একতার কণ্ঠঃ সিনেমাটিক স্টাইলে অবৈধ পথে পাচারকালে বিপুল পরিমাণ অবৈধ গজারি কাঠ জব্দ করেছে টাঙ্গাইল বন বিভাগ।রোববার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ভোরে সদর উপজেলার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বাওইখোলা এলাকা থেকে ১৮০ পিস গজারি কাঠ জব্দ করে বন বিভাগ।
এ ব্যাপারে বন বিভাগের টাঙ্গাইল সদর উপজেলার করটিয়া স্টেশন অফিসার সোলাইমান হোসেন জানান, দিবাগত রাত ৩ টার দিকে মহাসড়ক দিয়ে ট্রাক ভর্তি কাঠ ঢাকার দিকে যাচ্ছিলো। এ সময় ট্রাকটিকে সিগনাল দিলে তারা না থামিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরে তাদেরকে ধাওয়া করে মহাসড়কের বাওইখোলা এলাকা থেকে ট্রাকটিকে আটক করা হয়।
তিনি আরো জানান, এ সময় ঢাকা মেট্রো-ট ২২-২৮৪২ নাম্বার ট্রাকের চালক পালিয়ে যায়। পরে ট্রাকটি আটক করে বন বিভাগের প্র্রধান কার্যলয়ে নিয়ে আসা হয়। এ ব্যাপারে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে ।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের মামলায় সখীপুর উপজেলা বিএনপির ৪৯ জন নেতাকর্মীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।
রবিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সখীপুর) আমলী আদালতে ৫৯ নেতাকর্মী আত্মসমর্পণ করেন। এ সময় বিচারক ফারজানা হাছানাত ১০ জনের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন এবং ৪৯ নেতাকর্মীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
আটককৃতরা হলেন— উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড বিএনপি এবং এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৮ (সখীপুর-বাসাইল) আসনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে অংশ নেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর মেয়ে কুঁড়ি সিদ্দিকী। ওই নির্বাচনের আগে ২০ ডিসেম্বর রাতে সখীপুর উপজেলার কালিয়া ইউনিয়নের বড়চওনা এলাকায় টহলরত পুলিশের গাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর করা হয়। এ সময় সখীপুর থানা পুলিশ বাদী হয়ে ১৯৬ জনের নামে মামলা দায়ের করে। পরে তদন্ত শেষে ওই মামলায় ১২৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ।
আসামিপক্ষের আইনজীবী এসএম ফায়জুর রহমান বলেন, ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারণা ঠেকাতে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিত, হয়রানিমূলক, গায়েবি ও মিথ্যা মামলাটি দায়ের করা হয়।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে এক সপ্তাহ আটকে থাকা একটি বিড়ালকে উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। শনিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে শহরের পুরাতন হাসপাতাল রোডে অবস্থিত সরকারি শেখ ফজিলাতুন নেসা মুজিব মহিলা কলেজের চারতলা একটি ভবনের সানশেডে আটকে থাকা বিড়ালকে উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, এক সপ্তাহ ধরে বিড়ালটি ওই ভবনের সানশেডে আটকে ছিল। পরে পাশের ভবনে থাকা ওয়াহিদ আকরাম সুবিন শুক্রবার বিকালে ফায়ার সার্ভিসের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপর তিনি ফায়ার সার্ভিসের সাড়া না পেয়ে স্থানীয় এক সাংবাদিকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে তিনি বিড়ালটি উদ্ধারে টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতা চান। তারপরও সাড়া দেয়নি টাঙ্গাইল ফায়ার সার্ভিস।
বিষয়টি তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেন। মুহূর্তের মধ্যেই বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে। মন্তব্যে বিশিষ্ট কবি বুলবুল খান মাহবুব লেখেন ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার করবে না কেন, তাদের কাজ কি শুধু আগুন নেভানো।
এনিমেল রেস্কিউ অব টাঙ্গাইল গ্রুপের মুনিয়া ইতু ও ইথিকা ইমু বলেন, ভিডিওটি দেখে খুব মায়া লাগে বিড়ালটির জন্য। পরে ফায়ার সার্ভিসকে অনুরোধ করা হয়। প্রথমে তারা নেতিবাচক থাকলেও পরে রাজি হয়। তারা এসে আটকাপড়া বিড়ালটিকে উদ্ধার করেছে।
