একতার কণ্ঠঃ তরুণ ইসলামিক স্কলার আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনানসহ তার তিন সফর সঙ্গীর সন্ধানের দাবিতে টাঙ্গাইলে মানববন্ধন করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার(১৭ জুন) সকালে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণের সচেতন ছাত্র ও যুব সমাজের ব্যানারে শহীদ মিনারের সামনে উপস্থিত হয়ে মানববন্ধন করে শিক্ষার্থীরা।এতে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষও অংশগ্রহণ করেন।
এসময় নিখোঁজ তরুণ ইসলামিক স্কলার আবু ত্ব-হা আদনানসহ তার সাথে নিখোঁজ হওয়া তিন সফর সঙ্গীদের অতি দ্রুত সন্ধানের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সহ প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
বক্তারা বলেন, তরুণ ও মেধাবী ইসলামী বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানসহ তার সফরসঙ্গী আব্দুল মুকিত, মোহাম্মদ ফিরোজ ও গাড়িচালক আমির উদ্দিন ফয়েজ নিখোঁজ রয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। পুলিশ চাইলেই সবকিছু সম্ভব হয়। কিন্তু নিখোঁজ আবু ত্ব-হা আদনানদের বেলায় তা হচ্ছে না কেন? এ দেশের নাগরিক হিসেবে নিখোঁজদের সন্ধান চেয়ে দাবি জানানোর অধিকার আমাদের রয়েছে। কিন্তু এতো দিনে পেরিয়ে গেলেও তাদের সন্ধান না পাওয়াটা উদ্দেগজনক।
উপস্থিত সাধারণ শিক্ষার্থীরা এসময় আরো বলেন,অতি দ্রুত ত্ব-হা ও অন্যদের সন্ধান দিতে হবে।অন্যথায় টাঙ্গাইলসহ সারাদেশে গণআন্দোলনের হুশিয়ারি দেন উপস্থিত শিক্ষার্থীরা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ঘাটাইল উপজেলার জামুরিয়া ইউনিয়নের শংকরপুর গ্রামে বিদ্যুতায়িত হয়ে মঙ্গলবার(১৫ জুন) বিকালে মারুফ তালুকদার( ১৫) নামে এক স্কুল ছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।
এলাকাবাসী ও নিহতের পরিবার জানায়, মারুফ তালুকদার( ১৫) শংকরপুর গ্রামের রফেল তালুকদারে এক মাত্র ছেলে ও স্থানীয় ঘাটাইল সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির মানবিক শাখার ছাত্র।
নিহতের চাচা মিজানুর রহমান জানান, মঙ্গলবার বিকালে মারুফ পানি দিয়ে গোয়াল ঘর(গরুর ঘর) পরিষ্কার করার জন্য বিদ্যুতের মটরের লাইন দিতে যায়। এ সময় নিজের অজান্তে বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে যায়। পরে বাড়ির লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ২৪ ঘন্টায় ২৫৪টি নমুনা পরীক্ষায় জেলায় ৯৫জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। আক্রান্তের হার ৩৭.৪০ শতাংশ। টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৫ হাজার ৭১২ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছে ৪ হাজার ৩৩৫ জন। এ পর্যন্ত জেলায় মোট মৃত্যুবরণ করেছে ৯৫ জন।
এদিকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিটে সর্বমোট ৩৬৭ জন রোগী ভর্তি হয়। এদের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৬২ জন। উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার্ড করা হয়েছে ৬১ জন। বর্তমানে টাঙ্গাইল জেনালে হাসপাতালে আইসিউ বেডে ৪জন ও জেনারেল বেডে ১৮জন অন্যদিকে কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কপ্লেক্সে পাঁচজনসহ জেলায় সর্বমোট ২৭জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকায় পরীক্ষা নিতে না