মোস্তাফিজুর রহমান মারুফ (প্রকাশক)

দেশে শনাক্ত হয়েছে করোনাভাইরাসের ভারতীয় ধরন - Ekotar Kantho

দেশে শনাক্ত হয়েছে করোনাভাইরাসের ভারতীয় ধরন

একতার কণ্ঠঃ দেশে করোনাভাইরাসের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট (ধরন) শনাক্ত হয়েছে।

শনিবার রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এ তথ্য জানিয়েছে।

করোনার ভারতীয় ধরনটি ‘বি.১.১৬৭’ নামে পরিচিত। এ ধরনটিকে অতি সংক্রামক বলে মনে করা হচ্ছে। ভারতে করোনার সংক্রমণ মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়ার ক্ষেত্রে এ ধরন ভূমিকা রাখছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ভারতের বর্তমান করোনা পরিস্থিতির জন্য তিনটি কারণ উল্লেখ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। তার মধ্যে একটি হলো করোনার অতি সংক্রামক ধরনের বিস্তার।

এর আগে গত ৬ ফেব্রুয়ারি করোনাভাইরাসের দক্ষিণ আফ্রিকান ধরনের অস্তিত্ব মেলে বাংলাদেশে। ঢাকার বনানীর ৫৮ বছর বয়সী এক নারীর শরীর থেকে সংগ্রহ করা নমুনায় এই স্ট্রেইন পাওয়া যায় বলে নিশ্চিত করে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের (বিসিএসআইআর) জিনোমিক রিসার্চ ল্যাবরেটরির গবেষক দল।

এছাড়া গত ৫ জানুয়ারি যুক্তরাজ্য থেকে বাংলাদেশে আসা ছয়জনের দেহে করোনাভাইরাসের আরেক নতুন ধরন পাওয়া যায় বলে আইইডিসিআর থেকে জানানো হয়। রূপান্তরিত এই নতুন ধরন গত ডিসেম্বরে যুক্তরাজ্যে শনাক্ত হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. মে ২০২১ ০৯:০৬:পিএম ৫ বছর আগে
এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা পেছানোর সম্ভাবনা - Ekotar Kantho

এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা পেছানোর সম্ভাবনা

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ করোনার কারণে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা কীভাবে হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে। এরইমধ্যে পরীক্ষার্থীরা অটোপাসের দাবি তুলেছেন। তবে এবার অটোপাসের সুযোগ নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। জুন-জুলাইয়ে পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও করোনার কারণে তা এক-দুমাস পেছাতে পারে। সে ক্ষেত্রে কীভাবে পরীক্ষা হবে সে বিষয়ে কাজ করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ।

করোনার কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ বন্ধ হয়ে যায় সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এরপর পার হয়েছে প্রায় ১৪ মাস। এ পরিস্থিতিতে গত বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অটোপাস দেওয়া হয়। তবে চলতি বছরের এসএসসি-এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এ প্রসঙ্গে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহাল আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এসএসসি-এইচএসসির জন্য সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করে দিয়েছি আমরা। জুন-জুলাইয়ে এসএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত ছিল। তবে সেটি হয়তো দু-এক মাস পিছিয়ে যেতে পারে। কিন্তু পরীক্ষা হবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘গতবার এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের যেভাবে পাস করানো হয়েছে, তাকে অটোপাস বলা অন্যায়। এর কারণ পরীক্ষার সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েছিল তারা। এবারের এসএসসি কিংবা এইচএসসির বিষয়টি ভিন্ন। তারা ক্লাসে যেতে পারেনি। এজন্য সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে হলেও এবার পরীক্ষায় বসতেই হবে শিক্ষার্থীদের।’

এর আগে ৬০ দিন ক্লাস শেষে এসএসসি এবং ৮০ দিন ক্লাস করিয়ে এইচএসসি নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু করোনার কারণে সে পরিকল্পনা ভেস্তে যেতে বসেছে।এ পরিস্থিতিতে এসএসএসি পরীক্ষার্থীদের একাংশ অটোপাসের দাবি তুলেছেন। তাদের যুক্তি, করোনার কারণে ১৪ মাস স্কুল বন্ধ। ফলে তারা পড়ালেখা করতে পারেনি। এ অবস্থায় সিলেবাস সংক্ষিপ্ত করলেও শেষ করা যাবে না।

তবে সরকারের দায়িত্বশীলরা বলছেন, যারা অটোপাস পেয়েছে, তারা প্রস্তুতি নিতে পেরেছিল। সব ক্লাস করেছিল। টেস্ট পরীক্ষাও দিতে পেরেছিল তারা। কিন্তু এ বছর পরীক্ষার্থীরা কোনো ক্লাস করতে পারেনি। সে জন্য অটোপাস তাদেরই ক্ষতির কারণ হবে। তাই শিক্ষার্থীদের স্বার্থেই চলতি বছর অটোপাস দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ গোলাম ফারুক এ প্রসঙ্গে গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘পরীক্ষা নেওয়া না নেওয়া করোনা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে। তবে এ বছর অটোপাস দেওয়া হবে না। শিক্ষার্থীরা কোনো ক্লাস করতে পারেনি। এবার পরীক্ষা তাদের দিতেই হবে। করোনা দীর্ঘায়িত হলে সে ক্ষেত্রে কী পদ্ধতিতে পরীক্ষা নেওয়া যায়, সে বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছি।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. মে ২০২১ ০৯:০৪:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে যমুনা ব্রেড ফ্যাক্টরীকে জরিমানা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে যমুনা ব্রেড ফ্যাক্টরীকে জরিমানা

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিস্কুট, কেক, ব্রেড তৈরি করায় জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর যমুনা ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরীকে(বেকারী) ৭ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।

মঙ্গলবার(৪ মে) বিকালে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক ইফতেখারুল আলম রিজভী জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ওই জরিমানা করেন।

ইফতেখারুল আলম রিজভী জানান, টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় অভিযান পরিচালনাকালে মানহীন নোংরা পরিবেশে বেকারী পণ্য উৎপাদন এবং অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি করায় যমুনা বেকারীকে ৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এসময় বেকারীতে কর্মরত সংশ্লিষ্টদেরকে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।পরবর্তীতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরির বিষয়টির প্রমাণ পাওয়া গেলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুশিয়ারি দেওয়া হয়। জনস্বার্থে এ ধরনের তদারকি অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. মে ২০২১ ০২:৫৪:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলের সাবেক পৌর মেয়র মুক্তির জামিন আবেদন ফের না মঞ্জুর - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলের সাবেক পৌর মেয়র মুক্তির জামিন আবেদন ফের না মঞ্জুর

একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার আসামি সাবেক পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তির জামিন আবেদন আবার না মঞ্জুর করেছেন আদালত। এ নিয়ে ছয় বার তার জামিন আবেদন না মঞ্জুল হলো।

মঙ্গলবার (৪ মে) টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের দায়িত্বে থাকা দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ সাউদ হাসান এ জামিন আবেদন না মঞ্জুর করেন।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত সরকারি কৌশুলী মনিরুল ইসলাম খান জানান, গত ২ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণের পর আদালত মুক্তির জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তার পক্ষে আইনজীবী আব্দুল বাকী মঙ্গলবার (৪ মে) ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে আদালতে জামিন আবেদন করেন। তারা যে কোনো শর্তে মুক্তির জামিন মঞ্জুরের দাবি জানান। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষ থেকে জামিনের বিরোধিতা করা হয়। পরে আদালত জামিন না মঞ্জুর করেন।

প্রসঙ্গত ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজ পাড়া এলাকার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার তিনদিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন।ফারুক হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্টে গোয়েন্দা পুলিশ আনিছুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলী নামক দুইজনকে গ্রেপ্তার করে। তাদের আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিতে এ হত্যাকাণ্ডে তৎকালীন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা ও তার তিন ভাই তৎকালীন টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহসভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি বেরিয়ে আসে। তারপর তারা আত্মগোপনে চলে যান। তদন্ত শেষে গোয়েন্দা পুলিশ এ মামলায় আমানুর ও তার তিন ভাইসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগ পত্র জমা দেন। ছয় বছরেরও বেশি সময় আত্মগোপনে থাকার পর মুক্তি গত ২ ডিসেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৫. মে ২০২১ ০৬:২০:পিএম ৫ বছর আগে
পাকিস্তানে সৌদি বাদশাহর নামে নির্মিত হচ্ছে বিশাল মসজিদ - Ekotar Kantho

পাকিস্তানে সৌদি বাদশাহর নামে নির্মিত হচ্ছে বিশাল মসজিদ

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের নামে পাকিস্তানে বিশাল মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে।

রাজধানী ইসলামাবাদে অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভাসিটি (আইআইইউ) ক্যাম্পাসে শিগগিরই শুরু হচ্ছে মসজিদটির নির্মাণকাজ। খবর আরব নিউজের।

আইআইইউর কর্মকর্তা ড. মাসুম ইয়াসিনজাই বলেছেন, সৌদি আরবের দুই পবিত্র মসজিদের তত্ত্বাবধায়ক বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের নামে মসজিদটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হচ্ছে।

বিশাল এ মসজিদে একসঙ্গে ১২ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। এদের মধ্যে ১০ হাজার পুরুষ ও দুই হাজার নারী মুসল্লি নামাজ পড়তে পারবেন। মসজিদের পাশে নির্মাণ করা হবে সুবিশাল কমপ্লেক্স।

সেখানে থাকবে মুসলিম পণ্ডিত ও শিক্ষার্থীদের জন্য গাবেষণা ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।

এ ছাড়া সেখানে সৌদির ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের নামে তৈরি হবে বিশাল লাইব্রেরি, জাদুঘর ও মিলনায়তন।

কেবল মসজিদ নির্মাণেই ব্যয় হবে ৩৩ লাখ মার্কিন ডলার। এ ছাড়া কমপ্লেক্স নির্মাণে আরও অর্থ দেবে সৌদি আরব।

ড. মাসুম ইয়াসিনজাই বলেন, এ মসজিদটি হবে পাকিস্তান ও সৌদি আরবের বন্ধুত্বের অনন্য নিদর্শন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. মে ২০২১ ০৭:২১:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পরিবারের সাথে অভিমান করে কিশোরীর আত্মহত্যার চেষ্টা  - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পরিবারের সাথে অভিমান করে কিশোরীর আত্মহত্যার চেষ্টা 

 একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার ৬ নং ওযার্ডের দক্ষিণ কলেজ পাড়া এলাকার বিমল চৌহানের মেয়ে প্রিয়া চৌহান(১৭)  পরিবারের সাথে অভিমান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।  বুধবার (২৮ এপ্রিল) সকালে প্রিয়া চৌহান টয়লেট ক্লিনার হারপিক খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। বিষয়টি টের পেয়ে চিকিৎসার জন্য কিশোরী  প্রিয়া চৌহানের বাবা-মা তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
টাঙ্গাইল জেনালের হাসাপাতালের  চিকিৎসক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান জানান, প্রিয়া চৌহান এর বর্ণনা অনুসারে সে হারপিক পান করেছে, আমরা সে মোতাবেক প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিচ্ছি।
 পরিবার ও  এলাকায়  খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,  বিমল চৌহানের মেয়ে প্রিয়া চৌহানের সাথে পাশাপাশি এলাকা  কান্দাপাড়া এলাকার প্রদীপ হরিজনের ছেলে প্রভাত হরিজনের সাথে দীর্ঘদিন ধরে প্রেম ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২ এপ্রিল প্রভাত হরিজনের সাথে কিশোরী  প্রিয়া চৌহান পালিয়ে যায়। পরে তারা কোর্টে হলফনামা এফিডেভিট করে এবং  শাঁখা সিঁদুর পরিয়ে বিয়ে করে।  ঘটনা জানাজানি হলে কিশোরী  প্রিয়া চৌহানের বয়স ১৮ বছর না হওয়ায় তার বাবা-মা পুলিশের সহযোগিতায় সামাজিক ভাসব বসে মাতাব্বর নিয়ে একাধিকবার  দেন-দরবার করে  কিশোরী  পিয়া চৌহানকে পরিবারে ফিরিয়ে আনেন ।
 তবে দেন-দরবার করে ফিরিয়ে আনলেও প্রিয়া চৌহান তার বাবা-মায়ের কাছে না থেকে  আবার প্রভাত হরিজনের  সাথে পালিয়ে যায়।  এ বিষয়ে গত  মঙ্গলবার(২৭ এপ্রিল) দুপুরে, দুই পক্ষের মাতাব্বর নিয়ে সামাজিকভাবে বসে বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করা হয় ।  সেখানে ছেলের বাবা এবং মেয়ের বাবার মতামতের ভিত্তিতেই কিশোরীকে  প্রভাত হরিজনের বাড়িতে রাখার সিদ্ধান্ত হয়।
  ঐদিন বিকেলে পিয়া চৌহানের বাবা ও মা কাজলি চৌহান একজন মানবাধিকার কর্মীর সহযোগিতায় বাল্যবিবাহ উল্লেখ করে টাঙ্গাইলের সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ খায়রুল ইসলাম কে অবগত করেন৷  মেয়েটির বয়স ১৮ না হওয়ায় এক্সিকিউটিভ  ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ খায়রুল ইসলাম বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে মেয়েটিকে তার বাবা-মায়ের হাতে তুলে দিয়ে আসেন।
টাঙ্গাইল সদর সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ খায়রুল ইসলামের কাছে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, বাল্যবিবাহর খবর পেয়ে আমরা সেখানে দ্রুত চলে যাই এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় মেয়েটিকে তার বাবা মায়ের হাতে তুলে দেয়া হয়।
 বাবা বিমল চৌহান বলেন, আমার মেয়ে অপ্রাপ্তবয়স্ক, প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর তার মত অনুসারে আমরা তাকে বিয়ে দেব।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. এপ্রিল ২০২১ ১০:২৮:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে হাসিনা বেগমের সূর্যমুখী ও ভুট্টা চাষে সফলতা - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে হাসিনা বেগমের সূর্যমুখী ও ভুট্টা চাষে সফলতা

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ সুষ্ঠু পরিকল্পনা, ইচ্ছেশক্তি আর যথাযথ শ্রম দিলে, যে কোন কাজেই যে, প্রতিষ্ঠা লাভ করা সম্ভব-সেটাই প্রমাণ করেছে টাঙ্গাইলের সখীপুরের কচুয়া গ্রামের গৃহবধূ হাসিনা বেগম । স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও সহযোগিতায় বাণিজ্যিকভাবে ভূট্টা ও সূর্যমুখী ফুলের চাষ করেছেন তিনি । স্বামী আর সন্তানদের সময় দেওয়ার পর অবসরে নিজেদের সীমিত সম্পদের প্রতি ইঞ্চি মাটির সর্বোচ্চ ব্যবহার করে অধিক ফসল ফলিয়ে একের পর এক সফলতা বয়ে এনেছেন হাসিনা বেগম। তার এ সাফল্যে উৎসাহিত হয়ে আশপাশের গ্রামের চাষীরাও ঝুকছেন ভূট্টা ও সূর্যমুখী ফুল চাষে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রতিটি সূর্যমুখী গাছে মৌচাকের মতো বিশাল একেকটি গোল ফুল হলুদ রঙের নজরকাড়া রূপ ছড়িয়ে দিচ্ছে। সূর্যের মুখোমুখি প্রতিটি ফুল ফলভারে কিছুটা নুয়ে আছে। খেতজুড়ে হলুদ আর সবুজের মাখামাখি। পাশেই ভুট্টাখেত। তাতেও নরম সবুজের প্রতিটি ভুট্টাগাছের মাথায় কাশফুলের মতো ছড়ানো খয়েরি রঙের ফুল। প্রতিটি গাছেই ভুট্টা ধরেছে। ক্রমশ পুরুষ্ট হয়ে উঠছে ভুট্টার দানা। ভুট্টা আর সূর্যমুখীর দুটি খেতই এলাকায় নতুন আলো ছড়াচ্ছে।

চাষী হাসিনা বেগম জানান, উপজেলা কৃষি অফিস থেকে সূর্যমুখী ও ভুট্টার প্রদর্শনী প্লট নিয়ে এক বিঘা জমিতে সূর্যমুখী ও ৪৫ শতাংশ জমিতে ভুট্টার চাষ করেছি। আমাকে কৃষি অফিস থেকে সার্বক্ষণিক পরামর্শে দিয়েছে। আশার চেয়েও ফলন ভালো হয়েছে ।

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো.আব্দুস ছাত্তার বলেন, হাসিনা বেগম কৃষি অফিসের প্রদর্শনী প্লট নিয়ে ভুট্রা ও সূর্যমুখী চাষ করেছে।ফলনও ভালো হয়েছে। অন্য ফসলের চেয়ে ভুট্টা ও সূর্যমুখী ফুল চাষে খরচ কম। এতে সার, ওষুধও কম লাগে। তেমন পরিচর্যা করতে হয় না। উপজেলার অনেক কৃষক এখন ভুট্টা ও সূর্যমুখী ফুল চাষে আগ্রহী হচ্ছেন ।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো.নূরুল ইসলাম বলেন, আমরা চাইছি অনাবাদি জমি আবাদের আওতায় নিয়ে আসতে। গতানুগতিক চাষের বাইরে কম খরচে যাতে বেশি লাভ হয়, সে রকম চাষাবাদে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে সূর্যমুখীর চাহিদা আছে। এখন সাধারণ মিলেও এগুলো প্রক্রিয়াজাত করা যায়। প্রথমে স্থানীয় চাহিদা পূরণ করা হবে। কোলেস্টেরলমুক্ত। অন্য তেলের মতো ক্ষতিকর না। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সূর্যমুখীর তেলের এখন অনেক চাহিদা। এখানেও আস্তে আস্তে চাহিদা তৈরি হবে। সূর্যমুখী ও ভুট্টা বাড়তি হলে বাজার চেইন আমরা সৃষ্টি করে দিব। ফসল বিক্রি করতে তখন অসুবিধা হবে না। কৃষক এক বিঘা জমিতে লক্ষ টাকা আয় করতে পারবে। ধান চাষে এটা পাবে না।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. এপ্রিল ২০২১ ১০:৪৮:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গভীর রাতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে দন্ড - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গভীর রাতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান, ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে দন্ড

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ  টাঙ্গাইলে মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) গভীর রাতে র‌্যাবের সহযোগিতায় সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি)ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. খায়রুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন একটি ভ্রাম্যমান আদালত অভিযান চালিয়ে ১১ জন অবৈধ বালু উত্তোলন কারীকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছে। টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের এলেংজানী নদীর উত্তর তারটিয়া অংশে ওই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হয়।

অভিযানে অবৈধ বালু উত্তোলনের মূলহোতা উত্তর তারটিয়া গ্রামের মৃত আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে মো. উজ্জ্বল মিয়াকে(৪৮) ৩ মাস, একই এলাকার পূর্ব লামছী গ্রামের মো. জামাল উদ্দিনের ছেলে রায়হানকে(২৫) ৭ দিন ও বাকি ৯ জনকে ৫দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডিত অন্যরা হচ্ছেন- উত্তর তারটিয়া গ্রামের মো. হুরমুজ আলীর ছেলে আব্দুর রাজ্জাক(৪০), বররিয়া গ্রামের মৃত খন্দকার রকিবুল হকের ছেলে খন্দকার মাসুম(৪৩), উত্তর তারটিয়ার মো. সামাদ খানের ছেলে মো. নিলয় খান(২২), কালাচাদের ছেলে মো. মঞ্জুর(৩০), মো. তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে আবুল কালাম আজাদ(৩৮), একই এলাকার খাবিদা গ্রামের আ. মজিদ খানের ছেলে মো. রাসেল খান(৪০), গোলড়া গ্রামের মো. সোহেল মিয়ার ছেলে মো. অভি(২০), বররিয়া গ্রামের নারায়নের ছেলে নিরঞ্জন(১৯) এবং কালিহাতী উপজেলার ছাতিহাটী গ্রামের নুরু মিয়ার ছেলে মনির(২০)।

সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. খায়রুল ইসলাম জানান, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও সরবরাহের দায়ে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন ২০১০ এর ৪(খ) ধারায় মূলহোতা মো. উজ্জ্বল মিয়াসহ ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে বালু উত্তোলন ও সরবরাহের কাজে ব্যবহৃত চারটি ড্রাম ট্রাক ও একটি ভেকু জব্দ করা হয়।

অভিযানকালে র‌্যাব-১২ সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার মো. এরশাদুর রহমান ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. এপ্রিল ২০২১ ০৯:৪২:পিএম ৫ বছর আগে
প্রজ্ঞাপন জারি,৫ মে পর্যন্ত সর্বাত্মক লকডাউন - Ekotar Kantho

প্রজ্ঞাপন জারি,৫ মে পর্যন্ত সর্বাত্মক লকডাউন

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ রোধে চলমান সর্বাত্মক লকডাউনের বিধিনিষেধের মেয়াদ এক সপ্তাহ বাড়ল। আগামী ৫ মে পর্যন্ত লকডাউনের মেয়াদ বাড়িয়ে বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এর আগে ভারতে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করায় গত ২৫ এপ্রিল দেশটির সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। ২৬ এপ্রিল থেকে পরবর্তী ১৪ দিনের জন্য দেশটির সঙ্গে সীমান্ত বন্ধ থাকবে।

এর আগে সোমবার সর্বাত্মক লকডাউনের মেয়াদ এক সপ্তাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। সেদিন আন্ত:মন্ত্রণালয়ের সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়। সভা শেষে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ভারতে করোনার সার্বিক পরিস্থিতি অত্যন্ত খারাপ। এটা আমাদের দেশেও ছড়িয়ে যেতে পারে। সেজন্য জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, সার্বিক করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে যে অবস্থাটা আছে সেটি আরও এক সপ্তাহ কন্টিনিউ করা। না হলে এটা আরও ভয়াবহ অবস্থা ধারণ করতে পারে। সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়েছে। সেজন্য বিধিনিষেধ আরও এক সপ্তাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

তিনি আরও বলেন, লকডাউনে রাত ৮টা পর্যন্ত শপিংমল খোলা থাকবে। মানুষকে অবশ্যই কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে শপিংমলে যেতে হবে। তবে গণপরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে। সরকারি অফিস-আদালতও যথারীতি বন্ধ থাকবে।

এছাড়া করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার কারণে আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজের জামাত ঈদগাহ বা খোলা জায়গার পরিবর্তে নিকটস্থ মসজিদে আদায়ের নির্দেশ দিয়েছে সরকার। মসজিদে জামাত শেষে কোলাকুলি এবং পরস্পর হাত মেলানো পরিহার করাসহ ১২টি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় প্রথমবার ৫ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত গণপরিবহন চালু রেখে বিধিনিষেধ দেওয়া হয়। সেটি আরও দুদিন বাড়ানো হয়। পরে ১৪ এপ্রিল থেকে শুরু হয় এক সপ্তাহের কঠোর বিধিনিষেধ। এটি বাড়িয়ে ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়। যদিও শপিং মল খোলাসহ বেশকিছু বিষয়ে বিধিনিষেধের শর্ত শিথিল করেছে সরকার।

সেই মেয়াদ আজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। আজ আরেক দফা বাড়িয়ে সর্বাত্মক লকডাউন ৫ মে মধ্যরাত পর্যন্ত করা হয়েছে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. এপ্রিল ২০২১ ০৮:২০:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে স্ত্রীর আঘাতে স্বামীর মৃত্যু - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে স্ত্রীর আঘাতে স্বামীর মৃত্যু

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে স্ত্রীর  আঘাতে মৃত্যু হয়েছে তার স্বামীর। সোমবার (২৬ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার ইছাদিঘী গ্রামে এমন ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর আটক করা হয় অভিযুক্ত ওই নারীকে। পরে গ্রেপ্তার দেখানো হয় তাকে।

জানা গেছে, নিহত ওই স্বামীর নাম কিতাব আলী (৪০)। তিনি উপজেলার ইছাদিঘী গ্রামের মৃত কেরামত আলীর ছেলে। নিহত কিতাব আলী ভাঙারির ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করতেন । আর গ্রেপ্তার হওয়া তার স্ত্রীর নাম হামিদা আক্তার (২৫)।

উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড মেম্বার আবুল কালাম আজাদ বলেন, সোমবার বিকেলে তিনটার দিকে কিতাব আলীর সঙ্গে তার স্ত্রী হামিদা আক্তারের ঝগড়া হয়। সে সময় তারা একে অপরকে কামড় দিতে থাকেন। এক পর্যায়ে স্বামীর স্পর্শকাতর স্থানে কামড় দেন স্ত্রী, তাতেই ঢলে পড়েন স্বামী কিতাব আলী। পরে তাকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন কতর্ব্যরত  চিকিৎসক।

এ বিষয়ে সখীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এএইচএম লুৎফুল কবির বলেন, নিহত কিতাব আলীর তৃতীয়  স্ত্রী হামিদা আক্তারকে আটকের পর গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। নিহত কিতাব আলীর আগের ঘরে মেয়ে বাবলি আক্তার বাদী হয়ে তার সৎ মা হামিদা আক্তারের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।

গ্রেপ্তারকৃত ওই নারীকে  মঙ্গলবার(২৭ এপ্রিল)  আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও জানান পরিদর্শক লুৎফুল কবির।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. এপ্রিল ২০২১ ০২:২৬:এএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ   টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার কাশিল ইউনিয়নের কাশিল পশ্চিমপাড়া থেকে কনা আক্তার (২৪) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) সকালে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন বাসাইল থানার অফিসার-ইন -চার্জ(ওসি) হারুনুর রশিদ।

নিহত গৃহবধূর পরিবার জানায়, প্রায় পাঁচ বছর আগে কাশিল পশ্চিমপাড়া এলাকার বাবু মিয়ার দুবাই প্রবাসী ছেলে কবির মিয়ার সঙ্গে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের দরুন গ্রামের জয়নাল মিয়ার মেয়ে কনা আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাকে যৌতুকের জন্য শাশুড়ি ও দুই ননাশের নানা নির্যাতন সহ্য করতে  হয়। এরপর তার শাশুড়ি কহিনূর বেগম ও স্বামী কবির মিয়া পুনরায় প্রবাসে পাড়ি জমান।

ফলে ওই গৃহবধূ তার শিশু সন্তানকে নিয়ে বাকপ্রতিবন্ধী শ্বশুরের সঙ্গে বসবাস করছিলেন। এরমধ্যে এক ননাশের স্বামী অন্যত্র বিবাহ করায় ও আরেক ননাশের স্বামী প্রবাসে থাকায় তারা শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে বাবার বাড়িতেই অবস্থান নেয়। সেই থেকে দুই ননাশই গৃহবধূর উপর নানা ধরনের নির্যাতন চালাতে থাকে।

সর্বশেষ সোমবার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যায়ও ওই গৃহবধূ কনাকে তার দুুই ননাশ মিলে মারধর করে। পরে (মঙ্গলবার) সকালে তার বসত ঘরে ঝুলন্ত অবস্থায় গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করা হয়।

নিহত গৃহবধূর মা বলেন, ‘রাতের কোনও এক সময় তারা আমার মেয়েকে হত্যা করে লাশ ঘরের ধন্নার সাথে ঝুঁলিয়ে রেখে আমাদের খবর দেয়। খবর পেয়ে ওই বাড়িতে গিয়ে দেখি ঘরের বাইরে থেকে তালা লাগানো অবস্থায় রয়েছে। আমি আমার মেয়ের হত্যার বিচার চাই।’

স্থানীয় ইউপি সদস্য আক্কাছ মিয়া বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশকে জানানো হয়। পরে পুলিশ এসে নিহতের লাশটি ঝুঁলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। এটা হত্যা নাকি আত্মহত্যা কিছু বলা যাচ্ছে না।’

বাসাইল থানার অফিসার-ইন -চার্জ ( ওসি )হারুনুর রশিদ বলেন, ‘খবর পেয়ে নিহতের লাশ ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। পরে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেয়ে মৃত্যুর রহস্য জানা যাবে। এ ঘটনায় ইউডি মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. এপ্রিল ২০২১ ১১:০৪:পিএম ৫ বছর আগে
করোনার প্রকোপে ভারত, একদিনেই ২৭৭১ মৃত্যু - Ekotar Kantho

করোনার প্রকোপে ভারত, একদিনেই ২৭৭১ মৃত্যু

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ঢেউয়ে বিধ্বস্ত ভারত। রোজ মৃত্যুর মিছিলে যোগ দিচ্ছেন হাজারো মানুষ। দেশটিতে গত ৭ দিন টানা দুই হাজারের বেশি করে মৃত্যু হয়েছে করোনায়। গত ২৪ ঘণ্টায়ই ২৭৭১ জনের প্রাণহানি হয়েছে।

ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার সকালে টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবরে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

প্রায় দু’সপ্তাহ ধরে দিনের পর দিন বেড়ে চলার পর অবশেষে ভারতে কিছুটা কমেছে দৈনিক করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা। তবে সেটা তিন লাখের গণ্ডি থেকে নিচে নামেনি।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৩ লাখ ২৩ হাজার ১৪৪ জন। সর্বশেষ এই সংখ্যা নিয়ে মহামারির শুরু থেকে দেশটিতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৭৬ লাখ ৩৬ হাজার ৩০৭ জনে।

গত কয়েকদিন ধরে ভারতে দৈনিক মৃত্যুতে তৈরি হয়েছিল নতুন রেকর্ড। সোমবারের তুলনায় মঙ্গলবার মৃত্যু কম হলেও তা আড়াই হাজারের বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২ হাজার ৭৭১ জন। এ নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটিতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৮৯৪ জনে।

গত সাত দিন ধরে ভারতে মৃত্যু দুই হাজার কোটা থেকে নামেনি। এক সপ্তাহে দেশটিতে ১৭ হাজার ৩৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর চলতি মাসে ৩৪ হাজার ৬০০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে করোনায়। এটি একমাসে সবথেকে বেশি মৃত্যুর পরিসংখ্যান দেশটিতে। এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ৩৩ হাজার ২৩০ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৭. এপ্রিল ২০২১ ০৮:১০:পিএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।