মোস্তাফিজুর রহমান মারুফ (প্রকাশক)

সজিনাকে কেনো পুষ্টির ডিনামাইট বলা হয় - Ekotar Kantho

সজিনাকে কেনো পুষ্টির ডিনামাইট বলা হয়

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ সজিনা বা সজিনা গাছের পাতাকে পৃথিবীর সবচেয়ে পুষ্টিকর হার্ব বা অলৌকিক পাতা বলা হয়।

গবেষকরা সজিনা পাতাকে নিউট্রিশন্স সুপার ফুড বলেছেন। শাক হিসেবে ব্যবহৃত সজিনা পাতায় রয়েছে ভিটামিন-এ’র এক বিশাল উৎস। সজিনা পাতা এবং ফল উভয়ের মধ্যেই বিপুল পরিমাণে পুষ্টি থাকে।

এতসব পুষ্টিগুণ একসঙ্গে আছে বলেই এর মাধ্যমে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা এবং জীবনধারণের পুষ্টি দুটোই পাওয়া যায়। প্রতি গ্রাম সজিনা পাতায় একটি কমলার চেয়ে ৭ গুণ বেশি ভিটামিন-সি রয়েছে।

দুধের চেয়ে ৪ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম ও দু’গুণ বেশি প্রোটিন রয়েছে। গাজরের চেয়ে ৪ গুণ বেশি ভিটামিন-এ এবং কলার চেয়ে ৩ গুণ বেশি পটাশিয়াম বিদ্যমান সজিনা পাতায়। ফলে এটি অন্ধত্ব ও রক্তস্বল্পতাসহ বিভিন্ন ভিটামিন ঘাটতিজনিত রোগের বিরুদ্ধে বিশেষ হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।

সজিনায় প্রচুর পরিমাণে জিঙ্ক থাকে এবং পালং শাকের চেয়ে ৩ গুণ বেশি আয়রন বিদ্যমান, যা অ্যানেমিয়া দূরীকরণে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। সজিনা মানবদেহের কলেস্টেরল-এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও অন্যতম অবদান রাখে।

মানুষের শরীরের প্রায় ২০ শতাংশ প্রোটিন, যার গাঠনিক একক হলো অ্যামাইনো এসিড। শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মেটাবোলিজম এবং শরীরের অন্যান্য কার্যাবলী পরিপূর্ণরূপে সম্পাদনে অ্যামাইনো এসিড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

মানুষের শরীরের যে ৯টি অ্যামাইনো এসিড খাদ্যের মাধ্যমে সরবরাহ করতে হয়, তার সবই এ সজিনার মধ্যে বিদ্যমান। এটি শরীরের সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে ডায়াবেটিসের মতো কঠিন রোগের বিরুদ্ধে কাজ করে থাকে।

নিয়মিত দৈনিক সেবনে শরীরের ডিফেন্স মেকানিজমকে আরো শক্তিশালী করে এবং ‘ইমিউনিটি স্টিমুল্যান্ট’ হওয়ার দরুন এটি ‘এইডস’ আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। শরীরের হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে পুষ্টিবর্ধক হিসেবেও কাজ করে সজিনা।

ওজন কমাতে ব্যায়ামের পাশাপাশি এটি বেশ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই সজিনা মায়ের বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

পাতা থেকে তৈরি এক টেবিল চামচ পাউডারে ১৪ শতাংশ প্রোটিন, ৪০ শতাংশ ক্যালসিয়াম, ২৩ শতাংশ আয়রন বিদ্যমান, যা এক থেকে তিন বছরের শিশুর সুষ্ঠু বিকাশে সাহায্য করে। গর্ভাবস্থায় এবং বুকের দুধ খাওয়ানোকালীন ৬ টেবিল চামচ পাউডার একজন মায়ের প্রতিদিনের আয়রন এবং ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করে থাকে সজিনা।

এটিতে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। যকৃত ও কিডনি সুস্থ রাখতে এবং রূপের সৌন্দর্যবর্ধক হিসেবেও কাজ করে সজিনা।

সজিনায় প্রায় ৯০টিরও বেশি এবং ৪৬ রকমের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বিদ্যমান। এতে ৩৬টির মতো অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য আছে।

