একতার কন্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সিরিঞ্জে করোনার ভ্যাকসিন রেখে সূচ পুশ করার ঘটনায় সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক সাজেদা আফরিনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি। টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন খান মঙ্গলবার(৩ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, টাঙ্গাইলের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মো. শামীম, জেলা ইপিআই কর্মকর্তা মো. সোলাইমান ও দেলদুয়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শামিম সমন্বয়ে গঠিত তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রতিবেদন পেশ করে। তদন্ত প্রতিবেদনে সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক সাজেদা আফরিনের নামে আনিত অভিযোগের সত্যতা
নিশ্চিত হয়ে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের সুপারিশ করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদন পেয়ে তিনি মঙ্গলবার সকালে সুপারিশ করে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন।
প্রকাশ, রোববার(১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে দেলদুয়ার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ২নং বুথে টিকা দিচ্ছিলেন সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক সাজেদা আফরিন। এ সময় সাজেদা আফরিন টিকা গ্রহণকারীদের শরীরে ভ্যাকসিন প্রবেশ না করিয়ে শুধু সূচ পুশ করে সিরিঞ্জ ফেলে দিচ্ছিলেন। বিষয়টি স্থানীয় এক যুবকের নজরে আসে। তিনি ঘটনাটি আবাসিক চিকিৎসক ডা. শামিমকে জানালে তিনি পরিত্যক্ত সিরিঞ্জগুলো বাছাই করে ২০টি সিরিঞ্জের ভেতর সম্পূর্ণ ভ্যাকসিনের উপস্থিতি দেখতে পান। সূচ পুশ করা হলেও শরীরে ভ্যাকসিন প্রবেশ করানো হয়নি বলে তিনি নিশ্চিত হন।
এ ঘটনায় সোমবার(২ আগস্ট) তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। তদন্ত কমিটি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে।
একতার কণ্ঠঃ কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যেও দেশের বৃহৎ বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে ৩৭ হাজার ৯৪০টি পণ্য ও গণপরিবহন পারাপার হয়েছে। এতে টোল আদায় হয়েছে দুই কোটি ৭৮ লাখ ৫৩ হাজার ৩১০ টাকা। সোমবার (২ আগস্ট) বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের(বাসেক) বঙ্গবন্ধু সেতুর সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসানুল কবীর পাভেল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, রোববার (১ আগস্ট) সকাল ৬টা থেকে সোমবার (২ আগস্ট ) সকাল ৬টা পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব ও পশ্চিমপাড় টোলপ্লাজা দিয়ে বাস, ট্রাক, লড়ি, পিকআপ, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেল মিলিয়ে ৩৭ হাজার ৯৪০টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এরমধ্যে সেতুর পূর্ব টোলপ্লাজায় ২০ হাজার ৫৯৬ টি পরিবহনের বিপরীতে টোল আদায় হয়েছে এক কোটি ৫৪ লাখ ১১ হাজার ৭২০ টাকা এবং সেতুর পশ্চিম টোলপ্লাজায় ১৭ হাজার ৩৪৪টি পরিবহনের বিপরীতে আদায় হয়েছে এক কোটি ২৪ লাখ ৪১ হাজার ৫৯০টাকা। যানবাহনের মধ্যে ঢাকামুখী পরিবহনের চেয়ে উত্তরবঙ্গমুখী পরিবহন বেশি পার হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গবন্ধু সেতু-ঢাকা মহাসড়কে শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফিরতে গণপরিবহন চালু হওয়ায় অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে উত্তরবঙ্গমুখী লেনে ২৮ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। রোববার (১ আগস্ট) ভোর থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপ্রান্তের গোলচত্ত্বর থেকে টাঙ্গাইল শহরের রাবনা বাইপাস পর্যন্ত যানজট স্থায়ী হয়। মাঝে মাঝে যানজট বেড়ে ঢাকার দিকে আশেকপুর বাইপাস পর্যন্ত দীর্ঘ হয়। আবার কমে তা ঘারিন্দা ও রাবনা বাইপাসে গিয়ে ঠেকে। তবে ধীরগতিতে যান চলাচল করায় যানজট স্থায়ী রূপ নেয়নি।
রোববার সকাল ৮টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত সরেজমিন দেখা যায়, বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপ্রান্তের গোলচত্ত্বর থেকে টাঙ্গাইল শহরের আশেকপুর বাইপাস পর্যন্ত সেতুমুখী গাড়ির দীর্ঘ সারি। পক্ষান্তরে ঢাকামুখী লেনে স্বাভাবিকের চেয়ে কম গাড়ি মহাসড়ক ফাঁকা পেয়ে বেপরোয়া গতিতে যাচ্ছে।
সেতুর পূর্বপ্রান্তের গোলচত্ত্বর থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত চারলেন না হওয়ায় উত্তরবঙ্গমুখী যানবাহনগুলো পুরো মহাসড়ক দখল করায় যানজট আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। ঢাকার দিকে জোকারচর, সল্লা, হাতিয়া, আনালিয়াবাড়ী, ধলাটেঙ্গর, চরভাবলা, পাথাইলকান্দি প্রভৃতি স্টেশনে এলোমেলোভাবে উত্তরবঙ্গমুখী গাড়ি জটলা সৃষ্টি করেছে। এলেঙ্গা থেকে ঢাকার দিকে পুংলী, রসুলপুর, বিক্রমহাটি, রাবনা বাইপাস, কান্দিলা, ঘারিন্দা ও আশেকপুর বাইপাস পর্যন্ত উত্তরবঙ্গমুখী লেনে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। গণপরিবহন চালু হলেও খোলা ট্রাক, পিকআপ, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনে ঢাকামুখী লেনে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ। কাউকে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা যায়নি।
উত্তরবঙ্গমুখী গাড়ির চালক সানোয়ার হোসেন, গোলাম কিবরিয়া, আহসানুল হক, গাড়ির সহকারী(হেলপার) আলতাফ, আলামিন, সালাহউদ্দিন জানান, আগেরদিন রাতে তারা পোশাকশ্রমিকদের নিয়ে চন্দ্রা, গাজীপুর, মাওনা, চক্রবর্তী, ইপিজেড, বাইপাইল, আশুলিয়া এলাকায় নামিয়ে দিয়ে খালি গাড়ি নিয়ে উত্তরাঞ্চলে ফিরছেন। সেখান থেকে যাত্রী নিয়ে আবার ঢাকার দিকে আসবেন। তারা আরও জানান, পথে উত্তরাঞ্চলগামী যাত্রী কম থাকায় খালি গাড়ি নিয়েই ফিরতে হচ্ছে।
উত্তরবঙ্গমুখী মাইক্রোবাসের যাত্রী আব্দুল হালিম, তার স্ত্রী রওশনারা জানান, তারা গাজীপুর থেকে চিকিৎসা নিতে সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর যাচ্ছেন। মহাসড়কে টাঙ্গাইল অংশের আশেকপুর থেকে গাড়ি ধীরে চলছে, ঘারিন্দায় এসে যানজটে আটকা পড়েছিল। ঘারিন্দা থেকে রসুলপুর গ্যাসপাম্প পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার রাস্তা পেরোতে তাদের প্রায় দুই ঘণ্টা সময় লেগেছে।
যাত্রী বোঝাই পিকআপ চালক শহিদুল ইসলাম জানান, সিরাজগঞ্জ থেকে বাসা-বাড়ির মালামাল আনার জন্য গাজীপুর যাচ্ছেন। কিন্তু মহাসড়কের নানা স্টেশনে ঢাকাগামী যাত্রীরা অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি সকালের নাস্তা করার জন্য এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে থামলে এই সুযোগে যাত্রীরা যার যার মতো পিকআপে উঠে পড়েছে। তাদেরকে মাস্ক পড়ার জন্য অনুরোধ করা হলেও কেউ শুনেনি।
এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়াসির আরাফাত জানান, শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফিরতে গণপরিবহন চালু হওয়ার পর থেকে মহাসড়কে অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ রয়েছে। রাতে ঢাকামুখী লেনে চাপ ছিল, সকাল থেকে উত্তরবঙ্গমুখী লেনে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। তবে উত্তরবঙ্গমুখী গাড়িগুলোর অধিকাংশই যাত্রী শূন্য।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সার্কিট হাউজে রোপণ করা তালিপাম গাছে ফুটেছে ‘মরণফুল’। গাছটি ২০১২ সালের ১৮ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপ-উপাচার্যের বাসা থেকে এনে টাঙ্গাইলের তৎকালীন জেলা প্রশাসক এম বজলুল করিম চৌধুরী রোপণ করেছিলেন। দীর্ঘ নয় বছর পর সেই তালিপাম গাছে ফুল ফুটেছে।
সরেজমিন দেখা যায়, তালিপাম গাছটি দেখতে অনেকটা তাল গাছের মতো। ঝড় এলে গাছটি যেন হেলে না পড়ে তার জন্য পাকাপোক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গাছটির গোড়ার দিকে লোহার রড দিয়ে তৈরি খাঁচায় ঘিরে রাখা হয়েছে। তালিপাম গাছ একবার ফুল-ফল দিয়ে মারা যায়, তাই এর ফুলকে ‘মরণফুল’ বলা হয়ে থাকে।
ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচারের তথ্যানুযায়ী, পৃথিবীর কোথাও আর বুনো পরিবেশে তালিপাম গাছ দেখা যায় না। ঢাবি ক্যাম্পাসে থাকা শেষ তালিপাম গাছটিও ২০১০ সালে ফুল দিয়ে মরে গিয়েছিল। তবে সেই গাছের ফল থেকেই চারা তৈরি করা সম্ভব হয়েছে।
সূত্রমতে, ১৮১৯ সালে ভারতের পূর্বাঞ্চলে তালিপাম গাছের সন্ধান পেয়েছিলেন ব্রিটিশ উদ্ভিদবিজ্ঞানী উইলিয়াম রক্সবার্গ। পরে ঢাবির ফুলার রোডের পাশে ১৯৫০ সালে আরেকটি গাছ শনাক্ত করেন অধ্যাপক এম সালার খান। সে সময় পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমে আরও একটি গাছ ছিল। সেই গাছে ১৯৭৯ সালে ফুল আসে। শতবর্ষী সেই গাছে হঠাৎ ফুল দেখে স্থানীয়রা চমকে যায়। ‘ভূতের আছর’ ভেবে ফল ধরার আগেই গাছটি তারা কেটে ফেলেন।
ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার ১৯৯৮ সালে ঢাবির গাছটিকে বুনো পরিবেশে বিশ্বের একমাত্র তালিপাম গাছ হিসেবে ঘোষণা করে। ঢাবি প্রতিষ্ঠার আগে গাছটি লাগানো হয়েছিল। ২০০৮ সালে ওই গাছে ফোঁটে মরণফুল। জীবনচক্র মেনে ফুল থেকে ফল হয়। ২০১০ সালে গাছটি মারা যায়।
টাঙ্গাইলের নেজারত ডেপুটি কালেক্টর(এনডিসি) দীপ ভৌমিক জানান, গাছটি টাঙ্গাইলের সাবেক ডিসি এম বজলুল করিম চৌধুরীর সময় লাগানো হয়। তার জানামতে এ জাতের গাছে ৯৯ বছরের আগে ফুল ধরে না। কিন্তু এই গাছটিতে অনেক আগেই ফুল ধরেছে। রোপণ করার মাত্র নয় বছরেই গাছটিতে ফুল এসেছে- যা অত্যাশ্চার্য বটে।
টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক (ডিসি) ডক্টর মো. আতাউল গণি জানান, তালিপাম গাছটিতে ২-৩দিন আগে ফুল ফুটেছে। ধারণা করা হচ্ছে, হাউব্রিড হওয়ার কারণে এতো আগে ফুল ফুটলো। গাছটি এক বার ফুল দেওয়ার পর আবার মারাও যাবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলরের অতিরিক্ত দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন প্রফেসর ড. এআরএম সোলাইমান। বৃহস্পতিবার(২৯ জুলাই) সকালে তিনি বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ও মওলানা ভাসানীর মাজারে পুস্পস্তবক অর্পণ ও মোনাজাত শেষে তিনি দায়িত্ব গ্রহন করেন।
