একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক এমপি’র পাঁচ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পতিত জমিতে হচ্ছে ড্রাগন ফল চাষ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পড়ে থাকা পতিত জমিতে লাগানো ড্রাগন ফল থেকে প্রতি মৌসুমে আয় হচ্ছে লাখ লাখ টাকা। লাভের সেই টাকা ব্যয় হচ্ছে নিজ উদ্যোগে নির্মিত এতিমখানায়। এতে সুরক্ষিত হয়েছে এতিমখানাসহ শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ।
একান্ত সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক এমপি আলহাজ্ব মো. আবুল কাশেম।
সরেজমিনে দেখা গেছে, দেলদুয়ার উপজেলায় দেউলি ইউনিয়নের আলালপুর গ্রামে পাশাপাশি কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। বোরহানুল উলুম আহমাদিয়া ইয়াছিনিয়া ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসা, সুফিয়া কাশেম বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, আবুল কাশেম ট্রাষ্ট মসজিদ, আল জামিয়াতুল কাছেমিয়া ও জামেরুন্নেছা এতিমখানা, কমিউনিটি ক্লিনিক, পোস্ট অফিস ও সামাজিক কবরস্থান। প্রায় ১৮ একর জমির উপর গড়ে উঠা প্রতিষ্ঠানগুলো ১০ একর পতিত জমিতে চাষ করা হয়েছে ড্রাগন ফল।
বাগানের কৃষক মো. আব্দুল কাদের বলেন, ১০ একর জমির উপর এই ড্রাগন বাগান করা হয়েছে। বাগানে ড্রাগনের চারা রয়েছে পনের হাজার। আমাদের বাগানে লাল, গোলাপী, বেগুনী, হলুদ ও সাদা জাতের ফল রয়েছে।
তিনি বলেন, এখন ড্রাগন ফলের মৌসুম। তবে আমাদের বাগানে ফল বেশি বড় হচ্ছে না। কেজিতে ধরছে পাঁচ ছয়টা।

তিনি আরও বলেন, ড্রাগন ফল বাজারজাত করতে কোন কষ্ট হয় না। আমরা স্থানীয় পাইকারীদের কাছে বিক্রি করে থাকি। এছাড়াও নিজস্ব খরচে ঢাকায় পৌছিয়ে দিলে পাইকারীরা ন্যয্যমুল্যে দিয়ে থাকেন। প্রতিদিন প্রায় ৬শ থেকে ৮শ কেজি ড্রাগন ফল উত্তোলন করা যায়। তবে আমরা তা না করে মাসে মাসে উত্তোলন করছি। মাঝে মাঝে স্থানীয় পাইকারদের দাবির কারণে এর আগেও উত্তোলন করে বিক্রি করি। স্থানীয় পাইকারদের কাছে প্রতি কেজি দুই থেকে আড়াইশ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে আমাদের ড্রাগন ফল।
বোরহানুল উলুম আহমাদিয়া ইয়াছিনিয়া ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী কবিরসহ কয়েক জন জানায়, ড্রাগন ফলের বাগানে সজ্জিত আমাদের বিদ্যাপিঠ। এই বাগান দেখে শুধু আমরাই আনন্দ পাইনা, বিভিন্ন এলাকা থেকেও বাগানগুলো দেখতে মানুষ আসছেন। এছাড়াও আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি অনেক জায়গায় থাকায় পর্যাপ্ত আলো বাতাস পাওয়া যায়। শিক্ষা ব্যবস্থাও ভালো বলে জানান তারা।
আল জামিয়াতুল কাছেমিয়া ও জামেরুন্নেছা এতিমখানার মুহতামিম হাফেজ ইমরান হোসেন বলেন, এতিমখানা ও হিফজ শাখায় বর্তমানে অধ্যায়ন শিক্ষার্থী সংখ্যা ৪২জন। অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের খানাপিনা ভোরণ পোষণের দায়িত্ব পালন করছেন প্রতিষ্ঠাতা টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক এমপি আলহাজ্ব মো. আবুল কাশেম।
তিনি আরও বলেন, এতিমখানার শিক্ষার্থীদের ভোরণ পোষণের চাহিদা মেটাতে তিনি ১০ একর পতিত জমিতে ড্রাগন বাগান করেছেন। ওই ফল বিক্রির টাকা ব্যয় হচ্ছে এতিমখানার শিক্ষার্থীদের পিছনে বলেও জানান তিনি।