এছাড়াও এটি অকাল বার্ধক্যজনিত সমস্যা দূর করে এবং ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। সজিনায় প্রতি ১০০ গ্রামে খাদ্য উপযোগী পুষ্টি উপাদানের মধ্যে জ্বলীয় অংশ ৮৩.৩ গ্রাম, খনিজ ১.৯ গ্রাম, আঁশ ৪.৮ গ্রাম, খাদ্যশক্তি ৬০ কিলো-ক্যালোরি, প্রোটিন ৩.২ গ্রাম, চর্বি ০.১ গ্রাম, শর্করা ১১.৪ গ্রাম, ক্যালশিয়াম ২১.০ মিলিগ্রাম, লোহা ৫.৩ মিলিগ্রাম, ক্যারোটিন ৭৫০ মাইক্রোগ্রাম, ভিটামিন-এ ১-০.০৪ মিলিগ্রাম, ভিটামিন-বি ১-০.০২ মিলিগ্রাম ও ভিটামিন-সি ৪৫.০ মিলিগ্রাম বিদ্যমান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৮. এপ্রিল ২০২১ ০৫:১২:পিএম ৫ বছর আগে
চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন ডিজিএফআই কর্মকর্তা টাঙ্গাইলের মিনহাজুল ইসলাম - Ekotar Kantho

চট্টগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন ডিজিএফআই কর্মকর্তা টাঙ্গাইলের মিনহাজুল ইসলাম

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ চট্টগ্রাম নগরের বন্দর থানা এলাকায় মটর সাইকেল দুর্ঘটনায় মিনহাজুল ইসলাম (৪৩) নামে এক ডিজিএফআই কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।রবিবার (৪ এপ্রিল)দুপুরে  নৌবাহিনী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।নিহত মিনহাজুল ইসলাম নৌবাহিনী কর্মরত ও ডিজিএফআই চট্টগ্রাম কার্যালয়ের বন্দর ডেস্কে চীফ পেটি অফিসার  ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলায়  বলে জানা গেছে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন ।

বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন বলেন,” দুপূর একটার দিকে মোটরসাইকেলযোগে পতেঙ্গা থেকে বন্দরে আসার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দিকে গুরুতর আহত হন মিনহাজ। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নৌবাহিনী হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৬. এপ্রিল ২০২১ ০৩:৪৮:এএম ৫ বছর আগে
লকডাউনে গণপরিবহন সারাদেশে বন্ধের ঘোষণা - Ekotar Kantho

লকডাউনে গণপরিবহন সারাদেশে বন্ধের ঘোষণা

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় আগামীকাল সোমবার ( ৫ এপ্রিল) থেকে সারাদেশে লকডাউন শুরু হচ্ছে। এক সপ্তাহের লকডাউনের শুরুর দিন থেকেই গণপরিবহন বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

রোববার (৪ এপ্রিল) তার সরকারি বাসভবনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামীকাল সোমবার (৫ এপ্রিল) থেকে গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। তবে পণ্যপরিবহন, জরুরি সেবা, জ্বালানি, ওষুধ, পচনশীল, ত্রাণবাহী পরিবহন, সংবাদপত্র, গার্মেন্টস সামগ্রী এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।

কোভিড-১৯ সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়তে থাকায় এক সপ্তাহের জন্য লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

গত কয়েক দিন ধরেই প্রতিদিন ছয় হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন। গত শুক্রবার (২ এপ্রিল) একদিনে শনাক্ত সাত হাজারের কাছাকাছি পৌঁছায়।

করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ইতোমধ্যে বন্ধ করা হয়েছে দেশের বিভিন্ন স্থানের পর্যটন কেন্দ্র। বাতিল করা হচ্ছে হোটেল-মোটেলে আগাম নেয়া বুকিং। পাশাপাশি নতুন বুকিংও বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এছাড়া কোথাও সন্ধ্যার পর জনগণের চলাচল সীমিত করা হয়েছে। আবার কোথাও ওষুধ এবং কাঁচামালের দোকান ও বাজার বাদে অন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এসব নির্দেশনার প্রায় সবই স্থানীয় প্রশাসনের কাছ থেকে এসেছে। বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) থেকে এ নিষেধাজ্ঞা থাকবে মধ্য এপ্রিল পর্যন্ত।

প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অমান্য করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারিও আছে। এর আগে গত বছর ২৬ মার্চ থেকে দেশের পর্যটন কেন্দ্রসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রথমে লকডাউনের আওতায় ছিল। পরে লকডাউন উঠে গেলেও অনেক প্রতিষ্ঠান প্রায় ৫ মাস বন্ধ ছিল।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. এপ্রিল ২০২১ ০৬:২৮:পিএম ৫ বছর আগে
ট্রাম্পের আইসিসির ওপর আরোপ করা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেন বাইডেন - Ekotar Kantho

ট্রাম্পের আইসিসির ওপর আরোপ করা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেন বাইডেন

একতার কন্ঠ ডেস্কঃ ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলের যুদ্ধাপরাধ তদন্তের অনুমোদন দেওয়ায় আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) দুই কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।

আদালতের ওপর আরোপ করা সেই অনভিপ্রেত নিষেধাজ্ঞা শুক্রবার (২ মার্চ) প্রত্যাহার করে নিল নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন। খবর আরব নিউজ ও বিবিসির।

