একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা শাখা আইনজীবী সহকারী (অ্যাডভোকেট র্ক্লাক) সমিতির সাধারণ সস্পাদকসহ ১২ জনের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারে দাবিতে মানববন্ধন করা হয়েছে। বুধবার(২০ জুলাই) দুপুরে আইনজীবী সহকারী সমিতির সামনে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন করা হয়। মানববন্ধনে পাঁচ শতাধিক আইনজীবী সহকারী অংশ নেন।
মানবন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল জেলা আইনজীবী সহকারী সমিতির সভাপতি মো. শাজাহান মিয়া, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মির্জা কামাল হোসেন,সাবেক সভাপতি মো. ফরহাদ হোসেন, মো. নুরুল হক, মো. আব্দুল মান্নান সিকদার,সাবেক সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন মিঞা, মো. আব্দুস ছালাম সিনিয়র সদস্য আবু বক্কর সিদ্দিক, হিসাব রক্ষক স্বপন কুমার, সদস্য আলেয়া আক্তার, বিথি ও সুমি বেগম প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা বলেন, ঘুষের টাকা লেনদেন নিয়ে আইনজীবী সহকারী সমিতির সাধারণ সম্পাদকসহ ১২ জনের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান। দাবি না মানলে পরবর্তীতে আরো কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারী দেন তারা।
উল্লেখ্য, গত ২৩ জুন এফিডেফিটের কাজ সম্পন্ন নিয়ে আদালতের কর্মচারীদের সাথে আইননজীবী সহকারীদের হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে জারীকারক মোহাম্মদ আজিজুল হক বাদি হয়ে সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফ হোসাইনের নাম উল্লেখ করে ১২ জনের নামে দ্রুত বিচার আইনের মামলা দায়ের করেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে অবৈধভাবে অ্যাসিড বিক্রির দায়ে তিন জনকে তিন বছর করে সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) দুপুরে টাঙ্গাইলের অ্যাসিড অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক জেলা ও দায়রা জজ ফাহমিদা কাদের ওই রায় দেন।
রায়ে দণ্ডিত প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাস করে কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। টাঙ্গাইলের সরকারি কৌশুলি (পিপি) এস আকবর খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দণ্ডিতরা হচ্ছেন- টাঙ্গাইল সদর উপজেলার গালা ইউনিয়নের পাছ বেথৈর গ্রামের আনন্দ দত্তের ছেলে অনন্ত দত্ত, একই গ্রামের হেলাল উদ্দিনের ছেলে আব্দুল লতিফ এবং করটিয়া ইউনিয়নের নগরজালফৈ গ্রামের কাদের মিয়ার ছেলে চান মিয়া।
পিপি এস আকবর খান জানান, ২০১৮ সালের ১৯ জুলাই র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন(র্যাব) এর একটি টহল দল শহরের ছয়আনী বাজারের অনামিকা জুয়েলার্সের সামনে থেকে ৩৫ কেজি নাইট্রিক অ্যাসিডসহ দণ্ডিত তিনজনকে আটক করে।
তারা সেখানে অবৈধভাবে অ্যাসিড বিক্রি করছিলেন। আটকের পর তারা অ্যাসিড বিক্রির বৈধ লাইসেন্স দেখাতে ব্যর্থ হন। পরে র্যাবের উপ-সহকারী পরিচালক মো. নাজিম উদ্দিন বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
তদন্ত শেষে টাঙ্গাইল সদর থানার উপ-পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন ২০১৮ সালের ২০ অক্টোবর ওই তিনজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলায় ১১ জনকে সাক্ষী করা হয়। রায় ঘোষণার পর আদালতে উপস্থিত দণ্ডিত তিন জনকে টাঙ্গাইল জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে যমুনা নদীর তীরবর্তী এলাকা থেকে স্কুলব্যাগে রাখা ১০ বোতল নিষিদ্ধ ফেনসিডিলসহ শাকিল হোসেন(৩০) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৯ জুলাই) বিকালে উপজেলার জগৎপুরা উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে যমুনা নদীর অংশে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত শাকিল হোসেন ঠাকুরগাঁও জেলার রানীশংকৈল উপজেলার ভবানী ডাঙ্গা গ্রামের মো. খতিব আলীর ছেলে।
ভূঞাপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহমুদুল হক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এএসআই মঞ্জুরুল হাসান ও কাজল কুমারকে সঙ্গে নিয়ে উপজেলার জগৎপুরা উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে যমুনা নদীর তীরবর্তী অংশে অভিযান চালানো হয়। এসময় তার ব্যবহৃত স্কুলব্যাগ থেকে ১০ বোতল ফেনসিডিলসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেয়ালে দেয়ালে ছেঁয়ে গেছে স্কুল ছাত্র শিহাব হত্যার বিচার ও দোষীদের ফাঁসি দাবির পোস্টার। হত্যাকান্ডের দিন থেকে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিচারের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছে।
মামলাসহ আবাসিক ভবনের এক শিক্ষক গ্রেপ্তাতারের পর হত্যার ২৭ দিনেও রহস্য উদঘাটন ও প্রকৃত দোষী গ্রেপ্তাতার না হওয়ায় নিহত স্কুল ছাত্রের পরিবার, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরাসহ হতাশায় ভুগছেন অভিভাবকমহল।
রোববার (১৭ জুলাই) শহীদ মিনার চত্তর, শহরের ভিক্টোরিয়া রোড, নিরালা মোড়, শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিটি সড়কের দেয়াল, মার্কেট চত্তরে ওই পোস্টার দেখা গেছে।
টাঙ্গাইল জেলার সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে সৃষ্টি একাডেমির চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম রিপনের ছবি সম্বলিত ছাপানো পোস্টারে সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের আবাসিক ভবনে পঞ্চম শ্রেণীর শিশু শিক্ষার্থী শিহাব মিয়ার উপর পাশবিক নির্যাতনের মাধ্যমে ন্যাক্কারজনক হত্যাকান্ডটি ভিন্নধারায় প্রবাহের সৃষ্টি একাডেমিক স্কুল কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা ও পৃষ্টপোষকতায় হত্যাকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার মিথ্যা ও ভিত্তিহীন নাটকীয়তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানোসহ হত্যাকান্ডের সুষ্ঠু বিচারের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবি করা হয়েছে।
এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও ছড়িয়ে পরেছে ওই পোস্টার। ফেসবুকেও দোষীদের ফাঁসি দাবি করা হচ্ছে।
টাঙ্গাইল জেলা সংবাদ নামের এক ফেসবুক পেইজেও গেল ১ ঘন্টা আগে আল আমিন শিকদার হিমু নামের এক যুবকের পোস্ট দেখা গেছে সেখানে লেখা রয়েছে- আমি মৃত শিহাবের (ফুপাতো ভাই) বড় ভাই। সোনার বাংলাদেশ।
দশ বছরের শিশুকে নির্মম ভাবে হত্যা করা হলো এর কোনো বিচারই হলো না। টাকার বিনিময়ে সব বিক্রি হয়ে গেছে। আইন শৃঙ্খলাবাহিনী, জেলা প্রশাসন, এমপি, মন্ত্রী, সুশীল সমাজ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, মানবাধিকার সংস্থা, সংবাদমাধ্যম এসব লোকদের লজ্জা হওয়া উচিত। বেঁচে থাকতে আমি অন্তত এদের সম্মান দিবো না। এরা রক্ষক না তো বক্ষক। সব কিছুর হিসেব দিতে হবে, হয় এ কালে না হয় পরকালে। যারা খুন করছে তারা যেমন খুনী, তেমনি যারা টাকা খেয়ে এ ঘটনাটি ধামাচাপা দিতেছে তারা ও সমান দোষী।
এতো প্রমাণ থাকা সত্তেও শিহাব হত্যার কেনো বিচার হচ্ছে না কেন? এই আন্দোলন থামবে না। কারণ আমি চাই না আমার পরিবারের মতো আর কোনো পরিবার তাদের সন্তানকে হারিয়ে বিচারের জন্য রাস্তায় রাস্তায় ঘুরুক। আর এই হত্যাকান্ডের সর্বোচ্চ শাস্তি চাই যাতে করে সমাজে আর কোনো নরপশু কোনো মায়ের বুক খালি করতে না পারে। আবারো রাস্তায় নেমে আন্দোলন করা হবে।
যত দিন না সঠিক বিচার হচ্ছে আমি তো আন্দোলন করবোই, সাথে সবার অংশ গ্রহণ আশা করছি। আমার একজনের আন্দোলনে কিচ্ছু হবে না, কিন্তু সবাই একত্র হলে শিহাব হয়তো ওর বিচার পাবে। ঈদের বন্ধের কারণে সব থেমে গেছে কিন্তু খুব তাড়াতাড়ি আবার আন্দোলন করা হবে। সবাই দয়া করে আসবেন।
শিশুদের জন্য ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মুঈদ হাসান তরিৎ বলেন, আমরা খুব শীঘ্রই শিহাব হত্যার বিচার নিয়ে আন্দোলনে নামবো।
তরিৎ বলেন, শিহাব হত্যার বিচার দাবি করে দেয়ালে দেয়ালে পোস্টার লাগানো হয়েছে বলে শুনেছি। আন্দোলনরত আমরা সকলেই শিক্ষার্থী, পোস্টার ছাপানোর মত এত টাকা খরচ করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। শহর জুড়ে পোস্টার লাগানো কি অন্য কোন সংগঠনের আন্দোলন নাকি আমাদের আন্দোলন বন্ধ করার ষড়যন্ত্র। এ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন তিনি।
এ বিষয়ে টাঙ্গাইল সদর মডেল থানার ওসি (তদন্ত) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান জানান, শহরের বিভিন্ন দেয়ালে দেয়ালে শিহাব হত্যার বিচার দাবিতে পোস্টার লাগানো হয়েছে বলে শুনেছি। এটা আন্দোলনের একটি প্রক্রিয়া, এটা চলবেই। ওই স্কুল ছাত্র হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলমান রয়েছে। আশা করছি দ্রুতই এর রহস্য উম্মোচন হবে।
উল্লেখ্য, গত ২০ জুন শহরের বিশ্বাস বেতকা সুপারি বাগান এলাকার সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলের ছাত্রাবাস থেকে পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র শিহাবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে ছাত্রাবাসের আবাসিক শিক্ষকরা তার মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। নিহত শিহাব সখীপুর উপজেলার বেড়বাড়ী গ্রামের প্রবাসী ইলিয়াস হোসেনের ছেলে। শিহাবকে চার মাস আগে সৃষ্টি একাডেমিক স্কুলে ভর্তি করা হয়। সে সুপারি বাগান এলাকায় ওই স্কুলের একটি ছাত্রাবাসে সপ্তম তলায় থাকতো।
ওইদিনই শিহাবের মা আছমা আক্তার বাদি হয়ে আবু বক্করকে প্রধান আসামী করে ৬ জন শিক্ষকের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাত আরও সাত আট জনকে আসামী করা হয়েছে।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে মর্গে শিহাবের ময়নাতদন্ত হয়। শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগে সহকারী অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম মিয়ার নেতৃত্বে তিন সদস্যের চিকিৎসক দল শিহাবের ময়না তদন্ত করেন। পরে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান ময়না তদন্তের প্রতিবেদন পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে পাঠান। শিহাবকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
শিহাবের মরদেহ উদ্ধারের পর মৃত্যুর কারণ ও হত্যায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে টাঙ্গাইল এবং ঢাকায় মানববন্ধন এবং বিক্ষোভ মিছিল করেছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৮ জুন) বিকেলে শুনানী শেষে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. শামসুল আলম ওই মামলায় স্কুলের আবাসিক শিক্ষক আবু বক্করের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
৩ জুলাই গ্রেপ্তাতারকৃত স্কুলের আবাসিক শিক্ষক আবু বক্করকে ৫ দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর থেকে ধারাবাহিক শিহাব হত্যার বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার নিউ ধলেশ্বরী নদীর কুর্শাবেনু এলাকায় সোমবার (১৮ জুলাই) বিকেলে উত্তোলিত বালু (ড্রেজড ম্যাটার) পরিমাপকারীদের ওপর হামলায় একজন প্রকৌশলী আহত ও এসি ল্যান্ডের গাড়িসহ তিনটি গাড়ি ভাঙচুর করেছে স্থানীয় বালু ব্যবসায়ীরা।
এ ঘটনায় র্যাব ঘটনাস্থল থেকে ৮ জনকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছে।এলাকায় এখনও থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
জানা গেছে, সম্প্রতি জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় এলেঙ্গা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতুর গোল চত্বর পর্যন্ত মহাসড়ক চার লেন করার নিমিত্তে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কর্তৃক উত্তোলিত বালু (ড্রেজড ম্যাটার) ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সে লক্ষে মেসার্স আব্দুল মোনেম লিমিটেড নামক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে পাউবো’র চুক্তি সম্পাদিত হয়।
টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ড ও মেসার্স আব্দুল মোনেম লিমিটেডের প্রতিনিধি সমন্বয়ে চুক্তি মোতাবেক উত্তোলিত বালু কুর্শাবেনু এলাকায় পরিমাপ করতে যায়। পরিমাপ করতে গেলে স্থানীয় বালু ব্যবসায়ীরা পাউবোর ৪-৫ জন কর্মচারী ও মেসার্স আব্দুল মোনেম লিমিটেডের ডিজিএম মোস্তাফিজুর রহমানকে বাধা দেয়। এ নিয়ে স্থানীয় বালু ব্যবসায়ী ও পরিমাপকারীদের মধ্যে বাগ-বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে বালু ব্যবসায়ীরা উত্তোলিত বালু পাউবো নিয়ে যাচ্ছে বলে স্থানীয় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে এলাকার জনসাধারণকে যার কাছে যা আছে তাই নিয়ে একত্রিত হতে বলে। পরে এলাকার লোকজন একত্রিত হয়ে পরিমাপকারীদের ওপর হামলা করে এবং মেসার্স আব্দুল মোনেম লিমিটেডের ডিজিএম মোস্তাফিজুর রহমানের গাড়ি ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে কালিহাতী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুল হাসান পুলিশ সঙ্গে নিয়ে কুর্শাবেনু যান। পথে তিনি মাইকের ওই ঘোষণা শুনতে পেয়ে টাঙ্গাইলে কর্মরত র্যাবকে ঘটনাস্থলে আসতে বলেন। ইতোমধ্যে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুল হাসানকে বহনকারী গাড়ি ও পুলিশের গাড়ি কিছুটা দূরে রেখে মাইকের ওখানে পৌঁছান। এই ফাঁকে স্থানীয় উত্তেজিত জনতা কামরুল হাসানকে (এসিল্যান্ড) বহনকারী গাড়ি ও পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর চালায়। পরে র্যাব ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং ঘটনাস্থল থেকে ৮ জনকে আটক করে।
আটকরা হচ্ছেন- আমিনুর, আজিম, মিণ্টু মিয়া, রাজ্জাক খান, মান্নান, সাইফুল, শরীফ ও মারুফ।
কালিহাতী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কামরুল হাসান জানান, তিনি পরিমাপকারীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান। যাওয়ার পথেই তিনি স্থানীয় মসজিদের মাইকে ঘোষণা শুনতে পান। তারা কিছুটা দূরে গাড়ি রেখে মসজিদের কাছে গেলে উত্তেজিত জনতা তার ও পুলিশের গাড়িতে ভাঙচুর চালায়।
তিনি আরও জানান, স্থানীয় উত্তেজিত জনতা মেসার্স আব্দুল মোনেম লিমিটেডের ডিজিএম মোস্তাফিজুর রহমানের গাড়িতে হামলা চালিয়ে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। পরে র্যাব ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। র্যাব এ ঘটনায় নেতৃত্বদানকারী ৮ ব্যক্তিকে আটক করে থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।
তিনি জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক ও পরিতাপের। ভাঙচুরকৃত গাড়িগুলো থানায় আনা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।
একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে থেমে থাকা ট্রাকে যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় তিনজন নিহত হয়েছেন।
শনিবার (১৬ জুলাই) ভোর সাড়ে চারটার দিকে মহাসড়কের মির্জাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের দুল্যা মনসুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনায় বাসের কমপক্ষে ১০ যাত্রী আহত হন। তাদের কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছেন।
জানা গেছে, ঢাকাগামী থেমে থাকা বালুভর্তি একটি ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহী বিনিময় পরিবহনের একটি বাস ধাক্কা দিলে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে ঢাকার দিকে যান চলাচল বন্ধ থাকে।
এতে যানজটে আটকা পড়ে কর্মস্থলগামী মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পর মির্জাপুর থানা পুলিশ রেকারের সাহায্যে দুর্ঘটনা কবলিত বাসটি সরিয়ে নিলে সকাল পৌনে ৭টার দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
গোড়াই হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা টুটুল জানান, তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তাদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ আষাঢ়ের বৃষ্টিহীন তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। প্রখর রোদের পাশাপাশি ভ্যাপসা গরমে স্বস্তি মিলেছে না কোথাও। ফলে বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। আবহাওয়া অফিস জানায়, বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এই সময়েও গরমের এই প্রখরতা। আগামী দুই একদিনের মধ্যে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক বলেন, বর্তমানে ঢাকা, টাঙ্গাইল, রংপুর, দিনাজপুর, নীলফামারী এবং রাজশাহী বিভাগের আট জেলা ও সিলেট বিভাগের চার জেলাসহ মোট ১৭ জেলায় মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা অব্যাহত থাকতে পারে আগামী রোববার (১৭ জুলাই) পর্যন্ত।
আবহাওয়ার ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে রংপুর, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রপাত সহ বৃষ্টি হতে পারে।
এ ছাড়া ওড়িশা উপকূল ও তত্সংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি একই এলাকায় অবস্থান করছে। এর বর্ধিতাংশ পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় রয়েছে।
গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রাজশাহীতে ছিল ৩৮.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন ছিল রাঙামাটি ও সীতাকুণ্ডে, ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের কাঞ্চনপুর দক্ষিণপাড়ায় নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে গোছল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে মার্জিয়া (৭) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪জুলাই) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।
শিশু মার্জিয়া উপজেলার ফুলকি ইউনিয়নের জশিহাটি গ্রামের প্রবাসী বাবুল মিয়ার মেয়ে। মার্জিয়া জশিহাটি সরকারি প্রোথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। সে ঈদের পর (১২ জুলাই) মায়ের সাথে নানার বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল।
জানা যায়, মার্জিয়া ঈদের পর মঙ্গলবার (১২ জুলাই) মা ফরিদা বেগমের সাথে কাঞ্চনপুর নানার বাড়িতে বেড়াতে আসে। বৃহস্পতিবার মার্জিয়া লোকজনের অগোচরে বাড়ির পূর্বপাশে রাস্তার কালভার্টের কাছে বাড়ির অন্যান্য সাথীদের সাথে গোসল করতে গিয়ে পানিতে ডুবে যায়।
মার্জিয়ার ডুবে যাওয়া দেখে তার খালাত ভাই ও মামাত ভাই দৌড়ে এসে বাড়িতে খবর দিলে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. সালেহ খান বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে ঘরে ঘরে জ্বর ও ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। এতে ফার্মেসিগুলোতে নাপা ও প্যারাসিটামিটাল জাতীয় ওষুধের চাহিদা বেড়েছে কয়েক গুণ। বিশ্লেষকদের দাবি, বন্যা ও প্রচণ্ড গরমের কারণে শিশু ও বৃদ্ধসহ সব শ্রেণির মানুষজন ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেনে।
এদিকে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় তাদের চিকিৎসা দিতে হিমসিম খাচ্ছে চিকিৎসকরা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শহর থেকে শুরু করে জেলা প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ঘরে ঘরে মানুষ জ্বর ও ঠান্ডায় আক্রান্ত হচ্ছেন। টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল ও শহরের কয়েকটি বেসরকারি ক্লিনিকে বিগত দিনের তুলনায় গত এক সপ্তাহ ধরে জ্বর-ঠান্ডা রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে কতোজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে এ বিষয়ে কোনো তথ্য দিতে পারেনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
শহরের দিঘুলীয়া এলাকার এসএম আওয়াল মিয়া বলেন, ‘আমি, আমার স্ত্রী, দুই ছেলে ও ভাতিজাসহ পরিবারের ছয় জন ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসকের পরমর্শে ওষুধ খাচ্ছি। এখন মোটামুটি সুস্থ।’
পশ্চিম আকুরটাকুর পাড়ার তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘আমার স্ত্রী ও ছেলে এবং মেয়ের জ্বর হয়েছে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বাড়িতেই সবার চিকিৎসা চলছে। এছাড়াও আমার বাড়ি আশে পাশের অনেকেই জ্বরে আক্রান্ত।’
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার হুগড়া দক্ষিণপাড়া গ্রামের আরিফ হোসেন বলেন, ‘গত চার দিন ধরে আমার দেড় বছরের ছেলে জ্বরে আক্রান্ত। মঙ্গলবার বেশি অসুস্থ হলে তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুই দিন ধরে হাসপাতালে রেখে তার চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসার পর সে এখন সুস্থর দিকে।’
শহরের নিউ মার্কেট এলাকার শফিক মেডিক্যাল হলের প্রোপাইটর শফিকুল ইসলাম শফিক ও নতুন বাস টার্মিনাল এলাকার আমিনা ফার্মেসির প্রোপাইটর মো. মামুনুর রশিদ বলেন, অন্য যে কোনো সময়ে তুলনায় গত এক সপ্তাহ ধরে জ্বর-ঠান্ডার ওষুধ বেশি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও কোম্পানি দাম বাড়াবে বলে নাপা জাতীয় ওষুধের সাপ্লাই বন্ধ রয়েছে।
টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফজল মো. সাহাবুদ্দিন খান বলেন, ‘দেশে আবার করোনা আক্রান্তদের সংখ্যা বাড়ছে। তাই আমি মনে করি জ্বর-ঠান্ডা করোনার উপসর্গ। নাপাসহ প্যারাসিটামাল জাতীয় ওষুধ সঙ্কটের বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নাপাসহ বিভিন্ন ওষুধের পর্যাপ্ত মজুত আছে।’
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের বাসাইলে বিলের পানিতে ভাসমান অবস্থায় এক নবজাতকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (১৩ জুলাই) দুপুরের দিকে বাসাইল ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এলাকার বিল থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, সকালে বিলের পানিতে ভাসমান অবস্থায় নবজাতকের লাশটি দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
বাসাইল থানার এসআই হাবিবুর রহমান বলেন, ‘স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে নবজাতক কন্যা শিশুটির লাশ উদ্ধার করা হয়। লাশটিতে পঁচন ধরেছে। ধারণা করা হচ্ছে ৫ থেকে ৭ দিন আগে শিশুটিকে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। পরে লাঙ্গুলিয়া নদীর পানির স্রোতের সঙ্গে লাশটি ভেসে এখানে এসেছে। লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে আগুনে পুড়ে ১৫টি দোকান ছাই হয়ে গেছে। এতে কমপক্ষে অর্ধ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়ে হয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা। শনিবার (৯ জুলাই) দিবাগত গভীর রাতে উপজেলার পারখী ইউনিয়নের বর্গা বাজারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
কালিহাতী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ মনিরুজ্জামান জানান, রাত ২টার দিকে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। মেডিসিন, মনিহারি, কাপড় ও জুতার দোকানসহ কমপক্ষে ১৫টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। বৈদ্যুতিক লাইন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি।
ব্যবসায়ী আরিফুর ইসলাম শাজু বলেন, আমার ওষুধের দোকানের ৬ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। আমি একেবারে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে গেছি।
বর্গা বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিব মিয়া বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত দোকানিদের সরকারিভাবে সাহায্য করার দাবি জনান তিনি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে আটক হওয়া মো. আবু বকর (৩৫) নামের এক যুবক হাতকড়াসহ পালিয়ে গেছে বলে দাবি করছে বন বিভাগের লোকজন। তবে পরিবারের দাবি তিনি নিখোঁজ হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার কীর্তনখোলা কামারপাড়া এলাকা থেকে বনবিভাগের লোকজন আবু বকরকে আটক করে নিয়ে আসে। শনিবার সকালে তাঁর স্ত্রী বন বিভাগের কালিদাস বিটে গিয়ে স্বামীকে না পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন।
কালিদাস বিট অফিস ও আবু বকরের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কীর্তনখোলা কামারপাড়া এলাকায় মো. বাচ্চু মিয়া নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘদিনের পুরাতন বাড়িতে একটি ঘর তুলছিল। প্রতিবেশী মো. আবু বকর ওই ঘর নির্মাণে শ্রমিকের কাজ করছিল। কিন্তু ওই জমি নিজেদের দাবি করে স্থানীয় বন বিভাগের লোকজন ঘর তুলতে বাধা দেয়। এ সময় ওই বাড়ির লোকজন পালিয়ে গেলেও আবু বকরকে হাতকড়া লাগিয়ে বন বিভাগের কালিদাস বিটে নিয়ে যায়।
আবুবকরের স্ত্রী শাহিনা আক্তার বলেন, গতকাল শুক্রবার রাত তিনটার সময় আমার স্বামীকে হাতকড়া লাগিয়ে বন বিভাগের লোকজন তুলে নিয়ে যায়। শনিবার সকালে আমার ভাসুরকে সঙ্গে নিয়ে কালিদাস বিট অফিসে গিয়ে স্বামীকে খোঁজে পাইনি। জানতে চাইলে বিট অফিসের লোকজন জানায়, তোমার স্বামী পালিয়ে গেছে।
তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, আমার স্বামী ঘটনাস্থল থেকে দৌড় দিতে সাহস পায়নি, তিনি বিট অফিসের ঘর থেকে কিভাবে পালিয়ে যাবেন?
বিকেল থেকে বারবার ফোন করার পর শনিবার সন্ধ্যায় কালিদাস বিট কর্মকর্তা মো. শাহ আলম বলেন, এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। আবু বকরকে পেলেই থানায় হস্তান্তর করা হবে।
বন বিভাগের হতেয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ বলেন, `আমি ছুটিতে বাড়ি আছি। তবে শুনেছি, আটক করা আবু বকর রাতের বেলায় পালিয়ে গেছে। এখন তার পরিবারের লোকজন নিখোঁজের মিথ্যা অভিযোগ তুলছে।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রেজাউল করিম বলেন, এ বিষয়ে বন কর্মকর্তা বাদী হয়ে সখীপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।