পেরে এবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স প্রথম বর্ষের ৩ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থীকে অটোপাস দেওয়া হয়েছে। বুধবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের শর্তসাপেক্ষে দ্বিতীয় বর্ষে প্রমােশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। কোভিড-১৯ মহামারির কারণে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। যেসব শিক্ষার্থী ২০২০ সালে অনার্স ১ম বর্ষ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ফরম পূরণ করেছেন তাদের সবাইকে শর্তসাপেক্ষে ২য় বর্ষে প্রমােশন দিয়ে ক্লাস করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়, ২০২০ সালে অনার্স প্রথম বর্ষ পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ফরম পূরণ করেছেন সর্বমােট ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৮৩৫ জন শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে নিয়মিত শিক্ষার্থী ২ লাখ ৯৭ হাজার ৬২৬ জন আর অনিয়মিত শিক্ষার্থী ১৯ হাজার ৫০ জন। এরা সবাই অর্থাৎ ৩ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী অটোপাস পেয়ে দ্বিতীয় বর্ষে উত্তীর্ণ হলেন। এর বাইরে প্রথম বর্ষের পরীক্ষার জন্য আবেদন করা মানােন্নয়ন পরীক্ষার্থী ছিলেন ১ লাখ ৫১ হাজার ১৫৯ জন। তাদের অটোপাস প্রক্রিয়ার বাইরে রাখা হয়েছে। পরে যখন আবার প্রথম বর্ষের লিখিত পরীক্ষা হবে তখন তারা মানোন্নয়ন পরীক্ষা দেবেন।
২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হয়েছিল মোট ৩ লাখ ৭৩ হাজার ৮৭৬ জন শিক্ষার্থী।
প্রমােশন পাওয়ার শর্তগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রধান শর্ত হচ্ছে- পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে এসব শিক্ষার্থীদেরকে অবশ্যই ১ম বর্ষের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। কেউ যদি এই পরীক্ষায় অংশ না নেয় বা পরীক্ষায় অংশ নিয়ে রেগুলেশন অনুযায়ী ‘নট প্রমােটেড’ হয় সেক্ষেত্রে তার শর্তসাপেক্ষে দেওয়া প্রমােশন বাতিল বলে গণ্য হবে। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট nu.ac.bd এ পাওয়া যাবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলে এক সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। গাণিতিক হারে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় টাঙ্গাইলকে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
জেলায় করোনা ভাইরাস শনাক্তের হার বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে আগামি শনিবার(১৯ জুন) থেকে সর্বোচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতী ও মির্জাপুর উপজেলায় সর্বাত্মক লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সোমবার(১৪ জুন) বিকালে জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনির সভাপতিত্বে সোমবার বিকালে জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ নুরুল আমিন মিঞা, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক খন্দকার সাদিকুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরীফ উদ্দিন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
জেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক টাঙ্গাইল সদর, কালিহাতী ও মির্জাপুর উপজেলায় মঙ্গলবার(১৫ জুন) থেকে মাস্ক পরিধান ও কঠোর স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার পাশাপাশি মাইকিং করে করোনার ভয়াবহতা সম্পর্কে প্রচারণাসহ বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালানো শুরু হয়েছে।
এদিকে, টাঙ্গাইলে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৭১টি নমুনা পরীক্ষায় জেলায় ৮৫জনের করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় ৫৬, কালিহাতীতে ১২জন, মির্জাপুর উপজেলায় চার জন, দেলদুয়ারে ছয় জন, সখীপুরে তিন জন এবং নাগরপুর, ঘাটাইল, মধুপুর ও গোপালপুর উপজেলায় এক জন করে মোট ৮৫ জন রয়েছে। মঙ্গলবার(১৫ জুন) সকালে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, টাঙ্গাইল সদর ও কালিহাতী উপজেলা উত্তরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার ট্রানজিট পয়েণ্ট হওয়ায় এ দুই উপজেলায় করোনা শনাক্তের হার অন্য উপজেলাগুলোর তুলনায় অনেক বেশি।
তিনি আরও জানান, করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে সরকারি নির্দেশনা, স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব মেনে চলতে হবে। নিজে সচেতন হতে হবে, অন্যকেও সচেতন করতে হবে।
সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত জেলায় করোনা আক্রান্তের মোট সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচ হাজার ৬১৭ জন। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছে চার হাজার ৩৩১ জন। এ পর্যন্ত জেলায় করোনাক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে মোট ৯৫ জন।
একতার কণ্ঠ: টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার বাজাইল গ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর এক নারীকে(৪০) বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় স্বগোত্রীয় দিনা সরকার(৩০) ও মণ্টু সরকারকে(৩২) জেলা গোয়েন্দা পুলিশ(ডিবি দক্ষিণ) গ্রেপ্তার করেছে। মঙ্গলবার(১৫ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
টাঙ্গাইল পুলিশ সুপারের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর এক নারীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে তিন জনকে আসামি করে রোববার(১৩ জুন) ভিকটিম(ওই নারী) বাদী হয়ে সখীপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়। মামলাটি চাঞ্চল্যকর ও লোমহর্ষক হওয়ায় জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(অপরাধ) মো. শরফুদ্দীনের তত্ত্বাবধানে একটি চৌকষ টিম গঠন করা হয়।
পুলিশ সুপার জানান, টাঙ্গাইলের গোয়েন্দা পুলিশের(ডিবি দক্ষিণ) অফিসার ইনচার্জ মো. সাজ্জাদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত চৌকষ টিম অক্লান্ত পরিশ্রম করে মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জেলার মির্জাপুর ও নাগরপুর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত আসামি ভিকটিমের স্বগোত্রীয় দিনা সরকার ও মণ্টু সরকারকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত দিনা সরকার ওই গ্রামের প্রকাশ সরকারের ছেলে ও মণ্টু সরকার স্বর্গীয় নারায়ন সরকারের ছেলে এবং ভিকটিমের(ওই নারীর) প্রতিবেশি।এজাহারভুক্ত অপর আসামি ময়নাল মিয়ার ছেলে সবদুল মিয়াকে(৩৫) গ্রেপ্তারে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।
তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।
প্রকাশ, গত ১১ জুন(বৃহস্পতিবার) দিনগত গভীর রাতে সখীপুর উপজেলার হাতীবান্ধা ইউনিয়নের বাজাইল বড়চালা গ্রামের দিনা চন্দ্র সরকার, মণ্টু চন্দ্র সরকার ও সবদুল মিয়া নামে তিন ব্যক্তি মদ্যপ অবস্থায় ওই নারীর বাড়িতে যান। তারা ওই নারীকে ডেকে ঘরের বাইরে এনে জোর করে বাড়ির পাশের বনে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালান। ওই বখাটেরা ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে ওই নারীর মুখম-লসহ শরীরের স্পর্শকাতর সহ নানা স্থানে কামড়ে জখম করে চলে যান। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহতাবস্থায় ওই নারীকে উদ্ধার করে প্রথমে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স ও পরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে(ওসিসি) ভর্তি করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান রুমি আক্তারের উপর যৌতুক লোভী স্বামীর নির্যাতনের প্রতিবাদ ও নির্যাতনকারী স্বামী স্কুল শিক্ষক মিজানুর রহমানের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিল।মঙ্গলবার (১৫ জুন) পৌর সভার মোখতার ফোয়ারা চত্বরে সকাল সাড়ে দশটায় শুরু হয়ে ঘন্টা ব্যাপি এ এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে অভিযুক্ত মিজানুর রহমানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলর সাবেক কমান্ডার পৌর মেয়র বীরমুক্তিযোদ্ধা আবু হানিফ আজাদ, সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আলী সিকদার,সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা এম ও গনি,সাবেক ডিপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইদুর রহমান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুল্লাহ মিয়া, নির্যাতিতা রুমির বাবা বীরমুক্তিযোদ্ধা আবদুল মান্নান, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শফিউল ইসলাম কাজী বাদল, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক, কামরুল হাসান আজাদ প্রমুখ বক্তব্য দেন। এতে উপজেলার তিন শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা ও সন্তান কাউন্সিলের নেতাকর্মী অংশ নেন। এ ঘটনায় ওই স্কুল শিক্ষককে স্কুল পরিচালনা কমিটি থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে।
জানা যায়, ২০১৩ সালের ১৫ নভেম্বর মিজানুর রহমানের সঙ্গে উপজেলার দাড়িয়াপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মান্নানের মেয়ে রুমি আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় রুমির বাবা মেয়েকে চার ভরি স্বর্ণালংকার দেন। বিয়ের পরের বছর মিজানুর একটি মোটরসাইকেল দাবি করেন। জামাতাকে দেড় লাখ টাকার একটি মোটরসাইকেলও কিনে দেন ওই বীরমুক্তিযোদ্ধা। ২০১৭ সালে রুমির গর্ভে কন্যাসন্তান আসে। অস্ত্রোপচারের জন্য শ্বশুরের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা নেন মিজানুর। দুই বছর আগে চাকরিতে সমস্যার কথা বলে শ্বশুরের কাছ থেকে আরও ৫০ হাজার টাকা আদায় করেন তিনি। চার মাস ধরে আরও দুই লাখ টাকা দাবি করে স্ত্রী রুমিকে নির্যাতন করে আসছিলেন মিজানুর। না দেওয়ায় কিছুদিন আগে মিজানুর তাঁর স্ত্রীকে তালাক দেন।
প্রসঙ্গত: গত ৯ জুন বুধবার সখীপুর থানায় রুমি আক্তার বাদী হয়ে স্বামী মিজানুর রহমানকে একমাত্র আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করলে পুলিশ মামলার তিন ঘন্টার মধ্যে আসামি মিজানুর রহমানকে গ্রেফতার ও আসামিসহ টাঙ্গাইল আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
একতার কণ্ঠঃ পুরুষ অভিভাবক ছাড়াই হজের জন্য নারীদের নিবন্ধনের অনুমতি দিয়েছে সৌদ আরব। অর্থাৎ মাহরাম (পুরুষ অভিভাবক) ছাড়াই নারীরা এখন থেকে হজ করতে পারবেন। খবর আরব নিউজের।
সম্প্রতি চলতি বছরে হাজিদের জন্য তিনটি প্যাকেজ অনুমোদন করেছে সৌদি সরকার। রোববার থেকে হজের জন্য রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে।
এ বছর হজ করতে পারবেন ৬০ হাজার মুসলিম নর-নারী। তবে তা সীমাবদ্ধ থাকবে শুধু সৌদি আরবের নাগরিক এবং সেখানকার বাসিন্দাদের জন্য। রেজিস্ট্রেশন করা যাবে ২৩ জুন পর্যন্ত।
হজের জন্য তিনটি প্যাকেজ নির্ধারণ করেছে সৌদি সরকার। এর মধ্যে একটি প্যাকেজের মূল্য ধরা হয়েছে ১৬,৫৬০.৫০ রিয়াল। অন্যটি ১৪,৩৮১.৯৫ রিয়াল এবং শেষ প্যাকেজের মূল্য ধরা হয়েছে ১২,১১৩.৯৫ রিয়াল। এই তিনটি প্যাকেজের সঙ্গে যোগ হবে ভ্যাট।
আবেদনের জন্য গত ৫ বছরের মধ্যে হজ করেননি অবশ্যই এমন স্বীকারোক্তি দিতে হবে আবেদনকারীকে।
আবেদনকারী জটিল রোগে ভুগছেন না, এমনকি করোনায় আক্রান্ত নন দিতে হবে এমন স্বীকারোক্তিও।
এ ছাড়া স্বীকারোক্তি দিতে হবে, আবেদনকারী ছয় মাসের মধ্যে কোনো জটিল রোগ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হননি বা কোনো ডায়ালাইসিস চিকিৎসা করানো হয়নি।
একতার কণ্ঠঃ উড়ুক্কুযান নিয়ে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর অনেকেই কাজ করছেন। এবার সেই তালিকায় নাম লেখানোর চিন্তা করছে ভার্জিন আটলান্টিক। জানা গেছে, এয়ারলাইন প্রতিষ্ঠান ভার্জিন আটলান্টিক উড়ন্ত ট্যাক্সি সেবা চালুর চিন্তা করছে।
প্রথমেই শহরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এয়ারপোর্টে যাত্রী পরিবহণে ‘ইলেকট্রিক ভার্টিক্যাল টেক-অফ অ্যান্ড ল্যান্ডিং ভেইকলস’ বা ইভিটিওএল ধরনের যান ব্যবহার করতে যাচ্ছে তারা। ব্রিস্টলভিত্তিক ভার্টিক্যাল অ্যারোস্পেসের সঙ্গে ট্যাক্সি সেবা চালুর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে স্যার রিচার্ড ব্র্যানসনের প্রতিষ্ঠানটি। আর এ বছরই নিজেদের যানের পরীক্ষামূলক ফ্লাইট চালু করার কথা ভাবছে ভার্টিক্যাল অ্যারোস্পেস।
ভার্জিন আটলান্টিকের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ইভিটিওএল যান ব্যবহার করে কোনো শহর, যেমন কেমব্রিজ থেকে লোকজনকে তুলে কাছাকাছি লন্ডনের হিথরোর মতো কোনো বড় এয়ারপোর্টে নিয়ে যাবে। ভার্টিক্যাল অ্যারোস্পেস বলছে, তাদের VA-X4 ক্র্যাফট চারজন যাত্রী এবং একজন পাইলটকে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বে নিয়ে যাতে পারবে। পাশাপাশি এগুলো হবে দূষণমুক্ত।
যান চলার সময় প্রচলিত হেলিকপ্টারের চেয়ে এর শব্দ শুধু কমই হয় না বলতে গেলে প্রায় শব্দহীন। এরই মধ্যে আমেরিকান এয়ারলাইন্স এবং এভালন নামে একটি বিমান ভাড়া দেওয়া প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে ভার্টিক্যাল অ্যারোস্পেস।
একতার কণ্ঠঃ ভারতের বেঙ্গালুরুতে বাংলাদেশি তরুণীকে বিবস্ত্র করে যৌন নির্যাতনের ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে দুই নারীসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করে দেশটির স্থানীয় পুলিশ। গ্রেফতারের সময় গুলিবিদ্ধ হয় টিকটক হৃদয় বাবু ও সাগর।
এই চক্রের অন্যতম মূলহোতা আশরাফুল মণ্ডল ওরফে ‘বস রাফি’সহ চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
র্যাব দাবি করছে, রাফি (৩০) গত আট বছরে ৫০০ নারীকে ভারতে পাচার করেছে। ওই ৫০০ নারীকে যৌন কাজ করতে বাধ্য করা হয়। মানবপাচারকারী এ চক্রের সঙ্গে প্রায় ৫০ জন জড়িত।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য দেন সংস্থাটির লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।
তিনি বলেন, মাত্র অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়েছে নারীপাচারকারী আশরাফুল মণ্ডল ওরফে বস রাফি। আট বছর আগে থেকে ভারতে নিয়মিত যাতায়াত ছিল তার। প্রথমে ব্যাঙ্গালুরুতে ট্যাক্সি চালিয়ে জীবন নির্বাহ করত সে। পরে হোটেলে রিসোর্ট কর্মচারী এবং কাপড়ের ব্যবসা করত।
গত দুই বছর আগে টিকটক হৃদয়ের সঙ্গে রাফির পরিচয় হয়। এরপর টিকটক হৃদয়ের মাধ্যমে প্রায় অর্ধশতাধিক তরুণীকে ভারতে পাচার করে সে।
কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, উচ্চ বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে নারীদের ভারতে পাচার করত রাফি। বাংলাদেশ থেকে তাকে নারীর যোগান দিত টিকটক হৃদয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গ্রুপ খুলে বিভিন্ন বয়সের নারী ও তরুণীদের সঙ্গে যোগাযোগ করত হৃদয়।
এই গ্রুপের মাধ্যমে তরুণীদের মডেল বানানোসহ ও বিভিন্ন চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে আকৃষ্ট করত। পরবর্তীতে ভারতে বিভিন্ন সুপার শপ ও বিউটি পার্লারে চাকরি দেয়ার কথা বলে বস রাফির সহযোগিতায় এসব তরুণীদের পাচার করত।
র্যাব জানায়, এসব তরুণীদের ভারতে পাচারের পর প্রথমে একটি সেফ হাউজে নেওয়া হতো। সেখানে তাদের জোর করে মাদক সেবন করতে বাধ্য করানো হতো। মাদক সেবনের পর তাদের জোরপূর্বক যৌন নির্যাতন করে ভিডিও ধারণ করা হতো। এই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া হবে ভয় দেখিয়ে তাদের পরবর্তীতে ব্ল্যাকমেইল করা হতো।
র্যাব আরো জানায়, টিকটক হৃদয় বাবু ও আলামিনসহ এই চক্রটি ভারতের বেঙ্গালুরুর কোর্টলোর এলাকায় থাকত। সেখানেই রাফির আস্তানা। এই রাফির বাড়ি ঝিনাইদহের শৈলকুপা এলাকায়। রাফিকে আলামিনরা বস বলে সম্বোধন করে।
র্যাব কর্মকর্তা কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, কলকাতায় সেফ হাউজে নিয়ে রাখা হতো নারীদের। এর পর সুযোগ বুঝে কলকাতা থেকে ভারতের দক্ষিণাঞ্চলের বেঙ্গালুরু পাঠানো হতো তাদের। বেঙ্গালুরু পৌঁছানোর পর রাফি তাদের গ্রহণ করে বিভিন্ন সেফ হাউজে নিয়ে রাখত। সেখানেই মাদকাসক্তে অভ্যস্তকরণ এবং নির্যাতনের মাধ্যমে যৌন পেশায় বাধ্য করানো হতো নারীদের। ক্ষেত্রবিশেষে এসব নারীদের অনেককে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করতেন রাফি।
ভাইরাল সেই ভিডিওর বিষয়ে গ্রেফতার রাফি জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছেন, ভারতে নির্যাতিত ওই তরুণী দুই বাংলাদেশি নারীকে দেশে পালিয়ে আসতে সহযোগিতা করেছিলেন। এজন্য তাকে অত্যাচার করা হয়। তাকেও বলা হয়, যদি তিনি পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন, তাহলে ভিডিও স্বজনদের কাছে পাঠানো হবে।
যশোরের সীমান্ত এলাকায় এ চক্রটির একটি সেইফ হাউজ রয়েছে বলে খবর পেয়েছে র্যাব। যা সাহিদা, সোনিয়া ও তানিয়া নামে তিনি নারীর তত্ত্বাবধানে রয়েছে। তারা তিনজনই এই পাচারের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত।
সোনিয়া ও তানিয়া বর্তমানে বেঙ্গালুরে অবস্থান করছে বলে জানিয়েছেন তাদের মা সাহিদা।
উল্লেখ্য, যৌন নির্যাতনের যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সেখানে তানিয়াকে দেখা গেছে। সেখানে নির্যাতনকারীদের সহযোগী হিসেবে দেখা গেছে তানিয়াকে।
মাত্র ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে চক্রটি রাফির কাছে বাংলাদেশ থেকে নারী পাচার করত বলে জানিয়েছে র্যাব।
সূত্রঃ যুগান্তর অনলাইন নিউজ পোর্টাল
একতার কণ্ঠঃ বিশ্বের অন্যতম টেক জায়ান্ট গুগল ও অ্যামাজন এখন বাংলাদেশের নিবন্ধিত ভ্যাটদাতা প্রতিষ্ঠান। এই দুটি প্রতিষ্ঠান আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকা দক্ষিণ ভ্যাট কমিশনারেট থেকে অনাবাসী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যবসায় নিবন্ধন নম্বর (বিআইএন) নিয়েছে, যা ভ্যাট নিবন্ধন হিসেবে পরিচিত।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) সূত্রে জানা গেছে, শুধু গুগল, আমাজন নয়; শিগগিরই ফেসবুক ও নেটফ্লেক্সও ভ্যাট নিবন্ধন নিতে যাচ্ছে।
গত ২৩ মে গুগল এবং ২৭ মে অ্যামাজন এ ভ্যাট নিবন্ধন পেয়েছে। এখন থেকে এ দুটি প্রতিষ্ঠান নিয়মিত ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করে ভ্যাটের টাকা পরিশোধ করবে।
অবশ্য এতদিনও প্রতিষ্ঠান দুটি ভ্যাটের টাকা পরিশোধ করত। বাংলাদেশ থেকে যে ব্যাংকের মাধ্যমে তাদের টাকা পরিশোধ হত, সেই ব্যাংকই ভ্যাট কেটে রেখে সরকারি কোষাগারে জমা দিত।
জানা গেছে, গুগল এশিয়া প্যাসিফিক পিটিই লিমিটেড নামে ভ্যাট নিবন্ধন নিয়েছে। ব্যবসার ধরন হিসেবে বলা হয়েছে সেবা। আর সিঙ্গাপুরের আঞ্চলিক কার্যালয়ের ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে। অন্যদিকে অ্যামাজন নিবন্ধিত হয়েছে অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস ইনকরপোরেশন নামে। এই প্রতিষ্ঠান সেবাধর্মী ব্যবসা করবে বলে জানিয়েছে। অ্যামাজন যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলের ঠিকানা ব্যবহার করেছে।
একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌর এলাকার সি-এন্ড-বি রোড ( বটতলা) থেকে এক নবজাতক কন্যা শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশ। সোমবার (৩১ মে) ১২ টার দিকে এ লাশ উদ্ধার করা হয়। কন্যা শিশুটির লাশ নাভি কাটা এবং পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় ছিল।
প্রত্যক্ষদর্শী মোঃ রফিকুল ইসলাম ও রেজাউল করিম জানান, সি-এন্ড-বি রোড দিয়ে যাবার সময় হঠাৎ দেখি পলিথিনে মোড়ানো একটি নবজাতকের লাশ। পরে ৯৯৯ এ কল দিলে পুলিশ এসে লাশটি উদ্ধার করে। কোন পশু-পাখি যেন নবজাতকের লাশটি নিয়ে যেতে না পারে সেজন্য আমরা এখানেই দাড়িয়ে ছিলাম।
টাঙ্গাইল সদর মডেল থানার এসআই আব্দুল ওহাব জানায়, সাড়ে ১১ টার দিকে ৯৯৯ এ কল পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে নাভি কাটা পলিথিনে মোড়ানো একটি নবজাতক কন্যা শিশুর লাশ দেখতে পাই। পরে লাশটি উদ্ধার করে সুরতহাল করার জন্য পাঠিয়ে দেই। তিনি আরো জানায়, ধারনা করা হচ্ছে সকালের দিকে কোন এক সময় চলন্ত অটো রিক্সা অথবা সিএনজি থেকে লাশটি এখানে ফেলে গেছে। নবজাতকের লাশটি সুরতহাল করে দাফনের ব্যবস্থা করা হবে।