এর ফলে ইসরাইলি সেনাদের বর্বরতার তদন্ত করার পথ আরও সুগম হলো আইসিসির জন্য। আইসিসির ১২০টি সদস্য রাষ্ট্রের তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের নাম নেই।

নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রধান আইনজীবী ফ্যাতৌ বেনসৌদা এবং আদালতের বিচার বিভাগের প্রধান ফাকিসো মচোচোকোর ওপর ট্রাম্প প্রশাসন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।

ফিলিস্তিনিদের ওপর নির্মম নির্যাতন, গুম, হত্যা ও জোর করে বাড়ি দখলের মতো ইসরাইলি সেনাদের অপরাধ তদন্তের অনুমতি চেয়েছিলেন ফ্যাতৌ বেনসৌদা।
আর তার এই আবেদন গ্রহণ করে তদন্তের অনুমতি দিয়েছিলেন আদালতের বিচার বিভাগের প্রধান ফাকিসো মচোচোকো।

এ কারণেই আইসিসির এ দুই কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ইসরাইলের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে পরিচিত ট্রাম্প প্রশাসন।

প্রথমে ২০১৯ সালের মার্চে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয় আইসিসির এ দুই কর্মকর্তার ওপর। এর ১৮ মাস পর যুক্তরাষ্ট্রে তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দেয় ট্রাম্প প্রশাসন।

অবশেষে গত ২ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) দুই কর্মকর্তার ওপর আরোপ করা নিষেধাজ্ঞা তুলে নেন নেন জো বাইডেন।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৪. এপ্রিল ২০২১ ০৩:০৩:এএম ৫ বছর আগে
মিলল করোনার আরেক ধরন ইসরাইলে - Ekotar Kantho

মিলল করোনার আরেক ধরন ইসরাইলে

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ ইসরাইলে দেশটির বিজ্ঞানীরা নতুন বৈশিষ্ট্যর করোনাভাইরাস আবিষ্কার করেছেন। এর নামকরন করা হয়েছে করোনার ইসরাইলি ভ্যারিয়েন্ট। এই দাবি করেছেন দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

গত বছরের জুলাই থেকেই এ ধরনটি নিয়ে গবেষণা করে আসছিলেন ইসরাইলের বিজ্ঞানীরা। গত সপ্তাহে নতুন ধরনের বিষয়ে নিশ্চিত হয়ে বিশ্ববাসীকে জানালো ইসরাইলের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। খবর জেরুজালেম পোস্টের।

ইসরাইলের কেন্দ্রীয় ভাইরোলোজি ল্যাবরেটরিতে নতুন এ ধরণটি নিয়ে গবেষণা চলে। এর নামকরণ করা হয়েছে করোনার ইসরাইলি ভ্যারিয়েন্ট হিসেবে।

২০২০ সালের অক্টোবরে তরলবর্জ্যে প্রথম এ ধরণের ভাইরাসের দেখা মেলে। এর পর ২০২০ সালের নভেম্বারে ক্লিনিক্যাল বর্জ্যে এ ভাইরাস পাওয়া যায়।

ইসরাইলি শহর রাহাতের ৫ ভাগ এলাকায় ২০২০ সালের অক্টোবরে তরলবর্জ্যে নতুন এ বৈশিষ্টের করোনার দেখা মেলে। কিন্তু একই বছরের নভেম্বারে ইসরাইলের নেতানিয়া ও হাইফা শহরের ৯৮ ভাগ এলাকায় এ ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে।

এ পর্যন্ত দেশটির ১৮১ জন করোনার ইসরাইলি ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। কিন্তু দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দাবি, আরও অনেক বেশি মানুষ এ ধরণের ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে থাকতে পারে।

তবে এটি করোনার ইউকে ভ্যারিয়েন্টের মতো খুব দ্রুত ছড়ায় না। এ ফাইজারের টিকায় এ ধরনের করোনা প্রতিরোধে কার্যকর বলে গরেষণায় প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি ইসরাইলের।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. এপ্রিল ২০২১ ০৮:০৩:পিএম ৫ বছর আগে
সাইবার হামলার শিকার বাংলাদেশ ব্যাংকসহ ২০০ প্রতিষ্ঠান - Ekotar Kantho

সাইবার হামলার শিকার বাংলাদেশ ব্যাংকসহ ২০০ প্রতিষ্ঠান

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ আবারো সাইবার হামলার শিকার বাংলাদেশ। এবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ দুইশ’র বেশি প্রতিষ্ঠানে হানা দিয়েছে প্রযুক্তি সন্ত্রাসীরা। বৃহস্পতিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন চাঞ্চল্যকর এই তথ্য দিয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠান বিডি সার্ট। প্রতিবেদনে বলা হয়, মাইক্রোসফট এক্সচেঞ্জ সার্ভারের মাধ্যমে স্পর্শকাতর এসব প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে হামলা করেছে হাফনাম হ্যাকারস গ্রুপ। তথ্য প্রযুক্তিবিদরা বলছেন, মাইক্রোসফটের এই সেবাটি নিরাপত্তার দিক থেকে খুবই দুর্বল হওয়ায় সুযোগ নিয়েছে হ্যাকাররা।

