একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ সিটি ব্যাংক লিমিটেড সম্প্রতি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের সহযোগী ব্যবস্থাপক/ব্যবস্থাপক (Associate Manager/ Manager, Software Testing & QA-Digital Financial Services) পদে লোকবল নিয়োগ দেবে। আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। তবে পূর্ণকালীন এ কাজের জন্য কতজন নেওয়া হবে, তা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি। সহযোগী ব্যবস্থাপক পদে চাকরি পেলে কর্মস্থল হবে ঢাকা। আগ্রহীরা ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের যোগ্যতা
যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কম্পিউটার সায়েন্স/ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক পাস হতে হবে। সংশ্লিষ্ট কাজে কমপক্ষে ৪ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সফটওয়্যার টেস্টিং এবং পারফরম্যান্স পর্যবেক্ষণ সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকতে হবে। এ ছাড়া জাভা, সেলেনিয়াম, পাইথন, অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস অ্যাপ্লিকেশন সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকতে হবে।
আবেদন যেভাবে
আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন বিডি জবসের মাধ্যমে।
বেতন ও সুযোগ-সুবিধা
বেতন আলোচনা সাপেক্ষে। কোম্পানির নীতিমালা অনুসারে অন্যান্য সুবিধাও পাবেন কেউ এ পদে চাকরি পেলে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতন ও হত্যার কারণে বাংলাদেশে পালিয়ে এসে আশ্রয় পাওয়া রোহিঙ্গা নাগরিকদের নিয়ে কাজ করার জন্য লোকবল চেয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে কানাডা হাইকমিশন বাংলাদেশ।
পদের নাম ‘রাজনৈতিক উপদেষ্টা-রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট’। এ পদের জন্য যোগ্যতা পূরণ সাপেক্ষে যে কোনো বাংলাদেশি আবেদন করতে পারবেন।
কানাডা দূতাবাসের বৈদেশিক নীতি ও কূটনীতি বিভাগ (এফপিডিএস) এ নিয়োগ দেবে। একটি শূন্যপদের জন্য আবেদন চাওয়া হয়েছে। এ পদে আবেদন করা যাবে আগামী ৭ মে পর্যন্ত। এ পদে চাকরি পেলে সপ্তাহে ৩৭ দশমিক ৫ ঘণ্টা কাজ করতে হবে।
বেতনসীমা:
বছরে ১৫ লাখ ১৯ হাজার ৬২৫ টাকা।
শিক্ষাগত যোগ্যতা:
বাংলাদেশের সরকারি স্বীকৃত যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি।
ভাষাজ্ঞান:
বাংলা ও ইংরেজিতে লেখা ও কথা বলায় পারদর্শী। প্রয়োজন হলে ইংরেজি জ্ঞানসংক্রান্ত লিখিত পরীক্ষা হতে পারে।
অভিজ্ঞতা:
সরকারি সংস্থা, গবেষণা সংস্থা, থিঙ্কট্যাংক, কূটনৈতিক মিশন বা আন্তর্জাতিক সংস্থায় রাজনৈতিক অথবা প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসাবে কাজ করার জন্য কমপক্ষে পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। গবেষণা এবং বিশ্লেষণ পরিচালনা, প্রতিবেদন তৈরি এবং পরিচালনার পরামর্শ প্রদানের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। প্যানেল আলোচনা এবং সম্মেলনে ব্যক্তিগতভাবে এবং কার্যত (অনলাইন) সম্মেলনের মতো ইভেন্টগুলো আয়োজনের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন হতে হবে।
সূত্রঃ যুগান্তর অনলাইন নিউজ পোর্টাল
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ ডায়াবেটিস রোগীরা করোনাভাইরাসে বেশি আক্রান্ত হন এ তথ্য ঠিক নয়। যে কেউই করোনা আক্রান্ত হতে পারেন। তবে, ডায়াবেটিস রোগীরা করোনা আক্রান্ত হলে, বেশি জটিলতায় ভুগতে পারেন বলে মনে করেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
এ ব্যাপারে ইউনাইটেড হাসপাতালের এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. প্রশান্ত প্রসূন দে বলেন, ডায়াবেটিস রোগীর করোনাভাইরাস সংক্রমণে দেহের বিভিন্ন প্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হবার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়।
তিনি বলেন, ডায়াবেটিস রোগীরা শুধু যে করোনায় বেশি জটিলতায় ভোগে তা নয়, তারা যে কোনো ভাইরাল ইনফেকশনেও বেশি ভোগেন।
এর কয়েকটি কারণ হিসেবে ডা. প্রশান্ত প্রসূন দে বলেন, প্রথমত ডায়াবেটিস রোগীদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বাভাবিক মানুষের চেয়ে কম থাকে।
দ্বিতীয়ত ডায়াবেটিস রোগীদের শরীরে রক্তে প্রচুর সুগার থাকে, যেখানে ভাইরাসটি খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায় বলে জানান তিনি।
তৃতীয় কারণ হিসেবে ডা. প্রশান্ত প্রসূন দে বলেন, ডায়াবেটিস রোগীদের কিছু দীর্ঘমেয়াদি জটিলতা, যেমন- হার্টের অসুখ, কিডনির অসুখ আছে। এসব জটিলতার ভেতর করোনা আক্রান্ত হলে জটিলতা আরও বেশি বৃদ্ধি করে।
সূত্র: ডক্টর টিভি
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ পৃথিবীতে প্রায় ২৩৫ কোটি মুসলমান আছে যা পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার প্রায় ২৮ শতাংশ। বর্তমানে পৃথিবীতে ডায়াবেটিস রোগীর সংখ্যা প্রায় ৪৪৫ মিলিয়ন।
২০৪০ সালে এর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ৬৪২ মিলিয়ন-এ। এর মধ্যে সাধারণত প্রাপ্ত বয়স্ক ও সুস্থ মানুষরা রোজা রাখে। পৃথিবীর মোট প্রাপ্ত বয়স্ক মুসলমানের ৩৬ শতাংশ ডায়াবেটিসে ভুগছে। সে হিসাবে দাঁড়াচ্ছে, প্রতি রমজান মাসে ৯-১২ কোটি ডায়াবেটিস রোগী রোজা রাখছে। টাইপ১ ডায়াবেটিস রোগীদের ৪৩ শতাংশ এবং টাইপ২ ডায়াবেটিস রোগীদের ৭৯ শতাংশ রমজান মাসে রোজা রাখে।
দীর্ঘ সময় একজন ডায়াবেটিস রোগীর না খেয়ে থাকা উচিত হবে কী না তা নিয়ে অনেক বছর ধরে বহু বিতর্ক হয়েছে। অবশেষে পৃথিবীর মুসলমান ও অমুসলমান ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞরা সর্বসম্মতভাবে মতামত দিয়েছেন যে, ডায়াবেটিস রোগীর পক্ষে রোজা রাখা ক্ষতিকর হবে।
কুরআন শরিফেও রোগাক্রান্তদের রোজা রাখা থেকে রেহাই দেওয়া হয়েছে (সূরা আল বাকারা : আয়াত ১৮৩-১৮৫) আর অন্য যে কোনো ধরনের অসুখের চেয়ে ডায়াবেটিস নিয়মিত ও পরিমিত খাদ্য গ্রহণের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত। ডায়াবেটিস রোগীর বিপর্যস্ত বিপাকীয় তন্ত্রের কারণে দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে শারীরিক নানাবিধ সমস্যা হতে পারে।
রোজা রাখার সময় ডায়াবেটিক রোগীর ঝুঁকিগুলো
এতে করে বসা বা শোয়া অবস্থা থেকে উঠে দাঁড়ালে মাথা ঘুরে যেতে পারে। বিশেষত, যাদের ডায়াবেটিসের কারণে স্নায়ুবিক সমস্যা দেখা দিয়েছে, তাদের এ সময় সহসা জ্ঞান হারানো, মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়া, আঘাত প্রাপ্ত হওয়া, হাড় ভেঙে যাওয়া ইত্যাদি ঘটে যাওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে। দেহের পানি শূন্যতার কারণে রক্ত জমাট বেধে চোখের রেটিনার কেন্দ্রীয় শিরা বন্ধ হয়ে দৃষ্টি শক্তি হারাবার ঘটনা ঘটেছে সৌদি আরবে ও অন্যান্য মরু অঞ্চলে।
করণীয়
প্রত্যেক রোজাদার ডায়াবেটিক রোগীর অবস্থা তার স্বাতন্ত্রসহ বিবেচনা করতে হবে।
ঘন ঘন রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা দেখতে হবে [প্রতিদিন বেশ ক’বার (কম পক্ষে তিন বার) রক্তে গ্লুকোজ মাপতে হবে]। দিনের শেষ ভাগে অবশ্যই রক্তের গ্লুকোজ দেখার ব্যবস্থা থাকতে হবে। আর টাইপ১ ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে খুব সতর্কতার সঙ্গে রক্তের গ্লুকোজ লক্ষ্য রাখতে হবে। রমজানের প্রথম দিকের দিনগুলোতে একটু বেশি সর্তক থাকতে হবে, পরে অবস্থা বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে।
প্রতিদিনের খাদ্যের পুষ্টিমান অন্যান্য সময়ের মতোই রাখার চেষ্টা করতে হবে, যদিও তা খুব সহজ নাও হতে পারে। স্বাভাবিক দৈহিক ওজন ধরে রাখার পদক্ষেপ নিতে হবে। রমজানে রোজা রেখে ২০-২৫ শতাংশ ডায়াবেটিস রোগীর দৈহিক ওজন কমে বা বাড়ে। ইফতারে চর্বি সমৃদ্ধ খাদ্য এবং তেলে ভাজা খাবার গ্রহণ করা হতে যতটা সম্ভব বিরত থাকতে হবে। কেননা, এসব খাবার হজম হতে সময় লাগবে।
কিন্তু ডায়াবেটিস রোগীর ইফতারের পরপরই যত দ্রুত সম্ভব রক্তে গ্লুকোজ সরবরাহ করার ব্যবস্থা করা জরুরি। সেজন্য জটিল শর্করা জাতীয় খাবার সেহরির সময় খেতে হবে। আর ইফতারিতে সহজ পাচ্য খাবার খেতে হবে। প্রচুর পানি ও অন্যান্য তরল খাবার খেতে হবে। সেহরির খাবার নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার ঠিক আগে খেতে হবে এবং তারপর প্রচুর পানি পান করা বাঞ্ছনীয়।
শারীরিক শ্রম বা ব্যায়ামসহ স্বাভাবিক শারীরিক কর্মকাণ্ড চালানো যেতে পারে এ সময়। তবে খুব বেশি কঠোর শ্রম বা ব্যায়াম না করাই ভালো। এতে করে হাইপোগ্লাইসেমিয়া হতে পারে। আর কঠোর শ্রম বিকাল বেলায় তো করা যাবেই না। তারাবি নামাজ পড়লে, তাকে শারীরিক শ্রমের বিকল্প হিসাবে গণ্য করা যেতে পারে। কিছু কিছু ডায়াবেটিস রোগী (বিশেষত টাইপ১) যাদের রক্তের গ্লুকোজ ঠিক মতো রাখা যাচ্ছে না তাদের ক্ষেত্রে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঘটনা প্রায়শ মারাত্মক হয়।
প্রতিটি ডায়াবেটিস রোজাদারকে একথাটি খুব স্পষ্টভাবে বুঝতে হবে যে, যখনই হাইপোগ্লাইসেমিয়ার কোনো লক্ষণ শরীরে দেখা দেয় তার পর যতটা সম্ভব দ্রুততর সময়ের মধ্যে গ্লুকোজ/চিনি/মিষ্টি কোনো খাদ্য, শরবত ইত্যাদি যে কোনো একটি খেয়ে নিতে হবে।
যাদের হাইপোগ্লাইসেমিয়া হয়েছে, তারা তো খুব সহজেই এর প্রাথমিক উপসর্গ চিনতে পারবেন। আর যাদের তেমন অভিজ্ঞতা হয়নি, তাদের বুক ধড়ফড়ানি, মাথা ফাঁকা ফাঁকা লাগা, ঘাম হওয়া, হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, চোখে অন্ধকার দেখা, মাথা ঘোরা ইত্যাদির এক বা একাধিক লক্ষণ দেখা দিতে পারে। তখন হাইপোগ্লাইসেমিয়া (রক্তের গ্লুকোজ এ সময় সাধারণত ৩.৩ মিলিমোল/লিটার) হওয়ার কথা।
আবার দিন শুরুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই যদি রক্তের গ্লুকোজ ৩.৯ মিলিমোল/লিটার বা তার চেয়ে কমে যায় তাহলেও কিছু খেয়ে নেয়া জরুরি। আর যারা ইনসুলিন, সালফুনাইলইউরিয়া-মেগ্লিটিনাইড জাতীয় ওষুধ গ্রহণ করছেন, তাদের ক্ষেত্রে এমনটি ঘটার আশঙ্কা বেশ বেশি। আবার রক্তের গ্লুকোজ ১৬.৭ মিলিমোল/ লিটারের বেশি হলেও রোজা রাখা সম্ভব হবে না।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ রোজা রাখার মাধ্যমে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায় এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
সংস্থাটির গবেষকরা বলছেন, রোজা রাখার মাধ্যমে কেউ করোনার বিস্তার ঘটায় না। সুস্থ মানুষের জন্য রোজা রাখা নিরাপদ।
করোনাকালে রোজা শুরু হওয়ায় আগে জারি করা এক নির্দেশিকায় এসব কথা জানান ডব্লিউএইচওর বিশেষজ্ঞরা।
ডব্লিউএইচও বলছে, রোজা রাখার ফলে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায় এমন কোনো প্রমাণ নেই। তবে যারা দীর্ঘ সময় ধরে করোনায় ভুগছেন তারাও রোজা রাখতে পারবেন। রোজা রাখা অবস্থায় তাদের উপসর্গ যদি গুরুতর আকার ধারণ করে, তাহলে তারা চিকিত্সকের সঙ্গে পরামর্শ করে ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী রোজা ভাঙতে পারেন।
৭ এপ্রিল জারি করা ওই বিশেষ নির্দেশনায় বলা হয়, দুঃখের বিষয় যে, চলতি বছর করোনা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। আমরা করোনায় অনেক মানুষকে হারিয়েছি। আরও অনেকে সংক্রমিত হচ্ছে। করোনা মহামারি এখন একটি বাস্তব হুমকি। তাই, এই রমজানে আমাদের আরও সচেতন থাকা জরুরি।
রোজায় টিকা নেওয়ার বিষয়ে ডব্লিউএইচও বলছে, শরিয়াহ অনুযায়ী রোজা রেখে করোনার টিকা নেওয়া যাবে। এছাড়া বিভিন্ন দেশের ইসলামী কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, করোনার টিকা নেওয়া ‘ইন্ট্রামাসকুলার ইনজেকশন’। রোজা রেখে টিকা নেওয়াটা ধর্মের খেলাপ হবে না। অতএব টিকা নিলে সমস্যা নেই।
করোনায় সংক্রমিত হওয়ার ঝুঁকি শূন্য বলে কোনো কিছু নেই। যারা টিকা নেওয়ার যোগ্য, রমজানেও তাদের টিকা নেওয়ার ব্যাপারে উৎসাহী হওয়া উচিত। এতে তারা ও তাদের কমিউনিটির মানুষজন মহামারি এই ভাইরাসটির প্রকোপ থেকে নিরাপদ থাকবে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ আর মাত্র একদিন পরই শুরু হবে আত্মশুদ্ধি ও সিয়াম-সাধনার মাস রমজান। বছরের এই একটি মাসে আমরা আমলের মাধ্যমে সওয়াবকে ৭০ গুণ বাড়িয়ে নিতে পারি।
ইংরেজি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী বছরে একবারই আসে রমজান মাস। কিন্তু কেমন হবে যদি বছরে দুইটি রমজান মাস হয়? হ্যাঁ- আগামীতে এমনই একটি বছর আসবে যেটিতে রমজান মাস হবে বছরে দুইবার।
চন্দ্র বিশেষজ্ঞ মিনহাল খানের বরাতে “দ্য ইসলামিক ইনফরমেশন” এ খবর জানিয়েছে।
মিনহাল খান বলেন, প্রতি বছর চন্দ্র মাস ১০ থেকে ১১ দিন এগিয়ে যায়, সে ধারাবাহিকতায় আমরা ২০৩০ সালে পৌঁছানোর পর জানুয়ারীতে রমজান পাবো, তারপরে আমরা একই পবিত্র মাস ডিসেম্বরে পাবো, মানে এক বছরে দুটি রমজান পেতে যাচ্ছি আমরা।
মুসলিম উম্মাহ বছরে একটি রমজান এবং ঈদুল ফিতর পালন করে অভ্যস্ত, তবে এ গবেষণা মতে ২০৩০ সালে দুটি রমজান পাওয়া যাবে।
চন্দ্র বিশেষজ্ঞরা চন্দ্র ক্যালেন্ডার বিশ্লেষণ করে দেখেছেন এবং নিশ্চিত করেছেন যে- ২০৩০ সালে দুটি রমজান হবে।
দুবাই অ্যাস্ট্রোনোমি গ্রুপের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার, হাসান আহমেদ আল হারিরি নিশ্চিত করেছেন যে- ২০৩০ সালে দুটি রমজান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
কারণ হিসেবে তিনি বলেন, আমরা বিশ্বব্যাপী যে ক্যালেন্ডারটি অনুসরণ করি তা সৌরজগতের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকে এবং ইসলামি ক্যালেন্ডারের জন্য চাঁদ অনুসরণ করা হয়, তাই এই বিষয়টি নিশ্চিত যে ২০৩০ সালে ২টি রমজান হবে।
তিনি আরও বলেন যে, ২০৩০ সালের রমজান জানুয়ারির শুরুতে এবং আবার একই বছরের ডিসেম্বরের শেষে হবে।
সূত্রঃ যুগান্তর অনলাইন নিউজ পোর্টাল
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ গ্রীষ্মকালীন ফল তরমুজ। চৈত্রের খর তাপে তৃষ্ণা মেটাতে তরমুজের জুড়ি মেলা ভার। সবুজ মোটা খোসাযুক্ত গোল বৃত্তে আবৃত লাল রসালো ফল এ তরমুজ।
প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন যেমন আছে এ ফলে তেমনি আছে মিনারেল, অ্যামাইনো অ্যাসিড, অ্যান্টিঅক্সিজেনের মতো নানা উপাদান। এ ছাড়া তরমুজ শরীরে পানির অপূর্ণতা পূরণেও বেশ সহায়ক। তাই গরমে ঘামের পরিমাণ বেড়ে গেলে আর পানির সংকট হলে আপনাকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করতে পারে তরমুজ।
তবে মিষ্টি রসালো সুস্বাদু এ ফলের আদি নিবাস আফ্রিকাতে। পরে পৃথিবীজুড়ে তরমুজের চাষাবাদ শুরু হয়।
তরমুজ কেবল খেতেই সুস্বাদু নয়। এতে আছে নানা গুণাবলি। তরমুজ একাধারে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে যেমন সহায়তা করে তেমনি হৃদযন্ত্রের সুস্থতায় বেশ উপকারী এ মৌসুমি ফল তরমুজ।
অন্যদিকে এ ফলের ক্যান্সারের মতো রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রেও বেশ কার্যকর। তরমুজে থাকা বিশেষ উপাদান ক্যান্সারের কোষ বৃদ্ধি রোধে বেশ কাজ করে।
যারা অতিরিক্ত ওজন নিয়ে সমস্যায় ভুগছেন তাদের খাদ্য তালিকায় জায়গা করে নিতে এ ফলটি। তরমুজ ওজন কমাতে সহায়তা করে তেমনি আপনার শরীরের কার্যক্ষমতা, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও বেশ সহায়ক। অতিরিক্ত চর্বি কমাতেও তরমুজ খুব দ্রুত মেজ কমাতে সহায়তা করে।
অন্যদিকে শরীরের অন্য উপকারী দিকের মতোই তরমুজ ত্বকের জন্য বেশ উপাকারী। তরমুজে আছে বিটা ক্যারোটিন, ম্যাগানিজ যা আপনার ত্বক মসৃণ করে সঙ্গে ব্রণের সমস্যা দূর করতেও বেশ সহকারী।
এছাড়া এতে থাকা প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতেও সহায়তা করে। সর্দি কাশি কিংবা ঠাণ্ডা জ্বরের মতো সমস্যায় তরমুজ ওষুধের মতো কাজ করে থাকে।
তাই করোনাকালীন এ সময়ে যখন আমাদের ঠাণ্ডা, সর্দি-কাশি থেকে নিজেদের সুরক্ষিত রাখা সবচেয়ে জরুরি তখন এ মৌসুমি ফলটি আপনাকে রাখতে পারে সুরক্ষিত।
অনেকেই এর মিষ্টি রসালো গুণের কারণে ডায়াবেটিস রোগীদের খাবার তালিকার বাইরে রাখেন তরমুজ। প্রকৃত পক্ষে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী একটি ফল এ তরমুজ।
যাদের চোখের সমস্যা আছে তারা তাদের খাবারের তালিকাতে যুক্ত করতে পারেন এ মৌসুমি ফলটি। তরমুজ খাওয়ার ক্ষেত্রেও অনেকেই শুধু এর লাল অংশটুকু খেয়ে থাকেন।
গরমের এ সময়ে এভাবে তরমুজ খাওয়া ছাড়াও এর শরবত বেশ সুস্বাদু। ঠান্ডা ঠান্ডা এক গ্লাস তরমুজের শরবত এ গরমে আপনাকে যেমন দিতে পারে প্রশান্তি তেমনি দূর করে দিতে পারে সারাদিনের ক্লান্তি।
তাই খাবারের তালিকায় রাখুন তরমুজ আর এ সময়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে একটি কয়লা খনিতে আটকেপড়া ২৯ শ্রমিকের মধ্যে আটজনকে উদ্ধার করেছেন উদ্ধারকর্মীরা।
খনিটিতে বন্যার পানি ঢুকে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ হয়ে গেলে এতে আটকা পড়েন ওই শ্রমিকরা। খবর সিনহুয়া ও আলজাজিরার।
জিনজিয়াং প্রদেশের হুতুবি পল্লীতে ওই খনির উন্নয়নকাজের সময় গত শনিবার রাতে ওই দুর্ঘটনা ঘটে।
এ বছরের জানুয়ারিতেও চীনের পূর্বাঞ্চলে একটি খনিতে বিস্ফোরণের পর ২২ শ্রমিক আটকা পড়েছিলেন। এদের মধ্যে ১১ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছিল। বাকি ১১ জনের মধ্যে ১০ জন মারা গেছেন এবং একজনের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরেও চীনের কয়লা খনিতে আটকা পড়ে মারা যান ২৩ শ্রমিক।
সূত্রঃ যুগান্তর অনলাইন নিউজ পোর্টাল
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ ফিলিস্তিনে আগামী মে মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় নির্বাচন। এ নির্বাচনে ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের সম্ভাব্য বিজয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল।
এ সময় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীও একইভাবে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। টেলিফোন আলাপে ইসরাইল এবং আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বী ফাতাহ আন্দোলনের মধ্যে মারাত্মক রকমের বিভক্তির কারণে গাজাভিত্তিক হামাস মে মাসের নির্বাচনে বিজয়ী হতে যাচ্ছে।
ইসরাইলি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্বেগ আমলে নিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ফিলিস্তিনে যেদলই ক্ষমতায় আসুক না কেন, তাদের অবশ্যই সহিংসতা বন্ধ করতে হবে।
ইসরাইলকে স্বীকৃতি দিতে হবে এবং আগে যেসব চুক্তি হয়েছে তার প্রতি সম্মান জানাতে হবে। একই সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এও বলেন, আমেরিকা বিশ্বাস করে ফিলিস্তিনিদের একই রকম স্বাধীনতা, নিরাপত্তা, সমৃদ্ধি এবং গণতান্ত্রিকচর্চার অধিকার থাকা উচিত।
ইসরাইলের সব আগ্রাসী নীতির প্রতি অন্ধ সমর্থন দেওয়ার পরও আমেরিকার পক্ষ থেকে এই বক্তব্য দেওয়া হলো।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশনস কোম্পানি লিমিটেডের (বিটিসিএল) কলিং সেবা অ্যাপ ‘আলাপ’ -এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হলো।
ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার গত রোববার ঢাকায় এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে অ্যাপটির উদ্বোধন করেন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে লোগো উন্মোচন করেন।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. আফজাল হোসেন অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন বিটিআরসির চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার। বিটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. রফিকুল মতিন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।
‘আলাপ’ অ্যাপটি ইনস্টল করলে একজন গ্রাহক নিজের বর্তমান মোবাইল নম্বরের সঙ্গে মিলিয়ে একটি নতুন আলাপ নম্বরের মালিক হবেন। আলাপ থেকে আলাপে কথা বলা এবং চ্যাট করা যাবে বিনামূল্যে। তবে তার জন্য ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে।
আলাপ থেকে যে কোনো মোবাইল বা ল্যান্ডফোনে কথা বললে প্রতি মিনিটে খরচ হয় ৩০ পয়সা। এতে রয়েছে প্রতি সেকেন্ড পালস সুবিধা (১৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত)। আবার যে কোনো মোবাইল বা ল্যান্ডফোন নম্বর থেকেও আলাপে কল করা যায়।
গত ২৬ মার্চ থেকে গুগল প্লে স্টোর এবং অ্যাপল অ্যাপস্টোরে ‘আলাপ’ অ্যাপটি উন্মুক্ত করা হয়। ৭ এপ্রিল পর্যন্ত অ্যাপটি চার লাখের বেশি সাইনআপ করা হয়েছে।
সূত্রঃ যুগান্তর অনলাইন নিউজ পোর্টাল
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ চৈত্রের তাপদাহে নাজেহাল মানুষ। শুরু হয়েছে গরমে শরীর ঘামা। বেশি ঘাম হলে ঘামের সাথে লবণ পানি বের হয়ে হতে পারে ডিহাইড্রেশন। এই পরিস্থিতিতে মশলা জাতীয় খাবার কম খেয়ে পানীয় খাবারের উপর গুরুত্ব দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।
গরমে এমন খাবারই খাওয়া উচিত, যাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি আছে। কারণ, গরমে ঘামে শরীর থেকে প্রচুর পরিমাণ পানি বের হয়ে যায়। তা ছাড়া কিছু খাবার শরীর গরম করে। গরমে এমন কিছু খাবার খেতে হবে যা শরীর ঠান্ডা রাখে।
১. তরমুজ
ঠান্ডা ঠান্ডা তরমুজ গরমে আপনাকে দেবে প্রশান্তি। তাই এই সময় আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কয়েক টুকরা তরমুজ রাখতে পারেন। তরমুজের মধ্যে ৯০ শতাংশই পানি থাকায় তা আপনার শরীরকে আরাম দেবে। ভিটামিন ‘এ’ ও ‘সি’ সমৃদ্ধ এই ফলে আরও আছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লাইকোপেন, যা ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে।
২. শসা
গরমে একটা শসা আপনাকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করতে পারে। শসায় প্রচুর পরিমাণ পানি থাকার কারণে এটি গ্রীষ্মের জনপ্রিয় সবজি হিসেবে খাদ্যতালিকায় শুরুর দিকে থাকে। শসা ফসফরাস, জিংক, ক্যালসিয়াম ও অন্য বেশ কয়েকটি খনিজ পদার্থের ভালো উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়। বাইরে গরম থাকলে তাই একটা শসা খেয়ে দেখুন, মনের সঙ্গে সঙ্গে শরীরও ঠান্ডা থাকবে।
৩. পুদিনাপাতা
ঠান্ডা ও প্রশান্তির জন্য পুদিনাপাতাও ভালো খাবার। গরম কমাতে অনায়াসে নানাভাবে পুদিনাপাতা খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। এক গ্লাস ঠান্ডা পানির সঙ্গে পুদিনাপাতার গুঁড়া মিশিয়ে খেলেও ভালো ফল পাবেন। এ ছাড়া বাড়িতে মিন্ট লেমন বানিয়ে খেতে পারেন।
৪. সবুজ শাক
শাকে কম ক্যালরির পাশাপাশি থাকে ৯২ শতাংশ পানি থাকে, যা আপনার শরীরকে ঠান্ডা এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করবে। আপনার শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখবে। সবুজ শাকে ভিটামিন ‘এ’, ‘সি’ ও ‘কে’ ও ফলিক অ্যাসিড পাওয়া যায়। আর এসবের সবটাই আপনার এই মৌসুমে দারুণ উপকারী।
৫. দই
গরমের খাবার হিসেবে দইও ভালো খাবার। বিশেষ করে টকদই। দই দিয়ে তৈরি লাচ্ছিও খেতে পারেন। এ ছাড়া বাজারে নানা ধরনের দইয়ের পানীয় পাওয়া যায় যেমন মাঠা, লাবাং সেগুলোও খেতে পারেন। তিনবেলা নিয়মিত খাবারের পাশাপাশি কিছুটা দকদই খেলেও ভালো ফল পাবেন। কারণ, দইয়ের ৮৫ শতাংশ পানি আপনার শরীরকে গরমে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।
একতার কণ্ঠ ডেস্কঃ আমাদের দেশে ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ক্যাপসিকাম । যাকে বেল পেপার ও বলা হয়। এ নামে অবশ্য খুব বেশি মানুষ চিনবে না। কিন্তু যদি ক্যাপসিকাম বা সিমলা মরিচ বলা হয় তাহলে সবাই চিনবেন। মরিচ নাম হলেও এটি সবজি। মাছ, মাংস, সবজি, সালাদ—সবকিছুতেই এর ব্যবহার রয়েছে। সবুজ, লাল ও হলুদ রঙ সহ বিভিন্ন রঙের ক্যাপসিকাম এখন কিনতে পাওয়া যায় কাঁচাবাজার ও সুপারশপগুলোয়। তবে একটু চেষ্টা করলে বারান্দা কিংবা ছাদের টবে খুব সহজেই বেল পেপার বা ক্যাপসিকাম চাষ করা যায়।
ক্যাপসিকামের কয়েকটি উন্নত মানের জাত হলো ক্যালিফোর্নিয়া ওয়ান্ডার, ইয়েলো ওয়ান্ডার এবং হাইব্রিডের মধ্যে মধ্যে রয়েছে ম্যানহাটন, অনুপম ভারত, রতন, মহাভারত, মানহেম-৩০১৯, মানহেম–৩০২০ ইত্যাদি।
ঝুরঝুরে বেলে দোআঁশ মাটি ক্যাপসিকাম চাষের জন্য উপযুক্ত। যদিও সব মৌসুমেই ক্যাপসিকাম চাষ সম্ভব, তবে ভাদ্র ও মাঘ মাসে বীজ বপন করলে ভালো ফলনের সম্ভাবনা বেশি থাকে।
বীজ বা চারা সংগ্রহ করে নিচের দিকে ছিদ্রযুক্ত একটি টব বাছাই করতে হবে, যেন অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনে সুবিধা হয়। টবের মাটির সঙ্গে এক-তৃতীয়াংশ জৈব সার মেশাতে হবে। মোটামুটি এক মাস বয়সী চারা রোপণের জন্য উপযুক্ত। ক্যাপসিকাম চাষের জন্য আলো, বাতাস ও প্রখর তাপহীন রোদ উপকারী। কারণ, তীব্র রোদে চারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই তাপ কম থাকা অবস্থায় চারা রোপণ করা উচিত। চারা রোপণের কমপক্ষে ২০ দিন পর থেকে এক চামচ করে ইউরিয়া সার প্রয়োগ করতে হবে। সেই সঙ্গে নিয়মিত পরিমান মত পানি দিতে হবে যেন মাটি শুকিয়ে না যায়।
চারা একটু বড় হলে শক্ত খুঁটি দিতে হবে যাতে হেলে না পড়ে। এ ছাড়া গাছের গোড়ার আগাছা থাকলে সেগুলো সাবধানে তুলে ফেলতে হবে। চারা বসানোর প্রায় দুই মাস পর থেকে অর্থাৎ চারা গাছ তিন মাস হলেই ফল দিতে শুরু করে, যা পরবর্তী এক থেকে দেড় মাস পর্যন্ত ফল দিতে থাকবে।