একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান পদ থেকে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা নিহত ফারুক আহমদের বড় ছেলে আহমদ সুমন মজিদ।
বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ কার্যালয়ে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ফজলুর রহমান খান ফারুকের হাতে আহমদ সুমন মজিদের পক্ষে তার মা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাহার আহমদ ক্রয়কৃত মনোনয়নটি পত্র তুলে দেন। এসময় আহমদ সুমন মজিদ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন- টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপি, টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভুঞাপুর) আসনের এমপি তানভীর হাসান ছোট মনির, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক বলেন, আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা নিহত ফারুক আহমদের ছেলে সুমন আমার সন্তানতুল্য। নির্বাচন নিয়ে যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়ে ছিল, আজ তার অবসান হলো।
প্রার্থী আহমদ সুমন মজিদের মা ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নাহার আহমদ বলেন, কোন টাকার বিনিময়ে নয়, নেত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান দেখিয়ে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে। আমার সন্তানকে আজ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুকের হাতে তুলে দিলাম। আমার ছেলের সার্বিক দায়-দায়িত্ব আজ থেকে তাঁর।
এবিষয়ে প্রার্থী আহমদ সুমন মজিদ বলেন, আমার পিতৃতুল্য নেতার প্রতি সম্মান দেখিয়ে আমি জেলা পরিষদ নির্বাচন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহার করলাম। এ নিয়ে রাজনৈতিকভাবে পানি ঘোলা করার কোন সুযোগ নেই। আমি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদের সন্তান হিসেবে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগে সক্রিয় থাকতে চাই। এবিষয়ে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে টাঙ্গাইল শহরের জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে আহমদ সুমন মজিদের মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের বিষয়ে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রার্থী আহমদ সুমন মজিদ, তার মা নাহার আহমদ, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শামছুল হক, সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক তানভীর হাসান ছোট মনির এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য এডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন প্রমুখ।
এই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত ও জেলা আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতা ফজলুর রহমান খান ফারুকের প্রতি সম্মান দেখিয়ে আব্দুল মজিদ সুমন জেলা পরিষদ নির্বাচনের চেয়ারম্যান পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন। এসময় নাহার আহমদ নির্বাচন নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতির কারণে তার পরিবারে যেন কোন অনাকাঙ্খিত প্রভাব না পরে, সে বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের নিকট নিশ্চয়তা চান। পরে নেতৃবৃন্দ সহযোগে জেলা পরিষদে গিয়ে আহমদ সুমন মজিদের মনোনয়ন পত্র ফজলুর রহমান খান ফারুকের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে দেওয়া হয়।
একতার কণ্ঠঃ মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন বিভাগের উদ্যোগে সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ খাদেমুল ইসলামের সভাপতিত্বে সম্মেলন কক্ষে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
‘পরিবেশগত প্রতিকারের জন্য পলিমার ভিত্তিক ন্যানো ম্যাটেরিয়ালের ব্যবহারের সুযোগ এবং ঔষধ শিল্পে রসায়নের জ্ঞান’ বিষয়ক সেমিনারে ৩ টি গবেষণার তথ্য ও ফলাফল উপস্থাপন করা হয়।
‘Conducting polymer based (CP) based nanocomposites for waste water treatment’ এর উপরে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মিজানুর রহমান খান, ‘Non-Enzymatic Electrochemical sensor for the Sensitive and Selective Determination of Hydrogen Peroxide’ এর উপরে বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ আবু রাশেদ এবং API Synthesis & Its Challenges in Bangladesh এর উপরে প্রফেসর ড. মোঃ রবিউল ইসলাম গবেষণার তথ্য ও ফলাফল উপস্থাপন করেন।