মাত্র এক মাস আগেই, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ দেশের বেশ কয়েকটি আর্থিক ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলার শঙ্কায় প্রতিষ্ঠানগুলোকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছিলো সরকারের কম্পিউটার ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিম-সিআইআরটি। সংস্থাটির নজরে এসেছিলো, ক্যাসাব্লাংকা নামের একটি হ্যাকার গ্রুপের অপতৎপরতা।

মাস না পেরেতেই এবার সত্যিই হ্যাকারদের কবলে পড়েছে বাংলাদেশ। তবে ক্যাসাব্লাংকা নয় দুইশ’ প্রতিষ্ঠানের প্রযুক্তিকেন্দ্রিক নিরাপত্তার জাল ছিন্ন করেছে হংকং-ভিত্তিক হাফনাম হ্যাকারস গ্রুপ। এতে অনেক প্রতিষ্ঠানের গোপনীয় তথ্য ঝুঁকিতে পড়েছে উল্লেখ করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে চিঠিও দিয়েছে প্রযুক্তি-কেন্দ্রিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প বিডি সার্ট। যদিও এটিকে পুরোপুরি সাইবার হামলা বলছেন না প্রযুক্তিবিদরা।

প্রযুক্তিবিদ সালাউদ্দিন সেলিম বলেন, বিষয়ে তথ্যপ্রযুক্তিবিদ সালাউদ্দিন সেলিম বলেন, প্রতিবেদনে বলা হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ ২০০ প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফট এক্সেল সার্ভারে সাইবার হামলার শিকার হয়েছে। মাইক্রোসফটল এক্সেল সার্ভার হচ্ছে একটি উইন্ডোস বেজড ইমেইল সিস্টেম। ইমেইলের তথ্য আদান প্রদানের জন্যে এটি ব্যবহার হয়। এটাকে আসলে পরিপূর্ণ সাইবার হামলা বলা যায় না।

প্রতিবেদনের তথ্যমতে, বাংলাদেশ ব্যাংক, টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা -বিটিআরসি, বাংলাদেশ আর্মি, এভারকেয়ার হাসপাতাল, ট্রাস্ট ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকসহ তথ্য ঝুঁকিতে পড়েছে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। যাদের সবাই মাইক্রোসফটের ইমেইল সেবা এক্সেল ব্যবহার করেন, যা কিনা নিরাপত্তার দিক দিয়ে খুবই দুর্বল।

প্রযুক্তিবিদ সালাউদ্দিন সেলিম বলেন, এটি আসলে ইমেইল সিস্টেমের ওপর হামলা হয়েছে। বাংলাদেশে আরো অনেক ধরনের ইমেইল সিস্টেম ব্যবহার হয়। নিরাপত্তার দিক থেকে এই মাইক্রোসফট ইএমেইল সিস্টেম একটু দুর্বল প্রকৃতির। যদিও এটা একটা বড় ধরনের হামলা তাই এটাকে অবহেলার কিছু নেই। তবে আমি মনে করি এটা দ্রুত রিকোভার করা সম্ভব।

গত বছরের আগস্টে দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর উপর সাইবার হামলার আশঙ্কায় সতর্কতা জারি করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। উত্তর কোরিয়ার একটি হ্যাকার গ্রুপ এই হামলা চালাতে পারে এমন সতর্কতায় অনলাইন ব্যাংকিং সেবা সীমিত করার সঙ্গে সঙ্গে প্রায় সব ব্যাংকই রাতে বন্ধ রেখেছিলো এটিএম সেবা

সর্বশেষ আপডেটঃ ০৩. এপ্রিল ২০২১ ০৭:২০:পিএম ৫ বছর আগে
‘আয়নাবাজি’র নাবিলা মা হচ্ছেন - Ekotar Kantho

‘আয়নাবাজি’র নাবিলা মা হচ্ছেন

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ ‘আয়নাবাজি’ খ্যাত অভিনেত্রী মাসুমা রহমান নাবিলা মা হতে যাচ্ছেন। স্বামী জোবাইদুল হককে সঙ্গে নিয়ে ফেসবুকে বেবি বাম্পের একটি স্থিরচিত্র প্রকাশ করেছেন এই তারকা।

নাবিলা বলছেন, ‘এপ্রিলটা আমার জন্য বিশেষ মাস। এই এপ্রিলেই সবাইকে জানাতে চাই, আমাদের ঘরে আসছে নতুন অতিথি। আর সে আসবে জুলাইয়ে। সবাই নিরাপদ ও দূরত্ব মেনে চলুন।’