এ সময় বিশ্ববিদ্যায়ের বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ শাহীন উদ্দিন, সকল অনুষদের ডিন, চেয়ারম্যান, হল প্রভোস্ট, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রকাশ, গত ২৮ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক অফিস আদেশে পরবর্তী ভাইস-চ্যান্সেলর নিয়োগ ও নবনিযুক্ত ভাইস-চ্যান্সেলর কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ-২০০১ এর ১০(৩) ধারা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এআরএম সোলাইমানকে নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত ভাইস-চ্যান্সেলরের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে করোনা টিকা নেওয়ার রেজিস্ট্রেশন(নিবন্ধন) করে অতিরিক্ত টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে সাব্বির হোসেন রুবেল(৩১) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) ভোরে শহরের নগর জালফৈ(ঢাকা রোড) থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে র্যাব-১২ এর সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের ভারপ্রাপ্ত কোম্পানী কমান্ডার কমান্ডার এএসপি মো. এরশাদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তারকৃত সাব্বির হোসেন রুবেল টাঙ্গাইল শহরের নগরজালফৈ এলাকার সামাদ মিয়ার ছেলে।
র্যাব কমান্ডার জানান, চলমান মহামারী করোনার(কোভিড-১৯) টিকা নেওয়ার রেজিস্ট্রেশন(নিবন্ধন) করে দেওয়ার কথা বলে সাব্বির হোসেন রুবেল বিভিন্ন জনের কাছ থেকে প্রতারণা করে দেড় থেকে দুই হাজার টাকা করে হাতিয়ে নিচ্ছিল। গোপনে সংবাদ পেয়ে বৃহস্পতিবার ভোরে নগর জালফৈ এলাকার আরাফ ফটোস্ট্যাট অ্যান্ড কম্পিউটারের দোকানের সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত সাব্বির হোসেন রুবেল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা নেওয়ার কথা স্বীকার করেছে।
র্যাব কমান্ডার আরও জানান, তার বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় ১৮৬০ সালের পেনাল কোড এর ৪১৭/৪২০ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাকে সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে দুই জন ও উপসর্গ নিয়ে এক জন মারা গেছেন। জেলায় একদিনে নতুন করে ৭০৭টি নমুনা পরীক্ষায় ১৯৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার ২৭ দশমিক ৫৮ শতাংশ। জেলায় এ নিয়ে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১৩ হাজার ৩৪৪ জন। বুধবার(২৮ জুলাই) টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, জেলায় মোট আক্রান্ত ১৩ হাজার ৩৪৪ জনের মধ্যে সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭ হাজার ২২৫ জন। করোনায় মৃত্যুবরণ করেছেন ২০৭ জন। বর্তমানে বাড়িতে ও আইসোলেশন ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন পাঁচ হাজার ৮০৩ জন। জেলার সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতাল গুলোতে করোনা ডেডিকেটেড বেডে ১০৯ জন রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর মরহুম আনোয়ার সাদাৎ তানাকার স্মৃতি রক্ষার্থে ‘তানাকা স্মৃতি ফাউন্ডেশন’ নামে একটি সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। বুধবার(২৮ জুলাই) টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক মোশারফ হোসেনকে আহ্বায়ক এবং সৈয়দ হাবিবুল আলম শাতিলকে সদস্য সচিব করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে সংগঠনটির আত্মপ্রকাশ ঘটে।
এরআগে টাঙ্গাইল শহরের পারদিঘুলীয়ায় স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেনের রাজনৈতিক কার্যালয় ‘তৃণমূল ভবনে’ পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদ্য প্রয়াত কাউন্সিলর আনোয়ার সাদাৎ তানাকার বন্ধু মহলের উদ্যোগে এক সভা আহ্বান করা হয়। সভায় পৌরসভার জনপ্রিয় কাউন্সিলর তানাকার স্মৃতি রক্ষায় ‘তানাকা স্মৃতি ফাউন্ডেশন’ নামে একটি সংগঠন গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহন করা হয়। সংগঠনটি স্থানীয় মৃত ব্যক্তিদের সৎকার, অসহায়দের বিনামূল্যে চিকিৎসা, ছিন্নমূল শিশুদের উন্নয়নে ভূমিকা সহ সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করবে।
প্রকাশ, বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ বীর বিক্রমের জ্যেষ্ঠপুত্র আনোয়ার সাদাৎ তানাকা টাঙ্গাইল পৌরসভা নির্বাচনে ৪নং ওয়াডের্র কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। গত ২০ জুন হদযন্ত্রের ক্রীয়া বন্ধ হয়ে তিনি ইন্তেকাল করেন।
হাড় ক্ষয় একটি জটিল সমস্যা। বর্তমান সময়ে এই রোগে অনেকেই ভুগছেন। দীর্ঘদিন এই সমস্যা জিইয়ে রেখে একটা পর্যায়ে বড় ধরনের বিপদের সম্মুখীন হওয়ার ঘটনাও ঘটছে।
শুরুতে হাড় ক্ষয় রোগ শনাক্ত করা গেলে ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি থেকে মুক্তি মেলে।
হাড়ক্ষয়ের কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা সম্পর্কে যুগান্তরকে পরামর্শ দিয়েছেন ল্যাবএইড হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. এসি সাহা।
তিনি বলেন, অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ের ক্ষয় রোগ হচ্ছে এমন একটি রোগ, যার ফলে হাড়ের ঘনত্ব নির্দিষ্ট মাত্রায় কমে যাওয়ায় হাড় ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। এতে হাড়ের ক্যালসিয়ামের পরিমাণ কমে যায়, হাড়ের স্বাভাবিক গঠন নষ্ট হয়ে ক্রমেই হাড় দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। ফলে হাড় ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা বহুগুণ বেড়ে যায়।
কারণ
* হাড়ের গঠন ও ক্ষয়ের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হওয়া।
* মহিলাদের ক্ষেত্রে ইস্ট্রোজেন এবং পুরুষদের ক্ষেত্রে টেস্টোস্টেরন হরমোনের অভাব।
* থাইরয়েড এবং প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থিজনিত সমস্যা।
* অপর্যাপ্ত পরিমাণ ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘ডি’ গ্রহণ।
* জেনেটিক বা বংশানুক্রমিক রোগ যেমন- হাড়ের ক্যান্সার ইত্যাদি।
উপসর্গ ও লক্ষণ
অস্টিওপোরোসিসে হাড় নীরবে ক্ষয় হতে থাকে। অনেক ক্ষেত্রে হাড় ভাঙার মাধ্যমে এর উপস্থিতি প্রথমে টের পাওয়া যায়। প্রধান লক্ষণ-
* হাড় ও পেশিতে ব্যথা।
* ঘাড় ও পিঠে ব্যথা।
* খুব সহজে দেহের বিভিন্ন স্থানে হাড় (বিশেষ করে মেরুদণ্ড, কোমর বা কব্জির হাড়) ভেঙে যাওয়া।
* কুঁজো হয়ে যাওয়া।
যাদের ঝুঁকি বেশি
* মেনোপজ বা ঋতু বন্ধ-পরবর্তী মহিলা।
* অপর্যাপ্ত পরিমাণ ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘ডি’ গ্রহণ করা।
* ধূমপান ও অ্যালকোহল সেবন করা।
* শরীরচর্চা না করা।
* রিউমেটয়েড আর্থ্রাইটিস বা গেঁটেবাত।
* এইডস, স্তন ক্যান্সার, প্রোস্টেট ক্যান্সার ইত্যাদি রোগ এবং এসব রোগের ব্যবহৃত ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায়।
* দীর্ঘ দিন ধরে কটিকোস্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ সেবন করা।
যেভাবে শনাক্ত করবেন
সাধারণ এক্স-রে দ্বারা অস্টিওপোরোসিস সম্পর্কে ধারণা করা যেতে পারে। তবে সঠিকভাবে এর মাত্রা জানতে হলে বোন মিনারেল ডেনসিটি (বিএমডি) পরীক্ষা করা দরকার। সাধারণত কোমর, মেরুদণ্ড বা কব্জির ডেক্সা স্ক্যান করে বিএমডির সঠিক মাত্রা নির্ণয় করা হয়। বিএমডি দ্বারা হাড়ের ঘনত্ব সঠিকভাবে নির্ণয় করে হাড় ভাঙার ঝুঁকি এবং এর সঠিক চিকিৎসা নির্ধারণ করা যায়।
বিএমডির মাত্রাগুলো জেনে নেয়া যাক
* স্বাভাবিক : I score-ISD এর সমান বা ওপর (পজেটিভ)
* অস্টিওপেনিয়া : T score- ISD থেকে-2.5 SD
* অস্টিওপোরোসিস : T score- 2.5 SD থেকে কম (নেগেটিভ)
কী করবেন
* সুষম খাদ্য গ্রহণ করা।
* পর্যাপ্ত পরিমাণ ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘ডি’ সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ।
* নিয়মিত শরীরচর্চা করা (যেমন- নিয়মিত হাঁটা, সিঁড়ি দিয়ে ওঠা ইত্যাদি)।
* ধূমপান ও মদপান থেকে বিরত থাকা।
ক্যালসিয়াম : প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের (১৮-৫০ বছর পর্যন্ত) দৈনিক ১০০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম এবং ৫১ বছর বা তদূর্ধ্বে ১২০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম খাবার থেকে গ্রহণ করা উচিত। দুধ, শাকসবজি, হাড়সহ ছোট মাছ, ফলমূল, সরিষার তেল ইত্যাদি ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার।
ভিটামিন ‘ডি’ : ভিটামিন ‘ডি’-এর অন্যতম উৎস হল সূর্যালোক। মানবদেহের অভ্যন্তরে ভিটামিন ‘ডি’ তৈরি হওয়ায় একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, যার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ সূর্যালোক দেহের সংস্পর্শে আসা প্রয়োজনীয়। সামুদ্রিক মাছ (যেমন- টুনা, সার্ডিন, স্যালমন ইত্যাদি), কড লিভার তেল, ডিম, দুধ, গরুর কলিজা, মাখন ইত্যাদি ভিটামিন ‘ডি’ সমৃদ্ধ খাবার।
ব্যায়াম: ব্যায়ামের মাধ্যমে সুস্থ হাড় পাওয়া সম্ভব। নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস, সাইকেল চালান, সাঁতার কাটার মাধ্যমে নিয়মিত ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তোলা উচিত।
চিকিৎসা
সঠিক সময়ে অস্টিওপোরোসিসে চিকিৎসা না নিলে দেহের বিভিন্ন অংশের হাড় ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক বিবেচনায় দুঃসহ জীবনযাপন করতে হয়। বিশ্বজুড়ে প্রতি পাঁচজনে একজন রোগী হাড় ভাঙার এক বছরের মধ্যে মারা যায়। কাজেই অস্টিওপোরোসিসের চিকিৎসা প্রয়োজনীয়তার দিকে আমাদের সচেতন হওয়া উচিত। জীবনযাত্রার সঠিক নিয়মগুলো মেনে চলা উচিত।
* নিয়মিত ব্যায়াম করা।
* ধূমপান ও অ্যালকোহল বর্জন করা।
* শরীরে ওজন কমান, ফাস্টফুড ও চর্বিজাতীয় খাদ্য এড়িয়ে চলা।
* পর্যাপ্ত পরিমাণ ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘ডি’ সমৃদ্ধ খাবার যেমন- ছোট মাছ, দুধ, ডিম ইত্যাদি গ্রহণ করা।
* চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক মাত্রার ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘ডি’ ট্যাবলেট গ্রহণ করা যেতে পারে।
* বয়স্ক পুরুষ বা নারী এবং মেনোপজ পরবর্তী মহিলাদের ক্ষেত্রে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ‘ডি’-এর পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হাড় ক্ষয় প্রতিরোধকারী ওষুধ যেমন- বিসফসফোনেট, এলেনড্রোনিক এসিড, ইবানড্রোমি এসিড, জোলেনড্রোনিক এসিড জাতীয় ওষুধ গ্রহণ করা যেতে পারে।
অস্টিওপোরোসিসে হাড়ের ঘনত্ব কমে হার ছিদ্রযুক্ত, দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। সঠিক সময়ে এর প্রতিরোধ বা চিকিৎসা না নিলে একান্ত ব্যক্তিগত কাজকর্ম যেমন- নামাজ পড়া, গোসল করা, টয়লেটে যাওয়া, হাঁটাচলা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের করোনা ডেডিকেটেড ইউনিটের আইসিইউতে বৃহস্পতিবার(১৫ জুলাই) বিকাল সোয়া ৩টার দিকে অগ্নিকান্ড সংঘটিত হয়েছে। খবর পেয়ে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ১৫ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনায় আইসিইউতে থাকা রোগীদের কোন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। হাসপাতালের করোনা ইউনিটের আইসিইউতে হাইভোল্টেজ ন্যাসাল ক্যানুলার প্লাগে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে জানায় ফায়ার সার্ভিস।
হাসপাতালে অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. ছানোয়ার হোসেন, জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গনি, সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ সহ দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা ঘটনাস্থলে ছুটে যান।
সরেজমিনে দেখা গেছে, হাসপাতালের করোনা ডেডিকেডেট ইউনিটের আইসিইউতে আগুন লাগায় সেখানকার ১০ জন রোগীকেই বাইরে বের করে এনে খোলা আকাশের নিচে বিকল্পভাবে অক্সিজেন লাগিয়ে রাখা হয়েছে। পরে তাদের দ্রুত সরিয়ে অন্য ওয়ার্ডে স্থানান্তর করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

অগ্নিকান্ডের পর খোলা আকাশের নিচে করোনা রোগী
হাসপাতালের একাধিক চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে দীর্ঘদিন আগে বিদ্যুতের ওয়ারিং করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে বিদ্যুতের কোন সংস্কার কাজ করা হয়নি। এর মধ্যেই হাসপাতালে আইসিইউ ওয়ার্ড চালু করা হয়েছে।
টাঙ্গাইল ফারার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ১৫ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- হাইফ্লো নেজাল ক্যানোলায় বৈদ্যুতিক ডিভাইস থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।
সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান জানান, আইসিইউ ওয়ার্ডে ১০ জন করোনা রোগী ভর্তি ছিল। আগুন লাগার সাথে সাথে তাদেরকে আইসিইউ থেকে দ্রুত সরিয়ে ফেলা হয়। বর্তমানে তাদেরকে অন্য ওয়ার্ডে স্থানান্তর করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। অগ্নিকান্ডের পর আইসিইউ বন্ধ রয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব আইসিইউ ওয়ার্ড প্রস্তুত করা হবে।

ট্রলিতে করে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে করোনা রোগীকে
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ডক্টর মো. আতাউল গণি জানান, হাসপাতালের অগ্নিকান্ডে কোন প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। অগ্নিকান্ডের ঘটনায় পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি আগামি তিন দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিবে।
একতার কণ্ঠঃ অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের প্রায় ১৫ কিলোমিটার জুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়েছে বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) থেকে গণপরিবহন চালু হওয়ায় মহাসড়ক আগের রূপে ফিরে এসেছে।
এ সড়কের পাকুল্যা থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত এ যানজট রয়েছে। ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। বৃহস্পতিবার সকালে মহাসড়কের আশেকপুর, ঘারিন্দা, রাবনা, বিক্রমহাটি, রসুলপুর, পৌলি ও এলেঙ্গা এলেকায় ঘুরে যানজটের এ চিত্র দেখা যায়।
একাধিক যানবাহনের চালকরা জানান, মহাসড়কের করটিয়া থেকে উত্তরবঙ্গের দিকে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। মাঝে মধ্যেই আবার যানজট ছেড়ে যাচ্ছে। আবার কোথাও কোথাও ধীরগতির সৃষ্টি হচ্ছে। গণপরিবহন চালু হওয়ায় সড়কে যাত্রীদের যাতায়াত বেড়েছে। এজন্য মহাসড়ক আগের রূপেই ফিরে আসতে শুরু করেছে।
তবে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম ও এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়াসির আরাফাত যানজটের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তারা বলেন, গাড়ির চাপ থাকলেও এখন সড়ক স্বাভাবিক রয়েছে। যানবাহন স্বাভাবিক গতিতেই চলাচল করছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর দখল থেকে উদ্ধার করা ৬৬ শতাংশ জমিতে শেখ রাসেল শিশুপার্ক প্রতিষ্ঠার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে এলাকাবাসী। রবিবার (১১ জুলাই) দুপুরে বৃহত্তর আকুরটাকুর পাড়া ও টাঙ্গাইলবাসীর ব্যানারে জেলা সদর রোডে ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। এরআগে গত বুধবার (৭ জুলাই) একই দাবিতে টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসকের কাছে স্থানীয় দেড় শতাধিক ব্যক্তি সাক্ষরিত একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়। স্মরকলিপির অনুলিপি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় সহ বিভিন্ন দপ্তর ও জেলার জনপ্রতিনিধিদের কাছে দেওয়া হয়েছে। একই দাবিতে আগামি শুক্রবার (২৩ জুলাই) বৃহত্তর আকুর টাকুরপাড়ার উদ্যোগে গণসমাবেশ আহ্বান করা হয়েছে।
রবিবার দুপুর ১২টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মানবন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম, কেএম জাকিরুল ইসলাম সংগ্রাম, মো. ওয়ালিদ হোসেন, গাজী সালাহ উদ্দিন, রফিকুল ইসলাম স্বপন, এনামুল কবীর, ওয়ালিদ হোসেন, আকরাম হোসেন কিসলু প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, টাঙ্গাইল শহরের বৃহত্তর আকুর টাকুরপাড়া সবচেয়ে ঘণবসতিপূর্ণ এলাকা। এখানে শিশুদের বিনোদনের কোন জায়গা নেই। প্রাজ্ঞ রাজনীতিক আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর দখল থেকে উদ্ধার করা ৬৬শতাংশ জমিতে জেলা প্রশাসন প্রথমে শেখ রাসেল শিশুপার্ক নির্মাণ করার ঘোষণা দিলে আমরা উৎফুল্ল হয়েছিলাম। কিন্তু পরে জেলা প্রশাসন ওই জমি পৌরসভাকে বার্ষিক ইজারা দেয়। পৌরসভা সেখানে কাঁচাবাজার করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ৬৭টি দোকান এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য উন্মুক্ত শেড নির্মাণকাজ শুরু করেছে।
বক্তারা আরও বলেন, জায়গাটি হঠাৎ করে পৌরসভাকে ইজারা দেওয়ায় আমরা খুবই মর্মাহত হয়েছি। ওই জায়গায় শেখ রাসেল শিশুপার্ক নির্মান না করে কাঁচাবাজার বসানোর তীব্র নিন্দা ও ঘোরতর বিরোধিতা করছি। অবিলম্বে কাঁচাবাজারের শেড নির্মাণ বন্ধ করে শেখ রাসেল শিশুপার্ক নির্মাণের জন্য আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।