সেমিনারে বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।
একতার কণ্ঠঃ আসন্ন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক।
বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর)দুপুরে জেলা রিটার্টিং কর্মকর্তা ও টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনির নিকট মনোনয়ন পত্র জমা দেন তিনি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপি, সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন, সংসদ সদস্য তানভীর হাসান ছোট মনির, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য এড. মামুনুর রশিদ, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলমগীর খান মেনু ও আনিছুর রহমান আনিছ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুভাষ চন্দ্র সাহা ও জামিলুর রহমান মিরন প্রমুখ।
এ দিকে মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর)আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ফজলুর রহমান খান ফারুককে সমর্থন জানিয়ে জেলা পরিষদের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলমগীর খান মেনু।
নির্বাচন প্রসঙ্গে ফজলুর রহমান খান ফারুক বলেন, মানবতার মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে জেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন দেয়ায় বঙ্গবন্ধুর কন্যার প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। এতে জেলা আওয়ামী লীগকে আগের চেয়ে আরও বেশি শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করতে পারবেন তিনি। তিনি সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।
প্রকাশ,ফজলুর রহমান খান ফারুক ২০১১ সালের ২০ ডিসেম্বর থেকে টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালন করেন।
গত ২৭ এপ্রিল থেকে তিনি জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১০ সেপ্টেম্বর (শনিবার) তিনি পুনরায় নৌকার প্রার্থী হিসেবে টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান।
গত ১২ সেপ্টেম্বর জেলা পরিষদের প্রশাসক পদ থেকে পদত্যাগ পত্র দাখিল করেন তিনি।
আগামী ১৭ অক্টোবর জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত নির্বাচনে ১৭২২ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে অধ্যক্ষ জামাল হোসেন ঠান্ডু হত্যা মামলায় ২ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে টাঙ্গাইলের স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক বেগম শাহানা হক সিদ্দিকা এ রায় দেন।
এছাড়া আদালতের বিচারক দণ্ডপ্রাপ্ত ২ জনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও করেন।
এ ছাড়া এ হত্যা মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ৩ জনকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, সখীপুরের ফুলবাগ গোবরচাকা গ্রামের মৃত হাসান আলীর ছেলে মিনহাজুর রহমান মিন্টু, একই গ্রামের সুর্যদ আলীর ছেলে আব্দুল মালেক শুকুর।
মামলায় খালাসপ্রাপ্তরা হলেন, শমশের আলী, মোহাম্মদ মাসুদ এবং মোহাম্মদ নান্নু মিয়া।
রাষ্ট্রের পক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ মহসিন সিকদার জানান, ২০১১ সালের ২০ অক্টোবর দুপুরে অধ্যক্ষ জামাল হোসেন ঠান্ডু সখীপুরের পলাশতলী মহাবিদ্যালয় থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়। তিনি বৈল্লারপুর এলাকায় পৌঁছালে পূর্ব শত্রুতার জেরে মিনহাজুর রহমান মিন্টুর নেতৃত্বে জামাল হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
এ ঘটনায় ওই দিন জামাল হোসেনের স্ত্রী পারভীন বেগম বাদী হয়ে সখীপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তিনি আরও জানান, ২০১২ সালের ২৬ ডিসেম্বর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই আইয়ুব আলী ৫ জনের নামে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। বিচারক সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে বুধবার ২ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ৩ জনকে বেকসুর খালাস দেন।
রায় ঘোষণার সময় মিনহাজুর রহমান মিন্টু আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং আব্দুল মালেক শুকুর পলাতক ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার হতেয়া বেত বাগানে চিতাবাঘ বিচরণ করার বিষয়টি মিথ্যা বলে জানিয়েছে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট । মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হতেয়া রেঞ্জ অফিসে বন্যপ্রাণী দমন ইউনিটের জিজ্ঞাসাবাদে ফেসবুকে আপলোড করা ওই কিশোর শাকিব মিথ্যা প্রচারের স্বীকারোক্তি দিয়েছে।