‘আয়নাবাজি’ খ্যাত এই তারকা বলেন, ‘ছেলে না মেয়ে হবে- এ বিষয়টি আমরা এখনো পরীক্ষা করাইনি। আমার স্বামী চাচ্ছেন, এটি আমাদের জন্য সারপ্রাইজ হিসেবে আসুক। চিকিৎসক বলেছেন, জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে সন্তান পৃথিবীর আলো দেখবে। তবে জুনের শেষ সপ্তাহেও হয়তো সুখবর দিতে পারি।’

বাংলাভিশনের ‘এবং ক্লাসের বাইরে’ অনুষ্ঠান দিয়ে শোবিজে নাবিলার যাত্রা শুরু। উপস্থাপনায় পরিচিতি পেলেও নাবিলাকে আলোচনায় এনে দেয় ২০১৬ সালে মুক্তি পাওয়া ‘আয়নাবাজি’ ছবিটি।

নাবিলার দাদাবাড়ি চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় হলেও তার বেড়ে ওঠা সৌদি আরবে। জন্ম সেখানেই। বাবার চাকরিসূত্রে তার কৈশোরের দিনগুলো কেটেছে জেদ্দা শহরে। ২০১৮ সালে জোবাইদুল হকের সঙ্গে পরিণয়ে আবদ্ধ হন নাবিলা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ০২. এপ্রিল ২০২১ ০৬:৪৩:পিএম ৫ বছর আগে
টাঙ্গাইলে পুকুর থেকে পরিত্যক্ত গ্রেনেড উদ্ধার - Ekotar Kantho

টাঙ্গাইলে পুকুর থেকে পরিত্যক্ত গ্রেনেড উদ্ধার

একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে পুকুর খনন করতে গিয়ে একটি পরিত্যক্ত গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (২৯ মার্চ) দুপুরে উপজেলার পাহাড়ী অঞ্চল সংগ্রামপুর ইউনিয়নের দক্ষিন কাউটে নগর গ্রামের একটি পুকুর থেকে পরিত্যক্ত এই গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়। এ সময় উৎসুক গ্রামবাসী গ্রেনেডটি একনজর দেখার জন্য পুকুরের চারিদিকে ভিড় জমায়।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, কাউটে নগড় গ্রামের আবুল বিএসসি নামের এক শিক্ষকের পুরাতন একটি পুকুর খনন করেন।পুকুরের মাটি স্থানীয় কবির নামে এক লোক  কিনে দোকান ভরাট করার সময় কোদালের মাথায় গ্রেনেডটি উঠে আসে।

বিষয়টি ঘাটাইল থানা পুলিশকে জানালে পরিত্যক্ত গ্রেনেডটি উদ্ধার করে ঘাটাইল থানায় নিয়ে আসে।

এ বিষয়ে সংগ্রামপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম মিয়া পুকুরে গ্রেনেড উদ্ধারের সত্যতা স্বীকার করে মুঠোফোনে জানান, খুব সম্ভবত স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যুদ্ধ শেষে গ্রেনেডটি পুকুরে ফেলেছে।

এ বিষয়ে ঘাটাইল থানার উপরিদর্শক (এসআই) মতিউর রহমান বলেন, আমরা গ্রেনেডটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে এসেছি। ঢাকা থেকে বিশেজ্ঞ টিম এসে এটা নিয়ে যাবে।

সর্বশেষ আপডেটঃ ৩০. মার্চ ২০২১ ০৩:৪২:এএম ৫ বছর আগে
কিশমিশ উপকারী না আঙুর ? - Ekotar Kantho

কিশমিশ উপকারী না আঙুর ?

একতার কন্ঠ ডেস্কঃ ফল হিসেবে আঙুর কার না প্রিয়? রসে ভরপুর স্বাধে পরিপূর্ণ এই ফল খুবই মুখোরোচক। আঙুরের শুকনো রূপ হচ্ছে কিশমিশ।আঙুর আমরা ফল হিসেবে খাই, আর কিশমিশ সেমাই, পায়েস এবং জর্দার স্বাধ বাড়ায়।

কিশমিশ এনার্জি বুস্টার হিসেবে পরিচিত এবং পটাশিয়াম, আয়রন এবং ক্যালসিয়ামের মতো পুষ্টিতে ভরপুর। কিশমিশ এবং আঙুরের পুষ্টিগুণ আলাদা হয়। তাই কারো জন্য আঙুর ভালো , কারো জন্য কিশমিশ।

এই প্রশ্নও উঠতে পারে এই দুইয়ের মধ্যে কোনটা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো? এ বিষয়ে স্বাস্থ্য বিষয়ক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট বোল্ড স্কাইয়ের প্রতিবেদনে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে-

* আঙুর শুকালো এতে চিনির পরিমাণ অনেক ঘন হয়ে যায়। তাই কিশমিশে আঙুরের চেয়ে বেশি চিনি থাকে। তাই যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন তাদের জন্য এটি ক্ষতিকারক।