টিম এনিমেল লাভার্স গ্রুপের মো. জাকির বলেন, বিড়ালটিকে উদ্ধার করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
সাংবাদিক নওশাদ রানা সানভী বলেন, আশা করছিলাম ফায়ার সার্ভিস অনুরোধে তাৎক্ষণিক সাড়া দেবে। কিন্তু তারা প্রথমে বিড়ালটিকে উদ্ধারে রাজি হয়নি। একটু দেরি হলেও উদ্ধার করেছে। তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আশা করি, সকল প্রাণীর বিপদে তারা তাৎক্ষণিক পাশে থাকবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সদ্য নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেলের ম্যুরালের উদ্বোধন করা হয়েছে। শুক্রবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজের সামনের দৃষ্টিনন্দন মোড়ে ওই ম্যুরালের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান ফারুক, সাধারণ সম্পাদক জোয়াহেরুল ইসলাম এমপি, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছানোয়ার হোসেন এমপি, আতাউর রহমান খান এমপি, আহসানুল ইসলাম টিটু, তানভীর হাসান ছোট মনির, খান আহমেদ শুভ এমপি, খন্দকার মমতা হেনা লাভলী এমপি, অপরাজিতা হক এমপি, জেলা প্রশাসক ড. আতাউল গনি, পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার, টাঙ্গাইল পৌরসভার মেয়র এসএম আলমগীর হোসেন প্রমুখ।
গত ১৮ অক্টোবর শেখ রাসেলের জন্মদিনে ১০ লাখ টাকা ব্যায়ে এই শেখ রাসেলের ম্যুরালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন জেলা প্রশাসক ড. মো. আতাউল গনি।
পরে কৃষিমন্ত্রী প্রধান অতিথি হিসেবে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের নতুন কার্যনির্বাহী পরিষদের পরিচিতি সভা ও টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের সংসদ সদস্য খান আহমেদ শুভর সংবর্ধনায় যোগ দেন।
একতার কণ্ঠঃ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আগামী রবিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশ করা হবে। এরইমধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। ওমিক্রনের ঝুঁকির কারণে এবারো অনলাইনে হবে ফল প্রকাশ।বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি এইচএসসি, আলিম, এইচএসসি ভোকেশনাল, এইচএসসি ব্যবসা ব্যবস্থাপনা ও ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হবে।
সেদিন সকালে ২০২১ সালের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর দুপুরে শিক্ষাবোর্ডের ওয়েবসাইট এবং এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানা যাবে।
এরআগে বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে শুটিং ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আগামী সপ্তাহে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেদিন সময় দেবেন সেদিনই ঘোষিত হবে ফল।
জানা গেছে, ফল প্রকাশের দিন শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে সকাল ১০টায় সব শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রীর কাছে এর সারসংক্ষেপ তুলে ধরবেন। এরপর দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিকভাবে ফল প্রকাশ করা হবে। করোনা পরিস্থিতির কারণে ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ভার্চুয়ালি যুক্ত হবেন।
করোনার কারণে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে গত ডিসেম্বরে নেওয়া হয় ২০২১ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১৩ লাখ ৯৯ হাজার পরীক্ষার্থী অংশ করেন। চলতি বছরের জানুয়ারির শেষ সপ্তাহ বা ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ফল প্রকাশের কথা থাকলেও দেশের বাইরে থাকা বিভিন্ন কেন্দ্রের খাতা মূল্যায়নে দেরি হয়।
এ অবস্থায় বোর্ড জানায়, সব জটিলতার অবসান ঘটিয়ে ফলাফল প্রস্তুত করা হয়েছে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদ হত্যা মামলায় শর্ত সাপেক্ষে টাঙ্গাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র সহিদুর রহমান মুক্তির অন্তবর্তী কালীন জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রথম অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ মাসুদ পারভেজ তার জামিন মঞ্জুর করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি মনিরুল ইসলাম।
অতিরিক্ত পিপি মনিরুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক হত্যা মামলার স্বাক্ষ্য গ্রহণের দিন ছিল। ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি নেয়া চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিউলী রাণী দাসের সাক্ষ্য গ্রহণ ছিল। তবে স্বাক্ষী আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় আসামী পক্ষের আইনজীবীরা সুচিকিৎসার দাবিতে আসামীর জামিন আবেদন করেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি মনিরুল ইসলাম ও বাদি পক্ষের আইনজীবী রফিকুল ইসলাম জামিনের বিরোধিতা করেন। পরে বিচারক শর্ত সাপেক্ষে মুক্তিকে অন্তবর্তীকালীন জামিন মঞ্জুর করেন। জামিন মঞ্জুরের সময় মুক্তি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এই মামলার পরবর্তী তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি।
সহিদুর রহমান খান মুক্তি টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার ভাই ও বাবা আতাউর রহমান খান একই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য।
প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ লাশ তার কলেজপাড়ার বাসার কাছ থেকে উদ্ধার হয়। এ ঘটনার তিন দিন পর তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদি হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এ হত্যাকান্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ২০১৪ সালের আগস্টে আনিসুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আলী নামের দুজনকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। আদালতে দেওয়া ওই দুজনের স্বীকারোক্তিতে হত্যার সঙ্গে তৎকালীন ঘাটাইল আসনের সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানা, তাঁর তিন ভাই টাঙ্গাইল পৌরসভার তৎকালীন মেয়র সহিদুর রহমান খান মুক্তি, ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পার জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে। আমানুর রহমান খান রানা ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে আত্মসমর্পণ করেন। প্রায় তিন বছর হাজতবাসের পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। মুক্তি অভিযুক্ত হওয়ার পর দীর্ঘ ছয় বছর পলাতক থাকার পর ২০২০ সালের ২ ডিসেম্বর তিনি টাঙ্গাইলের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। তাঁর অন্য দুই ভাই ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান কাকন ও ছাত্রলীগের তৎকালীন কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সানিয়াত খান বাপ্পা এখনো পলাতক রয়েছেন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলে সন্ত্রাসী হামলায় মোমিনুল রহমান(৪২) নামে এক ডিস ও ইন্টারনেট ব্যবসায়ী গুরুত্বর আহত হয়ে বর্তমানে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধিন রয়েছে। বুধবার(৯ ফেব্রয়ারি) রাত সাড়ে নয়টার দিকে টাঙ্গাইল পৌর এলাকার বেড়াডোমা ডাইভারশন সেতুর উপর ওই হামলার শিকার হন তিনি।
মোমিনুল টাঙ্গাইল পৌর এলাকার ৪নং ওয়ার্ডের পার-দিঘুলিয়ার মৃত আজিজুর রহমান চৌধুরীর ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও আহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বেড়াডোমা সাবান ফ্যাক্টরির কাছে অবস্থিত ইউজার চয়েজ ক্যাবল ও ইন্টারনেট অফিস থেকে প্রতিদিনের মতো ব্যবসায়ী মোমিনুল তার পার-দিঘুলিয়ার বাসায় ফিরছিলেন। পথিমধ্যে বেড়াডোমা ডাইভারশন ব্রিজের মাঝামাঝি পৌঁছাতেই কয়েকজন মুখোশধারি সন্ত্রাসী তার উপর বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।
হামলায় তার ডান হাত, মাথা, ডান পা ও নাক গুরুত্বর জখম হয়। তার ডান হাতের তিনটি আগুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ ছাড়া কোপের আঘাতে তার নাক কেটে ঝুলে যায়।তার ডান পায়ের রানের উপর আঘাতও গুরুত্বর । গুরুত্বর আহত অবস্থা তিনি হেঁটে কোন রকমে বেড়াডোমা বেবিস্ট্যান্ডে অবস্থিত বিসমিল্লাহ মেডিসিন সপের সামনে গিয়ে পরে যায়। পরে আহতের ভাই মামুন ও মামুনের বন্ধু আলাউদ্দিন মোটরসাইকেল যোগে দ্রুত তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে অপরেশন থিয়েটারে নিয়ে জরুরী অপারেশন করা হয়। কিন্তু তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।
মনিমুলের বড়বোন কামরুন্নাহার বলেন, হামলার খবর পেয়ে তার ভাই মামুন ও তার বন্ধু আলাদিন মোমিনুলকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে হামলাকারিরা মুখোশ পরে থাকায় কাউকে চিনতে পারা যায়নি। ঘটনার পর হামলাকারিরা মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে গেছে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।
মমিনুলের বড় ভাই মাহবুব চৌধুরী মনি বলেন, ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে বুধবার রাতেই মোমিনুলের জরুরি অপারেশন করা হয়েছে।তিনি বর্তমানে হাসপাতালের পোস্ট অপারেটিভ কেয়ার ইউনিটে ভর্তি রয়েছে।মমিনুলের বর্তমান অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। তাই তারা আইনগত কোন ব্যবস্থার দিকে যায়নি। অবস্থার উন্নতি হলে তারা আইনগত প্রক্রিয়া যাবেন।
এ প্রসঙ্গে টাঙ্গাইল সদর থানার অফিসার-ইন-চার্জ( ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, বুধবার রাতেই ঘটনাটি জেনে ঘটনাস্থল ও টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে বিষয়টি তদন্ত করেছেন। তবে আহতের পরিবার থেকে এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার গয়হাটা ও বেকড়া ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে প্লাস্টিকের হস্তশিল্প তৈরির পল্লী গড়ে উঠেছে। আর এর মাধ্যমে অনেকেই স্বাবলম্বী হয়েছেন। দেশের টেক্সটাইল ও স্পিনিং মিলের পরিত্যক্ত প্লাস্টিক জাতীয় ওয়ানটাইম বেল্ট থেকে এ হস্তশিল্পের তৈরি হয়েছে। গড়ে উঠেছে বিভিন্ন মালিকানাধীন কারখানা।
এ সকল কারখানার মালিকরা শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন কারখানা থেকে পরিত্যক্ত প্লাস্টিক জাতীয় বেল্ট কিনে নিয়ে আসেন, এই প্লাস্টিক দিয়ে গ্রামীণ নারী-পুরুষ মিলে তৈরি করেন- সিলিং, ডোল কিংবা বেড়া।
এ সকল পণ্যের চাহিদা রয়েছে সারাদেশেই, স্থানীয় হাট-বাজার ছাড়াও কারখানা থেকে তাদের তৈরি পণ্য ক্রয় করে নিয়ে যাচ্ছেন গ্রাহকরা। বিশেষ করে ধান কাটার মৌসুমে এ ডোল বেড় এর চাহিদা একটু বেশি। সারা বছর তৈরি করা পন্যর চাহিদা হলেও বছরে অন্যান্য সময়ে কারখানা পরিত্যক্ত প্লাস্টিক জাতীয় বেল্ট দিয়ে কারিগররা তৈরি করেন, ঘরের সিলিং, বেড়াসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র।
প্লাস্টিকের তৈরি হলেও এ আসবাবপত্রগুলো দেখতে বাঁশ ও বেতের তৈরীর মতোই মনে হয়, টেকসই ও মজবুত হওয়ায় এর চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলছে। গ্রামীণ জনপদের নারী-পুরুষ সামান্য প্রশিক্ষণ নিয়ে তৈরি করছেন এমন পণ্য। তাদের তৈরি এ পণ্য স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন জেলায়, এতে করে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে এ শিল্পকে ঘিরে।ফলে সংসারে অভাব-অনটন অনেকটাই লাঘব করতে সক্ষম হচ্ছেন নারীরা, এই শিল্পের মাধ্যমে পাল্টে যাচ্ছে তাদের পারিবারিক চিত্র।
বারাপুষা গ্রামের ইসহাক মেম্বার জানান, তার কারখানায় মোট ৮০ জন শ্রমিক কাজ করছে। তবে প্রায় কর্মীরা তাদের নিজ নিজ বাড়িতেই এ কাজগুলো করে নিয়ে আসে, কারখানায় এসকল কর্মীরা গড়ে ১৫/২০ পিস করে চেগার(আকার ভেদে) ও একজন কারিগর একটি করে ডোল বানাতে পারে।
তিনি আরও জানান, সিলিং প্রতি কেজি ১৩০ টাকা, চেগার বিক্রি করেন ১১০ টাকা কেজি ধরে।
এ শিল্প কাজের সাথে জড়িত কয়েক জনের সাথে কথা বললে জানা যায়, তাদের উৎপাদিত পণ্য বেশ চাহিদা থাকলেও অর্থের অভাবে সরবরাহ করতে পারছেন না ক্রেতার চাহিদা মতো পণ্য। তবে ব্যাংক কিংবা কোন এনজিও প্রতিষ্ঠান সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করলে হয়তো এ শিল্প-কারখানা আরো প্রসারিত করা সম্ভব হতো বলে জানিয়েছেন কারিগররা।
টাঙ্গাইল বিসিকের কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান আল ফারুক জানান, এ শিল্পের সাথে জড়িত কারিগররা চাইলে বিসিক এর পক্ষ থেকে এ শিল্প উদ্যোক্তাদের সহায়তা করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) সিফাত-ই-জাহান জানান, এ শিল্পের সম্প্রসারণের জন্য উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের সহায়তা করা হবে।
একতার কণ্ঠঃ স্বৈরশাসক এরশাদের শাসন আমলে ১৯৮৭ সালে বাসভাড়া বৃদ্ধির প্রতিবাদ করতে গিয়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন টাঙ্গাইলের ছাত্রনেতা মির্জা আবু রায়হান খান জগলু। মঙ্গলবার(৮ ফেব্রয়ারি) সকালে টাঙ্গাইলে তাঁর ৩৫তম মৃত্যুবার্ষিকী যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে।
শহীদের পরিবার, জেলা বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা শহরের শহীদ জগলু রোড়ে ( পুরাতন আদালত রোড়) জগলুর স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পন করেন। পরে বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় মোনাজাত করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস-চেয়ারম্যান ও জেলার আহবায়ক অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, ঢাকা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বেনজির আহমেদ টিটু, জেলার সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক হাসানুজ্জামিল শাহীন, সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু, যুগ্ম-আহবায়ক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, কাজী শফিকুর রহমান লিটন, অমল ব্যানার্জী, দেওয়ান শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
উল্লেখ্য, ১৯৮৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি স্বৈরশাসক এরশাদের আমলে বাস ভাড়া বাড়ানোর প্রতিবাদে আন্দোলনরত জনতার ওপর পুলিশ গুলিবর্ষণ করে। এ আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক তৎকালীন ছাত্রদলনেতা মির্জা আবু রায়হান জগলু নিহত হন।
একতার কণ্ঠঃ টাঙ্গাইলের মধুপুরে প্রেমিকার অন্যত্র বিয়ে হয়ে যাওয়ায় প্রিতম কুমার সিংহ আকাশ (২১) নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছেন। রোববার (০৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ১টার দিকে তিনি বিষপান করেন। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু।
প্রিতম কুমার সিংহ আকাশ মধুপুর পৌরসভায় সাথী সিনেমা হল রোডের পার্শ্বের উত্তম কুমার সিংহের ছেলে। তিনি ঢাবির চারুকলা বিভাগের স্নাতক (সম্মান) শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, টাঙ্গাইলের কুমুদিনী সরকারি মহিলা কলেজের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল প্রিতমের। সম্প্রতি মেয়েটির অন্যত্র বিয়ে হয়ে যায়। প্রেমিকাকে হারানোর বেদনা ও ক্ষোভে রোববার(৬ ফেব্রয়ারি) রাতে নিজ বাড়িতে ইঁদুর মারার বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন প্রিতম। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে তাকে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করে। পরে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। পরে সোমবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টাঙ্গাইলের রানিদিনমনি মহাশ্মশান ঘাটে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।
মধুপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বাবলু আকন্দ বলেন, প্রেমঘটিত কারণে প্রিতম আত্মহত্যা করেছেন বলে জানতে পেরেছি।
একতার কণ্ঠঃ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড(বিসিবি)আয়োজিত ইয়াং টাইগার্স অনূর্ধ্ব-১৬ জোনাল ক্রিকেটের সেন্টাল জোনের কিশোরগঞ্জ ভেন্যুতে টাঙ্গাইল জেলা দল তাদের প্রথম ম্যাচেই বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা দল মানিকগঞ্জ জেলা দলকে ১৩৯ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করেছে।
সোমবার (৭ ফেব্রয়ারি) সকালে কিশোরগঞ্জ জেলা স্টেডিয়ামে টাঙ্গাইল জেলা দলের অধিনায়ক দেবাশিষ সরকার সকালে টসে জয় লাভ করে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। ঘন কুয়াশার কারনে নির্ধারিত ৫০ ওভারের খেলা কমিয়ে ৪২ ওভারে নির্ধারন করা হয়। টাঙ্গাইল জেলা দল নির্ধারিত ৪২ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ২০৮ রান করেন।
টাঙ্গাইল জেলা দলের পক্ষে রিফাত ১০৬ বল খেলে ৮২ রান করে রান আউটের শিকার হয়। একই দলের অধিনায়ক দেবাশিস ৯৩ বলে ৮১ রান করে অপরাজিত থাকে।
জবাবে, ২০৮ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে টাঙ্গাইল জেলা দলের বোলিং তোপের মুখে পরে মানিকগঞ্জ জেলা অনূর্ধ্ব-১৬ ক্রিকেট দল ৩৪ ওভার ১ বল খেলে মাত্র ৬৯ রানে গুটিয়ে যায়।
টাঙ্গাইল জেলা দলের পক্ষে রাদিল ৮ ওভার বল করে ৪টি মেডেন সহ মাত্র ৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট দখল করে। অপরদিকে একই দলের অপর বোলার মুনতাসির ৮ ওভার বল করে ২ টি মেডেন সহ ১৩ রান দিয়ে ৩টি উইকেট শিকার করে। ফলে টাঙ্গাইল জেলা দল তাদের প্রথম ম্যাচে অনায়াসে ১৩৯ রানের ব্যবধানে জয় লাভ করে।
খেলায় ম্যান অব দি ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছেন টাঙ্গাইল জেলা দলের ব্যাটসম্যান রিফাত বেগ।
টাঙ্গাইল জেলা অনূর্ধ্ব-১৬ ক্রিকেট দলের খেলোয়ারগণ হচ্ছেঃ- দেবাশিস(অধিনায়ক) সামিউল(উইকেট রক্ষক) আবিদ, বাঁধন, রিফাত, হামজা, সাবিবুর, ইমরুল, মাহাদি, মুনতাসির, ও রাদিল।
টাঙ্গাইল জেলা দলের কোচ হিসেবে আছেন কামরুল ইসলাম ও ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য ভ্রমর চন্দ্র ঘোষ ঝোটন।সহকারি ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন মানুনুর রশিদ মামুন ।
টাঙ্গাইল জেলা অনূর্ধ্ব -১৬ ক্রিকেট দলের সার্বিক দায়িত্বে আছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড( বিসিবি) নিয়োজিত টাঙ্গাইল জেলা ক্রিকেট কোচ মো. আরাফাত রহমান।
প্রসঙ্গত, টাঙ্গাইল জেলা গ্রুপ পর্বের ম্যাচে আগামী বুধবার(৯ ফেব্রয়ারি) রাজবাড়ী জেলা দল ও শনিবার(১২ ফেব্রয়ারি) শরিয়তপুর জেলা দলের বিপক্ষে কিশোরগঞ্জ ভেন্যুতে খেলবে।
একতার কণ্ঠঃ উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী লতা মঙ্গেশকর আর নেই। মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে রোববার (০৬ ফেব্রুয়ারী) সকালে ৯২ বছর বয়সে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ১১ জানুয়ারি তিনি মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হন। গত চার সপ্তাহ ধরে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।
সম্প্রতি অবস্থার উন্নতিও হচ্ছিল। কিন্তু শনিবার (০৫ ফেব্রুয়ারী) হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে। তাকে নিতে হয় ভেন্টিলেশনে। সেখান থেকে আর ফেরানো যায়নি লতাকে।
নিউমোনিয়াতেও আক্রান্ত ছিলেন এই বরেণ্য এই শিল্পী। প্রথম থেকেই তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছিল।
৩০ জানুয়ারি শিল্পীর কোভিড নেগেটিভ রিপোর্ট আসে। কিন্তু বয়সজনিত নানা সমস্যার কারণে শেষ পর্যন্ত আর লড়তে পারলেন না তিনি।
এর আগেও সংকটজনক অবস্থায় একাধিকবার হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়েছিল লতাকে। কিন্তু অনুরাগীদের আশ্বস্ত করে প্রত্যেকবারই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছিলেন।
১৯২৯ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর লতার জন্ম এক মারাঠি পরিবারে। মাত্র ১৩ বছর বয়সে বাবাকে হারান। তার আগে অবশ্য বাবার হাত ধরেই অভিনয় এবং গান শিখতে শুরু করে দিয়েছিলেন।
১৩-১৪ বছর বয়সেই প্রথমবার সিনেমায় গান গেয়েছে মারাঠি ছবিতে। মুম্বাই যাওয়ার পর ১৯৪৮ সালে প্রথম হিন্দি গান গেয়েছেন ‘মজবুর’ ছবিতে।