আরমান কবীরঃ টাঙ্গাইলে সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর দখল থেকে উদ্ধার করা জমিতে আধুনিক কাঁচাবাজার নির্মিত হচ্ছে। টাঙ্গাইল পৌরসভা জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে অস্থায়ী ভিত্তিতে বাৎসরিক ইজারা নিয়ে সেখানে বাজার নির্মাণ করছে। উদ্ধার করা ওই জমিতে শেখ রাসেল শিশুপার্ক করার কথা ছিল। কিন্তু বিভিন্ন জটিলতা থাকার কারণে পার্ক নির্মাণ করা যায়নি বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। শহরের আকুরটাকুর পাড়ায় সড়কের ওপর বটতলা বাজার স্থানান্তর করে উদ্ধার করা ওই জমিতে কাঁচাবাজার নির্মিত হচ্ছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, শহরের আকুরটাকুর পাড়া মৌজায় ২৪২ খতিয়ানের ৭৮৮ দাগে ৬৬ শতাংশ অর্পিত সম্পত্তি মামলা মূলে ১৯৭২ সালে ইজারা নেন সাবেক মন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী। ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত নিয়মমতো লিজমানি পরিশোধ করেন। এরপর দীর্ঘ সময় তিনি ইজারার শর্ত ভঙ্গ করেন। এ ছাড়া টাঙ্গাইল জেলা জজ আদালতে ওই জমির মালিকানা দাবি করে মামলা করেন। মামলায় তিনি ডিক্রিও পান। সরকারপক্ষ জেলা জজ আদালতে রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে লিভ টু আপিল করেন। ওই সিভিল রিভিশন মামলায় সরকারপক্ষে রায় দেন আদালত। এ ঘটনায় আবদুল লতিফ সিদ্দিকী উচ্চ আদালতে সরকারপক্ষের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে লিভ টু আপিল করেন। সুপ্রিম কোর্টও সরকারের পক্ষে রায় দেন। পরে গত ২৪ জানুয়ারি আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর অবৈধভাবে দখলে রাখা ৬৬ শতাংশ জমি উদ্ধার করে জেলা প্রশাসন।
এদিকে আকুরটাকুর পাড়ার কয়েকজন ঘনবসতি এলাকা হওয়ায় সেখানে বাজার না করার দাবি জানিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে চিঠি দিয়েছেন।
স্থানীয় মাসুদ রানা, রাসেল সিদ্দিকী, সংগ্রাম খন্দকার, সৈয়দ সাদেক জানান, এলাকাটির একদিকে জেলা সদর রোড় অন্য দিকে তালতলা রোড়। এখানে বাজার বসলে চলাচল করা কষ্টকর হয়ে পড়বে। আবাসিক এলাকায় নতুন করে বাজার বসানো সিদ্ধান্তটি সঠিক হয়নি। এখানে শিশুদের জন্য বিনোদন কেন্দ্র চাই, বাজার নয়।
জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি জানান, উদ্ধার করা জমির বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানালে তারা পার্ক না করে জনহিতকর কোনো কাজে ব্যবহার করার পরামর্শ দেন। এ ছাড়া জমিটি ক তফসিলভুক্ত অর্পিত সম্পত্তি হওয়ায় সরকারি কোনো দপ্তরকে স্থায়ী ভিত্তিতে দেওয়া যায়নি। মাসিক উন্নয়ন সভায় বিভিন্ন মহল থেকে উদ্ধার করা ওই জায়গায় সড়কের ওপর অবস্থিত বটতলা বাজার স্থানান্তরের দাবি তোলা হয়। সভার সিদ্ধান্ত নিয়ে বিভিন্ন শর্তসাপেক্ষে টাঙ্গাইল পৌরসভাকে অস্থায়ীভাবে বাৎসরিক ইজারা দেওয়া হয়েছে। সেখানে ৬৭টি কাঁচা সেমিপাকা দোকান হবে। পয়ঃনিস্কাশনের ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ ‘অফিসার, এজেন্ট সাপোর্ট’ পদে লোকবল নিতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড। অভিজ্ঞতা ছাড়াই যোগ্যতা অনুযায়ী প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন অনলাইনে।
পদের নাম: অফিসার, এজেন্ট সাপোর্ট
পদ সংখ্যা: অনির্দিষ্ট
যোগ্যতা: যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে কোনো বিষয়ে ন্যূনতম স্নাতক অথবা স্নাতকোত্তর পাস।
অভিজ্ঞতা: প্রয়োজন নেই
কর্মস্থল: ঢাকা
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
বয়স: অনির্ধারিত