* আমাদের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং বিভিন্ন রোগ সুরক্ষা পেতে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কিশিমিশে আঙুরের চেয়ে তিন গুণ বেশি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে। এই দিকটায় চিন্তা করলে কিশমিশ ভালো।

* আঙুর ও কিশমিশের মধ্যে বিচার করলে দেখা যায় যে, কিশমিশে আঙুরের চেয়ে বেশি ক্যালরি থাকে। চিনির মতোই ক্যালোরির ক্ষেত্রেও কিশমিশের অনেকটাই এগিয়ে আঙুরের চেয়ে। ডায়েটের ক্ষেত্রে আঙুরের চেয়ে কিশমিশ ভালো।

* মেদ ঝড়াতে আঙুরের থেকে কিশমিশের ভূমিকা বেশি। যারা ওজন কমাতে চান তাদের জন্য কিশমিশ ভালো বিকল্প হতে পারে।

কোনো ব্যক্তির প্রয়োজনের উপর নির্ভর করে কোনটি বেশি উপকারী। আপনি যদি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টকে বেশি গুরুত্ব দিতে চান, তাহলে কিশমিশ আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো বিকল্প। যদি সুগার বেশি থাকে তাহলে আঙুর খান।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. মার্চ ২০২১ ১০:৪৪:পিএম ৫ বছর আগে
কিডনিতে পাথর হয় কী কারণে জেনে নিন? - Ekotar Kantho

কিডনিতে পাথর হয় কী কারণে জেনে নিন?

একতার কণ্ঠঃ বয়স্কদের মতো শিশুদেরও হতে পারে কিডনি রোগ। দেশে ৪০ থেকে ৫০ লাখ শিশু বিভিন্ন ধরনের কিডনি রোগে ভুগছে। বয়স্কদের মতোই শিশুদের কিডনি রোগেরও উপসর্গ প্রায় একই রকম। করোনার সময়ে শিশু কিডনি রোগের ঝুঁকি রয়েছে আরো বেশি। শিশুদের কিডনি রোগের লক্ষণসহ নানা দিক নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিশু কিডনি বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. গোলাম মঈন উদ্দিন।

শিশুদের কিডনি রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রধান কারণ কি?

এ ব্যাপারে অধ্যাপক ডা. গোলাম মঈন উদ্দিন বলেন, সাধারণত জন্মগত বা বংশগত কারণে শিশুদের কিডনি রোগ হয়ে থাকে। বংশগত কারণে কিডনি রোগগুলো শিশু গর্ভে থাকা অবস্থাতেই ধরা পড়ে। তারপর শিশু জন্মের পর বেশকিছু লক্ষণ দেখা দেয়। যেমন: প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, শিশুর বেড়ে না ওঠা, হাত পা বাঁকা হয়ে যাওয়া, বমি, ইলেকট্রোলাইটিক ইমব্যালেন্স হওয়া, প্রস্রাবের সাথে রক্ত যাওয়া, ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব করা ইত্যাদি।

শিশুদের কিডনি বিকল হয় কেন?

শিশুদের কিডনি বিকল দুই রকমের। একটি আকস্মিক বা দ্রুত গতিতে কিডনি বিকল। যেটাকে বলা হয়, একিউট কিডনি ইনজুরি। আরেকটি হলো ধীরগতিতে কিডনি বিকল।

অধ্যাপক ডা. গোলাম মঈন উদ্দিন বলেন, আকস্মিক বা দ্রুত কিডনি বিকল হওয়ার কারণ হলো ডায়রিয়া বা বমির ফলে শিশু যখন ডিহাইড্রেশনে ভোগে, তখন কিডনিতে রক্তপ্রবাহ কম হয়। ডিহাইড্রেশনের কারণে শিশুকে ওরস্যালাইন খাওয়ানো না হলে তার কিডনি দ্রুতগতিতে বিকল হয়। এর ফলে প্রস্রাব কমে যায়।

তিনি বলেন, ডায়রিয়া বা বমির কারণে শরীরের যে ফ্লুইড লস হয়, তার ফলে শরীরে কিডনি বিকল হয়ে যায় আকস্মিকভাবে। যেকোনো ইনফেকশনের কারণে কিডনি বিকল হয়। প্রদাহের ফলে কিডনি বিকল হতে পারে। এটাও আকস্মিক কিডনি বিকল। এছাড়াও বর্ষাকালে মৌমাছি অথবা সাপের কামড়ের ফলে এই বিষ শরীরে গিয়ে কিডনি বিকল হতে পারে। কিছু কিছু ওষুধের কারণে কিডনি বিকল হয়ে থাকে। প্রস্রাবের রাস্তায় জন্মগত ত্রুটি থাকলে কিডনি বিকল হতে পারে।

কী কারণে কিডনিতে পাথর হয়?

