একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল পৌর শহরের দুইটি বাজারে ডিমের আড়তে অভিযান চালিয়ে ৯ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর টাঙ্গাইল।
রবিবার (১৩ আগস্ট) সকালে শহরের পার্ক বাজার ও বটতলা বাজারে জেলা ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শিকদার শাহীনুর আলমের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শিকদার শাহীনুর আলম জানান, টাঙ্গাইল শহরের পার্ক বাজারে ডিম বেচাকেনার পাকা রশিদ দেখাতে না পারায় আমজাত ডিমের ঘরকে ২ হাজার টাকা ও আব্দুল ছোবহানের ডিমের আড়তকে ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া বটতলা বাজারে ডিমের মূল্য তালিকা না থাকা ও বেচাকেনার পাকা রশিদ দেখাতে না পারায় বিসমিল্লাহ ফল ভান্ডারকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযান পরিচালনাকালে জেলা পুলিশের সদস্যরা সহযোগিতা করে।
তিনি আরও জানান, অভিযান চলাকালে ব্যবসায়ীদের পণ্য বেচাকেনার রশিদ সংরক্ষণ ও মূল্য তালিকা প্রদর্শণ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ডক্টর ফরহাদ হোসেনের বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে শিক্ষকরা।
রোববার (১৩ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির ব্যানারে ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডক্টর এএসএম সাইফুল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ডক্টর মো. মাসুদার রহমান, নির্বাহী সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইফ সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ উমর ফারুক, সহ-সভাপতি অধ্যাপক ডক্টর মো. আহসান হাবিব, কোষাধ্যক্ষ ডক্টর মো. খাইরুল ইসলাম, যুগ্ম-সম্পাদক ডক্টর অনিমেষ সরকার, দপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ জসীম উদ্দিন, শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ডক্টর মো. জয়নুল আবেদীন, নির্বাহী সদস্য অধ্যাপক ডক্টর লুৎফুননেছা বারি, অধ্যাপক ডক্টর মো. ফজলুল করিম, ডক্টর মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন প্রমুখ।
মানববন্ধনে শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এ এস এম সাইফুল্লাহ বলেন, শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য লজ্জাকর এবং অবমাননাকর। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য স্বেচ্ছাচারীভাবে নিজের মন মতো যে কোনো সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন। ডিন, চেয়ারম্যান কারো কোনো কথার তোয়াক্কা করছেন না। আমার ধারণা উপাচার্য তার নিজের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য ঢাকাস্থ অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ বোর্ড ডেকেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধাকে অগ্রাহ্য করেছেন এবং গত দুই বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য আমরা তার কোনো কর্মকান্ড দেখিনি। এছাড়া এর আগে দুই বিভাগে চারজন শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে উপাচার্য তার নিজ এজেন্ডা বাস্তবায়ন করেছেন বলেও জানান তিনি।
মানববন্ধনে মাভাবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির নির্বাহী সদস্য এবং লাইফ সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ উমর ফারুক বলেন, ২০ বছরের অধিক সময়ের এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সব সময় নিয়োগবোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে হয়েছে। রবিবার যে নিয়োগ বিশ্ববিদ্যালয়ে হওয়ার কথা ছিলো সেটি উপাচার্য নিজের স্বার্থকে চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে গেছেন। এর আগে তিনি শিক্ষকদের ব্লাডি বলেছেন এবং বলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন পুরুষ আছে বাকি সব মহিলা। এমন আপত্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে তার এই পদে থাকার নৈতিকতা কতটুকু।
শিক্ষক নেতারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক নিয়োগ পরীক্ষা ঢাকায় না নিয়ে নিজ প্রতিষ্ঠানে নেওয়ার দাবি জানান।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার কাতুলী ইউনিয়নের ধলেশ্বরী নদীর উপর নির্মিত ঝুঁকিপূর্ণ চারাবাড়ি এসডিএস সেতু সংলগ্ন সড়ক ভেঙে পড়ায় যানচলাচল বন্ধ রয়েছে। শনিবার (১২ আগস্ট) সকালে সড়কের একটি অংশ ভেঙ্গে নদী গর্ভে বিলীন হয়। এতে বিপাকে পড়েছে টাঙ্গাইল সদরের পশ্চিম অঞ্চলের লাখো মানুষ।
অবশ্য টাঙ্গাইল পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী মো.সাজ্জাদ হোসেন দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।
সরেজমিনে শনিবার দুপুরে গিয়ে দেখা যায়, সেতু সংলগ্ন সড়কের অর্ধেকের বেশি অংশ ভেঙ্গে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ফলে এপারের যানবাহন ওপারে যেতে পারছেনা। সাধারণ মানুষ পায়ে হেটে যেতে পারলেও যানবাহন সেতুর দুই পাশে দাড়িয়ে আছে।
এতে ভোগান্তিতে পড়েছে, হুগডা, কাকুয়া, মাহমুদনগর, পোড়াবাড়ি ও কাতুলী ইউনিয়নসহ পাশ্ববর্তী সিরাজগঞ্জ জেলার লাখ-লাখ মানুষ।
স্থানীয়রা জানায়, সেতু নির্মাণের পর থেকেই বালু ব্যবসায়ীরা নদী থেকে অবৈধ বাংলা ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করায় অতীতেও এ সেতুর অ্যাপ্রোজ ধসে পড়ে। পরে এলজিইডি পুনরায় অ্যাপ্রোজ নির্মাণ করে। এরপরও থেমে থাকেনি বালু ব্যবসায়ীদের থাবা। সুযোগ পেলেই রাতের আঁধারে বালু বিক্রি করায় সম্প্রতি নদীতে পানি কমার সাথে-সাথে শনিবার সকালে সড়কের একটি অংশ ভেঙ্গে নদীতে পড়ে।
তারা আরো জানায়, সকাল হলেই আমাদের এই ব্রীজ দিয়ে চলাচল করতে হয়। টাঙ্গাইল শহরের সাথে টাঙ্গাইল সদরের পশ্চিম চরাঞ্চলের মানুষের যোগাযোগের একমাত্র সড়ক এটি। বিপুল পরিমান টাকা খরচ করে সরকার চরাঞ্চলের মানুষের চলাচলের সুযোগ করে দিয়েছে। আর এই ব্রীজটির পাশ থেকে অবৈধভাবে মাটি উত্তোলন বন্ধ ও কোন স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ করা না হলে প্রতি বছরই এই ভোগান্তি হবে। পাশেই আমাদের তোরাপগঞ্জ সেখান থেকে পরিবহনের ষ্ট্যান্ড সেটি শনিবার থেকে বন্ধ হল। বন্ধ হলো ব্যবসা বানিজ্য। তাই দ্রুত মেরামতের কাজ করে যোগাযোগের সুযোগ করে দেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানান তারা।
এ বিষয়ে কাতুলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো.ইকবাল হোসেন জানান, প্রতি বছরই শুকনো মৌসুমে ব্রীজের পাশে মাটি কাট হয়। যার কারণে ব্রীজের পাশে প্রতি বছরই ভেঙে যায়। এই ব্রীজ দিয়ে যেসমস্ত যানবাহন চলাচল করতো সেটি শনিবার সকাল থেকে বন্ধ রয়েছে। সড়কটি দ্রুত সংস্কার করার জন্য সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের নিকট জোর দাবি জানান।

টাঙ্গাইল পানি উন্নয় বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী মো.সাজ্জাদ হোসেন জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাবো। পরিদর্শন শেষে সেখানে দ্রুত জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধ করে যোগাযোগের ব্যবস্থা পুনরায় চালু করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল শহরে ব্লোমিং বিউটি বাই মুন’র স্কিন কেয়ার শোরুম উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (১১ আগস্ট) বিকেলে পৌর শহরের রেজিস্ট্রি পাড়ায় অবস্থিত সাফ শক্তি টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায় ব্লোমিং বিউটি বাই মুন’র স্কিন কেয়ারের শোরুম ফিতা ও কেক কেটে উদ্বোধ করেন চলচ্চিত্র অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মডেল বারিশা হক, টাঙ্গাইল ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশীদ, ব্লোমিং বিউটি বাই মুন’র স্বত্বাধিকারী মুন ভুইয়ান প্রমুখ।
চলচ্চিত্র অভিনেত্রী অপু বিশ্বাসকে দেখতে শত শত নারী-পুরুষ ভিড় করেন।
উদ্বোধন শেষে চলচ্চিত্র অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস বলেন, টাঙ্গাইলের রাস্তা পার হয়ে আমার জন্মস্থান উত্তরবঙ্গে বগুড়া যেতে হয়। টাঙ্গাইলের সাথে আমার ছোট বেলা থেকে একটা ভালো পরিচয় ছিল, সেটা রাস্তার সাথে। আজকে ব্লোমিং বিউটি বাই মুন’র স্বত্বাধিকারী মুনের প্রতিষ্ঠানে আসতে পেরে অনেক ভালো লাগছে।
আপু বিশ্বাস আরও বলেন, আমার লাল শাড়ীর সিনেমার সাথে টাঙ্গাইলের একটা যোগসূত্র আছে যেখান থেকে চিন্তা ধারা। সেই চিন্তা ধারা থেকেই লাল শাড়ী সিনেমা সৃষ্টি হয়েছে। টাঙ্গাইলে এসে অনেক ভালো লাগছে। আমি প্রিয়তমা ছবি দেখেছি আমার ফেসবুকে ছবিও পোস্ট করেছিলাম। প্রিয়তমা সিনেমা আপনাদের ভালোবাসার সিনেমা হিসেবে দাঁড়িয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে দিন দিন বেড়েই চলছে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় নতুন করে ৫৭ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। এতে জেলায় একদিনে সর্বোচ্চ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলো।
বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) সকাল পর্যন্ত জেলায় মোট ৮৪৮ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলো। আক্রান্তরা জেলা শহরের হাসপাতাল ছাড়াও বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এদিকে ডেঙ্গু জেলা শহরের বাইরে গ্রাম অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়েছে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এর আগে জেলায় গত ১ আগস্ট সর্বোচ্চ ৫৩ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলো। জেলায় এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৪৮ জন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন ৬৯৮ জন। হাসপাতালে একজন রোগী মৃত্যুবরণ করেছেন। হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ১৫০ জন রোগী। জেলা শহরের বাইরে উপজেলা পর্যায়ে সবার্ধিক ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে নাগরপুর উপজেলায়।
নতুন আক্রান্তদের মধ্যে শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ১, টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ২৪ জন, মির্জাপুরের কুমুদিনী হাসপাতালে ২ জন, সদরে ১ জন, নাগরপুরে ৯ জন, ঘাটাইলে ৩ জন, মধুপুরে ৭ জন, গোপালপুরে ৬ জন এবং ধনবাড়ী উপজেলায় ৪ জন রয়েছেন।
এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. খন্দকার সাদেকুর রহমান জানান, বর্তমানে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন হওয়ার পাশাপাশি মানুষের ঘরবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন রাখতে হবে। জমানো পানি পরিষ্কার রাখতে হবে। যাতে করে ডেঙ্গু বিস্তার করতে না পারে। আক্রান্ত রোগীদের জন্য মশারি টাঙিয়ে আলাদা ব্যবস্থা করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের পৌর এলাকার সাবালিয়ায় জাল কাগজপত্র তৈরি করে জমি ক্রয়-বিক্রয়ের অভিযোগে চার চিকিৎসকসহ ১০জনকে জেলহাজাতে পাঠিয়েছেন আদালত।
বুধবার (৯ আগস্ট) বিকেলে টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল মোহসীন এ আদেশ দেন।
কারাগারে যাওয়া চার চিকিৎসক হলেন- টাঙ্গাইল জেলা বিএমএ-এর সাধারণ সম্পাদক সিলেট মেডিকেল কলেজের অধ্যাপক ডা. মো. শহিদুল্লাহ কায়সার, তার স্ত্রী ডা. আসমা আক্তার, টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার আজিজুল হক, গোপালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার তাপস চন্দ্র সাহা।
এছাড়া অন্যরা হলেন- ডা. তাপস চন্দ্র সাহার স্ত্রী মুক্তা রানী প্রামাণিক, মো. ওয়ারেস, আতোয়ার রহমান, মামুনুর রহমান, আব্দুল্লা আল মিলন ও সুলতানা ইয়াসমিন।
আদালত পরিদর্শক তানভীর আহমেদ জানান, শহরের সাবালিয়া এলাকার সাজ্জাত হোসেন চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়েরকৃত মামলায় অভিযোগ করেন, বিবাদিরা টাঙ্গাইল পৌরসভার ১৮নং ওয়ার্ডের সাবালিয়া এলাকায় তাদের ১০ শতাংশ জমি জাল পর্চা তৈরি করে ক্রয় বিক্রয় করেছেন।
তিনি আরও জানান, বুধবার মামলার তারিখে আসামিরা আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করেন। আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে কিশোরী ধর্ষণ মামলায় লিটন মিয়া (২০) নামে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার(৯ আগস্ট) দুপুরে টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মাহবুবুর রহমান আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি লিটন মিয়া জেলার মধুপুর উপজেলার পরীগাছা গরম বাজার গ্রামের ছোয়াদ আলীর ছেলে।
টাঙ্গাইলের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি অ্যাডভোকেট আলী আহমদ জানান, দণ্ডিত আসামী লিটন মিয়ার সঙ্গে ওই কিশোরীর প্রেমের সম্পর্ক হয়। এই সুবাদে তার সাথে ঘনিষ্ট সম্পর্ক গড়ে উঠে। ২০১৯ সালের ১৬ নভেম্বর বিকেলে ভিকটিমের মা বাড়ির বাইরে থাকায় দণ্ডিত আসামী ভিকটিমের বাড়িতে এসে তার ঘরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ফলে ভিকটিম ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পরে। পরে বিয়ের কথা বললে, ভিকটিমকে বিয়ে না করে হুমকি প্রদর্শণ করে। পরে ভিকটিমের মা বাদি হয়ে মধুপুর থানায় ২০২০ সালের ১৪ এপ্রিল নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্ত শেষে মধুপুর থানার এস আই ছানোয়ার হোসেন ২০২০ সালের ৩০ ডিসেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র দায়ের করেন।
তিনি আরও জানান,ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুটির ভরণ পোষণের দায়িত্ব রাষ্ট্র বহন করবে।
উল্লেখ্য,বাদি পক্ষের মামলা দায়ের থেকে মামলার রায় ঘোষণা পর্যন্ত এই মামলায় আইনগত সহায়তা প্রদান করেন মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আতাউর রহমান আজাদ ও বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির পক্ষে এডভোকেট জিনিয়া বখ্শ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলায় আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় চতুর্থ পর্যায়ের দ্বিতীয় ধাপে আরো ৬৭ট ঘর ভূমি ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে হস্তান্তর করা হয়েছে।
বুধবার(৯ আগষ্ট ) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপহারের নতুন ঘর হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
এর পর সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার ৬৭ টি পরিবারের মাঝে ঘরের দলিল হস্তান্তর করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ছানোয়ার হোসেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. ওলিউজ্জামান, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসান বিন আলী, সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) অতনু বড়ুয়া, বাঘিল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. এসএম মতিউর রহমান মন্টু, করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান মজনু চৌধুরী দাইন্না ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আফজাল হোসেন প্রমুখ।
একতার কণ্ঠঃ নারীদের জন্য দেশের সর্বোচ্চ সম্মাননা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক পেলেন টাঙ্গাইলের গর্ব, বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের স্ট্রাইকার কৃষ্ণা রাণী সরকার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট হতে এই পুরস্কার গ্রহণ করেছেন তিনি।
মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) সকাল ১০টায় ঢাকা ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় নারী ফুটবল দলের সকল খেলোয়াড়কে এ পুরস্কার তুলে দেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
পদক পাওয়ার পর কৃষ্ণা রাণী সরকার বলেন, নারীদের জন্য সর্বোচ্চ পদক বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক পেয়ে অন্যরকম ভালোলাগা কাজ করছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পদকের পাশাপাশি জাতীয় দলের সকল খেলোয়াড়কে ১ লাখ টাকা করে প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রীর নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
কৃষ্ণা রাণী সরকারের মা নমিতা রানী জানান, আমার মেয়ে নারীদের সর্বোচ্চ সম্মাননা পদক পাওয়ায় আমি গর্বিত।
পদক পাওয়ার সংবাদে উচ্ছ্বসিত কৃষ্ণা রাণী সরকারের বাবা বাসুদেব সরকার জানান, আমার মেয়ে আগেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট হতে পুরস্কার পেয়েছে। বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব পদক মেয়ের সেরা প্রাপ্তি। কৃষ্ণা বারবার দেশের জন্য সম্মান বয়ে নিয়ে আসবে, এটাই সবসময় আশির্বাদ করি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯৩তম জন্মবার্ষিকী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয়েছে। কর্মসূচির মধ্যে ছিল- বঙ্গমাতার প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণ, আলোচনা সভা, সেলাই মেশিন বিতরণ, মোনাজাত ও দোয়া মাহফিল ইত্যাদি।
এ উপলক্ষে মঙ্গলবার (৮ আগস্ট) সকালে জেলা প্রশাসনের জনসেবা চত্ত্বরে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণ করা হয়। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মো. ছানোয়ার হোসেন এমপি।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলামের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক শামীম আরা রিনি, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর,আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ফজলুল হক বীরপ্রতীক, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী প্রমুখ।
পরে দুস্থ মহিলাদের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়।
এদিকে, জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়ে স্থাপিত বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবের প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে তাঁর ৯৩তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। এ সময় জেলা আওয়ামীলীগের শীর্ষ নেতারা ও এর সহযোগী এবং ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ সম্মেলনের দীর্ঘ ৯ মাস পর টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটি। সোমবার (৭ আগস্ট) দলের সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশক্রমে এই কমিটির অনুমোদনপত্রে সই করেছেন সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
অনুমোদনপ্রাপ্ত টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক। সহ-সভাপতিরা হলেন- বীর মুক্তিযোদ্ধা শামসুল হক মিয়া, বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা আনিসুর রহমান আনিস, ছানোয়ার হোসেন, ডা. কামরুল হাসান খান, নাহার আহমদ, শাহজাহান আনসারী, কুদরত-ই-এলাহি খান, বাপ্পু সিদ্দিকী, তারেক শামস খান হিমু, ইনসাফ আলী ওসমানী।
এছাড়া সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের। কমিটিতে যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদ পেয়েছেন সুভাষ চন্দ্র সাহা, তানভীর হাসান ছোট মনির ও মির্জা মঈনুল হোসেন লিন্টু।
আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট এস. আকবর খান, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আবু নাসের, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সোলায়মান হাসান। ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক নাজমুল হুদা নবীন, দপ্তর সম্পাদক খোরশেদ আলম, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ মিয়া (চান মিয়া), প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সৈয়দ মাহমুদ তারেক পুলু, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট বদিউজ্জামান ফারুক।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক রেজাউর রহমান চঞ্চল, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শামীমা আক্তার, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আনোয়ার হোসেন, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক এহসানুল ইসলাম আজাদ (সর্দার আজাদ), শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মহসীন শিকদার, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আহসানুল ইসলাম টিটু। শ্রম বিষয়ক সম্পাদক ওয়াজির হাসান খান শরীফ হাজারী, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক এলেন মল্লিক, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক আ ন ম বজলুর রহিম রিপন।
সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, সাইফুজ্জামান খান সোহেল, খান আহমেদ শুভ।
উপ-দপ্তর সম্পাদক অধ্যক্ষ আনন্দ মোহন দে, উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম, কোষাধ্যক্ষ বাহারুল ইসলাম মিন্টু।
কমিটির সদস্যরা হলেন আতাউর রহমান খান, অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ, সোহরাব আলী খান আরজু, মনোয়ারা বেগম, হাসান ইমাম খান সোহেল হাজারী, খন্দকার মমতা হেনা লাভলী, মাহবুব আলম মল্লিক, আবু হানিফ আজাদ, সিরাজুল হক আলমগীর, অ্যাডভোকেট শহীদুল ইসলাম, খন্দকার মসিউজ্জামান রুমেল, আকরাম হোসেন কিসলু, অ্যাডভোকেট শামীমুল আক্তার, আমিরুল ইসলাম খান, আব্দুল গফুর মন্টু, কুতুব উদ্দিন, মাহমুদুল হাসান মারুফ, হারুনার রশীদ হীরা, ডা. মির্জা নাহিদা হোসেন বন্যা, আনিসুল মান্নান শাহেদ, ইঞ্জিনিয়ার আতাউল মাহমুদ, ডা. মীর ফরহাদুল আলম মনি, খালিদ হোসেন খান পাপ্পু, ড. মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) খন্দকার আব্দুল হাফিজ, মাহমুদুর রহমান তালুকদার আজাদ, সাখাওয়াত হোসেন, ইয়াকুব আলী, জেবুন্নেছা চায়না, ডা. জাকিয়া ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ সিদ্দিকী (মঈন সিদ্দিকী), সুজয় দেব, অ্যাডভোকেট মাসুদুল হাসান, রাফিউর রহমান ইউছুফ জাই, আমিনুল ইসলাম তালুকদার বিদ্যুৎ।
একতার কণ্ঠঃ পুষ্পস্ববক অর্পন, স্মৃতিচারণ, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণসহ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৪তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।
এ উপলক্ষে শনিবার (৪ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামের সামনে শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলাম, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী প্রমুখ।
সকাল ১১ টায় জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জীবনী নিয়ে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
জেলা প্রশাসক মো. কায়ছারুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইলের পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর,সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী, জেলা আওয়ামী লীগের প্রস্তাবিত কমিটির সহ-সভাপতি খন্দকার আশরাফউজ্জামান স্মৃতি, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক জেলা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক বীর প্রতীক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার জহুরুল হক ডিপটি, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম আজাদ বীর বিক্রম, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ প্রমুখ।
এ সময় সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের আয়োজনে বঙ্গবন্ধু অডিটোরিয়ামে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৪তম জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা হয়।
বাদ জোহর জেলার সকল মসজিদে বিশেষ মোনাজাত ও সুবিধাজনক সময়ে সকল মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। বিকেল ৪ টায় টাঙ্গাইল স্টেডিয়ামে প্রীতি ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়।
এর আগে গত ২ থেকে ৪ আগস্ট টাঙ্গাইল শিশু একাডেমিতে রচনা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।