আবেদনের প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা ওই প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন, https://www.bracbank.com/career/
আবেদনের শেষ তারিখ: আগ্রহীরা আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরও এক জনের মৃত্যু হয়েছে। তার বাড়ি জেলার মির্জাপুর উপজেলায়। জেলায় করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন মোট ১০৮জন। এছাড়া ২৯৩টি নমুনা পরীক্ষায় নতুন করে ১০১ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ৩৪ দশমিক ৪৭ শতাংশ। রোবার(২৭ জুন) সকালে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, নতুন আক্রান্তদের মধ্যে- টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ২৩ জন, ঘাটাইলে ২৩, কালিহাতীতে ১৭, গোপালপুরে ১২ জন, নাগরপুরে এক জন, দেলদুয়ারে নয় জন, সখীপুরে তিন জন, মধুপুরে নয় জন, ভূঞাপুরে চার জন রয়েছেন। জেলায় করোনায় আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা সাত হাজার ৩৩ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছে চার হাজার ৫৫৬জন।
সিভিল সার্জন জানান, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিটে এ পর্যন্ত মোট ৪৪৪ জন রোগী ভর্তি হয়। তাদের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩১৯ জন। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর(রেফার্ড) করা হয়েছে ৬৬ জন। বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনালে হাসপাতালে করোনা ডেডিকেডেট আইসিইউ বেডে পাঁচ ও জেনারেল বেডে ২৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। অন্যদিকে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কপ্লেক্সে পাঁচ জন ও মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের করোনা ইউনিটে তিন জনসহ জেলায় মোট ৩৬ জন চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধুসেতু-ঢাকা মহাসড়কে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পাথাইলকান্দি নামকস্থানে(২ নং ব্রিজ) রবিবার (২৭ জুন) ভোরে দুই পিকআপভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে একজন নিহত ও আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি।
এলেঙ্গা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ফায়ারম্যান রুবেল রানা জানান, উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা ময়মনসিংহ গামী আম বোঝাই একটি পিকআপভ্যান মহাসড়কে পাথাইলকান্দি ২ নম্বর ব্রিজের কাছে পৌঁছলে উত্তরবঙ্গগামী অপর একটি পিকআপভ্যানের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ময়মনসিংহগামী পিকআপভ্যানটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে আম বোঝাই পিকআপভ্যানের হেলপার ঘটনস্থলেই মারা যান। পিকআপ চালকসহ পাঁচজনকে গুরুতর আহতাবস্থায় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ অবৈধ পথে হ্যান্ডসেট আমদানি বন্ধে আগামী পহেলা জুলাই ন্যাশনাল ইক্যুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্ট্রার (এনইআইআর) সার্ভার চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা-বিটিআরসি। এই প্রক্রিয়ায় আগামী ৩০ জুনের মধ্যে অবৈধ ও নকল মোবাইল হ্যান্ডসেট বন্ধ করা হবে।
১ জুলাই থেকে নতুন ক্রয় করা কিংবা দেশে প্রবেশ করা হ্যান্ডসেটের নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হবে। ওইদিন থেকে যেসব হ্যান্ডসেট নেটওয়ার্কে যুক্ত হবে তার মধ্যে কোনোটি অবৈধ হয়ে থাকলে গ্রাহককে জানিয়ে তিন মাস সময় বেঁধে দেওয়া হবে।