এ ব্যাপারে অধ্যাপক ডা. গোলাম মঈন উদ্দিন বলেন, জন্মগত কারণে এ ধরনের রোগ হয়ে থাকে। বিশেষ করে আত্মীয়দের মধ্যে বিয়ে হলে এ ধরনের রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। মূত্রনালীতে ব্লক থাকলে, স্টেসিস থাকলে কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

শিশুরা কিডনি রোগে আক্রান্ত কিনা বুঝবেন কীভাবে?

এক্ষেত্রে লক্ষণীয় উপসর্গগুলো হলো শিশু ঘুম থেকে ওঠার পর চোখ মুখ ফুলে যাওয়া, প্রস্রাবের চাপ কমে আসা, হাতে-পায়ে পানি চলে আসা, পেটে পানি চলে আসা, প্রস্রাব কমে যাওয়া। প্রস্রাবের সাথে রক্ত যাওয়া, প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া, জ্বর, বমি বমি ভাব।

অধ্যাপক ডা. গোলাম মঈন উদ্দিন বলেন, ক্রিয়েটিনিনের মাত্রা বেড়ে গেলে মাথাব্যথা, খিচুনি এসব উপসর্গ দেখা দেয়। এছাড়াও শিশুদের রক্তশূন্যতা, ক্ষুধামন্দা, দুর্বলতা, ওজন কম হওয়া ইত্যাদি উপসর্গও দেখা দিতে পারে। তাহলে অভিভাবকরা শিশুদের নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যাবেন।

দেশে শিশু কিডনি রোগীর সংখ্যা কত?

দেশে ৪০ থেকে ৫০ লাখ শিশু বিভিন্ন ধরনের কিডনির নানা রোগে ভুগছে। শিশুরা জন্মগত এবং বংশগত কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়। জন্মগত কিডনি রোগগুলো অনেকটাই আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে ধরা পড়ে। জন্মের পরে কিডনি রোগ প্রস্রাবে ইনফেকশন, নেফ্রোটিক সিনড্রোম, ড্রাগ এর ফলে কিছু ইনফেকশন হয়। এছাড়া ডিহাইড্রেশন, কিডনি ছোট হওয়া, ডান অথবা বাম যেকোনো এক পাশে দু’টো কিডনি চলে যাওয়াসহ কিডনির সব ধরণের রোগ নিয়েই শিশুরা শিশু কিডনি বিশেষজ্ঞদের কাছে যায়।

সূত্র: ডক্টর টিভি

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৮. মার্চ ২০২১ ০৫:৩১:এএম ৫ বছর আগে
৪১ টি পদে লোক নেবে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ - Ekotar Kantho

৪১ টি পদে লোক নেবে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ

একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জনবল নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে ৪টি পদে নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি নেবে ৪১ জন। আগ্রহীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। ব্যক্তিগত সহকারী, ডেটা এন্ট্রি অপারেটর, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ও নমুনা সংগ্রহ সহকারী পদে আবেদন শুরু হবে ১২ এপ্রিল থেকে।

 

পদের নাম: ব্যক্তিগত সহকারী
পদের সংখ্যা: ৬টি
আবেদনের যোগ্যতা: কমপক্ষে স্নাতক পাস হতে হবে। স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান থেকে কম্পিউটার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।
বেতন: ১০২০০-২৪৬৮০ টাকা

 

পদের নাম: ডেটা এন্ট্রি অপারেটর
পদের সংখ্যা: ৩টি
আবেদনের যোগ্যতা: কমপক্ষে উচ্চমাধ্যমিক পাস। কম্পিউটারে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত।
বেতন: ৯৩০০-২২৪৯০ টাকা

 

পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
পদের সংখ্যা: ৭টি
আবেদনের যোগ্যতা: কমপক্ষে উচ্চমাধ্যমিক পাস হতে হবে। কম্পিউটার চালনায় পারদর্শী হতে হবে। টাইপিংয়ে গতি থাকতে হবে।
বেতন: ৯৩০০-২২৪৯০ টাকা

 

পদের নাম: নমুনা সংগ্রহ সহকারী
পদের নাম: ২৫টি
আবেদনের যোগ্যতা: কমপক্ষে উচ্চমাধ্যমিক পাস হতে হবে। কম্পিউটার চালনায় পারদর্শী হতে হবে।
বেতন: ৯৩০০-২২৪৯০ টাকা

 

আবেদন যেভাবে
আগ্রহীরা অনলাইনে http://bfsa.teletalk.com.bd এই ঠিকানায় আবেদন করতে পারবেন।

 