বোরহানুল উলুম আহমাদিয়া ইয়াছিনিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. ইব্রাহিম খলিল বলেন, আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চারদিকে ড্রাগন ফলের বাগান। বাগানটি দেখতে অসাধারণ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীরা প্রকৃতির মনোরম পরিবেশে বেড়ে উঠছে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রতিষ্ঠান গুলোর প্রতিষ্ঠাতা ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েই এই ড্রাগন বাগান করেছেন। উনার অবর্তমানে প্রতিষ্ঠানগুলো যেন বন্ধ না হয়, সে লক্ষেই উনার এই বাগান করা। বাগান থেকে উপার্জিত টাকা এতিমখানাসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালনায় ব্যয় করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা ও আবুল কাশেম ট্রাষ্ট বোর্ডের চেয়ারম্যান টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মো. আবুল কাশেম জানান, ১৯৭৩ সালে আমার পিতা ইন্তেকাল করেন। উনার রুহের মাগফিরাতের জন্য ওই সালেই আমি এখানে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করি। আমার প্রতিষ্ঠিত বোরহানুল উলুম আহমাদিয়া ইয়াছিনিয়া ফাজিল মাদ্রাসাটি বর্তমানে ডিগ্রী মাদ্রাসার উন্নিত হয়েছে। এর পাশাপাশি এখানে প্রতিষ্ঠা করেছি সুফিয়া কাশেম বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, আবুল কাশেম ট্রাষ্ট মসজিদ, আল জামিয়াতুল কাছেমিয়া ও জামেরুন্নেছা এতিমখানা, কমিউনিটি ক্লিনিক, পোস্ট অফিস আর একটি সামাজিক কবরস্থান। এই প্রতিষ্ঠাগুলোর পরিচালনার ব্যয় মিটাতে আমার এই ড্রাগন বাগান করার উদ্যোগ।

তিনি জানান, আমার ১৮ একর জমির ৮ একর জমিতে প্রতিষ্ঠানগুলো নির্মিত হয়েছে। বাকি ১০ একর পতিত জমিতে ড্রাগন বাগান করা হয়েছে। আমার এই ড্রাগন বাগানের বয়স প্রায় দেড় বছর। এ বছর আমি প্রায় ১৩/১৪ লাখ টাকার ফল বিক্রি করতে পেরেছি। ড্রাগন ফল বিক্রির টাকা এতিমখানাসহ প্রতিষ্ঠানগুলোর পিছনে ব্যয় করা হচ্ছে। ওই টাকা আমি আমার ব্যক্তিগত কোন কাজে খাটাই না। আমার ইচ্ছে আমার সকল সম্পতি আমি ট্রাস্টের নামে দিয়ে যাবো। সম্পতির সকল আয়ে চলবে আমার প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলো।
তিনি আরও জানান, আগামীতে প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে পরনির্ভরশীল না হয় সেই লক্ষেই আমার এই বাগান করার উদ্যোগ। আমার প্রতিষ্ঠিত এতিমখানায় যাতে দুই থেকে তিনশ এতিম সন্তান থাকতে পারে। তাদের আর্থিক কোন কষ্ট না হয় সেটিকেই প্রাধান্য দিয়ে আমি ড্রাগন চাষে এগিয়ে যাচ্ছি। বাগানটি করতে আমাকে দেশের অনেক জায়গাতে ঘুরতে হয়েছে। সর্বশেষ নাটোর থেকে এই ড্রাগনের চারা এনে বপন করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে যথাযোগ্য মর্যাদায় শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে পুলিশ লাইন্সের মাল্টিপারপাস শেডে টাঙ্গাইল জেলা পুলিশের উদ্যোগে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শরফুদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) রাকিবুল হাসান রাসেল, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আব্দুল্লাহ আল মামুন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, টাঙ্গাইল জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি আনন্দ মহন দে, সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ কুমার গুণ ঝন্টু প্রমুখ।
এ সময় বিভিন্ন থানার ওসি ও বিভিন্ন উপজেলার পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভায় পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বলেন, গত বছর জেলায় পূর্জামণ্ডপের সংখ্যা ছিলো ১ হাজার ২৬৫টি। এ বছর পূর্জা মণ্ডপের সংখ্যা হলো ১ হাজার ২৮১টি। পূর্জামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা দেয়ার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্ততি নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি আনসার ও স্বেচ্ছাসেবী নিয়োজিত থাকবে। প্রতিটি পূর্জামণ্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। আশা করছি কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই এবারও পূর্জা অনুষ্ঠিত হবে।
একতার কণ্ঠঃ রবিবার (১ অক্টোবর) ৪র্থ বর্ষে পা রাখলো এভারগ্রীণ ফিটনেস ক্লাব, টাঙ্গাইল। ২০২০ সালের ১ অক্টোবর আজকের এই দিনে ক্লাবটি যাত্রা শুরু করে। এভারগ্রীণ ফিটনেস ক্লাব একটি শরীর চর্চা ও ক্রীড়া সংগঠন।
৪র্থ বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে রবিবার দিনব্যাপি ক্লাবের পক্ষ থেকে বর্ণিল অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়।
সকাল ৭টা ৩০মিনিটে টাঙ্গাইল কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠে বেলুন উড়িয়ে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার শুভ উদ্বোধন করা হয়।
এর পর ক্লাবের সকল সদস্যের অংশগ্রহণে এক বর্ণাঢ্য র্যালি কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ থেকে বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে টাঙ্গাইল নিড়ালা মোড় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়।
এরপর রবিবার সন্ধ্যা ৭টা ৩০মিনিটে সুগন্ধা রেস্টুরেন্ট মিলনায়তনে দ্বিতীয় পর্বের অনুষ্ঠান সূচি র্যাফেল ড্র, পুরস্কার বিতরণী, আড্ডা ও নৈশভোজের ঘোষণার মাধ্যমে প্রথম পর্বের অনুষ্ঠানমালার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
এ সয়ম উপস্থিত ছিলেন এভারগ্রীণ ফিটনেস ক্লাব টাঙ্গাইলের সমন্বয়ক সার্বিক সৈয়দ নাজমুল হোসেন, বর্ষপূর্তি উৎসব উদযাপন কমিটির আহবায়ক মোঃ নাজমুল হক রুমেল, যুগ্ম আহবায়ক আলহাজ্ব মোঃ মাহবুবুর রহমান খান নাজিম, যুগ্ম আহবায়ক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম, সদস্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন, সমন্বয়ক মানব সম্পদ এনাদি হোসেন খান, মোঃ শফিকুল ইসলাম, হরুন-অর রশিদ, আরফান আলী, মোঃ নাজমুচ্ছাকীব বক্ সী সহ ক্লাবের সন্মানিত সদস্য বৃন্দ।
একতার কণ্ঠঃ বঙ্গোপসাগরের ঢেউয়ের মতো বার বার গাজীপুরের অতন্দ্র প্রহরী গোলরক্ষক মাহফুজের গায়ে টাঙ্গাইল জেলার আক্রমণ আচঁড়ে পড়লেও অটল মাহফুজকে পরাস্ত করতে পারেনি। উল্টো ৩৭ মিনিটে পাল্টা আক্রমণে গোল হজম করা টাঙ্গাইলের পরাজয় দেখলো ক্রীড়ামোদী হাজারো দর্শক।
শনিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকালে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে বিভাগীয় কমিশনার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে গাজীপুর জেলা ফুটবল দলের কাছে ১-০ গোলে পরাজিত হলো টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল দল।
শুরুতে টাঙ্গাইল জেলা স্টেডিয়ামে বিভাগীয় কমিশনার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার সাবিরুল ইসলাম।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলামের সভাপতিত্বে এসময় ১১টি জেলার জেলা প্রশাসক, টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল পৌর মেয়র এসএম সিরাজুল হক আলমগীর, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ ওলিউজ্জামান, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মির্জা মঈনুল হোসেনসহ ১২টি জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদকবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
খেলার শুরু থেকে টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল দলের খেলোয়াড়গণ আক্রমণ করে খেলতে থাকে। দক্ষ স্টাইকারের অভাবে টাঙ্গাইল জেলা কাঙ্খিত গোল করে এগিয়ে যেতে পারেনি। উল্টো পাল্টা আক্রমণ থেকে ৩৭ মিনিটের সময় গাজীপুর জেলা দলের রানা আহমেদ গোল করে ১-০ গোলে দলকে এগিয়ে নেয়।
খেলায় পিছিয়ে পড়ে টাঙ্গাইল জেলা বার আক্রমণ করে খেলতে থাকে। কিন্তু গোল করে খেলায় সমতা আনতে ব্যর্থ হয়। দ্বিতীয়ার্ধের পুরো সময় টাঙ্গাইল একচেটিয়া আক্রমণ করে খেললেও গাজীপুরের গোলরক্ষক মাহফুজকে পরাস্ত করে গোল করতে পারেনি। গাজীপুরের গোলরক্ষক মাহফুজ টাঙ্গাইল জেলা দলের হেড কিংবা শট অসামান্য দক্ষতা ও ক্ষীপ্ততায় নিশ্চিত ৫টি গোল রক্ষা করেছেন।
টুর্নামেন্টে ঢাকা বিভাগের ১২টি জেলা “যমুনা”ও “পদ্মা” ২টি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে গোল্ডকাপ চ্যাম্পিনশীপে অংশগ্রহণ করছে।
কমিশনার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের “যমুনা” গ্রুপের জেলা ফুটবল দলগুলো হলো ঢাকা, গাজীপুর, নরসিংদী, মানিকগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও স্বাগতিক টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল দল।
শরিয়তপুর স্টেডিয়ামে “পদ্মা” গ্রুপের দল গুলো হলো নারায়ানগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, রাজবাড়ী ও স্বাগতিক শরিয়তপুর জেলা ফুটবল দল।
যমুনা ও পদ্মা গ্রুপ থেকে গ্রুপ ফাইনাল খেলে বিজয়ী দুটি জেলা শরিয়তপুর স্টেডিয়ামে চ্যাম্পিয়নের জন্য ফাইনাল খেলায় মুখোমুখি হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাণিজ্যিক এলাকা করটিয়ার আবেদা খানম গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের মুখ উজ্জল করলেন শাফিহা ইয়াসফিন আদ্রিকা (১৬)। সে এ বছর এসএসসি হিসাব বিজ্ঞান বিভাগ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে ।এছাড়া এসএসসি পরীক্ষায় টাঙ্গাইল জেলায় মেধা তালিকায় তৃতীয় স্থান অধিকার করেন তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আবেদা খানম গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. খলিলুর রহমান।
শাফিহা ইয়াসফিন আদ্রিকা টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া চৌধুরী পাড়া এলাকার সোয়েব হোসেন লাভলু চৌধুরী জৈষ্ঠ্য কন্যা এবং করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী মজনুর নাতনী।
ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. খলিলুর রহমান জানান,এ বছর করটিয়া আবেদা খানম গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি পরীক্ষা দেন শাফিহা ইয়াসফিন আদ্রিকা। তার রোল নং ৫৫০৪৯৪, শাখা বানিজ্য। পরীক্ষায় সে জিপিএ -৫ পেয়েছে। বৃহস্পতিবার(২৯ সেপ্টেম্বর) রেজাল্ট সিট পাওয়ার পর নিশ্চিত হয় সে টাঙ্গাইল জেলায় এবারের এসএসসি পরীক্ষায় মেধা তালিকায় বানিজ্য শাখা থেকে তৃতীয়স্থান অধিকার করেছেন। এমন খবরে তার পরিবার ও প্রতিবেশীদের মধ্যে খুশি ও আনন্দের জোয়ার বইছে।
জেলায় তৃতীয় স্থান অধিকারী আদ্রিকা তার অনুভুতি ব্যক্ত করে জানান, আমার ফলাফল ধারাবাহিকভাবে ভাল করতে চাই। আমার ইচ্ছা আছে বড় হয়ে একজন ভালো ব্যাংকার হতে চাই।
আদ্রিকার বাবা সোয়েব হোসেন লাভলু জানান, আদ্রিকার সাফল্য শুধু তার মেয়ের একার সাফল্য নয়,এই ফলাফল তার বিদ্যালয় ও জেলার সুনাম বয়ে এনেছে। আপনারা দোয়া করবেন আমার মেয়ে যেন ভবিষ্যতে আরও ভাল ফলাফল করে সবার মুখ উজ্জল করতে পারে।
আবেদা খানম গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. খলিলুর রহমান জানান, আদ্রিকা আমাদের স্কুলের অত্যান্ত মেধাবী একজন ছাত্রী। আমাদের আশা ছিল, এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় আদ্রিকা ভাল ফলাফল করবে। সে ভাল ফলাফল করে আমাদের স্কুলের মুখ সুনাম বৃদ্ধি করেছে। আশাকরি, এইচএসসি পরীক্ষায়ও সে ভাল ফলাফল করবে।
করটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান চৌধুরী জানান,আদ্রিকার এই ফলাফলে আমি অত্যান্ত গর্বিত ও আনন্দিত। আমি তার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের সখীপুরে আলোচিত শিশু শিক্ষার্থী সামিয়া (৯) হত্যাকান্ডের ২২ দিন পর মূল আসামি সাব্বির হোসেনকে (২১) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর)রাতে সখীপুর উপজেলার দাড়িয়াপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক ও জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর)বিকেলে সখীপুর থানা কার্যালয়ের সামনে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়। টাঙ্গাইল ডিবি পুলিশ ও সখীপুর থানা পুলিশের সমন্বয়ে যৌথদল এ অভিযান পরিচালনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে গ্রেপ্তার সাব্বির হোসেনের উদ্ধৃতি দিয়ে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, ঋণের টাকার পরিশোধ করতে সাব্বির মুক্তিপণের পরিকল্পনা করেছিল। সে ছিল ঋণগ্রস্ত। পাওনাদার তাকে ঋণ পরিশোধে চাপ দিচ্ছিল। পাওনাদারদের কথায় অপমানও বোধ করে সে ৫ সেপ্টেম্বর রাতে সিদ্ধান্ত নেয়, এমন কাউকে সে ‘অপহরণ’ করবে, যার বাবার কাছে নগদ অর্থ আছে এবং নগদ অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে সে ‘মুক্তিপণ’ হিসেবে নিতে পারবে। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী শিশু সামিয়ার পরিবারের কাছে নগদ অর্থ আছে। সে পরিকল্পনা অনুযায়ী তাকে (সামিয়া) অপহরণের সিদ্ধান্ত নেয় সাব্বির।
তিনি আরও জানান, সে পরিকল্পনা অনুযায়ী সে ঘটনার দিন (৬ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে আটটার দিকে সামিয়া বিদ্যালয় থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হলে সাব্বির তার নিজের মুদির দোকান থেকে নেমে সামিয়ার পিছু ছুটে। সামিয়া তার বাড়ির ২০০ গজ মধ্যে পৌঁছালে হঠাৎ করে পেছন থেকে তার (সামিয়া) গলার মধ্যে চেপে ধরে পাশের বাঁশ ঝাড়ের দিকে নিয়ে যায়। বাঁশ ঝাড়ে নিয়ে গেলে সামিয়া বাঁচার জন্য আকুতি-মিনতি করে বলে পুলিশ সুপারকে জানায় গ্রেপ্তার সাব্বির। পরে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে বলেও জানায় সাব্বির।
পুলিশ সুপারকে আরও জানায়, মুক্তিপণের জন্য সিদ্ধান্ত নিলেও, যখন সামিয়া সাব্বিরকে চিনে ফেলেছে এবং ছেড়ে দিলে তার মহাবিপদ হবে, ভেবে সে সামিয়াকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেয়। পরে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে লাশ বঁাশের পাতা দিয়ে ঢেকে রাখে।সাব্বির পুলিশ সুপারকে আরও জানায়, সকাল নয়টার মধ্যে সামিয়াকে হত্যার পর সকাল ১০টা ২৩ মিনিটে ‘ইমু’ আইডি থেকে অডিও বার্তায় ৫ লাখ টাকা ‘মুক্তিপণ’ দাবি করে সামিয়ার বাবার মোবাইলে পাঠায়।
টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার জানান, সাব্বির জানায় ‘সে একাই সামিয়াকে খুন করেছে’। মুক্তিপণই ছিল তার মূল পরিকল্পনা।
গ্রেফতারকৃত সাব্বির উপজেলার দাড়িয়াপুর উত্তরপাড়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে। গ্রেপ্তার সাব্বির হোসেন ও সামিয়ার বাবা প্রতিবেশী।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস)। খুনের রহস্য উদ্ঘাটন ও আসামি গ্রেপ্তারে টাঙ্গাইল ডিবি পুলিশ ও সখীপুর থানা পুলিশের সমন্বয়ে যৌথদল কাজ করছেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সখীপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদ রানা জানান, ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন হয়েছে। খুনের মূল ও একমাত্র আসামি সাব্বিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অধিকতর তদন্ত চলছে। ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে আসামি সাব্বিরকে টাঙ্গাইল আদালতে পাঠানো হচ্ছে।
একতার কণ্ঠঃ এবার বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের উদ্যোগে টাঙ্গাইলে যাত্রা শুরু করেছে স্টেশন অণু-পাঠাগার।
বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল ঘারিন্দা রেলস্টেশনে এই অণু-পাঠাগার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।
এই স্টেশনে অপেক্ষমাণ যাত্রীদের বই পড়ার সুযোগ করে দিতে অর্ধ-শতাধিক বিভিন্ন ধরনের বই নিয়ে এ অণু-পাঠাগারের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
অণু-পাঠাগার উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট কবি টাঙ্গাইল সাধারণ গ্রন্থাগারের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ কামাল। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কুমুদিনী সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুর রাজ্জাক, সম্মিলিত পাঠাগার আন্দোলনের সভাপতি আব্দুস ছাত্তার খান, সহ-সভাপতি ডাঃ রাজেন্দ্র দেবনাথ, কর পরিদর্শক খন্দকার মিজানুর রহমান, টাঙ্গাইল ঘারিন্দা রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার রকিবুল হাসান, বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা কামরুজ্জামান প্রমুখ।
টাঙ্গাইল থেকে ঢাকাগামী সিল্কসিটি ট্রেনের অপেক্ষমাণ যাত্রী আলতাফ হোসেন বলেন, ‘এটি খুবই প্রশংসনীয় উদ্যোগ। ট্রেনের জন্য বিভিন্ন সময় স্টেশনে অপেক্ষা করতে হয়। তখন মোবাইলে সময় অপচয় করি। অপেক্ষার এ সময়টুকু এখন আমরা বই পড়ে আনন্দের মধ্যে কাটাতে পারবো, খুবই ভালো লাগছে।
বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা কামরুজ্জামান জানান, যাতায়াতের পথে ট্রেনের জন্য স্টেশনে অনেক সময় অপেক্ষা করতে হয়। এ সময় যাত্রীরা গল্পগুজব করে অলস সময় পার করেন। স্টেশনে বই পড়ার সুযোগ থাকলে যাত্রীরা বই পড়ে আনন্দে সময় কাটানোর মধ্যদিয়ে মনোজগতকে পরিশুদ্ধ করতে পারবেন। বই পড়ার এ কার্যক্রম আরো সম্প্রসারিত করার পরিকল্পনা রয়েছে আমাদের। ইতোমধ্যে জেলার বেশ কয়েকটি বাজারে সেলুন অণু-পাঠাগার ও বাসস্ট্যান্ড অণু-পাঠাগার চালু করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
উল্লেখ্য, ‘এসো বই পড়ি, নিজেকে আলোকিত করি’ স্লোগানকে সামনে রেখে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চৌরাকররা গ্রামে ২০১০ সালে গড়ে ওঠে বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার। প্রতিষ্ঠার পর থেকে পাঠাগারটি মানুষের মধ্যে পাঠাভ্যাস তৈরি ও জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে সেলুন, বাসস্ট্যান্ড ও স্টেশন অণু-পাঠাগার স্থাপনসহ শিক্ষামূলক কর্মকান্ডের পাশাপাশি আর্তমানবতার সেবায় বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পবিত্র মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহ আলায়হি ওয়াসাল্লাম ও জশনে জুলুছ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে জেলা ঈদ-এ মিলাদুন্নবী উদযাপন কমিটির উদ্যোগে এই আয়োজন করা হয়।
আলোচনা সভা ও জশনে জুলুছে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ছানোয়ার হোসেন।বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শাহজাহান আনছারী।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ আব্দুল হাই।
সম্মানিত মেহমান ছিলেন বাংলাদেশ ডেন্টাল কলেজ ঢাকা সাবেক প্রিন্সিপাল শাহ্ সুফি প্রফেসর ড. মুহাম্মদ আমীরুল ইসলাম (পি.এইচ.ডি), আহমাদাবাদ শরীফ করটিয়ার পীর সাহেব শাহ্ সুফি সাইফুল্লাহিল ক্বাতেয়ী, আহমাদাবাদ দরবার শরীফ বুহুলী টাঙ্গাইলের পীর সাহেব শাহ্ সুিফ ক্বারী মাওলানা হাবিবুল্লাহ আল আহমাদি।
বিশেষ মেহমান ছিলেন টাঙ্গাইল সরকারি এম এম আলী কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল প্রফেসর খন্দকার আরিফ মাহমুদ, সরকারি সা’দত কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ড. ছাইফুল মালেক আনসারী, পিচুরিয়া দরবার শরীফের পীর সাহেব শাহ সুফি আহমাদ আলী, দেলদুয়ার মৌলভীপাড়া শাহীবাগ দরবার শরীফের পীর সাহেব শাহ্ হারুন-অর-রশিদ।
জেলা ঈদ-এ মিলাদুন্নবী উদযাপন কমিটির সভাপতি ও হাজিবাগ দরবার শরীফের খাদেম অধ্যাপক মুহাম্মদ আব্দুল কদ্দুস খসরু সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন করটিয়া সরকারি সা’দত কলেজের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর আল কাদেরী, দেলদুয়ার আলালপুর ফাজিল মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা শাহ সুফি আব্দুল ওহাব সিরাজী।
সরকারি এম এম আলী কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগি অধ্যাপক আলী আশরাফ খান আর গাউছিয়া কমিটি টাঙ্গাইল জেলা শাখার প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোর্শেদ আলম মাসুদের সঞ্চালনায় আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু মোহাম্মদ এনায়েত করিম প্রমুখ।
মহানবীর জন্মদিনের আলোচনা শেষে পৌর উদ্যান থেকে বেলা ১২টায় আয়োজকদের পক্ষ থেকে জশনে জুলুছের একটি বিশাল র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পূনরায় পৌর উদ্যানে গিয়ে শেষ হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে চাঞ্চল্যকর গৃহবধূ খাদিজা আক্তার (২৩) হত্যা মামলার প্রধান আসামি তার কথিত স্বামী রাশেদকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৪)।
বৃহস্পতিবার( ২৮ সেপ্টেম্বর)ভোরে ঢাকার সাভারের আমতলীর মোড় থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত রাশেদুল ইসলাম (৩৫) টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের নলখোলা গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে র্যাব-১৪ সিপিসি-৩ টাঙ্গাইলের কোম্পানি অধিনায়ক রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
রফিউদ্দীন মোহাম্মদ যোবায়ের জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১৪ ও র্যাব-১ এর যৌথ একটি দল অভিযান চালিয়ে চাঞ্চল্যকর গৃহবধূ খাদিজা হত্যা মামলার প্রধান আসামি রাশেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। হত্যা কান্ডের পর থেকে রাশেদ পলাতক ছিল।
তিনি আরও জানান,খাদিজা আক্তার ও রাশেদ স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে টাঙ্গাইল শহরের বটতলা এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন। হত্যাকাণ্ডের পর তাদের বিয়ের বিষয়টি খাদিজা আক্তারের পরিবারের লোকজন জানতে পারেন। গত ৩ সেপ্টেম্বর খাদিজা আক্তারের কোন খোঁজ খবর না পেয়ে পরিবারের লোকজন বাসায় গিয়ে রুমের দরজা তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পায়। পরে পরিবারের লোকজন ও বাসার মালিকসহ তালা ভেঙে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে। ঘরে ঢুকে তারা খাদিজা আক্তারকে খাটের উপরে পড়ে থাকতে দেখতে পান।
এসময় খাদিজার পায়ের গোড়ালীর পিছনের রগ কাটা ছিল। ঘটনার পরদিন ৪ সেপ্টেম্বর খাদিজা আক্তারের বড় ভাই ইমান আলী (২৫) বাদী হয়ে রাশেদুল ইসলামসহ অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তিনি জানান, গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাশেদুল ইসলাম জানায়, মুন্নি আক্তার নামে তার স্ত্রী ও ৩ সন্তান রয়েছে। খাদিজা আক্তারের সম্পর্কের কথা এবং আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে পূর্বের স্ত্রীর সাথে তার মনোমালিন্য ছিল। খাদিজাকে নিয়ে সংসার করা অবস্থায় খাদিজা আক্তারও রাশেদের কাছে টাকা দাবি করেন।বারবার টাকা দাবি করায় এক পর্যায়ে রাশেদ উত্তেজিত হয়ে খাদিজাকে হত্যা করে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী যুবলীগের প্রাথমিক সদস্য নবায়ন ও ফরম সংগ্রহ কার্যক্রম কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।
সোমবার(২৫ সেপ্টেম্বর) সকালে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একুশে পদকপ্রাপ্ত বীরমুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুক ওই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
ওই কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম (ভিপি জোয়াহের) এমপি, কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগের সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ মামুন।
অনুষ্ঠানে জেলা যুবলীগের সভাপতি মাসুদ পারভেজের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, সাধারণ সম্পাদক আবু সাইম তালুকদার বিপ্লব।
এ সময় জেলা, শহর, সদর উপজেলাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের যুবলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা কারাগারের কারাবন্দীদের মৎস্য ও দর্জি এবং মহিলা কারাবন্দীদের জন্য সেলাই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
সোমবার(২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জেলা কারাগারে জেলা প্রশাসন ও জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে কারাবন্দীদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম।
এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আইরিন আক্তার, সিভিল সার্জন ডা. মিনহাজ উদ্দিন মিয়া, জেল সুপার মোখলেছুর রহমান, এনডিসি খায়রুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আনিছুর রহমান আনিছ, খন্দকার আশরাফুজ্জামান স্মৃতি প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে ৩২ জন পুরুষ কারাবন্দীকে দর্জি প্রশিক্ষণ, ১৫ জন মহিলা কারাবন্দীকে সেলাই প্রশিক্ষণ, ২২ জন পুরুষ কারাবন্দী মৎস্য প্রশিক্ষণ ও ১৫ জন্য পুরুষ কারাবন্দীকে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে ।
পরে কারাবন্দীদেরর জন্য মানসম্মত খাবারের বিষয়ে খোঁজ-খবর নিতে কারাগারের খাদ্য দ্রব্য ও স্টোর রুম পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক কায়ছারুল ইসলাম
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের(ডিএফএ ) সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলার বিশিষ্ট ফুটবল কোচ প্রয়াত আতিকুর রহমান খান জামিলের(জামিল বস) অকাল প্রয়াণে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের(ডিএফএ) উদ্যোগে শহরের জেলা পরিষদ মিলনায়তনে ওই সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মো. কায়ছারুল ইসলাম।
টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের(ডিএফএ) সভাপতি একুশে পদকপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান খান ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার ফরহাদ হোসেন, টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, প্রয়াত জামিলের মা টাঙ্গাইলের সাবেক সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ারা বেগম, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ প্রমূখ।
সভায় বক্তারা প্রয়াত আতিকুর রহমান জামিলের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে আলোচনা ও রুহের মাগফেরাত কামনা করেন।
শোকসভায় জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তা, সাবেক ও বর্তমান খেলোয়াড়, প্রয়াত জামিলের স্বজন সহবিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, টাঙ্গাইলে ফুটবলার তৈরির কারিগর, টাঙ্গাইল জেলা ফুটবল এসোসিয়েশন (ডিএফএ) এর সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান জামিল (জামিল বস) গত ৩ সেপ্টেম্বর(রবিবার )দুপুরে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন ।দীর্ঘদিন ধরে তিনি কিডনি সংক্রান্ত জটিল রোগে ভুগছিলেন। মৃত্যু কালে তার বয়স হয়েছিল ৬২ বছর।