ওই তিন মাসের মধ্যে গ্রাহক তার মোবাইল ফোনটি বৈধ করে নিলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেটি নিবন্ধিত হয়ে যাবে। তিন মাস পর অবৈধ হ্যান্ডসেটে কোনো সিমই কাজ করবে না। এ নিয়ে সরকার পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
বিদেশ থেকে বৈধভাবে কিনে আনা বা উপহার পাওয়া হ্যান্ডসেট দেশে চালু করার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবেই নেটওয়ার্কে সচল হবে। এ ধরনের গ্রাহককে দশ দিনের মধ্যে অনলাইনে তথ্য বা দলিল দিয়ে নিবন্ধন করার জন্য এসএমএস পাঠানো হবে। দশ দিনের মধ্যে নিবন্ধন হয়ে গেলে ওই হ্যান্ডসেট ‘বৈধ’ বিবেচিত হবে। আর তা না হলে হ্যান্ডসেটটি অবৈধ বিবেচনা করে গ্রাহককে এসএমএস-এর মাধ্যমে জানানো হবে। তাদের ক্ষেত্রেও পরীক্ষাকালীন ওই তিন মাস হ্যান্ডসেট নেটওয়ার্কে চালু রেখে পরে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিদেশ থেকে আনা বা উপহার পাওয়া হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের জন্য neir.btrc.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে গ্রাহককে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। তার পোর্টালের Special Registration সেকশনে গিয়ে মোবাইল হ্যান্ডসেটের আইএমইআই নম্বরটি দিতে হবে।
প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসের ছবি/স্ক্যান কপি (যেমন পাসপোর্টের ভিসা/ইমিগ্রেশনের তথ্য, ক্রয় রসিদ ইত্যাদি) আপলোড করে Submit করতে হবে। হ্যান্ডসেটটি বৈধ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধিত হবে। বৈধ না হলে এসএমএস-এর মাধ্যমে গ্রাহককে জানিয়ে পরীক্ষাকালীন সময়ের জন্য নেটওয়ার্কে যুক্ত রাখা হবে। পরীক্ষামূলক সময় পার হলে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেবে বিটিআরসি। মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের সাহায্যেও এ সেবা নেওয়া যাবে।
বর্তমান ব্যাগেজ রুলস অনুযায়ী একজন ব্যক্তি বিদেশ থেকে বিনা শুল্কে সর্বোচ্চ দুটি এবং শুল্ক দিয়ে আরও ছয়টি হ্যান্ডসেট সঙ্গে আনতে পারেন।
হাতে থাকা মোবাইল হ্যান্ডসেটের বৈধতা যাচাই
যে কেউ চাইলে তার হাতে থাকা মোবাইল হ্যান্ডসেটের বর্তমান অবস্থা জেনে নিতে পারেন। এ ক্ষেত্রে মোবাইল হ্যান্ডসেটে *১৬১৬১# নম্বরে ডায়াল করতে হবে। স্ক্রিনে অপশন এলে Status Check সিলেক্ট করতে হবে। তখন একটি অটোমেটিক বক্স আসবে, সেখানে মোবাইল হ্যান্ডসেটের ১৫ ডিজিটের IMEI নম্বরটি লিখে পাঠাতে হবে। গ্রাহকের মোবাইলে তখন হ্যাঁ/না অপশন সংবলিত একটি অটোমেটিক বক্স আসবে। তাতে হ্যাঁ Select করে নিশ্চিত করতে হবে। ফিরতি মেসেজে ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের বা হ্যান্ডসেটের হালনাগাদ অবস্থা জানানো হবে। এছাড়া neir.btrc.gov.bd ওয়েব লিংকে গিয়ে বিদ্যমান সিটিজেন পোর্টাল এবং মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ার সেন্টারেও এ সেবা মিলবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল ও এলেঙ্গা পৌর এলাকায় মঙ্গলবার(২২ জুন) ভোর ৬টা থেকে সাত দিনের কঠোর বিধিনিষেধ চলছে। কিন্তু কঠোর বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে শহরের নতুন বাসটার্মিনাল থেকে মঙ্গলবার ভোরে দূর পাল্লার কিছু যাত্রীবাহী বাস ছেড়ে গেছে। কঠোর বিধি নিষেধের কারণে শহরের মার্কেট ও বিপণি বিতানগুলো বন্ধ রয়েছে। তবে কিছু কিছু ব্যাটারী চালিত অটোরিকশা ও ইজিবাইক চলাচল করছে। একই সাথে শহরের গুরুত্বপূর্ণ পয়েণ্টে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে কাজ করছে।
এদিকে, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা দশকের ঘর পেরিয়ে ১০১- এ দাঁড়াল।
সরেজমিনে টাঙ্গাইল শহরের প্রাণকেন্দ্র নিরালা মোড়, বটতলা মোড়, শান্তিকুঞ্জ মোড়, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, কুমুদিনী কলেজ মোড়, নতুন বাস টার্মিনাল, বেবীস্ট্যান্ড ঘুরে যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায়নি। কোথাও জনসমাগম লক্ষ করা যায়নি। তবে মঙ্গলবার সকালে নতুন বাসটার্মিনাল থেকে ঢাকা, ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন গন্তব্যে দূর পাল্লারর বাস ছেড়ে যায়। পরিবহন কর্মীরা জানান, বাস বন্ধ করার কোন নির্দেশনা তারা পাননি, তাই গাড়ি চালাচ্ছেন।
জেলা বাস মিনিবাস শ্রমিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক চিত্তরঞ্জন দাস জানান, জেলা প্রশাসনের অনুমতিতে রাবনা বাইপাস থেকে দূরপাল্লার বাস চলাচল করছে। কোন বাস শহরে প্রবেশ করছে না। প্রশাসনের নির্দেশনা মেনে যানবাহন চালানো হচ্ছে।
এছাড়া শহরের প্রবেশমুখ আশেকপুর বাইপাস রোড, বিলঘারিন্দা রোড, এলজিইডি রোড, ধুলেরচর মাদ্রাসা রোড, কাগমারী কলেজ রোড, বেড়াডোমা-বাঘিল রোড, বাজিতপুর-দেলদুয়ার রোডে পুলিশি ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। শহরের সড়কগুলো ফাঁকা পেয়ে স্থানীয় কতিপয় কিশোর-যুবক বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়।
শহরের পাইকারী কাঁচা বাজার পার্ক বাজার, বটতলা, ছয়আনী, বেবীস্ট্যান্ড, সাবালিয়া, আমিন বাজার, বউ বাজার সহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে ক্রেতা-বিক্রেতা কাউকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা যায়নি। উন্মুক্তস্থানে কাঁচা বাজার বসানোর নির্দেশনা থাকলেও কোন বাজারেই তা করা হয়নি। এ বিষয়ে স্ব স্ব বাজার কমিটি ও স্থানীয় প্রশাসনের কোন তৎপরতা দেখা যায়নি।
উন্মুক্ত স্থানে কাঁচা বাজার বসানো প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) রানুয়ারা বেগম জানান, জেলার সর্ববৃহৎ পার্ক বাজারটি পৌরসভার নিয়ন্ত্রণে। এ বিষয়ে পৌরসভা কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, দ্রুতই তারা পার্ক বাজারের পাশে কেন্দ্রীয় ঈদগাঁ মাঠে সাময়িকভাবে স্থানান্তরের ব্যবস্থা গ্রহন করবে। কাঁচা বাজার সাময়িক স্থানান্তরে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় বিপিএম জানান, কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়নের জন্য টাঙ্গাইল পৌর এলাকায় পুলিশের ১৩টি চেকপোস্ট ও এলেঙ্গা পৌর এলাকায় পাঁচটি চেকপোস্টের মাধ্যমে তদারকি করা হচ্ছে।
টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান জানান, কঠোর বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। এ বিষয়ে তিনি নাগরিক সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সহায়তা প্রত্যাশা করেন।
একতার কণ্ঠঃ রাস্তায় চলার সময় বিশেষ করে বাইক রাইডে নিরাপত্তার জন্য হেলমেট ব্যবহার চোখে পড়ে। কিন্তু কেমন হবে যদি মানুষের মন বুঝতে পারে এমন একটি হেলমেট? হ্যাঁ, এমনই এক হেলমেট তৈরি করেছে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার একটি স্টার্ট-আপ প্রতিষ্ঠান কর্নেল। শিগ্গির এটি বাজারে আনা হবে বলে জানিয়েছে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি।
উদ্ভাবিত হেলমেটের ওজন দুই পাউন্ডের মতো। এটি ৫০ হাজার ডলারেই কেনা যাবে। মস্তিষ্কের রক্ত সঞ্চালন ও ইলেক্ট্রনিক্স ইমপালসের ভিত্তিতে এটি কাজ করবে। কর্নেলের প্রধান নির্বাহী ব্রায়ান জনসন বলেন, ‘আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যেই আমরা হেলমেটটি বাজারে আনব। এটি সহজেই মানুষের মনের ভাষা শনাক্ত করতে পারবে। তাছাড়া এটি মস্তিষ্কের বয়স বেড়ে যাওয়া, মানসিক রোগ বা এর পেছনের কারণ এবং বিভিন্ন মেটাফিজিক্যাল ডিসঅর্ডার শনাক্ত করার কাজ করতে সক্ষম।’
ব্রায়ান জনসন আরও বলেন, হেলমেটটি তৈরি করতে পাঁচ বছরেরও বেশি সময় লেগেছে। ‘এর মাধ্যমে আপনি উচ্চ রক্তচাপ ও কোলেস্টরল স্বাভাবিক আছে কী না সেটি পরীক্ষা করতে পারবেন।’ জনসন বলেন, ‘মানুষের মস্তিষ্ক নিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা করেই এটি তৈরি করা হয়েছে। আগামী ১০ বছরের মধ্যে হেলমেটটি স্মার্টফোন রেঞ্জের ভেতর আনতে চাই।’
মনোবিজ্ঞানী ও চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ নিয়ে জনসন ক্যালিফোর্নিয়ায় স্টার্ট-আপ প্রতিষ্ঠান কর্নেল প্রতিষ্ঠা করেন। কারণ তখন তার মাথায় ঘুরছে এমন একটি হেলমেট বানানোর উচ্চাকাক্সক্ষা যা মানুষের মনের কথা বুঝতে পারবে। এর মাধ্যমে মস্তিষ্কের বয়স বৃদ্ধি, বিভিন্ন মানসিক রোগ কিংবা এর পেছনের কারণসহ আরও নানা কাজ করা সম্ভব।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার সাদাৎ তানাকা শনিবার(১৯ জুন) দিনগত রাতে পারদিঘুলিয়ার নিজ বাসায় ঘুমের মধ্যে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে ইন্তেকাল করেছেন(ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
তিনি শহরের পারদিঘুলিয়ার বীরমুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ বীরবিক্রমের জ্যেষ্ঠ পুত্র ও জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৬ বছর। তিনি মা, বাবা, স্ত্রী এক ছেলে সহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
কাউন্সিলর আনোয়ার সাদাৎ তানাকার বাবা আবুল কালাম আজাদ বীরবিক্রম জানান, প্রতিদিনের ন্যায় তানাকা শনিবার (১৯ জুন) রাতে ঘুমোতে যায়। রোববার(২০ জুন) সকালে তার মা ঢাকা যাওয়ার সময় তাকে ডাকাডাকি করেন। ঘুম থেকে না উঠায় শরীর ধরে ধাক্কা দেন। কোন সাড়া না দেওয়ায় দ্রুত তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। রোববার বাদ যোহর পারদিঘুলিয়া জামে মসজিদে তার জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজা নামাজে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেন, সাবেক এমপি আমানুর রহমান খান রানা, পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আলমগীর খান মেনু, জেলা বাস কোচ মিনিবাস মালিক সমিতির মহাসচিব গোলাম কিবরিয়া বড়মনি, জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মির্জা আনোয়ার হোসেন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক মাতিনুজ্জামান খান সুখন, পৌরসভার কাউন্সিলরবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেয়। পরে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
প্রসঙ্গত, গত ৩০ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত টাঙ্গাইল পৌরসভা নির্বাচনে আনোয়ার সাদাৎ তানাকা ৪নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের হার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় টাঙ্গাইল পৌরসভা ও কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা পৌর এলাকায় মঙ্গলবার(২২ জুন) সকাল ৬টা থেকে সাত দিনের কঠোর বিধিনিষেধ জারি করেছে জেলা প্রশাসন। রবিবার (২০ জুন) দুপুরে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় সভাপতি ও জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গনি এ ঘোষণা করেন ।
জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি জানান, করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করতে টাঙ্গাইল শহর ও কালিহাতীর এলেঙ্গা পৌর এলাকায় ২২ থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত সাত দিনের সর্বাত্মক কঠোর বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। এসব এলাকার কাঁচাবাজার, ওষুধের দোকান, অ্যাম্বুলেন্স ও জরুরি পণ্য পরিবহন ছাড়া হোটেল ও মার্কেটসহ সবই বন্ধ থাকবে। এ সময় সকল ধরণের গণপরিবহন, রিকশা, ইজিবাইক, সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালানো যাবেনা। এক সপ্তাহ পরে করোনা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক, টাঙ্গাইল-৫(সদর) আসনের সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেন, সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ।
এদিকে, টাঙ্গাইল জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকাল পর্যন্ত ১৫৩টি নমুনা পরীক্ষায় ৪৭ জনের করোনা পজিটিভ এসেছে।
জেলায় আক্রান্তের হার ৩০দশমিক ৭১শতাংশ। আক্রান্তদের মধ্যে সদর উপজেলায় ১৭ জন, কালিহাতীতে ১৭ জন, ঘাটাইলে ৯ জন, সখীপুরে ৪ জন রয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ছয় হাজার ১০৯ জন। এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছে চার হাজার ৩৯৬ জন। করোনাক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে ৯৮ জন।
মহাগ্রন্থ আল কোরআনের ভাঁজে ভাঁজে রয়েছে মানব কল্যাণের অনন্য সব উপায়-উপকরণ। প্রতিটি আয়াত মুমিনের হৃদয়ে জাগায় স্রষ্টা প্রেম, বাজে পূত প্রেমের ব্যঞ্জনা। আয়াতুল কুরসি তেমনই একটি।
প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর কোরআনুল কারিমের মর্যাদাপূর্ণ আয়াত ‘আয়াতুল কুরসি’ পাঠ করা সুন্নাত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিয়মিত এ আমল করতেন।
পবিত্র এ আয়াতটি পরকালীন সফলতার বাতিঘর। হজরত উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত নবী করিম (সা.) বলেন, ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পাঠকারী মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে পাবে জান্নাত- (সুনানে নাসায়ি : ৯৯১৮)।
যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর ‘আয়াতুল কুরসি’ পড়ে, ওই ব্যক্তি ও জান্নাতের মাঝে এতোটুকু দূরত্ব থাকে যে, সে যেন শুধুমাত্র মৃত্যুবরণ করেনি বলেই (কবরে) জান্নাতের নেয়ামতগুলো উপভোগ করতে পারছে না।
এ আয়াত পাঠে পার্থিব নিরাপত্তাও রয়েছে। সহিহ বুখারির ঘটনা, একবার কিছু ফিতরার খাদ্যসামগ্রী নবী (সা.)-এর হাতে এলো। তিনি এগুলোর পাহারায় নিযুক্ত করলেন আবু হুরায়রা (রা.)কে। সজাগ দৃষ্টিতে পাহারা দিচ্ছেলেন তিনি। সময়ের পরিবর্তনে দিন শেষে রাত এলো।
আবু হুরায়রা (রা.) দেখলেন ফিতরার খাদ্যসামগ্রী থেকে এক লোক চুরি করছে। তিনি দৌড়ে তাকে ধরলেন। বললেন, ‘অসহায়ের খাবারে হাত দেয়ার সাহস কোথায় পেলে? দাঁড়াও। সকাল হোক। তোমাকে নবীজির বিচারের মুখোমুখি করব।’
চোর ভয়ে কাতর হয়ে বলল, ‘আমি খুব অসহায়। স্ত্রী-সন্তানের মুখে দেয়ার মতো কিছুই নেই। অভাবে পড়ে ভুল করেছি। ক্ষমা চাই। ওয়াদা করছি, আর কখনও চুরি করব না।’ চোরের কথায় তার মনে দয়া হল। ছেড়ে দিলেন তাকে।
রাত শেষে সকাল এলো। নবী (সা.) বললেন, ‘আবু হুরায়রা! তোমার বন্দির খবর কী? তিনি নবীজিকে বিস্তারিত বললেন।
নবীজি বললেন, ‘সে আবার আসবে।’ ঠিকই চোর পরের রাতে এলো। দয়ালু আবু হুরায়রা তাকে আবারও ছেড়ে দিলেন। সকালে নবীজি (সা.) তার থেকে রাতের গল্প শুনে বললেন, সাবধান থেক আবু হুরায়রা! সে আবার আসবে।’
প্রিয় নবীর কথা তো মিথ্যা হওয়ার নয়। সে আবার এলো। আবু হুরায়রা (রা.) এবার কঠোর। বললেন, ‘তুমি ধোঁকাবাজ, মিথ্যুক। দুইবার ওয়াদা ভেঙেছ। তোমাকে আর ছাড়ছি না।’ অবস্থা বেগতিক দেখে চোর বলল, ‘আমাকে ছেড়ে দিলে তোমাকে কল্যাণকর কিছু শেখাব।’
তিনি বললেন, ‘তা কী?’ চোর বলল, ‘প্রতিদিন আয়াতুল কুরসি পড়ে ঘুমিও। সকাল পর্যন্ত তোমার নিরাপত্তায় আল্লাহ পাক ফেরেশতা নিযুক্ত করে দেবেন। রাত কাটাবে প্রভুর নিরাপত্তার চাদরে।’ আবু হুরায়রা (রা.) অনন্য এ জ্ঞানের বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দিলেন।
সকাল হল। নবী (সা.) বন্দি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি রাতের পুরো ঘটনা শোনালেন। সব শুনে নবীজি বললেন, তুমি জান সে কে? তিনি বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন। তখন নবী (সা.) বললেন, সে ইবলিশ। সে মিথ্যুক হলেও তোমাকে যা বলেছে তা পুরোপুরি সত্য। (সহিহ বুখারি : ২৩১১)
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ৬ নং দিঘলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম (৫২) করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি—-রাজেউন)। শুক্রবার (১৮ জুন) সকাল ১১টার দিকে তিনি মারা যান। তার গ্রামের বাড়ি উপজেলার নাটশালা গ্রামে।
স্থানীয় প্রশাসন ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি তিনি করোনা উপসর্গ নিয়ে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে নমুনা পরীক্ষায় তার করোনা পজেটিভ আসে। সেখান থেকে তিনি গত বুধবার বাড়িতে চলে আসেন। বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকাকালে শুক্রবার সকালে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পথে তিনি মারা যান। তিনি দিঘলকান্দি ইউনিয়নের দুই বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ছিলেন।
মৃত্যুকালে তিনি চার মেয়ে ও এক স্ত্রীসহ বহু গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। তার এক মেয়েও করোনায় আক্রান্ত। স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশক্রমে স্বাস্থ্যবিধি মেনে শুক্রবার বাদ আছর নাটশালা দক্ষিনপাড়া জামে মসজিদ প্রাঙ্গনে জানাজা শেষে গ্রামের বাড়ি নাটশালা গ্রামের পারিবারিক গোরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। তার মৃত্যুতে আওয়ামীলীগ, বিএনপি সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।
একতার কণ্ঠঃ নিখোঁজের আটদিন পর আলোচিত ইসলামি বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান তার রংপুরের বাসায় ফিরে এসেছেন। কোতোয়ালি থানার ওসি আবদুর রশিদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ত্ব-হার শ্যালক জাকারিয়া হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, আবু ত্ব-হা বর্তমানে তার শ্বশুর বাড়িতে রয়েছেন।এতদিন আবু-ত্বহা কোথায় ছিলেন, কীভাবে ফিরলেন সে সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানাতে পারেননি তিনি।
তবে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার আবু মারুফ হোসেন জানিয়েছেন, ত্ব-হা রংপুর নগরীরর কলেজ রোডে চারতলা মোড়ে প্রথম স্ত্রীর ভাড়া বাসায় অবস্থান করছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়। এরপর তাকে সেখান থেকে থানায় নেয়া হয়। থানায় এখন তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে বলে জানান আবু মারুফ।
গত ১০ জুন রংপুর থেকে ঢাকায় আসার পথে রাজধানীর গাবতলী এলাকা থেকে ইসলামি বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান নিখোঁজ হন। এছাড়াও তার সঙ্গে নিখোঁজ হয়েছেন আব্দুল মুহিত, মোহাম্মদ ফিরোজ ও গাড়িচালক আমির উদ্দীন।
ত্ব-হার নিখোঁজ হওয়ার তথ্য জানিয়ে দারুসসালাম এবং মিরপুর থানায় গেলে কোনো থানাই সাধারণ ডায়েরি বা মামলা গ্রহণ করেনি বলেও অভিযোগ করেছেন তার পরিবার। এ নিয়ে সর্বশেষ রংপুর সদর থানায় একটি জিডি করা হয়।