আবেদনের শেষ সময়
ব্যক্তিগত সহকারী, ডেটা এন্ট্রি অপারেটর, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ও নমুনা সংগ্রহ সহকারী পদে আবেদন করা যাবে আগামী ১১ মে পর্যন্ত।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৬. মার্চ ২০২১ ০৯:৫৬:পিএম ৫ বছর আগে
তিন নকশার নতুন মুদ্রা আসছে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে - Ekotar Kantho

তিন নকশার নতুন মুদ্রা আসছে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে

একতার কণ্ঠঃ স্বাধীনতার ৫০ বছর উদ্‌যাপন উপলক্ষে তিন নকশার মুদ্রা বাজারে ছাড়বে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে ৫০ টাকার একটি স্মারক নোট ও একটি প্রচলিত নোট এবং ৫০ টাকা মূল্যমানের রৌপ্য স্মারক মুদ্রা একটি। ২৮ মার্চ থেকে এসব নোট বাজারে ছাড়া হবে। প্রথমে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিসে পাওয়া যাবে এসব অপ্রচলিত ও প্রচলিত মুদ্রা। এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিসংবলিত বর্তমানে প্রচলিত ৫০ টাকা মূল্যমান ব্যাংক নোটে বিদ্যমান রং ও নকশা ডিজাইন (সম্মুখভাগে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি এবং পেছন ভাগে ‘মই দেওয়া’ জলরং শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন) অপরিবর্তিত রেখে নোটের সম্মুখভাগের ডান দিকে জলছাপ এলাকার কাছে লাল-সবুজ রঙে একটি পৃথক স্মারক লোগো সংযোজন করা হয়েছে। শতভাগ কটন কাগজে মুদ্রিত এবং গভর্নর ফজলে কবির স্বাক্ষরিত ৫০ টাকা মূল্যমানের স্মারক ব্যাংক নোটটিতে ব্যাংক নোটের অন্য সব নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য অপরিবর্তিত থাকবে। এই নোট ৫০ টাকা মূল্যমানের অন্য নোটগুলোর মতো দৈনন্দিন লেনদেনেও ব্যবহৃত হবে।

এদিকে ৫০ টাকা মূল্যমান স্মারক নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির স্বাক্ষরিত এ স্মারক নোটের সম্মুখভাগের বাঁ পাশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি এবং নোটের ডান দিকে জলছাপ এলাকার নিকটে স্মারক লোগো মুদ্রিত রয়েছে। নোটের ওপরে মাঝখানে ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ১৯৭১-২০২১’ লেখা রয়েছে। এ ছাড়া নোটের ওপরে ডান কোণে স্মারক নোটের মূল্যমান ইংরেজিতে ‘৫০ ’, নিচে ডান কোণে মূল্যমান বাংলায় ‘৫০’ লেখা রয়েছে। নোটের পেছন ভাগে ‘১৯৭১: মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বপূর্ণ অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক বীর মুক্তিযোদ্ধাদের একটি ছবি মুদ্রিত রয়েছে।

শতভাগ কটন কাগজে মুদ্রিত ৫০ টাকা মূল্যমান স্মারক নোটটির সম্মুখভাগে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির ডানে ২ মিলিমিটার চওড়া নিরাপত্তা সুতা রয়েছে এবং নোটের ডানদিকে জলছাপ হিসেবে ‘বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি’, ‘৫০’ এবং ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম’ মুদ্রিত রয়েছে। ৫০ টাকা মূল্যমান স্মারক নোটটির জন্য পৃথকভাবে বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় লেখাসংবলিত ফোল্ডার প্রস্তুত করা হয়েছে। ফোল্ডার ছাড়া শুধু খামসহ স্মারক নোটটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ টাকা এবং ফোল্ডার, খামসহ স্মারক নোটটির মূল্য ১০০ টাকা।

৫০ টাকা মূল্যমান রৌপ্য স্মারক মুদ্রার ওজন ৩০ গ্রাম। স্মারক মুদ্রাটির সম্মুখভাগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি (৭ মার্চের ভাষণ), প্রতিকৃতির নিচে মূল্যমান কথায় ও অঙ্কে ‘পঞ্চাশ ৫০ টাকা’ এবং প্রতিকৃতির ওপরে অর্ধবৃত্তাকারভাবে ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ১৯৭১-২০২১’ লেখা রয়েছে। স্মারক মুদ্রার পেছন ভাগে ইংরেজিতে ‘৫০’ এবং ‘ঙ’ এর মাঝখানে ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রাম’ ও এর নিচে ‘১৯৭১-২০২১’ মুদ্রিত রয়েছে। রৌপ্য স্মারক মুদ্রাটির মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে স্মারক বাক্সসহ ৪,০০০ টাকা।

সর্বশেষ আপডেটঃ ২৯. মার্চ ২০২১ ০৮:৩৪:পিএম ৫ বছর আগে
কপিরাইট © ২০২২ একতার কণ্ঠ এর সকল স্বত্ব সংরক্ষিত। এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি ।