোপাকান্দি ইউনিয়নের রামজীবনপুর গ্রামে জুয়া খেলার সময় তাদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন- ওই গ্রামের আবু হানিফের ছেলে আরিফুল ইসলাম (২৫), মৃত মাহমুদ আলীর ছেলে মমিনুল ইসলাম, (২৮), আবু বকর সিদ্দিকের ছেলে সুমন (৩২), মৃত আ. হাইয়ের ছেলে আইয়ুব আলী (৪৫)।
গোপালপুর থানার এসআই শফিকুল ইসলাম জানায়, রাত্রিকালীন জরুরী ডিউটি করার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে রামজীবনপুর গ্রামের আ. হালিমের দোকানের পিছনে ধান ভাঙ্গার মিলের ভিতর জুয়ার আসর থেকে প্রথমে তাদের আটক করা হয়। পরে নগদ টাকাসহ জুয়া খেলার উপকরণ জব্দ করা হয়।
গোপালপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ১৮৬৭ সালের জুয়া আইনে জুয়াড়িদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। জুয়াসহ সকল প্রকার সামাজিক অপরাধ দমনে গোপালপুর থানা পুলিশ তৎপর রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ফার্মেসী বিভাগের উদ্যোগে ‘বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস-২০২২’ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়।
রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন বিশ্ব বিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. ফরহাদ হোসেন।
শোভাযাত্রাটি ফার্মেসী একাডেমিক কাম রিসার্চ ভবনের সামনে থেকে শুরু করে বিশ্ব বিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
শোভাযাত্রায় বিশ্ব বিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এ আর এম সোলাইমান, লাইফ সায়েন্স অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. মাহবুবুল হক, বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. মিজানুর রহমান মোগলসহ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় গোলাম মোস্তফা (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে।
শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের বালোবাড়ী গ্রামে হামলার ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় মারাত্বকভাবে আহত হয়েছে নিহতের বড় ভাই তোফাজ্জল হোসেন বাদল।
নিহত মোস্তফা হেমনগর ইউনিয়নের বালোবাড়ী গ্রামের দেলোয়ার হোসেন বাদশার ছেলে।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে শনিবার রাতেই গোপালপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ ইতিমধ্যে রানা রাজা নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে।
জানা যায়, নিহত গোলাম মোস্তফা ও প্রতিবেশি তানভীর ইসলাম রাজের মধ্যকার দুই পরিবারের সাথে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। শনিবার সকাল দশটার দিকে বিষয়টি মিমাংসার উদ্দেশে উভয় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দেলোয়ার হোসেন বাদশার বাড়ীতে গ্রাম্য সালিশি বৈঠক বসে। সালিশে উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিরা আলোচনার মাধ্যমে তাদের বিরোধ সমাধান করে দেন।
সদ্য মিমাংসার পর বিকালে তোফাজ্জল হোসেন বাদল গ্রামের রাস্তায় গেলে প্রতিপক্ষের লোকেরা তার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। খবর পেয়ে তার ভাই গোলাম মোস্তফা প্রতিবাদ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়ে মারাত্বক ভাবে আহত হন।
পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা এসে প্রথমে বাদলকে আহতাবস্থায় উদ্ধার করে গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সে ভর্তি করান। গোলাম মোস্তফাকে মুমূর্ষু অবস্থায় ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক গোলাম মোস্তফাকে মৃত ঘোষণা করেন।
গোপালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ইতিমধ্যে মামলার এক আসামী নিহতের ভাতিজা রানা রাজাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অন্য আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। নিহতের লাশ রবিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে মোবাইল ফোনে প্রশ্নপত্র পাওয়ার অপরাধে ইয়াছিন সিকদার নামে এক আওয়ামী লীগ নেতাকে ছয় মাসের কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত।
শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে পদার্থ বিজ্ঞান পরীক্ষা চলাকালে উপজেলার বাঁশতৈল মনসুর আলী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান তাকে এই সাজা দেন।
সাজাপ্রাপ্ত ইয়াছিন সিকদার উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পাঁচগাও গ্রামের কালু সিকদারে ছেলে।
জানা গেছে, ইয়াছিন সিকদারের ছেলে তামিম সিকদার চলতি বছর অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় ওই কেন্দ্র থেকে অংশ নিচ্ছেন। পরীক্ষা শুরুর এক ঘন্টার মধ্যে প্রশ্নপত্র ইয়াসিন সিকদারের মোবাইল ফোনে চলে আসে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি ইউএনও জানতে পারেন। পরে বাঁশতৈল বাজারের নাজিম প্লাজা থেকে ইয়াসিন সিকদারকে মোবাইল ফোনসহ আটক করা হয়। এ সময় তার মোবাইল ফোনে চলমান পদার্থ বিজ্ঞান বিষয়ের প্রশ্নপত্র দেখতে পান ইউএনও।
এ প্রসঙ্গে মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ভ্রাাম্যমান আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান জানান, ইয়াছিন সিকদারকে পাবলিক পরীক্ষা সমুহ (অপরাধ) আইন, ১৯৮০ এর ১১(খ), (গ) ধারা অনুযায়ী ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে।