একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগে দ্বিতীয় দফায় সভাপতি হলেন ফজলুর রহমান খান ফারুক। সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের। আগামী তিন বছরের জন্য এ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সোমবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্বে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এ কমিটি ঘোষণা করেন।
সম্মেলনে সভাপতি পদে চারজন ও সাধারণ সম্পাদক পদে সাতজন প্রার্থী আবেদন করেন।
সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাহজান খান, আব্দুর রহমান, কামরুল ইসলাম, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ এবং শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।
সম্মেলন সঞ্চালনা করেন টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহের ইসলাম জোয়াহের।
একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের কালিহাতি উপজেলার আনালিয়াবাড়ি এলাকায় বাসচাপায় নারীসহ দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।
রোববার (৬ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের পরিচয় পাওয়া না গেলেও ধারণা করা হচ্ছে নিহতরা স্বামী-স্ত্রী।
বঙ্গবন্ধু সেতু পুর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, রাতে মোটরসাইকেলযোগে এক নারী ও পুরুষ উত্তরবঙ্গের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় পিছন থেকে একটি দ্রুতগতির যাত্রীবাহী বাস তাদের চাপা দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তাদের দুই জনের মৃত্যু হয়।
তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে নিহতরা স্বামী-স্ত্রী। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। সকালে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনরা এলে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ দীর্ঘ প্রায় সাত বছর পর সোমবার (৭ নভেম্বর) টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দীর্ঘ দিন পর সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। সম্মেলনকে ঘিরে পদ প্রত্যাশী নেতাকর্মীদের ব্যানার ফেস্টুন দিয়ে ছেয়ে গেছে পুরো শহর। শহরে প্রবেশের রাস্তায় নির্মাণ করা হয়েছে প্রায় শতাধিক তোরণ।
টাঙ্গাইল স্টেডিয়াম মাঠে সম্মেলনের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এদিকে সম্মেলনকে ঘিরে জেলাব্যাপী দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। প্রায় লক্ষাধিক মানুষের সমাগম ঘটানো হবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। কে হচ্ছেন সভাপতি, আর কে হচ্ছেন সম্পাদক—এ নিয়ে জল্পনা কল্পনা চলছে দলীয় নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে।
দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সফল ও সার্থক করতে ইতিমধ্যে উপজেলা, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এবং সহযোগী সংগঠনগুলোর সঙ্গে প্রস্তুতি সভা করা হয়েছে। সম্মেলনকে ঘিরে বিভিন্ন উপজেলায় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, সম্মেলনে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম।
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুককে সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান, শাহজান খান, অ্যাড. কামরুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দিপু মনি। বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার চাঁপা, শিক্ষা ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, সদস্য ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, সানজিদা খানম, সৈয়দ আব্দুল আউয়াল শামীম, ইকবাল হোসেন অপু, মোহাম্মদ সাঈদ খোকন।
জেলা আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে ফজলুর রহমান ফারুককে সভাপতি, জোয়াহের ইসলাম জোয়াহেরকে সাধারণ সম্পাদক করে তিন বছরের জন্য ১০১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। এরপর দীর্ঘদিন অতিক্রান্ত হলেও কোনো সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়নি।
জেলা আওয়ামী লীগের বর্তমান সভাপতি ফজলুর রহমান খান ফারুক একুশে পদক পেয়েছেন। এছাড়াও তিনি আবারও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে তিনি মুরুব্বির স্থান দখল করে আছেন। তাই সভাপতি হিসেবে তার কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী নেই। এবারও তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সভাপতি হচ্ছেন এটা প্রায় নিশ্চিত।
জেলা আওয়ামী লীগের বর্তামান সাধারণ সম্পাদক জোয়াহের ইসলাম জোয়াহের ও যুগ্ম সম্পাদক খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হচ্ছেন।
জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুজ্জামান স্মৃতি বলেন, “দীর্ঘ দিনের এই রাজনৈতিক পরিক্রমায় জেলার প্রত্যেক নেতাকর্মীর সঙ্গে আমার নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। গত সম্মেলনেও আমি সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ছিলাম। এবারও প্রার্থী হয়েছি। আশা করছি দল আমার মূল্যায়ন করবে।”
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের বলেন, “স্মরণকালের সবচেয়ে সফল সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এই সম্মেলনের মাধ্যমে জেলা আওয়ামী লীগ আরও ঐক্যবদ্ধ হবে সুসংগঠিত হবে। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অতীতেও দলের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ রেখে টাঙ্গাইলকে সন্ত্রাসমুক্ত রেখেছি। দলকে আরও সুসংগঠিত করে আগামী দিনে বিএনপির জ্বালাও পোড়াও আন্দোলনকে প্রতিহত করা হবে।”
একতার কণ্ঠঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় সেজাউল ইসলাম (৩০) নামে এক ট্রাক চালকের মৃত্যু হয়েছে।
শুক্রবার (৪ নভেম্বর) রাত ১ টার দিকে মহাসড়কের মির্জাপুর উপজেলার ক্যাডেট কলেজ নামক স্থানে তার মৃত্যু হয়। সেজাউল বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার হরিপুর গ্রামের এরফান আলীর ছেলে।
গোড়াই হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোল্লা টুটুল বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রাত ১ টার দিকে সেজাউল ইসলাম মিনি ট্রাক নিয়ে ঢাকা যাচ্ছিলেন। মহাসড়কের ক্যাডেট কলেজ নামক স্থানে পৌঁছালে সামনে থাকা লোবেট গাড়ির পেছনে ধাক্কা মারে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। নিহতের মরদেহ আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে নির্মাণাধীন ভবনের লিফট স্থাপনের জন্য খুঁড়ে রাখা গর্তের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৪ নভেম্বর) রাতে উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের সোহাগপুর এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
দুই শিশু হলো গোড়াই সোহাগপুর এলাকার লাল চাদের ছেলে আব্দুল্লাহ (৩) এবং একই এলাকার ফজলুল করিমের মেয়ে খাদিজা (৩)।
পুলিশ জানায়, বেলা সাড়ে চারটার দিকে পাশাপাশি বাড়ির ওই দুই শিশু বাড়ি থেকে বের হয়। বাড়ির লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজির পর সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ওই এলাকার খোরশেদ আলমের নির্মাণাধীন ভবনের লিফট স্থাপনের জন্য খুঁড়ে রাখা গর্তের পানিতে ভাসমান অবস্থায় তাদের দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহ দুটির সুরতহাল করা হয়েছে। গায়ে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলেও পুলিশ জানিয়েছে।
টাঙ্গাইলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (মির্জাপুর সার্কেল) এস এম মনসুর মুসা, মির্জাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. গিয়াস উদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আবু সালেহ মাসুদ করিম বলেন, শিশু দুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরবর্তীতে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
একতার কণ্ঠঃ কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ‘বিএনপি যতোই আন্দোলনের কথা বলুক, আমার দৃঢ় বিশ্বাস বিএনপি একটা পর্যায়ে গিয়ে নির্বাচনে আসবে। সেই পরিস্থিতি আমরা সৃষ্টি করবো ইনশাআল্লাহ।’
শুক্রবার (৪ নভেম্বর) সকালে জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন স্থল টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়াম পরিদর্শন কালে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন। সোমবার (৭ নভেম্বর) এই স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হওয়ার কথা রয়েছে।
মন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমরা বারবার বলছি বাংলাদেশের সংবিধানে সুস্পষ্টভাবে লেখা আছে যে সরকার ক্ষমতায় থাকবে, সেই সরকারই নির্বাচনের সময় দায়িত্বে থাকবে। আসলে নির্বাচন পরিচালনা করা সরকারের কোন দায়িত্ব নাই, এটির দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। একটা নির্বাচন সুষ্ঠু সুন্দর করার জন্য সংবিধানের ১২৬ এ নির্দেশ দেয়া আছে। প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে আইজিপি, সেনাবাহিনীর প্রধান, মন্ত্রী, সচিব সবার দায়িত্ব হবে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী চলা। তাদের নির্দেশ অনুযায়ী দেশ চলবে। কাজেই আওয়ামী লীগ এখানে কোনো বিষয় নয়। একটা আইনের আওতায় নির্বাচন কমিশন করা হয়েছে। বাংলাদেশে আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু সুন্দর ভাবে অনুষ্ঠিত হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন খুব গুরত্বপূর্ণ। নেতাকর্মীদের মাঝে যে তৎপরতা দেখা যাচ্ছে তাতে আমি মনে করি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের উদ্বোধনী পর্বটি একটি মহাসমাবেশে পরিণত হবে। এই সম্মেলনটি সারা বাংলাদেশে একটি নতুন উদাহারণ সৃষ্টি করবে।’
এ সময় অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন- জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান ফারুক, সংসদ সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম, আহসানুল ইসলাম টিটু, তানভীর হাসান ছোট মনির, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক নাহার আহমেদ, পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, যুবলীগের সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য মামুনুর রশীদ মামুন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফারুক হোসেন প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় মারধরের শিকার হয়েছেন এক শিক্ষক।
বুধবার (২ নভেম্বর) সকাল পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার ডুবাইল ইউনিয়নের বর্ণি গ্রামের এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযাগ সূত্রে জানা গেছে, ডুবাইল ইউনিয়নের বর্ণি সুফিয়া ওমর উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ৬ মাস ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছিল একই বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্র আব্দুর রহমান দেওয়ান।
ঘটনাটি ওই ছাত্রী তার বাবা একই স্কুলের ধর্মবিষয়ক শিক্ষক লুৎফর রহমান শেখকে জানায়। পরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু কর্তৃপক্ষের চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
বুধবার মোটরসাইকেলে করে মেয়েকে নিয়ে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে হামলার শিকার হন শিক্ষক লুৎফর রহমান শেখ। হামলাকারী অভিযুক্ত আব্দুর রহমান ও তার সঙ্গীরা মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে লুৎফর রহমান ও তার মেয়েকে নামিয়ে লাঠি ও জুতা দিয়ে বেদম মারধর করে।
দেলদুয়ার থানার ওসি মো. নাছির উদ্দিন মৃধা বলেন, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
একতার কণ্ঠঃ চাকরি স্থায়ীকরণসহ ১৪ দফা দাবিতে টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) প্রফেসর ড. মো. ফরহাদ হোসেনকে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারীরা।
বুধবার (০৩ নভেম্বর) সকাল সোয়া ৯টা থেকে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত উপচার্য অবরুদ্ধ রয়েছেন।
তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী সমিতির সভাপতি এসএম মাহফুজুর রহমান জানান, তৃতীয় শ্রেণির ২২ জন কর্মচারী তিন বছর ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে কাজ করছেন।
সম্প্রতি ১৫টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। তাদের দাবি, ১৫টি পদের বিপরীতে এডহক ভিত্তিতে নিয়োজিত ২২ জনকে নিয়োগ দেওয়া হোক।
কিন্তু উপাচার্য এ দাবি মানছেন না। তাই তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী সমিতির পক্ষ থেকে বুধবার সকাল সোয়া ৯টা থেকে ভিসির কার্যালয়ের সামনে অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে।
ভিসি প্রফেসর ড. মো. ফরহাদ হোসেন জানান, ২০১৯ সালে তৎকালীন ভিসি তৃতীয় শ্রেণির ২২ জন কর্মচারীকে এডহক ভিত্তিতে নিয়োগ দিয়ে গেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন থেকে দুই দফায় ১৫টি পদের অনুমোদন পাওয়া গেছে। ওই ১৫ পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে। এসময় কর্মচারী সমিতির পক্ষ থেকে কিছু দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। তারা ১৫ পদের বিপরীতে ২২ জনকে নিয়োগ দেওয়ার দাবি তুলেছেন। তারা কোনো লিখিত পরীক্ষা ছাড়া শুধু মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের চাকরি স্থায়ী করার দাবিও করছেন। এ দাবিতে বুধবার সকাল থেকে তাকে (ভিসি) অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার, প্রক্টর, শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দ তাদের সঙ্গে কয়েক দফা কথা বলেছেন। কিন্তু তারা তাদের দাবিতে অনড়।
তিনি আরও জানান, আরও সাতটি পদ বাড়াতে তিনি ইউজিসির চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি পদ বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন।
তালাবদ্ধ করে রেখে উপচার্যের ব্যক্তিস্বাধীনতা হনন করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে গর্ভবতী ফাতেমা আক্তার (৩৫) লাশ উদ্বার করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ। বুধবার (২ নভেম্বর) সকালে উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের দক্ষিন সহবতপুর গ্রাম থেকে নিখোঁজের ৬ দিন পর ঝুলন্ত অবস্থায় তার অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়।
মৃত ফাতেমা আক্তার সহবতপুর গ্রামের মৃত সমাজ মিয়ার ৩য় কন্যা।
পবিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ফাতেমার বিয়ের কয়েক বছর পর সন্তান সহ ১ম স্বামী আলীম, ফাতেমাকে তালাক দেয়। ফাতেমা সংসারের অভাবের তারনায় সৌদি পাড়ি দেন। টানা ৫ বছর প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরত আসে। পরে ফাতেমা ঢাকায় একটি গার্মেন্টসে চাকরী নেন। চাকুরী সুবাদে ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার মো. আরশেদ আলীর ছেলে রুবেল মিয়া সাথে প্রথমে প্রেম পরে বিয়ে হয়। বিয়ের প্রায় ২ মাস পর রুবেলের ছোট ভাই শামীমের সাথে পরকিয়ায় জড়িয়ে পড়ে ফাতেমা। পরে রুবেলকে তালাক দিয়ে ছোট ভাই শামীমকে বিয়ে করে সাত মাস ধরে ঘর সংসার করে আসছিল। এরই মধ্যে চার মাসের অন্তঃসত্তা হয়ে পড়ে ফাতেমা।
গত (২৭ অক্টোবর) বৃহস্পতিবার স্বামীসহ ফাতেমা তার বাবার বাড়ী সহবতপুর আসেন। পরের দিন সকালে স্বামী শামীম ঘুম থেকে উঠে তার স্ত্রী ফাতেমাকে আর খোঁজে পান না। ফাতেমার বাড়ীর লোকজন স্বামী শামীমকে চাপ সৃষ্টি করলে শামীম কোন কিছু উত্তর না দিয়ে পালিয়ে ঢাকা চলে যায়। নিহত ফাতেমার বাড়ীর লোকজন শামীমের মোবাইল ফোনে যোগযোগ করলে শামীম নানা রকম কথা বার্তা বলে। নিখোঁজের ৬ দিন পর বাড়ির পাশ থেকে মাটি আনতে গিয়ে ঝোপের মধ্যে ফাতেমার ঝুলান্ত লাশ দেখতে পান চাচাতো ভাবি পারুল।
নাগরপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (তদন্ত) হাসান সরকার জাহিদ বলেন, সংবাদ পেয়ে লাশ উদ্বার করে ময়নাতদন্ত জন্য টাঙ্গাইল সদর হাসাপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। রিপোর্ট পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে দ্রুত গতির বাস চাপায় ঘোড়ার গাড়ির দুই আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছে আরো দুই জন। আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ অক্টোবর) সকালে ঢাকা- টাঙ্গাইল – বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের কালিহাতী উপজেলার হাতিয়া ১২ নম্বর সেতুর কাছে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার মালিহাটা গ্রামের বাবলু পোদ্দার (৬৫) ও শাহজানপুর উপজেলার পোয়ালগাথা গ্রামের ইউনুস আলী (৫৫)। নিহতরা জামালপুর থেকে ঘোড়া কিনে বগুড়ায় ফিরছিলেন বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, হতাহতরা জামালপুরের একটি হাট থেকে ঘোড়া কিনে বাড়িতে যাচ্ছিলেন। ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের হাতিয়া এলাকার ১২ নম্বর সেতু পাড় হওয়ার সময় ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাস তাদের বহনকারী ঘোড়ার গাড়িকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন নিহত হন। এ ঘটনায় আহত দুইজনকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিহতদের মরদেহ বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানায় রয়েছে।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার এসআই মো. নাজমুল হাসান বলেন, ‘নিহতদের লাশ আইনী প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। যাত্রীবাহী বাসটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে।’
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে ট্রাকের পেছনে চলন্ত মাইক্রোবাসের ধাক্কায় দুই পুলিশ সদস্যসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরো দুইজন। সোমবার (২৪ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার মধুপুর-জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) সকালে নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিহতরা হলেন, জামালপুর সদরের নারায়নপুর পুলিশ ফাড়ির সদস্য নুরুল ইসলাম ও সোহেল রানা। অপর নিহত হলেন ধর্ষণ মামলার আসামি লালন (২৪)। লালন জামালপুর সদরের গজারহাটা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে।
মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি ) মাজহারুল আমিন জানান, ধর্ষণ মামলার আসামিকে মেডিকেল পরীক্ষা শেষে মাইক্রোবাসে ঢাকা থেকে জামালপুরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। ফেরার পথে গোলাবাড়ি এলাকায় একটি ট্রাকের পিছনে মাইক্রোবাসটি ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই পুলিশ সদস্য এবং ধর্ষণ মামলার আসামির মৃত্যু হয়।
তিনি আরো জানান, মঙ্গলবার সকালে নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পুলিশ সদস্যদের মরদেহ তাদের ইউনিটে পাঠানো হবে।
একতার কণ্ঠঃ সোমবার (২৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশে আঘাত হানবে ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’। ইতিমধ্যে এটি সিভিয়ার সাইক্লোনে রূপ নিয়েছে।
উইকিপিডিয়ার তথ্য বলছে, ঘূর্ণিঝড়ের ফলে সৃষ্ট বাতাসের গতিবেগ যদি ঘণ্টায় ৬২ থেকে ৮৮ কিলোমিটার হয়, তাকে ঘূর্ণিঝড় বা ট্রপিক্যাল সাইক্লোন বলা হয়। গতিবেগ যদি ৮৯-১১৭ কিলোমিটার হয়, তখন তাকে তীব্র ঘূর্ণিঝড় বা ‘সিভিয়ার সাইক্লোন’ বলা হয়। আর বাতাসের গতিবেগ যদি ঘণ্টায় ১১৮ থেকে ২১৯ কিলোমিটার হয়, তখন সেটিকে হারিকেন গতিসম্পন্ন ঘূর্ণিঝড় বা ‘ভেরি সিভিয়ার সাইক্লোন’ বলা হয়। গতিবেগ ২২০ কিলোমিটার বা তার বেশি হলে তাকে ‘সুপার সাইক্লোন’ বলা হয়।
এদিকে এই ঘূর্ণিঝড় নিয়ে অনেকের মনে যেমন ভীতি তৈরি হয়েছে, তেমনি কৌতুহলও তৈরি হয়েছে ঘূর্ণিঝড়টির নাম ‘সিত্রাং’ কেন তা নিয়ে।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘সিত্রাং’ নামটি থাইল্যান্ডের দেওয়া। ভিয়েতনামিজ ভাষায় যার অর্থ ‘পাতা’। এবারের ঘূর্ণিঝড়ের আনুষ্ঠানিক নামকরণের দায়িত্ব ছিল থাইল্যান্ডের।
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার অধীনে ভারত মহাসাগরের উত্তরাঞ্চলে সৃষ্ট ট্রপিক্যাল সাইক্লোনের নামকরণের জন্য একটি কমিটি রয়েছে। এই কমিটিতে রয়েছে বাংলাদেশ, মিয়ানমার, ভারত, পাকিস্তান, মালদ্বীপ, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, ওমান, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইরান, সৌদি আরব ও ইয়েমেন।
এই ১৩ দেশের সংস্থা এস্কেপ ২০২০ সালেই ১৬৯টি ঘূর্ণিঝড়ের নাম ঠিক করে রাখে। সেই তালিকা থেকে এবারের ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেওয়া হয় ‘সিত্রাং’।
ঘূর্ণিঝড়ের নামের ওই তালিকা থেকে এর আগে নির্বাচিত হয় বাংলাদেশের দেয়া ‘ফণী’, পাকিস্তানের ‘তিতলি’, মালদ্বীপের ‘আইলা’, থাইল্যান্ডের ‘আম্ফান’। এবারের ঘূর্ণিঝড়ের নামকরণও করেছে থাইল্যান্ড। এমনকি সিত্রাংয়ের পরবর্তী ঝড়ের নামও ঠিক করা আছে আগে থেকেই। এরপরের ঘূর্ণিঝড়ের নাম হবে ‘মন্দোস’। যার নামকরণ করেছে সৌদি আরব। এরপরের ঘূর্ণিঝড়টির নাম হবে ‘মোচা’। যেটি ইয়েমেনের দেয়া।