জানা গেছে, স্থানীয় কিশোর শাকিব (১৮) ওই বেতবাগানের একটি ছবি তোলে, পরে অনলাইন থেকে একটি চিতাবাঘের ছবি নিয়ে এডিট করে বেতবাগানের ছবিতে বাঘের ছবি বসিয়ে ফেসবুকে ‘বেতবাগানে চিতা বাঘের আতঙ্ক’ শিরোনামে স্ট্যাটাস দেয়। ফেসবুক ভাইরাল হওয়ার জন্য এই কাজ করেছে বলে জানায় ওই কিশোর। এ বিষয়ে লিখিত মুচলেকা নিয়ে ওই কিশোরকে ক্ষমা করেছে তদন্ত কমিটি।
হতেয়া বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ জানান, উপজেলার হতেয়া বেতবাগানে চিতাবাঘের বিচরনের খবর মিথ্যা। ওই কিশোর শাকিব খান মঙ্গলবার বন্যপ্রাণী দমন ইউনিটের কাছে একথা স্বীকার করেছে। ভবিষ্যতে এমন মিথ্যা গুজব ছড়াবে না এ স্বীকারোক্তিতে মুচলেকা দিয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারজানা আলম জানান, বেতবাগানে চিতাবাঘের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানানো হলে বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট ঘটনা স্থলে গিয়ে এ তথ্য মিথ্যা বলে প্রমান পেয়েছে। একটি কিশোর এ মিথ্যা তথ্য ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার কথা স্বীকার করেছে।
উল্লেখ্য, গত ১০ সেপ্টেম্বর উপজেলার হতেয়া বেতবাগানে চিতাবাঘের আতঙ্ক এই শিরোনামে স্থানীয় এক কিশোর ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়। মুহূর্তেই এই তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ অধিদপ্তরের দৃষ্টি আকর্ষন করে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে মেয়েদেরকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করতে গিয়ে হামলার শিকার এক যুবকের চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত প্রায় ১ টার দিকে রাজধানীর নিউরো সাইন্স হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
নিহত যুবকের নাম মো. মাজহারুল ইসলাম(২১)। সে উপজেলার কালিয়ান দক্ষিণ পাড়া এলাকার আ. মালেক মিয়ার ছেলে এবং সরকারি সা’দত কলেজের অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিল।

হামলার ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে শনিবার ( ১০ সেপ্টেম্বর) ৭ জনের নাম উল্লেখ করে সখীপুর থানায় একটি মামলায় দায়ের করেছেন।
নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার কালিয়ান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে শুক্রবার(৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এলাকার বিবাহিত বনাম অবিবাহিতদের সমন্বয়ে এক ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলা দেখতে আসা মেয়েদের নানাভাবে উত্যক্ত করে কালিয়ান দোহানিয়া পাড়ার কয়েকজন বখাটে ছেলে। এ সময় মাজহারুল তাদের উত্যক্ত করতে নিষেধ করলে ঘটনাস্থলেই তাকে কিল, ঘুষি দেয় স্থানীয় বখাটে ইয়ারুল ও তার সহযোগীরা।
এর পর খেলা শেষ করে বাড়ি ফেরার পথে ইয়ারুল ইসলাম (১৯), ছাব্বির আহমেদ (১৯) সহ সাত-আট জনের একটি সঙ্ঘবদ্ধ দল লোহার রড, দা, দিয়ে মাজহারুলের উপর আবার আক্রমণ করে। এ সময় চিৎকার শুনে তার বাবা ও অন্যান্যরা মাজহারুলকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে সখীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার নিউরো সাইন্স হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সেখানে তিন দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার রাত প্রায় ১ টায় মাজহারুলের মৃত্যু হয়।
মাজহারুলের বাবা আ. মালেক কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘অনেক চেষ্টা করেও আমার ছেলেটাকে বাঁচাতে পারলাম না। বখাটেদের হামলায় ছেলেটা অবশেষে মারাই গেল।
এ প্রসঙ্গে সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম জানান,হামলার ঘটনায় মাজহারুলের বাবা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। ওই মামলাতেই ৩০২ ধারা যুক্ত করার জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের গোপালপুরে এসএসসি পরীক্ষায় প্রশিক্ষণ ও আলোচনা শেষে স্বামীর সঙ্গে মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি ফেরার পথে হাফ ট্রাকের ধাক্কায় ছানোয়ারা খাতুন (৩৫) নামে এক স্কুল শিক্ষিকা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অল্পের জন্য বেঁচে গেছেন তার স্বামী স্বপন তালুকদার।
সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) রাতে জেলার ধনবাড়ী উপজেলার মুশুদ্দি ইউনিয়নের কামাড়পাড়া বাজার সংলগ্ন মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ছানোয়ারা খাতুন গোপালপুর উপজেলার মাহমুদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত ছিলেন ।
তিনি ও তার স্বামী স্বপন তালুকদার উপজেলার কেন্দুয়া গ্রামে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
এ ব্যাপারে উপজেলার মাহমুদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মিজানুর রহমান জানান, ছানোয়ারা খাতুন হেমনগর শশীমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে এসএসসি পরীক্ষায় কক্ষ পরিদর্শক হিসেবে নিয়োগ পান। এ জন্য সোমবার বিকালে গোপালপুর সরকারি কলেজে কক্ষ পরিদর্শক প্রশিক্ষণ ও আলোচনা শেষে তার স্বামীর মোটরসাইকেলযোগে বাড়ি রওনা হন। পথিমধ্যে ধনবাড়ী উপজেলার মুশুদ্দি ইউনিয়নের কামাড়পাড়া বাজার সংলগ্ন মোড়ে পৌঁছলে হাফ ট্রাকের ধাক্কায় রাস্তায় ছিটকে পড়ে যায় ছানোয়ারা খাতুন। এতে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয় এবং তার স্বামী আহত হয়।
স্বামী স্বপন তালুকদার জানান, দুর্ঘটনায় সময় ছানোয়ারা খাতুন মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে গিয়ে তার মাথা ট্রাকের সাথে প্রচন্ড জোরে ধাক্কা খায়। ফলে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় ধনবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. চাঁন মিয়া সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু সেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কে কভার্ডভ্যানের চাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো একজন মোটরসাইকেল আরোহী।বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মহাসড়কের কালিহাতী উপজেলার জোকারচর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- কালিহাতী উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী ইউনিয়নে বল্লভবাড়ী গ্রামের আশরাফ মিয়ার ছেলে জহিরুল ইসলাম (২২) ও ভূঞাপুর উপজেলার নিকরাইল ইউনিয়নের পাথাইলকান্দি গ্রামের মজিদ মিয়ার ছেলে সবুজ মিয়া (২৫)।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, ‘মোটরসাইকেল যোগে তিন বন্ধু টাঙ্গাইল থেকে বাডির দিকে যাচ্ছিলেন। জোকারচর এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের উপরে পড়ে যায়।
তিনি আরো জানান, এসময় ঢাকাগামী একটি কভার্ডভ্যান তাদের চাপা দিয়ে চলে যায়। ফলে মোটরসাইকেলের দুই আরোহী ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহতাবস্থায় সোহেল নামে একজনকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’ নিহতদের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ ২৬৬ ঘনফুট চোরাই মেহগনির কাঠ উদ্ধার ও একজনকে আটক করেছে টাঙ্গাইল বন বিভাগ।
রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ত্রিপলে ঢাকা অবস্থায় একটি ট্রাক থেকে কাঠগুলো উদ্ধার করা হয়। এ সময় ট্রাক চালককে আটক করা হয়েছে।
আটককৃত ট্রাক চালক টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার নলহড়া গ্রামের মৃত আফাজ উদ্দিনের ছেলে মোস্তাক আহমেদ লাকী।
বনবিভাগ সূত্রে জানা যায়, দুর্বৃত্তরা পাচারের উদ্দেশে কাঠগুলো ট্রাকের ওপর ত্রিপল দিয়ে লুকিয়ে রেখেছিল। এ সময় স্থানীয় বিট কর্মকর্তা পিছু নিয়ে ট্রাকটিকে আটক করে।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর করটিয়া পরীক্ষণ ফাঁড়ির স্টেশন কর্মকর্তা সোলাইমান মিয়া জানান,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৬৬ ঘনফুট চোরাই মেহগনি কাঠ ভর্তি ট্রাকটি আটক করা হয়। ট্রাকটি জামালপুর থেকে ঢাকার উত্তরার আজমপুর যাচ্ছিল। চক্রটি সংরক্ষিত মেহগনি কাঠ কেটে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করে আসছিল। এ সময় ট্রাক ড্রাইভারকেও আটক করা হয়।
টাঙ্গাইল বিভাগীয় বন কর্মকর্তা সাজ্জাদুজ্জামান জানান, বৈধ কাগজপত্র না থাকায়, ট্রাকটি আটক করে চোরাই মেহগনি কাঠ জব্দ করা হয়। যার বাজার মূল্য প্রায় ৪ লাখ টাকা। ইতোমধ্যে বন আইনে মামলা করা হয়েছে। এ সময় ট্রাক চালকেও আটক করা হয়।
তিনি আরো জানান,এ ধরনেরই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ আসন্ন টাঙ্গাইল জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী ছাড়াও আওয়ামী লীগের দুই বিদ্রোহী প্রার্থী মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন।
রবিবার (১১ সেপ্টেম্বর) জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারি রিটানিং কর্মকর্তা এএইচএম কামরুল হাসানের কাছ থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ফজলুর রহমান ফারুকের পক্ষে মনোনয়ন সংগ্রহ করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম এমপি।
এছাড়াও চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলমগীর খান মেনু ও শহর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আহমদ সুমন মজিদ।
আহমেদ সুমন মজিদ আওয়ামী লীগ নেতা বীরমুক্তিযোদ্ধা মরহুম ফারুক আহমেদের বড ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে এএইচএম কামরুল হাসান জানান, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দেওয়া যাবে। আগামি ১৭ অক্টোবর জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে জেলার ১৭২২ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আদনান (১৫) নামের আরো এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে রাজধানীর কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত আদনান উপজেলার কালিয়া গ্রামের সাইফুল ইসলামের ছেলে এবং স্থানীয় ঘোনারচালা উচ্চবিদ্যালয় থেকে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৫ আগস্ট সখীপুর-সাগরদীঘি সড়কের কালিয়া বাজার এলাকায় আদনানের মোটরসাইকেলকে একটি ট্রাক চাপা দেয়। এতে আদনান ও তার বন্ধু জুবায়ের আহমেদ গুরুতর আহত হয়। আহত আদনানকে ঢাকার কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ২৬ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শনিবার রাতে তার মৃত্যু হয়।অন্যদিকে আদনানের বন্ধু জুবায়েরকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জুয়েল রানা জানান, মাত্র তিন দিন পরেই আদনানদের এসএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। এই সময়ে আদনানের মৃত্যুতে তার সহপাঠী ও শিক্ষকদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
অপরদিকে, এ মাসের শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে দেলদুয়ার উপজেলার দেলদুয়ার-পাকুল্লা আঞ্চলিক সড়কে ফায়ার সার্ভিস অফিসের সামনে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সিয়াম(১৬) নামের এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়।এ ঘটনায় মোটরসাইকেলের অপর আরোহী সিয়ামের বন্ধু রানা গুরুতর আহত হয়।

নিহত সিয়াম উপজেলার ফাজিলহাটী এলাকার সানোয়ার হোসনের ছেলে।সে স্থানীয় লাউহাটী আজহার আলী মেমরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।
গত তিন মাসে টাঙ্গাইল জেলায় বেপরোয়া মোটরসাইকেলের গতি একের পর এক স্কুল ও কলেজ ছাত্রের প্রাণ কেড়ে নিচ্ছে। এ ব্যাপারে সচেতন মহল ও অভিভাবকগণ সড়ক ও মহাসড়কে স্কুল-কলেজের মোটরসাইকেল আরোহী ছাত্রদের চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আরোপের জোর দাবি জানিয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার হতেয়া বেত বাগানে চিতাবাঘের সন্ধান মিলেছে। শনিবার (১০সেপ্টেম্বর) বিকেলে এ চিতাবাঘ বেতবাগানের মধ্যে একটি সুরু রাস্তায় বসে থাকা অবস্থায় দেখতে পান এলাকাবাসী।হতেয়া বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মুহূর্তের মধ্যে ওই চিতাবাঘের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় ওই এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সুদৃষ্টি কামনা করছে।
হতেয়া গ্রামের আব্দুল রাজ্জাক জানান, কিছুদিন যাবৎ এলাকার অনেকেই দেখেছেন বেতবাগানে চিতাবাঘ। এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক বিরাজ করছে। আতঙ্ক এড়াতে উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করছি।
হতেয়া বনবিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ জানান , উপজেলার হতেয়া এলাকায় চিতাবাঘের বিচরণ প্রায় তিন মাসের। এলাকার জনসাধারণের সর্তকতা অবলম্বন করে চলাচলের জন্য অনুরোধ করেছি এবং বেতবাগানে জনসাধারণকে প্রবেশ নিষেধ করেছি।
হাতীবান্ধা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা গিয়াস উদ্দিন জানান, শনিবার বিকেলে কিছু শ্রমিক বেতকাটতে বাগানে গেলে চিতাবাঘ দেখতে পান। ভয়ে চিৎকার করে বাগান থেকে বের হয়ে আসে। এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয় বনবিভাগের রেঞ্জা কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানিয়েছি।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারজানা আলম জানান, বেতবাগানে চিতাবাঘের বিষয়টি দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।